পোস্টগুলি

অজানা তথ্য লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দূরবীন দিয়ে মহাকাশে কী দেখা যায়?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  দূরবীন দিয়ে আপনি আশ্চর্যজনক পরিমাণে স্থান অন্বেষণ করতে পারেন! যদিও আপনি টেলিস্কোপের মতো একই স্তরের বিশদভাবে ছায়াপথ দেখতে পাবেন না, তবুও দূরবীন আপনাকে অনেক মহাকাশীয় বস্তুর দুর্দান্ত দৃশ্য দেয়। আপনি যা যা দেখতে পাবেন তা হলঃ দূরবীন দিয়ে মহাকাশ । ১. চাঁদ দূরবীন দিয়ে চাঁদের পৃষ্ঠের আরও বিশদ দৃশ্য প্রদান করা হয়। আপনি গর্ত, মারিয়া (অন্ধকার, সমতল সমভূমি) এবং পর্বতমালা দেখতে পাবেন, বিশেষ করে চাঁদের টার্মিনেটরে (রাত এবং দিনের মধ্যে রেখা)। ২. গ্রহ আমাদের সৌরজগতের কিছু উজ্জ্বল গ্রহ পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে, এবং আপনি জটিল বিবরণ দেখতে না পেলেও, আপনি তাদের ডিস্ক আকৃতি নির্ধারণ করতে সক্ষম হতে পারেন: *শুক্র: মাঝে মাঝে চাঁদের মতো অর্ধচন্দ্রাকার আকৃতির মতো দেখতে। *বৃহস্পতি: আপনি এর প্রধান চাঁদগুলি (গ্যালিলিয়ান চাঁদ) গ্রহের চারপাশে ছোট বিন্দু হিসাবে দেখতে                          পাবেন। *শনি: দূরবীন ব্যবহার করলে, শনি গ্রহকে একটি ছোট চাকতির মতো দেখা যেতে পারে যার বলয়গুলো       ...

১৩ বিলিয়ন বছর আগের ছবি দেখে বিজ্ঞানীরা হতবাক! কি আছে সেই ছবিতে

ছবি
১৩ বিলিয়ন বছর আগের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ১৩ বিলিয়ন বছর আগের ছবিগুলো মহাবিশ্বের প্রাচীনতম কিছু ছায়াপথ থেকে তোলা আলোর কথা উল্লেখ করে, যা বিগ ব্যাংয়ের মাত্র কয়েকশ মিলিয়ন বছর পরে নির্গত হয়েছিল। এই অত্যাশ্চর্য আবিষ্কারগুলি মূলত জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (JWST) এর মতো উন্নত টেলিস্কোপের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। কেন এই ছবিগুলি যুগান্তকারঃ  ১।অতীতের দিকে তাকানো এই ছায়াপথগুলির আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে ১৩ বিলিয়ন বছরেরও বেশি সময় ধরে ভ্রমণ করেছে, মূলত মহাবিশ্বের জন্মের পরপরই তার অবস্থা দেখানোর জন্য একটি টাইম মেশিন হিসেবে কাজ করে। ২।প্রাথমিক ছায়াপথ প্রকাশ করা JWST **GLASS-z13** এবং **CEERS-93316** এর মতো ছায়াপথগুলি সনাক্ত করেছে, যেগুলি এখন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করা সবচেয়ে প্রাচীন ছায়াপথগুলির মধ্যে একটি। এই ছায়াপথগুলি তখন বিদ্যমান ছিল যখন মহাবিশ্ব মাত্র ৩০-৪০০ মিলিয়ন বছর বয়সী ছিল। ৩।চ্যালেঞ্জিং তত্ত্ব ছবিগুলি প্রকাশ করে যে এই প্রাথমিক যুগের কিছু ছায়াপথ প্রত্যাশার চেয়েও বেশি বিশাল এবং কাঠামোগত ছিল, যা মহাবিস্ফোরণের পরে ছায়াপথগুলি কত দ্রুত গঠিত এবং বিবর্তিত হয়েছিল তা ...

পৃথিবীর বুকে ফিরবে আবার হারিয়ে যাওয়া ডোডোপাখি ও লোমশ ম্যামথেরও!

ছবি
হারিয়ে যাওয়া ডোডোপাখি ও লোমশ ম্যামথেরও ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  একটা সময় পৃথিবীতে দাপিয়ে বেড়াত লোমশ ম্যামথরা! অতিকায় চেহারার এই প্রাণীরা আজকের হাতির চেয়ে আকারে অনেক বড়। যাদের দেখা মেলে কেবল ইতিহাস বইয়েই। কিংবা ডোডোপাখি! প্রায় চারশো বছর আগে অবলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল তারা। আবার তাসমানিয়ান টাইগারের মতো প্রাণীরাও এই গ্রহের বুক থেকে হারিয়ে গিয়েছে চিরতরে। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া এই সব জীবরা কি ফের ফিরে আসবে পৃথিবীতে? কোনও কল্পবিজ্ঞান কাহিনি নয়, এমন সম্ভাবনাই সত্যি হতে পারে। তেমনই আশা দিচ্ছে এক কলোসেল বায়োসায়েন্স নামের এক মার্কিন সংস্থা। ২০২১ সালে ডালাসে স্থাপিত হয়েছিল এই সংস্থা। যাদের লক্ষ্যই হল হারিয়ে যাওয়া পশুপাখিদের ফের এই পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা। এমনকী প্রাগৈতিহাসিক জীবদেরও। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাহায্যেই তা সম্ভব বলে দাবি তাদের। তবে সংস্থার গবেষকদের দাবি যে, যারা অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে তাদের পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা যে সম্ভব হবেই তা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও চেষ্টা শুরু হয়েছে। জানা যাচ্ছে যে, বিলুপ্ত জীবদের জীবাশ্মে যে ডিএনএ পাওয়া যায় তা সংগ্রহ করাই প্রাথমিক লক্ষ্য। যেমন ম্যামথের ক্ষেত্রে তাদ...

পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কে আবিষ্কার করেন?

ছবি
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হল পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে তার পৃষ্ঠের বা তার কাছাকাছি একটি বিন্দুর দূরত্ব। আর্থ গোলক একটি উপবৃত্তাকার উপবৃত্তাকার দ্বারা পৃথিবীর চিত্রের আনুমানিক ব্যাসার্ধ সর্বাধিক থেকে প্রায় ৬,৩৭৮ কিমি ৩,৯৬৩ মাইল থেকে সর্বনিম্ন প্রায় ৬,৩৫৭ কিমি বা ৩,৯৫০ মাইল। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ আবিষ্কার সাইরিনের ইরাথোস থেনিস বা এরাটোস্থেনিস (প্রাচীন গ্রিক: Ἐρατοσθένης, আইপিএ: [eratostʰénɛːs]; ইংরেজিঃ ɛrətɒsθəniːz/; খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৬ – খ্রিষ্টপূর্ব ১৯৫/১৯৪ ছিলেন একজন গ্রিক গণিতজ্ঞ, ভূগোলবিদ, কবি, জ্যোতির্বিদ, এবং সঙ্গীত তত্ত্ববিদ। তিনি ছিলেন জ্ঞানপিপাসু ব্যক্তি, যিনি আলেকজেন্দিয়া লাইব্রেরী-তে কেবলমাত্র জ্ঞানার্জনের জন্য কর্মরত ছিলেন। তিনি জ্ঞানের অন্যতম শাখা ভূগোল এবং এর কতিপয় পরিভাষা উদ্ভাবন করেন, যা আজ আমদের জ্ঞান তৃষ্ণা মেটাচ্ছে। আরও পড়ুন:  পৃথিবীর পরিধি কত মিটার? ইরাতোস্থিনিস লক্ষ করেন বছরের নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে সিয়েনে (বর্তমান আসওয়ান, মিশর) লম্বভাবে বা সোজাভাবে পোতা দন্ড ছায়া ফেলে না। কিন্তু ঐ সময়ে আলেকজান্দ্রিয়াতে (মিশরের একটি প্রাচীন শহর) পোতা দন্ড ছায়া ...

মেয়েদের ঘুমানোর নিয়ম কি ? ভঙ্গি দেখে বুঝে নিন মেয়টি কেমন

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মানুষের মনের তিনটি স্তর থাকে । চেতন, অবচেতন ও অচেতন। ঘুমের মধ্যে মানুষ তার অবচেতন স্তরে থাকে। আর তখন তার নিজস্ব ব্যাক্তিত্ব ফুটে ওঠে। হয়তো ভাবছেন কিভাবে ঘুমের মধ্যে ব্যাক্তিত্ব ফুটে ওঠে? তাহলে বলি আপনি কিভাবে ঘুমোচ্ছেন সেটি বলে দেয় আপনার ব্যাক্তিত্ব কেমন। মানুষ ঘুমানোর সময় নিজের ভাব ভঙ্গি দিয়ে তার ব্যাক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলে। ঘুমানোর নিয়ম দেখে  মানুষকে কিভাবে চিনবেন আপনি যখন জেগে থাকা অবস্থায় চলা ফেরা করেন আর কথা বার্তা বলেন সেটা যেমন আপনার আবেগ বা ব্যাক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলে তেমনই ঘুমের ভঙ্গিও আপনার ব্যাক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলে। সম্প্রতি এরকম একটি তথ্য দিয়েছেন সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডক্টর মা’র্ক কোহলার। তিনি বলেছেন যে, ১। যে মানুষ এক পাস ফিরে ঘুমায় সে অনেক হিসাবি ও সঠিক জীবনযাত্রার অধিকারী। ২। যারা বুক উঁচু করে রাজকী’য় ভঙ্গিমায় ঘুমায় তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে থাকে। এরকম ঘুম খুব দৃঢ় ব্যাক্তিত্বের মানুষে হয়ে থাকে। এদের ঘুম খুব পাতলা হয়, খুব সহ’জে যেমন এরা ঘুমিয়ে পড়েন আবার অল্প আওয়াজেই ঘুম থেকে উঠে পড়েন। এরা হাত পা শরীরের ব...

গ্যালাক্সি মানে কি! একটি গ্যালাক্সিতে মোট নক্ষত্রের সংখ্যা কত থাকে

ছবি
গ্যালাক্সি মানে  ছায়াপথে ইংরেজি নাম হল galaxy। তারা নাক্ষত্রিক অবশেষ আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস, ধূলিকণা ও তমোপদার্থ নিয়ে গঠিত মহাকর্ষীয় টানে আবদ্ধ একটি জগৎ। গ্যালাক্সি শব্দটির উৎস গ্রিক গালাক্সিআস্ (γαλαξίας) শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ, দুধালো বা এটি আকাশগঙ্গা অর্থে ব্যবহৃত হত।  আকারগত দিক থেকে ছায়াপথগুলি বামনাকৃতি কয়েক কোটি বা ১০৮ নক্ষত্র নিয়ে গঠিত থেকে দানবাকৃতি । একশো লাখ কোটি বা ১০১৪ নক্ষত্র নিয়ে গঠিত পর্যন্ত হতে পারে।প্রতিটি ছায়াপথই তার ভরকেন্দ্রটির চারিদিকে আবর্তনশীল। একটি গ্যালাক্সিতে মোট নক্ষত্রের সংখ্যার ছবি।  গ্যালাক্সিতে মোট নক্ষত্রের সংখ্যা বিজ্ঞানীদের অনুমান করেন যে, আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথে মোটামুটি ৩০ হাজার কোটি (৩০০,০০০,০০০,০০০) নক্ষত্র আছে। সংখ্যাটি কতটা বিশাল তা মনে হয় বুঝতে পারছ। আপনাকে একটু সাহায্য করা যাক। সাগরসৈকতের বালুকণার সঙ্গে তুলনা করে সংখ্যাটা কিছুটা বুঝতে পারবে। ধরা যাক, প্রতিটি বালুর কণা হলো একেকটি নক্ষত্র। তুমি যদি এক মুঠো বালু সৈকত থেকে তুলে নাও, তাহলে সেখানে কয়েক হাজার থেকে প্রায় লাখখানেক বালুকণা আছে বলে ধরে নেওয়া যায়।  আরও পড়ু ন: আমা...

বৃহস্পতি গ্রহের আয়তন কত?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বৃহস্পতি গ্রহ (ইংরেজি নাম Jupiter (জূপিটার্‌, আ-ধ্ব-বˈdʒu:.pɪ.tə(ɹ))।সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পঞ্চম এবং আকার আয়তনের দিক দিয়ে সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। বৃহস্পতি ব্যতীত সৌর জগতের বাকি সবগুলো গ্রহের ভরকে একত্র করলে বৃহস্পতির ভর তা থেকে আড়াই গুণ বেশি হবে। বৃহস্পতিসহ আরও তিনটি গ্রহ অর্থাৎ শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুনকে একসাথে গ্যাস দানব বলা হয়। এই চারটির অপর জনপ্রিয় নাম হচ্ছে জোভিয়ান গ্রহ। জোভিয়ান শব্দটি জুপিটার শব্দের বিশেষণ রুপ। জুপিটারের গ্রিক প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় জিউস। এই জিউস থেকেই জেনো- মূলটি উৎপত্তি লাভ করেছে।  এই মূল দ্বারা বেশ কিছু জুপিটার তথা বৃহস্পতি গ্রহ সংশ্লিষ্ট শব্দের সৃষ্টি হয়েছে। যেমন: জেনোগ্রাফিক। পৃথিবী থেকে দেখলে বৃহস্পতির আপাত মান পাওয়া যায় ২.৮। এটি পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান তৃতীয় উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। কেবল চাঁদ এবং শুক্র গ্রহের উজ্জ্বলতা এর থেকে বেশি। অবশ্য কক্ষপথের কিছু বিন্দুতে মঙ্গল গ্রহের উজ্জ্বলতা বৃহস্পতির চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। সুপ্রাচীনকাল থেকেই গ্রহটি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও জ্যোতিষীদের কাছে পরিচিত ছিল। বিভিন্ন সংস্কৃত...

শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু, পাথর ও মূল আসলে কি?

ছবি
শনি গ্রহের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   পৃথিবীতে   সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রত্ন হল হিরে,পোখরাজ, রুবি, নীলকান্তমণি এবং পান্না। নীলা পাথর হল শনি গ্রহের প্রতিনিধি বা Neelam Stone রত্ন। যেটিকে অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে মনে করা হয়। রত্নশাস্ত্র অনুসারে, নীলা হল শনির প্রধান রত্ন। এই পাথরের নীল রঙের কারণে একে নীলা বলা হয়। শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু হলো লোহা (Iron)। এটি একটি অস্তবিদ্যুত ধাতু এবং মৌল্যবান একটি মেটাল হিসেবে পরিচিত। লোহা মুখ্যভাবে শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু হিসেবে পরিচিত হয়েছে কারণ এটি শনি গ্রহের একটি কৃষ্টি হিসেবে পরিচিত হয়েছে এবং তার উচ্চ চোম্বক ক্ষেত্র রয়েছে যা লোহার বা ইয়ন প্রতি পর্যায়ে সৃষ্টি করতে সক্ষম। এটি পৃথিবীতে পাওয়া যায় এবং এর উপকারিতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রকাশ পায়, যেমন মেটালার্জি, নির্মাণ, পরিবহন, ইলেকট্রনিক্স, ইত্যাদি। লোহা একটি পোষক উপাদান হিসেবে পরিচিত এবং মানব শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন হতে পারে। শনি গ্রহ হলো একটি শীতল গ্রহ এবং লোহা এটির উপারোক্ষ প্রতিকার হিসেবে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আরও পড়ু ন: কালপুরুষ নক্ষত...

পৃথিবীর গভীরে ১০ কিলোমিটার গর্ত কেন খুঁড়ছে চীন?

ছবি
কেন পৃথিবীর গভীরে ১০ কিলোমিটার গর্ত খুঁড়ছে চীন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মহাকাশ বিজ্ঞানে এগিয়ে থাকার চেষ্টা চালিয়ে চলেছে। এমনকি কিছু কিছু দেশ তাদের সাফল্যের পতাকা উত্তোলন করেও ফেলেছে। তবে পৃথিবীর অভ্যন্তরের রহস্য বুঝতে বিশ্ব এখনও অনেক পিছিয়ে সে কথা বলা যেতেই পারে। পৃথিবীর অভ্যন্তরে কী ঘটছে তা কি জানা সম্ভব? তবে অনেক অজানাকেই জানাতে পরিণত করতে চিন একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।পৃথিবীর গভীরে প্রবেশ করতে চলেছে দেশটি। এমনকি ১০ কিলোমিটার খুঁড়েও ফেলেছে। প্রায় ১০টি স্তর খনন করার পরে চিন ক্রিটেসিয়াস সময়ের ১৪৫ মিলিয়ন বছর আগে পাথর বের করে আনতে পারবে। যদিও এমনটাই ধারণা করছে চিন। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। ফলে প্রাচীন যুগের পাথরের খোঁজে লেগে পড়েছে চিনা বিজ্ঞানীরা। চিন কি পারবে ১৪৫ মিলিয়ন বছর আগে পাথর বের করতে? যদিও চিনের এই খনন প্রক্রিয়া কোনওভাবেই রেকর্ড করতে পারবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এরও একটি কারণ আছে। তা হল ২৪ মে, ১৯৭০-এ রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত কোলা উপদ্বীপে প্রায় ১১ কিলোমিটার খোঁড়া হয়েছিল। আর সেখান থেকেই জানা গিয়েছিল যে, মাটির নীচে এত গভীর...

ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন ও কত বড়? সে ডিমে নাকি জল ঢুকত না, জানি তার আসল ইতিহাস

ছবি
ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন ও কত বড় তার প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  দৈত্যাকার ডাইনোসরদের জীবাশ্ম বা ফসিলস পাওয়া গেলেই নতুন করে গবেষণা শুরু করেন তাঁরা।মধ্যপ্রদেশে বাঘ ধার গ্রামে বাঘনী নদীর তীরে তিনটি জায়গা থেকে ডাইনোসরের ডিমের ২৫টি ফসিল বা জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। ডাইনোসরের ডিম কত বড় ছিল বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, ডাইনোসরের ডিমের এই জীবাশ্ম প্রায় ৬৫০ কোটি বছরের পুরনো। আপাতত এই জীবাশ্মগুলি লখনউ এবং চণ্ডীগড়ের গবেষণা কেন্দ্রে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর আগেও ডাইনোসরের ডিমের জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। তাই এই বাগানে ডাইনোসর ফসিল পার্ক তৈরি করেছে বন বিভাগ। বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন যে, এগুলি মাংসাশী ডাইনোসরের ডিম হতে পারে।  কিন্তু আপনি কি জানেন ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন এবং সেগুলো ঠিক কত বড়? কোথায়ই বা প্রথম ডাইনোসরের ডিম খুঁজে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা? ডাইনোসরের ডিম অনেক আকারের হয় ১ ইঞ্চি থেকে ৮ ইঞ্চি চওড়া এবং দৈর্ঘ্যে ২ ফুট পর্যন্ত। ১৮৫৯ সালে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো ডাইনোসরের ডিম আবিষ্কার করেছিলেন। বিজ্ঞানীদের মতে, ডাইনোসররা প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে ছিল। এই সময়ে তাদের আকারে ...

বলয় গ্রহ কাকে বলে?

ছবি
গ্রহীয় বলয় ছবি। গ্রহীয় বলয় ইংরেজি নাম Planetary ring। বলয় বলতে কোন গ্রহের চারপাশে একটি নির্দিষ্ট চাকতি আকৃতির অঞ্চলে আবর্তনরত ধূলি ও ছোট ছোট কণার বেষ্টনীকে বোঝায়। সবচেয়ে স্পষ্ট ও দর্শনীয় বলয় রয়েছে সৌর জগতের শনি গ্রহের চারপাশে। এছাড়াও সৌর জগতের অন্য তিনটি গ্যাসীয় গ্রহ বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুন চারপাশে বলয় রয়েছে। ক্যাসিনি নভোযান থেকে পাওয়া তথ্য থেকে সম্প্রতি ধারণা করা হচ্ছে যে, শনির একটি উপগ্রহের চারদিকেও বলয় রয়েছে। রিয়া নামের এই উপগ্রহের বলয় আবিষ্কৃত হলে প্রমাণিত হবে যে, উপগ্রহেরও বলয় থাকতে পারে। বলয় গ্রহ কিভাবে সৃষ্টি হল বিজ্ঞানীদের ধারনা তিনটি উপায়ে গ্রহীয় বলয় গঠিত হতে পারে যথাঃ ১। ভ্রূণ গ্রহীয় চাকতির যে উপাদানগুলো রোশ সীমার মধ্যে ছিল সেগুলো একসাথে মিলে উপগ্রহ গঠন করতে পারেনি। এরাই বলয় গঠন করেছে। ২। গ্রহটির কোন উপগ্রহ বিরাট কোন সংঘর্ষের মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে গেলে সেই ধ্বংসাবশেষ থেকে গঠিত হতে পারে। ৩। উপগ্রহটি হয়তো হঠাৎ কখনও রোশ সীমার ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। যাওয়ার সময় গ্রহের জোয়ার-ভাটা জনিত টানে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। সৌর জগতের বিভিন্ন বলয় শনির বলয় শনি গ্রহট...

500 বছর আগে পৃথিবী কেমন ছিল?

ছবি
৫০০ বছর আগে পৃথিবীর মানুষ কেমন ছিল। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বর্তমান সময়ে সবকিছু অনেক সহজ হয়ে গেছে। আমরা এখন চাইলেই কয়েক ঘন্টার মধ্যেই এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে পারি। চাইলেই কয়েক মুহুর্তের মধ্যেই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে থাকা মানুষগুলোর সাথে যোগাযোগ করতে পারি। এখনকার সময়ে টেকনোলজি অনেক আপডেট হওয়ার সাথে সাথে মানুষগুলোও স্মার্ট হয়ে গেছে । এই প্রজন্মের মানুষগুলোর লাইফ স্টাইল এমন হয়ে গেছে যে প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া তারা এক পাও সামনে অগ্রসর হতে পারে না ।  কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন। আজ থেকে ৫০০ বছর আগে আমাদের পৃথিবী কেমন ছিল। আর তখন মানুষ কেমন ভাবে জীবনযাপন করতো। কেমন ছিল তাদের নিত্যদিনের লাইফস্টাইল গুলো।আজ থেকে ৫০০ বছর আগে পৃথিবীতে মানব সভ্যতার সময়কাল কে ইতিহাসের মধ্যযুগ ধরা হয়। সেই সময়ে যে শাসক ছিলেন তাদের রাজা বলা হয়। এই ৫০০ বছর সালের দিকে indi genius শাসকরা তো  রাজত্ব করেছিল ই। কিন্তু এছাড়াও বাইরের দেশের কিছু আক্রমণকারী ভারতে ঢুকে পড়েছিল এবং তারাও ভারতে রাজত্ব করছিল। এই সময় ভারতে পল্লব চোল চালক্য পান্ডিয়া রাষ্ট্রগুটার মত কিছু শক্ত...

ঘন ঘন এলিয়েন সংকেত! কোথায় থেকে ভেসে আসছে এই সংকেত?

ছবি
ঘন ঘন এলিয়েন সংকেত পৃথিবীতে ভেসে আসছে। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে সারা ক্ষণ কত কীই না ঘটে চলে সব কিছুর নাগাল পায় না পৃথিবীর মানুষ। তবে মহাকাশের কোনও না কোনও প্রান্তে পৃথিবীর মতোই গ্রহের খোঁজ জারি রেখেছেন বিজ্ঞানীরা। সেই গবেষণাতেই নতুন মোড় ঘুরেছে সম্প্রতি। ভিন্‌গ্রহ থেকে সঙ্কেত মিলেছে। এক বার নয় বার বার সঙ্কেত ভেসে আসছে। এলিয়েন সংকেত আমেরিকার ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের রেডিয়ো টেলিস্কোপে সম্প্রতি ভিন্‌গ্রহের সঙ্কেত ধরা পড়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি করেন যে, ঘন ঘন সঙ্কেত আসছে পৃথিবী থেকে মাত্র ১২ আলোকবর্ষ দূরের এক পাথুরে গ্রহ থেকে। গ্রহটির নাম দেওয়া হয়েছে ওয়াইজ়েড সেটি বি। এই গ্রহে পৃথিবীর মতো আবহাওয়া থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এখনও বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। আরও পড়ুন:  হঠাৎ তুরস্কের আকাশে এলিয়েনের UFO! এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে আনলেন বিজ্ঞানীরা গ্রহটি থেকে আসা চৌম্বকীয় তরঙ্গ বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছে। মনে করা হচ্ছে যে, ওই গ্রহে মানুষের বাসযোগ্য আবহাওয়া থাকলেও থাকতে পারে। সঙ্কেতের উৎস সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের অনুমান গ্রহটির চৌম্ব...

পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ কত?

ছবি
পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ ছবি। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হল পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে তার উপরিভাগে একটি বিন্দু পর্যন্ত দূরত্ব। এর মানের তারতম্য নিরক্ষরেখায় ৬,৩৭৮ কিমি বা ৩,৯৬৩মাইল থেকে মেরু অঞ্চলে ৬৩৫৭ কিমি ৩৯৫০ মাইল পর্যন্ত হয়ে থাকে। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ জ্যোতির্বিজ্ঞান ও ভূপ্রকৃতিবিদ্যায় একটি শিল্প পদের এবং উভয়ক্ষেত্রেই একটি পরিমাপের একক। এটি জ্যোতির্বিজ্ঞানে দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অন্যান্য প্রেক্ষিতে একে re প্রকাশ করা হয়। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কত মিটার ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বিভিন্ন উপায়ে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে যেহেতু পৃথিবী নিখুঁত গোলক নয়। সাধারণত যে পৃষ্ঠে কোনো ব্যাসার্ধ এসে প্রসারিত হয় তাকে পৃথিবীর আকৃতি প্রতিনিধিত্বকারী একটি উপবৃত্ত হিসেবে ধরা হয়। পৃষ্ঠের মতো পৃথিবীর কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত বিন্দুর ভিত্তিতেও সংজ্ঞা প্রদান করা যায় এবং তাই পৃথিবীর ব্যাসার্ধ নির্ধারণের বিভিন্ন উপায়ে অবদান রাখে। আরও পড়ুন:  ভেঙে পড়ল সূর্যের ভূপৃষ্ঠ একাংশ! মহাজাগতিক দৃশ্য দেখে অবাক বিজ্ঞানীরা যখন শুধুমাত্র একটি ব্যাসার্ধের উল্লেখ থাকে তখন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন ম...

বর্তমানে পৃথিবীর বয়স কত?

ছবি
পৃথিবীর বর্তমান ছবি। পৃথিবীর আসল বয়স কত পৃথিবীর বয়স প্রায় ৪৫৪ ± ৫ কোটি বছর (৪.৫৪ × ১০৯ বছর ± ১%)।এই বয়স উল্কার রেডিওমেট্রিক বয়স নির্ণয় থেকে প্রাপ্ত এবং প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন পার্থিব ও চাঁদের পাথরের রেডিওমেট্রিক বয়সের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে রেডিওমেট্রিক বয়স নির্ণয় পদ্ধতি আবিষ্কারের পর ইউরেনিয়াম সীসা বয়স নির্ণয় পদ্ধতিতে দেখা যায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ খনিতে এমন সীসা বিদ্যমান যার বয়স প্রায় ১০০ কোটি বছরের বেশি হবে। পৃথিবীর সঠিক বয়স এই ধরনের খনি থেকে প্রাপ্ত সবচেয়ে পুরনো ছোট ও স্বচ্ছ বস্তু হল গোমেদ মণি যা পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার জ্যাক হিলস নামক স্থানে পাওয়া যায়। যার বয়স কমপক্ষে ৪৪০.৪ কোটি বছর।উল্কাপিন্ডের মধ্যে ক্যালসিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সমৃদ্ধ সবচেয়ে প্রাচীন কঠিন বস্তুর বয়স প্রায় ৪৫৬.৭ কোটি বছর যা সৌরজগতে গঠিত। পাললিক শিলার গবেষণা থেকে দেখা যায় পাথর এবং পৃথিবীর স্তরবিন্যাস প্রকৃতিবিদদের এই ধারণা প্রদান করে যে, পৃথিবী তার অস্তিত্বের সময় থেকে অনেক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। এই স্তরগুলিতে যা অজানা প্রাণীর জীবাশ্ম বিদ্যমান যা স্তর থেকে স্তর থেকে জীব...

স্বাস্থ্য বিষয়ক ২৩টি অজানা তথ্য, জানলে আপনি অবাক হবেন

ছবি
স্বাস্থ্য বিষয়ক ২৩টি পরামর্শ্ ছবি। মানুষের শরীর নিয়ে কয়েকটি মজার অজানা তথ্য ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মানুষের শরীর একটি আশ্চর্য বস্তু। মানব দেহ হল একটি  মানুষের  পূর্ণাঙ্গ দেহ কাঠামো যা মাথা, ঘাড়, ধড় যাতে অন্তর্ভুক্ত হলো বক্ষ এবং পেট, বাহু এবং হাত, পা এবং পায়ের পাতা। মানব দেহের প্রতিটি অংশই বিভিন্ন ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত যা জীবনের মৌলিক একক।  মানবদেহের  পরিণত অবস্থায় কোষের সংখ্যা থাকে গড়ে প্রায় ৩৭.২ ট্রিলিয়ন। এর পরতে পরতে লুকিয়ে আছে চমক। আজো বিজ্ঞানীরা শরীরের সমস্ত রহস্যের উদ্ঘাটন করতে পারেননি। চলুন জেনে নেওয়া যাক শরীর নিয়ে কিছু অজানা তথ্য যথাঃ ১। মস্তিষ্ক প্রতি ঘন্টায় ২৭৪ কিলোমিটার বেগে স্নায়ুতে অনুভূতি প্রেরণ করতে পারে। ২। তৃষ্ণা পাওয়া মানে, শরীর ১ শতাংশ পানি এরমধ্যেই হারিয়ে ফেলেছে। ৩।ক্যামেরার পারিভাষায় মানুষের চোখ ৫৭৬ মেগাপিক্সেলের। ৪। মানুষের নাক আর কানের বৃদ্ধি কখনো বন্ধ হয় না। ৫।. মানুষের দেহের চার ভাগের এক ভাগ হাড়ই থাকে তার পায়ে। ৬। খাবার খেতে মাত্র কয়েক মিনিট লাগলেও তা সম্পূর্ণ হজম করতে আপনার শরীরের প্রায় ১২ ঘন্টা সময় লাগে। ৭।. মানুষের ডিএনএ-এর...