পোস্টগুলি

পৃথিবী কি পুরুষ-শূন্য হয়ে যাবে? আশঙ্কার কথা জানাল গবেষণা

ছবি
ক্রোমোজোমে এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   কন্যাভ্রূণ হত্যার কথা প্রায়ই শোনা যায়। পুত্রসন্তানের জন্ম না দেওয়ায় মহিলার উপর নির্যাতনের খবরও সামনে আসে। কিন্তু, বিজ্ঞান বলছে যে, সন্তান পুত্র না কন্যা হবে, তা নির্ভর করে তার পিতার ক্রোমোজোমোর উপর। পুরুষের ওয়াই ক্রোমোজোমের সাহায্যেই একজন নারী পুত্রসন্তানের জন্ম দিতে পারেন। কিন্তু, সেই ওয়াই ক্রোমোজোমই যদি ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়? তাহলে কি আর পৃথিবীতে পুরুষের অস্তিত্ব থাকবে? এক গবেষণায় ওয়াই ক্রোমোজোম নিয়ে এমনই আশঙ্কার কথা শোনালেন গবেষকরা। মানুষের দেহে প্রতি কোষে একজোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে। নারীর দেহে দুটোই এক্স ক্রোমোজোম। আর পুরুষের দেহে একটি এক্স ও অপরটি ওয়াই ক্রোমোজোম। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে যে, ডিম্বাণুর নিষেক ঘটে সেটি এক্স ক্রোমোজোম বহনকারী না ওয়াই ক্রোমোজোম বহনকারী শুক্রাণুর সঙ্গে মিলিত হচ্ছে, তার উপরই নির্ভর করে মেয়ে না ছেলে হবে। প্রসেডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স জার্নালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে ওয়াই ক্রোমোজোমের সংকোচন নিয়ে। বছর দুয়েক আগের ওই গবেষণাপত্র বলছে যে, মানুষের ওয়াই ক্রোমোজোম ক্রমশ সঙ্কুচিত হচ্ছে। বিজ...

সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতি কত?

ছবি
সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতি ছবি। সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতি  সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর ঘূর্ণন একটি গতি যেখানে পৃথিবী একটি অবিরাম গতিতে এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে ভ্রমণ করে। এই গতি আমাদের গ্রহের প্রতিটি ঋতুর সময়কাল এবং দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করে। পৃথিবীর সূর্যের চারপাশে যাত্রা শেষ করতে ৩৬৫ দিন লাগে। পৃথিবী তার অক্ষের উপর একই সময়ে সূর্যের চারদিকে ঘোরে। সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতিবেগ পৃথিবীর কক্ষপথের গতি গড় ২৯.৭৮ কিমি/সেকেন্ড (19 মাইল/সেকেন্ড; 107,208 কিমি/ঘন্টা; 66,616 মাইল), যা ৭ মিনিটে গ্রহের ব্যাস এবং ৪ ঘণ্টায় চাঁদের দূরত্ব কভার করার জন্য যথেষ্ট দ্রুত। আরও পড়ুন:  পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কে আবিষ্কার করেন? উপরে চিত্রে সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথে বিভিন্ন অবস্থান এবং অক্ষীয় ঢালের মধ্যকার সম্পর্ককে দেখানো হয়েছে। এখানে পৃথিবী উপবৃত্তাকার কক্ষপথের ছয়টি চিত্রের প্রতিটির মধ্য দিয়ে ক্রমান্বয়ে অতিক্রম করে। এখানে, ২ থেকে ৫ই জানুয়ারির মধ্যে পেরিহেলিয়ন বা অনুসূর (পেরিয়াপসিস - সূর্যের নিকটতম বিন্দু); ১৯ থেকে ২১শে মার্চের মধ্যে বসন্ত বিষুব; ২০ থেকে ২২শে জুনের মধ্যে উত্তর-অয...

পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কে আবিষ্কার করেন?

ছবি
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হল পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে তার পৃষ্ঠের বা তার কাছাকাছি একটি বিন্দুর দূরত্ব। আর্থ গোলক একটি উপবৃত্তাকার উপবৃত্তাকার দ্বারা পৃথিবীর চিত্রের আনুমানিক ব্যাসার্ধ সর্বাধিক থেকে প্রায় ৬,৩৭৮ কিমি ৩,৯৬৩ মাইল থেকে সর্বনিম্ন প্রায় ৬,৩৫৭ কিমি বা ৩,৯৫০ মাইল। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ আবিষ্কার সাইরিনের ইরাথোস থেনিস বা এরাটোস্থেনিস (প্রাচীন গ্রিক: Ἐρατοσθένης, আইপিএ: [eratostʰénɛːs]; ইংরেজিঃ ɛrətɒsθəniːz/; খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৬ – খ্রিষ্টপূর্ব ১৯৫/১৯৪ ছিলেন একজন গ্রিক গণিতজ্ঞ, ভূগোলবিদ, কবি, জ্যোতির্বিদ, এবং সঙ্গীত তত্ত্ববিদ। তিনি ছিলেন জ্ঞানপিপাসু ব্যক্তি, যিনি আলেকজেন্দিয়া লাইব্রেরী-তে কেবলমাত্র জ্ঞানার্জনের জন্য কর্মরত ছিলেন। তিনি জ্ঞানের অন্যতম শাখা ভূগোল এবং এর কতিপয় পরিভাষা উদ্ভাবন করেন, যা আজ আমদের জ্ঞান তৃষ্ণা মেটাচ্ছে। আরও পড়ুন:  পৃথিবীর পরিধি কত মিটার? ইরাতোস্থিনিস লক্ষ করেন বছরের নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে সিয়েনে (বর্তমান আসওয়ান, মিশর) লম্বভাবে বা সোজাভাবে পোতা দন্ড ছায়া ফেলে না। কিন্তু ঐ সময়ে আলেকজান্দ্রিয়াতে (মিশরের একটি প্রাচীন শহর) পোতা দন্ড ছায়া ...

পৃথিবীর পরিধি কত মিটার?

ছবি
পৃথিবীর পরিধি ও মিটার। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীর পরিধি হল পৃথিবীর চারপাশের দূরত্ব । বিষুবরেখার চারপাশে পরিমাপ করা হয় , এটি 40,075.017 কিমি (24,901.461 মাইল)। মেরুগুলির মধ্য দিয়ে পরিমাপ করা হয়েছে , পরিধি হল 40,007.863 কিমি (24,859.734 মাইল)। পৃথিবীর পরিধি পরিমাপ প্রাচীনকাল থেকেই ন্যাভিগেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ । প্রথম পরিচিত বৈজ্ঞানিক পরিমাপ এবং গণনাটি ইরাটোসথেনিস দ্বারা করা হয়েছিল।একটি পরিচিত উত্তর-দক্ষিণ দূরত্বের দুটি স্থানে মধ্য দিবসের সূর্যের উচ্চতা তুলনা করে।  তিনি তার গণনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নির্ভুলতা অর্জন করেছিলেন।  পৃথিবীকে একটি গোলক হিসাবে বিবেচনা করলে এর পরিধি হবে এর একক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ। পৃথিবী গোলাকার থেকে প্রায় 0.3% বিচ্যুত হয় যেমন চ্যাপ্টা হয়ে থাকে । আধুনিক সময়ে পৃথিবীর পরিধি দৈর্ঘ্য পরিমাপের মৌলিক একক সংজ্ঞায়িত করতে ব্যবহৃত হয়েছে সপ্তদশ শতাব্দীতে নটিক্যাল মাইল এবং আঠারো শতকে মিটার ।  আরও পড়ুন: পৃথিবীর কক্ষপথ কে আবিষ্কার করেন? পৃথিবীর মেরু পরিধি ২১,৬০০ নটিক্যাল মাইলের খুব কাছাকাছি কারণ নটিক্যাল মাইলের উদ্দেশ্য ছিল এক মিনিটের...

মেয়েদের ঘুমানোর নিয়ম কি ? ভঙ্গি দেখে বুঝে নিন মেয়টি কেমন

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মানুষের মনের তিনটি স্তর থাকে । চেতন, অবচেতন ও অচেতন। ঘুমের মধ্যে মানুষ তার অবচেতন স্তরে থাকে। আর তখন তার নিজস্ব ব্যাক্তিত্ব ফুটে ওঠে। হয়তো ভাবছেন কিভাবে ঘুমের মধ্যে ব্যাক্তিত্ব ফুটে ওঠে? তাহলে বলি আপনি কিভাবে ঘুমোচ্ছেন সেটি বলে দেয় আপনার ব্যাক্তিত্ব কেমন। মানুষ ঘুমানোর সময় নিজের ভাব ভঙ্গি দিয়ে তার ব্যাক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলে। ঘুমানোর নিয়ম দেখে  মানুষকে কিভাবে চিনবেন আপনি যখন জেগে থাকা অবস্থায় চলা ফেরা করেন আর কথা বার্তা বলেন সেটা যেমন আপনার আবেগ বা ব্যাক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলে তেমনই ঘুমের ভঙ্গিও আপনার ব্যাক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলে। সম্প্রতি এরকম একটি তথ্য দিয়েছেন সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডক্টর মা’র্ক কোহলার। তিনি বলেছেন যে, ১। যে মানুষ এক পাস ফিরে ঘুমায় সে অনেক হিসাবি ও সঠিক জীবনযাত্রার অধিকারী। ২। যারা বুক উঁচু করে রাজকী’য় ভঙ্গিমায় ঘুমায় তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে থাকে। এরকম ঘুম খুব দৃঢ় ব্যাক্তিত্বের মানুষে হয়ে থাকে। এদের ঘুম খুব পাতলা হয়, খুব সহ’জে যেমন এরা ঘুমিয়ে পড়েন আবার অল্প আওয়াজেই ঘুম থেকে উঠে পড়েন। এরা হাত পা শরীরের ব...

পৃথিবীর কক্ষপথ কে আবিষ্কার করেন?

ছবি
পৃথিবীর কক্ষপথের ছবি ১। পৃথিবীর কক্ষপথ কাকে বলে ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  কক্ষপথ ইংরেজি নাম Orbit। কক্ষপথ বলতে কোন একটি বস্তুর কেন্দ্রমুখী বলের প্রভাবে অপর একটি বস্তুর চারদিকে ঘোরার পথকে বোঝায়। পদার্থবিদ্যায় কক্ষপথ বলতে বোঝায় মহাকর্ষীয় বলের ফলে কোন বস্তুর বক্র পরিক্রমণ পথ। উদাহরণস্বরূপ একটি নক্ষত্রকে ঘিরে কোনো গ্রহের প্রদক্ষিণ।সাধারণত গ্রহের কক্ষপথ হয় উপবৃত্তাকার।  কক্ষীয় গতি সম্পর্কিত বলবিদ্যার বর্তমান ধারনাটির ভিত্তি হল আলবার্ট আইনেস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা। সাধারণ আপেক্ষিকতা বা আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব বলতে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন কর্তৃক ১৯১৫-১৯১৬ সালে আবিষ্কৃত মহাকার্ষের জ্যামিতিক তত্ত্বকে বোঝায়। এটি বিশেষ আপেক্ষিকতা এবং নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্বকে একীভূত করার মাধ্যমে একটি বিশেষ অন্তর্দৃষ্টির জন্ম দিয়েছে। কক্ষপথের ইতিহাস আধুনিক কক্ষপথ বোঝার জন্য যে ভিত্তি সেটি প্রথম জোহানেস কেপলার এর তিনটি সূত্র দ্বারা প্রণয়ন করা হয়েছিল। প্রথমত তিনি দেখেন যে, আমাদের সৌরজগৎের গ্রহগুলোর কক্ষপথ উপবৃত্তাকার না বৃত্তাকার । এবং সূর্য কক্ষপথের কেন্দ্রে অবস্থিত নয়। দ্বিতীয়ত, সূর্য ...

ফজরের পর ঘুমালে কি কি ক্ষতি হয় আজকে তা জানুন

ছবি
 ঘুমানোর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে কাজের জন্য। মানুষের মূল কাজ পরকালের সম্পদ জমা করা। পরকালের সম্পদ জমা করার জন্য প্রয়োজন পার্থিব জীবনেও জীবিকার জোগান। আর এ জন্যই মানুষ দিনভর দৌড়ঝাঁপ করে জীবিকার সন্ধানে। দিনভর কর্ম-ক্লান্তির পর রাতের নীরবতায় আল্লাহ মানুষের জন্য ঘুমের আয়োজন করেছেন।  সকালে ঘুমালে কি কি ক্ষতি হয় শুধু শরীরের প্রয়োজন ছাড়াও হাজারো উপকারিতা রয়েছে ঘুমে। ঘুম মানুষের চিন্তা পেরেশানি দূর করে অন্তর ও মস্তিষ্ককে এমনভাবে স্বস্তি ও শান্তি প্রদান করে যার বিকল্প পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টি নেই। সারা দিনের ক্লান্তি-শ্রান্তিতে বিপর্যস্ত হয়ে রাতে ঘুমানোর মাধ্যমে আবার উদ্যমতা ফিরে আসে। ঘুম থেকে জেগে নতুন উদ্যমে নতুন দিন শুরু করা যায়। মানুষ দিনে কাজ করবে, পরিশ্রম করবে, ঘাম ঝরাবে এবং রাতে বিশ্রাম নেবে, ঘুমাবে-এটাই প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম। আল্লাহ এতে মানুষের মনের প্রশান্তি ও শরীরের সুস্থতা রেখেছেন। এর বিপরীত করলে ব্যক্তিজীবনে বিপর্যয় ঘটতে পারে। বিশেষ করে ফজরের পর ও আসরের পর ঘুমানো খুবই ক্ষতিকর। এর ফলে শরীরে নানা রোগের উপসর্গ সৃষ্টি হয়।   মহান...