Responsive Ad Slot

জীবনের গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জীবনের গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারীর নাম কি

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১

 ইউরি আলেক্সেইভিচ্ গাগারিন (রুশ: Юрий Алексеевич Гагарин, ৯ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ১৯৬৮) একজন সোভিয়েত বৈমানিক এবং নভোচারী। তিনি সর্বপ্রথম ব্যক্তি যিনি মহাকাশ ভ্রমণ করেন, তিনি ভস্টক নভোযানে করে ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল পৃথিবীর কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করেন ।


পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারীর নাম কি
প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন


পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনের রোমহর্ষক কাহিনী

মানুষের মহাকাশযাত্রার ইতিহাসে ইউরি গাগারিন এক অবিস্মরণীয় নাম প্রথমবারের মতো মহাকাশে তিনি পাড়ি জমিয়েছিলেন। রাষ্ট্রীয় নভোচারীর মহাকাশযাত্রা আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে যে ভয়াবহ প্রতিযোগিতা সূচনা করেছিল তারই সূত্র ধরে পরবর্তীতে একের পর এক মহাকাশ অভিযান চালানোর চেষ্টা করতে থাকে। দেশ দুটি যার ফলে মানুষ চাঁদে পা রেখেছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে বানিয়েছে মহাকাশ স্টেশন।   ইউরি গ্যাগারিন নামের একটি মহাকাশযানে করে ১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল মহাকাশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। রাশিয়ার সময় সকাল ছটা তে মহাকাশযাত্রা তিনি শুরু করেন। প্রথমবারের মতো পৃথিবীর আকর্ষণের বাধন ছিরে বেরিয়ে যায়। তারপর পৃথিবীকে ঘিরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে একবার ঘুরে নিয়ে আবারও প্রবেশ করে। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে রাশিয়ানদের সৌভাগ্য মহাকাশযানটি সেদিন পৃথিবীর বুকে সফলভাবেই নেমে এসেছিল। মোটাদাগে জায়গায় মহাকাশযাত্রার গল্প কিন্তু এটুকুই তবে এর মাঝে লুকিয়ে আছে মজার এবং দারুণ সব তথ্য। যেগুলো নিয়ে কথা না বললে এই মহাকাশযাত্রার গল্পটি অপূর্ণই থেকে যাবে। বিশেষ করে ইউড়ি গাগারিন মানুষটিকে ছিলেন এর আগে কেন কোন মহাকাশযান মানুষকে মহাকাশে নিয়ে যেতে পারেনি। তা নিয়ে কথা না বললে তো এই কাহিনীর কিছুই আসলে বলা হবে না। তাহলে চলুন এরকম কিছু তথ্য সংক্ষেপে জেনে নেওয়া যাক। 

ইউরি গ্যাগারিনের পুড়ছিল ১০৮ মিনিট এখনকার হিসাবে কিন্তু খুবই অল্প। কিন্তু ১৯৬১ সালের প্রযুক্তির কথা বললে অনেক বেশি আসলে অন্যান্য দেশে এমন কি খোদাও তখন অভিকর্ষের বাধা উপেক্ষা করেন । পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে যাওয়ার মত প্রযুক্তি আবিষ্কার করতে পারেনি । এই ১০৮ মিনিটের মধ্যে মিশন পৃথিবীর চারপাশে একবার ঘুরে আসতে সময় লেগেছিল ঘণ্টারও কম সময়ে । কারণ মহাকাশযানটির ছিল প্রচণ্ড পৃথিবী ঘিরে ঘোড়ার বেশিরভাগ সময় জুড়ে বাসের গতি বেগ । প্রতি ঘন্টায় ১৭৫০০ মাইল এ সময় বৃত্তাকার একটি পথ ধরেছে এবং সর্বোচ্চ উচ্চতায় উঠেছে । তারপর গতি বেগ কমে আসলে এটি আবার পৃথিবীর সীমানায় প্রবেশ করে । পৃথিবীর একপাক ঘুরে আসার জন্য ওয়ান মহাকাশযানকে যে উচ্চতায় উঠে যেতে হয়েছে সে জন্য নূন্যতম গতিবেগ ঘন্টায় ১৭৫০০ মাইল হওয়াটা ছিল বাধ্যতামূলক । এর মানে দাঁড়ায় মহাকাশযানটি কে প্রতি সেকেন্ডে ৫ মাইল পথ পাড়ি দিতে হয়েছে । মহাকাশের বাধা ছিঁড়ে পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে গিয়ে পৃথিবীতে ঘুরে আসতে হলে এরকম প্রচন্ড ব্যথা কাটা আবশ্যক । কিন্তু সে সময় এত শক্তিশালী আর কোন রকেট ছিলই না । এই মিশনের প্রস্তুতি হিসেবে মহাকাশযানে ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে দেখা দরকার ছিল । সেজন্য এর একটি প্রোটোটাইপ ভস্রিকে নামে একটি মহাকাশযানে করে আইহোল ইভানোভিচ নামের মনুষ্য আকৃতির একটি মেয়ে এবং একটি কুকুরকে ঘুরে আসলে পাঠানো হয়েছিল ।

প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনের জন্ম

সফল হওয়ার জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছিল ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত এক নিলামে ৯৯৫১০ বিক্রি হয় ইউরি গ্যাগারিন । যখন মহাকাশে যাত্রা করেন তখন তার বয়স ছিল ২৭ বছর । ১৯৩৪ সালের ৯ মার্চ রাশির জাতকের কাছে কোন নামের এক গ্রামে তার জন্ম । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অন্যদের মতোই তার পরিবারকে অসম্ভব কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে । জার্মান এক অফিসার তাদের ঘরের দখল নিয়ে ছিল ফলে প্রায় এক বছরের মতো মাটির ঘরে বসবাস করতে হয়েছিল ।তাদের তারও করুন ১৯৪৩ সালে নাসিরা তার দুই ভাইকে দাস হিসেবে ধরে নিয়ে গিয়েছিল । যুদ্ধ শেষে তারা মুক্তি পেয়েছিলেন অবশ্য পরে ১৯৪৬ সালে আবারও ফিরে আসে । পরিবার জানা যায় ছোটবেলা থেকেই মহাকাশযাত্রা স্বপ্ন দেখেছিলেন তবে তার ছোটবেলায় মানুষ মহাকাশযাত্রার কথা সে ভেবেছে বলে মনে হয় না ।সফল দের কে নিয়ে এরকম কল্পকথা ছড়িয়ে পড়া স্বাভাবিক সে সময়ে অবস্থা বিবেচনা করলে ছোটবেলাতে কিউরি মহাকাশযাত্রা স্বপ্ন দেখেছিলেন । তবে তার ছোটবেলায় মানুষ মহাকাশযাত্রার কিভাবে ভেবেছে বলে মনে হয়না সফলদের কে নিয়ে এরকম কল্পকথা ছড়িয়ে পড়া স্বাভাবিক । সে সময়ে অবস্থা বিবেচনা করলে মনে হয় মহাকাশযাত্রা না হলেও বৈমানিক হবার স্বপ্ন কিন্তু তার ছিল । সেই ধারাবাহিকতায় এবার শীতে বছর খানেকের জন্য একটি ভোকেশনাল স্কুলে পড়াশোনা করে হাতে কলমে কাজ শিখেছেন । তারপর তারা তাদের একটি কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয় পড়ার সুযোগ পেয়ে যান । সেখানে পড়ার সময় শখের বশে বিমান চালানোর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন । ১৯৫৫ সালে কারিগরি বিদ্যালয় পড়াশুনা শেষ করে ওরেনবার্গ এর পাইলট স্কুলে ভর্তি হন । ইউড়ি গাগারিন সেখানে তিনি যুদ্ধ বিমান চালনার প্রশিক্ষণ নেন সেখানে ভ্যালেন্টিনা গড়েছে হওয়ার সাথে তার পরিচয় কিছু ঘটনা ঘটে পরিচালনায় উই লাভ করেন । এবং ভ্যালেন্টিনা সাথে সেই বছরই তার বিয়ে হয় এরপর তাকে অবস্থিত নিয়োগ করা হয় । এই এলাকায় বিমান চালানো বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল নিজের কাজে দারুন মুন্সিয়ানার পরিচয় দেন । ইউরি গ্যাগারিন ১৯৫৭ সালের ৫ ই নভেম্বর ইউরি গ্যাগারিন বিমান বাহিনীতে লেফটেন্যান্ট পদ লাভ করেন । ১৯৫৯ সালের ৬ নভেম্বর তিনি সিনিয়র লেফটেন্যান্ট পদে উন্নীত হন ।পরের বছর ১৯৬০সালে আরো ১৯ জন বৈমানিকের সাথে মহাকাশ যাত্রার জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন । এর মধ্যে থেকেই ইউরি গ্যাগারিন এবং নির্মাণ টিটুকে দ্বিতীয় পর্যায় নির্বাচন করা হয় । এর পেছনের কারণ তাদের উচ্চতা লম্বা নয় বরং তুলনামূলকভাবে অন্যদের চেয়ে খাটো হওয়ার ফলেই নির্বাচিত হয়েছিলেন । তারা এর উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ২ ইঞ্চি ছোট ঘরে বেশ ভালোভাবে এগিয়ে ছিলেন তিনি । সেই সঙ্গে স্মৃতিশক্তি শারীরিক ক্ষমতা ইত্যাদি মিলে শেষ পর্যন্ত তিনি প্রথম মহাকাশ যাত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন । তাছাড়া প্রথম ধাপে নির্বাচন এর মধ্যেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন ইউরি । একটি ভোটাভুটি করা হয়েছিল এই কাকে মহাকাশযাত্রা জন্য সবচেয়ে যোগ্য মনে করেন । এর মাঝে ১৭ টি ভোট পড়েছিল ইউরি গ্যাগারিনের পক্ষে । 

ক্যাপসুল বর্তমানে সাধারণ আকৃতির মহাকাশযান বানানো হয় সেসব মহাকাশযানের নির্দিষ্ট চোখা মাথা থাকে। মহাকাশের বাঁধন ছেড়ে বেরোনোর জন্য তাকে অনেক বেশি চাপ সহ্য করতে হয় । গোলাকৃতির মহাকাশযানের ক্ষেত্রে সুবিধা হলো এর নির্দিষ্ট কোন সেন্টার অফ গ্রাভিটি নেই । যখন যেদিকে ফিরি থাকবে সেভাবে সবটুকু পৃষ্ঠতলের মহাকর্ষ চাপ টুকু ছড়িয়ে যাবে । ফলে কোন একটি বিন্দুতে মহাকাশযানকে অনেক বেশি চাপ সহ্য করতে হবে না । সেজন্য আসলে ভস্টক ওয়ান প্রয়োজনীয় গতি বেগে ছুটে পেরেছিল এবং ভেতরের একমাত্র যাত্রীটি যাত্রার সময় বেশ আরামই ছিলেন । অনেকেই হয়তো ভাবছেন এখন তাহলে মহাকাশযান এভাবে ডিজাইন করা বা বানানো হয় না । কেন আসলে সব কিছুতেই একটা কিন্তু থাকে গোলাকৃতি সমস্যা হলো ফিরেছেন আমার ক্ষেত্রে এটি অনুপোযোগী । তাছাড়া বর্তমান মহাকাশযানগুলো তে ফিরে এসেছেন আমার জন্য রাস্তার থাকে যার ভূপৃষ্ঠে কাছাকাছি চলে এলো । রাস্তার চালু হয়ে যায় এবং ওপরের দিকে বলপ্রয়োগ করে ফলে মহাকাশযানের গতি ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে এবং যানটি নিরাপদের নামতে পারে । কিন্তু সেরকম কোনো কাজ ছিল না হলে বাঁচতে চাইলে ঘরের একমাত্র উপায় ছিল ।উপরে থাকতেই প্যারাসুট নিয়ে থেকে বেরিয়ে যাওয়া তাই করেছিলেন । কিন্তু সে সময় প্রথম অনুষ্ঠান সফল মহাকাশ অভিযান হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য সফলভাবে যাত্রীসহ মহাকাশযানটির নেমে আসা গুরুত্বপূর্ণ ছিল । ফলে রাশিয়ানরা তাদের অফিশিয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য গোপন করে গিয়েছিল । পরবর্তীতে যাত্রীসহ নেমে আসার নিয়ম শিথিল পরের আসি আসল সত্যটি ফাঁস করে এখনো রয়ে গেছে ইউরি গ্যাগারিনের । সম্মানে অবস্থিত নদীর নাম রাখা হয়েছে এর আগে একই লঞ্চ থেকে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল ।রাশিয়ার ফেডারেল স্পেস এজেন্সির দায়িত্বে থাকলেও মহাকাশযান উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটির আসলে কিন্তু কাজাকিস্তানের অবস্থিত ছিল । তবে এখন কাজাকিস্তান স্বাধীন রাষ্ট্র রাশিয়ান সরকার এখনো এখান থেকে মহাকাশ যান উৎক্ষেপণ করে ।


পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারীর নাম কি
প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন


এমনকি এ বছরের জুলাই এবং সেপ্টেম্বর দুটো মহাকাশযান থেকে কিন্তু যাত্রা করেছে । প্রকৃতি মাঝে মাঝে বড় নির্মম আচরণ করে মহাকাশ থেকে ফিরে আসার পর শিউলীর স্বপ্ন জুড়ে ছিল ফের মহাকাশযাত্রা । কিন্তু এটাই তার কাল হয়ে দাঁড়ালো অসম্ভব বিখ্যাত হয়ে যাওয়ায় রাশিয়ার জন্য তিনি এত বেশি মূল্যবান হয়ে গিয়েছিলেন যে রাশিয়া আমরা তাকে আরেকবার মহাকাশে পাঠানোর ঝুঁকি নিতে কোনভাবেই রাজি ছিলেন না । এসময় ইউরি গ্যাগারিন স্টার সিটি মহাকাশচারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগ দেন সেই সঙ্গে ফাইটার পাইলট হিসেবে আবারো কাজ শুরু করেন । বিমান বাহিনীর পদোন্নতি ১৯৬৬ সালের ৬ নভেম্বর বিমানবাহিনীর কর্নেল পদে ভূষিত হন । ইউড়ি গাগারিন পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালের দিকে রাশিয়ান সরকার তাকে আরেকবার মহাকাশে পাঠাতে রাজি হয় । তখন অনুষ্ঠানের কোনো কিছু সেভাবে নির্ধারিত হয়নি । নিয়মিত নির্মম পরিহাস একটি সাধারণ রুটিন প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান ইউড়ি গাগারিন । দিনটি ছিল সাতাশে মার্চ হাজার ১৯৬৮ তাকে সমাহিত করা হয় । তো বন্ধুরা এই ছিল পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনের অজানা-অচেনা কাহিনী । আমরা জানি মহাকাশ নিয়ে আপনারা ভালো লাগে । কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না ।  লাইক ও শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে জানাবেন আপনার মুলোবান মতামত

বিশ্বের প্রথম মহিলা মহাকাশচারীর নাম কি

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২১

 

বিশ্বের প্রথম মহিলা মহাকাশচারীর নাম কি
ভ্যালেন্তিনা নিকোলায়েভা তেরেশকোভা



বিশ্বের প্রথম মহিলা মহাকাশচারীর নাম 

মহাকাশে বিশ্বের প্রথম নারী সোভিয়েত মহাকাশচারী ভ্যালেন্তিনা নিকোলায়েভা তেরেশকোভা ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দের ১৬ জুন মহাকাশ যাত্রা করেন।

১৬ ই জুন  ১৯৬৬ সাল বাস্তবায়নের কসমোড্রোম যেটি বর্তমানে কাজাখস্তানে সেখান থেকে স্থানীয় সময় ঠিক বারোটা বেজে ৩৫ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে গর্জে উঠল।উড়াল দিলো মহাকাশ পানে ভেতরে থাকা আরোহী চিৎকার করে বলে উঠলেন আকাশ তুমি টুপি খুলে অভিবাদন করতে তৈরি হয় আমি আসছি। এদিকে রেডিও মতে বিশেষ ঘোষণা করা হলো বলা হলো মানব ইতিহাসে প্রথম একজন নারী মহাকাশ গমন করছেন। তিনি সোভিয়েতের নাগরিক হিসাবে নিয়ে ছুটছেন ঊর্ধ্বমুখে। মহাকাশচারী যখন পৃথিবী কে কেন্দ্র করে চক্কর দিচ্ছে সেই সময় রেডিওতে প্রচারিত খবরের ভূপৃষ্ঠে থাকা অন্যান্য সকলের সাথে প্রথম জানতে পারলেন।তার জন্মদাত্রী মা । এখনো পর্যন্ত ৫৩৪ জন মহাকাশচারী মহাকাশ ভ্রমণ করেছেন। এর মধ্যে নারী মহাকাশচারী হচ্ছেন ৫৭ জন। ১৯৬২ সালের ১৬ ই ফেব্রুয়ারি শহীদ প্রকৌশলী মহাকাশে প্রথম নারী নভোচারী পাঠানোর চিন্তাভাবনা করেন। এবং এ জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয় ৪০০ জন মহিলাকে ৪০০ জনের মধ্যে থেকে নির্বাচিত করা হয় তাতিয়ানাঃ কান্না ভ্যালেন্তিনা। মা মারিয়া বা এবং ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা এদের মধ্যে ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা প্রথম নারী নভোচারী হিসেবে ১৯৬৬ সালের ১৬ জুন মহাকাশে পাড়ি জমান । ১৯৫৯ সালে স্থানীয় একটি ক্লাবের স্কাই ডাইভিং এর জন্য প্রশিক্ষণ নেন । ১৯৫৯ সালের একুশে মেয়ে তিনি প্রথম আকাশ থেকে লাভ দেন দেওয়া পর  তিনি কমিউনিস্ট লীগ ছিলেন এবং প্যারাসুট থেকে ঝাঁপ দিয়ে বিশেষ কৃতিত্ব লাভ করেন।

মোট ১২৬ পাত্রী প্যারাসুট থেকে লাফিয়ে ছিলেন তেরেসকোভা সৌখিন প্যারাসুট আরো হিসেবে অংশ নেন তাই তাকে মহাশূন্য প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল । সাফল্যজনকভাবে তিনি প্রশিক্ষণ শেষ করেন ১৯৬৩ সালে নভোযানে করে সর্বপ্রথম নারী হিসেবে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন । আর তারই নাম ছিল তিনি মোট ৪৯ বার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেছিলেন । ভ্যালেন্টিনা বেশ কিছু সমস্যা অত্যন্ত দারুণভাবে সামাল দিয়েছিলেন । মহাকাশের বেশ কিছু সময় পর দেখা গেল যে মহাকাশযানটি ধীরে ধীরে কক্ষপথ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে । যেখানে কক্ষপথের থাকতে হলে এটিকে কাছাকাছি আসতে হবে ভ্যালেন্টিনা ভোল্টি চিহ্নিত করলেন এবং পৃথিবীতে সমস্যা সমাধানের জন্য সংকেত পাঠালেন । এই অভিযানের চিফ ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের অনুরোধে তিনি ৩০ বছর তথ্যটি গোপন রেখেছিলেন । এ তথ্য জানানোর সময় তাদের একটি হাস্যকর ভুল একথাও বলেন তাহলে তার সাথে কোন টুথব্রাশ দেওয়া হয়নি । সত্তর ঘন্টা ৫০ মিনিটে তিনি ৪৯ বার প্রদক্ষিণ করেন ভ্যালেন্টিনা । যতটুকু সময় মহাকাশে ছিলেন সেই সময় আমেরিকার মহাকাশচারীদের মহাকাশে থাকার চেয়েও বেশি ছিল ভ্যালেন্টিনা । অভিযান টেস্টের রেজাল্ট কে সমর্থন করে যাতে প্রমাণ হয় মহাকাশে পুরুষ ও নারীর শারীরিক এবং মানসিক চাপ সহ্য করার ক্ষমতা একই এতে দেখা যায় । নারীর ক্ষেত্রে অভিকর্ষজ বল সহ্য করার পরই মানুষের থেকেও বেশী উন্নত নামক স্থানে ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা অবতরণ করেন ।

একদম নির্ঝঞ্ঝাট ছিল না । কিছুটা আহত হয়েছিলেন তিনি অবতরণের পর স্থানীয় মানুষ জন তাকে ঘিরে ধরে তার জন্য খাবার নিয়ে আসেন । ভ্যালেন্টিনা সেগুলো খেয়ে ফেরার আনন্দের আতিশয্যে নিজের মহাজানে থাকা খাবারগুলো তাদের দিয়ে দেন । ফলে এই অভিযানে বিভাগ সম্পর্কিত তথ্যগুলো উদ্ধার করতে পারেনা গবেষকরা । সে যাই হোক এমন সফল অভিযানের পর ভ্যালেন্টিনা সোভিয়েতের সম্মানিত হয়ে উঠলেন ইউনিয়নে ভূষিত করা হলো তাকে । সর্বোচ্চ পুরস্কার এছাড়াও পরবর্তীতে না সময় আরও বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা সম্মানিত করা হয়েছে তাকে । এবং তাদের একটি অংশের নাম রাখা হয়েছে তেরেসকোভা মহাকাশে ছুটে চলার দৌড়ে নারীরাও যে কম নয় তা প্রমাণের সুযোগ করে দিয়েছিলেন । ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা কোন দেশ জাতিকে পেছনে ফেলার জন্যই হোক অথবা পৃথিবীবাসীকে অবাক করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে । এই অভিযান হোক না কেন যত কাল মানব সভ্যতায় মহাকাশ অভিযান গুলোর গুরুত্ব থাকবে ততকাল ইতিহাসের কোন এক অংশে ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা নাম ঠিকই টিকে থাকবে।স্মরণ করা হবে এই মহাকাশচারীর অবদান কারণ পৃথিবীর আধখানা জনসংখ্যার স্বপ্ন দেখার দুঃসাহসের শুরুটা করেছিলেন তিনি । তো বন্ধুরা এই ছিল প্রথম নারী মহাকাশযাত্রী ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা অজানা কাহিনী কেমন লাগল জানাতে ভুলবেন না ।

 

বিশ্বের প্রথম মহিলা মহাকাশচারীর নাম কি

ভ্যালেন্তিনা নিকোলায়েভা তেরেশকোভা



ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা কিছু কথা

ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা পৃথিবীর প্রথম নারী যিনি মহাশূন্যে পরিভ্রমণ করেন । ১৯৬৬ সালের ১৬ জুন করে ৭১৪৮ বার কক্ষপথ পরিভ্রমণ করেন সোভিয়েত মহাকাশ প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হওয়ার আগে তেরেসকোভা ছিলেন টেক্সটাইল কারখানার কর্মী । ও একজন অপেশাদার স্কাইডাইভার এর অংশ হিসেবে সোভিয়েত বিমানবাহিনিতে যোগদান করেছিলেন এবং প্রশিক্ষণ শেষ করে অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করে ছিলেন । ১৯৬৯ সালে মহিলা মহাবিদ্যালয় এর প্রথম বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় । বিচ্ছিন্ন হবার পরে তেরেসকোভা মহাকাশচারী প্রশিক্ষক হিসেবে মহাকাশ প্রোগ্রাম থেকে যান । পরে তিনি ইন্জিনিয়ারিং এ স্নাতক হন এবং মহাকাশযাত্রার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেন । তবে তিনি এরপর আর কখনো মহাকাশে যান । ১৯৯৭ সালে তিনি মেজর জেনারেল পদ মর্যাদা অর্জন করেন ।এবং বিমানবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন ।১৯৪৮ থেকে ১০৮৯ সাল পর্যন্ত বিয়েতে প্রেসিডিয়াম সদস্য সহ বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক দল নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিলেন । এক সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হয় । তিনি ১৯৯৫ ও ২০০৩ সালে দুবার জাতীয় রাজ্য মার কাছে নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে পরবর্তীতে ২০০৮ সালে আঞ্চলিক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ।

 তেরেসকোভা ২০১১ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের দলের সদস্য হিসেবে জাতীয় রাজ্য জুমার নির্বাচিত হয়েছিলেন ।এবং ২০১৬ সালে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছিলেন ৪ শতাধিক আগ্রহী নারীর মধ্য থেকে তিনি মহাকাশ অভিযানের জন্য সুযোগ পেয়েছিলেন । নভোচারী দলে যোগদানের ফলে বিমানবাহিনীতে প্রথম বেসামরিক ব্যক্তি হিসেবে মহাকাশ গবেষণা করেন । নভোচারী কে সঙ্গে নিয়ে ১৯  জুন পৃথিবীতে অবতরণ করেন এখন পর্যন্ত ৫৩৪ জন মহাকাশচারী মহাকাশ ভ্রমণ করেছেন । এবং এর মধ্যে নারী মহাকাশচারী হচ্ছেন ৫৭ জন ১৯৬২ সালের ফেব্রুয়ারি মহাকাশে প্রথম নভোচারী পাঠানোর চিন্তা করেন ।  তেরেসকোভা সোভিয়েত ইউনিয়নের দুইবার পুরস্কারে ভূষিত হন আজকে আমরা জানলাম প্রথম নারী মহাকাশচারী ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা সম্পর্কে অজানা তথ্য ।

ধন্যবাদ

জেফ বেজোস এর মহাকাশ যাত্রা

কোন মন্তব্য নেই

রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১


জেফ বেজোস
জেফ বেজোস এর মহাকাশ যাত্রা


 

জেফ বেজোস এর মহাকাশ যাত্রা ৪ জন সহ

নিজের রকেট জাহাজ নিউ শেপার্ডে করে মহাকাশে ছোট-খাট ভ্রমণ করে ফিরেছেন বিলিয়নিয়ার জেফ বেজোস। ... নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে জেফ বেজোস আনন্দে চিৎকার করে বলেন । সেরা দিন বেজোসের সংস্থা ব্লু অরিজিন এই নিউ শেপার্ড নামে রকেটটি তৈরি করেছে। এটি মহাকাশ পর্যটনের জন্য ক্রমবর্ধমান বাজারের চাহিদা পূরণের জন্যই নকশা করা হয়েছে।

গত ১১ জুলাই উড়েছিল ভার্জিন গ্যালাটিক' এবং ৭৬ মহাকাশচারী আর আজ উল্লু অরিজিনাল নিউজপেপার সাথে সাথে ছিলেন চারজন মহাকাশ ভ্রমনকারী। এবং বিশেষত ছিলেন অ্যামাজন এবং ব্লু অরিজিন অধিকর্তা জেফ বেজোস ছিলেন। তার ভাই আমার ৮২ বছরের এক মহিলা উইলি উইলি একসময়কার পাইলট এবং মার্টিনের পাইলট ছিলেন। তিনি চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে ছিল অলিভার নেই মন বলে ১৮ বছরের যুবক। আমরা দেখতে পেলাম লাইভ এর মধ্যেই দেখেছি যে এই রকেট ইঞ্জিনের ৪ মহাকাশচারী কে নিয়ে মহাকাশচারী আবার বলছি আমি মহাকাশ ভ্রমনকারী কে নিয়ে চলল মহাকাশের উদ্দেশ্যে। এনারা গেলেন অনলাইনের কাছে  হচ্ছে আমাদের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল যেখানে শেষ হয়েছে সেখানে একটা কাল্পনিক রেখা দেখে কারমেন লাইন বলা হয়। এখান থেকে মহাকাশের ছিল সেখানে গিয়ে আর লাইভে আমরা দেখিয়েছি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সেই লাইভের নির্বাচিত অংশ। সেটি কিন্তু অনেকটা যে ফ্যালকন নাইন এ চেপে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যান মহাকাশচারীরা সেরকম তবে ওটা মহাকাশ স্টেশনে যান। এবং সেখানে টকিং এর একটা ব্যাপার থাকে এখানে টকিং টকিং কিছু ছিল না। এখানে ছিল এবং ফেরত আসা এর যে প্রাথমিক স্টেশনে রকেটটি সেটি রকেট আগামী দিনে যেহেতু মহাকাশ পর্যটক একটি আলাদা শিল্প হতে চলেছে। তাই যতটা কম খরচায় মানুষকে মহাকাশে পাঠানো যায় তারই একটি উদ্যোগ ছিল। এবং তার জন্য ইউজ করতে হয় এবং রকেটের পড়ছে অনেক  কম খরচে। 

মহাকাশে আগামী দিনে মহাকাশ পর্যটক দের নিয়ে যাওয়া যাবে অবশ্য টাকা খসাতে হবে আপনাদের প্রায় দু'কোটি টাকার মতো। ভারতীয় হিসাবে ভারতীয় টাকার হিসাবে রুপিস হিসাবের মধ্যে দেখতে পেলাম। যে বিছিন্ন হয়ে গেল ক্যাপসুলটি যার মধ্যে ৪ মহাকাশচারী ছিলেন। এবং আমরা দেখতে পেলাম বা এখন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন দৃশ্য সেটা হচ্ছে। এই যে রিপোর্টটি সেটি চলে আসছে পৃথিবীর মাটির দিকে এবং  ল্যান্ড করার উদ্দেশ্যে ১০০০ ফুট এবং দেখতে দেখতে চোখের নিমেষে এটি কিন্তু নেমে এলো একদম গ্রাউন্ডে। তার নির্দিষ্ট স্থানে যেখানে তার নামার কথা সেখানে তাকে জায়গা দেখানো রয়েছে। একদম ঠিক টাইম মতন হলো ইঞ্জিন আবারও এবং সরাসরি এসে ভার্টিক্যালি ল্যান্ড করল। অসাধারনভাবে অন্যদিকে ৪ মহাকাশচারী রয়েছে তখনও উপরে আমরা দেখতে পেলাম ল্যান্ড এর পর আগুন জ্বলছিল। কিন্তু তারপর সেটি নিভে গেল পরবর্তীকালে এই যে আবার ওকে পাঠানো হবে ইউজ করা হবে। তা ঠিক পরে পরে আমরা দেখতে পেলাম ফেরত আসছে ৪ মহাকাশচারী সে ক্যাপসুলে চেপে এটি  পাচ্ছেন।  পতিতা মহাকাশের যে আমরা লাইভ বানাই তার পরে কিন্তু আপনাদের জন্য একটি লাইভে নির্বাচিত অংশ নিয়ে আসি। এসে  নির্বাচিত অংশ ৮২ বছরের একজন মহিলা মহাকাশে গেলেন এবং ফেরত আসলে এটা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি রেকর্ড।

জেফ বেজোস কত টাকার মালিক
জেফ বেজোস এর মহাকাশ যাত্রা


 

মহাকাশের ইতিহাসেও বটে তবে চলে আসে দেখতে পেলাম। ঠিক যেমন রুমাল চেপে ফেরে সে রকমই ছিল আর প্যারাস্যুট খুলে গেল প্যারাসুট এরপর আস্তে আস্তে করে সেটি কিন্তু পৃথিবীর মাটির দিকে নেমে আসতে থাকলো। তিনটে প্যারাসুট ছিল মোট এবং ক‍্যাপসূলের মধ্যে ছিলেন ৪ জন। এর আগে তেরোবার এদিকে টেস্ট করা হয়েছে অসফল হয়েছিল প্রথম দিকে কয়েকবার শেষের দিকে সবকটি সফল হয়েছিল। তবে মানুষ পাঠানো হয়নি এই প্রথম মানুষ পাঠানো হলো এবং আবারও ফেরত আনা হলে আমরা দেখলাম অসাধারন এবং দেখেছেন।

অসাধারন ছিল এই আইনটি আমাদের প্রচুর মানুষের সঙ্গে জুড়ে ছিলেন।  এবং দেখেছেন তার থেকেই আমরা মূল যে পার্টি উড়ান এবং ফেরত আসা সেই পার্টিকে নিয়ে এলাম। আর আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে ক্যাপসুলটি সুন্দরভাবে আস্তে আস্তে করে আমাদের পৃথিবীর মাটির দিকে ফেরত আসলো। এবং গতি কমে একটা সময় ০১৬ মাইল পার আওয়ার হয়ে গেছিল। মানে বেশ অনেকটাই কারণ এর থেকে বেশি গতি হলে কিন্তু আবার সমস্যা নেমে আসার। মানে তাহলে প্রচন্ড জোরে আছড়ে পড়তে পারতো এগুলো আগে টেস্ট করা হয়েছে। মানুষের জায়গায় মানুষের ওজনের সমান পুতুল পাঠিয়ে এবং তারপরে প্রথমে তো খালি পাঠানো হয়েছিল। তারপরে পুতুল পাঠিয়ে গুলো ডেমোস্ট্রেশন করা হয়েছে। এবং সেগুলো সব সাকসেস হওয়ার পরেই আজ এই বিষয়টি হলো এবং ইতিহাস হয়ে গেল অ্যামাজন কর্তা জেফ বেজোস। একজন মহাকাশ পর্যটক হিসেবে ঘুরে এলেন মহাকাশ থেকে তারপরে আমরা দেখতে পেলাম টাউন হল। এবং সুন্দরভাবে এসেছিলেন করলো তাকে যেই জায়গায় দেখানো হয়েছিল সেই জায়গায় তো নামতে পারে না। কারণ প্যারাস্যুট খুলে যখন আসেন তখন হাওয়ার হিসাব অনুযায়ী একটু একটু হয় তার জন্য।

 এটার জন্য নির্বাচিত করা ছিল বেশ অনেকটা অংশ তবে যেটা নামলো সেটা কিন্তু এই জায়গায় তাকে দেখানো। সেই জায়গাতেই পেয়েছিলেন করবে তারপর আমরা দেখতে পেলাম তার জন্য মহাকাশ পর্যটক নেমে এলেন চারজনের নাম আগেও বলেছি। আর একবার জানিয়ে দিই আমার ভাই একজন ৮২ বছরের মহিলা ও একজন প্রাক্তন মার্কিন পাইলট ছিলেন। এছাড়া অলিভার ১৮ বছরের যুবক নেমে আসতে দেখলাম আর এই মহিলা যিনি এখন নামছেন উনি নেমে এলেন এবং সবশেষে জেফ বেজোস কে নামতে দেখা গেল। অবশ্যই সাক্সেস মিশন এবং আনন্দঘন মুহূর্ত উপহার দিলেন অ্যামাজন অধিকর্তা এবং তার কোম্পানির। স্টাফের নির্বাচিত অংশ আপনার অনেকেই দেখেছেন এবং এই যে লাইভে নির্বাচিত অংশ আপনাদের কেমন লাগল জানাতে ভুলবেন না। আমরা পরবর্তী সময়ে তরফ থেকে এই যে ওনার দু আড়াই মিনিট কাটিয়েছিলেন মহাকাশে সেই সময়টা কেমন ছিল তার  পোষ্টি নিশ্চয়ই উনারা দেখাবেন। কারণ এই ক্যাপসুল এর মধ্যেও নিশ্চয়ই ক্যামেরা ছিল। এবং সে ক্যামেরার ফুটেজ আগামী দিনে নিশ্চয়ই আমরা দেখতে পারি। আর এই মুহূর্ত দেখছেন যেটা সেটা হচ্ছে গিয়ে রকেটের মাথায় চেপে বছর আগের মুহূর্ত এবং এই চারজন যখন উঠে বসলেন সেই সময়কার একটি ক্লিপিং। আমরা দেখাচ্ছি এবং পুরো মিশনের একদম একটি শর্ট ক্লিপ এর মধ্যে এটি রয়েছে।

 

জেফ বেজোস এর উক্তি
জেফ বেজোস এর মহাকাশ যাত্রা



যেমন উনারা বসলেন তারপর রকেট  হয়ে গেল তারপর অফিসে আগুন লাগল। এবং রকেটটি মহাকাশের উদ্দেশ্যে এবং তার পরে সেটি যেভাবে ফেরত এলো সেরকম ভাবেই এটি একটি ছোট হিসেবে আমরা দেখাচ্ছি। এখন তার থেকে একদম কেটে একটা ছোট্ট পাট বানিয়ে যেটা মিনিট খানেকের সেটাই দেখায়। এগুলার এগুলো কিন্তু একটু আলাদা আপনারা লক্ষ্য করুন যখন নিয়েছিল তখন আমরা দেখতে পাইনি তবে আমরা দেখতে পেলাম তারপর এন্ট্রান্স ডাউন এবং ক্যাপসুলে করে যার মহাকাশচারী ফিরলেন। মহাকাশচারী আবার ভুল বলছি মহাকাশ ভ্রমনকারী ফিরলেন এবং উনারা নেমেছিল নির্বাচিত অংশ কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন এর সঙ্গে থাকবে অবশ্যই  কমেন্ট বক্সে গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানাবেন আসি আবার দেখা হবে সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

নাসার বর্তমান চেয়ারম্যান কে?

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

 ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইংরেজি: National Aeronautics and Space Administration (NASA)) হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্বাধীন সংস্থা; যা বিমানচালনাবিদ্যা ও মহাকাশ সম্পর্কিত গবেষণা করে থাকে।

নাসার বর্তমান চেয়ারম্যান কে?
যার নাম রাখা হয় নাসা


সংস্থাটির নেতা

  ১৯৫৮ সালে ন্যাশনাল অ্যাডভাইসরি কমিটি ফর অ্যারোনটিক্স (নাকা) এর পরিবর্তে একটি নতুন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা গঠন করা হয়। যার নাম রাখা হয় নাসা। নবগঠিত সংস্থাটির জন্য একটি ভিন্ন ধরনের তত্ত্বাবধায়ন আশা করা হচ্ছিল, যা মহাকাশ বিজ্ঞান সম্পর্কিত গবেষণা ও প্রয়োগে উৎসাহিত করার মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ মহাকাশ অনুসন্ধানের নেতৃত্বে নাসা ভূমিকা পালন করে, যার মধ্যে অ্যাপোলো মুন ল্যান্ডিং মিশন, স্কাইল্যাব স্পেস স্টেশন এবং স্পেস শাটল মিশন ছিল। নাসা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনের উন্নয়নে সহযোগিতা করছে এবং ওরিয়ন স্পেসক্রাফট, স্পেস লঞ্চ সিস্টেমের বিকাশে তদারকি করছে। 

এজেন্সি লঞ্চ সার্ভিস প্রোগ্রামের জন্যও নাসা কাজ করে যাচ্ছে। নাসা আর্থ অবসার্ভিং সিস্টেমের মাধ্যমে পৃথিবীকে আরও ভালোভাবে বুঝার দিকে মনোনিবেশ করেছে। নাসার গবেষণা ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে, সাইন্স মিশন ডিরেক্টরেটের হেলিওফিজিক্স গবেষণা কার্যক্রমের প্রচেষ্টার মাধ্যমে হেলিওফিজিক্সের অগ্রগতি করা;নিউ হরাইজনসের মতো উন্নত রোবোটিক মহাকাশযানের মাধ্যমে সৌরজগৎ জুড়ে প্রাণীদেহ অনুসন্ধান করা;বিগ-ব্যাংয়ের মতো জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিষয়গুলি নিয়ে গবেষণা।

সংস্থাটির নেতা অর্থাৎ নাসার প্রশাসক, মার্কিন সিনেট অনুমোদনের সাপেক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। ... ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনস্থ নাসার সহযোগী প্রশাসক, স্টিভ জুর্কজিক বর্তমানে জো বাইডেনের অধীনে নাসার প্রশাসক হিসেবে নিয়োজিত আছেন।

নাসার বর্তমান চেয়ারম্যান কে?
নাসার বর্তমান চেয়ারম্যান কে?

সংস্থাটির নেতা অর্থাৎ নাসার প্রশাসক, মার্কিন সিনেট অনুমোদনের সাপেক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। ... ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনস্থ নাসার সহযোগী প্রশাসক, স্টিভ জুর্কজিক বর্তমানে জো বাইডেনের অধীনে নাসার প্রশাসক হিসেবে নিয়োজিত আছেন।

 ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইংরেজি: National Aeronautics and Space Administration (NASA)) হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্বাধীন সংস্থা; যা বিমানচালনাবিদ্যা ও মহাকাশ সম্পর্কিত গবেষণা করে থাকে।

১৯৫৮ সালে ন্যাশনাল অ্যাডভাইসরি কমিটি ফর অ্যারোনটিক্স (নাকা) এর পরিবর্তে একটি নতুন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা গঠন করা হয়। যার নাম রাখা হয় নাসা। নবগঠিত সংস্থাটির জন্য একটি ভিন্ন ধরনের তত্ত্বাবধায়ন আশা করা হচ্ছিল, যা মহাকাশ বিজ্ঞান সম্পর্কিত গবেষণা ও প্রয়োগে উৎসাহিত করার মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ মহাকাশ অনুসন্ধানের নেতৃত্বে নাসা ভূমিকা পালন করে, যার মধ্যে অ্যাপোলো মুন ল্যান্ডিং মিশন, স্কাইল্যাব স্পেস স্টেশন এবং স্পেস শাটল মিশন ছিল। নাসা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনের উন্নয়নে সহযোগিতা করছে এবং ওরিয়ন স্পেসক্রাফট, স্পেস লঞ্চ সিস্টেমের বিকাশে তদারকি করছে।



নাসা সত্যিকারের অগ্রগামী এবং আজীবন উকিলকে হারিয়েছে

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১

 কলিন্স ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ এ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

নাসা সত্যিকারের  অগ্রগামী এবং আজীবন উকিলকে হারিয়েছে
কলিন্স ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ এ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।


কলিন্স জীবনের গল্প 

আজ জাতি মহাকাশচারী মাইকেল কলিন্সে অনুসন্ধানের জন্য একজন সত্যিকারের অগ্রগামী এবং আজীবন উকিলকে হারিয়েছে," নাসার ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক স্টিভ জুরজাইক বলেছেন, "অ্যাপোলো ১১ কমান্ড মডিউলের পাইলট হিসাবে - কেউ কেউ তাকে 'ইতিহাসের একাকী ব্যক্তি' বলে অভিহিত করেছেন - অন্যদিকে তাঁর সহকর্মীরা প্রথমবারের মতো চাঁদে হেঁটেছিলেন, তিনি আমাদের জাতিকে একটি নির্ধারিত মাইলফলক অর্জনে সহায়তা করেছিলেন। তিনি জেমিনি প্রোগ্রামে এবং বিমান বাহিনীর পাইলট হিসাবেও নিজেকে আলাদা করেছিলেন  মাইকেল মহাশূন্যের অক্লান্ত প্রচারক হিসাবে রয়েছেন। 

তিনি বলেন, ‘অন্বেষণ কোনও পছন্দ নয়, সত্যই, এটি অত্যাবশ্যক। কক্ষপথে তার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তীব্রভাবে চিন্তাভাবনা করে তিনি আরও বলেছিলেন, ‘কী কী রেকর্ডিংয়ের মূল্য হবে তা হ'ল আমরা আর্থলিংস কোন ধরণের সভ্যতা তৈরি করেছি এবং আমরা ছায়াপথের অন্যান্য অংশে বেরিয়েছি কি না।

নাসা সত্যিকারের  অগ্রগামী এবং আজীবন উকিলকে হারিয়েছে
কলিন্স

নিম্নলিখিত কলিন্স পরিবার থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া:

আমরা এই নিয়ে দুঃখের সাথে দুঃখিত যে আমাদের প্রিয় বাবা এবং দাদা আজ ক্যান্সারের সাথে লড়াইয়ের পরে মারা গেছেন। তিনি তার চূড়ান্ত দিনগুলি শান্তিপূর্ণভাবে এবং তাঁর পরিবারের সাথে কাটিয়েছিলেন। মাইক সর্বদা অনুগ্রহ এবং নম্রতার সাথে জীবনের চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হয়েছিল এবং একইভাবে তার চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিল। আমরা তাকে ভীষণ মিস করব। তবুও আমরা এটাও জানি যে মাইক তার ভাগ্যবান জীবনযাপন করতে পেরে কত ভাগ্যবান মনে হয়েছিল। শোক নয়, সেই জীবনটি আমাদের উদযাপন করার জন্য আমরা তাঁর ইচ্ছাটিকে সম্মান করব। 

দয়া করে তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে শান্ত ধারণা এবং তাঁর জ্ঞানী দৃষ্টিভঙ্গি স্মরণ করে আনন্দের সাথে আমাদের সাথে যোগ দিন এবং উভয়ই স্থানের সঞ্চার থেকে পৃথিবীর দিকে তাকাতে এবং তাঁর ফিশিং বোটের ডেক থেকে শান্ত জলের ওপারে দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলেন। 

আজ জাতি মহাকাশচারী মাইকেল কলিন্সে অনুসন্ধানের জন্য একজন সত্যিকারের অগ্রগামী এবং আজীবন উকিলকে হারিয়েছে," নাসার ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক স্টিভ জুরজাইক বলেছেন, "অ্যাপোলো ১১ কমান্ড মডিউলের পাইলট হিসাবে - কেউ কেউ তাকে 'ইতিহাসের একাকী ব্যক্তি' বলে অভিহিত করেছেন - অন্যদিকে তাঁর সহকর্মীরা প্রথমবারের মতো চাঁদে হেঁটেছিলেন, তিনি আমাদের জাতিকে একটি নির্ধারিত মাইলফলক অর্জনে সহায়তা করেছিলেন। তিনি জেমিনি প্রোগ্রামে এবং বিমান বাহিনীর পাইলট হিসাবেও নিজেকে আলাদা করেছিলেন  মাইকেল মহাশূন্যের অক্লান্ত প্রচারক হিসাবে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘অন্বেষণ কোনও পছন্দ নয়, সত্যই, এটি অত্যাবশ্যক। কক্ষপথে তার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তীব্রভাবে চিন্তাভাবনা করে তিনি আরও বলেছিলেন, ‘কী কী রেকর্ডিংয়ের মূল্য হবে তা হ'ল আমরা আর্থলিংস কোন ধরণের সভ্যতা তৈরি করেছি এবং আমরা ছায়াপথের অন্যান্য অংশে বেরিয়েছি কি না।


মানব থেকে বিড়াল সংক্রমণে আরও প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১

 স্কটিশ বিজ্ঞানীরা এমন দুটি ক্ষেত্রে চিহ্নিত করেছেন যেখানে মানবেরা তাদের বিড়ালের কাছে কোভিড -১৯ পাশ করেছে বলে মনে করা হয়। গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলেছেন যে দুটি বিড়ালই তাদের মালিকদের পরে ভাইরাসের বিকাশ করেছিল।

মানব থেকে বিড়াল সংক্রমণে আরও প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
মানব থেকে বিড়াল সংক্রমণে আরও প্রমাণ

মানব থেকে বিড়াল

স্কটিশ বিজ্ঞানীরা এমন দুটি ক্ষেত্রে চিহ্নিত করেছেন যেখানে মানবেরা তাদের বিড়ালের কাছে কোভিড -১৯ পাশ করেছে বলে মনে করা হয়।গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলেছেন যে দুটি বিড়ালই তাদের মালিকদের পরে ভাইরাসের বিকাশ করেছিল।

তারা বিভিন্ন জাতের ছিল এবং পৃথক পরিবারে বাস করত। একটিতে হালকা লক্ষণ দেখা গেছে তবে অন্যটি নীচে নামাতে হয়েছিল।বিজ্ঞানীরা এখন পোষা প্রাণী মানুষকে সংক্রামিত করতে ভূমিকা রাখতে পারে কিনা তা বোঝার উন্নতি করতে চান।এই মামলাগুলি যুক্তরাজ্যের কৃপণ জনসংখ্যার স্ক্রিনিং প্রোগ্রামের অংশ হিসাবে পাওয়া গেছে।গবেষকরা বিশ্বাস করেন যে উভয় পোষা প্রাণী তাদের মালিকদের দ্বারা সংক্রামিত হয়েছিল, যাদের বিড়ালদের অসুস্থ হওয়ার আগে কোভিড -১৯ উপসর্গ ছিল।

তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকি 

গবেষণার শীর্ষস্থানীয় লেখক হিসাবে থাকা গ্লাসগো সেন্টার ফর গ্লাসগো সেন্টারের এমআরসি-ইউনিভার্সিটির প্রফেসর মার্গারেট হোসি বলেছিলেন: "যুক্তরাজ্যের অবলম্বন জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাওয়া মানুষের থেকে প্রাণীজ সংক্রমণের এই দুটি ঘটনা প্রমাণ করে যে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা প্রাণী Sars-CoV-2 সংক্রমণ সম্পর্কে আমাদের বোঝার উন্নতি করব।


"বর্তমানে, প্রাণী থেকে মানব সংক্রমণ এমন অঞ্চলে জনস্বাস্থ্যের তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে যেখানে মানুষের থেকে মানবিক সংক্রমণ বেশি থাকে।


"তবে, মানুষের কেস কমে যাওয়ার সাথে সাথে প্রাণীদের মধ্যে সংক্রমণের সম্ভাবনা সারস-সিভি -২ মানুষের পুনরায় প্রবর্তনের সম্ভাব্য উত্স হিসাবে ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।"

মানব থেকে বিড়াল সংক্রমণে আরও প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
কোভিড: বিজ্ঞানীরা মানব থেকে বিড়াল সংক্রমণের আরও প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন


মহামারীটি শুরু হওয়ার পর থেকে হংকং, বেলজিয়াম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং স্পেন সহ দেশগুলিতে কোভিড-পজিটিভ পরিবারগুলির বিড়ালরা এই ভাইরাসের জন্য ইতিবাচক পরীক্ষা করেছিল এবং তাদের মালিকদের দ্বারা সংক্রামিত বলে মনে করা হয়েছিল।


কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন বিভাগের প্রধান প্রফেসর জেমস উড বলেছেন: "এগুলি গুরুত্বপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় অনুসন্ধান যা প্রমাণের শরীরে যুক্ত করেছে যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানুষ তাদের পোষা প্রাণীকে সংক্রামিত করতে পারে, যা এখানে ক্লিনিকাল রোগের দিকে পরিচালিত করে প্রাণী।


"বিড়াল এবং কুকুর সংক্রামিত হয়েছে বলে জানা গেছে। সংক্রমণ সংযোগগুলি নিশ্চিত করার জন্য পুরো জিনোম সিকোয়েন্সিং সহ এটি একটি উচ্চ মানের গবেষণা ।


এই গবেষণাটি ওয়েলকাম আইএসএসএফ কোভিড রেসপন্স তহবিল দ্বারা অর্থায়িত এবং মেডিকেল গবেষণা কাউন্সিল দ্বারা সমর্থিত।

মানব থেকে বিড়াল সংক্রমণে আরও প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
কোভিড: বিজ্ঞানীরা মানব থেকে বিড়াল সংক্রমণের আরও প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন

আরবি কফি কি? আমরা কোন ধরণের কফি পান করি?

কোন মন্তব্য নেই

 

আরবি কফি
আরবি কফি

আরবি কফি কি

আরবিকা মটরশুটি একটি উচ্চতর স্বাদ বলে মনে করা হয়। কফি পর্বতমালায় জন্মে এবং বিশ্বের কফি উত্পাদনের ৬০% এরও বেশি।


আরবিয়াকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সীমিত স্থিতিস্থাপকতা রয়েছে; কৃষকরা ইতিমধ্যে উত্থিত তাপমাত্রা এবং কম বা ত্রুটিযুক্ত বৃষ্টিপাতের প্রভাবগুলি অনুভব করছে।


কফি উত্পাদনের অন্যান্য হুমকির মধ্যে দামের ওঠানামা, কীটপতঙ্গ এবং রোগ এবং চরম আবহাওয়ার অন্তর্ভুক্ত।


ফরাসী গবেষণা ইনস্টিটিউট সিরাড এবং গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এই গবেষণাটি করা হয়েছিল।

তারা ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে আমরা শীঘ্রই পশ্চিম আফ্রিকার এক বিরল বন্য কফি স্টেনোফিলাকে চুমুক দিতে পারি যা আরাবিয়া কফির মতো স্বাদযুক্ত তবে গরম পরিস্থিতিতে বেড়ে যায়।


তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে ভাল কফির বৃদ্ধি ক্রমশ শক্ত হয়ে উঠবে।


অধ্যয়নগুলি পরামর্শ দেয় যে ২০৫০ সালের মধ্যে, উচ্চ মানের কফির জন্য ব্যবহৃত প্রায় অর্ধেক জমি অনুপাতহীন হবে।


আরবি কফি
আমরা কোন ধরণের কফি পান করি


দ্য রয়্যাল বোটানিক গার্ডেনসের কফি গবেষণার প্রধান ডাঃ অ্যারন ডেভিস বলেছেন ।এমন এক ওয়াইল্ড কফির সন্ধান করা যা প্রচুর স্বাদযুক্ত এবং তাপ এবং খরা সহিষ্ণু হয় ।

বিবিসি নিউজকে তিনি বলেছেন এমন কেউ হলেন যে তিনি প্রচুর বুনো কফির স্বাদ পেয়েছেন । যে তারা দুর্দান্ত নয় তারা আরবিয়ার মতো স্বাদ গ্রহণ করে না তাই আমাদের প্রত্যাশা বেশ কম ছিল,তিনি বিবিসি নিউজকে বলেছেন।


এবং এই কফিটি আশ্চর্যজনক স্বাদ পেয়েছিল তা দেখে আমরা পুরোপুরি উড়ে গেলাম। এর জলবায়ু সহনশীলতার সাথে সম্পর্কিত এই অন্যান্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে: এটি আরবিকা কফির চেয়ে অনেক উষ্ণ অবস্থার মধ্যে বৃদ্ধি পাবে এবং ফলন করবে।

Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo