পোস্টগুলি

পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ কত?

ছবি
পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ ছবি। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হল পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে তার উপরিভাগে একটি বিন্দু পর্যন্ত দূরত্ব। এর মানের তারতম্য নিরক্ষরেখায় ৬,৩৭৮ কিমি বা ৩,৯৬৩মাইল থেকে মেরু অঞ্চলে ৬৩৫৭ কিমি ৩৯৫০ মাইল পর্যন্ত হয়ে থাকে। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ জ্যোতির্বিজ্ঞান ও ভূপ্রকৃতিবিদ্যায় একটি শিল্প পদের এবং উভয়ক্ষেত্রেই একটি পরিমাপের একক। এটি জ্যোতির্বিজ্ঞানে দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অন্যান্য প্রেক্ষিতে একে re প্রকাশ করা হয়। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কত মিটার ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বিভিন্ন উপায়ে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে যেহেতু পৃথিবী নিখুঁত গোলক নয়। সাধারণত যে পৃষ্ঠে কোনো ব্যাসার্ধ এসে প্রসারিত হয় তাকে পৃথিবীর আকৃতি প্রতিনিধিত্বকারী একটি উপবৃত্ত হিসেবে ধরা হয়। পৃষ্ঠের মতো পৃথিবীর কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত বিন্দুর ভিত্তিতেও সংজ্ঞা প্রদান করা যায় এবং তাই পৃথিবীর ব্যাসার্ধ নির্ধারণের বিভিন্ন উপায়ে অবদান রাখে। আরও পড়ুন:  ভেঙে পড়ল সূর্যের ভূপৃষ্ঠ একাংশ! মহাজাগতিক দৃশ্য দেখে অবাক বিজ্ঞানীরা যখন শুধুমাত্র একটি ব্যাসার্ধের উল্লেখ থাকে তখন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন ম...

বর্তমানে পৃথিবীর বয়স কত?

ছবি
পৃথিবীর বর্তমান ছবি। পৃথিবীর আসল বয়স কত পৃথিবীর বয়স প্রায় ৪৫৪ ± ৫ কোটি বছর (৪.৫৪ × ১০৯ বছর ± ১%)।এই বয়স উল্কার রেডিওমেট্রিক বয়স নির্ণয় থেকে প্রাপ্ত এবং প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন পার্থিব ও চাঁদের পাথরের রেডিওমেট্রিক বয়সের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে রেডিওমেট্রিক বয়স নির্ণয় পদ্ধতি আবিষ্কারের পর ইউরেনিয়াম সীসা বয়স নির্ণয় পদ্ধতিতে দেখা যায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ খনিতে এমন সীসা বিদ্যমান যার বয়স প্রায় ১০০ কোটি বছরের বেশি হবে। পৃথিবীর সঠিক বয়স এই ধরনের খনি থেকে প্রাপ্ত সবচেয়ে পুরনো ছোট ও স্বচ্ছ বস্তু হল গোমেদ মণি যা পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার জ্যাক হিলস নামক স্থানে পাওয়া যায়। যার বয়স কমপক্ষে ৪৪০.৪ কোটি বছর।উল্কাপিন্ডের মধ্যে ক্যালসিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সমৃদ্ধ সবচেয়ে প্রাচীন কঠিন বস্তুর বয়স প্রায় ৪৫৬.৭ কোটি বছর যা সৌরজগতে গঠিত। পাললিক শিলার গবেষণা থেকে দেখা যায় পাথর এবং পৃথিবীর স্তরবিন্যাস প্রকৃতিবিদদের এই ধারণা প্রদান করে যে, পৃথিবী তার অস্তিত্বের সময় থেকে অনেক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। এই স্তরগুলিতে যা অজানা প্রাণীর জীবাশ্ম বিদ্যমান যা স্তর থেকে স্তর থেকে জীব...

রাতের আকাশে নতুন ম্যাজিক! এবার পাশাপাশি দেখা যাবে শুক্র, বৃহস্পতি ও চাঁদকে

ছবি
এবার পাশাপাশি দেখা যাবে শুক্র, বৃহস্পতি ও চাঁদকে ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশের নতুন ম্যাজিক। সবুজ ধূমকেতু সৌরজগতের দূর প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে। আবার তার দেখা মিলবে ৫০ হাজার বছর পরে। স্বাভাবিক ভাবেই রাতের আকাশে যাঁরা চোখ রেখে খুঁজে চলেন মহাজাগতিক বিস্ময় তাঁদের মন খারাপ। কিন্তু এই বিষণ্ণতার মধ্যেই রাতের আকাশে নয়া ম্যাজিক দেখতে আগ্রহী তাঁরা। মহাকাশের কী সেই ম্যাজিক জানা যাচ্ছে যে, বহুদিন পরে রাতের আকাশে কাছাকাছি আসতে দেখা গিয়েছে পৃথিবীর দুই প্রতিবেশী বৃহস্পতি ও শুক্রকে। দুই দৈত্যাকার গ্রহ সবচেয়ে কাছাকাছি আসবে ১ মার্চ। এই মুহূর্তে রাতের আকাশে চোখ ফেরালে সবচেয়ে উজ্জ্বল যে দুই বিন্দুর দিকে নজর পড়ছে সেগুলি বৃহস্পতি ও  শুক্র। ফেব্রুয়ারির মাসে দুই গ্রহের মধ্যে দূরত ছিল প্রায় ২৯ ডিগ্রির। মাসের শেষে তা হতে চলেছে মাত্র ২৩ ডিগ্রি। সেই হিসেবে ১ মার্চ তাদের কার্যতই গায়ে গায়ে দেখা যাবে রাতের আকাশে।তবে তার আগে মঙ্গলবারই চাঁদকে দেখা যাবে শুক্র ও বৃহস্পতিবার একেবারে কাছে। আরও পড়ুন:  হঠাৎ তুরস্কের আকাশে এলিয়েনের UFO! এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে আনলেন বিজ্ঞানীরা একসঙ্গে তিন জ্যোতিষ...

স্বাস্থ্য বিষয়ক ২৩টি অজানা তথ্য, জানলে আপনি অবাক হবেন

ছবি
স্বাস্থ্য বিষয়ক ২৩টি পরামর্শ্ ছবি। মানুষের শরীর নিয়ে কয়েকটি মজার অজানা তথ্য ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মানুষের শরীর একটি আশ্চর্য বস্তু। মানব দেহ হল একটি  মানুষের  পূর্ণাঙ্গ দেহ কাঠামো যা মাথা, ঘাড়, ধড় যাতে অন্তর্ভুক্ত হলো বক্ষ এবং পেট, বাহু এবং হাত, পা এবং পায়ের পাতা। মানব দেহের প্রতিটি অংশই বিভিন্ন ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত যা জীবনের মৌলিক একক।  মানবদেহের  পরিণত অবস্থায় কোষের সংখ্যা থাকে গড়ে প্রায় ৩৭.২ ট্রিলিয়ন। এর পরতে পরতে লুকিয়ে আছে চমক। আজো বিজ্ঞানীরা শরীরের সমস্ত রহস্যের উদ্ঘাটন করতে পারেননি। চলুন জেনে নেওয়া যাক শরীর নিয়ে কিছু অজানা তথ্য যথাঃ ১। মস্তিষ্ক প্রতি ঘন্টায় ২৭৪ কিলোমিটার বেগে স্নায়ুতে অনুভূতি প্রেরণ করতে পারে। ২। তৃষ্ণা পাওয়া মানে, শরীর ১ শতাংশ পানি এরমধ্যেই হারিয়ে ফেলেছে। ৩।ক্যামেরার পারিভাষায় মানুষের চোখ ৫৭৬ মেগাপিক্সেলের। ৪। মানুষের নাক আর কানের বৃদ্ধি কখনো বন্ধ হয় না। ৫।. মানুষের দেহের চার ভাগের এক ভাগ হাড়ই থাকে তার পায়ে। ৬। খাবার খেতে মাত্র কয়েক মিনিট লাগলেও তা সম্পূর্ণ হজম করতে আপনার শরীরের প্রায় ১২ ঘন্টা সময় লাগে। ৭।. মানুষের ডিএনএ-এর...

জেমস ওয়েবের তথ্য: এবার কার্বন ডাই-অক্সাইড পাওয়া গেল সৌরজগতের বাইরে

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগতের বাইরে কার্বন ডাই অক্সাইড শনাক্ত করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব। এর ফলে ডব্লিউএএসপি থার্টি নাইন নামের ওই গ্রহটির গঠন সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা মহাকাশ বিজ্ঞানীদের। কার্বন ডাই-অক্সাইড পাওয়া গেল সৌরজগতের কোথায়? নাসার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে যে , জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ প্রথমবারের মতো সৌরজগতের বাইরে কার্বন ডাই অক্সাইড থাকার পরিষ্কার প্রমাণ পেয়েছে। পর্যবেক্ষণ সূত্রে জানা যায় ৭০০ আলোকবর্ষ দূরের একটি তারকাকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করছে ডব্লিউএএসপি থার্টি নাইন নামের এই গ্রহ।  আরও পড়ুন:  কী সংকেত ভেসে আসছে ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে? রেডিও সিগন্যালে কি পেলেন বিজ্ঞানীরা নেচার ম্যাগাজিনে প্রকাশের জন্য গৃহীত এই অনুসন্ধান জানিয়েছে তারা। ভবিষ্যতে পাথুরে গ্রহের অপেক্ষাকৃত পাতলা বায়মণ্ডলেও কার্বন ডাইন অক্সাইড শনাক্ত ও পরিমাপ করতে সক্ষম হতে পারে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ।নাসা বলছে যে, ডব্লিউএএসপি-থার্টি নাইন গ্রহটির ভর বৃহস্পতির চেয়ে কম। তবে এটির ব্যাস তার চেয়ে প্রায় দেড় গুণ বেশি।  আরও পড়ুন:  সূর্যোদয় কাকে বলে? the sunrise ইত...

সূর্যোদয় কাকে বলে? the sunrise

ছবি
ভোর বেলার সূর্যোদয় এর ছবি। সূর্য আসলে কি সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রের খুব কাছে অবস্থিত তারাটির নাম। প্রায় আদর্শ গোলক আকৃতির এই তারা প্রধানত প্লাজমা তথা আয়নিত পদার্থ দিয়ে গঠিত যার মধ্যে জড়িয়ে আছে চৌম্বক ক্ষেত্র। এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার কিলোমিটার যা পৃথিবীর ব্যাসের ১০৯ গুণ, ভর প্রায় ২×১০৩০ কিলোগ্রাম তথা পৃথিবীর ভরের ৩ লক্ষ ৩০ হাজার গুণ। এই ভর সৌরজগতে। সূর্যোদয় কিভাবে হয় সূর্যোদয় হল সেই মুহূর্ত যখন সূর্যের উপরের রিম সকালে দিগন্তে উপস্থিত হয়। শব্দটি সৌর ডিস্কের দিগন্ত অতিক্রম করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া এবং এর সাথে থাকা বায়ুমণ্ডলীয় প্রভাবকেও উল্লেখ করতে পারে।যদিও সূর্যকে দিগন্ত থেকে উত্থান বলে মনে হয়। এটি আসলে পৃথিবীর গতি যা সূর্যের আবির্ভাব ঘটায়। পৃথিবী পর্যবেক্ষকদের ঘূর্ণায়মান রেফারেন্স ফ্রেমে থাকার ফলে একটি চলমান সূর্যের বিভ্রম। আরও পড়ুন:  পৃথিবীতে ছোট পাহাড়ে দেখা যাবে দুটো সূর্য! এই আপাত গতি এতটাই দৃঢ়প্রত্যয়ী যে অনেক সংস্কৃতির পৌরাণিক কাহিনী এবং ধর্মে ভূকেন্দ্রিক মডেলের চারপাশে নির্মিত হয়েছিল। যা ১৬ শতকে জ্যোতির্বিজ্ঞানী নিকোলাস কোপার্নিকাস তার সূর্যকেন্দ্রিক মড...

ভেঙে পড়ল সূর্যের ভূপৃষ্ঠ একাংশ! মহাজাগতিক দৃশ্য দেখে অবাক বিজ্ঞানীরা

ছবি
সূর্যের একাংশ ভেঙে পড়ার ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগতের প্রধান সূর্য। তাকে নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের শেষ নেই। নানা ভাবে পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্রকে নিয়ে চলছে গবেষণা। এবার সূর্যে বড়সড় চাঞ্চল্য নজরে এল বিজ্ঞানীদের। সূর্যের একটা বড় অংশ ভেঙে পড়তে দেখলেন তাঁরা। সূর্য থেকে প্লাজমা ভেঙে পড়ল কেন? গত ফেব্রুয়ারি তে সূর্যের প্লাজমার একটা বড় অংশকে দেখা যায় সূর্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে। সেই বিচ্ছিন্ন অংশটিকে সূর্যকেই প্রদক্ষিণ করতে দেখেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে দেখা যায় যে, এর ফলে সূর্যের উত্তর মেরুতে একটি ঘূর্ণি সৃষ্টি হচ্ছে। পরে অবশ্য আর ভেঙে পড়া টুকরোটিকে দেখা যায়নি। নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ থেকেই দেখা গেল মহাজাগতিক এই দৃশ্য।  আরও পড়ুন:  কালপুরুষ নক্ষত্র মন্ডল কাকে বলে? Orion Constillation নাসার বিজ্ঞানী ড. তামিথা স্কভ সেই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি কয়েক সেকেন্ডের হলেও আসলে তা ৮ ঘণ্টা সময়কালের।কিন্তু কেন সূর্য থেকে প্লাজমা ভেঙে পড়ল? আসলে সূর্যের অধিকাংশ অংশই নানা ধরনের গ্যাস দিয়ে তৈরি। কেবল সূর্যই নয়, সব ধরনের নক্ষত্রের ভিতরটাই এরকম।  আরও পড়ুন:  তুরস...