Responsive Ad Slot

Latest

latest

Recreation

Recreation

শিক্ষা মুলক

শিক্ষা মুলক

পৃথিবী

পৃথিবী

গ্রহ

গ্রহ

নক্ষত্র

নক্ষত্র

গবেষণা

গবেষণা

News By Picture

pictures

আর সূর্যের ভরসায় নয়, শক্তির প্রয়োজনে চাঁদে পরমাণু চুল্লি বসাবে নাসা ।Nuclear Reactor on Moon

কোন মন্তব্য নেই

আর সূর্যের ভরসায় নয়, শক্তির প্রয়োজনে চাঁদে পরমাণু চুল্লি বসাবে নাসা ।Nuclear Reactor on Moon


Nuclear Reactor on Moon

 নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর অন মুন । আর সূর্যের ভরসায় নয় শক্তির প্রয়োজনে চাঁদে পরমাণু চুল্লি বসাবে নাসা । চাঁদে এবার বসানো হবে পরমাণু চুল্লি । নভশ্চর থাকার ব্যবস্থা জন্য খনিজ উত্তোলন সহ নানা ধরনের কাজে শক্তির প্রয়োজন মেটাতে । চাঁদে প্রয়োজনীয় শক্তি জন্য আর সূর্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে চায়না ও নাসা । চায়না প্রেসিডেন্ট ও জো বাইডেনের সরকার ও । তাই চাঁদে পরমাণু চুল্লি বানানোর জন্য নাসার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে আমেরিকার শক্তি দপ্তরের অধীনে থাকা আইডাহো ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির ।সংক্ষেপে আই এন এল 

 সূর্যের ভরসায় নয়

নাসার একটি সূত্র শুক্রবার এ খবর দিয়েছে আই এন এল আমেরিকা পরমাণু শক্তি সংক্রান্ত গবেষণার শীর্ষক গবেষণা গার । নাসা সূত্রের খবর এই দশকের শেষের দিকে চাঁদে সেই পরমাণু চুল্লি বসানোর কথা ভাবা হয়েছে ।চাঁদে  সফল হলে সভ্যতার দ্বিতীয় উপনিবেশ শক্তির প্রয়োজন মেটাতে সূর্যের উপর নির্ভরতা ছেড়ে লাল গ্রহ মঙ্গলেও পরমাণু চুল্লি বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে আমেরিকার । 

চাঁদে পরমাণু চুল্লি বসাবে নাসা

 এই পদ্ধতি পৃথিবীতেও পারমাণবিক শক্তির অসামরিক ব্যবহারের জন্য আগামী দিনে খুব জরুরী হয়ে উঠবে । নাসা সূত্রের খবর চাঁদে ও ভবিষ্যতে মঙ্গলে পরমাণু চুল্লি বসানোর জন্য নাসার প্রকল্পটির নাম ফিশনসারপ্সে পাওয়ার প্রজেক্ট । সংক্ষেপে এস এস পি পি

 পরমাণু চুল্লিটি বানানো হবে পৃথিবীতে তারপর সেটি কে চাঁদে নিয়ে যাওয়া হবে মহাকাশযানে চাপিয়ে । কিভাবে সে পরমাণু চুল্লি বানালে সেটা সেরা হয় তার পরিকল্পনা জমা দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে টেন্ডার ডাকা হয়েছে । আগামী উনিশে ফেব্রুয়ারি তা চূড়ান্ত সময়সীমা । সেই পরমাণু চুল্লি বানানোর জন্য কি কি শর্ত পূরণ করতে হবে নাসা ও আইডাহো ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি তরফে শুক্রবার সেইসব জানানো হয়েছে ।

সেই চুল্লি ভিতরে জ্বালানি হিসেবে থাকবে ইউরেনিয়াম । সেই জ্বালানি শক্তি উৎপাদন করবে তা বিদ্যুৎসহ নানা ধরনের শক্তিতে বদলে নেওয়া হবে বিভিন্ন প্রয়োজনে । সেই চুল্লি এতটাই দর হতে হবে যাতে চাঁদের রুক্ষ খুব ঠাণ্ডা পরিবেশে ।তার টানা ১০ বছর ধরে অন্তত ৪০ ওয়াট বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে যেতে পারে নিরবচ্ছিন্নভাবে ।

 নিজেকে নিজেই চালাবে চাঁদের পরমাণু চুল্লি

সেই পরমাণু চুল্লি কোন মানুষ ছাড়াই চলবে তাকে পৃথিবী থেকে কোন যন্ত্রের নির্দেশেও চালানো হবে না । সেই চুল্লি আপনা আপনি চালু হবে ও বন্ধ হবে প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময় পরপর । সেই চুল্লি এমন ভাবে বানানো হবে যাতে এক জায়গা থেকে তাকে অন্য জায়গাতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় । শক্তি উৎপাদনের প্রয়োজনে তা দিয়ে চাঁদে নামা ল্যান্ডার ও রোভার  যাতে কাজকর্ম করতে পারে সেটাও নিশ্চিত করতে হবে নির্মাতাদের ।

তাছাড়া নির্মাতাদের খেয়াল রাখতে হবে পৃথিবী থেকে চাঁদে পাঠানোর পর । সেই চুল্লিটিতে যেন এমন একটি সিলিন্ডার এর মধ্যে বসানো যায় যার উচ্চতা ১৮  ফুট বা ৬ মিটার । ব্যস ১২ ফুট বা ৪ মিটার আর সেই চুল্লি ওজন ১৩ হাজার ২০০ পাউন্ড বা ছয় হাজার কিলোগ্রামের বেশি হলে চলবে না ।

নাসা সূএ খবর এর আগেও মঙ্গলের ওভার পারসিভিয়ারেন্স রেডিও আইসোটোপ পাওয়ার সিস্টেম বানাতে আইডাহো ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে ছিল নাসা । সেই রেডিও আইসোটোপ পাওয়া সিস্টেমে তাপ শক্তি উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হয় । তেজস্ক্রিয় মৌল পুটেনিয়ামে   ২৩৮ আইসোটো । মানে পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রনের সংখ্যা তো কেমন লাগলো এই ইনফরমেটিভ পোষ্টি আশা করি ভালো লেগেছে সঙ্গে থাকবেন । আমাদের লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানাবেন ।

ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।

চাঁদের আকার কিভাবে পরিবর্তন হয়?

কোন মন্তব্য নেই

 হাই ফ্রেন্ডস আমাদের পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ । এই চাঁদ হলো একমাত্র যে কিনা রাতের আকাশে জ্বলজ্বল করে চলে । এই চাঁদ খুবই সুন্দর লাগে যখন পূর্নিমা রাতের এটি সমপূণ থালার মত লাগে । আমার  এটা ছোটবেলায় খুব মনে আছে যে মা আমাকে আদর করে বলতো আমার ছেলে দেখতে একদম তাদের মতো হয়েছে । আমার সাথে করবে জীবনে কখনো কখনো আমাদের সবারই মা আমাদের  চাঁদ সঙ্গে কম্পেয়ার করেছে । কিন্তু আপনি জানেন কি এই  চাঁদ যে  এত সুন্দর লাগে কিন্তু তার নিজের না । আসলে আমার ছোট থেকে জানি চাঁদের কোন নিজস্ব আলো নেই । চাঁদ সূর্যের আলোয় নিজেকে আলোকিত করে । চাঁদ দেখতে মোটেও সুন্দর নয় আসলে সূর্যের আলো পড়ার কারণে চাঁদকে সুন্দর দেখায় ।কারণ চাঁদের গায়ে অনেক গত আছে যেগুলি আমরা খালি চোখে দেখে বুঝতে পারি না । আমরা সবাই জানি সূর্যের আলোয় আলোকিত হয় কিন্তু এবার প্রশ্ন আসতে পারে তো চাঁদ-তা আকার পরিবর্তন করে কিভাবে এবং এর চাঁদ ডুবে যায় কোথায় । 

তো বন্ধুরা আজকের পোষ্টে আলোচনা করবো ।চাঁদের আকার কিভাবে পরিবর্তন হয় এবং কিভাবে চাঁদ সূর্য থেকে আলো নিয়ে নিজেকে আলোচিত করে । এ সমস্ত কিছু জানবো আজকের এই পোষ্টে মাধ্যমে । এবং আশা করব  চাঁদের ব্যাপারে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন ।


চাঁদের আকার কিভাবে পরিবর্তন হয়
চাঁদের আকার পরিবর্তন

 চাঁদের আকার পরিবর্তন

বন্ধুরা আমাদের  চাঁদ পছন্দ গল্পের কবিতায় আমরা সবাই  চাঁদকে পছন্দ করি ।  চাঁদ হলো পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ ।  উপগ্রহ কি ? একটু বলি উপগ্রহ হল এমন একটি অবজেক্ট যেটি অন্য কোনো এক অবজেক্টকে প্রদক্ষিণ করে ।চাঁদ  হল পৃথিবীর একমাত্র অবজেক্টিভ যেটি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন । চাঁদের এই পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে ২৭.৩ দুই দিন সময় লাগে । ঠিক তেমনি পৃথিবীও হল সূর্যের উপগ্রহ যেটি সূর্যকে নিয়মিত প্রদক্ষিণ করতে থাকে । পৃথিবীর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা সময় লাগে । চাঁদের কোন নিজস্ব আলো নেই চাঁদ সূর্যের আলোয় নিজেকে আলোচিত করে । বা সূর্যের আলো  চাঁদ থেকে রিফ্লেক্ট হয়ে পৃথিবীতে আসে এবং আমরা উজ্জ্বল চাঁদ দেখছি ।

 তো প্রশ্ন আসবে  চাঁদ তাহলে ডুবে কেন আসলে চাঁদ ডুবে না । সূর্যের আলো যখন  চাঁদের উল্টোদিকে পরে বা চাঁদ যখন সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে আছে তখন সূর্যের অন্যদিকে আলো পরে । এবং অন্ধকার দিক পৃথিবীর দিকে থাকে । যে আসলে কেন চাঁদের আকার পরিবর্তন হয় । 

চাঁদের দশা কেন পরিবর্তন হয়?

 এই আকার পরিবর্তন কে বিজ্ঞানীরা আটি ভাগে ভাগ করেছে । এই ভাগগুলোকে লুনার প্রেস বলা  হয় ।

১। নিউ  মুন

প্রথম প্রেস অর্থাৎ প্রথম ভাগ কে বলা হয় নিউ  মুন । এই সময় পৃথিবী থেকে সূর্য চাঁদের উল্টোদিকে থাকে এবং তার অপজিট সাইডের আলো পড়ে । তখনকার আলো পৃথিবীতে আসছে না তাই চাঁদকে আমরা দেখতে পাই না ।

 ২। ভ্যাকসিন ক্রিসেন্ট মুন

এবার শ্রেষ্ঠ যার নাম ভ্যাকসিন ক্রিসেন্ট মুন । এটির সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে ৪৫ ডিগ্রি কোণে থাকে । এবং এই প্রেস চাঁদের সূর্যের আলো অল্প এরিয়াতে পড়ে ।  এবং আমরা চাঁদকে ছোট ভাবে দেখতে পাই ।

 ৩। হটস্পট মুন

 থার্ড ফেজ এর নাম হটস্পট মুন । এর কোন প্রায় ৯০ ডিগ্রি এই প্রেস এ সূর্যের আলো তাদের অর্ধেকের এরিয়াতে পড়ে ।এবং আমরা চাঁদ অর্ধেক ভাবে দেখতে পাই ।চাঁদ কে অর্ধেক দেখা যায় ।

৪। ওয়াক্সিং ডিমাস মুন

ফোর প্রেস ওয়াক্সিং ডিমাস মুন । যেটি ১৩৫ ডিগ্রি কোণে এই প্রেস চাঁদের সূর্যের আলোর তার প্রায় ৭৫% অংশে পড়ে । এবং আমরা চাঁদকে অর্ধেকের বেশি দেখতে পাই ।

 ৫। ফুলমুন 

ফাইভ পেজ এটি হলো ফুলমুন এই সময় চাঁদ পৃথিবীর ১৮০ডিগ্রিতে   থাকে । এবং সূর্যের আলো চাঁদ এর পুরো এরিয়াতে পড়ে এবং আমরা চাঁদকে সম্পূর্ণ গোলাকার দেখতে পাই । এবং এই সময় পূর্ণিমা হয় ।পূর্ণিমা এই জন্য হয় ।

৬। ওয়ারিংবিভাগী মুন

এটি হলো ওয়ারিংবিভাগী মুন এখানে চাঁদ পৃথিবী থেকে ২২৫ ডিগ্রি কোণে থাকে । এবং তার ২৫ শতাংশ মত অংশ সূর্যের আলো পড়ে না । এবং আমরা তার বাকি অংশ দেখতে পাই ।

 ৭।প্লাস ওয়াটার মুন

প্লাস ওয়াটার মুন এই সময় চাঁদ পৃথিবীর ২৭০ ডিগ্রি কোণে থাকে । এবং চাঁদ সূর্যের আলো অর্ধেক অংশে পড়ে এবং আমরা অর্ধেক দেখতে পাই ।

৮। ওয়ানিং ক্রিসেন্ট মুন

ফাইনাল প্রেস  যার নাম ওয়ানিং ক্রিসেন্ট মুন । ৩১৫ ডিগ্রী কোণে থাকে এখানে ২৫ শতাংশ চাঁদের  আলো  পড়ে ।  এবং আমরা তার অংশ দেখতে পাই ।  

তো বন্ধুরা এভাবে চাঁদের আকার পরিবর্তন হয় এবং আমাদের যত ভুল ধারণা যে চাঁদ ডুবে যায় এসব কিছু না ।আসলে চাঁদের আলো যতটুকু এরিয়াতে পরে পৃথিবী থেকে কতটুকু এরিয়া দেখা যায় । এবং এভাবে আমরা বলে থাকি তার ছোট এবং বড় বা ডুবে যায় । তো বন্ধুরা এই ছিল চাঁদের আকার পরিবর্তন নিয়ে সম্পূর্ণ ইনফর্মেশন তো বন্ধুরা পোষ্টেটি কেমন লেগেছে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন । ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 

ধন্যবাদ  ।

গ্রহাণুর উপর হামলা চালাতে চায় নাসা পাঠাতে চলেছে মহাকাশযান মিশন ডার্ট

কোন মন্তব্য নেই

 এস্টোরয়েড  এর উপর এবার সরাসরি হামলা করতে চলেছে নাসা । নাসা সেই আক্রমণ চালাবে মহাকাশে ভিন মূলুক থেকে পৃথিবীর দিকে অসম্ভব গতিতে ছুটে আসা গ্রহাণুর মানে এস্টোরয়েড পথ থেকে সরিয়ে দিতে । না হলে যে পরিত্রাণ নেই সভ্যতার এই মিশনটি কবে হবে জানিয়ে দেই । হতে চলেছে আগামী ২৪ শে নভেম্বর আর মাত্র ১০ দিনের মাথায় । গ্রহাণুকে সরাসরি আক্রমণের লক্ষ্য নিয়ে এই ২৪ শে নভেম্বর মহাকাশে পাড়ি দেবে নাসার মহাকাশযান ।


গ্রহাণুর উপর হামলা চালাতে চায় নাসা পাঠাতে চলেছে মহাকাশযান মিশন ডার্ট
গ্রহাণুর উপর হামলা


ইলন মাস্ক এর সংস্থা স্পেসএক্স এর বানানো অন্নত শক্তিশালি ফ্যলকন ৯ রকেট চেপে । ক্যালিফোর্নিয়ার ভেন্ডেবার এয়ারপোর্ট স্টেশন  থেকেই হবে  আর মিশনটির নাম হচ্ছে dart । ডবল এস্টোরয়েড  রিডাইরেকশন টেষ্ট মিশন । নাসা জানিয়েছে  যে , এই যে dart মিশন অভিযানের মূলত দুটি লক্ষ্য রয়েছে

১। এক একটি মহাকাশযান ভয়ঙ্কর গতিবেগে এগিয়ে আছড়ে পড়বে একটি গ্রহাণু উপর । যে গতিতে গ্রহাণু গায়ে গিয়ে আছড়ে পড়বে নাসার মহাকাশযান তাহলে সেকেন্ডে সাড়ে ছয় কিলোমিটার একটু বেশিই । ওই গতিবেগে মহাকাশযানের আছড়ে পড়ার ফলে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা গ্রহাণুর গতিবেগ ১ শতাংশ কমে যাবে ।ফলে তার অভিমুখ কিছুটা বদলে যাবে তাতে বলা যেতে পারে পৃথিবীর বিপদ কমে যাবে । 

২। আর দুই যে প্রযুক্তির মাধ্যমে নাসা  ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ও চীন জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা গুলি । মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা মহাজাগতিক বস্তু গুলির বিপদ এড়াতে চাইছে । সেই প্রযুক্তি বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় তা পরীক্ষা করে দেখান । সেই আসন্ন বিপদ গুলির মধ্যে রয়েছে বেনু মত সুবিশাল একটি গ্রহাণু । আগামী শতাব্দীতে পৃথিবীর খুব কাছাকাছি এসে পড়ার কথা । আপাতত পৃথিবীর দিকে ধাবমান যে গ্রহাণু টিকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে তার পথ থেকে সরিয়ে দিতে চাইছেন নাসা । তার নাম হচ্ছে ড্রিমস । প্রায় দু দশক আগে যার আবিষ্কার হয়েছিল  যার ব্যস ৭৮০ মিটার । 

২০০৩ সালের এর খুব ক্ষুদ্র মানে আমাদের যাদের তুলনায় একটি চাঁদ মূল্যের লেটের হদিস মেলে । চেক প্রজাতন্ত্র দেশ ওজেজ অবজাজরি টেলিস্কোপে সেই চাঁদ । তখনই গ্রহটির নাম রাখা হয় ড্রিমস  গ্রীক অথ মানে হল জমজ । আলাদাভাবে চাদরটির নাম দেওয়া হয় ডাইমোস যার ব্যস প্রায় ৫২৫ ফুট । 

নাসার dart মিশণের অন্যতম রান্ডয়া বলেছেন মহাকাশযান ড্রিমসের ওই চাঁদের গায়ে সজোরে আছড়ে পড়বে এই dart মিশনের মহাকাশযানটি । তাতে চাঁদটির কক্ষপথের প্রদক্ষিণের সময় বদলে যাবে কম করে সাত মিনিট । তা বদলে দেবে ইনিংসের কক্ষপথের প্রদক্ষিণের সময় অভিমুখ । নাসার আরো জানিয়েছে আগামী সেপ্টেম্বরে ২০২২ সেপ্টেম্বরে এই মহাকাশযান গিয়ে আছড়ে পড়বে । তখন ড্রিমস সে চাদ  থাকবে পৃথিবী থেকে  ১ কোটি ১০ লক্ষ কিলোমিটারের মধ্যে । তার মানে এই যে ২৪ শে নভেম্বর পাঠানো হবে মহাকাশযানটি সেটি গিয়ে পৌঁছবে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে । ইনফরমেশনটা কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না । সঙ্গে থাকবেন  লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত জানাবেন ।

International Space Station: যে কোনও মুহূর্তে মৃত্যু বা জখম, শঙ্কায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজা চারি ও ৭ নভশ্চর

কোন মন্তব্য নেই

 ভয়ঙ্কর বিপদে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন । যে কোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা যে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হতে পারে নভোচারীদের । বা্ সারা জীবনের জন্য তারা পঙ্গু হয়ে যেতে পারে । এই আশঙ্কায় এখন প্রহর গুনছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজাচারী সহ ৭ মহাকাশচারী । মহাকাশচারী ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উপরে । মহাকাশে পৃথিবীর কক্ষপথের ভর শূন্য অবস্থায় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে করতে হিউস্টনের মহাকাশ স্টেশনের অন্যতম সদস্য এই তথ্য জানিয়েছেন । সদস্য বলেছেন ওই ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের পর পরই মহাকাশ স্টেশনে থাকা সাত মহাকাশচারী কে প্রতিমুহূর্তে নির্দেশ পাঠাতে শুরু করে হিউস্টনের মিশন কন্ট্রোলরুম । তাদের জানানো হয় মহাকাশ স্টেশনের কোন কোন অংশের হেড মানে দরজা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে রাখতে হবে । মহাকাশচারীদের আশ্রয় নিতে হবে কোন কোন জায়গায় ।


International Space Station: যে কোনও মুহূর্তে মৃত্যু বা জখম, শঙ্কায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজা চারি ও ৭ নভশ্চর

 কোন বিপদের শঙ্কায় মহাকাশ স্টেশন ও মহাকাশচারীরা?

গত সোমবার ১৫ নভেম্বর রাশিয়া চার-চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে পৃথিবীর কক্ষপথের । কয়েক দশক ধরে থাকা একটি গোয়েন্দা উপগ্রহের যার নাম 1408 ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় । তার ফলে বড় ও মাঝারি আকারের প্রচুর টুকরা জমা হয়েছে এখন পৃথিবীর কক্ষপথের । যা মহাকাশ স্টেশন সহ মহাকাশযান উপগ্রহ মহাকাশচারীদের পক্ষে খুবই বিপদজনক হয়ে উঠেছে । দিন রাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা অন্তর একবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন । ২৪ ঘন্টায় ১৫ থেকে ১৬ বার সেই প্রদক্ষিণের তৈরি হচ্ছে বিশাল মেঘ । 

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া উপগ্রহের ছিন্নভিন্ন অংশগুলি তৈরি করেছে সেই জমাটবাঁধা মেঘ । ওই সদস্য জানিয়েছেন পৃথিবী মহাকাশ স্টেশনের প্রদক্ষিণের পথে রয়েছে গুড়িয়ে যাওয়া উপগ্রহের কম করে দেড় থেকে দুই হাজার টুকরো । ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতায় ভর শূন্য অবস্থায় যে টুকরোগুলি গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় সাড়ে সাত হাজার কিলোমিটার । আর সে গুলি ছুড়তেছে এখন দিকবেডিক 0 হয়ে । পৃথিবী প্রদক্ষিণের সময় তারা কোন পদ্ধতিতে আগেভাগে আজ করা খুব কঠিন কাজ । টুকরো গুলির বেশিরভাগই বেশ বড় আকারের রয়েছে মাঝারি ও ছোট আকারের প্রচুর টুকরো । মহাকাশ বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাদের নাম স্পেস জাং মানে মহাকাশের আবর্জনা । 

সবথেকে বেশি যেটা উদ্বেগের কারণটা হলো পাশ কাটাতে গিয়ে কোন মাঝারি ছোট টুকরো পথে পড়ে যেতে পারে আন্তর্জাতিক মহাকাশ  স্টেশনে । তাদের আঘাতে যেকোনো মুহূর্তে ফুটো হয়ে যেতে পারে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ । সে গুলির আঘাতে মৃত্যু হতে পারে মহাকাশ স্টেশনের মূল ক্যাপসুল থেকে নানা ধরনের মেরামতির কাজ ও মহাকাশ ভ্রমণে বেরোনো মহাকাশচারীদের । বা তারা সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যেতে পারে । যে কোন কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো মহাকাশ যানের কার্যকালের মেয়াদ ফুরালেই তা হয়ে পড়ে মহাকাশে আবর্জনা । উল্কা খন্ড বা গ্রহাণু সহ নানা ধরনের মহাজাগতিক বস্তুর আঘাত এর মহাকাশের সেই সব আবর্জনা ভেঙ্গে গিয়ে বড় মাঝারি ও ছোট আকারের রাশি রাশি টুকরো হয় । 

কিভাবে তৈরি হয় মহাকাশের আবর্জনা?

সেগুলি নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ বা কোন মহাকাশযান অথবা কৃত্রিম উপগ্রহ ধাক্কাধাক্কিতে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মহাকাশে আবর্জনার পরিমাণ বাড়ে  লাফিয়ে লাফিয়ে । দু  টুকরো ভেঙ্গে দশ টুকরো হয় আর তাতেই বিপদ বেড়ে যায় মহাকাশে যাতায়াত করা মহাকাশযানগুলোর । বিপদ বাড়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্যাটেলাইট উপগ্রহ গুলি । ১৯৫৭ সাল থেকে মহাকাশ অভিযানের পর থেকে এখনো পর্যন্ত ১৩ হাজারের বেশি উপগ্রহ পাঠানো হয়েছে মহাকাশে । যাদের মধ্যে এখনও ৮০০০ উপগ্রহ পৃথিবীর বিভিন্ন কক্ষপথ রয়েছে । সেই ৮০০০ উপগ্রহের মধ্যে প্রায় ৫০০০ উপগ্রহ এখনো চালু রয়েছে । বাকি গুলি মহাকাশের আবর্জনা হয়ে গিয়েছে এর সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন অকেজো মহাকাশযান ও তাদের অংশগুলি । রয়েছে নানা ধরনের জিনিসপত্র হাজার হাজার রকেটের একেবারে উপরের স্তরের খল ।

 উচ্চতায় পৌঁছানোর পর পৃথিবীতে ফিরে আনা সম্ভব হয়নি । যে সদস্যের কথা বলছিলাম তিনি জানিয়েছেন যে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির সাম্প্রতিক হিসাবমতে মহাকাশে পৃথিবীর বিভিন্ন কক্ষপথে এখন মহাকাশ আবর্জনা সংখ্যা প্রায় ৩৯ হাজার । যেগুলির প্রত্যেকটি কম করে ৪ ইঞ্চি বা ১০ সেন্টিমিটার চওড়া । এছাড়াও রয়েছে ১০ লক্ষ আবর্জনা যাদের প্রত্যেকটি চওড়া ০.৪ ইঞ্চি থেকে ৪ ইঞ্চি বা ১ থেকে ১০ সেন্টিমিটার এর মধ্যে রয়েছে । আরও ৩৩ কোটি আবর্জনা যাদের প্রত্যেকটি ০.৪ ইঞ্চি  ১ সেন্টিমিটার থেকে ছোট হলে ০.০৪ ইঞ্চি ১ মিলিমিটার এর চেয়ে বড় ।

২০০৯ সালের রাশিয়া অচল কচমশ ২২৫১ উপগ্রহটি চালু যোগাযোগের উপগ্রহ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল । তার ফলে কম করে ২০০০ আবর্জনা তৈরি হয়েছিল । এ বিপদ পাশ কাটিয়ে এতদিন পৃথিবীর কক্ষপথে প্রদক্ষিনা করতে হচ্ছিল মহাকাশ স্টেশন । কিন্তু এবার বিপদ অনিবার্যভাবে আরো অনেকগুণ বেড়ে গেল । ওই সদস্য জানিয়েছেন সোমবার রাশিয়ার ছড়া ৪ নম্বর ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের আগে কিছু জানতে পারেনি নাসা । ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি পৃথিবীর কোন দেশের কোন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা বুঝে উঠতে পারেনি । তবে বোঝার সঙ্গে সঙ্গেই মহাকাশ স্টেশনে থাকা যাত্রী আমেরিকার চারজন রাশিয়ার দুজন ও জার্মানির একজন মহাকাশচারী ঘুম ভাঙানো হয় । যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের চলে যেতে বলা হয় মহাকাশ স্টেশনে প্রাঙ্গণে রাখা পৃথিবীতে ফেরার দুটি মহাকাশযানে । একটি সুয়ূস এসএমএস ৯৬৩৫ এবং আরেকটি পুরুলিয়া ডেগন ।

 যে তিন সদস্যের সামনের দিনগুলিতে বিপদে রয়েছে মহাকাশ স্টেশন । কারণ সেই মেঘ সরবেনা পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে সে গুলি থেকে যে টুকরোগুলি ছিটকে বের হচ্ছে । তাদের গতিবেগ বন্দুক থেকে ছিটকে বের অনুগুলির গতিবেগ এর প্রায় ১০ গুণ । সেগুলি মহাকাশ স্টেশনের মুল ক্যাপসুল ছেড়ে মহাকাশ ভ্রমণে বেরোনো মহাকাশচারীদের শরীর এফর ওফর  করে দিতে পারে যেকোনো মুহূর্তে । তা যদি খুব ছোট আকারের ছিত্র তৈরি করে মহাকাশ স্টেশনের বিভিন্ন অংশে তাতেও স্টেশনের নানা ধরনের কাজকর্ম বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে । কত দিন এখনই সেটা বলা সম্ভব হচ্ছে না । তাই অজানা ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় দুর্ঘটনার সংখ্যা বুকে নিয়েই আপাতত পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে মহাকাশ স্টেশন । প্রাণ হারানোর ঝুঁকি নিয়ে সেখানে কাটাতে হচ্ছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজা সহ ৭ মহাকাশচারী কে । ছিল এই মুহূর্তের একটি লেটেস্ট ইনফরমেসান রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের ঘোর বিপদ নিয়ে । আশা করি  আপনাদের কাজে লেগেছে সঙ্গে থাকবেন  লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত জানাবেন আসি আবার দেখা হবে সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।

ব্ল্যাক হোল কিভাবে তৈরি হয়

কোন মন্তব্য নেই

মনরিল বলেন,'যখন কোনো সাধারণ বস্তু সংকুচিত হয়ে যথেষ্ট পরিমাণে ছোট হয়ে যায় তখন থেকে ব্ল্যাক হোলের সূচনা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যখন বড় বড় নক্ষত্রের জ্বালানি শেষ হয়ে যায় তখন তারা মহাকর্ষের মাধ্যমে নিজেরাই নিজেদেরকে ধ্বংস করে ব্ল্যাক হোল সৃষ্টি করে।


ব্ল্যাক হোল কিভাবে তৈরি হয়
হোল ছবি

ব্লাকহোল যেভাবে সৃষ্টি হয়

মহাকাশ খুবই রহস্যময় মহাকাশ সম্পর্কে আমাদের মনে অনেক প্রশ্ন জাগে এই মহাকাশের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তু হল ব্ল্যাক হল । বিজ্ঞানীরা এখনো পর্যন্ত ব্ল্যাকহোল সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা দিতে পারেননি । আজ আমরা কথা বলবো ব্ল্যাকহোলের ব্যাপারে । ব্ল্যাক হল হলো মহাকাশের সবচেয়ে ভারী বস্তুর ঘনত্ব বেশি তাই ব্ল্যাকহোলের একটি মটরদানার আকৃতির ভর আমাদের সূর্যের ভরের চেয়ে অনেকগুণ বেশী । একটি সম্পূর্ণ ব্ল্যাকহোলের ঘর আমাদের সূর্যের চেয়ে লক্ষ্য বা কোটি গুণ বেশি হতে পারে । তাহলে গ্র্যাভিটি মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সবচেয়ে বেশি এই প্রচন্ড আকর্ষণ বলের জন্য সব জিনিসকে তার দিকে আকর্ষণ করে । আমরা সবাই জানি এই মহাবিশ্ব আলোর গতিবেগ সবচেয়ে বেশি এতই বেশি যে আলো এর মধ্যে থেকে ফিরে আসতে পারে না । তাই এটিকে কালো দেখায় এবং এটির নাম দেওয়া হয় ব্ল্যাকহোল ।ব্ল্যাকহোল সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন ইউকের জন মিচেল  ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে । তিনি মহাকাশে কালো বস্তু আবিষ্কার করেন যে এটি আকারে সূর্যের চেয়ে ৫০০ গুণ বড় ছিল ।এবং সেখান থেকে আলো ফিরে আসতে পারছিল না তিনি এটির নাম দেন ডাক্তার ।

এরপর ১৯১৫ সালে আইনস্টাইন তার জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি জন মিচেলের ধারনাটি   কে সুস্পষ্ট করেন । তিনি বলেন যে হালকা বস্তুর কাছে সময় দ্রুত গতিতে চলে এবং ভারী বস্তুর কাছে সময় ধীর গতিতে চলে ।গ্র্যাভিটি স্পেস টাইম করতে পারে এবং আলোকীয় প্রভাবিত করে । বিখ্যাত সাইন্টিস্ট স্টিফেন হকিংস এর মতে ব্ল্যাকহোলের কাছে যদি কোনো স্পেস শিপ পাঠানো সম্ভব হয় । তাহলে স্পেসশিপ যদি ব্ল্যাক হোল ঢুকে পরিক্রমণ করতে পাঁচ বছর সময় লাগে তাহলে পৃথিবীতে ১০ বছর সময় কেটে যাবে । অর্থাৎ স্পেস শিপ যখন পৃথিবীতে ফিরে আসবে তখন স্পেসশিপের যাত্রীদের চেয়ে পৃথিবীতে থাকা মানুষদের বয়স ৫ বছর বৃদ্ধি পাবে । তাই ব্ল্যাকহোল কে ন্যাচারাল টাইম মেশিনে বলা হয় । 

একটি ব্ল্যাকহোলে যে অংশটি আমরা দেখতে পাই সেটিকে ইভেন্ট হরাইজন বলে । ইভেন্ট হরাইজন হল ব্ল্যাকহোলের বাইরের সেই সীমারেখা অতিক্রম করলে কোন বস্তুর পক্ষেই ব্ল্যাকহোলের প্রচন্ড মহাকর্ষ বল উপেক্ষা করে ফিরে আসা সম্ভব নয় । ব্ল্যাকহোলের ভেতরে কি আছে তা এখনও জানা সম্ভব হয়নি । কারণ ব্ল্যাকহোলের আকর্ষণ এত বেশি যে কোনো বস্তুই ইভেন্ট হরাইজন অতিক্রম করলে সেটির কোন অস্তিত্ব থাকে না । বিজ্ঞানীদের মতে ব্ল্যাকহোলের সমস্ত ভোর কেন্দ্রে কেন্দ্রীভূত হয়  এটিকে সিবুলাটি বলা হয় । 

ব্ল্যাকহোল দুই প্ররকার স্টেলারর্মাসিভ ব্ল্যাকহোল ও সুপার্মাসিভ ব্ল্যাকহোল । 

১। স্টেলারর্মাসিভ  ব্ল্যাকহোল / stellar

 স্টেলারর্মাসিভ   ব্ল্যাকহোল সূর্যের চেয়ে অনেকগুণ বড় । স্টেলারর্মাসিভ ব্ল্যাকহোল তৈরি হয় যখন সূর্যের চেয়ে অনেক বড় কোন নক্ষত্রের মৃত্যু ঘটে । আমরা সবাই জানি নক্ষত্রের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে হাইড্রোজেন থাকে । নিউক্লিয়ার ফিউশন এর ফলে এই হাইড্রোজেন হিলিয়াম এ পরিণত হয় ।এবং প্রচুর পরিমাণে তাপ এবং আলো রেডিয়েশন নির্গত হয় । তাই আমরা নক্ষত্রদের উজ্জ্বল দেখি এবং সূর্যের তাপ অনুভব করি । নক্ষত্রদের গ্র্যাভিটি এবং রেডিয়েশন একে অপরের বিরুদ্ধে কাজ করে । এবং নক্ষত্রের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে যতক্ষণ ভারসাম্য বজায় থাকে ততক্ষণ নক্ষত্রটি স্বাভাবিক থাকে । কিন্তু যেসব নক্ষত্র সূর্যের চেয়েও অনেক গুণ বড় হয় সেসব নক্ষত্রের কেন্দ্রের প্রচন্ড হিট এবং প্রসারের ফলে নক্ষত্রের কেন্দ্রে আয়রন তৈরি হতে শুরু করে ।

 এবং কেন্দ্রে জমা হয় কিন্তু এই আয়রন এটাম ্থকে কোন এনার্জি তৈরি হয় । ফলে গ্র্যাভিটি এবং নক্ষত্র  এনার্জি রেডিশন মধ্যে ভারসাম্য নষ্ট হয় । এবং সেকেন্ডেরও কম সময়ে সম্পূর্ণ নক্ষত্রটি কোলাপ করে যায় । এবং একটি জোরালো বিস্ফোরণ ঘটে যা সুপারনোভা বলা হয় । এই বিস্ফোরণের ফলে নক্ষত্র নক্ষত্র কেন্দ্রে কেন্দ্রীভূত হয় এটি ঘনত্ব বেশি হয় । ফলে এটি তার চারপাশে সব জিনিসকে গ্রাস করতে শুরু করে  এবং আকারে বড় হয় । 

২। সুপার্মাসিভ ব্ল্যাকহোল / Supermassive

সুপার্মাসিভ ব্ল্যাকহোল সূর্যের চেয়ে লক্ষ লক্ষ গুণ বড় হয় । যদিও সুপার্মাসিভ ব্ল্যাকহোল কিভাবে সৃষ্টি হয় তা এখনও বলা সম্ভব হয়নি । সব গ্যালাক্সির মাঝখানে একটি করে সুপার্মাসিভ ব্ল্যাকহোল থাকে । আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রে সুপার্মাসিভ ব্ল্যাকহোল রয়েছে । সেটির নাম হল সাজিটেরি ‍A দিয়েছে । এটি আমাদের সৌরমন্ডল থেকে ২৬ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত । এবং এটি সূর্যের থেকে ৪০ লক্ষ গুণ বড় এর ব্যস হল ৮ কোটি মাইল ।

আজ পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া ব্ল্যাক হোলের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্ল্যাকহোলের নাম হল s500 14818 সূর্যের চেয়ে চার হাজার কোটি গুণ বড় ।এর ব্যস ২৩ হাজার ৬০০ কোটি কিলোমিটার । এবং এটি আমাদের সৌরমন্ডল থেকে ১২ কোটি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত । আমাদের সবচেয়ে কাছের ব্ল্যাকহোলের নাম হল v1616 ব্ল্যাকহোল এটি আমাদের সৌরমন্ডল থেকে তিন হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত ।এটি একটি স্ট্যাটাসব্ল্যাকহোল এবং সূর্যের চেয়ে ১৩ গুনবড় । ব্ল্যাকহোল য়েমন সবকিছুকে গ্রাস করে তেমনি ব্ল্যাক হোলের উপরে থাকে হোয়াইট হল । যে সব কিছু সৃষ্টি করছে অনেক বিজ্ঞানীদের মতে ব্ল্যাকহোল এবং হোয়াইট হোল মিলিত ভাবে তৈরি করে ওয়াম  হোল । যা দিয়ে আমরা অন্য ডাইমেনশন বা গ্যালাক্সিতে ট্রাভেল করতে পারি । যদিও হোয়াইট হল একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং বাস্তব প্রমান এখনো পাওয়া যায়নি । ব্ল্যাকহোল ফিজিক্সের কোন নিয়ম মেনে চলে না বিষয়টি খুবই জটিল এবং রহস্যময় । বিজ্ঞানীরা ব্ল্যাকহোল নিয়ে গবেষণা করে চলেছেন । যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে লাইক ও শেয়ার করতে ভুলবেন না কমেন্ট বক্সে আপনাদের মতামত জানান ।


জ্যোতির্বিজ্ঞান এর জনক কে?

কোন মন্তব্য নেই

 

জ্যোতির্বিজ্ঞান এর জনক

বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের মতে আধুনিক যুগে প্রকৃতি বিজ্ঞানের এতো বিশাল অগ্রগতির পেছনে গ্যালিলিওর চেয়ে বেশি অবদান আর কেউ রাখতে পারেননি। তাঁকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জনক এবং এমনকি আধুনিক বিজ্ঞানের জনক হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

লুক স্কাইওয়াকার এবং হান সোলো-এর আগে তারা গ্যালাক্সিগুলির পূর্বের ডিফেন্ডারে ছিলেন । গ্যালিলিও টেলিস্কোপের পথপ্রদর্শক ছিলেন একজন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী এবং ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টান তিনি । তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময় এই ধারণাটিকে রক্ষা করতে কাটিয়েছিলেন যে সূর্য মহাবিশ্বের কেন্দ্রে ছিল তবে গির্জা । ১৬০০-এর দশকের গোড়ার দিকে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে বাইবেল শিখিয়েছে । যে পৃথিবী মহাবিশ্বের কেন্দ্র। রোমান ইনকুইজিশন তার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির বিরুদ্ধে শাসন করেছিল । এবং গ্যালিলিও বাইবেল অধ্যয়নে সাহায্য করতে পারে বলে বিশ্বাস করতে ।অস্বীকার করেন এবং ১৬৩৩ সালে ৭০ বছর বয়সে তিনি বিশ্বাস করেন। তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত গৃহবন্দী করা হয়েছিল ৯ বছর পরে গ্যালিলিও একজন প্রাথমিক খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ববিদকে উদ্ধৃত করেছিলেন । যে ঈশ্বর তার কাজের মধ্যে প্রকৃতির দ্বারা পরিচিত এবং মতবাদ দ্বারা এটি প্রকাশ করা হয়েছে । শব্দ অভিজ্ঞতার বই যা motb পরিদর্শন করে ইতিহাসকে আকার দেয়। টিভি এই ঐতিহাসিক শর্ট ফিল্ম প্রচারণা দেখার জন্য ফিল্ম বিজ্ঞাপন এবং বইয়ের সাথে আলাপচারিতায় অংশ নিন এই শরত্কালে বাইবেলের যাদুঘর দ্বারা আপনার কাছে বইটি একসাথে আনা হয়েছে।


জ্যোতির্বিজ্ঞান এর জনক কে?
গ্যালিলিও

আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক 

গ্যালিলিও গ্যালিলি একাধারে একজন পদার্থবিজ্ঞানী জ্যোতির্বিজ্ঞানী গণিতজ্ঞ এবং দার্শনিক ছিলেন । রেনে বৈজ্ঞানিক বিপ্লব এর সাথে কিভাবে সম্পৃক্ত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এর মতে আধুনিক যুগে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের অগ্রগতির পেছনে গ্যালিলিওর চেয়ে বেশি অবদান রাখতে পারেননি । তাকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জনক এবং এমনকি আধুনিক বিজ্ঞানের জনক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে । গ্যালিলিওর আবিষ্কার গুলি সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে ইটালিয়ান বিজ্ঞানের জন্য । অন্য যে কোন বিজ্ঞানী তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে আছেন ১৫৬৪ সালে জন্ম হয় তার । সেখানকার ইউনিভার্সিটিতেই পড়াশোনা করতেন তিনি কিন্তু অর্থনৈতিক কারণে তাকে ১৫৯৮ সালে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি যোগদান । ইউনিভার্সিটি ফ্যাকাল্টি পর্যন্ত তার কর্মস্থল এবং উল্লেখযোগ্য বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার আবিষ্কার করেন । তিনি যন্ত্রসংক্রান্ত দার্শনিক অ্যারিস্টোটল বলেছেন হালকা জিনিস এর তুলনায় দ্রুত চালু ছিল কিন্তু প্রমাণ করেন । এ ধরনের ঠিক নয় দুটো জিনিস দিতে পারে সামান্য স্থানচ্যুত হলে একসঙ্গে উচ্চতা থেকে ছাড়লে ভালা জিনিস একই সময়ে মাটিতে পড়ে প্রিয় হালকা জিনিস ফেলে এবং নিজের ধারণা সত্যি বলে প্রমাণ করেন । এটি ছিল উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হয় তার চেয়েও বড় কথা এসব পরীক্ষার সাহায্যে সমীকরণ করতে সক্ষম হন ।

 আধুনিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অবদান অনস্বীকার্য আর মানুষ বিশ্বাস করবে গ্যালিলিও প্রমাণ করেছেন । এ ধারণা ভুল শক্তি পরিহার করা সম্ভব হয় তাহলে যে কোনো বস্তুর নির্দিষ্ট সময় ধরে চলতে পারে সবচেয়ে বিখ্যাত আবিষ্কার শিশুর মানসিক বিকাশের সুযোগ বাংলাদেশীদেরও ছিল । একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী প্রথম আধুনিক সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের প্রদান করেছিলেন । কোন প্রমাণ করেন কোন প্রমাণ করতে পারেননি তিনি তা প্রমাণ করে দেন তার আগেই আবিষ্কৃত হয় এবং যিনি সম্পর্কে খুব সামান্য কিন্তু তিনি প্রতিবার সেজন্য তার কাজ একটু আটকে থাকেনি । ওটার তুলনায় অনেক উন্নত টেলিস্কোপ আবিষ্কার করেছেন । গ্যালিলিও টেলিস্কোপ আবিষ্কার করেন মহাকাশের পর্যবেক্ষণ এবং এক বছরের মধ্যে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জানতে পারেন । পরীক্ষা করে দেখতে পেলেন চাঁদ পৃথিবীকে কেমন দেখায় আসলে ওটা মসৃণ নয় । আছে তাদের দিকে তাকিয়ে দেখলেন ওগুলো আসলে দুধের তৈরি নয় বরং লক্ষ কোটি তারার মেলা খালি চোখে প্রায় দেখাই যায়না । এর পর্ব সমূহ দিকে নজর দিলে নিয়ে নিও দেখতে পেলেন শনি গ্রহকে গোল করে ঘিরে রেখেছে কিছুতেই তাকে কেন্দ্র করে ঘুরে বেড়ায় । তারা চাঁদ সূর্যের দিকে নজর দিয়ে সৌর কলঙ্কে দেখতে পাওনি কেন অন্যরা আগেই পর্যবেক্ষণ করেছেন । 

কিন্তু গ্যালিলিও বিষয়টাকে মানুষের গোচরে আনেন শুক্র গ্রহের মতো গ্রহের দোষ আছে এমনি দেখতে পান । তিনি এসব আবিষ্কারের ফলে তাদের মতবাদ সত্যি বলে প্রমাণ হয় । প্রতিষ্ঠিত হয় যে পৃথিবীর সমস্ত গ্রহ নক্ষত্র সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে । আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত হয়েছেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের থেকে নির্দেশ দেয়া হয় এর ফলে নিরুপায় হয়ে বসে থাকতে হয় । স্বরবৃত্ত হিসেবে অভিষিক্ত ধর্মের প্রধান ধর্মগ্রন্থ ভ্যাটিকান সিটিতে প্রধান কার্যালয় অবস্থিত পরিধিস্থ বিধিনিষেধ তুলে নেন তিনি মনে করতেন । গবেষণাধর্মী লেখা রয়েছে সেটি প্রকাশ সংক্রান্ত অনুমতি নিয়ে তারপরও বই প্রকাশ হওয়ার পর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে তার । এবং ১৬০০ সালের নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করার অপরাধে বিচারের জন্য ধরে আনা হয় । কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো কঠিন শাস্তি পেতে হয় না কিছুদিন নিজের বাড়িতে গৃহবন্দী হয়ে কাটাতে হয় পরে আরও একবার শাস্তি পেতে হয় ।৭০ বছরের বৃদ্ধ বিজ্ঞানী কে বলা হয় পৃথিবী সূর্যের চারদিকে নয় বরং সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে এই কথাটা বলতে হবে তাকে । তাড়িয়ে কিন্তু এমনটা কখনোই বলেনি বরং উল্টোটাই বলেছেন তিনি উল্লেখ করেন তিনি প্রত্যাখ্যান করেননি । আমাদের আজকের আয়োজন কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানান ।

এরোপ্লেন কে আবিষ্কার করেন?

কোন মন্তব্য নেই

 

এরোপ্লেন কে আবিষ্কার করেন
এরোপ্লেন


এরোপ্লেন আবিষ্কার 

প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ যখন পাখিদের আকাশে উড়তে দেখতো তখন তাদের ইচ্ছে হতো পাখিদের মতো আকাশে   ওড়া । কিন্তু আজ থেকে এক হাজার বছর আগে কেউ কখনো ভাবতেও পারেনি যে ভবিষ্যতের দিনে এরোপ্লেনে করে যাত্রা করা এতটা সহজ ও সুরক্ষিত হয়ে যাবে ।১৫ শতাব্দী থেকে বৈজ্ঞানিক ইঞ্জিনিয়াররা আকাশে উড়ন্ত পাখিদের দেখে তাদের উপর বিভিন্ন ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করেন । এবং আকাশে ওড়ার স্বপ্ন দেখেন আর তাদের এই স্বপ্নকে সত্যি করার জন্য তারা নিজেদের পুরো জীবন আবিষ্কারের পেছনে লাগিয়ে দিয়েছিলেন । তাদের মধ্যে কয়েকজন সফল হয়েছিলেন আবার কয়েকজন অসফল হয়েছিলেন । উড়োজাহাজ আবিষ্কারের কাহিনী অনেক বড় প্লেন এর মতো বারবার চালিয়ে দেখা যেত না । একবার আকাশে ওড়া নেই তা কিছুক্ষণের মধ্যেই মাটিতে ভেঙে পড়ে যেত আর সাথে সাথে তো তাই একটু করে বানিয়ে টেস্ট করা যেত না । একেবারে পারফেক্ট বানাতে হত সাধারণভাবে যে দুই ভাইকে এর আবিষ্কারক হিসেবে জানা যায় তাদের নাম হল উরিভি রাইট এবং উইলবার রাইট । তবে এ ছাড়াও আরো অনেক ইঞ্জিনিয়াররা এরোপ্লেন বানানোর চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তারা এই এরোপ্লেন কে আকাশে উড়ানোর সময় কোন কোন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়ে নিজেদের জীবন হারিয়েছিলেন । 

বন্ধুরা আমি আপনাদের সাথে আজকের পোষ্টে আবিষ্কারের ইতিহাস এবং সেই আবিষ্কারের জন্য নিজেদের জীবন অতিবাহিত করা মহান কিছু বৈজ্ঞানিক এর বিষয়ে আপনাদের জানাব । 

লিওনার্দো দা

আবিষ্কারকের তালিকা প্রথম লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ১৪৫২ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । তিনি একজন মহা চিত্তার  তবে তাকে পুরো পৃথিবী শুধুমাত্র একজন চিত্রকার ছিলেন । হিসেবে এমনটা নয় তিনি সে সময় একজন গবেষক ও ছিলেন তার তৈরি প্রত্যেকটি পেইন্টিং কিছু না কিছু রহস্য লুকিয়ে থাকত । আর এইসব দেখে অবাক হয়ে যেত লিওনার্দো দা  ভিঞ্চি কে পৃথিবীর প্রথম মানুষ বলা হয় উড়োজাহাজের প্রথম স্বপ্ন দেখেছিলেন । এবং সেটাকে বাস্তবায়ন করেছিলেন তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে তিনি দিনরাত এক করে দিয়েছিলেন । লিওনার্দো দা ভিঞ্চির সম্বন্ধে দিয়েছিলেন আর পরবর্তীকালে এই থিওরির উপর কাজ করেই অনেক সফল এরোপ্লেন আবিষ্কার করেছিলেন । তাদের মধ্যে প্রথমটি হলো ফেলাং মেশিং দেশের সবথেকে শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলে মানা হয় । পাখি কিভাবে আকাশে উড়ে আর কিভাবে মাটিতে নেমে আসে অনেক সময় ধরে তিনি করেছিলেন । এরপর তিনি কাঠের সাহায্যে একটি স্লাইড দিয়ে  তৈরি করেছিলেন এতে পুলিশের ব্যবহার করা হয়েছিল  যাতে সহজে আকাশে উড়া যায় । আর সামনের দিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য সাইকেলের রিং লাগানো ছিল আবিষ্কারের স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়ে যায় । ২০০ রামে ১৫১৯ সালে তিনি মারা যান । আবিষ্কার করার জন্য তিনি আরেকটি মেশিনে তৈরি করেছিলেন আর এই মেশিনের সাথে অনেকটা ম্যাচ করে তৃতীয় ধাপের পেইন্টিং এর মাধ্যমে সর্বপ্রথম উল্লেখ করেন । তাদের মত ছিল এই পেইন্টিং এর সাথে সাথে তিনি আরো অনেক জরুরী তথ্য দিয়েছিলেন । ১৫১৯ সালের মৃত্যুর পরে প্লেন বানানোর চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তারা কেউই সফল হননি । আবিষ্কার হয়ে গিয়েছিল আবিষ্কার করেন তাদের নাম ছিল এবং ব্যবহার করা হয়েছিল । আরে ডায়ামিটার ১০ মিটার পর্যন্ত রাখা হয়েছিল ।

 ১৯ সেপ্টেম্বর ১৭৮৩ সালে এই বেলুনের এক্সপেরিমেন্ট করার জন্য একটি মুরগি হাঁস আরেকটি ছাগলকে হাওয়ায় উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল । ১৫ মিনিট পর্যন্ত ছিল তারপর সেটি মাটিতে পড়ে যায় । এরপর যে মানুষকে বসিয়ে আকাশে উড়ানোর কথা চিন্তা করেন এর প্রায় এক মাস পর ২১ নভেম্বর ১৭৮৩ সালে একজন বৈজ্ঞানিক এবং একজন অধিকারী প্রথম হট এয়ার বেলুন যাত্রা করেন । তারা প্রায় ২৫ মিনিট ধরে ৯ মিটার পর্যন্ত যেতে পেরেছিলেন ।

অটো লেলিন

অটো লেলিন ১৮৪৮ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলেও জানিয়েছিলেন । ১৮৭০ সালে রয়েল টেকনিক্যাল একাডেমী বার্লিন থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করেছিলেন । ১৮৯১ সালে তিনি তার প্রথম এক্সিডেন্ট করেছিলেন প্রথম তিনি গ্লাডিয়েটর এর সাহায্যে প্রায় ২৫ মিনিট পর্যন্ত আকাশে উঠতে পেরেছিলেন । ১৮৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি আলাদা আলাদা টেকনিকের সাহায্যে আকাশে ওড়ার যন্ত্র আবিষ্কার করেন । তারা এই পাঁচ বছরের এক্সপেরিমেন্ট এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চিনি আড়াইশো মিটার পর্যন্ত উঠতে পেরেছিলেন । তিনি পুরো ২০০০ বার সাহায্যে আকাশে উড়ে ছিলেন । ১৮৯৬ সালে তিনি যখন নিয়ে আকাশে করছিলেন তিনি তাদের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন । তখন তিনি প্রায় ১৫ মিটার উঁচু থেকে মাটিতে পড়ে যান এই এক্সিডেন্ট এর ফলে তার ঘাড়ের হাড় ভেঙে যায় । আর একদিন পর তার মৃত্যু হয় ।

 এলবাট ডুমন

১৮৭৩ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন এরোপ্লেনে জন্মদাতা বলে মানা হয় । কাজ করতে করতে এরোপ্লেন আবিষ্কারের কথা ভাবেন তার বানানো প্রথম যন্ত্রটি প্রথমে হট এয়ার বেলুন আকাশে উড়ানো হয়েছিল । তার সাথে এই যন্ত্রটি আকাশে ওড়ানো হয় ১৮৯৮ সালে তিনি তার প্রথম চেষ্টা করেছিলেন তারপর অক্টোবর ১৯৭১ সালে তিনি তার শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার কে আকাশে পুরো পৃথিবীতে এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন । তিনি ফ্রান্সের প্যারিসে আকাশে উড়িয়ে পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন ।

উইল রাইট ও ব্রাদার্স

১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন অপ্রিল ১৮৬৭ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন উইল রাইট ব্রাদার্স নামে এর আবিষ্কারক হিসেবে জানা হয় ।১৭ ডিসেম্বর ১৯০৩ সালে পৃথিবীর সবথেকে প্রথম সাকসেসফুল আবিষ্কার করেছিলেন । ছোটবেলা থেকে আকাশে ওড়ার খুব ইচ্ছে ছিল তারা পাখিদের আকাশে উড়তে দেখে নিজেরা উড়তে চাইত । তবে এই স্বপ্ন পূরণ করার জন্য তাদের কাছে সেই পরিমাণ টাকা ছিল না । ওকে দেখে খুবই আগ্রহী হয় তারা শুরুর দিকে উঠিয়ে আকাশে উড়ে বেড়াতো তারা একটি সাইকেলের দোকানে কাজ করতো । আর সেখান থেকেই তাদের মাথায় আসে ছিল কিন্তু তা ঠিক টাইমে নির্দিষ্ট জায়গায় খুব কঠিন দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচতে ১৯০০ সালে একটি জায়গায় গিয়ে তাদের এক্সপেরিমেন্ট শুরু করে । এরপর ১৯০৩ সালে ইঞ্জিন সাহায্যে একটি উড়োজাহাজ আকাশে ওড়ায় । কিন্তু এটি মাত্র ৬ সেকেন্ড পর্যন্ত আকাশে উঠতে পেরেছিল । ইঞ্জিন এর সাহায্যে প্রথম এরোপ্লেন তৈরি হয়েছিল এরপর চতুর্থ প্রচেষ্টায় আকাশে উড়েছিল । ৮৩৫ ফুট পর্যন্ত যেতে পেরেছিল এরপর তারা বারবার এই এক্সপেরিমেন্ট করতে থাকে । একসময় সাকসেসফুল হয় আর তারা প্রায় ৩৫ মাইল প্রতি ঘন্টায় উড়িয়ে ছিল । কিন্তু এখনো পর্যন্ত এই দুই ভাই এর সম্বন্ধে কেউ কিছুই জানত না । আর না কোন সংবাদপত্রে এই দুই ভাইয়ের কথা কখনো উল্লেখ করা হয় । ১৯৬০ সালে ফ্রান্সে যায় যেখানে বসে পুরো দুনিয়ার সামনে ৯১ মিনিটে পর্যন্ত দূরত্ব অতিক্রম করেছিল । এই ঘটনার পর তাদের বেশ কিছু পুরুষ্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয় । এরপর থেকে ১৯৭৯ সালের দিকে বেশ কিছুদিন বানানোর প্রচেষ্টা শুরু হয়ে গিয়েছিল । আর ১৯০৯ সালের পর্যন্ত লম্বা দূরত্ব অতিক্রম করেছিল । এরপর  ১৯১৯ সালে প্রথম এরোপ্লেন কে আবিষ্কার করেছিল । এরপর থেকে আর অভিনয়ের মাধ্যমে আধুনিক আবিষ্কার হয়েছে । তো কেমন লাগলো পোষ্টি আমাকে কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন । যদি  ভাল লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই একটি লাইক করে দিন আর বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করে দিন । দেখা হবে পরের  ততই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।

গবেষণা সমস্যা কাকে বলে?

কোন মন্তব্য নেই

গবেষণা সমস্যা কী? গবেষণা সমস্যা হলো (Research Problem) । যা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়, কাঠিন্য, বাধা, দ্বন্দ্ব, বিতর্ক, অর্জিত জ্ঞানের মধ্যে শূন্যতা ইত্যাদি যা লক্ষ্য করে গবেষণা পরিচালনা করা হয়। অর্থাৎ যে বিষয়ের নিয়ে গবেষণা করা হয় তাকে গবেষণা বলা হয়।


গবেষণা সমস্যা কাকে বলে

গবেষণা সমস্যা 

আপনি শিক্ষাগত হাব দেখছেন একটি গবেষণা সমস্যা একটি নির্দিষ্ট সমস্যা । অসুবিধা দ্বন্দ্ব বা জ্ঞানের ফাঁক যা আপনি আপনার গবেষণায় সমাধান করার লক্ষ্য রাখবেন । আপনি ব্যবহারিক সমস্যাগুলির সন্ধান করতে পারেন এবং এটি আমাদের তাত্ত্বিক সমস্যাগুলিকে পরিবর্তন করতে অবদান রাখছে । যা জ্ঞানের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মনে রাখবেন যে কিছু গবেষণা এই দুটি জিনিসই করবে কিন্তু সাধারণত গবেষণার সমস্যার ফোকাস থাকে । এক বা অন্য যে ধরনের গবেষণা সমস্যা আপনি চয়ন করেন তার উপর আপনার আগ্রহের বিস্তৃত বিষয়ের উপর নির্ভর করে আপনি যে ধরনের গবেষণা করতে চান । এই পোষ্টি আপনাকে সনাক্ত করতে সাহায্য করে এবং একটি গবেষণার প্রস্তাব বা ভূমিকা লেখার সময় একটি গবেষণা সমস্যা পরিমার্জন করুন । আপনাকে এটি একটি সমস্যার বিবৃতি তৈরি করতে হবে এবং বা গবেষণা প্রশ্ন প্রথমে আমাদের বুঝতে হবে । যে গবেষণা সমস্যা কী একটি গবেষণা সমস্যা একটি বিবৃতি যা উদ্বেগের একটি ক্ষেত্র সম্পর্কে একটি শর্ত। 

উন্নত করা একটি অসুবিধা দূর করা বা একটি সমস্যাজনক প্রশ্ন যা পণ্ডিত সাহিত্যে তত্ত্বে বা অনুশীলনে বিদ্যমান । যা নির্দেশ করে অর্থপূর্ণ বোঝাপড়া এবং ইচ্ছাকৃত তদন্তের প্রয়োজনে কেন গবেষণা সমস্যাটি গুরুত্বপূর্ণ । আপনার বিষয় আকর্ষণীয় এবং আপনার এটি সম্পর্কে অনেক কিছু বলার আছে কিন্তু এটি একটি সুসংজ্ঞায়িত । গবেষণা সমস্যা ছাড়া একাডেমিক গবেষণার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী  নয় । একটি অকেকাসড এবং অব্যবস্থাপনাযোগ্য প্রজেক্টের সাথে শেষ করতে পারেন । আপনি যা অন্য লোকেরা ইতিমধ্যেই বলেছে তা পুনরাবৃত্তি করতে পারেন একটি স্পষ্ট উদ্দেশ্য এবং ন্যায্যতা ছাড়াই গবেষণা করার জন্য খুব বেশি বলার চেষ্টা করার চেষ্টা করে । এমন গবেষণা করতে আপনার একটি সমস্যা প্রয়োজন । যা নতুন এবং প্রাসঙ্গিক অন্তর্দৃষ্টিতে অবদান রাখে কিনা 'আপনার থিসিস একটি গবেষণাপত্র শুরু করার পরিকল্পনা করছেন । বা একটি গবেষণা প্রস্তাব লিখছেন গবেষণা সমস্যাটি হল তিনি ঠিক কী করবেন তা জানার প্রথম ধাপ ।এবং কেন ধাপ ১ একটি বিস্তৃত সমস্যার ক্ষেত্র চিহ্নিত করুন যখন আপনি আপনার বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং পড়েন তখন অন্বেষিত দিকগুলির সন্ধান করুন। 

গবেষণার শিরোনাম

গবেষণার শিরোনাম (Research Title) গবেষণা সমস্যা ও বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে শুরুতেই গবেষণার একটি শিরোনাম দিতে হবে। ...গবেষণার শিরোনাম এমন হওয়া উচিৎ যাতে করে এখান থেকেই গবেষণা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।

উদ্বেগের ক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব বা বিতর্কের ক্ষেত্রে আপনার লক্ষ্য হল একটি ফাঁক খুঁজে বের করা । যা আপনার গবেষণা প্রকল্প বাস্তবিক গবেষণা সমস্যা না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহারিক গবেষণার মাধ্যমে আপনি পূর্ববর্তী গবেষণার প্রতিবেদনগুলি পড়ে। এবং প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে বা সংস্থায় কাজ করেন এমন লোকেদের সাথে কথা বলে একটি সমস্যা সনাক্ত করতে পারেন । যা আপনি একটি প্রতিষ্ঠানের প্রক্রিয়াগুলিতে কর্মক্ষমতা বা দক্ষতার সমস্যাগুলি সন্ধান করতে পারেন । যা একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উন্নত হতে পারে। সমাজের নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর লোকেদের দ্বারা সম্মুখীন একটি ক্ষেত্রের সমস্যায় অনুশীলনকারীদের মধ্যে উদ্বেগ । যদি আপনার গবেষণা একটি চাকরি বা ইন্টার্নশিপের সাথে সংযুক্ত থাকে তবে আপনাকে একটি গবেষণা সমস্যা খুঁজে বের করতে হবে । যা সংস্থার জন্য ব্যবহারিক প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে উদাহরণস্বরূপ ১০ অঞ্চলে ভোটারদের উপস্থিতি হ্রাস পাচ্ছে । দেশের বাকি তাত্ত্বিক গবেষণা সমস্যার বিপরীতে তাত্ত্বিক গবেষণা জ্ঞান এবং বোঝার প্রসারণে মনোযোগ দেয় । পরিবর্তনে সরাসরি অবদান রাখার পরিবর্তে আপনি সাম্প্রতিক গবেষণা তত্ত্ব পড়ে একটি গবেষণা সমস্যা সনাক্ত করতে পারেন । এবং বর্তমানে যা জানা যায় তার একটি ফাঁক খুঁজে পেতে আপনার বিষয়ে বিতর্ক এটি সম্পর্কে আপনি এমন একটি ঘটনা বা পরিচিতির সন্ধান করতে পারেন । যা হয়নি দুই বা ততোধিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে একটি দ্বন্দ্ব ঘনিষ্ঠভাবে অধ্যয়ন করা হয়েছে ।

গবেষণার বিষয় নির্বাচন

এমন একটি পরিস্থিতি বা সম্পর্ক যা সমস্যাজনক প্রশ্নের দ্বারা ভালভাবে বোঝা যায় না । যেটি এখনও সমাধান করা হয়নি তাত্ত্বিক সমস্যাগুলির প্রায়শই ব্যবহারিক পরিণতি হয় । তবে তারা একটি নির্দিষ্ট জায়গায় একটি তাত্ক্ষণিক সমস্যা সমাধানের দিকে মনোনিবেশ করে না । যদিও আপনি হতে পারেন গবেষণার ক্ষেত্রে একটি কেস স্টাডি পদ্ধতি গ্রহণ করুন । উদাহরণস্বরূপ লিঙ্গ জাতি এবং আয়ের বৈষম্যের মধ্যে সম্পর্ক সহস্রাব্দের গিগ অর্থনীতি পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে এখনও ঘনিষ্ঠভাবে অধ্যয়ন করা হয়নি । পরবর্তী সমস্যা সম্পর্কে আরও জানতে আপনাকে ইতিমধ্যে কী সম্পর্কে জানা আছে তা খুঁজে বের করতে হবে । সমস্যাটি এবং সঠিক দিকটি চিহ্নিত করুন যে আপনার গবেষণাটি পটভূমিতে পরিচিতদের সম্বোধন করবে । যারা সমস্যাটি প্রভাবিত করে এটি কি দীর্ঘকাল ধরে একটি সমস্যা বা এটি একটি নতুন আবিষ্কৃত সমস্যা যা ইতিমধ্যেই গবেষণা করা হয়েছে । কোন সমাধান প্রস্তাব করা হয়েছে কি কি? সমস্যা সম্পর্কে বর্তমান বিতর্ক এবং আপনি কি মনে করেন তাদের থেকে অনুপস্থিত নির্দিষ্টতা এবং প্রাসঙ্গিকতা কি বিশেষ   সময় এবং বা মানুষ আপনি কোন দিকগুলিকে মোকাবেলা করতে সক্ষম হবেন না তার উপর ফোকাস করবেন । 

যদি সমস্যাটি সমাধান না করা হয় তবে এর পরিণতিগুলি কী হবে সমস্যাটি সমাধান করে কে উপকৃত হবে । উদাহরণ স্বরূপ একটি সংস্থার পরিচালনা বা ভবিষ্যতের গবেষকদের অলাভজনক সংস্থা এক্স আছে এটির বিদ্যমান । সমর্থন  ধরে রাখার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছে । কিন্তু সম্ভাব্য নতুন দাতাদের কীভাবে তার কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে সর্বোত্তম টার্গেট করা যায় তা বোঝার অভাব রয়েছে । সংস্থাটির আরও কার্যকর তহবিল সংগ্রহের কৌশল নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন যখন আপনি আপনার সমস্যাকে সংকুচিত করেছেন । পরবর্তী পদক্ষেপটি হল একটি সমস্যা প্রণয়ন করা বিবৃতি এবং গবেষণা প্রশ্নগুলি অনুমানগুলি হল দেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আমি আশা করি আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন । যে কীভাবে গবেষণা সমস্যা সনাক্ত করতে হয় লাইক শেয়ার করুন এবং গবেষণা সম্পর্কে আরও তথ্যপূর্ণ জানতে কমেন্ট করুন ।

 ধন্যবাদ

তারা খসা দেখলে কি হয়

কোন মন্তব্য নেই

 আকাশ থেকে তারা খসে পরা বা তারার হাঁটার ঘটনাটা খুব স্বাভাবিক। আকাশে ছুটে চলা তারারা ছোট ছোট গ্রহাণু, ধুলিকণা, ছোট বড় শিলা-খণ্ড যেগুলো কোনো গ্রহ বা নক্ষত্র থেকে বিচ্যুত হয়েছে। ছোট শিলার খণ্ডগুলো সহজ স্বাভাবিকভাবেই মহাশূন্যে ভাসতে থাকে।


তারা খসা দেখলে কি হয়
তারা খসা

তারা খসা

মেঘমুক্ত আকাশের দিকে তাকালে অনেক আরবিন্দ মিটমিট করে জ্বলতে দেখা যায় এগুলোকে নক্ষত্র বলা হয় । আর যখন রাতের মেঘমুক্ত আকাশে অনেক সময় মনে হয় যেন নক্ষত্র ছুটে যাচ্ছে বা কোন নক্ষত্র যেন এইমাত্র খসে পড়ল ।এই ঘটনাকে নক্ষত্র পতন বা তারা খসে পড়া বলে । ভাগ্য বদলাতে কিনা চাই প্রত্যেকটি মানুষ এই তার ভাগ্য বদলাতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে । তবে  বেশিরভাগ মানুষই বিশ্বাস করে যে কঠোর পরিশ্রম ছাড়া এমন কিছু জিনিস আছে যে ভাগ্য বদলে দিতে পারে । এবং তার মধ্যে একটি হলো তারাখসা শুটিং স্টার তাকে নিয়ে ব্যাপারটা কমবেশি আমরা সবাই জানি । এটা প্রচলিত আছে যে তারা খসা যাওয়ার সময় চোখ বন্ধ করেই যা চাওয়া যায় সেটা নাকি পাওয়া যায় । তবে শুধু বাংলাদেশেই নয় পৃথিবীর সমস্ত জায়গাতেই রাখার ইচ্ছা পূরণের ক্ষমতার কথাটি প্রচলিত আছে । কিন্তু কেউ কি কখনো ভেবে দেখেছে যে তারা খসা টি আসলে কি এটি সত্যিই কি কোন তারা খসে যাওয়া অংশ । এবং সত্যায়িত পূরণ করতে পারে আসুন দেখে নেওয়া যাক এই তার পিছনে থাকা আসল রহস্য কি মহাকাশে প্রচুর পরিমাণ শিলা বিদ্যমান রয়েছে । 

তাদের সাধারণত ক্ষুদ্র বালুকণা থেকে শুরু করে গল্পের মধ্যে থাকে যেহেতু পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরছে । তাই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হয় এবং যখন বায়ুমণ্ডলের সংস্পর্শে আসে তখন তারা অভিকর্ষের টানে উচ্চভূমির মধ্যে দিয়ে ছুটে যায় । বায়ুমণ্ডলে উত্তপ্ত হয়ে উঠতে শুরু করে এবং তারপর তারা ওঠে এই ঘটনাটিকে এবং আমরা তার বলে থাকি । প্রতিদিন বায়ুমণ্ডলের সংস্পর্শে আসে এবং উল্কাপাত কেবলমাত্র রাতেই দেখা যায় । তবে যেহেতু আমরা একবারে আকাশের দিকে তাকাতে পারি যেহেতু প্রতি ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে একটি উল্কা থাকার সম্ভাবনা থাকে । প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে রাতের আকাশে একটি বৃহৎ সংখ্যক উল্কাপাত দেখা যায় । এই ঘটনাটিকে উল্কাবৃষ্টি বলে যখন পৃথিবী সূর্যের চারপাশে তার কক্ষপথে ঘোরার সময় ধুমকেতু দ্বারা বেষ্টিত ধ্বংসাবশেষের পথ অতিক্রম করে তখন এই ঘটনাটি ঘটে । 

সুতরাং এই কারণে হয় তবে যেকোনো রাতে সাধারণত ভোরের দেখা যায় । নামকরণ করা হয় উদাহরণস্বরূপ প্রদর্শিত হয় এটা গুরুত্বপূর্ণ উল্কাবৃষ্টি গুলির উপর ভিত্তি করে করা হলেও এরা কোন নক্ষত্র নক্ষত্র থেকে উদ্ভূত হয় না । তারা শুধু ধূমকেতুর কক্ষপথ সাথে মিলিত হওয়ার কারণে আকাশের সেই অংশ থেকে আগত বলে মনে হয় । সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে যে আমরা যাতে তারা খসা শুটিং স্টার বলে থাকি তারা আসলে মহাকাশে ভাসমান বিভিন্ন ছোট বড় বস্তু বায়ুমণ্ডলের সংস্পর্শে আসার পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে । যদিও বেশির ভাগই পৌঁছনোর আগে বায়ুমন্ডলে ছারখার হয়ে যায় ।

 এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই তারা কি সত্যিই আমাদের ইচ্ছে পূরণ করতে পারে সোজা কথা হচ্ছে না । তারা খসা আমাদের ইচ্ছে পূরণ করতে পারে না এটি শুধুমাত্র অনেকে বিশ্বাস করে না তবে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই । কারণ আপনার ইচ্ছে পূরণ করা আপনার স্বপ্ন সার্থক করা এবং আপনার ভাগ্য বদলানো সবকিছুই আপনার ট্যালেন্ট । আপনার হার্ডওয়ার্ক আপনার ডেডিকেশন এবং আপনার কনফিডেন্স এর উপর নির্ভর করে তাই তারা খসা আমাদের ইচ্ছে পূরণ করতে না । পারলেও এটি যেহেতু মহাজাগতিক স্থান পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল  প্রবেশ করে তাই এর অধ্যয়ন ও গবেষণা মহাজাগতিক গঠন বা অন্যান্য অনেক গ্রহের উৎপত্তি । সেই সাথে তাদের গঠন সম্পর্কে আমাদের বুঝতে সাহায্য করে এখনো পর্যন্ত মানুষের পক্ষে সরাসরি অন্য কোনো গ্রহে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি । কিন্তু সেই গ্রহ থেকে উৎপন্ন উলকা পৃথিবীতে এসে সেই গ্রহের গঠন এবং উৎপত্তি সম্বন্ধে আমাদের নানা ইঙ্গিত দিচ্ছে । আর তার ভিত্তিতেই হচ্ছে বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক তদন্ত জীবনের উৎপত্তি ও জীবনের অন্যতম উপাদান । কার্বন হাইড্রোজেন নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন সেই সাথে তাদের সংযুক্তিকরণ অভিনীত হয় । এই মহাসাগর সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে সেখানে আমরা কবে পৌঁছাব পৌঁছাতে পারবো কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই । তবে একবার অতীতের দিকে ফিরে তাকালে বোঝা যাবে যে আমরা একসময় শিকারি ছিলাম এবং সমুদ্র আকাশ দ্বারা আবদ্ধ ছিলাম । কিন্তু বর্তমানে আমরা সায়েন্স টেকনোলজি সাহায্যে আমাদের এবং আমাদের মহাবিশ্বের অস্তিত্বের কারণ জানতে পারি । আমরা এই মহাজাগতিক মহা সাগরের গভীরে প্রবেশ করছি আমরা সেই সব রহস্য উদঘাটন করছি । যাদেরকে এক সময় আমরা অবর্ণনীয় বলে মনে করতাম এরা শুধু একটা জিনিসই প্রমাণ করে যে ওই হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স ।

 তারা খসা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

নক্ষত্র পতন বা তারা খসে পড়া কে দেখে সবাই এমনটাই মনে করে যে তারা চমৎকার কিছু একটা দেখেছে । হ্যাঁ বন্ধুরা এটা দেখতে চমৎকার আপনি কখনো না কখনো রাতে মেঘমুক্ত আকাশে তারা খসে পড়তে দেখেছেন । যা প্রকৃতপক্ষে তারা নক্ষত্র নয় কিন্তু এটা দেখে মনে হয় যেন নক্ষত্র খসে পড়েছে । বন্ধুরা আমরা তো এটা জেনে গেলাম এটা নক্ষত্র পতন নয় কারণ এটা নক্ষত্রই নয় তাহলে এটা কি ? আরে কে কি বলা হয় আজ বৈজ্ঞানিকভাবে আলোচনা করব নক্ষত্র একটি গ্যাসীয় ভান্ডার অপরদিকে এগুলো নয় এগুলো পাথর এদেরকে বলা হয় । মেয়েটির নাম যখন জ্বলে গেল তাহলে চলুন মিটার সম্পর্কে আপনাদের একটি ধারণা দেয় মহাকাশে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে । অনেকগুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে পাশাপাশি অনেক পাথর মহাশূন্যে ভেসে বেড়াচ্ছে । এদেরকে বলা হয় আকৃতিতে গ্রহদের থেকে ছোট হয় বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন । যখন আমাদের সোলার সিস্টেম তৈরি হয়েছিল যখন সূর্য এবং অন্যান্য গ্রহ তৈরি হয়েছিল তখন কিছু আসলে এভাবে ভেসে বেড়াচ্ছিল । যা কিনা আজও সূর্যের চারদিকে এভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে । আরে দেস্ত্রয়েদ বলা হয় এই অ্যাডগুলো ভেসে বেড়ানোর সময় যখন নিজেরাই নিজেদের সাথে ধাক্কা খায় তখনই তার ছোট ছোট টুকরা পরিণত হয় ।

যদি পৃথিবীর নিকটে অবস্থান করে তখন এরা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসতে থাকে । এরা খুব দ্রুতগতিতে পৃথিবীর দিকে আসতে থাকে এদের গতি ৭০ কিলোমিটার পার সেকেন্ড অথবা তারও বেশি হয়ে থাকে । যখন এই পাথরের টুকরো গুলো আমাদের ক্লোজ ঘরে প্রবেশ করে তখন এদের দ্রুত গতির কারনে আমাদের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সাথে ঘষা খায়। এরপরেই পাথর এতটাই গরম হয়ে যায় যে এতে আগুন ধরে চলতে শুরু করে । আর এটাকে মিথ্যে বলা হয় যাতে আমরা নক্ষত্র পতন বলে থাকে । প্রত্যেকটা জিনিস কে আলাদা আলাদা নাম দেওয়া বিজ্ঞানীদের একটি পুরাতন অভ্যাস সেই পাথরের টুকরোর থেকে আলাদা হয়ে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছিল তাকেও রাইট বলা হয় । কিন্তু যখনই পাথর আমাদের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে বায়ুমণ্ডলের তাপের প্রভাবে জ্বলতে শুরু করে তখন তাকে বলা হয় । আর আমরা একে খসে পড়া তারা নক্ষত্র পতন বলেই । এরপর যখন কোন মেয়েটির জ্বলতে জ্বলতে শেষ না হয় আমাদের ভূপৃষ্ঠে পতিত হয় তখন তাকে মিটিওরাইট বলা হয় । এটিও রাইট খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানীরা এর উপরে সার্চ করেন । ইউটিউব থেকে তারা আমাদের ইউনিভার্সাল সিস্টেম সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেন । এটা নিজের নাসার মতে প্রতিদিন আমাদের পৃথিবীতে ৪৪০০০ মিটিওরাইট পতিত হয় । বেশিরভাগ মেয়েরাই বছরের মতোই হয় তাই এটা কখন ভূপৃষ্ঠে পতিত হয় বোঝা যায় না । তবে কিছু কিছু অনেক বড় আকৃতির হয়ে থাকে অনেক বড় যেমন ৫০ হাজার বছর আগে একটি ধাতু নির্মিত হয়েছিল । যা ৫০  মিটার টা ছিল সেই জায়গায় এক কিলো মিটার গভীর গর্ত করে দিয়েছিল । 

বিজ্ঞানীদের মতে

বিজ্ঞানীদের মতে ৬০০ থেকে ৬৫০ কোটি বছর পূর্বে আমাদের পৃথিবীতে অনেক বড় একটি রাষ্ট্রের পতিত হয়েছিল ।  আর এর ফলে ডাইনোসর ও অন্যান্য প্রজাতির প্রাণী আমাদের পৃথিবী থেকে পুরোপুরি বিলীন হয়ে গিয়েছিল । আপনি আমাদের পৃথিবীতে মাঝেমধ্যে বৃষ্টি দেখতে পারে । বৃষ্টি এজন্যই বললাম কারণ অনেকগুলো মিটিওর একসাথে পতিত হয় আরএকে মিটিওর সাভার বলা হয় । আপনি রাতের আকাশে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১০৪ পর্যন্ত মিটিওর দেখতে পেতে পারেন । কিন্তু বৃষ্টির মতো পতিত হওয়া এই মিটার গুলো কিছুটা আলাদা হয় । এই মিটার গুলো আজ থেকে নয় বরং ধুমকেতু থেকে পতিত হয় । ধুমকেতু আগের মতই তবে কিছুটা আলাদা পাথর দিয়ে তৈরি যার ভেতরে কিছুটা বড় থাকে তার মধ্যে বড় পাথরের অনুপাত সমাধানে সেখানে সঞ্চিত ।সূর্যতাপ গ্যাসে পরিণত হয় । আর এইজন্য ধূমকেতুর ভেতরে সবসময় পরিপূর্ণ থাকে একে তোমার মত দেখায় বিভিন্ন ধুমকেতু পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলাচল করে । আর ছোট ছোট টুকরো আসলে অনেক সময় ধরে বসে থাকতে পারে তবে ছোট টুকরো গুলো পৃথিবীর নিকটবর্তী হয় । এগুলো পৃথিবীতে পতিত হয় আর প্রতিটি টুকরো হয়ে যায় আর এই মিটিওর সাভার বলা হয় । প্রতিবছর কিছু এমন হয় যে সেই মাসগুলোতে মিটিওর লেগে থাকে সচরাচর ফেব্রুয়ারি মার্চ এপ্রিল মাস প্রতি বছর ৯ মাস জুড়েই মিটিওর সাভার দেখতে পাওয়া যায় । 


স্বপ্নে তারা খসা দেখলে

যদি কোন ব্যক্তি স্বপ্নে নিজেকে কয়েকটি বা বেশি সংখ্যক তারা হিসেবে দেখতে পায় । তবে এর ব্যাখ্যা হবে স্বপ্নদ্রষ্টা উল্লেখযোগ্য । সংখ্যক মানুষের উপর নেতৃত্ব লাভ করবে তারা সংখ্যা যত বেশি দেখবে তত বেশি সংখ্যক মানুষের উপর নেতৃত্ব লাভ করতে পারবে । যদি কোন ব্যক্তি স্বপ্নে আকাশের তারা খেতে দেখে তবে সে মানুষদের ধন সম্পদ ভোগ করতে পারবে । যদি কেউ স্বপ্নে আকাশের তারা দেখে তবে স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষকে নেতৃত্ব দেবে । যদি কেউ স্বপ্নে আকাশের তারা কুড়াতে দেখে এক জায়গায় জড়ো করতে দেখে তবে ব্যাখ্যা হবে স্বপ্নদ্রষ্টা সরকারের উচ্চপদস্থ পদে আসীন হবে । অথবা কোন ভূখণ্ডের নেতৃত্ব লাভ করতে পারবে । এবং স্বপ্নদ্রষ্টা তার কাছে অত্যন্ত সফল হবে যদি কেউ স্বপ্নে দেখে আকাশের তারা তার দিকে নেমে আসছে অথবা তার উপর আকাশে তারা খসে পড়ছে । তবে স্বপ্নদ্রষ্টা বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে । যদি কোন ব্যক্তি স্বপ্নে দেখে তারা খসে পড়ছে তবে স্বপ্নদ্রষ্টা তার সম্পদ এবং বিপদের সম্মুখীন হবে । আর যদি কোন দরিদ্র ব্যক্তির আকাশের তারা খসে পড়তে দেখে তবে স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে মারা যাবে । যদি কোন অসুস্থ ব্যক্তি তার মাথার উপরে তারা খসে পড়তে দেখে তবে স্বপ্নদ্রষ্টা মারা যাবে যদি ।

কোনো গর্ভবতী নারী আকাশের তারা দেখতে পায় তবে এমন এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেবে । যে বড় হয়ে মানুষকে নেতৃত্ব দেবে । যদি কোন ব্যক্তি সূর্যের আলোয় তারা দেখতে পায় তবে স্বপ্নদ্রষ্টা কোন ভন্ডামী কুসংস্কারের পতিত হবে । অথবা বর্ণ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়ে যাবে । যদি কোন ব্যক্তি স্বপ্নে খুবই চিত্তাকর্ষক তারা দেখে এবং অনেকগুলো এমন তারা কে নিজের বাড়িতে জড়ো করতে দেখে তার ব্যাখ্যা হচ্ছে সফলতার বাড়িতে কয়েকজন মহান নেতা একত্রিত হবে । যদি কোন ব্যক্তি স্বপ্নে আকাশের তারা ধরতে দেখে তবে তার ঘরে এমন এক পুত্র সন্তান জন্ম এবং নেতৃত্ব লাভ করবে । যদি কোন ব্যক্তি স্বপ্নে আকাশের তারা চুরি করতে দেখে । তবে স্বপ্নদ্রষ্টা হয়নি যে কোন মূল্যবান জিনিস চুরি করবে অথবা স্বপ্নদ্রষ্টার কোন মূল্যবান জিনিস চুরি হয়ে যাবে । স্বপ্নে বড় ও উজ্জ্বল তারা দেখতে পাওয়া সুখ ও সমৃদ্ধি লক্ষণ যদি কোন ধনী ব্যক্তি স্বপ্নে বড় ও উজ্জ্বল তারা দেখতে পায় তবে স্বপ্নদ্রষ্টার সম্পদ আরো বৃদ্ধি পাবে । যদি কোন ব্যক্তি স্বপ্নে বড় বড় গ্রহ দেখতে পায় তবে স্বপ্নদোষের মৃত্যু ঘটবে । যদি কেউ স্বপ্নে উজ্জ্বল তারা দেখতে পায় তবে স্বপ্নদ্রষ্টা আনন্দ ও সুখে জীবন যাপন করবে । যদি কোন ব্যক্তি স্বপ্নে বিশাল ক্ষমতা রাখে তবে এটি স্বপ্নদ্রষ্টার মৃত্যু বোঝাবে যদি কোন ব্যক্তি স্বপ্নে আকাশ থেকে তাকে হারিয়ে যেতে দেখে তবে সবার ভাগ্য খারাপ হবে দরিদ্র এবং মারা যাবে ।

 ধন্যবাদ


বুধ গ্রহের আয়তন কত?

কোন মন্তব্য নেই

সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ । পৃথিবীর ক্ষেত্রফল বুধের ক্ষেত্রফলের প্রায় ৭ গুণ। আয়তন: বুধের আয়তন ৬০৮২,৭২,০৮,৭৪২ ঘন কিলোমিটার। (৬০৮২ কোটি ৭২ লক্ষ ৮ হাজার ৭৪২ ঘন কিলোমিটার)।

বুধ গ্রহ

 সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ ভূত্বক আমাদের চাঁদের মত অসংখ্য খাদে পড়া এবং অভ্রতে ব্রো অসংখ্য পাহাড় আর সমতলভূমি আছে এই গ্রহে । নিজ অক্ষের ধীরগতিতে ঘুরলেও বার্ষিক গতি পেয়েছি দ্রুত মাত্র ৮৮ দিন এটি সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে । অর্থে ৮৮ দিনে এক বছর হয়, বুধ গ্রহ পৃথিবী থেকে সহজেই দেখা যায় কোন স্থিতিশীল বায়ুমণ্ডল নেই নেই কোন প্রাকৃতিক উপগ্রহ ।পৃথিবীর তুলনায় বুধ গ্রহের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় । সেখানে রাতের বেলায় তাপমাত্রা থাকে - ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের বেলায় কিছু নিরক্ষীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা থাকে ।৪৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বুধ গ্রহের সবচেয়ে উত্তপ্ত স্থান হল অর্থসহ এবং শীতলতম স্থান হল নিকটে অবস্থিত নিম্নভূমি । ৪৮০০ কিলোমিটার এবং ৪০% ২০০০ সালের নামকরণ করা হয়েছে । এবং এর জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ গ্রহণ করে বলে গ্রহের নাম রাখা হয়েছে ।


বুধ গ্রহের আয়তন কত?
বুধ গ্রহ

বুধ গ্রহের আয়তন

আয়তন: বুধের আয়তন ৬০৮২,৭২,০৮,৭৪২ ঘন কিলোমিটার। (৬০৮২ কোটি ৭২ লক্ষ ৮ হাজার ৭৪২ ঘন কিলোমিটার)।মহাশূন্য মহাকাশ হলো এক রহস্যের অতল সাগর যার কোন কূল কিনারা এখন পর্যন্ত বের করা সম্ভব হয়নি । কিন্তু মানুষ থেমে নেই তার সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে চেষ্টা করে চলেছে । এই অতন রহস্যভেদের যদিও কিছু রহস্য ভেদ করা সম্ভব হয়েছে । কিন্তু এর বেশিরভাগই রয়ে গেছে অজানা  সূর্যের সবচেয়ে কাছের এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ বুধ। সূর্যের কারণে বুধ গ্রহ পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা সম্ভব তবে নির্দিষ্ট সময়ে পশ্চিমাকাশে সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের আগে একেবারে দীর্ঘতম পর্বত কে খালি চোখে দেখা যায় । 

এবং সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে প্রদক্ষিণকালে এবং সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে কম দূরত্ব হচ্ছে ৪০ মিলিয়ন কিলোমিটার এবং সবচেয়ে বেশি দূরত্ব ৭০  কিলোমিটার । মিলিয়ন মিলিয়ন কিলোমিটারের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে । গ্রহদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট গ্রহের অন্যতম এই গ্রহটির বিষুব রেখা বরাবর ৪৮৭৯ কিলোমিটার । যেখানে পৃথিবীর ব্যাস ১২৭৪২ কিলোমিটারের মধ্যে ঘনত্বের দিক দিয়ে বুধের অবস্থান দ্বিতীয় ।আকারে ছোট হলেও এর ঘনত্ব অনেক বেশি ঘন সেন্টিমিটার ৫.৪ গ্রাম করে পদার্থ আছে ।প্রতি সেকেন্ডে ৪৮ কিলোমিটার ১৫ দিন সময় লাগে । একদিন পৃথিবীর মধ্যে অসংখ্য আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ জ্বালামুখী ১০০ থেকে ১০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত । এবং কিলোমিটার পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ । 

এর বেশিরভাগই হলোনা কেন্দ্র থেকে প্রায় ৮০০ থেকে হাজার ৯০০ কিলোমিটার পর্যন্ত লোহার বিদ্যমান আছে  বলে মনে করা হয় । এর বিস্তৃতি ৫০০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো আলোচনা করা যাক । গ্রহের চারপাশে বায়ুমণ্ডল বায়ুমণ্ডল সামান্য হিলিয়াম হাইড্রোজেন অক্সিজেন এবং সোডিয়ামের পরমাণু গুলির সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ফলে উৎপন্ন হয় । দিনের তাপমাত্রা সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে কিন্তু এখানে কোন বায়ুমণ্ডল না থাকার কারণে রাতের বেলা তাপমাত্রা কমে -১০২ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারেন । সেখানে থাকার কথা নয় কিন্তু উপরের ছবিতেবুধের উত্তর মেরুতে জমাটবাঁধা বরফের ছায়া দেখা যায় ।গ্রহটি মূলত ভারী ধাতু ও পাথর দ্বারা গঠিত ১-১০০ পর্যন্ত উঁচু ও কয়েকশো মাইল লম্বা হয়ে থাকে । বিজ্ঞানীদের মতে বিদ্রোহের আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ গুলো প্রায় ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার উঁচু হওয়া ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে কখনোই সূর্যের আলো পৌঁছায় না । এবং এ কারণে উত্তর মেরু জ্বালামুখের অভ্যন্তরে তাপমাত্রা -১৬১ ডিগ্রী সেলসিয়াস এ রকম হতে পারে । সেজন্য এখানে জমাটবাঁধা কিছু বল থাকলেও থাকতে পারে । 

এর কেন্দ্রীয় ভাগ্য হতে পারে সম্প্রতি নাসার বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে এর কেন্দ্রীয় অঞ্চলের অবস্থান গঠিত হতে পারে সাধারণত ছোটদের কেন্দ্র খুব দ্রুত শীতল হয়ে যায় । কিন্তু এর কেন্দ্রে কঠিন বস্তুর উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া সম্ভব হয়নি । হিসাব করে দেখা গেছে এর মোট আয়তনের ৪২ ভাগ এই কেন্দ্র ভাগ নিয়ে গঠিত । যেখানে পৃথিবীর ক্ষেত্রে এই মাত্র একভাগ তাপমাত্রা দিক দিয়ে বুধের অবস্থান গ্রহদের মধ্যে দ্বিতীয় । এরচেয়ে দূরে থেকেও শুক্র গ্রহের তাপমাত্রা আরও বেশি । গ্রহণীয় কোন বায়ুমণ্ডল নেই বলে এইরকম থেকে থাকে প্রচুর খানাখন্দে ভরপুর ধুমকেতু সংঘর্ষে এর পৃষ্ঠা এসব তৈরি হয়েছে । অন্যদের মতো এই প্রক্রিয়ায় এসব থেকে নিষ্কৃতি পেতে পারি নি ২৫০ কিলোমিটার এর চেয়ে বেশি বয়সে খাতকে বলা হয় ।বেসিন এই পর্যন্ত যেন পড়েছে সূর্যের খুব কাছে হবার কারণে বুধ গ্রহের যাওয়া কঠিন ।


বুধ গ্রহের মিশন

এবার চলুন জানা যাক অভিযাত্রা সম্পর্কে ১৯৭০ সালের ১০ এবং ২০০৪ সালে মেসেঞ্জার নামক দুইটি মহাকাশযানে পর্যন্ত পরিদর্শন করেন । সব গ্রহের মধ্যে সবচেয়ে চাপা অর্থাৎ আকৃতি থেকে এর কক্ষপথের বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি । ১৯৭৫ সালের মধ্যে ৪৫% ছবি তুলতে সক্ষম হয় । কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত খুব বেশি কাছে চলে যায় এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় । সূর্য থেকে এর দূরত্ব বিভিন্ন সময়ে ৪০ থেকে ৭০ মিলিয়ন কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে ।২০০৪ সালে নাসার মহাকাশযান করে যাওয়ার পর ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সালে প্রথমবার কিছু উন্নত মানের ছবি পাঠিয়েছিল ।বেসিন এই পর্যন্ত যেন পড়েছে সূর্যের খুব কাছে হবার কারণে বুধ গ্রহের যাওয়া কঠিন । ১৯৭৪ থেকে ৭৫ এর মধ্যে মেকআপ দিয়ে ৩ বার উড়ে গেছে । এ সময়ের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেকের মতো ছবি তোলা গেছে 

হলুদ গ্রহ কাকে বলা হয়?

কোন মন্তব্য নেই

 বায়ুমণ্ডলের উপরিতলে অ্যামোনিয়া কেলাসের উপস্থিতির জন্য শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ। ধাতব হাইড্রোজেনের মধ্যে প্রবহমান তড়িৎ প্রবাহটিকে শনির গ্রহগত চৌম্বক ক্ষেত্রের উৎস মনে করা হয়।

শনি গ্রহ সূর্য থেকে আমাদের সৌরমণ্ডলের ছয় নম্বর গ্রহ । আর জুপিটার এরপর সবথেকে বড় গ্যাশ যায়নি এখনো পর্যন্ত শনিগ্রহে মোট চারটি মিশন করা হয়েছে । পায়োনিয়ার ইলেভেন ৪১৫ ১২ এবং ক্যাশ ইন ১৯৪৮ সালের মধ্যে কেবলমাত্র একটি মিশন কমিশনের মাধ্যমে শনি গ্রহকে খুব কাছ থেকে দেখা গেছে । শনি গ্রহ সম্পর্কে জানতে পেরেছিলাম এবং সব থেকে বড় চাঁদ টাইটানে সৌরমণ্ডলের একটি বিশেষ ধরনের প্রাণী রয়েছে । বিশেষ বৈশিষ্ট্য আমাদের সৌরমণ্ডলের অন্যান্য কেমন আসে তুলনায় এই সকল ক্লান্তি পাতলা এবং অস্পষ্ট । কিন্তু সেখানে তিনি এতটাই মোটা এবং পৃথিবী থেকে টেলিস্কোপ এর লক্ষ্য করা যায় । 


হলুদ গ্রহ কাকে বলা হয়
শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ

 শনিগ্রহে ইতিহাস

হ্যালো বন্ধুরা শনিগ্রহ অজানা তথ্য যা হয়তো আগে কখনো শোনেননি এই রোমাঞ্চকর মহাযাত্রা । প্রথম আবিষ্কার কিভাবে হল ডিসকভারি তিনটে ভাগ করা যায় । প্রথম অবজারভেশন টেলিস্কোপিক অবজারভেশন এবং তৃতীয় অবজারভেশন । রাতের আকাশে কি দেখা যায় সন্ধান প্রাচীনকালে করা হয়ে গিয়েছিল প্রাচীনকালের লেখাতেই শনি গ্রহের সন্ধান মেলে । প্রাচীন গ্রিক এমনকি প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের কথা শোনা যায় । কিন্তু অ্যাস্ট্রোলজি প্রাচীন জ্যোতিষ শাস্ত্রে উল্লেখ মেয়ে হিন্দু অ্যাস্ট্রোলজি তে উল্লেখ মিলে । তাদের মধ্যে অন্যতম একটি গ্রহ ছিল ১৪ থেকে ১৮ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে । যখন টেলিস্কোপ এর বিকাশ হয় তখন শনি গ্রহ কে প্রথম ভালোভাবে দেখা যায় ।এর আগে শনি গ্রহ খালি চোখে দেখা তো সেই সময় শনি গ্রহের সম্পর্কে কেউ জানত না । যতক্ষণ না পর্যন্ত ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে গ্যালিলিওকে টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখেন । এর আগে সবাই মনে করত শনি গ্রহের দুটি রয়েছে কিন্তু টেলিস্কোপে বিকাশের পড়াশোনাকে পরিষ্কার দেখা যায় । এরপরই আমরা জানতে পারি শনি গ্রহের চাঁদ রয়েছে এরপর শুরু হয় মর্ডান অবজারভেশনে যোগ । এবং মানুষের সাহায্যে ডিটেলস স্টাডি করতে শুরু করি নাসার পাঠানো স্পেইস মিশন ইলেভেন এবং এর মাধ্যমে প্রথমবার লাইক করেছিলাম । এই মিশনের মাধ্যমে স্যাটেলাইটকে কাছ থেকে দেখলে অতীতকে জানা সম্ভব হয়নি । এবার ১৯৯৭ লঞ্চ করা হয় ক্যাসিনি হয়ে গেছে এবং যৌথ উদ্যোগে বানানো ছিল । এই মিশনকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছিল । এবং তার চাঁদকে স্টাডি করার জন্য এই মিশনের মাধ্যমে প্রায় ১৩ বছর পর্যন্ত করেছিল । এর মাধ্যমে শনি গ্রহ সম্পর্কে অজানা তথ্য সামনে আসে বিজ্ঞানীদের অবাক করেছিল ।  আমাদের পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । পৃথিবী থেকে প্রায় দ্বিগুণ আমাদের পৃথিবী থেকে ৫৮ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । সর্বপ্রথম কাজ ছিল সেটার ছবি পাঠানো সাত ভাগে বিভক্ত । প্রতিদিন একটি করে এটির সাহায্যে দেখানো হয়েছে । 

 শনিগ্রহে  রিং

শনিগ্রহে এই রিংক তৈরি হয়েছে জমা জলের ছোট ছোট পার্টিকেল তথা পাথরের টুকরো দিয়ে । এই জমা পর্টিকেলস সূর্যের রশ্মি প্লেট করে । আর এইজন্য এতবার দেখায় প্রতিদিন এর মাঝে খানিকটা করে ফাঁকা জায়গা রয়েছে এর প্রতিটি ভাগকে ক্লিয়ার ভাবে ।এত উজ্জ্বল দেখায় শনিবারের প্রতিটি দিনের মাঝে খানিকটা করে ফাঁকা জায়গা রয়েছে । এই জন্য লিঙ্গের প্রতিটি ভাগকে কিলিয়ার ভাবে দেখা যায় । এক্সপ্রেস মেশিনের সাহায্যে আমরা প্রথমবার শনি গ্রহের এত ডিটেলস দেখতে পাই । 

শনি গ্রহের চাঁদ

শনি গ্রহের টোটাল ৬২ চাঁদ রয়েছে যাদের মধ্যে ৫৩ টি চাঁদের নামকরণ করা হয়েছে । শনি গ্রহের সব থেকে বড় চাঁদ টাইটানে ৯০% দখল করে আছে ।১৮ আইটেম আপনার কখনো ভেবেছেন শনিবারের চ্যাপ্টা দেখায় । এর উত্তর এই লিংক তৈরি হয়েছে খুবই ছোট ছোট জমা বরফ দিয়ে প্রতিদিন শনি গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে চলে । এই জন্যই এই সকল দুর্নীতির চারিদিকে এভাবে অবস্থান করে । এখন প্রশ্ন হল এই দিনে সৃষ্টি কিভাবে হলো এর উত্তর সম্পর্কে বিজ্ঞানীমহলে বিভিন্ন যুক্তি রয়েছে । কমিশনের মাধ্যমে জানা যায় সেখানে তুলনায় নবনির্মিত তৈরি হয়েছে । সেগুলো তৈরি হওয়ার পর থেকে তিনি শনি গ্রহ সম্পর্কে অবাক করা তথ্য সামনে আনে ।

হলুদ গ্রহ 

 বায়ুমণ্ডলের উপরিতলে অ্যামোনিয়া কেলাসের উপস্থিতির জন্য শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ। ধাতব হাইড্রোজেনের মধ্যে প্রবহমান তড়িৎ প্রবাহটিকে শনির গ্রহগত চৌম্বক ক্ষেত্রের উৎস মনে করা হয়।

 যেহেতু শনি গ্রহের সূর্য থেকে আসা আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি আঘাতের ফলে এই সকল জমা পার্টিকেল ওয়াটার মলিকিউল পরিবর্তিত হচ্ছে । সে ম্যাগনেটোস্ফিয়ার এর মাধ্যমে বায়ুমন্ডলে বর্ষণ হচ্ছে আর এই বৃষ্টি যেন বলা হয় । যখন প্রথমবার ভয়েজার মিশনের মাধ্যমে এই বৃষ্টিতে দেখা হয়েছিল তখন বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছিলো এই একদিন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে । আগামী ৩০ কোটি বছরের মধ্যে কিন্তু কোন সিচুয়েশনে জানা যায়নি । আমাদের অনুমানের থেকে অনেকগুণ বেশি স্পীডে ধ্বংস হচ্ছে । যেখানে অনুমান করা হয় এবং আগামী ১০ কোটি বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে । এরপর শনিবার আকৃতি পৃথিবীর নয় হয়ে যাবে । কিন্তু ১০ কোটি বছর অনেকদিন যখন কাছে পৌঁছায় আশাকরি অর্থাৎ একটি প্রথমবারের মত দেখা গেছিল । তখন থেকে এখনো পর্যন্ত একই রকম রয়েছে সেখানেও একই রকম একটি স্তম্ভ রয়েছে । যেটি আকৃতি এতটাই বেশি যে গোটা পৃথিবী প্রবেশ করে যাবে ।


হলুদ গ্রহ কাকে বলা হয়
শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ

শনি গ্রহ সম্পর্কে তথ্য

 আমরা সকলেই জানি সেখানে একটি গ্যাসীয় প্লান এর অধিকাংশ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে নির্মিত । অ্যাটমোস্ফিয়ার তৈরি হয়েছে ৯.৩৫ মলিকিউলার হাইড্রোজেন এবং ৩.২৫ হিলিয়াম দিয়ে । বাকি অংশ তৈরি হয়েছে অ্যামোনিয়া অ্যাসিটিলিন ইথেন প্রোপেন মিথেন গ্যাস দিয়ে । হিলিয়াম দিয়ে বাকি অংশ তৈরি হয়েছে অ্যামোনিয়া অ্যাসিটিলিন ইথেন প্রোপেন হস্পিতাল মিথেন গ্যাসের আচরণ এর মধ্যে ৭৬৪ পৃথিবীর সহজে প্রবেশ করতে পারবে । কিন্তু মজার বিষয় হলো এভারেজ ডেনসিটি পৃথিবীর তুলনায় কত গুণ কম । এমনকি জলের থেকে ইনটেনসিটি অর্থাৎ প্লানেট কে একটি বিশালাকার সমুদ্রের জলের উপর ভেসে থাকবে ।

 আরেকটি মজার বিষয় শনিগ্রহ সম্পূর্ণ গোলাকার ৯০০০ টাকার নিচে তুলনায় লাইটওয়েট প্লানেট খুব দ্রুতগতিতে নিজের কক্ষপথে ঘরে । একজন নারী প্রগতিতে তুফান বয়ে চলে যায় ।ঘন্টায় কত কিলোমিটার যায় জীবনের থেকেও বেশি যেখানে এক ভয়ঙ্কর মহা তান্ডব লীলা বিজ্ঞানীদের অবাক করে । শনি গ্রহের সূর্য থেকে কত দূরে অবস্থিত যার কারণে এখানে সূর্য রশ্মি সূর্যের মধ্যে থাকে পুড়িয়ে দেয় ।এবং সেখানে কম্পোজিশন তাহলে জুপিটারের তুলনা এত ভয়ংকর কেন যার উত্তর মেলে ক্যামেরার সাহায্যে । ইনভার্টেড ক্যামেরার সাহায্যে দেখা যায় অধিকাংশ সৃষ্টির প্রধান কারণ একটি নিদর্শন রয়েছে যা তৈরি করে ম্যাগনেটোস্ফিয়ার ম্যাগনেটিক । এবং পৃথিবীর তুলনায় কম জোর শনিবারের সবথেকে অদ্ভুত জিনিস হল ইন্টিরিয়ার ইন্টিরিয়ার শনি গ্রহের মধ্যে প্রবেশ করবে । 

তাপমাত্রা এবং একজন স্পেশাল বাড়তে থাকবে । অন্তর্দৃষ্টির হয়েছে হাইড্রোজেন হিলিয়াম দিয়ে একটি বিশেষ ধরনের তরল পদার্থ । কেন্দ্রস্থলে তাপমাত্রা ১১৭০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে যে সূর্যের তাপমাত্রা দ্বিগুণ । সূর্য থেকে ১৫  কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শনি গ্রহের তাপমাত্রা -১৭৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস । অপরদিকে কেন্দ্রস্থলে তাপমাত্রা এত অধিক জাতীয় পর্যায়ের ভিতরে কতটা রয়েছে যাতে এত গরম তৈরি করছে । মিশনের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি জুপিটারের নিগ্রো দেশ নেই যেখানে গণমানুষের থাকা অসম্ভব । কিন্তু আমাদের সৌরমণ্ডলের পৃথিবীর সবথেকে সুন্দর প্লানেট আপনারা কি মনে করেন কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না ।

 স্টাডি করার জন্য প্রায় অসম্ভব করে চলেছে এর পর ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ প্রেসক্লাবকে শনি গ্রহের মধ্যে ফেলে দেয়া হয় । যদিও এটি ছেড়ে দেওয়া যেত কিন্তু বিজ্ঞানীরা মনে করেন শনি গ্রহের চাঁদ টাইটানে থাকতে পারে । ক্যাসিনো ব্যাটারি তৈরি হয়েছিল ২৩৮ দিয়ে একটি রেডিও একটিভ আইটেল আইটি ক্ষতি করতে পারত । তাই ক্যাসিনি ঘরের ভিতরে ফেলে দেওয়া হয় যেখানে ধনী-গরীব মসজিদে গিয়ে এর একটি অংশে পরিণত হয়েছে । 

সাড়ে তিনশো বছর ধরে বৃহস্পতির বুকে চলছে ভয়ংকর ঝড় কিন্তু কেনো?

শুক্র গ্রহতে থাকতে পারে প্রাণ, মেঘের উপরের স্তরে, জানাল গবেষণা

সৌরজগতেই পাওয়া গেলো রহস্যময় গ্রহ যার নাম প্লানেট নয়! Planet Nine


© all rights reserved
made with by templateszoo