পোস্টগুলি

আকাশগঙ্গা এর কাছে বিন্দুর মতো! আলোর গতিতে পেরোতে সময় নেয় ১০০০ কোটি বছর

ছবি
এটি হল অনেকগুলি গ্যালাক্সির পুঞ্জ,পোশাকি ভাষায় সুপারক্লাস্টার অফ গ্যালাক্সিজ ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  আমাদের এই ইউনিভার্স ১৩৮০ কোটি বছরের পুরনো। এর মধ্যে পদে পদে বিস্ময়। তবে সাম্প্রতিক এক বিস্ময়ে স্রেফ হতবুদ্ধি হয়ে গিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল। হতবাক সাধারণ মানুষও খোঁজ মিলেছে স্পেসের 'দ্য বিগেস্ট সিঙ্গল এনটিটি'র। সেটি হল হারকিউলিস-করোনা বোরিয়ালিস গ্রেট ওয়াল। এটিকেই এখনও পর্যন্ত মহাকাশের সব চেয়ে বড় বস্তু বলে চিহ্নিত করা গিয়েছে। কত বড় এটি?  শুধু একটি হিসেব শুনলেই মাথা ঘুরে যাবে। এই হারকিউলিস করোনা বোরিয়ালিস গ্রেট ওয়াল কে অতিক্রম করতে আলো সময় নেয় ১০০০ কোটি বছর।মহাকাশ মানেই অবশ্য সব বড়সড় ব্যাপার। আর আপাতদৃষ্টিতে পৃথিবীই আমাদের কাছে ঢের বড় ব্যাপার। কিন্তু মহাকাশের নিরিখে পৃথিবী একটা সামান্য ব্যাপার। বৃহস্পতি হল এক দৈত্য গ্রহ। যার মধ্যে ১৩০০ পৃথিবী ঢুকে পড়তে পারে। আবার এহেন বিপুল বৃহস্পতি সূর্যের কাছে সামান্যই। সূর্য আক্ষরিক অর্থেই এক বিপুল ব্যাপার। অথচ এই সূর্যও এক অতি সামান্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় 'ইউওয়াই স্কুটি'র মতো অতিদৈত্যাকার এক নক্ষত্রের কাছে। এর মধ্যে ১৭০০ সূর্য ধরে যায়। এটি...

সেলফি তুলে পাঠাল নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
 সেলফি তুলে পাঠাল নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  প্রথম ছবি পাঠাল নাসার নয়া স্পেস টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব। তাতে দেখা গেল ২৫৮ আলোকবর্ষ দূরে একটি তারার আলো। শুধু তাই নয় নিজের একটি নিজস্বীও পাঠিয়েছে সে। তাতে ঝকঝক করছে তার সোনার আয়না।গত বছর ২৫ ডিসেম্বর মহাকাশে পাঠানো হয় জেমস ওয়েবকে।  এই প্রথম মহাকাশে থেকে এ ভাবে নজরদারি চালানো হবে বহির্বিশ্বের উপরে। মহাকাশে ২১ ফুট দীর্ঘ এমন বৃহদাকার দূরবীক্ষণ যন্ত্র পাঠানো হয়েছে এই প্রথম। বলা ভাল এটি অবজ়ারভেটরি বা মহাকাশ পর্যবেক্ষণাগার। ওয়েবের তোলা প্রথম ছবিটিতে দেখা গিয়েছে ২৫৮ আলোকবর্ষ দূরে উরসা মেজর নক্ষত্রপুঞ্জের একটি তারাকে। নাম এইচডি ৮৪৪০৬। এই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত  বাল্টিমোরের স্পেস টেলিস্কোপ সায়েন্স ইনস্টিটিউট এর বিজ্ঞানী মার্শাল পেরিন বলেন যে, সত্যি বিস্ময়কর মুহূর্ত।এই টেলিস্কোপে রয়েছে একটি ষড়ভুজ আয়না। যার প্রতিটি বাহু একটি কফি টেবিলের আকারের। এগুলি একজোটে একটি ফোকাস তৈরি করবে। এ ভাবে পুরোদমে পর্যবেক্ষণের কাজ শুরু হবে জুনের শেষ থেকে। আরও পড়ুন:  সৌরমণ্ডলে ঢুকছে এক ‘মহাদৈত্য’, এর আগে দেখা মেলেনি এত বড় আকারের ধূমক...

সৌরমণ্ডলে ঢুকছে এক ‘মহাদৈত্য’, এর আগে দেখা মেলেনি এত বড় আকারের ধূমকেতুর

ছবি
সৌরমণ্ডলে ঢুকে পড়তে চলেছে এক মহাদৈত্য ছবি। হ্যালো বন্ধুরা সৌরমণ্ডলে ঢুকে পড়তে চলেছে এক মহাদৈত্য। যার দেহের একটি প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের দূরত্ব ৮৫ মাইল। বা ১৩৭ কিলোমিটার। এর আগে এত বড় চেহারার দৈত্য আর ঢোকেনি সৌরমণ্ডলে।সাম্প্রতিক একটি গবেষণা এই খবর দিয়েছে। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হতে চলেছে যে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স লেটার্স’-এ। এই মহাদৈত্যটি আপাদমস্তক মোড়া পুরু বরফে। তার লেজ গজায়নি এখনও। সৌরমণ্ডলে ঢোকার পর যতই সে সূর্যের দিকে এগোতে থাকবে ততই সূর্যের অভিকর্ষ বলের টান আর সৌরবিকিরণে তার পুরু বরফে মোড়া দেহ গলতে শুরু করবে। তৈরি হবে লেজ। সেই লেজ গোটা সৌরমণ্ডলে ছড়িয়ে দেবে রাশি রাশি বরফের কণা। সূর্যের সঙ্গে তার দূরত্ব যত কমবে ততই বাড়বে তার লেজের দৈর্ঘ্য। ২০১৪ সালে প্রথম এই মহাদৈত্যের হদিশ পেয়েছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। আট বছর পর সৌরমণ্ডলের একেবারে শেষ প্রান্তে থাকা তার মুলুক বরফের মহাসাম্রাজ্য ওরট্‌ ক্লাউড থেকে বেরিয়ে সেই মহাদৈত্য এ বার ঢুকে পড়তে চলেছে সৌরমণ্ডলে। হতে চলেছে সূর্য-মুখী।এই মহাদৈত্যটি আদতে সুবিশাল একটি ধূমকেতু। এখনও যা রয়ে...

সৌরঝড়ের দাপটে মহাকাশে হারাল ৪০ টি স্যাটেলাইট, বিপুল ক্ষতির মুখে এলন মাস্কের সংস্থা স্পেসেক্স, Space

ছবি
সৌরঝড়ের মুখে পড়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে ৪০টি  স্যাটেলাইট ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  আশঙ্কা সতর্কবার্তা ছিলই। সেসব সত্যি করে পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রে টানা চারঘণ্টা দাপটে দেখাল সৌরঝড় । আর তাতেই উৎক্ষেপণের মাত্র একদিন পরই হারিয়ে গেল স্পেস এক্স  সংস্থার অন্তত ৪০ টি স্যাটেলাইট। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে একসঙ্গে ৪৯ টি কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু পরদিনই সৌরঝড়ের মুখে পড়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে ৪০টি। এতে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে স্পেস এক্স। তবে বাণিজ্যিকভাবে মহাকাশ গবেষণা শুরু করা এলন মাস্কের সংস্থা এই ক্ষতি আপাতত মেনে নিচ্ছে।গত সপ্তাহে আমেরিকার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ফ্যালকন-৯  রকেটে করে ৪৯ টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল পৃথিবীর কক্ষপথে। ফ্যালকন-৯ এর নানা শ্রেণির রকেটই সাধারণত ব্যবহার করে থাকে স্পেস এক্স।  লক্ষ্য ছিল পৃথিবীর কক্ষপথের ২১০ কিলোমিটার পর্যন্ত এই স্যাটেলাইটগুলিকে স্থাপন করে নানা তথ্য পাওয়া। এমনকী এই আসন্ন সৌরঝড়টিও পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রকে কতখানি প্রভাবিত করতে পারবে। সে সম্পর্কে আভাস পাওয়াও ছিল এই কৃত্রিম উপগ্রহগুলি উৎক্ষেপণের এ...

এ বছর ইসরো-র প্রথম উৎক্ষেপণ, কক্ষপথে যাচ্ছে তিনটি উপগ্রহ

ছবি
 ইসরো-র প্রথম উৎক্ষেপণ কক্ষপথে যাচ্ছে তিনটি উপগ্রহ ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো এ বছরের প্রথম উৎক্ষেপণ করবে সোমবার। পৃথিবীর কক্ষপথে যাবে তিনটি কৃত্রিম উপগ্রহ। তার একটি ভূপর্যবেক্ষণকারী উপগ্রহ ইওএস-০৪। অন্য দু’টির একটি ছাত্রছাত্রীদের বানানো ইনস্পায়ারস্যাট-১। তৃতীয়টি, ইনস্যাট-২টিডি। ইসরো সূত্রে শুক্রবার এই খবর দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় সতীশ ধবন মহাকাশ কেন্দ্রের প্রথম লঞ্চপ্যাড থেকে সোমবার ভোর ৫টা ৫৯ মিনিটে উৎক্ষেপণ হবে তিনটি উপগ্রহের। ইসরো-র অত্যাধুনিক শক্তিশালী পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল পিএসএলভি রকেটের পিঠে চাপিয়ে। ইসরো জানিয়েছে যে, ভূপর্যবেক্ষণকারী যে উপগ্রহটিকে এ বার পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হচ্ছে । সেই ইওএস-০৪-এর আর একটি নাম রাডার ইমেজিং স্যাটেলাইট রাইস্যাট। এই উপগ্রহটির মাধ্যমে নতুন কৃষিজমি ও বনাঞ্চলের সন্ধান করা হবে। বনসৃজনের জন্য বাছা হবে উপযুক্ত এলাকা। আরও পড়ুন:  উড়তে যাচ্ছে বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রিক বিমান এ ছাড়াও ভয়াল বন্যায় নতুন কোন কোন এলাকা ভেসে যেতে পারে তারও মানচিত্র তৈরি করা হবে এই উপগ্রহের পাঠানো ছবি ও তথ...

উড়তে যাচ্ছে বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রিক বিমান

ছবি
যাত্রা করতে যাচ্ছে  বিশ্বের প্রথম যাত্রীবাহী ইলেকট্রিক প্লেন ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  আকাশপথে উড়ানের এক নতুন প্রজন্মের শুরু হতে চলেছে। যাত্রা করতে যাচ্ছে  বিশ্বের প্রথম যাত্রীবাহী ইলেকট্রিক প্লেন। যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ওয়াশিংটনের সিয়াটলের আর্লিংটন মিউনিসিপ্যাল বিমানবন্দরে এর ইঞ্জিনের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে গত সপ্তাহেই। খবর সিএনএন এর। অ্যালিস নামের এই বিমানের প্রতিষ্ঠাতা ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান এভিয়েশন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিমানটি যাত্রা শুরু করবে বলে জানিয়েছেন এভিয়েশনের প্রধান নির্বাহী সিইও ওমর বার ইওহায়। মূলত ইলেকট্রিক গাড়ি ও মুঠোফোনের ব্যাটারির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তির মাধ্যমেই চলবে অ্যালিস। লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হচ্ছে এটিতে। তবে এর শক্তিশালী চার্জিং ক্ষমতা রয়েছে। মাত্র ৩০ মিনিটেই সম্পূর্ণভাবে চার্জ করা যাবে গোটা বিমানটিকে। আরও পড়ুন:  ছায়াপথে মিলল রহস্যময় আগন্তুকের সন্ধান, ঘড়ি ধরে ১৮ মিনিট ১৮ সেকেন্ড অন্তর অন্তর সংকেত আরও পড়ুন:  গুগল ক্রোমের নতুন লোগো এসেছে ঘণ্টায় ৪৬২ কিলোমিটার গতিবেগ সম্পন্ন এই বিমানটি মাত্র এক ঘণ্টা উড়তে সক্ষম। তবে ...

গুগল ক্রোমের নতুন লোগো এসেছে

ছবি
হ্যালো বন্ধুরা  পরিবর্তন এসেছে গুগল ক্রোমের লোগোতে। ব্রাউজারটি প্রকাশ করার পর এ পর্যন্ত তিনবার লোগো পরিবর্তন করা হলো। এর আগে ২০১১ ও ২০১৪ সালে গুগল ক্রোমের লোগোতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে লোগোটির নকশায় যে পরিবর্তন এসেছে তা এতোই সুক্ষ্ম যে মনোযোগ দিয়ে খেয়াল না করলে ধরা যায় না। রোববার  ৬ ফেব্রুয়ারি গুগল ক্রোমের লোগো ডিজাইনার এলভিন হু এক টুইটে গুগল ক্রোমের লোগো পরিবর্তনের কথা জানান।খেয়াল করলে বোঝা যাবে, গুগল ক্রোমের লোগোতে যে ৩টি রঙ ও মাঝখানের নীল রঙ এর বৃত্তটি রয়েছে সেটি আগের তুলনায় এখন আরও উজ্জ্বল। এছাড়া আগের লোগোতে যে শ্যাডো এফেক্টের ব্যবহার ছিল নতুন লোগোতে সেই শ্যাডো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। গুগল ২০০৮ সালে ইন্টারনেট ব্রাউজার ক্রোম নিয়ে আসে। এরমধ্যে তিনবার লোগোতে পরিবর্তন আনা হলেও লোগোর ডিজাইন ও প্রধান বিষয়গুলো অপরিবর্তিত রয়েছে। আরও পড়ুন:  ইউরোপে বন্ধ হয়ে যেতে পারে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আরও পড়ুন:  ইউটিউবে এবার নতুন সুবিধা আসছে মানে মূল রূপ একই রয়েছে।এলভিন হু টুইটে বলেন  আমরা ব্র্যান্ড আইকন থেকে শ্যাডো সরিয়ে এমনভাবে আইকনে ব্যবহৃত তিনটি রং আরও উজ্জ্বল করেছি যাতে এটা গুগলের...