পোস্টগুলি

মঙ্গলে সবুজ বালির চিহ্ন, সন্ধান দিল নাসার রোভার

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মঙ্গল এতদিন শুধু লাল গ্রহ বলে পরিচিত হয়ে এসেছে। কিন্তু শুধু লাল নয়, এবার সবুজেরও সন্ধান মিলল লাল গ্রহে। মঙ্গলে পাঠানো নাসার রোভার ক্রাফটে সবুজ বালির চিহ্ন পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।   মঙ্গল আর শুধু লাল গ্রহ নয় নাসার এই পারসিভারেন্স রোভারে নতুন আবিষ্কারটি তোলপাড় ফেলে দিয়েছে। এই আবিষ্কার দেখিয়েছে মঙ্গলে সবুজের অস্তিত্বও রয়েছে।লাল গ্রহ মঙ্গলে সবুজ বালি আবিষ্কার! নাসার রোভারের পাঠানো ডেটা বিশ্লেষণ করে পারডিউ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানতে পেরেছেন।যে মঙ্গল পৃষ্ঠে বেশ কিছু সবুজ এলাকা রয়েছে। আবিষ্কার হয়েছে অলিভিনের দানা সেগুলিই লাল গ্রহ মঙ্গলে সবুজ বালি আকারে দেখা গিয়েছে।  মঙ্গল গ্রহের অভ্যন্তরে যখন নাসার পারসিভারেন্স রোভারের জেজেরো ক্রেটার পৌঁছেছিল, তখন বিজ্ঞানীরা মনে করেছিলেন সেখানে বেশ কিছু লাল খনিজ খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু তার বদলে কিছু অপ্রত্যাশিত আবিষ্কার হল।নয়া তথ্য বিজ্ঞানীরা মনে করছেন যে, এটা সত্য যে মঙ্গল গ্রহে তরল জল, বায়ু, এমনকী চৌম্বক ক্ষেত্র ছিল পৃথিবীর মতোই। তার ফলে রোভার মঙ্গলের গর্তে হানা দেওয়ার পর বেশ কয়েকটি আগ্নেয়...

চাঁদে যাচ্ছে মানুষ, আর্টেমিস-১ মিশনে যে নভশ্চর

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  অ্যাপোলো মিশন বন্ধ হয়েছে প্রায় ৫০ বছর আগে। তার পর থেকে চাঁদের দিক থেকে সরে মঙ্গলের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল নাসা। দীর্ঘ দিন পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর চেষ্টা চালাচ্ছে নাসা। তারই অঙ্গ হিসাবে ঐতিহাসিক আর্টেমিস-১ মিশন শুরু করা হয়েছে।  আর্টেমিস-১ মিশনে চাঁদে যাবে মানুষ কেনেডি লঞ্চ প্যাড থেকে এই মিশন লঞ্চের কথা ছিল। কিন্তু আচমকায় তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। উৎক্ষেপনের নির্দিষ্ট সময়ের ৪০ মিনিট আগে স্থগিত রাখা হয় এই মিশনের লঞ্চ।পৃথিবীর ইতিহাসে সবথেকে শক্তিশালী রকেট হচ্ছে আর্টেমিস-১। এই রকেটে করে এক সঙ্গে ৪ জন নভশ্চরকে চাঁদে নিয়ে যেতে সক্ষম। যদিও প্রথম বার লঞ্চের কোনও মানুষে চাঁদে পাঠানো হবে না আর্টেমিস-১-এর মাধ্যমে।  কিন্তু নভশ্চর সাজে সজ্জিত একটি ম্যানিকুইনকে পাঠানো হবে ওই রকেটের মাধ্যমে। ত্বরণ কম্পনের তথ্য সংগ্রহের জন্যই নভশ্চর সদৃশ ওই নভশ্চর পাঠানো হবে। সেই ম্যানিকুইনের নাম দেওয়া হয়েছে কমান্ড্যার মুনকিন কাম্পোস।ওরিয়ন ভাইব্রেশন টেস্টের জন্য ব্যবহার করা হবে মুনকিনকে। এই ম্যানিকুইন কম্যান্ডারের চেয়ারেই বসে থাকবে। রটেক যখন লঞ্চ করা হবে তখন...

এই প্রথম এক গ্রহে কার্বন ডাই অক্সাইড খুঁজে পেল নাসা! সৌরজগতের বাইরে সাতশো আলোকবর্ষ দূরে

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সৌরজগতের বাইরেও কার্বন ডাই অক্সাইড খুঁজে পেল এবার নাসা। তাদের জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ সৌরজগতের বাইরে একটি গ্রহে কার্বন ডাই অক্সাইডের সন্ধান পেয়েছে। সৌরজগতের বাইরে কার্বন ডাই অক্সাইড  জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ এই মুহূর্তে পৃথিবী থেকে পনেরো লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। সূর্যের সংসারের বাইরে যে গ্রহটির মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইডের অস্তিত্ব মিলেছে, তার নাম দেওয়া হয়েছে ডব্লিউএএসপি-৩৯ বি। এই গ্রহের মধ্যে নানাবিধ গ্যাস প্রচুর পরিমাণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব সাতশো আলোকবর্ষ।ডব্লিউএএসপি-৩৯ বি’ আকারে শনি গ্রহের সমান।  এই গ্রহের তাপমাত্রা ৯০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নিজের নক্ষত্রের চারপাশে গ্রহটি মাত্র চার দিনে (পৃথিবীর হিসেব) এক বার ঘুরে আসে। ২০১১ সালে এই গ্রহের অস্তিত্বের কথা প্রথম জানতে পারেন বিজ্ঞানীরা। এক দশক পর সেখানে মিলল কার্বন ডাই অক্সাইডের খোঁজ।সৌরজগতের বাইরে যে সব গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে নাসা মনে করে তার একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে।  ডব্লিউএএসপি-৩৯ বি গ্রহে কি কি রয়েছে পাঁচ হাজার গ...

টলটলে জল পৃথিবীর মতো গ্রহ খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  পৃথিবীর বাইরে অন্য গ্রহে কি প্রাণ আছে? মহাশূন্যে তাক করা টেলিস্কোপের কোটরে চোখ রেখে নিরন্তর এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের সেই সন্ধানের পথে সম্ভবত এসে গেছে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। টিওআই-১৪৫২বি সুপার আর্থ মহাকাশে অবিকল পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কানাডার মনট্রিয়াল বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বাধীন একটি আন্তর্জাতিক গবেষকদল এই বিশেষ গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা এই গ্রহের নাম রেখেছেন টিওআই-১৪৫২বি বা সুপার আর্থ।আমাদের পৃথিবী থেকে এই গ্রহটি ১০০ আলোকবর্ষ দূরে। সুপার আর্থ পৃথিবীর চেয়ে পাঁচ গুণ বড়।  বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, সুপার আর্থ এর মধ্যে রয়েছে এক বিশাল সমুদ্র। সমগ্র গ্রহের ৩০ শতাংশ জুড়ে সে সমুদ্রের বিস্তৃতি তাতে টলমল করে জল। সারা পৃথিবীতে যত জল আছে। তা সুপার আর্থ এর মাত্র এক শতাংশ ভরের সমান।সুপার আর্থ এর এক বছর হয় মাত্র ১১ দিনে। কারণ একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করতে এর ১১ দিন সময় লাগে। এই নক্ষত্রটি বেশ ছোট এবং গ্রহটির অনেক কাছে রয়েছে।দুইয়ের মধ্যে দূরত্ব সূর্য শুক্র দূরত্বের সমান।  সূর্যের চেয়ে এই...

মঙ্গলের কোথায় জল রয়েছে, তার মানচিত্র প্রকাশ করল ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  বিজ্ঞানীরা প্রাথমিক ভাবে ভেবেছিলেন মঙ্গল গ্রহে শুধুমাত্র কয়েক ধরনের কাদামাটি খনিজ তৈরি হয়েছিল ।তবে নতুন মানচিত্র অন্য কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে জীবন সহায়ক মঙ্গল গ্রহে জল ছিল বহু দিন ধরে এই কথা শুনে এসেছি আমরা।   মানচিত্রে দেখা গেল মঙ্গলের কোথায় জল রয়েছে  মহাকাশ বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সময়ে তার প্রমাণও দিয়েছেন। তবে এবার হাতেনাতে এমন প্রমাণ মিলেছে। যার সন্ধানে বহুদিন ধরেই ছিলেন বিশেষজ্ঞরা। বিলিয়ন বিলিয়ন বছরের বিবর্তনে লালগ্রহ থেকে জল হারিয়ে গিয়েছিল এবং আজ তার পৃষ্ঠে জলের কোনও চিহ্ন মাত্র নেই। এখন চাঁদের যে অংশে জল ছিল তার মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে। কেমিক্যাল এবং স্পেকট্রাল বিশ্লেষণে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, লাল গ্রহে একসময় প্রবাহিত নদী এবং হ্রদ ছিল। ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি এখন এক ধাপ এগিয়ে মঙ্গল গ্রহের প্রথম জলের মানচিত্র প্রকাশ করেছে। যেখানে ভবিষ্যতে মানুষ অবতরণ করতে পারে এমন সম্ভাব্য অবস্থানগুলিও দেখা গিয়েছে। মানচিত্রগুলি বিশদভাবে সেই সব খনিজ সঞ্চয়গুলি দেখিয়েছে। যা গত দশকের গবেষণা এবং পর্যবেক্ষণে লেখা হয়েছিল বিভিন্ন গবেষণাপত্রে...

বৃহস্পতি গ্রহের আসল ছবি তুলল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ, এরকম বৃহস্পতি আগে দেখেনি মানুষ

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  বৃহস্পতি আমাদের সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।এই বৃহস্পতি গ্রহের অনেক কিছুই এখনো আমাদের কাছে অজানা। কিন্তু ধীরে ধীরে এ গ্রহের অনেক অজানা তথ্য আমাদের সামনে আসতে শুরু করেছে।  বৃহস্পতি আসল ছবি যা মানুষ দেখেনি এর কৃতিত্ব যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও নবতম টেলিস্কোপ এটি। টেলিস্কোপটি এবার সামনে এনেছে এক চোখধাঁধানো ছবি। খবর দ্য গার্ডিয়ান এর।সম্প্রতি এ টেলিস্কোপে তোলা বৃহস্পতি গ্রহের বেশ কিছু ছবি উন্মুক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। ওই ছবিতে বৃহস্পতি গ্রহটির অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখা গেছে।গবেষকেরা বলা হচ্ছে, জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ গত জুলাই মাসে বৃহস্পতি গ্রহের অভূতপূর্ব দৃশ্য ধারণ করে।  এ ছবিতে গ্রহটির মেরুপ্রভা (নর্দান ও সাউদার্ন লাইটস) ও ঘূর্ণমান মেরু কুয়াশা দৃষ্টিগোচর হয়। এর বাইরে গ্রহটির ছোট বড় অনেক ঝড়ের দৃশ্যের পাশাপাশি পৃথিবীকে গ্রাস করে ফেলার মতো বৃহস্পতির বিশাল লাল বিন্দু গ্রেট রেড স্পট স্পষ্টভাবে দেখা যায়। একটি ছবিতে বৃহস্পতির চারপাশে প্রায় বিবর্ণ একটি বলয়ের পাশাপাশি দুটি ক্ষুদ্র চাঁদও...

পৃথিবী সহ তিন গ্রহকে গিলে খেতে আসছে সূর্য! ধ্বংসের বার্তা দিলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  যে গনগনে ফুল ফুটন্ত আগুনের গোলায় ভরপুর প্রাণশক্তি, যে নক্ষত্রের জন্য প্রাণবন্ত এই পৃথিবী, সেই প্রাণদায়ী সূর্যই কিন্তু পৃথিবীকে গিলে খেতে আসছে! শুনে অবাক হচ্ছেন তো? কিন্তু জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে আসছে তেমনই আশঙ্কার কথা। সূর্য এবার পৃথিবী সহ তিন গ্রহকে গ্রাস করবে  নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের জটিল থিওরি প্রয়োগ করে এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তাঁরা। তা অবশ্য সাধারণ মানুষের বোধের বাইরে নয়। ব্যাখ্যায় বরং পরে আসা যাক। রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নালের রিপোর্ট দেখে কিন্তু চিন্তায় মাথায় হাত সকলের। তবে কি পৃথিবীর ধ্বংস আসন্ন। সেই উত্তরও দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের ব্যাখ্যা অনুযায়ী সূর্য তো বিপুল হাইড্রোজেনের ভাণ্ডার। যা তার জীবনীশক্তি, জ্বালানিশক্তি।  তাই তো আগুনের বিশাল বলয় হয়ে ধিকিধিকি তাপ ছড়ায় মহাবিশ্বে। আর সেই তাপশক্তি আর আলোকশক্তি থেকেই পৃথিবীতে প্রাণের স্ফূরণ। রুক্ষ মাটিতে সবুজের ছোঁয়া হৃদস্পন্দনের ধুকপুকানি। কিন্তু সব রসদই তো ফুরোয় একদিন। সেভাবেই সূর্যের অভ্যন্তরের জ্বালানি হাইড্রোজেনে ভাঁড়ার...