পোস্টগুলি

হলুদ গ্রহ কাকে বলা হয়?

ছবি
 বায়ুমণ্ডলের উপরিতলে অ্যামোনিয়া কেলাসের উপস্থিতির জন্য শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ। ধাতব হাইড্রোজেনের মধ্যে প্রবহমান তড়িৎ প্রবাহটিকে শনির গ্রহগত চৌম্বক ক্ষেত্রের উৎস মনে করা হয়। শনি গ্রহ সূর্য থেকে আমাদের সৌরমণ্ডলের ছয় নম্বর গ্রহ । আর জুপিটার এরপর সবথেকে বড় গ্যাশ যায়নি এখনো পর্যন্ত শনিগ্রহে মোট চারটি মিশন করা হয়েছে । পায়োনিয়ার ইলেভেন ৪১৫ ১২ এবং ক্যাশ ইন ১৯৪৮ সালের মধ্যে কেবলমাত্র একটি মিশন কমিশনের মাধ্যমে শনি গ্রহকে খুব কাছ থেকে দেখা গেছে । শনি গ্রহ সম্পর্কে জানতে পেরেছিলাম এবং সব থেকে বড় চাঁদ টাইটানে সৌরমণ্ডলের একটি বিশেষ ধরনের প্রাণী রয়েছে । বিশেষ বৈশিষ্ট্য আমাদের সৌরমণ্ডলের অন্যান্য কেমন আসে তুলনায় এই সকল ক্লান্তি পাতলা এবং অস্পষ্ট । কিন্তু সেখানে তিনি এতটাই মোটা এবং পৃথিবী থেকে টেলিস্কোপ এর লক্ষ্য করা যায় ।  শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ  শনিগ্রহে ইতিহাস হ্যালো বন্ধুরা শনিগ্রহ অজানা তথ্য যা হয়তো আগে কখনো শোনেননি এই রোমাঞ্চকর মহাযাত্রা । প্রথম আবিষ্কার কিভাবে হল ডিসকভারি তিনটে ভাগ করা যায় । প্রথম অবজারভেশন টেলিস্কোপিক অবজারভেশন এবং তৃতীয় অবজারভেশন ...

রেডিও টেলিস্কোপ আবিষ্কার কিভাবে হয়েছিল?

ছবি
টেলিস্কোপ   প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে পর্যন্ত পৃথিবীর বাইরে যে বৃহত্তর জগতে রয়েছে অর্থাৎ ইউনিভার সম্পর্কে আমরা জানিনা । কেবল মাত্র দৃষ্টিশক্তি অনুমান ম্যাথমেটিক্যাল ক্যালকুলেশনের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর ছিলাম । তবে সেই সময়কার বেশিরভাগ ক্যালকুলেশন একুরেট হতো না । কারণ সেই সময়ে বর্তমান দিনের নেয় অ্যাডভান্স টেকনোলজি মডার্ন সাইন্টিফিক ডিসকভার হয়নি । তাই এই দীর্ঘ সময় ধরে আমরা কেবলমাত্র নিজেদের সোলার সিস্টেম এবং সূর্যের কাছে থাকা কয়েকটি গ্রহ সম্পর্কে বোঝার চেষ্টা করছিলাম ।  সেই সময় ব্ল্যাকহোল একজনের অথবা শুধুমাত্র কনসেপ্ট ছিল । এরপর আসে যখন ষোলো চোখ এড়াতে টেলিস্কোপ এর ডিসকভার হয় এই সময় থেকে আমরা মহাকাশের বহু দূরে থাকা অবজেক্টকে ক্লিয়ার দেখতে শুরু করি । টেলিস্কোপ কেমন করে আবিষ্কার হয়েছিল  টেলিস্কোপের সাহায্যে দূরের জিনিস কাছে থাকলেও এর একটি সমস্যা ছিল । সেই অফ থে অরিজিনাল অন অবজেক্ট এবং কম্পোজিশন এই ধরনের ডিটেলসটা জানা যেত না । আর এই সমস্যার সমাধান করেছিল রেডিও টেলিস্কোপ । টেলিস্কোপ থেকে রেডিও টেলিস্কোপ বানানোর পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ইন্টারেস্টিং স্ট...

সত্যি কি হোয়াইট হোল হয়?

ছবি
আমাদের ইউনিভার্স আর রহস্যের একটি গভীর সম্পর্ক আছে । ইউনিভার্স যেমন দেখা যায় আসলে সেটা ঐ রকমটা নয় । আমরা আজ পর্যন্ত ইউনিভার্সের সম্পর্কে যতটাই খোঁজ করিনা কেন কিন্তু আমরা আজও এটা সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে সক্ষম হয়নি । আমরা আমাদের ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে যতটুকু জানতে পেরেছি তা এই সমস্ত মহান শব্দের কারণে । যারা ম্যাথমেটিক্স এর সাহায্যে আমাদের এই ইউনিভার্সের সম্পর্কে আমাদেরকে জানতে সাহায্য করেছে । বন্ধুরা আজকের এই পোষ্টে আমরা হোয়াইট হলে সম্পর্কে জানব । কিন্তু  হোয়াইট হোল সম্পর্কে জানতে গেলে আপনাকে ব্ল্যাকহোলের সম্পর্কে কিছুটা জানতে হবে । আমাদের এই ইউনিভার্সিটির সবথেকে রহস্যময় জিনিস হল ব্ল্যাক হোল । ব্ল্যাকহোলের এমন একটি স্থান যেখানে এতটাই অধিক হয়েছে ওই স্থান থেকে কোনকিছুই বাইরে বেরোতে পারে না । দ্রুতগতিতে ট্রাভেল করে সেটা ওইখান থেকে বাইরে আসতে পারে না । আর এই কারনেই আমরা ব্ল্যাকহোল কে দেখতে পারিনা । আমরা যা দেখি সেটা হচ্ছে ব্ল্যাকহোলের বাইরের অংশকে ইভেন্ট হরাইজন বলা হয়ে থাকে । কিন্তু বন্ধুরা কঠিন হলেও সত্য তাই আমরা আজ পর্যন্ত ব্ল্যাকহোল কে দেখতে পাইনি ।  আর আমাদে...

মঙ্গল গ্রহে যাওয়া প্রথম নারী

ছবি
 কখনো কি ভেবে দেখেছেন আপনাকে যদি এই পৃথিবী থেকে ৯৪ কোটি কিলোমিটার দূরে মঙ্গল গ্রহে একা রেখে আসা হয়? তাহলে কেমন হবে শুনতে অবাক লাগলেও এটা সত্য যে ২০৩৩ সালে প্রথম মানুষ হিসেবে এলিজা কার্সন নামে এই মেয়েটি একা যাবে মঙ্গল গ্রহে । সাত বছর বয়সে বাবা তাকে নিয়ে গিয়েছিলেন আলবামার একটি এসপেস ক্যাম্পে সেই ক্যাম্পের অভিজ্ঞতার তাকে এমন ভাবে নাড়িয়ে দিয়েছিল যে তার ভাবনার জগৎ তাই অন্য শিশুদের চাইতে আলাদা হয়ে যায় । এলিজা কার্সন  এলিজা কার্সন এলিজার যখন ৯ বছর বয়স তখন তার সাথে দেখা হয়  ৪১ মহাকাশচারীরা মাসের এই নারী মহাকাশচারী তাকে জানিয়ে দিয়েছিলেন । ছোটবেলাতেই তিনি মহাকাশে যাওয়া স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন । এই কথাটা নিজের চোখে মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন কি আর ও করেছিলো । ১২ বছর বয়সে এলিজা সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে আলবামা কানাডার কুইবেক ও তুরস্কের ইজমির বিভিন্ন অংশ নেয় । মহাকাশের বেসিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন মিশন কিভাবে পরিচালিত হয় তা শিখে নিয়েছে । এলিজা মহাকর্ষ শূন্যস্থানে চলাচল করার পদ্ধতি স্থানে থাকা শিখে নিয়েছে । এলিজা অর্জন করেছে বিশেষ মুহূর্তে জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়ার দ...

বিরল ঘটনা মহাকাশে, ধূমকেতু থেকে বেরিয়ে আসছে যেন আগ্নেয়গিরির লাভা

ছবি
ধুমকেতু হল ধুলো বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু। ধূমকেতু একটি ক্ষুদ্র বরফাবৃত সৌরজাগতিক বস্তু যা সূর্যের খুব নিকট দিয়ে পরিভ্রমণ করার সময় দর্শনীয় কমা ,একটি পাতলা, ক্ষণস্থায়ী ও বায়ুমন্ডল । এবং কখনও লেজও প্রদর্শন করে । ধূমকেতুর নিউক্লিয়াসের ওপর সূর্যের বিকিরণ ও সৌরবায়ুর প্রভাবের কারণে এমনটি ঘটে থাকে । ধূমকেতু থেকে বেরিয়ে আসছে যেন আগ্নেয়গিরির লাভা ধূমকেতুর আগ্নেয়গিরির লাভা ফ্লোডিং কমেন্ট ঘটনা মহাকাশে ধুমকেতু থেকে বেরিয়ে আসছে । যেন আগ্নেয়গিরির লাভা সেই নিয়ে খবর দিতে চলে এলাম । বন্ধুরা চলে আসি খবরে যেন হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে জেগে উঠছে আগ্নেয়গিরি । বলা যেতে পারে জেগে উঠেছে আগনিওগিরি গলগল করে বেরিয়ে আসছে লাভা আর তাতেই আলোকিত হয়ে উঠছে চারপাশ । সেভাবেই হঠাৎ অসম্ভব উজ্জ্বল হয়ে উঠতে দেখা গেল একটি ধূমকেতুকে । এমন ধূমকেতুর হইল এই প্রথম এখনো পর্যন্ত আমাদের চোখে ধরা দিয়েছে যে বৃহত্তম ধুমকেতু । ধুমকেতু তাদের অন্যতম আকারে হেলবপ ধুমকেতু সুবিশাল গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকে হেলবপ ধুমকেতু উজ্জ্বলভাবে দেখা গিয়েছিল । পৃথিবীর আকাশে ১৯২৭ সালে আবিষ্কৃত হলেও এই ধূমকেতুটিকে এর আগে হঠাৎ এতটা ...

ভয়েজার ১ এখন কোথায়?

ছবি
সৌরজগতের প্রান্তসীমা অতিক্রম করে যাচ্ছে । ৩৫ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার উৎক্ষেপণ করা নভোযান ভয়েজার ১ এখন সৌরজগতের এক প্রান্তসীমায় অবস্থান করছে ।ভয়েজার ১ 'সায়েন্স' সাময়িকীতে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছিল যে বর্তমানে পৃথিবী থেকে সাড়ে ১৮ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করছে  এই   নভোযানটি । ভয়েজার ১ মহাকাশে ভয়েজার ১  ভয়েজার ১, ২০২৫ সালে আমাদের সঙ্গে সকল যোগাযোগ ছিন্ন করে চিরতরে হারিয়ে যাবে । এই সুবিশাল মহাকাশের কোন এক অজানা স্থানে । আজ থেকে ৪২ বছর পূর্বে ৫ সেপ্টেম্বর  ১৯৭৭ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল ভয়েজার ওয়ান । স্পেস কে যদি আপনি একজন স্পেশাল হয়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই জেনে থাকবেন । যে ভয়েজার ওয়ান স্পেস ক্রাফট মানুষের বানানো প্রথম মহাকাশযান । পৃথিবী থেকে সবথেকে দূরে অবস্থান করছে । যদি  ডিটেলস জানতে চান তাহলে পোস্টটি  পড়তে পারেন । ইতিহাসে প্রথম ব্যাংক ইন্টারেস্ট ফিল করছি । বর্তমানে পৃথিবী থেকে  প্রায় ২১ দশমিক ৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। কিন্তু এত দূরে যাওয়া সত্ত্বেও আজ আমাদের সাথে কমিউনিকেট করে চলেছে । স্পেসিফ...

টেলিস্কোপ কিভাবে তৈরি হয়

ছবি
টেলিস্কোপ তৈরি    (২ এর মধ্যে ১ এন্ট্রি) ১: একটি লেন্সের মাধ্যমে আলোক রশ্মির প্রতিসরণ বা অবতল দর্পণ দ্বারা আলোক রশ্মির প্রতিফলনের মাধ্যমে দূরবর্তী বস্তু দেখার জন্য সাধারণত একটি টিউবুলার অপটিক্যাল যন্ত্র । প্রতিফলক প্রতিসরাকের তুলনা করুন। ২: বিভিন্ন টিউবুলার ম্যাগনিফাইং অপটিক্যাল যন্ত্রের যেকোনো একটি। মেশিনিং দিয়ে টেলিস্কোপ বহু শতাব্দী আগে একজন ডাচ অপটিশিয়ান দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছিল । তার আগে এটি বিশ্বাস করা হয়েছিল যে পৃথিবী আসলে সূর্যের চারপাশে ঘোরানো সিরিজটি ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিওর হাতে ছাড় দিয়েছিল। যে টেলিস্কোপটি বাস্তবতাকে ফোকাসে নিয়ে এসেছে আধুনিক টেলিস্কোপগুলি সেই প্রারম্ভিক সংস্করণগুলির থেকে আলোকবর্ষ এগিয়ে এবং তাদের আইপিসগুলির মাধ্যমে মহাবিশ্ব একটি প্রতিফলিত দূরবীন বাউন্স করে। এবং আলোকে ঘনীভূত করতে থাকে। আয়নার সাথে উত্পাদন শুরু হয় নলাকার ধাতব অংশগুলির ।  মেশিনিং দিয়ে এগুলি বিভ্রান্তিকর এবং একসাথে স্ক্রু করা হলে এগুলি স্ট্রেলাইটকে ব্লক করবে। যা হস্তক্ষেপ করবে টেলিস্কোপ অপারেশন আরও সরঞ্জামগুলি। একটি কঠিন অ্যালুমিনিয়াম ডিস্ককে স্পোক সহ একটি রি...