পোস্টগুলি

উপগ্রহ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ কয়টি ও কি কি?

ছবি
ইউরেনাস গ্রহ ইউরেনাস সৌরজগতের একটি গ্রহ। সূর্যের দিক থেকে এর অবস্থান সপ্তম এবং আকারের বিচারে তৃতীয় বৃহত্তম। মূলত এই গ্রহটিকে অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানীই আগে লক্ষ্য করেছিলেন কিন্তু তারা এটাকে সৌরজগতের গ্রহ হিসাবে বিবেচনায় আনতে পারেননি। এই গ্রহের আবিষ্কারের সাথে উইলিয়াম হার্শেল-এর নাম বিশেষভাবে জড়িত।১৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে জন ফ্লামস্টিড অন্তত ছয়বার এই গ্রহটিকে দেখতে পান। তিনি তার নক্ষত্র তালিকায় এই গ্রহটিকে বৃষ নক্ষত্রমণ্ডলের একটি নক্ষত্র হিসাবে নামকরণ করেছিলেন ৩৪ তাউরি। ফরাসি জ্যোতির্বিজ্ঞানী পিয়েরে লেমোনিয়ার ১৭৫০ থেকে ১৭৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ভিতরে প্রায় ১২ বার এই গ্রহটি পর্যবেক্ষণ করেন। ইউরেনাস গ্রহের বলয় উপগ্রহে ছবি।   কিন্তু তিনিও একে নক্ষত্র হিসাবেই চিহ্নিত করেছিলেন। স্যার উইলিয়াম হার্শেল এই গ্রহটিকে প্রথম ১৭৮১ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ মার্চে বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং ঐ বৎসরের ২৬ এপ্রিলে একে একটি ধূমকেতু হিসাবে উল্লেখ করেন। পরে আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের পর তিনি একে সৌরজগতের গ্রহ হিসাবে স্বীকৃতি দেন। প্রথমাবস্থায় অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানীই এটা মানতে চাননি। শেষ পর্যন্ত এটিকে গ্রহ হিসাবে আন্তর...

বৃহস্পতির সবচেয়ে বড় উপগ্রহের নাম কি

ছবি
বৃহস্পতির সবচেয়ে বড় গ্যানিমিড উপগ্রহের ছবি। বৃহস্পতি গ্রহের প্রাকৃতিক উপগ্রহ বৃহস্পতি গ্রহের বর্তমান ৯৫টি প্রাকৃতিক উপগ্রহ রয়েছে।এগুলির মধ্যে বৃহত্তম চারটি উপগ্রহ গ্যালিলিয়ান চাঁদ নামে পরিচিত। ১৬১০ সালে গ্যালিলিও গ্যালিলি ও সাইমন মরিয়াস পৃথক পৃথক ভাবে এগুলি আবিষ্কার করেন। এই উপগ্রহগুলিই আবিষ্কৃত প্রথম মহাজাগতিক বস্তু, যেগুলি পৃথিবী বা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে না। ১৯শ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে অনেকগুলি ক্ষুদ্রতর বার্হস্পত্য চাঁদ আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলির নামকরণ করা হয়েছে রোমান দেবতা জুপিটার অথবা তার গ্রিক রূপ জিউসের প্রেমিক প্রেমিকা বা কন্যাদের নামানুসারে। বৃহস্পতিকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিণরত বৃহত্তম ও সর্বাপেক্ষা অধিক ভরযুক্ত বস্তুগুলি হল এই গ্যালিলিয়ান চাঁদ চারটি। অন্যান্য জ্ঞাত ৭৫টি চাঁদ ও বলয়গুলির একত্রিত ভর এই গ্রহটিকে প্রদক্ষিণরত বস্তুগুলির সামগ্রিক ভরের ০.০০৩% মাত্র। আরও পড়ু ন:  বৃহস্পতি গ্রহের আয়তন কত? বৃহস্পতির প্রাকৃতিক উপগ্রহগুলির মধ্যে আটটি নিয়মিত প্রাকৃতিক উপগ্রহ। এগুলি অনুগামী গতিতে প্রায় বৃত্তাকার কক্ষে বৃহস্পতিকে প্রদক্ষিণ করছে। গ্রহীয় ভরের কারণে গ্যালিলিয়ান চাঁদগু...

সৌরজগৎ কি নিয়ে গঠিত?

ছবি
সৌরজগৎ যা কিছু নিয়ে গঠিত তার ছবি।  ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগৎ মূলত মহাকাশের গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, গ্রহাণুপুঞ্জ, গ্যালাক্সি, ধূলিকণা ও গ্যাস ইত্যাদি নিয়ে গঠিত একটি সৌর ব্যবস্থা। সৌরজগৎ মুলত ৮ গ্রহ, ১৬৬ উপগ্রহ ও অসংখ্য গ্রহাণুপুঞ্জ নিয়ে গঠিত। সৌরজগৎের প্রত্যেকটি গ্রহ ও উপগ্রহ  সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। সৌরজগৎ হল সূর্য ও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সূর্য-প্রদক্ষিণকারী তথা পরস্পরের প্রতি অভিকর্ষজ টানে আবদ্ধ মহাজাগতিক বস্তুগুলিকে নিয়ে গড়া একটি ব্যবস্থা। আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কেন্দ্রস্থল থেকে ২৬,০০০ আলোকবর্ষ দূরে কালপুরুষ বাহুতে এই গ্রহ ব্যবস্থাটি অবস্থিত। সৌরজগৎ যা কিছু নিয়ে গঠিত সৌরজগৎ সূর্য নামের একটি মাঝারী আকারের নক্ষত্র ও এর চারপাশে ঘুরতে থাকা ৮টি গ্রহ, এদের উপগ্রহ, বামন গ্রহ, উল্কা, গ্রহাণু, ধুমকেতু ইত্যাদি নিয়ে গঠিত। সৌরজগৎ এর সৌর বা Solar System এর Sol এর অর্থ সূর্য, যা প্রাচীন রোমান ভাষা থেকে আগত। অর্থাৎ সূর্যকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জগতই হচ্ছে সৌরজগৎ বা সোলার সিস্টেম। যথাঃ ১।  গ্রহ সমুহঃ সৌরজগতে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে মোট আটটি গ্রহ। গ্রহ গুলো হল...

সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি?

ছবি
সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি ও কি কি তার প্রতিক ছবি। প্রাকৃতিক উপগ্রহ  আজ আপনাদের জানাব   সৌরজগতের  মোট   প্রাকৃতিক উপগ্রহ কয়টি।প্রাকৃতিক উপগ্রহএকটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বা মহাকাশীয় বস্তু যা কোনো একটি গ্রহ বা তার থেকে বড় অন্য কোন বস্তুকে কেন্দ্রকে করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান থাকে এবং অবশ্যই যা মানব সৃষ্ট নয়। এ ধরনের বস্তুকে সাধারণত বা মাঝেমাঝেই চন্দ্র হিসেবে অভিহিত করা হয়। এই সংজ্ঞাটির উপর ভিত্তি করে একটি তারা চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান কোন গ্রহ বা কোন ছায়াপথের কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান কোন তারাকেও এই শ্রেণিতে ফেলা যায়। অবশ্য এই ব্যবহারটি সচরাচর করা হয় না সকল ক্ষেত্রেই কোন গ্রহ, বামন গ্রহ বা ক্ষুদ্র গ্রহ এর সাথে প্রাকৃতিকভাবে বিরাজমান বস্তুগুলোকে প্রাকৃতিক উপগ্রহ বলা হয়ে থাকে। আরও পড়ু ন: তারার জন্ম হয় মহাকাশে কীভাবে! তার ছবি তুলে দেখাল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ উপগ্রহে সৃষ্টি র্জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা যে, গ্রহের জন্মের সময় একএকটি নক্ষত্র কে ঘিরে কয়েকটি মহাজাগতিক মেঘ আবর্তিত হতো। এরা নক্ষত্রের আকর্ষণে ঘনীভূত হয়ে অবশেষে জমাট বেঁধে গ্রহে রূপান্তরিত হয়। আ...

বুধের উপগ্রহ কয়টি! আয়তন,প্রভাব ও এর কাজ কি?

ছবি
বুধের উপগ্রহ বুধ গ্রহ যার ইংরেজি নাম Mercury মার্কারি। সৌরজগতের প্রথম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ। এটি সূর্যের সর্বাপেক্ষা নিকটতম গ্রহ। এর কোনো উপগ্রহ নাই।এটি সূর্যকে প্রতি ৮৮ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে। এর উজ্জ্বলতার আপাত মান -২.৬ থেকে +৫.৭ পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু একে পৃথিবী থেকে সহজে দেখা যায় না। কারণ সূর্যের সাথে এর বৃহত্তম কৌণিক পার্থক্য হচ্ছে মাত্র ২৮.৩ ডিগ্রী। কেবল সকাল ও সন্ধ্যার ক্ষীণ আলোয় এটি দৃশ্যমান হয়। বুধ গ্রহ সম্বন্ধে সংগৃহীত তথ্যের পরিমাণ তুলনামূলক কম। বুধ অভিমুখী নভোযান মেরিনার ১০ ১৯৭৪ - ১৯৭৫ সালে অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছিল এবং মেসেঞ্জার ২০০৪ - ২০১৫ সালে ৪০০০ বার অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছিল। বুধ এর আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার বুধ গ্রহে আয়তন ৭ কোটি ৪৭ লক্ষ ৯৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার। পৃথিবীর ক্ষেত্রফল বুধের ক্ষেত্রফলের প্রায় ৭ গুণ। আয়তন: বুধের আয়তন ৬০৮২,৭২,০৮,৭৪২ ঘন কিলোমিটার। আরও পড়ু ন: বর্তমানে বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি? বুধ গ্রহের প্রভাব বুধ একটি শুভ গ্রহ এটি অশুভ পরিস্থিতি তৈরি করলে নেতিবাচক ফলাফলও দেয়। কুণ্ডলীতে বুধের অবস্থান খারাপ হলে ত্বক সংক্রান্ত ব্যাধি দেখা দেয় এবং ...

শনিগ্রহে 62টি চাঁদের সন্ধান! বৃহস্পতিকে ছাপিয়ে গ্রহটি চাঁদের রাজা হয়ে গেল

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শনি গ্রহের গুচ্ছ গুচ্ছ নতুন উপগ্রহের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। উপগ্রহের সংখ্যায় শনি এ বার ছাপিয়ে গেল গ্রহরাজ বৃহস্পতিকেও। তার উপগ্রহের সংখ্যা বৃহস্পতির উপগ্রহের চেয়ে অনেক বেশি। মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক দল সম্প্রতি শনির নতুন ৬২টি উপগ্রহের খোঁজ পেয়েছে। শনির বলয়ের আড়ালে এই উপগ্রহগুলি এত দিন ঢাকা পড়ে ছিল। তাই তাদের দেখা যায়নি। নতুন গবেষণা তেমনটাই জানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। শনি গ্রহে 62টি নতুন চাঁদ আবিষ্কৃত হল কিভাবে আরও ৬২টি নতুন উপগ্রহ আবিষ্কারের ফলে শনির মোট উপগ্রহ সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১৪৫টিতে। সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির এত উপগ্রহ নেই। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৯২টি।বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, শনির উপগ্রহ খোঁজার জন্য শিফ্‌ট অ্যান্ড স্ট্যাক কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বলয়ঘেরা গ্রহটির চারপাশের পরিমণ্ডলে আরও নিবিড় ভাবে চোখ রেখেছেন গবেষকেরা। আরও পড়ুন:  বর্তমানে বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি? নেপচুন এবং ইউরেনাসের উপগ্রহ খোঁজার জন্যও একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছিল।ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিটিশ কলম্বিয়ার গবেষকেরা জানিয়েছেন ...

এবার 25 ঘণ্টায় হবে এক দিন? শত চেষ্টা করেও পৃথিবীর কাছে থাকছে না চাঁদ

ছবি
পৃথিবী থেকে চাঁদ ক্রমশ সরে যাচ্ছে ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ। এবার হয়তো আর ২৪ ঘণ্টায় এক দিন সম্পূর্ণ হবে না। ভাবছেন সে আবার কেমন কথা! সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে রাতে শুতে যাওয়া পর্যন্ত আপনি কখনও বুঝতে পারেন না। যে, দিনের দৈর্ঘ্য ক্রমাগত বাড়ছে। বোঝার কথাও নয়, সারাদিন এমনভাবে ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে কেটে যায় যে, কতক্ষণ দিন আছে সেটাই বোঝা দায় হয়ে যায়।  কেন 25 ঘণ্টায় হবে এক দিন তবে জেনে রাখুন পৃথিবীতে দিনের দৈর্ঘ্য় একটু একটু করে বেড়েই চলেছে। অর্থাৎ এমনটা ধরা যেতেই পারে যে, দিনের দৈর্ঘ্য় ২৪ ঘণ্টার জায়গায় ২৫ ঘণ্টা হতে হয়তো বেশি দিন বাকি নেই। চাইলে আপনি একবার খেয়াল করে দেখতেই পারেন ।যে, কতক্ষণ দিন থাকছে তবে তা ঘড়ি দেখে বোঝা সম্ভব নয়। তবে বিজ্ঞানীরা কিন্তু তাঁদের গবেষণা জারি রেখেছিলেন। আর তার ফলাফল সামনে আসতেই তাঁরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।  বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, লক্ষ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীতে দিনের দৈর্ঘ্য ছিল ১৩ ঘণ্টারও কম। কিন্তু বর্তমানে তা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। আর এর কারণ হল চাঁদ । ধীরে ধীরে চাঁদ আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়্যাল হলওয...

একটি ‘উপগ্রহ’ ধ্বংস করতে চলেছে ইসরো, কেন এমন সিদ্ধান্ত ভারতীয় মহাকাশ সংস্থার

ছবি
ইসরো ও ফরাসি মহাকাশ সংস্থা সিএনইএস যৌথভাবে একটি মহাকাশযান ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ইসরো একটি উপগ্রহ ধ্বংস করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সম্প্রতি ভারতের মহাকাশ সংস্থা ইসরো ও ফরাসি মহাকাশ সংস্থা সিএনইএস যৌথভাবে একটি মহাকাশযান পাঠিয়েছিল গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিচালনার জন্য। সেই মহাকাশযানটিই তারা বিধ্বস্ত করতে চলেছে। কেন উপগ্রহ ধ্বংস করতে চায় ইসরো ইসরো লো আর্থ অরবিট থেকে ওই স্যাটেলাইটটিকে বিধ্বস্ত করবে। মেঘা ট্রপিক্স ওয়ান বা এমটি১ ৭ মার্চ অর্থাৎ মঙ্গলবার পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশ করবে। বি্জ্ঞানীরা মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ প্রশমনের জন্য এবং লোয়ার আর্থ অরবিট বা পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথকে আরও টেকসই করার জন্য গবেষণা ও বিশ্লেষণ করছেন। সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ভারতের মহাকাশ সংস্থা ইসরো ও ফরাসি মহাকাশ সংস্থা সিএনইএস যৌথভাবে এই মহাকাশযান পাঠিয়েছিল ২০১১ সালের অক্টোবরে।  তিন বছরের মিশন লাইফে মহাকাশযানটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মহাকাশে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছে। বহু মূল্যবান ডেটা সরবরাহ করেছে। এই মহাকাশযানটি তার পরিষেবা প্রদানকালীন আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক জলবায়ু...

গ্রহ গুলো গোলাকার হয় কেন! পৃথিবী সহ ব্রহ্মাণ্ডের সবগ্রহই গোলাকার এর কারণ কি?

ছবি
গোলাকার হয় কেন গ্রহ গুলো ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীটা গোলাকার তবে টেলিস্কোপ আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, শুধু পৃথিবীই নয় কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া চাঁদ সূর্য এবং গ্রহ নক্ষত্র উপগ্রহসহ মহাকাশের বেশিরভাগ বস্তুই গোলাকার হয়ে থাকে।বর্তমানে বিজ্ঞানীরা গ্যালাক্সি দিয়ে মহাকাশে উঁকি দেন।গ্রহের নিজস্ব কোনও আলো নেই, তাই এদের পর্যবেক্ষণ করা কঠিন। তারপরও অসংখ্য গ্রহ পর্যবেক্ষণ করেছেন বিজ্ঞানীরা।  ব্রহ্মাণ্ডের সবগ্রহই গোলাকার কেন? নাসা জানিয়েছিল, তারা ৫ হাজার এক্সোপ্ল্যানেটের তালিকা তৈরি করে ফেলেছে। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে এই বিপুল সংখ্যক গ্রহের সবগুলোই গোলাকার কোন ঘনকাকার, পিরামিড বা বিষম আকারের গ্রহের দেখা বিজ্ঞানীরা পাননি। কেন সমস্ত গ্রহের আকৃতি একই এবং কেন তারা সবসময় বৃত্তাকার নলাকার বা আয়তক্ষেত্রাকার নয় তা নিয়ে একটি বড় প্রশ্ন উঠেছে। কিন্ত কেন সবগ্রহ গোলাকার হয়? দেখা যাক বিজ্ঞানীরা এর কারণে কী বলছেন। কি কারণে গ্রহ গুলো গোলাকার হয় সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউএসপি জ্যোতির্বিদ্যা জিওফিজিক্স এবং বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এনোস পিকাজিও...

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ কোন ধরনের কৃত্রিম উপগ্রহ

ছবি
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ এর ছবি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ পরিচয় বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ। এটি ২০১৮ সালের ১১ মে তখন বাংলাদেশ সময় ১২ মে কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।এর মধ্য দিয়ে ৫৭ তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় যোগ হয় বাংলাদেশ। এই প্রকল্পটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত হয় ।এবং এটি ফ্যালকন ৯ ব্লক ৫ রকেটের প্রথম পেলোড উৎক্ষেপণ ছিল। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ এর ইতিহাস ২০০৮ সালে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি কৃত্রিম উপগ্রহ নির্মাণ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করে। এরপর ২০০৯ সালে জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালায় রাষ্ট্রীয় কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের বিষয়টি যুক্ত করা হয়। বাংলাদেশের নিজস্ব কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিটের আইটিইউ কাছে ইলেক্ট্রনিক আবেদন করে বাংলাদেশ। কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবস্থার নকশা তৈরির জন্য ২০১২ সালের মার্চে প্রকল্পের মূল পরামর্শক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্পেস পার্টনারশিপ ইন্টারন্যাশনাল’ কে ...