পোস্টগুলি

গ্রহাণু লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মহাজাগতিক বিস্ময়! পৃথিবীর কান ঘেঁষে চলে গেল ৬টি বৃহত্তম গ্রহাণু

ছবি
পৃথিবীর কান ঘেঁষে চলে গেল ৬টি বৃহত্তম গ্রহাণু । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  কার্যত সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহটির কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল তারা। এমনিতে অবশ‌্য বৃহস্পতিবার তাদের এই তড়িৎ আগমনে পৃথিবী কিংবা পৃথিবীবাসীর জন‌্য ভয়ের কিছু ছিল না। কারণ এগুলির কোনওটাই বিপজ্জনক নয়। বরং পৃথিবীর এত কাছ দিয়ে তাদের চলে যাওয়া বিজ্ঞানীদের কাছে ‘নিয়ার আর্থ অবজেক। (এনইও’স) সম্পর্কে নজরদারি এবং এই সংক্রান্ত নানাবিধ গবেষণার কাজে আরও তথ‌্য পেতে সাহায‌্য করবে।  জানা গিয়েছে যে, ছ’টির মধে্্যে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে এসেছিল গ্রহাণু ২০২৩টিজি১৪। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ০.০১৭ অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ইউনিট বা এইউ (মানে প্রায় ২.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার) দূরত্ব রেখে চলে গেল। এই গ্রহাণুটি আকারে ছোট, এর অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ডায়ামিটার (ব‌্যাস) ১৮ থেকে ৪১ মিটারের মধে‌্য। পৃথিবীর ধার দিয়ে যাওয়ার সময় এর গতি সেকেন্ডে ৬.৯ কিলোমিটার।  বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, ছ’টি গ্রহাণুর মধে‌্য আকারে সবচেয়ে বড়টির নাম ২০২২এনভি১৬ (৩৬৩৩০৫)। সেটির অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ডায়ামিটার প্রায় ১৪০ থেকে ৩১০ মিটারের মধে‌্য। এই বৃহদাকার গ্রহাণুটি পৃথিবীর সঙ্গে...

ধেয়ে আসছে ‘সিটি কিলার’ গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে! বিপদের আশঙ্কা কতটা?

ছবি
সিটি কিলার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিপদের আশঙ্কা ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চাঁদ এবং শুক্রগ্রহের কাছাকাছি চলে আসছে সিটি কিলার নামের এক গ্রহানু। তার ফলে, শুক্রসন্ধ্যায় মহাকাশে ব্ল্যাকবোর্ডে আচমকা তৈরি হল একটি উল্টে যাওয়া চন্দ্রবিন্দু। সম্প্রতি এমনই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে গোটা বিশ্ব।  কবে সিটি কিলার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে চলে যাবে একটি গ্রহাণু যার পোশাকি নাম ২০২৩ ডিজেড-২। যদিও ওই গ্রহাণুকে ডাকা হচ্ছে সিটি কিলার’ নামেই। এমনটাই জানাচ্ছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি।মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মতে এই যে, ওই গ্রহাণুর আয়তন ৪০-১০০ মিটারের মতো।  আরও পড়ুন:  প্রতি ঘণ্টায় ১২০ টি উল্কাপিণ্ড পড়বে পৃথিবীতে এই ডিসেম্বরে, এর নাম জেমিনিড আপনিও দেখতে পাবেন? যা পৃথিবীর যে কোনও একটি শহরকে ধ্বংস করার পক্ষে যথেষ্ট ক্ষমতাসম্পন্ন। তবে এই দফায় মহাকাশবিদদের মতে, ওই গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষ হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। তাঁরা জানাচ্ছেন যে, সিটি কিলার উড়ে যাবে চাঁদ এবং পৃথিবীর মাঝখান দিয়ে। পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে এক লক্ষ ৬৮ হাজার কিলোমিটার দূর দিয়ে উড়ে ...

Asteroid 2022 WD গ্রহাণু, পৃথিবীর বুকে ধেয়ে আসছে ঘণ্টায় 23852 কিমি গতি বেগে

ছবি
Asteroid 2022 WD গ্রহাণু ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  প্রায় প্রতি সপ্তাহেই এক প্রকার নিয়ম করে পৃথিবীর গা ঘেঁষে বেরিয়ে যাচ্ছে দ্রুতগামী গ্রহাণু। এর মধ্যেই আবার খবর এল ভয়ানক গতিতে একটি বিশালাকার স্পেস রক পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে পারে চলতি সপ্তাহেই। খুব সম্ভবত পৃথিবীতে খতরনাক সেই অ্যাস্টারয়েড ধেয়ে আসতে পারে। নাসা জানাচ্ছে যে, ওই গ্রহাণুর গতিবেগ ২৩৮৫২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।  গ্রহাণু Asteroid 2022 WD পৃথিবীর খুব কাছাকাছি পৃথিবীর ইতিহাসে বড় বড় ঘটনা ও দুর্ঘটনার মূলে ছিল এই গ্রহাণুরা এবং ভয়ঙ্কর ভাবে পৃথিবীর উপরে তাদের আছড়ে পড়া। চেলিয়াবিন্স্ক বিপর্যয় থেকে শুরু করে ডাইনোসরের বিলুপ্তির কারণও ছিল এই গ্রহাণুরাই। যখনই তারা পৃথিবীর উপরে আছড়ে পড়েছে তখনই জীবনকে প্রভাবিত করেছে।নাসা সব সময়ই এই গ্রহাণুগুলিকে পর্যবেক্ষণ করছে। প্যানস্টার্স ক্যাটালিনা স্কাই সার্ভে এবং নিওওয়াইজ় টেলিস্কোপ দ্বারা সংগৃহীত ডেটা অধ্যয়ন করে এই গ্রহাণুগুলির উপর নজর রাখে নাসা।  এই প্রযুক্তিগুলির কিছু মহাকাশে থাকলেও কিছু আবার পৃথিবী থেকেও নিয়ন্ত্রিত হয়।নাসার প্ল্যানেটারি ডিফেন্স কো-অর্ডিনেশন অফিস এই গ্রহ...

চাঁদেও আক্রমণ করেছিল পৃথিবীতে ডাইনোসরদের হত্যাকারী গ্রহাণু

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চিনের Chang’e-5 মহাকাশযান দ্বারা চাঁদ থেকে পৃথিবীতে আনা নমুনাগুলি আমাদের প্রাকৃতিক উপগ্রহ সম্পর্কে একের পর এক চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করে চলেছে। এখন চাঁদে গ্রহাণুর কতটা প্রভাব পড়ছে তার প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যা পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় উল্কাপিন্ডের প্রভাবগুলির সঙ্গে অবিকল মিলে গিয়েছে।  কোথা থেকে এল সেই গ্রহাণু সবথেকে চাঞ্চল্যকর তথ্যের মধ্যে রয়েছ গ্রহাণুর হানাতেই পৃথিবীতে ডাইনোসরদের মৃত্যু হয়।পৃথিবীতে গ্রহাণুর প্রভাব কেবল একটি ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করা গিয়েছিল এমনটা নয়। একাধিক ছোট ছোট প্রভাবের একটা সিরিজ় হয়ে যেতে পারে বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। কার্টিন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা দুই বিলিয়ন বছর বয়সী মাইক্রোস্কোপিক কাচের জপমালা অধ্যয়ন করেছেন যা চাঁদের মাটিতে পাওয়া গিয়েছিল। ২০২০ সালে চিনা মহাকাশযান দ্বারা চাঁদের নমুনাগুলি পৃথিবীতে নিয়ে আসা হয়েছিল এবং গভীর বিশ্লেষণের জন্য পরবর্তীতে সেগুলি বিশ্ব বিজ্ঞান সম্প্রদায়ের সঙ্গে শেয়ারও করা হয়। গবেষকরা বলেছেন যে, মাইক্রোস্কোপিক কাচের পুঁতিগুলি ও উল্কাপিণ্ডের প্রভাবের তাপ ও চাপ থেকে তৈরি হয়েছিল এবং বিতরণের সময় তা...

গ্রহাণুকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিতে সক্ষম ডার্ট! পৃথিবীকে বাঁচাতে নাসার এই মহাকাশযান

ছবি
নাসার মহাকাশযান  ডার্ট  এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে ঘুরতে থাকা বিশাল এক গ্রহাণুকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিয়েছে নাসার মহাকাশযান ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট, সংক্ষেপে ডার্ট। পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা যে কোনও মহাজাগতিক বস্তুর হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে এই মহাকাশযানটি বানিয়েছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তার সফল পরীক্ষা হল মঙ্গলবার রাতে। ডার্ট ধাক্কা মারল বিশাল গ্রহাণুকে নাসার ডার্ট যে গ্রহাণুটিকে ধাক্কা মেরেছে তার নাম ডাইমরফোস। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে , প্রায় ৫২৫ ফুট চওড়া এই গ্রহাণু আকারে আস্ত একটি ফুটবল স্টেডিয়ামের মতো। মহাকাশে প্রায়ই এমন গ্রহাণু পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসে। কখনও কখনও নীল গ্রহের একেবারে কান ঘেঁষে বেরিয়ে যায় সেগুলি। যে কোনও মুহূর্তে এই সব মহাজাগতিক বস্তু বিপদ ডেকে আনতে পারে। তা এড়াতেই ডার্ট বানিয়েছেন নাসার গবেষকরা। জানা গিয়েছে যে, এই ডাইমরফোস থেকে আপাত ভাবে পৃথিবীর কোনও বিপদের সম্ভাবনা ছিল না। তার উপর কেবল পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে ডার্ট। এটি পৃথিবী থেকে এক কোটি ১০ লক্ষ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। ডাইমরফোস প্রদক্ষিণ করছে ডিডাইমোস নামের আরও ...

ধেয়ে আসছে গ্রহাণু! মহাকাশযান গিয়ে ধাক্কা দেবে গ্রহাণুর গায়ে উদ্যোগ নাসার

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ধেয়ে আসছে এক জোড়া গ্রহাণু, মুখ ঘোরাতে মহাকাশযান পাঠিয়ে ধাক্কা দেওয়া হবে উদ্যোগ নাসার।এ যেন একেবারে কল্পবিজ্ঞানের পাতা থেকে উঠে আসা গল্প। মহাকাশ থেকে ধেয়ে আসছে গ্রহাণু। আর তার মুখ ঘুরিয়ে দিতে মহাকাশে পাঠানো হল একটি মহাকাশযান। সেই মহাকাশযান গিয়ে ধাক্কা দেবে গ্রহাণুর গায়ে। এমনই পরিকল্পনা আমেরিকার মহাকাশসংস্থা নাসার বিজ্ঞানীদের।  কিভাবে মুখ ঘোরাতে মহাকাশযান পাঠিয়ে ধাক্কা দেওয়া হবে বিজ্ঞানীদের একাংশের বলছেন যে, পৃথিবীর বুকে বিশাল এক গ্রহাণু এসে ধাক্কা মারার ফলেই চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায় ডাইনোসররা। তেমনই কোনও গ্রহাণু যদি ফের ধেয়ে আসে পৃথিবীর দিকে। তবে ঘটে যেতে পারে বড় বিপদ। তাই এই ধরনের ঘটনা আটকাতে বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা। এই লক্ষ্যে ডবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট বা ডার্ট’ বলে একটি অভিযান শুরু করে নাসা। আরও পড়ুন:  ২০ বছর পর দেখা যাবে উল্কা ঝড়! এই মাসেই ক্ষয়-ক্ষতি আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে যাবে ডিডাইমস ও ডাইমরফিস নামের এক জোড়া গ্রহাণু। বিজ্ঞানীরা অঙ্ক কষে দেখেছেন দু’টি গ্রহাণুর কোনওটিরই পৃথিবীতে আছড়ে প...

এবার গ্রহাণুর বুকে মিলল প্রাণের উপাদান, দাবি জাপানের বিজ্ঞানীদের

ছবি
গ্রহাণুর বুকে অ্যামাইনো অ্যাসিডের উপস্থিতি খুঁজে পেলেন জাপানি গবেষকরা।ছবি গ্রহাণুতে প্রাণের উপাদান ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এই প্রথম মহাকাশে এক গ্রহাণুর বুকে অ্যামাইনো অ্যাসিডের উপস্থিতি খুঁজে পেলেন জাপানি গবেষকরা। প্রাণের মূল উপাদান অ্যামাইনো অ্যাসিডের ২০টি প্রকারভেদের সন্ধান পেয়েছেন তাঁরা। রয়ুগু নামে ওই গ্রহাণু ফেরত মহাকাশযান হায়াবুসা ২ ওই উপাদান সংগ্রহ করেছে। ওই গ্রহাণুতে অ্যামাইনো অ্যাসিডের উপস্থিতি বিজ্ঞানীদের একদিনের একটি দাবি সত্য বলে প্রমাণ করল। তা হল যে, গ্রহাণুতে জৈবিক বস্তু থাকতে পারে। পৃথিবীর বাইরে অ্যামাইনো অ্যাসিড সেই বস্তু যা প্রোটিন তৈরি করে। প্রোটিন প্রাণের অপরিহার্য উপাদান। কারণ অ্যামাইনো অ্যাসিড যেমন খাদ্য ভেঙে শক্তি উৎপাদন করতে সাহায্য করে ঠিক তেমনই দেহের ক্ষতিগ্রস্ত কলা মেরামতে এবং বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে সহায়তা করে। জাপানের বিজ্ঞানীদের তথ্য দেহের শক্তির প্রধান উৎসও বলা যায়। ২০ ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিডের উপস্থিতি প্রমাণ করে পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ত্ব থাকা অস্বাভাবিক নয়।তবে ওই গ্রহাণুটি বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছে তাকে বিজ্ঞানীরা প্রা...

মহাকাশের সাজানো রত্ন, সাইকি ১৬ আশ্চর্য গ্রহাণুর উদ্দেশে পাড়ি দেবে নাসার যান

ছবি
আশ্চর্য গ্রহাণু সাইকি ১৬ ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাকাশের বুকে রয়েছে এমন এক রত্নগুহা । যা বুঝি হার মানায় কুবেরের ভাণ্ডারকেও। এর নাম সাইকি ১৬। এই গ্রহাণুতে রয়েছে এমন সব ধাতু যার সম্মিলিত মূল্য নাকি পৃথিবীর সামগ্রিক অর্থনীতিকেও হার মানায়। জানা গিয়েছে যে, আগামী ১ আগস্ট ওই গ্রহাণুর উদ্দেশে রওনা দেবে নাসা ও স্পেসএক্স।মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ও ধনকুবের এলন মাস্কের সংস্থা মিলে এই অভিযান চালাবে। যে অভিযান ঘিরে এখন থেকেই জল্পনা কল্পনা তুঙ্গে।  বছর খানেক আগে প্রথম সন্ধান মিলেছিল মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে অবস্থিত এই গ্রহাণুটির। নাসার হাবল মহাকাশ টেলিস্কোপে ধরা পড়েছিল সেটির ছবি। এরপর বিজ্ঞানীরা সেটিকে পর্যবেক্ষণ করে জানতে পারেন। যত ধাতু রয়েছে এই গ্রহাণুটিতে তার সম্মিলিত মূল্য প্রায় ১০ হাজার কোয়াড্রিলিয়ন। আগেই বলা হয়েছে যে, তা হার মানায় পৃথিবীর মোট অর্থনীতিকেও। বিজ্ঞানীদের ধারণা করেন কোনও গ্রহের ভূত্বক ও আবরণের অবশিষ্টাংশ। সৌরজগৎ সৃষ্টির সময় একাধিক সংঘর্ষের ফলে এটির উৎপত্তি। এবার সেই গ্রহাণুর দিকেই চোখ বিজ্ঞানীদের। রত্নগুহা নিয়ে পরিকল্পনা স্বাভাবিক ভাবেই ...

পৃথিবীতে আছড়ে পড়ল গ্রহাণু, শব্দের থেকে ৫ গুণ বেশি গতি, গা ঘেঁষে গেল আরও ৩

ছবি
পৃথিবীতে আছড়ে পড়ল গ্রহাণু প্রতীক ছবি। হ্যালো বন্ধুরা,  পৃথিবীতে আছড়ে পড়ল গ্রহাণু। এমনই দাবি করলেন কানাডার ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞানী। তিনি জানিয়েছেন যে, গ্রিনল্যান্ডের একটি পরিত্যক্ত অঞ্চলে সেই গ্রহাণু আছড়ে পড়েছে। তবে সেই ঘটনায তেমন কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।বিজ্ঞানীদের দাবি, শনিবার ১২ মার্চ ভোররাতের দিকে EB5 নামে গ্রহাণু আছড়ে পড়েছে। কানাডার ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং বিজ্ঞানী পিটার ব্রাউন জানান ।  শনিবার ভোররাত ৩ টা ৫৭ মিনিট থেকে ভোর চারটে ১ মিনিটের মধ্যে আইসল্যান্ড উপকূলের কাছে EB5 নামে গ্রহাণু আছড়ে পড়েছে বলে ইনফ্রাসাউন্ডে ধরা পড়েছে। যে গ্রহাণুর প্রস্থ তিন থেকে চার মিটার ছিল। প্রতি সেকেন্ডে গতি ছিল ১৫ কিলোমিটার।মার্কিন মহাকাশ সংস্থার নাসার তরফে হিসাব করা হয়েছিল যে, গ্রহাণুর আকার এক মিটারের মতো হবে। তবে কানাডার ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের তথ্য অনুযায়ী আদতে সেই গ্রহাণুর আকার তিন থেকে চার মিটার ছিল।  আরও পড়ুন:  জোতির্বিদ্যা কি? গতি ও যা ছিল তা আদতে শব্দের থেকে ৫ গুণ বেশি বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, EB5 নামে ওই গ্র...

কুতুব মিনারের চেয়ে ৬ গুণ বড় একটি গ্রহাণু পৃথিবীর কাছাকাছি আসছে, বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করলে ঘটতে পারে বিপর্যয়!

ছবি
হ্যালো বন্ধুরা, মহাকাশের গ্রহাণু সম্পর্কে যতটা আশ্চর্যজনক তথ্য রয়েছে এর সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলিও ততটাই ভীতিকর। অনেক সময় আমরা মহাকাশের এমন অনেক খবর শুনতে পাই যা বেশ অদ্ভুত। এমনই একটি খবর সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে যা নিয়ে আজকাল তুমুল আলোচনা চলছে। কুতুব মিনারের চেয়েও প্রায় ৬ গুণ বড় একটি গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে ।যা চলতি সপ্তাহে পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে যাবে । ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, নাসার আর্থ ক্লোজ অ্যাপ্রোচ লিস্ট থেকে জানা গিয়েছে । যে এই সপ্তাহে  2015 DR215  নামের একটি বিশাল পাথর পৃথিবীর খুব কাছ থেকে চলে যাবে। যেটি বর্তমানে পৃথিবীর দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে (NASA’s Earth Close Approach List)। তথ্য অনুযায়ী, এই পাথরের আকার ২২০ মিটার থেকে ৪৯০ মিটার পর্যন্ত। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো যে কুতুব মিনারের আয়তন ৭৩ মিটারের কাছাকাছি। সে অনুযায়ী এই পাথরটি কুতুব মিনারের চেয়ে ৬ গুণ বড়। আরও পড়ুন:  প্রযুক্তির কেরামতি,না ভেঙেই উঁচু হচ্ছে তিনতলা বাড়ি গ্রহাণু পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসবে প্রতিবেদন অনুসারে, এই পাথরটি প্রথম দেখা গিয়েছিল ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ সালে। এটি ১১ মার্চ...