পোস্টগুলি

বর্তমানে বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি?

ছবি
পাঁচটি বামন  গ্রহের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  একটি বামন গ্রহ ইংরেজি নাম: Dwarf planet হল এমন একটি গ্রহীয় ভরযুক্ত বস্তু যা গ্রহগুলির মতো মহাকাশে সেটির অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করতে পারে না। আবার তারা একটি প্রাকৃতিক উপগ্রহও নয়। অর্থাৎ বামন গ্রহগুলি সূর্যকে প্রত্যক্ষভাবে প্রদক্ষিণ করে এবং নির্দিষ্ট আকার পাওয়ার জন্য এগুলির ভর যথেষ্টই রয়েছে। এগুলির অভিকর্ষ একটি উদ্স্থিতি সাম্যাবস্থামূলক আকার বজায় রাখার পক্ষে যথেষ্ট। কিন্তু নিজ কক্ষপথ থেকে এটি সমরূপ বস্তুগুলিকে পরিষ্কার করে দিতে পারে না। বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি বামন গ্রহের আদি নিদর্শন হল প্লুটো।গ্রহ ভূতত্ত্ববিদদের কাছে বামন গ্রহ সম্পর্কে আগ্রের বিষয়টি হল এই যে, সম্ভবত পার্থক্যীকৃত ও ভূতাত্ত্বিকভাবে সক্রিয় বস্তু এই বামন গ্রহগুলিতে গ্রহীয় ভূতত্ত্বের বৈশিষ্ট্যগুলি পরিস্ফুট হলেও হতে পারে। ২০১৫ সালে প্লুটোয় নিউ হোরাইজনস অভিযানের মাধ্যমে এমন প্রত্যাশারই জন্ম হয়েছে।গ্রহ নয় কারণ এগুলো কোনো সাধারণ গ্রহ থেকেই আকারে ছোট। আবার উপগ্রহও নয় কারণ এগুলো কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘোরে না। এগুলোকেই বলা হয় বামন গ্রহ। এ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা ...

প্লুটোর আসল ছবি শেয়ার করল নাসা, সত্যিকারে বামন গ্রহের রং কেমন?

ছবি
প্লুটোর গ্রহের আসল ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নাসা এবার প্লুটোর একটি আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করেছে। ওই ক্লোজ় আপে ধরা পড়েছে প্লুটোর সত্যিকারের রং। নিউ হরাইজ়ন মহাকাশযান দ্বারা এই ছবিটি তোলা হয়েছে। প্লুটো থেকে প্রায় ২২,০২৫ মাইল  দূরত্বে তোলা ছবিটি তার হার্ট দেখিয়েছে। যা নাইট্রোজেন এবং মিথেন দিয়ে তৈরি একটি বিশাল হিমবাহ। প্লুটো গ্রহের আসল ছবি দেখতে কেমন প্লুটোর গ্রহের পরিচিতি হয়েছিল সৌরজগতের নবম গ্রহ হিসেবে। কিন্তু ২০০৬ সালে সেই গ্রহকেই বামন গ্রহে নামিয়ে দেওয়া হয়। তার কারণ হল আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা ইউনিয়ন (IAU) দ্বারা বিবেচিত একটি পূর্ণ আকারের গ্রহের সমস্ত মানদণ্ড পূরণ করতে অক্ষম হয় গ্রহটি। তবে নাসা এবার প্লুটোর একটি আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করেছে। ওই ক্লোজ় আপে ধরা পড়েছে প্লুটোর সত্যিকারের রং। নিউ হরাইজ়ন মহাকাশযান দ্বারা এই ছবিটি তোলা হয়েছে।  প্লুটো থেকে ২২,০২৫ মাইল  (৩৩,৪৪৫ কিমি) দূরত্বে তোলা ছবিটি তার হার্ট দেখিয়েছে। যা নাইট্রোজেন এবং মিথেন দিয়ে তৈরি একটি বিশাল হিমবাহ।নাসা এই ছবি শেয়ার করে বলছে যে, প্লুটোর তলে রয়েছে অজস্র ফাটল গর্ত ট্যান পড়েছে। সামগ্রিক ভ...

লঞ্চ হয়ে গেল ওসিয়ানস্যাট ৩ ও আট ন্যানোস্যাটেলাইট, বড় চমক দেখাল ইসরো

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শনিবার বছরের শেষ পিএসএলভি মিশন পরিচালনা করল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা বা ইসরো।২৬ নভেম্বর মহাকাশ সংস্থাটি আর্থ অবজ়ার্ভেশন স্যাটেলাইট 06 (EOS 06) এবং আটটি ন্যানোস্যাটেলাইট লঞ্চ করেছে। এই আট ন্যানোস্যাটেলাইটের মধ্যে রয়েছে ভুটানের জন্য (INS-2B) ইসরো ন্যানো স্যাটেলাইট-2। আনন্দ অ্যাস্ট্রোকাস্ট (চারটি স্যাটেলাইট) এবং দুটি থাইবোল্ট স্যাটেলাইট। ইসরোর বড় চমক ৩টি ন্যানোস্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ  আসন্ন ফ্লাইটটি বিক্রম এস হায়দরাবাদ ভিত্তিক স্কাইরুট অ্যারোস্পেস থেকে একটি সাব অরবিটাল লঞ্চ ভেহিকেল লঞ্চের হিল।যা বেসরকারি সংস্থা দ্বারা নির্মিত কোম্পানির প্রথম রকেট। গত ১৮ নভেম্বর দেশের প্রথম বেসরকারি রকেট বিক্রম এস লঞ্চ করা হয়েছিল। ইসরো জানিয়েছে যে, পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল (PSLV-C54) শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে সকাল ১১ টা ৫৬ মিনিটে উপগ্রহগুলি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। তৃতীয় প্রজন্মের স্যাটেলাইটের হল EOS-6  ওসিয়ানস্যাট সিরিজ়।এটি Oceansat-2 মহাকাশযানের জন্য বর্ধিত পেলোড স্পেসিফিকেশনের পাশাপাশি অ্যাপ্লিকেশন এলাকাগুলির জন্য ধারাবাহিকতা পরিষেব...

চাঁদের আকাশ থেকে ওরিয়ন পৃথিবীর নীল বলের ছবি তুলে পা‌ঠাল নাসা

ছবি
পৃথিবীর নীল বলের ছবি তুল ওরিয়ন। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চাঁদে পৌঁছল নাসার আর্টেমিস-১। চন্দ্রযান ওরিয়ন চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করেছে। চাঁদের মাটি থেকে মাত্র ৮০ মাইল উচ্চতায় অবস্থান করছে নাসার ওরিয়ন।গত সপ্তাহে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল আর্টেমিস-১। তার সফল উৎক্ষেপণ হয় বুধবার। নাসা সূত্রে খবর চাঁদের কক্ষপথে সফলভাবে পৌঁছে গিয়েছে ওরিয়ন। তার গতিবেগ ঘণ্টায় ৫ হাজার ১০২ মাইল। মিশন আর্টেমিস-১ প্রত্যাশাতীত ভাবে সফল হয়েছে বলে দাবি আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থার। চাঁদের আকাশ থেকে পৃথিবীর নীল বলের ছবি চাঁদে গিয়ে সেখান থেকে পৃথিবীর ছবি তুলে পাঠিয়েছে ওরিয়ন। সেই ছবি নাসার তরফে উৎসাহীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। ওরিয়নের তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছে যে, আকাশে নীল গোল বলের মতো অবস্থান করছে পৃথিবী। তাতে কোনও ঔজ্জ্বল্য নেই। ২ লক্ষ ৩০ হাজার মাইল দূর থেকে পৃথিবীর ছবি দেখে আল্পুত অনেকেই।এর আগে চাঁদের পথে ওরিয়নের অবস্থানের বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছিল নাসা। সেখানে দেখা গিয়েছে আমেরিকার মহাকাশযানটি কী ভাবে মহাশূন্যের গাঢ় নিকষ অন্ধকার ভেদ করে পৃথিবীর এক মাত্র উপগ্রহের দিকে এগিয়ে চলেছে। আর্টেমিস’ মিশনের...

সমুদ্র সৈকতে ভেসে এল সবুজ এলিয়েন, আসলে কি এলিয়েন না অন্য কিছু?

ছবি
স্কটল্যান্ডের পাওয়া গেল সবুজ এলিয়েন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  অদ্ভুত রং তার দেখতেও বড় উদ্ভট। ফ্লুরোসেন্ট সবুজ রঙের এক বস্তু উদ্ধার হয়েছে স্কটল্যান্ডের একটি সমুদ্রতট থেকে। যিনি এই প্রাণীটিকে প্রথম লক্ষ্য করেন তিনি ভেবেছিলেন এটি একটি ভিনগ্রহী। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩৩ বছরের মাইক আরনট গত সোমবার এডিনবার্গের পোর্টোবেলো সমুদ্র সৈকতে হাঁটার সময় প্রাণীটিকে একবার দেখা মাত্রই হোঁচট খান।  সবুজ এলিয়েন কোথায় দেখা গেল   প্রথমে তিনি এই প্রাণীটিকে শ্যাওলা আচ্ছাদিত পাইনকোন ভেবেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি খেয়াল করেন যে, প্রাণীটি জীবিত।অবাক প্রাণীটি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের কাছে মিস্টার আরনট বলেছেন যে, আমি অদ্ভুত সূঁচ দিয়ে সজ্জিত এই ফ্লুরোসেন্ট সবুজ জিনিসটি দেখতে পেয়েছিলাম। এটি যে আসলে কী সে সম্পর্কে আমার কোনও ধারণা ছিল না। অবাক বস্তুটির উজ্জ্বল সবুজ এবং সোনালি রং আমাকে আকৃষ্ট করেছিল।  আমি বস্তুটিকে উল্টে দেখলাম এর অনেকগুলি ছোট পা রয়েছে। এরকম প্রাণী আমি আগে কখনও দেখিনি। আমার মনে হয়েছিল এটি ভিনগ্রহী হতে পারে। আবার এই ভাবনারও উদয় হয়েছিল যে, গভীর সমুদ্রের কোন...

Asteroid 2022 WD গ্রহাণু, পৃথিবীর বুকে ধেয়ে আসছে ঘণ্টায় 23852 কিমি গতি বেগে

ছবি
Asteroid 2022 WD গ্রহাণু ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  প্রায় প্রতি সপ্তাহেই এক প্রকার নিয়ম করে পৃথিবীর গা ঘেঁষে বেরিয়ে যাচ্ছে দ্রুতগামী গ্রহাণু। এর মধ্যেই আবার খবর এল ভয়ানক গতিতে একটি বিশালাকার স্পেস রক পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে পারে চলতি সপ্তাহেই। খুব সম্ভবত পৃথিবীতে খতরনাক সেই অ্যাস্টারয়েড ধেয়ে আসতে পারে। নাসা জানাচ্ছে যে, ওই গ্রহাণুর গতিবেগ ২৩৮৫২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।  গ্রহাণু Asteroid 2022 WD পৃথিবীর খুব কাছাকাছি পৃথিবীর ইতিহাসে বড় বড় ঘটনা ও দুর্ঘটনার মূলে ছিল এই গ্রহাণুরা এবং ভয়ঙ্কর ভাবে পৃথিবীর উপরে তাদের আছড়ে পড়া। চেলিয়াবিন্স্ক বিপর্যয় থেকে শুরু করে ডাইনোসরের বিলুপ্তির কারণও ছিল এই গ্রহাণুরাই। যখনই তারা পৃথিবীর উপরে আছড়ে পড়েছে তখনই জীবনকে প্রভাবিত করেছে।নাসা সব সময়ই এই গ্রহাণুগুলিকে পর্যবেক্ষণ করছে। প্যানস্টার্স ক্যাটালিনা স্কাই সার্ভে এবং নিওওয়াইজ় টেলিস্কোপ দ্বারা সংগৃহীত ডেটা অধ্যয়ন করে এই গ্রহাণুগুলির উপর নজর রাখে নাসা।  এই প্রযুক্তিগুলির কিছু মহাকাশে থাকলেও কিছু আবার পৃথিবী থেকেও নিয়ন্ত্রিত হয়।নাসার প্ল্যানেটারি ডিফেন্স কো-অর্ডিনেশন অফিস এই গ্রহ...

তারার জন্ম হয় মহাকাশে কীভাবে! তার ছবি তুলে দেখাল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
মহাকাশে কীভাবে তারার জন্ম হয় তার ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশের আরও একটি অত্যাশ্চর্য ছবি তুলে এনেছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। নাসার ওয়েব টেলিস্কোপের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে একটি নতুন ছবি শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, এটি একটি তারার জন্মের সময়কালের ছবি। পোশাকি ভাষায় এই তারাদের প্রোটোস্টার বলা হয়।  মহাকাশে কীভাবে নক্ষত্র জন্ম হয় মহাকাশবিজ্ঞানী মহল বলছে যে, তারার জন্মের এমন ছবি আগে কখনও দেখা যায়নি।নক্ষত্রটির নাম L1527  যা ধুলোর মেঘে ঘেরা। এই মেঘগুলি শুধুমাত্র ইনফ্রারেড আলোতে দেখা যায়। ছবিতে দেখা গিয়েছে তা নক্ষত্রটি কেন্দ্রে রয়েছে এবং এর গঠনের সময় গ্যাস এবং ধুলো বের হচ্ছে।নাসা বলেছে যে, এই নক্ষত্রটি দেখতে অনেকটা বালিঘড়ির মতো। জেমস ওয়েব তার ইনফ্রারেড ক্যামেরা দিয়ে দেখেছে।  এটি থেকে কমলা এবং নীল আলো বের হচ্ছে। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি জানিয়েছে যে, এই তারকার এমন ছবি আগে কখনও দেখা যায়নি। গ্যাস এবং ধূলিকণার ঘূর্ণায়মান ডিস্কের কারণে এই নক্ষত্রটি তখনও অন্ধকার জগত ছিল। নাসার এক বিবৃতিতে তা বলা হয়েছে। নীল অংশটি সবচেয়ে পাতলা ধুলো। কমলা আলোতে ধুলো সবচেয়...