পোস্টগুলি

মহাজাগতিক বিস্ময়! পৃথিবীর কান ঘেঁষে চলে গেল ৬টি বৃহত্তম গ্রহাণু

ছবি
পৃথিবীর কান ঘেঁষে চলে গেল ৬টি বৃহত্তম গ্রহাণু । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  কার্যত সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহটির কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল তারা। এমনিতে অবশ‌্য বৃহস্পতিবার তাদের এই তড়িৎ আগমনে পৃথিবী কিংবা পৃথিবীবাসীর জন‌্য ভয়ের কিছু ছিল না। কারণ এগুলির কোনওটাই বিপজ্জনক নয়। বরং পৃথিবীর এত কাছ দিয়ে তাদের চলে যাওয়া বিজ্ঞানীদের কাছে ‘নিয়ার আর্থ অবজেক। (এনইও’স) সম্পর্কে নজরদারি এবং এই সংক্রান্ত নানাবিধ গবেষণার কাজে আরও তথ‌্য পেতে সাহায‌্য করবে।  জানা গিয়েছে যে, ছ’টির মধে্্যে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে এসেছিল গ্রহাণু ২০২৩টিজি১৪। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ০.০১৭ অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ইউনিট বা এইউ (মানে প্রায় ২.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার) দূরত্ব রেখে চলে গেল। এই গ্রহাণুটি আকারে ছোট, এর অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ডায়ামিটার (ব‌্যাস) ১৮ থেকে ৪১ মিটারের মধে‌্য। পৃথিবীর ধার দিয়ে যাওয়ার সময় এর গতি সেকেন্ডে ৬.৯ কিলোমিটার।  বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, ছ’টি গ্রহাণুর মধে‌্য আকারে সবচেয়ে বড়টির নাম ২০২২এনভি১৬ (৩৬৩৩০৫)। সেটির অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ডায়ামিটার প্রায় ১৪০ থেকে ৩১০ মিটারের মধে‌্য। এই বৃহদাকার গ্রহাণুটি পৃথিবীর সঙ্গে...

ধরা পড়েছে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব! নভেম্বরেই মিলবে তার প্রমাণ, দাবি নাসার চিত্র পরিচালকের

ছবি
ধরা পড়েছে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং আগামীতেও চলবে। তবে এবার পৃথিবী থেকে দূরে আবারও তাদের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। আর সেই প্রমাণ আগামী নভেম্বর মাসে সর্বসমক্ষে আনা হবে। এমনটাই ঘোষণা করে চমকে দিয়েছেন নাসার চিত্র পরিচালক সাইমন হল‌্যান্ড। . সাইমন হল‌্যান্ডের দাবি করনে যে, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের উদ্যোগে হওয়া একটি কর্মসূচি বিশেষভাবে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব, প্রমাণ-সহ অনুসন্ধানের জন‌্যই গৃহীত হয়েছিল। এর সঙ্গে যুক্ত ছিল মার্ক জুকারবার্গের ব্রেকথ্রু লিসেন প্রোজেক্টও।  সেই সূত্র থেকেই খবর মিলেছে যে, ভিনগ্রহীরা যে সত্যিই রয়েছে। আর তার অকাট‌্য প্রমাণও মিলেছে। অস্ট্রেলিয়ায় পার্কস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে এলিয়েনদের পাঠানো সিগন‌্যাল। ২০১৯ সালে সেই প্রমাণ বিজ্ঞানীদের হাতে এসেছিল, কিন্তু তখন তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। আরও পড়ুন:  দৈনিক একটা করে সূর্য তার খাবার! এমনি এক ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেলেন এবার বিজ্ঞানীরা নাসার চিত্র পরিচালক সংবাদমাধ‌্যমকে জানান যে, মানুষ নয়, এমন প্রাণীর অস্তিত্ব ধরা পড়েছে পার্কস টেলিস্কোপে। পৃথিব...

কাজ করবে না আর অ্যান্টিবায়োটিক, ‘অবাধ্য’ জীবাণুর কামড়ে পৃথিবীতে প্রাণ হারাবে ৪ কোটি মানুষ!

ছবি
অ্যান্টিবায়োটিক এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   অ্যান্টিবায়োটিকের উদ্ভাবন চিকিৎসা বিজ্ঞানের যুগান্তকারী আবিষ্কারের অন্যতম। কিন্তু মুড়ি-মুড়কির মতো সেই ওষুধ খেয়ে চলাই কাল হতে চলেছে। চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করলেও ভ্রূক্ষেপ করেননি কেউ। কেননা এর ফলে একশ্রেণির জীবাণু ক্রমেই অবাধ্য’ হয়ে উঠছে। যার জেরে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণ। গবেষকরা দাবি করেছেন যে, ২০৫০ সালের মধ্যে ৪ কোটি মানুষের মৃত্যু হবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণের কারণেই। কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিডোমিওলজিস্ট জোসেফ লিওনার্দ বলেছেন যে, আমরা নিজেদের কোথায় এনে ফেলেছি এটা আমাদের বুঝতে হবে।দ্য ল্যান্সেট’-এ প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ১৯৯০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এই কারণে। আগামী সময়ে এর হার আরও বাড়বে। এবং ২০২৫ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে তা বার্ষিক ২০৪টি দেশের ২০ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ হবে। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়াবে ৩ কোটি ৯০ লক্ষের বেশি। আরও পড়ুন:  মঙ্গলে সন্ধান দেড় লক্ষ টন জল, প্রাণে...

পৃথিবী কি পুরুষ-শূন্য হয়ে যাবে? আশঙ্কার কথা জানাল গবেষণা

ছবি
ক্রোমোজোমে এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   কন্যাভ্রূণ হত্যার কথা প্রায়ই শোনা যায়। পুত্রসন্তানের জন্ম না দেওয়ায় মহিলার উপর নির্যাতনের খবরও সামনে আসে। কিন্তু, বিজ্ঞান বলছে যে, সন্তান পুত্র না কন্যা হবে, তা নির্ভর করে তার পিতার ক্রোমোজোমোর উপর। পুরুষের ওয়াই ক্রোমোজোমের সাহায্যেই একজন নারী পুত্রসন্তানের জন্ম দিতে পারেন। কিন্তু, সেই ওয়াই ক্রোমোজোমই যদি ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়? তাহলে কি আর পৃথিবীতে পুরুষের অস্তিত্ব থাকবে? এক গবেষণায় ওয়াই ক্রোমোজোম নিয়ে এমনই আশঙ্কার কথা শোনালেন গবেষকরা। মানুষের দেহে প্রতি কোষে একজোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে। নারীর দেহে দুটোই এক্স ক্রোমোজোম। আর পুরুষের দেহে একটি এক্স ও অপরটি ওয়াই ক্রোমোজোম। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে যে, ডিম্বাণুর নিষেক ঘটে সেটি এক্স ক্রোমোজোম বহনকারী না ওয়াই ক্রোমোজোম বহনকারী শুক্রাণুর সঙ্গে মিলিত হচ্ছে, তার উপরই নির্ভর করে মেয়ে না ছেলে হবে। প্রসেডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স জার্নালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে ওয়াই ক্রোমোজোমের সংকোচন নিয়ে। বছর দুয়েক আগের ওই গবেষণাপত্র বলছে যে, মানুষের ওয়াই ক্রোমোজোম ক্রমশ সঙ্কুচিত হচ্ছে। বিজ...

সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতি কত?

ছবি
সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতি ছবি। সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতি  সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর ঘূর্ণন একটি গতি যেখানে পৃথিবী একটি অবিরাম গতিতে এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে ভ্রমণ করে। এই গতি আমাদের গ্রহের প্রতিটি ঋতুর সময়কাল এবং দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করে। পৃথিবীর সূর্যের চারপাশে যাত্রা শেষ করতে ৩৬৫ দিন লাগে। পৃথিবী তার অক্ষের উপর একই সময়ে সূর্যের চারদিকে ঘোরে। সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতিবেগ পৃথিবীর কক্ষপথের গতি গড় ২৯.৭৮ কিমি/সেকেন্ড (19 মাইল/সেকেন্ড; 107,208 কিমি/ঘন্টা; 66,616 মাইল), যা ৭ মিনিটে গ্রহের ব্যাস এবং ৪ ঘণ্টায় চাঁদের দূরত্ব কভার করার জন্য যথেষ্ট দ্রুত। আরও পড়ুন:  পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কে আবিষ্কার করেন? উপরে চিত্রে সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথে বিভিন্ন অবস্থান এবং অক্ষীয় ঢালের মধ্যকার সম্পর্ককে দেখানো হয়েছে। এখানে পৃথিবী উপবৃত্তাকার কক্ষপথের ছয়টি চিত্রের প্রতিটির মধ্য দিয়ে ক্রমান্বয়ে অতিক্রম করে। এখানে, ২ থেকে ৫ই জানুয়ারির মধ্যে পেরিহেলিয়ন বা অনুসূর (পেরিয়াপসিস - সূর্যের নিকটতম বিন্দু); ১৯ থেকে ২১শে মার্চের মধ্যে বসন্ত বিষুব; ২০ থেকে ২২শে জুনের মধ্যে উত্তর-অয...

পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কে আবিষ্কার করেন?

ছবি
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হল পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে তার পৃষ্ঠের বা তার কাছাকাছি একটি বিন্দুর দূরত্ব। আর্থ গোলক একটি উপবৃত্তাকার উপবৃত্তাকার দ্বারা পৃথিবীর চিত্রের আনুমানিক ব্যাসার্ধ সর্বাধিক থেকে প্রায় ৬,৩৭৮ কিমি ৩,৯৬৩ মাইল থেকে সর্বনিম্ন প্রায় ৬,৩৫৭ কিমি বা ৩,৯৫০ মাইল। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ আবিষ্কার সাইরিনের ইরাথোস থেনিস বা এরাটোস্থেনিস (প্রাচীন গ্রিক: Ἐρατοσθένης, আইপিএ: [eratostʰénɛːs]; ইংরেজিঃ ɛrətɒsθəniːz/; খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৬ – খ্রিষ্টপূর্ব ১৯৫/১৯৪ ছিলেন একজন গ্রিক গণিতজ্ঞ, ভূগোলবিদ, কবি, জ্যোতির্বিদ, এবং সঙ্গীত তত্ত্ববিদ। তিনি ছিলেন জ্ঞানপিপাসু ব্যক্তি, যিনি আলেকজেন্দিয়া লাইব্রেরী-তে কেবলমাত্র জ্ঞানার্জনের জন্য কর্মরত ছিলেন। তিনি জ্ঞানের অন্যতম শাখা ভূগোল এবং এর কতিপয় পরিভাষা উদ্ভাবন করেন, যা আজ আমদের জ্ঞান তৃষ্ণা মেটাচ্ছে। আরও পড়ুন:  পৃথিবীর পরিধি কত মিটার? ইরাতোস্থিনিস লক্ষ করেন বছরের নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে সিয়েনে (বর্তমান আসওয়ান, মিশর) লম্বভাবে বা সোজাভাবে পোতা দন্ড ছায়া ফেলে না। কিন্তু ঐ সময়ে আলেকজান্দ্রিয়াতে (মিশরের একটি প্রাচীন শহর) পোতা দন্ড ছায়া ...

পৃথিবীর পরিধি কত মিটার?

ছবি
পৃথিবীর পরিধি ও মিটার। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীর পরিধি হল পৃথিবীর চারপাশের দূরত্ব । বিষুবরেখার চারপাশে পরিমাপ করা হয় , এটি 40,075.017 কিমি (24,901.461 মাইল)। মেরুগুলির মধ্য দিয়ে পরিমাপ করা হয়েছে , পরিধি হল 40,007.863 কিমি (24,859.734 মাইল)। পৃথিবীর পরিধি পরিমাপ প্রাচীনকাল থেকেই ন্যাভিগেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ । প্রথম পরিচিত বৈজ্ঞানিক পরিমাপ এবং গণনাটি ইরাটোসথেনিস দ্বারা করা হয়েছিল।একটি পরিচিত উত্তর-দক্ষিণ দূরত্বের দুটি স্থানে মধ্য দিবসের সূর্যের উচ্চতা তুলনা করে।  তিনি তার গণনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নির্ভুলতা অর্জন করেছিলেন।  পৃথিবীকে একটি গোলক হিসাবে বিবেচনা করলে এর পরিধি হবে এর একক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ। পৃথিবী গোলাকার থেকে প্রায় 0.3% বিচ্যুত হয় যেমন চ্যাপ্টা হয়ে থাকে । আধুনিক সময়ে পৃথিবীর পরিধি দৈর্ঘ্য পরিমাপের মৌলিক একক সংজ্ঞায়িত করতে ব্যবহৃত হয়েছে সপ্তদশ শতাব্দীতে নটিক্যাল মাইল এবং আঠারো শতকে মিটার ।  আরও পড়ুন: পৃথিবীর কক্ষপথ কে আবিষ্কার করেন? পৃথিবীর মেরু পরিধি ২১,৬০০ নটিক্যাল মাইলের খুব কাছাকাছি কারণ নটিক্যাল মাইলের উদ্দেশ্য ছিল এক মিনিটের...