পোস্টগুলি

নাসার চমকপ্রদ আবিষ্কার: সমুদ্রের তলে ১,০০,০০০ লুকানো পাহাড় উন্মোচিত!

ছবি
নাসার সমুদ্রের তলদেশে লুকানো পাহাড়ের মানচিত্র। নাসার চমকপ্রদ আবিষ্কার: সমুদ্রের তলে ১,০০,০০০ লুকানো পাহাড় নাসার সম্প্রতি প্রকাশিত সমুদ্রপৃষ্ঠের মানচিত্রে এক চমকপ্রদ আবিষ্কার ধরা পড়েছে। বিজ্ঞানীরা সমুদ্রের গভীরে প্রায় ১,০০,০০০ লুকানো পাহাড়ের অস্তিত্ব শনাক্ত করেছেন। এই আবিষ্কার শুধু ভূতত্ত্ব নয়, বরং পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সমুদ্রের তলদেশের রহস্য নাসার স্যাটেলাইট এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা সমুদ্রের গভীর তলদেশে লুকিয়ে থাকা পাহাড়ের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেছেন। সংখ্যা: প্রায় ১,০০,০০০। উচ্চতা: গড়ে ১,৫০০ মিটার বা তারও বেশি। অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগরের গভীর অংশে। এই পাহাড়গুলো সমুদ্রপৃষ্ঠে সরাসরি দৃশ্যমান না হলেও, স্যাটেলাইটের গ্রাভিটি ফিল্ড এবং রাডার প্রযুক্তির সাহায্যে এগুলো সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। কেন এই আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ? ১. পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস উন্মোচন সমুদ্রের তলদেশে এমন লুকানো পাহাড়ের উপস্থিতি পৃথিবীর প্লেট টেকটোনিকস, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং ভূগর্ভস্থ কাঠামো সম্পর্কে নতুন তথ্য দেয়। ২. জীব...

মঙ্গলে ‘রঙ গড়িয়ে পড়া’ চিহ্ন আবিষ্কার করল নাসা – কী হতে পারে এর মানে?

ছবি
মঙ্গলে নাসার আবিষ্কার: 'রঙ গড়িয়ে পড়া' চিহ্নের রহস্য উন্মোচন ছবি নাসার। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশ নিয়ে আমাদের কৌতূহলের শেষ নেই। সেই কৌতূহলকে আরও উসকে দিল নাসার সাম্প্রতিক এক আবিষ্কার। নাসার মঙ্গলগামী উপগ্রহের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এমন কিছু চিহ্ন, যেগুলো দেখে মনে হচ্ছে যেন দেয়ালের উপর দিয়ে রঙ গড়িয়ে পড়ছে। এই অদ্ভুত এবং রহস্যময় চিহ্নগুলি মঙ্গলের এক বিশেষ অংশে দেখা গেছে, যা বিজ্ঞানীদের মাঝে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এগুলো কি কেবল প্রাকৃতিক কোনো ঘটনা, নাকি লুকিয়ে আছে আরও গভীর কিছু বার্তা? চলুন, বিশ্লেষণ করে দেখি কী হতে পারে এই ‘রঙ গড়িয়ে পড়া’ রেখার পেছনের সত্য। নাসার পর্যবেক্ষণ কী বলছে? নাসার 'Mars Reconnaissance Orbiter' (MRO) নামের উপগ্রহটি মঙ্গলের উপরিভাগে নিয়মিত ছবি তোলে এবং তথ্য সংগ্রহ করে। সম্প্রতি এই উপগ্রহ থেকে পাঠানো ছবিতে দেখা গেছে কিছু সরু, গা dark ় রেখা—যা দেখতে ঠিক যেন কোনো দেয়ালে কালো রঙ গড়িয়ে পড়েছে। বিজ্ঞানীরা এই রেখাগুলিকে বলেন "Recurring Slope Lineae" (RSL)। এই চিহ্নগুলোর উৎস কী হতে পারে? এই ধরনের রেখা আগে বিভিন্ন সময় মঙ্গলের ঢালে দেখা গেছে,...

শুক্র গ্রহ কোন দিক থেকে কোন দিকে ঘোরে?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শুক্র গ্রহ সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ, যা তার অনন্য ঘূর্ণনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। সাধারণত, সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহগুলো পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘূর্ণন করে। তবে, শুক্র গ্রহ এই নিয়মের ব্যতিক্রম। এটি ঘোরে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে, যা বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় retrograde rotation নামে পরিচিত। শুক্রের ঘূর্ণনের বৈশিষ্ট্য ১।ঘূর্ণনের গতি শুক্র গ্রহের ঘূর্ণন অত্যন্ত ধীর। এটি একবার নিজের অক্ষে সম্পূর্ণ ঘূর্ণন সম্পন্ন করতে পৃথিবীর প্রায় ২৪৩ দিন সময় নেয়। ২।অস্বাভাবিক ঘূর্ণন কক্ষপথ শুক্র গ্রহ তার অক্ষের চারপাশে প্রায় ১৭৭ ডিগ্রি কোণে ঝুঁকে থাকে। এর ফলে, এর দিন এবং রাতের চক্র পৃথিবীর তুলনায় ভিন্ন। ৩।পশ্চিম থেকে পূর্বে সূর্যোদয় শুক্র গ্রহে সূর্য উদিত হয় পশ্চিম দিক থেকে এবং অস্ত যায় পূর্ব দিকে। এটি পৃথিবীর নিয়মিত সূর্যোদয়-অস্তের ঠিক বিপরীত। আরও পড়ু ন: 500 বছর আগে পৃথিবী কেমন ছিল? কেন শুক্র গ্রহ ব্যতিক্রম? বিজ্ঞানীরা মনে করেন, শুক্র গ্রহের এই ব্যতিক্রমী ঘূর্ণনের কারণ অতীতে এক বা একাধিক বৃহৎ সংঘর্ষ, যা গ্রহটির ঘূর্ণনের গতিপথ পরিবর্তন করে দিয়েছে। আরও পড়ু ন: কোন গ্রহে সবচেয়ে বেশি হীরা আছে...

কোন গ্রহে সবচেয়ে বেশি হীরা আছে?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশের অজানা রহস্য মানুষের কৌতূহল বাড়িয়ে তোলে। পৃথিবীতে হীরা অত্যন্ত মূল্যবান এবং দুর্লভ হলেও, সৌরজগতের কিছু গ্রহে এটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, বৃহস্পতি (Jupiter), শনি (Saturn), এবং সৌরজগতের বাইরের কিছু এক্সোপ্ল্যানেটে হীরার বিশাল ভাণ্ডার থাকতে পারে।  হীরা গ্রহ ছবি।   বৃহস্পতি এবং শনি: হীরার সম্ভাব্য উৎস বৃহস্পতি ও শনি গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রচুর মিথেন রয়েছে। যখন বজ্রপাত হয়, তখন মিথেন কার্বনে রূপান্তরিত হয়। এই কার্বন কণাগুলো চরম চাপ ও তাপমাত্রার প্রভাবে হীরায় রূপান্তরিত হয়। ১।বৃহস্পতি: উচ্চচাপ ও তাপমাত্রার কারণে এখানে হীরার গঠন সম্ভব হলেও এটি তরল অবস্থায় থেকে যায়। ২।শনি: শনির বায়ুমণ্ডলে বজ্রপাত এবং চাপের কারণে হীরা তৈরি হয়। বিজ্ঞানীদের মতে, এখানে "হীরার বৃষ্টি হতে পারে। সৌরজগতের বাইরের হীরা গ্রহ সৌরজগতের বাইরের গ্রহ, যেমন ৫৫ ক্যানক্রি ই (55 Cancri e), সম্পূর্ণ হীরার তৈরি হতে পারে। এটি একটি কার্বন-সমৃদ্ধ এক্সোপ্ল্যানেট, যা উচ্চচাপের কারণে সম্পূর্ণ হীরার গ্রহ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫৫ ক্যানক্রি ই (5...

মানুষ কোন বই গুলো পড়তে বেশি ভালোবাসে?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   মানুষের পছন্দের বই বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে, তবে কিছু বই বা ধরনের প্রতি মানুষের আগ্রহ সব সময়ই বেশি থাকে। এগুলি হতে পারে সাহিত্য, রোমান্স, থ্রিলার, মোটিভেশন, ফ্যান্টাসি, বা আত্ম-উন্নয়ন সম্পর্কিত। এখানে কিছু জনপ্রিয় বইয়ের তালিকা দেওয়া হলো, যেগুলি মানুষের মধ্যে বেশ ভালোভাবে প্রশংসিত এবং পড়তে ভালোবাসে। মানুষ যে বই গুলো পড়তে বেশি ভালোবাসে। মানুষ কোন ধরনের বই-এর প্রতি সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট হয় ১। সাহিত্যিক ক্লাসিক বই:    ক.পদ্মা নদীর মাঝি - মাওলানা আবদুল হামিদ খান    খ.গোরা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর    গ.তিতাস একটি নদীর নাম" - আদরাশী বসু ২। রোমান্টিক উপন্যাস:    ক.প্রেমের কাব্য" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর    খ.মধ্যাহ্ন" - সেলিনা হোসেন    গ.কোথাও কেউ নেই" - হুমায়ূন আহমেদ ৩। মিস্ট্রি/থ্রিলার:    ক.ডাকঘর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর    খ.ভুতুড়ে অভিযান - আহমদ ছফা    গ.দ্য গার্ল অন দ্য ট্রেন" - পাউলা হকিন্স ৪। ফ্যান্টাসি/সায়েন্স ফিকশন:    ক.হ্যারি পটার সিরিজ - জে. কে. রাউলিং    খ.দ...

ন্যানো টেকনোলজি ও কোরআন: সৃষ্টির সূক্ষ্মতার রহস্য

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ন্যানো টেকনোলজি, আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এক অন্যতম অগ্রগামী ক্ষেত্র । যা মৌলিক উপাদান যেমন, পরমাণু ও অণু স্তরের বিভিন্ন উপাদান ও বৈশিষ্ট্য অনুসন্ধান করে। এই প্রযুক্তি একদিকে যেমন জীবনযাত্রাকে সহজ করে, তেমনই মহাবিশ্বের অন্তর্নিহিত রহস্যগুলোকে উন্মোচন করে। তবে, অত্যাশ্চর্য বিষয় হলো, কোরআনে এমন কিছু আয়াত রয়েছে, যেগুলি অনেক আগে থেকেই সৃষ্টির সূক্ষ্মতা ও পরিকল্পনার কথা বলে, যা আজকের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ন্যানো টেকনোলজির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ন্যানো টেকনোলজি ও কোরআন ছবি। ১।ন্যানো টেকনোলজি: আধুনিক বিজ্ঞানের এক বিপ্লব ন্যানো টেকনোলজি সেই প্রযুক্তি, যা পরমাণু ও অণু স্তরের উপাদান নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। এটি আজকের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সবচেয়ে অগ্রসরতম দিক। একে আধুনিক বিজ্ঞান বলা হলেও, এটি বাস্তবে হাজার হাজার বছর আগের ধর্মীয় গ্রন্থে, বিশেষ করে কোরআনে, সৃষ্টির সূক্ষ্মতা ও বিশদ বর্ণনায় পাওয়া যায়। ন্যানো টেকনোলজি জীববিজ্ঞানে, মেডিকেল সায়েন্সে, পরিবেশ বিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক্সে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে। অণু ও পরমাণু স্তরের গঠন ও তাদের সম্পর্ক আমাদেরকে মহাবিশ্বের গঠ...

মহাকাশে দূরত্ব মাপার উপায় কী?

ছবি
মহাকাশে দূরত্ব মাপার জন্য বিভিন্ন উপায় এবং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এগুলো নির্ভর করে মাপার প্রয়োজনীয়তা এবং দূরত্বের উপর। নিচে কিছু প্রধান পদ্ধতির বিবরণ দেওয়া হল: ১।প্যারালাক্স পদ্ধতি (Parallax Method)    *ব্যবহার: নিকটবর্তী তারাদের দূরত্ব মাপার জন্য।    *পদ্ধতি :  পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় তারাদের অবস্থানের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে                                    ত্রিকোণমিতির সাহায্যে দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।    **সীমাবদ্ধতা: এই পদ্ধতি শুধুমাত্র কাছাকাছি তারাদের জন্য কার্যকর (প্রায় কয়েক হাজার আলোকবর্ষ                          পর্যন্ত)।  ২।সেফেইড ভেরিয়েবল তারকা (Cepheid Variable Stars)     **ব্যবহার: দূরবর্তী গ্যালাক্সির দূরত্ব মাপার জন্য।     **পদ্ধতি : সেফেইড ভেরিয়েবল তারকাগুলোর উজ্জ্বলতা পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়।এই উজ্জ্বলতার          ...