Responsive Ad Slot

Latest

latest

Recreation

Recreation

শিক্ষা মুলক

শিক্ষা মুলক

পৃথিবী

পৃথিবী

গ্রহ

গ্রহ

নক্ষত্র

নক্ষত্র

গবেষণা

গবেষণা

News By Picture

pictures

পৃথিবীতে শুরু হয়েছে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির পর্ব, হুঁশিয়ারি গবেষণায়

কোন মন্তব্য নেই

পৃথিবীতে শুরু হয়েছে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির পর্ব হুঁশিয়ারি গবেষণায়
গত ৭০০ বছরে পৃথিবীর তাবৎ জীববৈচিত্র্যের অনেক বেশি সংখ্যক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা পৃথিবীর চেনা জানা ২০ লক্ষ প্রাণী ও উদ্ভিদের সাড়ে সাত থেকে ১৩ শতাংশই ইতিমধ্যেই গণহারে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে।আর আসছে আসবে নয়। ভয়ঙ্কর সর্বনাশের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে পৃথিবীতে। শুরু হয়ে গিয়েছে প্রাণের গণবিলুপ্তির সময়।সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে ক্রেটাসিয়াস যুগের পর প্রাণের গণহারে বিলুপ্তির ষষ্ঠ পর্যায় শুরু হয়ে গিয়েছে । খুব কম করে হলেও ৭০০ বছর আগে। ১৫০০ শতাব্দী থেকেই।

গণবিলুপ্তির পর্ব

পৃথিবীর চেনা জানা ২০ লক্ষ প্রাণী ও উদ্ভিদের সাড়ে সাত থেকে ১৩ শতাংশই ইতিমধ্যেই গণহারে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। পৃথিবী থেকে হারিয়ে গিয়েছে চিরতরে। যে ভাবে হারিয়ে গিয়েছে ডাইনোসররা। হারিয়ে গিয়েছে আরও অসংখ্য প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী ও উদ্ভিদ। যে হারে স্তন্যপায়ী পাখি ও উভচররা হারিয়ে যাচ্ছে তাদের চেয়ে অনেক বেশি হারে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে । পৃথিবীর অমেরুদণ্ডী প্রাণী। যারা পৃথিবীর জীববৈচিত্র্যের মোট প্রাণীর ৯৭ শতাংশ।

সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় এই উদ্বেগজনক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা থেকে ।পৃথিবীতে শেষবার প্রাণের গণবিলুপ্তি ঘটেছিল সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে। ক্রেটাসিয়াস যুগের প্রায় শেষ পর্যায়ে। পৃথিবীর পঞ্চম গণবিলুপ্তির সেই অধ্যায়টি ‘ক্রেটাসিয়াস টার্সিয়ারি যুগ নামে সুপরিচিত। ওই সময়েই পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়েছিল ডাইনোসর-সহ বহু প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী ও উদ্ভিদ। 

পৃথিবীতে গণবিলুপ্তির পর্যায়গুলির মধ্যে দ্রুততম পর্ব ছিল সেই ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সময়। মাত্র ২৫ লক্ষ বছরের মধ্যেই পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণের গণবিলুপ্তি ঘটেছিল ওই সময়।গবেষণাপত্রটি জানিয়েছে পৃথিবী থেকে প্রাণী ও উদ্ভিদের বিলুপ্তি নিয়ে দ্য ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার যে লাল তালিকা রেড লিস্ট প্রকাশ করেছে । তাতে পৃথিবীর ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার ছবিটা স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি।

তালিকায় স্তন্যপায়ী পাখি উভচররা বেশি প্রাধান্য পাওয়ায়। আর অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের সেই তালিকায় ততটা হিসাবের মধ্যে না ধরায়। আইইউসিএন-এর হিসাবে পৃথিবীর প্রাণের ৪০ হাজার প্রজাতির প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার মুখে। এদের মধ্যে ৪১ শতাংশ উভচর ২৬ শতাংশ স্তন্যপায়ী ১৩ শতাংশ পাখি ৩৭ শতাংশ হাঙর ও ২১ শতাংশ সরীসৃপ ।


শেষের সে দিন দূরে নেই, পৃথিবীতে শুরু হয়েছে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির পর্ব
পৃথিবীর প্রাণের ৪০ হাজার প্রজাতির প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার মুখে ছবি ।

গবেষকদের বক্তব্য আইইউসিএন এর লাল তালিকায় থাকা বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ও বিপদাপন্ন প্রাণীদের পরিসংখ্যানে অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের ততটা হিসাবের মধ্যে ধরা হয়নি। তা ধরা হলে গত ৭০০ বছরে পৃথিবীর তাবৎ জীববৈচিত্র্যের অনেক বেশি সংখ্যক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। যাদের মধ্যে অমেরুদণ্ডীরা সংখ্যায় অনেক বেশি। যদিও এই অমেরুদণ্ডীরা পার্থিব জীববৈচিত্র্যের অনেকটা অংশ জুড়ে রয়েছে প্রজাতির সংখ্যায়, পরিমাণে।

আইইউসিএন এর লাল তালিকা অনুযায়ী  গত ৭০০ বছরে (১৫০০ শতাব্দী থেকে) স্তন্যপায়ী ও পাখিদের বহু প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। যা মোট প্রাণের দেড় শতাংশ।গবেষকদের বক্তব্য অমেরুদণ্ডীদের হিসাবে ধরলে এই হার অনেক বেশি। অন্তত সাড়ে সাত থেকে ১৩ শতাংশ। যা প্রমাণ করছে ৭০০ বছর আগেই পৃথিবীতে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির পর্যায় শুরু হয়ে গিয়েছে।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।

২৪ ঘণ্টার গ্রীষ্ম, শীতকাল ফুরোয় ৪৮ ঘণ্টায়! অবাক করা ভিন্গ্র‌হের হদিশ নাসার স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ

কোন মন্তব্য নেই

২৪ ঘণ্টার গ্রীষ্ম, শীতকাল ফুরোয় ৪৮ ঘণ্টায়! অবাক করা ভিন্গ্র‌হের হদিশ নাসার স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ
 ভিন্‌গ্রহটির নাম এক্সও-৩বি ফাইল ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা গ্রীষ্মকালের আয়ু মাত্র ২৪ ঘণ্টার! আর মেরেকেট ৪৮ ঘণ্টার শীতকাল! পার্থিব তিন দিয়েই ফুরিয়ে যায় বছর এই ভিন্‌গ্রহের মুলুকে।এমন অদ্ভুত একটি ভিন্‌গ্রহের হদিশ দিল নাসার স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ। ভিন্‌গ্রহটির নাম এক্সও-৩বি। সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে । আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা দ্য অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নাল এ আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির বৈঠকে এই ভিন্‌গ্রহটিকে নিয়ে আলোচনাও হয়েছে সবিস্তারে।

কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক লিসা ড্যাং জানিয়েছেন পর্যবেক্ষণ চালিয়ে দেখা গিয়েছে এই ভিন্‌গ্রহে শীতকালের চেয়ে গ্রীষ্মের তাপমাত্রা কয়েকশো ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। নক্ষত্রটির খুব কাছে আছে বলে বিকিরণে জ্বলেপুড়ে খাক হয়ে যায় গ্রহটি গ্রীষ্মকালে।শুধু তা-ই নয় আমাদের সৌরমণ্ডলের গ্রহ বৃহস্পতির পৌনে ১২ গুণ ভরের এই ভিন্‌গ্রহটি আকারেও দানবাকৃতি। বৃহস্পতির ব্যাসার্ধের ১ হাজার ২১৭ গুণ এই ভিন্‌গ্রহের ব্যাসার্ধ।

গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ভিন্‌গ্রহের শীতকাল আর গ্রীষ্ম এই দু’টি ঋতুও পৃথিবীর মতো নয়। পৃথিবীতে বিভিন্ন ঋতু আসে যায় নিজের কক্ষপথে পৃথিবী কিছুটা ঝুঁকে থাকায়। এই ভিন্‌গ্রহে কিন্তু সেই একই কারণে ঋতুর পরিবর্তন ঘটে না। পৃথিবী থেকে ৮৪৮ আলোকবর্ষ দূরে থাকা দানবাকৃতি ভিন্‌গ্রহটি তার নক্ষত্রটিকে প্রদক্ষিণ করে অদ্ভুত ডিমের মতো দেখতে কক্ষপথে। উপবৃত্তাকার যা হওয়ার কথা নয়।

আরও পড়ুন:এই প্রথম! সৌরজগতে অদ্ভুতদর্শন গ্রহের হদিশ পেয়ে বিস্মিত বিজ্ঞান মহল

শুধু তা-ই নয়, আমাদের সৌরমণ্ডলের গ্রহ বৃহস্পতির পৌনে ১২ গুণ ভরের এই ভিন্‌গ্রহটি আকারেও দানবাকৃতি। বৃহস্পতির ব্যাসার্ধের ১ হাজার ২১৭ গুণ এই ভিন্‌গ্রহের ব্যাসার্ধ।


২৪ ঘণ্টার গ্রীষ্ম, শীতকাল ফুরোয় ৪৮ ঘণ্টায়! অবাক করা ভিন্গ্র‌হের হদিশ
২৪ ঘণ্টার গ্রীষ্ম,শীতকাল ফুরোয় ৪৮ ঘণ্টায় অবাক করা গ্রহটি ফাইল ছবি ।

আরও পড়ুন:নেপচুনের চেয়ে বড় ভিনগ্রহ থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল জলীয় বাস্পের ধোঁয়া ছড়িয়েছে মহাকাশে

গবেষকরা জানিয়েছেন এই ভিন্‌গ্রহের শীতকাল আর গ্রীষ্ম এই দু’টি ঋতুও পৃথিবীর মতো নয়। পৃথিবীতে বিভিন্ন ঋতু আসে যায় নিজের কক্ষপথে পৃথিবী কিছুটা ঝুঁকে থাকায়। এই ভিন্‌গ্রহে কিন্তু সেই একই কারণে ঋতুর পরিবর্তন ঘটে না। পৃথিবী থেকে ৮৪৮ আলোকবর্ষ দূরে থাকা দানবাকৃতি ভিন্‌গ্রহটি তার নক্ষত্রটিকে প্রদক্ষিণ করে অদ্ভুত ডিমের মতো দেখতে কক্ষপথে। উপবৃত্তাকার যা হওয়ার কথা নয়।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।


এবার পৃথিবীর বুকেই চন্দ্রপৃষ্ঠের পরিবেশে, কৃত্রিম চাঁদ, তৈরি করছে চিন

কোন মন্তব্য নেই

এবার পৃথিবীর বুকেই চন্দ্রপৃষ্ঠের পরিবেশে, কৃত্রিম চাঁদ, তৈরি করছে চিন
এবার নকল চাঁদ বানাচ্ছে চীন ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা মহাকাশে লোকানো আছে সৃষ্টির রহস্য! ফলে সূর্য-চাঁদ-তারা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই মানুষের। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা  দিন-রাত এক করে নতুন নতুন গবষণায় ব্যস্ত। যেমন চিনের  মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বছর চারেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন তাঁরা কৃত্রিম চাঁদ  তৈরির প্রকল্পে হাত দিয়েছেন। সেই চাঁদ মহাকাশে স্থাপন করা হবে। যা অমাবস্যাতেও আলোকিত করবে পৃথিবীকে।

এবারও সেই চিনের বিজ্ঞানীরাই জানালেন তাঁরা পৃথিবীর বুকে হুবহু চাঁদের পরিবেশ তৈরি করতে চলেছেন। যা মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথমবার ঘটতে চলেছে। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য নকল চন্দ্রপৃষ্ঠ হবে হুবহু আসল চাঁদের মতোই। চাঁদের মাটিতে যতটুকু অভিকর্ষ থাকে ততটুকুই থাকবে সেখানে। অর্থাৎ সেখানে পৌঁছলে মানুষ ভাবতে বাধ্য হবে যে সে মহাকাশ যাত্রা করে দূর আকাশের চাঁদেই পৌঁছে গিয়েছে।

তবে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে নকল চাঁদ মোটেই সাধারণের বিনোদনের জন্য তৈরি কোনও ট্যুরিস্ট স্পট নয়। এভাবে পৃথিবীর মাটিতে চাঁদের পরিবেশ তৈরি করার ভাবনা শুধুমাত্র মহাকাশ বিজ্ঞানীদের গবেষণাকে গতি দেওয়ার জন্যে। জানা গিয়েছে এরপর থেকে চিনের চন্দ্র অভিযান প্রকল্পের মহাকাশচারীদের এই নকল চাঁদের দেশেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যাতে করে তাঁরা আদত চাঁদে পৌঁছে কোনওরকম অস্বস্তিতে না পড়েন।

আরও পড়ুন:চীনের কৃত্রিম সূর্য ও চীনের সূর্য আবিষ্কার

কৃত্রিম চাঁদ প্রকল্পের অন্যতম গবেষক চায়না ইউনিভার্সিটি অফ মাইনিং অ্যান্ড টেকনোলজির অধ্যাপক লি রুলিন  বলেন, অনেক ক্ষেত্রে বিমানে বা অন্য কয়েকটি পরিস্থিতিতে কিছুক্ষণের জন্য অভিকর্ষ কমে যায়। তবে এক্ষেত্রে আপনি যতক্ষণ চাইবেন ততক্ষণ সেই পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে।জানা গিয়েছে নকল ছোট চাঁদটি হবে দুই ফুট ব্যাসার্ধের। যার পৃষ্ঠে থাকবে চাঁদের মতোই পাথর ধুলিকণা গর্ত। মনে রাখা ভাল চাঁদের অভিকর্ষ কিন্তু শূন্য নয় বরং পৃথিবীর অভিকর্ষের ছয় ভাগের এক ভাগ।


এবার নকল চাঁদ বানাচ্ছে চীন
কৃত্রিম চাঁদ, তৈরি করছে চিন ছবি ।

আরও পড়ুন:চাঁদের আকার কিভাবে পরিবর্তন হয়   

সেই ব্যবস্থাই থাকছে চিনের চাঁদের দেশে।উল্লেখ্য চিন চন্দ্র অভিযান নিয়ে একাধিক পরিকল্পনা শুরু করেছে গত কয়েক বছর ধরেই। যে মিশনগুলির নাম দেওয়া হয়েছে ভবিষ্যত পরিবর্তন ৬,৭ ও ৮। তার অন্যতম হল  নকল না আসলে চাঁদের বুকেই একটি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র তৈরি করে ফেলা। সেই কাজে সাফল্য পেতে হলে পৃথিবীর মাটিতেই চাঁদকে স্থাপন করার প্রয়োজন হয়ে পড়ছিল। এবার সেই কাজটাই সেরে ফেলল চিন।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।

নেপচুনের চেয়ে বড় ভিনগ্রহ থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল জলীয় বাস্পের ধোঁয়া ছড়িয়েছে মহাকাশে

কোন মন্তব্য নেই

নেপচুনের চেয়ে বড় ভিনগ্রহ থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল জলীয় বাস্পের ধোঁয়া ছড়িয়েছে মহাকাশে
নেপচুনের চেয়ে বড় ভিনগ্রহ থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল জলীয় বাস্পের ধোঁয়া ছড়িয়েছে মহাকাশে ছবি।


হ্যালো বন্ধুরা পৃথিবী থেকে মাত্র ১৫০ আলোকবর্ষ দূরে থাকা ভিনগ্রহটি আকারে এই সৌরমণ্ডলের গ্রহ নেপচুনের চেয়েও বড়।জল আছে বোঝা গেল। তা সে তরল অবস্থায় থাকুক বা না থাকুক ।আছে জলীয় বাস্প হয়ে এই ভিনগ্রহে। আছে কি প্রাণও?সৌরমণ্ডলের বাইরে এমন একটি ভিনগ্রহের হদিশ মিলল যার বায়ুমণ্ডলে রয়েছে জলীয় বাস্প। ফুটন্ত জলের কেটলি থেকে বেরিয়ে আসা ধোঁয়ার মতো সেই জলীয় বাস্প ছড়িয়ে পড়ছে মহাকাশে।

তার নাম টিওআই ৬৭৪বি। গত বছর এটির আবিষ্কার হয়েছিল। এ বার তার বায়ুমণ্ডলে হদিশ মিলল জলীয় বাস্পের। যা ধরা পড়ল নাসা-র ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট (টেস) এ। গত বছর টেস-এর নজরেই প্রথম ধরা দেয় এই ভিনগ্রহটি।সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি পিয়ার রিভিউ পর্যায় পেরিয়ে প্রকাশিত হতে চলেছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল এ। তার আগে গবেষণাপত্রটিকে অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে ।

আরও পড়ুন:বুধ গ্রহের আয়তন কত?

গবেষকরা জানিয়েছেন এই সৌরমণ্ডলের গ্রহ নেপচুনের আকারের এই ভিনগ্রহটি যে নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে সেটির ভর সূর্যের ভরের অর্ধেক। ভিনগ্রহটি তার নক্ষত্রের এতটাই কাছে রয়েছে যে মাত্র সাড়ে ৪৭ ঘণ্টায় প্রদক্ষিণ করছে সেই নক্ষত্রটিকে।নক্ষত্রের এত কাছে থেকেও সেই ভিনগ্রহের বায়ুমণ্ডলে জলের কণা পাওয়া গেল কী ভাবে তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতূহল এখনও মেটেনি।

আরও পড়ুন:বৃহস্পতির চেয়েও ১০ গুণ বড় গ্রহ দেখলো বিজ্ঞানীরা,ভাঙল এতদিনের ধারণা!

তাঁদের ধারণা ভিনগ্রহের নক্ষত্রটি আদতে লাল বামন নক্ষত্র (রেড ডোয়ার্ফ স্টার)। তার বিকিরণের তেজ কম বলেই হয়তো ভিনগ্রহের বায়ুমণ্ডলে এখনও পাওয়া গিয়েছে জলের কণা।কৌতূহলের অবসান ঘটাতে ইতিমধ্যেই ভিনগ্রহটির দিকে নজর রাখতে শুরু করেছে নাসা হাব্‌ল স্পেস টেলিস্কোপ। নাসা-র সদ্য মহাকাশে পাঠানো জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ দিয়েও এই ভিনগ্রহটির উপর নজর রাখা হবে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা বা বিজ্ঞান মহল ।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।

এই প্রথম! সৌরজগতে অদ্ভুতদর্শন গ্রহের হদিশ পেয়ে বিস্মিত বিজ্ঞান মহল

কোন মন্তব্য নেই

এই প্রথম! সৌরজগতে অদ্ভুতদর্শন গ্রহের হদিশ পেয়ে বিস্মিত বিজ্ঞান মহল
WASP-103বি আবিষ্কৃত এই গ্রহটির নাম দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা ছবি।


হ্যালো বন্ধুরা গ্রহ বলতে আমাদের ধারণা অনুযায়ী সাধারণত গোল আকৃতির কিংবা উপবৃত্তাকার ।যেমনটা আমাদের এই পৃথিবী । কিন্তু এইবার মহাকাশের গায়ে টেলিস্কোপ এর চোখ দিয়ে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেলেন এক অদ্ভুত দেখতে একটি গ্রহ ।যা দেখে বিস্মিত হয়েছেন তারাও বলা হচ্ছে, এই প্রথম সৌরজগতের এমন কোন গ্রহের সন্ধান মিলল । যা কিনা অনেকটাই হেব্রে খেবরোও আকারে ।বা Deformed Planet ।

শুধু তাই নয় এর গঠনের বৈশিষ্ট্য এবং জন্মের কাহিনী ও অন্যদের তুলনায় ভিন্ন ।Astronomer  মধ্যে এই গ্রহ সম্পর্কে তথ্য অনেক নতুন ধারণার জন্ম দিতে চলেছে । WASP-103বি আবিষ্কৃত এই গ্রহটির নাম দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা ।কারণ যে নক্ষত্র খুব কাছ দিয়ে এই গ্রহটি পাক খাচ্ছে তার নাম WASP-103বি ।তাই সত্নান সুবিধার জন্য এই নামকরণ ।সাধারণত মহাকাশে এই ভাবেই সামঞ্জস্য রেখেই নামকরণ করা হয়ে থাকে ।

WASP-103 সূর্যের থেকে ১.৭ গুন বড় ।এবং তাপমাত্রা আমাদের সূর্যের থেকে অন্তত ২০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস বেশি হবে । আর এর খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে এই নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটি । বিজ্ঞানীদের অনুমান ঠিক এই কারণে নক্ষত্র এবং গ্রহের পারস্পরিক এতটাই টান যে গ্রহটি অভন্তরি ভাবে তার ব্যাপক প্রভাব আকারের বদল করে দিয়েছে । আর তাতেই গ্রহটি দেখতে হয়েছে এই ধরনের যেটাকে আমরা Deformed Planet বলছি ।

আরো একটু বিস্তারিত ভাবে ব্যাখ্যা করলে বিষয়টি এমন দারায়। আমাদের পৃথিবীর জোয়ার ভাটার মতো । সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবীর অবস্থান এবং পারস্পরিক টানের জন্য যে ঘটনা ঘটে থাকে ওইখানে ঠিক তেমনটাই হয় । WASP-103 নামের এই নক্ষত্র এবং WASP-103বি এই গ্রহের মধ্যে ঠিক এমনই জোয়ার ভাটার টান কাজ করছে ।এবং তা অত্যান্ত বেশি যদিও সেই বল পরিমাপ করা এখনো পর্যন্ত সম্ভব হয়নি । WASP-103বি গ্রহটি আমাদের সৌরমণ্ডলের বৃহস্পতি গ্রহের থেকেও দেড় গুন আকারে বড় ।

এবং এর আবর্তন কাল মাত্র একদিন অথাৎ একদিন সে তার নক্ষত্র কে একবার করে পরিক্রমা করছে । WASP-103b গ্রহটি আবিষ্কারের পর Astronomer  দের অনুমান কোন মহাজাগতিক টানরে ফলের গ্রহের আকার এমন অদ্ভুত হয়ে যায় তা বোঝা যাবে ।জানালাষ্ট এন্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স সম্পর্কিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে । সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই অনুমান করছেন বিজ্ঞান মহল ।WASP-103বি সম্পর্কে আরও অনেক অজানা তথ্য জানার চেষ্টা করছেন Astronomer ।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।


মিল্কিওয়ের কোথায় আছে ভিনগ্রহীরা ?

কোন মন্তব্য নেই

মিল্কিওয়ের কোথায় আছে ভিনগ্রহীরা
কেন্দ্রস্থলের আশেপাশেই ভিনগ্রহীদের এমন বহু সভ্যতা থাকতে পারে ছবি ।


প্রাণের অস্তিত্বের সন্ধানে মানুষ আমাদের সৌর মন্ডল এবং তার বাইরে দূর মহাকাশে নজরে কি আসছে । মিল্কিওয়ের ছায়াপথের কোথায় হতে পারে ওই সমস্ত ভিনগ্রহীদের খোজ । তা নিয়ে চলছে গবেষণার আর এবার পথ দেখালেন বিজ্ঞানীরা । হ্যাঁ বন্ধুরা, খুব দূরে নয় আমাদের ব্রহ্মান্ডে আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথে রয়েছে ভিনগ্রহীরা ।ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলের আশেপাশেই ভিনগ্রহীদের এমন বহু সভ্যতা থাকতে পারে ।

ভিনগ্রহীরা

যে সভ্যতা গুলো প্রযুক্তির দিক থেকে আমাদের এই মানব সভ্যতার থেকেও অনেক গুন এগিয়ে । মার্কিন অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি বা ESA একটি গবেষণা পত্রে প্রকাশীত এই খবর দিয়েছেন ।মিল্কিওয়ের ছায়াপথে ভিনগ্রহীদের সভ্যতাগুলোর সভাব্য ঠিকানা খুঁজে বের করতে বিভিন্ন টেলিস্কোপ ও উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে ।মহাকাশে পাঠানো তথ্যের  ভিত্তিতে কম্পিউটার সিমুলেশন করেছিলেন আমেরিকার পেন্সিল স্টেট ইউনিভার্সিটির এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্ট অধিকর্তা ও তার সহযোগী বিজ্ঞানীরা ।

গবেষণা থেকে এটা জানা গিয়েছে এলিয়েনদের অ্যাডভান্স সে সভ্যতা গুলির হয়ত উৎপত্তি হয়েছে, মিল্কিওয়ের ছায়াপথের জন্মের একশ থেকে দেড়শ কোটি বছরের মধ্যেই । প্রসঙ্গত আমাদের এই  ছায়াপথের বয়স প্রায় এক হাজার ৩৫০ কোটি বছর । এর মানে বিংব্যংক বা মহা বিস্ফোরণের পর ব্রহ্মান্ডের সৃষ্টি হওয়ার ২০০ কোটি বছরের মধ্যেই ভিনগ্রহীদের সভ্যতার উৎপত্তি হয়েছিল ।

আরও পড়ুন:কেন এলিয়েনদের সাথে আমাদের এখনো দেখা হয়নি? ভিনগ্রহের প্রাণীদের সম্পর্কে

কালের নিয়মে সেই সভ্যতা গুলির কিছু কিছু বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে এতদিনে ।আমাদের ব্রহ্মাণ্ড ফুলেফেঁপে উঠছে প্রায় প্রতিটি মুহূর্তই বেলুনের মতো ।বেলুন ফুলা যেমন তার উপরে থাকা দুটি বিন্দুর মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে ক্রমশ । ঠিক তেমন ব্রহ্মাণ্ড ফুলে-ফেঁপে ওঠে ফলে গ্যালাক্সিগুলোর একে অন্যের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।সেই সব গ্যালাক্সির ভেতরে থাকা নক্ষত্রগুলো তার স্থানে বদল করেছে ।একে অন্যের থেকে দূরেও সরে যাচ্ছে ।ফলে ভিনগ্রহীদের সভ্যতাগুলো অবস্থানের পরিবর্তন হচ্ছে খুবই দূরত ।


মিল্কিওয়ের কোথায় আছে ভিনগ্রহীরা ১
ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলের আশেপাশেই হয়তো ও সমস্ত ভিনগ্রহীদের সভ্যতা গুলি হবে ছবি ।


তবে গবেষণাপত্রটি এটাও জানিয়েছেন মিল্কিওয়ের ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলের আশেপাশেই হয়তো ও সমস্ত ভিনগ্রহীদের সভ্যতা গুলি হবে । পৃথিবী থেকে মিল্কিওয়ের ছায়াপথের কেন্দ্রের কাছে থাকা সুপার্মাসিভ ব্লাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর রয়েছে ।যেটা পৃথিবী থেকে ৩০ হাজার আলোকবর্ষ দূরের ।এর থেকেও কম দূরত্বে থাকতে পারে ঐ সমস্ত ভিনগ্রহী সভ্যতাগুলো । গবেষকরা এই সমস্ত তথ্য পেয়েছেন কম্পিউটার সিমুলেশন করে । যারা দেখেছেন ভিনগ্রহীদের এই সমস্ত সভ্যতার হাতে রয়েছে এমন সব উন্নত টেকনোলজি যা তাদেরকে গ্যালাক্সি থেকে অন্যদিকে খুবই দ্রুত সরিয়ে নিতে সাহায্য করছে।

আরও পড়ুন:অক্সিজেন উড়ে যাবে! পৃথিবীতে থাকবে না কোনও প্রাণ, আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

আর যা কারনে তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারছে ।মানে বলা চলে তারা হাইলি অ্যাডভান্স কোন সভ্যতা হবে ।বন্ধুরা বিজ্ঞানের এই খজটি আমাদেরকে এই ধারণা দিয়েছে আমাদেরকে মিল্কিওয়ের ছায়াপথে কেন্দ্রের দিকে থাকতে পারে হাইলি অ্যাডভান্স এলিয়েন সভ্যতা ।কিন্তু এখানে প্রশ্ন একটাই কেন ওই ধরনের অ্যাডভান্স সভ্যতা আমাদের এই গ্রহে আসে না ।কেমন লাগলো সেটি অবশ্যই কমেন্টে করে জানাবেন ।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।

আরও এক ধাপ এগোল ইসরো-র গগনযান, রকেটের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের পরীক্ষা সফল

কোন মন্তব্য নেই

আরও এক ধাপ এগোল ইসরো-র গগনযান,ইঞ্জিনের পরীক্ষা সফল
ইঞ্জিনের পরীক্ষা ৭২০ সেকেন্ড বা ১২ মিনিটের জন্য । ছবি


হ্যালো বন্ধুরা উৎক্ষেপণের আগে আরও একটি মাইলফলক পেরিয়ে গেল ভারতের মহাকাশচারী পাঠানোর প্রথম অভিযান গগনযান।গগনযান এর রকেটের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা করল ইসরো।

৭২০ সেকেন্ড বা ১২ মিনিটের জন্য। এত বেশি সময় ধরে গগনযান অভিযানের রকেটের ইঞ্জিনের পরীক্ষা ইসরো এর আগে করেনি। ভারত গগনযান অভিযানে তিন জন নভশ্চরকে পাঠাবে মহাকাশে।ইসরো-র তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে ।  তামিলনাড়ুর মহেন্দ্রগিরিতে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রোপালসন কমপ্লেক্স (আইপিআরসি) থেকে এই সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে। ৭২০ সেকেন্ড ধরে।

ইসরো পরে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে যে গগনযান অভিযানের জন্য যে যে লক্ষ্য নিয়ে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন বানানো হয়েছে এ বারের পরীক্ষায় সেই সবকটি লক্ষ্যেই নিখুঁত ভাবে পৌঁছনো সম্ভব হয়েছে। ইঞ্জিন খুব ভাল কাজ করেছে আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় প্রায় ১২ মিনিট ধরে ।

আরও পড়ুন:স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে পৃথিবীর কক্ষপথে ৭৫ উপগ্রহ পাঠাচ্ছে ভারত

ইসরো-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে এই সফল পরীক্ষা গগনযান অভিযানের বাস্তবায়নের পথে একটি মাইলফলক হয়ে থাকল। দেশের প্রথম মহাকাশচারী পাঠানোর অভিযান সফল করার জন্য রকেটের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের যতটা মজবুত ও দক্ষ হওয়ার প্রয়োজন সেম্ত পরীক্ষায় সব প্রত্যাশা পূর্ণ হয়েছে।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।

ইসরো-র নতুন চেয়ারম্যান হলেন রকেটবিজ্ঞানী এস সোমনাথ

কোন মন্তব্য নেই

ইসরো-র নতুন চেয়ারম্যান হলেন রকেটবিজ্ঞানী এস সোমনাথ
এস সোমনাথ ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর নতুন চেয়ারম্যান হলেন দেশের প্রথম সারির রকেটবিজ্ঞানী এস সোমনাথ। ইসরো-র চন্দ্রযান-২ অভিযানের রকেট উৎক্ষেপণ প্রকল্পের নেতৃত্ব দেওয়া সোমনাথকে কেন্দ্রীয় মহাকাশবিজ্ঞান মন্ত্রকের সচিব ও দেশের মহাকাশ কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করা হয়েছে । তিন বছরের জন্য । সোমনাথের নতুন দায়িত্বের খবর কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে।

২০১৮ র জানুয়ারি থেকে ইসরো-র ‘বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (ভিএসএসসি)এর অধিকর্তা সোমনাথ ইসরো চেয়ারম্যান কে শিবনের স্থলাভিষিক্ত হলেন। ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট জিএসএলভি-মার্ক-৩ এবং তার আগের প্রজন্মের রকেট পোলার লঞ্চ স্যাটেলাইট ভেহিকল্‌স (পিএসলএলভি) তৈরির অন্যতম কাণ্ডারি সোমনাথের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে ।

ইসরো-র বিভিন্ন মহাকাশ অভিযানে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট ছোট উপগ্রহকে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানোর ক্ষেত্রে পিএসএলভি এই মুহূর্তে অন্যতম সেরা হাতিয়ার।কেরলের কোল্লামে টিকেএম কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হওয়ার পর সোমনাথ এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করেন ।

আরও পড়ুন:নাসার বর্তমান চেয়ারম্যান কে?

বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স (আইআইএসসি) থেকে। তার পর ১৯৮৫-তে যোগ দেন ইসরো-র বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারে। ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সোমনাথ ছিলেন জিএসএলভি মার্ক-৩ রকেট প্রকল্পের অধিকর্তা। ২০১৪-র নভেম্বর পর্যন্ত সোমনাথ ছিলেন ভিএসএসসি-র স্ট্রাকচার্স ইউনিট ও প্রোপালসন অ্যান্ড স্পেস অর্ডিন্যান্স ইউনিটের ডেপুটি ডিরেক্টর।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।

স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে পৃথিবীর কক্ষপথে ৭৫ উপগ্রহ পাঠাচ্ছে ভারত

কোন মন্তব্য নেই

স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে পৃথিবীর কক্ষপথে ৭৫ উপগ্রহ পাঠাচ্ছে ভারত
পৃথিবীর কক্ষপথে ৭৫ উপগ্রহ পাঠাচ্ছে ভারত ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা ৭৫ বছরে ৭৫টি পৃথিবীর কক্ষপথে যাচ্ছে একই সঙ্গে। একটিমাত্র উৎক্ষেপণেই। ভারতের স্বাধীনতা প্রাপ্তির ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে এ বছর একই সঙ্গে ৭৫টি উপগ্রহ পাঠানো হচ্ছে পৃথিবীর কক্ষপথে। দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে আরও দ্রুত গতির আরও দক্ষ করে তুলতে। দেশের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতেও ইন্টারনেটের নিরবচ্ছিন্ন সুবিধা পৌঁছে দিতে। ইসরো সূত্রে বুধবার এই খবর দেওয়া হয়েছে।

অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ইউনিটিস্যাট। যার প্রথম অভিনবত্ব এই ৭৫টি কৃত্রিম উপগ্রহই বানানো হয়েছে ভারতের মাটিতে। আপাদমস্তক ভারতীয় সরঞ্জাম দিয়ে। দ্বিতীয় অভিনবত্ব, এই ৭৫টি উপগ্রহ বানিয়েছেন অন্তত এক হাজার ভারতীয় ছাত্রছাত্রী। যাঁদের কেউ কেউ যুক্ত রয়েছেন চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয় বা কানপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি কানপুর)-র সঙ্গে।

 কেউ কেউ আবার আইআইটি বম্বে-সহ দেশের আরও ১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এমনকি কয়েকটি স্কুলের সঙ্গেও যুক্ত।অভিযানের একমাত্র লক্ষ্য মহাকাশ থেকে দেশের ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থা ও তার মাধ্যমে ইন্টারনেটের সব রকমের সুযোগসুবিধা (ইন্টারনেট অব থিংস অথবা আইওটি) দুর্গম প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতেও নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পৌঁছে দেওয়া।অভিযানটি যৌথ ভাবে পরিচালনা করবে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো এবং ‘ইন্ডিয়ান টেকনোলজি কংগ্রেস অ্যাসোসিয়েশন (আইটিসিএ)।

ইসরো সূত্রে জানানো হয়েছে এই অভিযানে পৃথিবীর কাছের কক্ষপথে (লোয়ার-আর্থ অরবিট) পাঠানো হবে ৭৫টি উপগ্রহকে। ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে উপগ্রহগুলি একে অন্যের সঙ্গে প্রতি মূহূর্তে যোগাযোগ রেখে চলবে পৃথিবীর কক্ষপথে। প্রতিটি উপগ্রহের সঙ্গে গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে রাখা হবে নিয়মিত যোগাযোগ। তা ছাড়াও উপগ্রহগুলি কক্ষপথে একে অন্যের সঙ্গে কী ভাবে যোগাযোগ রাখছে একে অন্যের সঙ্গে কী ভাবে বার্তা বিনিময় করে চলেছে তার উপরেও নজর রাখবে গ্রাউন্ড স্টেশন। জুলাইয়ের শেষের দিকে বা অগস্টের গোড়ায় উপগ্রহগুলিকে একই সঙ্গে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানোর কথা ভাবা হয়েছে।

ধন্যবাদ বন্ধুরা


চীনের কৃত্রিম সূর্য ও চীনের সূর্য আবিষ্কার

কোন মন্তব্য নেই

চীনের কৃত্রিম সূর্য ও চীনের সূর্য আবিষ্কার
চীন যেভাবে সূর্য আবিষ্কার করল ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমরা জানবো কৃত্রিম সূর্য বানালো চীন । নকল কখনও আসলকে টেক্কা দিতে পারে না। এমনটাই বলেন সকলে। কিন্তু সব সময়ই কি তা হয়? অন্তত চিনের কৃত্রিম সূর্য সেই ধারণাকে যে চুরমার করে দিয়েছে তা বলাই যায়। সূর্যের  কেন্দ্রের উষ্ণতা যেখানে দেড় কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে চিনের  এই কৃত্রিম সূর্য  উৎপন্ন করতে পেরেছে ১২ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস । অর্থাৎ সূর্যের কেন্দ্রের তাপমাত্রার ৮ গুণ । তবে তা প্রায় ১০১ সেকেন্ডের জন্য হয় । অল্প সময়ের জন্য হলেও এই সাফল্য চমকে দিয়েছে সারা পৃথিবীর বিজ্ঞান‌ীদের ।

কেবল ওই তাপমাত্রাই নয় । তাকেও টপকে গিয়েছে পৃথিবীর বুকে অবস্থানকারী এই সূর্য। তবে তা আরও অল্প সময়ের জন্য। মাত্র ২০ সেকেন্ডের জন্য ১৬ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উৎপন্ন করতে সক্ষম হয়েছে এই নকল সূর্য। আপাতত তাই আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য এই ধরনের তাপমাত্রা উৎপন্ন করাই লক্ষ্য বিজ্ঞানীদের।সূর্যের অভ্যন্তরে লাগাতার নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায় হাইড্রোজেন থেকে হিলিয়াম উৎপন্ন হয়।

এই প্রক্রিয়াতেই উৎপন্ন হয় ওই বিপুল তাপশক্তি। সেই পদ্ধতিকেই কাজে লাগিয়েই বাজিমাত চিনের এক্সপেরিমেন্টাল অ্যাডভান্সড সুপারকনডাক্টিং টোকাম্যাক তথা ফিউশন রিঅ্যাক্টরের। চিনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস এই পরীক্ষাকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বলে জানিয়ে আগামী দিনে আরও সাফল্যের আশা ব্যক্ত করেছে।তবে এই রিঅ্যাক্টরের কাজকর্ম এখনও পরীক্ষা নিরীক্ষার স্তরেই রয়েছে। 

আরও পড়ুন:সূর্যের চেয়েও ১০ গুণ ভারী নক্ষত্রে বিস্ফোরণ! ছবি দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

বিজ্ঞানীদের আশা আর এক দশকের মধ্যেই এটি নিজের পূর্ণ ক্ষমতা দেখাতে পারবে। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে চলেছেন প্রায় ৩০০ জন বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ার।কিন্তু এত বেশি তাপমাত্রা উৎপন্ন করে কোন লক্ষ্যমাত্রায় পৌছতে চাইছে এই কৃত্রিম সূর্য। আসলে এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্যই নিরবিচ্ছিন্ন শক্তিপ্রবাহ তৈরি করা। সমুদ্র থেকে পাওয়া ডয়টেরিয়ামের সাহায্যে সূর্যের মতোই নিউক্লিয়ার ফিউশন ঘটিয়েই সেই প্রবাহ তৈরি করতে চাইছেন বিজ্ঞানীরা। তবে কেবল চিনই যে এমন কাণ্ড ঘটিয়ে তাক লাগাচ্ছে তা নয়। এবিষয়ে চিনকে জোর টক্কর দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তাদের তৈরি সুপার কনডাক্টিং টোকাম্যাক অ্যাডভান্সড রিসার্চ ফিউশন ডিভাইস ১০ কোটি ডিগ্রি তাপমাত্রা উৎপন্ন করেছিল। তবে ২০ সেকেন্ডের জন্য।

ধন্যবাদ বন্ধুরা

কি হবে যদি সমুদ্রের জল শুকিয়ে যায়?

কোন মন্তব্য নেই

কি হবে যদি সমুদ্রের জল শুকিয়ে যায়
পৃথিবীর সমস্ত সমুদ্রের জল নিমেষের মধ্যে শুকিয়ে যায় ছবি ।


আজকের পোষ্টা একটু কাল্পনিক অতএব আশা করব আপনারা কাল্পনিকভাবে এই পোষ্টি পড়বেন । তবে কাল্পনিক হলেও আমরা সায়েন্সের থিওরী দিয়ে জানার চেষ্টা করবো । কি হতে পারে যদি পৃথিবীর সমস্ত সমুদ্রের জল নিমেষের মধ্যে শুকিয়ে যায়? কি হবে যদি কোন রহস্যময় পোর্টালকে ব্যবহার করে আমরা পৃথিবীর সমস্ত সমুদ্রের জল কে শুকিয়ে দিতে পারি ? এই বিশাল জলরাশি শুকাতে কত সময় লাগতে পারে্? কয়েক বছর নাকি কয়েক দশক না লক্ষ লক্ষ বছর লেগে যেতে পারে? এরপর একই কোন প্রাণী পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে সক্ষম হবে কিন্তু রাতারাতি নিমেষের মধ্যে হয়ে গেলে কি হতে পারে? 

সমুদ্রের জল

ভূপৃষ্টে প্রায় ৭০ ভাগ জায়গায় সমুদ্র দখল করে আছে ।কিন্তু তার মানে কতটা জল আপনি কি কল্পনা করতে পারছেন । আপনি যদি এই সমস্ত জলকে অলিম্পিক সাইজের সুইমিংপুলে ভর্তি করা শুরু করেন । তাহলে আপনার এই ৫৩৫,২০০,০০০,০০০,০০০ এতগুলো অলিম্পিক সাইজের সুইমিংপুল লাগবে । আমরা যদি বাস্কেট বল কোর্টর সাইজের পোর্টাল খুলি তাহলে লক্ষ লক্ষ বছর লেগে যাবে সমুদ্র জল শুকাতে । কিন্তু কি হবে যদি আমরা এমন কোন একটা কাল্পনিক পাম্প আবিষ্কার করতে পারি । যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বা কয়েক এক ঘন্টায় সমস্ত সমুদ্রের জল শুকিয়ে দিতে পারবে ।

যারা সমুদ্রের সাঁতার কাটছে উপকূলবর্তী নাবিকরা এবং ক্রস জাহাজের প্যাসেঞ্জার রা তারা খুব দ্রুত এই ইফেটা বুঝতে পারবে । কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই উপকূলবর্তী এলাকায় যারা সাঁতার কাটছিল বা যারা নৌকা বা জাহাজ চালাচ্ছিল তারা সমুদ্রের তলদেশে আছে পড়বে।কিন্তু মাছ সমুদ্রের বড় বড় জাহাজের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা খুব দূরধশি হয়ে উঠবে । টাইটানিকের মতো বড় সাইজের কোন যদি জাহাজ সমুদ্রের মাঝখানে থাকে ।তাহলে তার ৩০ সেকেন্ড সময় লাগবে উপর থেকে সমুদ্র তলে আছড়ে পড়তে । এবং আছড়ে পড়ার পর আপনি বুঝতে পারছেন ক্ষতবিক্ষত হয়ে ভেঙ্গে পড়বে জাহাজটা ।প্রথম এক মিনিটের মধ্যে মাছ সমুদ্রের সমস্ত বড় বড় জাহাজের সঙ্গে একই রকম জিনিস ঘটবে ।

সামুদ্রিক প্রাণীদের কি হতে

এরপর দেখা যাক সামুদ্রিক প্রাণীদের কি হতে পারে ।আমার মনে হয় আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এদের কি হতে পারে।নিমিষের মধ্য সমুদ্রের সমস্ত মাছ মারা যাবে এবং বৃষ্টির মতো সমুদ্রের তলদেশে ঝরে পড়তে থাকবে । কারণ সমুদ্রের উপরিতলে যে সমস্ত প্রাণীর ভেসে বেড়ায় তারা সমুদ্রের জল শুকিয়ে যাওয়ার পর সমুদ্রের তলদেশে ঝরে পড়বে । কিন্তু যে সমস্ত সামুদ্রিক প্রাণীর সমুদ্রের তলদেশে থাকে তারা হয়তো জলের স্রোতের সঙ্গে হারিয়ে যেতে পারে । এই সবতো গেলে প্রাথমিক ফলাফল এর পর আসল যে সমস্যাটার সম্মুখীন আমাদের হতে হবে সেটা আলোচনা করা যাক ।

সমুদ্রের তাপমাত্রা

আমাদের সমুদ্র পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চার এর জন্য প্রধানত দুটো কাজ করে থাকে ।প্রথমত সমুদ্রের তাপমাত্রাকে সমুদ্রের জল ধরে রাখে এবং সমুদ্রের স্রোত এর মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয় । যার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা মোটামুটি কন্ট্রোলে থাকে ।কোন জায়গায় অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে যায় না আর কোন জায়গা অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় না ।

সমুদ্রে জলচক্র নিয়ন্ত্রিত 

দ্বিতীয় সমুদ্রে জন্য জলচক্র নিয়ন্ত্রিত হয় । সূর্যের তাপে সমুদ্রপৃষ্ঠের জল বাষ্প হয়ে বায়ূমন্ডল বাতাসের সাথে মিশে যায় । এবং তারপরে আপনি জানেন বৃষ্টি হিসেবে পৃথিবীপৃষ্ঠে আবার ঝরে পড়ে । যে মুহুতে পৃথিবী থেকে সমুদ্র হারিয়ে যাবে পৃথিবী একটা জায়গাটিক মরুভূমিতে পরিণত হবে । আপনার বাড়িতে ছাতা থাকলে তার আর কোন প্রয়োজন পড়বে না । কারণ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আর থাকবে না । তবে সূর্যের তাপ থেকে বাঁচার জন্য হয়তো ছাতা আপনার কাজে লাগতেও পারে ।


যদি সমুদ্রের জল শুকিয়ে যায়
যদি সমুদ্রের জল শুকিয়ে যায় ছবি ।

লেক ও নদী

কিন্তু সমুদ্র শুকিয়ে গেলেও পৃথিবীতে বহু বড় বড় লেক মানে রত এবং নদী তো থাকবে । তারা কি আমাদের বাঁচাতে পারবে? কিন্তু দাঁড়ান সমুদ্র ছাড়া পৃথিবীতে ৯৭ শতাংশ জল থাকবেনা । আর লেক ও নদী গুলোতে যে জল থাকবে তা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পর্যাপ্ত নয় । পানীয় জল খুব দ্রুতগতিতে বাষ্পাকারে  উড়ে যাবে কয়েক দিনের মধ্যেই মানুষ এবং সমস্ত প্রাণীরা জলের অভাবে ডিহাইড্রেশন হয়ে মারা যাবে ।

গাছপালা ও জঙ্গল

গাছপালা এবং জঙ্গলের মারা যেতে হয় তো কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে । কয়েক মাসের মধ্যেই জঙ্গল এবং ঝপঝার গুলো শুকনো জ্বালানিতে পরিণত হবে ।এরপর ছোট-বড় দাবানলের ফলে এই সমস্ত কিছুই জ্বলে যেতে শুরু করবে ।প্রায় এক বছরের মধ্যেই পৃথিবীর সমস্ত জঙ্গল জ্বলে পুড়ে শেষ হয়ে যাবে । আর দাবানলের ফলে যত আগুন লাগা শুরু করবে পৃথিবীর অক্সিজেনের পরিমাণ তোত কমে যেতে থাকবে । কারণ আপনি জানেন কোন কিছুকে জ্বলার জন্য অক্সিজেনের দরকার হয় ।ফলস্বরুপ কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে ।

এই পর্যন্ত যদি কোন মানুষ বেঁচে থাকে । তাহলে তারা অনুভব করতে পারবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আর শ্বাস প্রশ্বাস চালানোর জন্য উপযুক্ত নয় । এবং সূর্যের প্রচণ্ড তাপে সমস্ত প্রাণীরা মারা যাবে । পৃথিবী অনেকটা শুক্র গ্রহের মতো হয়ে যাবে । অতএব জল দূষণ এবং জল অপচয় কে কন্ট্রোল করা আমাদের দায়িত্ব । প্রকৃতির প্রত্যেকটি এলিমেন্ট আমাদের জন্য এসেনশিয়াল জীব জগতের শ্রেষ্ঠ প্রাণী উপাধি যখন আমাদের কাছে আছে তাহলে পৃথিবীতে সুরক্ষিত রাখা আমাদের দায়িত্ব ।


© all rights reserved
made with by templateszoo