পোস্টগুলি

মঙ্গল গ্রহের আকাশের রং কি?

ছবি
মঙ্গল গ্রহের আকাশের রং ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গল হলো সূর্য থেকে চতুর্থ দূরবর্তী গ্রহ এবং বুধের পরেই সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ।ইংরেজি ভাষায় মঙ্গল গ্রহ রোমান পুরাণের যুদ্ধদেবতা মার্সের নাম বহন করে এবং প্রায়শই এই গ্রহটিকে লাল গ্রহ নামে অভিহিত করা হয়। এর জন্য দায়ী এই গ্রহের পৃষ্ঠতলে ফেরিক অক্সাইডের আধিক্য, যার ফলে গ্রহটিকে লালচে রঙের দেখায় এবং খালি চোখে দৃশ্যমান মহাজাগতিক বস্তুগুলির মধ্যে এই গ্রহটিকে স্বতন্ত্রভাবে দর্শনীয় করে তোলে। মঙ্গল গ্রহের আকাশ পৃথিবীর রাতের আকাশে মঙ্গল গ্রহ থাকলে আনাড়ি চোখও একে সহজেই চিনে ফেলে। এমন লাল আর কিছুই যে নেই রাতের আকাশে! বেটলজিউস, অ্যান্টারিস নক্ষত্ররাও লাল। তবে মঙ্গলের কাছে কিছুই নয়। কিন্তু মঙ্গল সব সময় একই রকম উজ্জ্বল থাকে না। একসময় উজ্জ্বল হতে হতে পৃথিবীর আকাশে সব নক্ষত্রের চেয়েও উজ্জ্বল হয়ে যায়। রাতের আকাশে এর চেয়ে বেশি উজ্জ্বল থাকে শুধু চাঁদ আর শুক্র। সাধারণত মঙ্গলের ভূপৃষ্ঠের রং লালচে। আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে এই লালচে রং আকাশে এর রুপ নেয় গোলাপি। আরও পড়ু ন: সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি? সূর্যের কাছাকাছি নীল রঙটি জলের বরফ...

সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি?

ছবি
সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি ও কি কি তার প্রতিক ছবি। প্রাকৃতিক উপগ্রহ  আজ আপনাদের জানাব   সৌরজগতের  মোট   প্রাকৃতিক উপগ্রহ কয়টি।প্রাকৃতিক উপগ্রহএকটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বা মহাকাশীয় বস্তু যা কোনো একটি গ্রহ বা তার থেকে বড় অন্য কোন বস্তুকে কেন্দ্রকে করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান থাকে এবং অবশ্যই যা মানব সৃষ্ট নয়। এ ধরনের বস্তুকে সাধারণত বা মাঝেমাঝেই চন্দ্র হিসেবে অভিহিত করা হয়। এই সংজ্ঞাটির উপর ভিত্তি করে একটি তারা চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান কোন গ্রহ বা কোন ছায়াপথের কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান কোন তারাকেও এই শ্রেণিতে ফেলা যায়। অবশ্য এই ব্যবহারটি সচরাচর করা হয় না সকল ক্ষেত্রেই কোন গ্রহ, বামন গ্রহ বা ক্ষুদ্র গ্রহ এর সাথে প্রাকৃতিকভাবে বিরাজমান বস্তুগুলোকে প্রাকৃতিক উপগ্রহ বলা হয়ে থাকে। আরও পড়ু ন: তারার জন্ম হয় মহাকাশে কীভাবে! তার ছবি তুলে দেখাল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ উপগ্রহে সৃষ্টি র্জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা যে, গ্রহের জন্মের সময় একএকটি নক্ষত্র কে ঘিরে কয়েকটি মহাজাগতিক মেঘ আবর্তিত হতো। এরা নক্ষত্রের আকর্ষণে ঘনীভূত হয়ে অবশেষে জমাট বেঁধে গ্রহে রূপান্তরিত হয়। আ...

বুধের উপগ্রহ কয়টি! আয়তন,প্রভাব ও এর কাজ কি?

ছবি
বুধের উপগ্রহ বুধ গ্রহ যার ইংরেজি নাম Mercury মার্কারি। সৌরজগতের প্রথম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ। এটি সূর্যের সর্বাপেক্ষা নিকটতম গ্রহ। এর কোনো উপগ্রহ নাই।এটি সূর্যকে প্রতি ৮৮ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে। এর উজ্জ্বলতার আপাত মান -২.৬ থেকে +৫.৭ পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু একে পৃথিবী থেকে সহজে দেখা যায় না। কারণ সূর্যের সাথে এর বৃহত্তম কৌণিক পার্থক্য হচ্ছে মাত্র ২৮.৩ ডিগ্রী। কেবল সকাল ও সন্ধ্যার ক্ষীণ আলোয় এটি দৃশ্যমান হয়। বুধ গ্রহ সম্বন্ধে সংগৃহীত তথ্যের পরিমাণ তুলনামূলক কম। বুধ অভিমুখী নভোযান মেরিনার ১০ ১৯৭৪ - ১৯৭৫ সালে অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছিল এবং মেসেঞ্জার ২০০৪ - ২০১৫ সালে ৪০০০ বার অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছিল। বুধ এর আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার বুধ গ্রহে আয়তন ৭ কোটি ৪৭ লক্ষ ৯৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার। পৃথিবীর ক্ষেত্রফল বুধের ক্ষেত্রফলের প্রায় ৭ গুণ। আয়তন: বুধের আয়তন ৬০৮২,৭২,০৮,৭৪২ ঘন কিলোমিটার। আরও পড়ু ন: বর্তমানে বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি? বুধ গ্রহের প্রভাব বুধ একটি শুভ গ্রহ এটি অশুভ পরিস্থিতি তৈরি করলে নেতিবাচক ফলাফলও দেয়। কুণ্ডলীতে বুধের অবস্থান খারাপ হলে ত্বক সংক্রান্ত ব্যাধি দেখা দেয় এবং ...

শনি গ্রহের সন্ধানে গেছে কে?

ছবি
শনি গ্রহ ও বলয়ের আকৃতি ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শনি গ্রহ যার ইংরেজি নাম: Saturn; স্যাটার্ন। সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ এবং বৃহস্পতির পরই সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এটি একটি গ্যাসীয় দৈত্য যার ব্যাসার্ধ পৃথিবীর ব্যাসার্ধের প্রায় নয় গুণ। শনি গ্রহের গড় ঘনত্ব অবশ্য পৃথিবীর গড় ঘনত্বের এক অষ্টমাংশ। কিন্তু এই গ্রহের বৃহত্তর আয়তনের জন্য এটি পৃথিবীর তুলনায় ৯৫ গুণ বেশি ভারী। শনি গ্রহের বাংলা নামটি এসেছে হিন্দু গ্রহদেবতা শনির নাম থেকে। অন্যদিকে ইংরেজি নাম স্যাটার্ন এসেছে রোমান ধনসম্পদ ও কৃষিদেবতা স্যাটার্নের নাম থেকে এবং শনির জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক চিহ্নটি উক্ত রোমান দেবতার কাস্তের প্রতীক। মানুষ কি শনি গ্রহে গেছে শনি গ্রহের অন্বেষণ শুধুমাত্র ক্রুবিহীন প্রোব দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে । তিনটি মিশন ছিল flybys।যা সিস্টেম সম্পর্কে জ্ঞানের একটি বর্ধিত ভিত্তি তৈরি করেছিল। ১৯৯৭ সালে চালু হওয়া ক্যাসিনি হাইজেন মহাকাশযানটি ২০০৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত কক্ষপথে ছিল।গ্রহের মহাকাশ গবেষণার জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মিশনগুলির মধ্যে একটি হল শনি গ্রহে ক্যাসিনি মিশন। ক্যাসিনি হল একটি অত্যাধুনিক র...

দেড় বছর পর কেন শনির বলয় উধাও হবে? জানাল নাসার বিজ্ঞানীরা

ছবি
শনি গ্রহ ও তার বলয় ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আর মাত্র  আঠারো মাস। ২০২৫ সালের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে উধাও হয়ে যাবে শনির বলয়! জানাল আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ শনি, যা বৃহস্পতির পর সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। তবে শনি গ্রহকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় করে তোলে তার বলয়।  শনিতে মোট ৮২টি বলয় রয়েছে। মূল বলয় ৭টি। এই বলয়গুলি মূলত অসংখ্য বরফ কণা, পাথরের ভগ্নাংশ ও ধূলিকণা নিয়ে গঠিত। এগুলি আসলে ধূমকেতু গ্রহাণু বা উপগ্রহের অংশবিশেষ। লক্ষ লক্ষ বছর আগে শনির কাছাকাছি এসে তার মাধ্যাকর্ষণের প্রবল টানে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল মহাজাগতিক পদার্থগুলি। এই বলয় কিন্তু চিরস্থায়ী নয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আগেই জানিয়েছিলেন সে কথা। এর আয়ু খুব বেশি হলে ১০ কোটি বছর। ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাচ্ছে বলয়। শনির বুকে আছড়ে পড়ছে বলয়ে ঘূর্ণায়মান পাথরখণ্ড। কিন্তু ১০ কোটি বছর তো দূরের কথা আর দেড় বছরের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে উধাও হয়ে যাবে শনির বলয়! শনি পৃষ্ঠ থেকে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার মাইল বিস্তৃত বলয়কে টেলিস্কোপে চোখে রাখলেই দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু ২০২৫-এ তা আর দৃশ্যমান...

পৃথিবীর গভীরে ১০ কিলোমিটার গর্ত কেন খুঁড়ছে চীন?

ছবি
কেন পৃথিবীর গভীরে ১০ কিলোমিটার গর্ত খুঁড়ছে চীন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মহাকাশ বিজ্ঞানে এগিয়ে থাকার চেষ্টা চালিয়ে চলেছে। এমনকি কিছু কিছু দেশ তাদের সাফল্যের পতাকা উত্তোলন করেও ফেলেছে। তবে পৃথিবীর অভ্যন্তরের রহস্য বুঝতে বিশ্ব এখনও অনেক পিছিয়ে সে কথা বলা যেতেই পারে। পৃথিবীর অভ্যন্তরে কী ঘটছে তা কি জানা সম্ভব? তবে অনেক অজানাকেই জানাতে পরিণত করতে চিন একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।পৃথিবীর গভীরে প্রবেশ করতে চলেছে দেশটি। এমনকি ১০ কিলোমিটার খুঁড়েও ফেলেছে। প্রায় ১০টি স্তর খনন করার পরে চিন ক্রিটেসিয়াস সময়ের ১৪৫ মিলিয়ন বছর আগে পাথর বের করে আনতে পারবে। যদিও এমনটাই ধারণা করছে চিন। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। ফলে প্রাচীন যুগের পাথরের খোঁজে লেগে পড়েছে চিনা বিজ্ঞানীরা। চিন কি পারবে ১৪৫ মিলিয়ন বছর আগে পাথর বের করতে? যদিও চিনের এই খনন প্রক্রিয়া কোনওভাবেই রেকর্ড করতে পারবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এরও একটি কারণ আছে। তা হল ২৪ মে, ১৯৭০-এ রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত কোলা উপদ্বীপে প্রায় ১১ কিলোমিটার খোঁড়া হয়েছিল। আর সেখান থেকেই জানা গিয়েছিল যে, মাটির নীচে এত গভীর...

ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন ও কত বড়? সে ডিমে নাকি জল ঢুকত না, জানি তার আসল ইতিহাস

ছবি
ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন ও কত বড় তার প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  দৈত্যাকার ডাইনোসরদের জীবাশ্ম বা ফসিলস পাওয়া গেলেই নতুন করে গবেষণা শুরু করেন তাঁরা।মধ্যপ্রদেশে বাঘ ধার গ্রামে বাঘনী নদীর তীরে তিনটি জায়গা থেকে ডাইনোসরের ডিমের ২৫টি ফসিল বা জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। ডাইনোসরের ডিম কত বড় ছিল বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, ডাইনোসরের ডিমের এই জীবাশ্ম প্রায় ৬৫০ কোটি বছরের পুরনো। আপাতত এই জীবাশ্মগুলি লখনউ এবং চণ্ডীগড়ের গবেষণা কেন্দ্রে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর আগেও ডাইনোসরের ডিমের জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। তাই এই বাগানে ডাইনোসর ফসিল পার্ক তৈরি করেছে বন বিভাগ। বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন যে, এগুলি মাংসাশী ডাইনোসরের ডিম হতে পারে।  কিন্তু আপনি কি জানেন ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন এবং সেগুলো ঠিক কত বড়? কোথায়ই বা প্রথম ডাইনোসরের ডিম খুঁজে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা? ডাইনোসরের ডিম অনেক আকারের হয় ১ ইঞ্চি থেকে ৮ ইঞ্চি চওড়া এবং দৈর্ঘ্যে ২ ফুট পর্যন্ত। ১৮৫৯ সালে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো ডাইনোসরের ডিম আবিষ্কার করেছিলেন। বিজ্ঞানীদের মতে, ডাইনোসররা প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে ছিল। এই সময়ে তাদের আকারে ...