Responsive Ad Slot

নাসা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নাসা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৪ ঘণ্টার গ্রীষ্ম, শীতকাল ফুরোয় ৪৮ ঘণ্টায়! অবাক করা ভিন্গ্র‌হের হদিশ নাসার স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২

২৪ ঘণ্টার গ্রীষ্ম, শীতকাল ফুরোয় ৪৮ ঘণ্টায়! অবাক করা ভিন্গ্র‌হের হদিশ নাসার স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ
 ভিন্‌গ্রহটির নাম এক্সও-৩বি ফাইল ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা গ্রীষ্মকালের আয়ু মাত্র ২৪ ঘণ্টার! আর মেরেকেট ৪৮ ঘণ্টার শীতকাল! পার্থিব তিন দিয়েই ফুরিয়ে যায় বছর এই ভিন্‌গ্রহের মুলুকে।এমন অদ্ভুত একটি ভিন্‌গ্রহের হদিশ দিল নাসার স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ। ভিন্‌গ্রহটির নাম এক্সও-৩বি। সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে । আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা দ্য অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নাল এ আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির বৈঠকে এই ভিন্‌গ্রহটিকে নিয়ে আলোচনাও হয়েছে সবিস্তারে।

কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক লিসা ড্যাং জানিয়েছেন পর্যবেক্ষণ চালিয়ে দেখা গিয়েছে এই ভিন্‌গ্রহে শীতকালের চেয়ে গ্রীষ্মের তাপমাত্রা কয়েকশো ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। নক্ষত্রটির খুব কাছে আছে বলে বিকিরণে জ্বলেপুড়ে খাক হয়ে যায় গ্রহটি গ্রীষ্মকালে।শুধু তা-ই নয় আমাদের সৌরমণ্ডলের গ্রহ বৃহস্পতির পৌনে ১২ গুণ ভরের এই ভিন্‌গ্রহটি আকারেও দানবাকৃতি। বৃহস্পতির ব্যাসার্ধের ১ হাজার ২১৭ গুণ এই ভিন্‌গ্রহের ব্যাসার্ধ।

গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ভিন্‌গ্রহের শীতকাল আর গ্রীষ্ম এই দু’টি ঋতুও পৃথিবীর মতো নয়। পৃথিবীতে বিভিন্ন ঋতু আসে যায় নিজের কক্ষপথে পৃথিবী কিছুটা ঝুঁকে থাকায়। এই ভিন্‌গ্রহে কিন্তু সেই একই কারণে ঋতুর পরিবর্তন ঘটে না। পৃথিবী থেকে ৮৪৮ আলোকবর্ষ দূরে থাকা দানবাকৃতি ভিন্‌গ্রহটি তার নক্ষত্রটিকে প্রদক্ষিণ করে অদ্ভুত ডিমের মতো দেখতে কক্ষপথে। উপবৃত্তাকার যা হওয়ার কথা নয়।

আরও পড়ুন:এই প্রথম! সৌরজগতে অদ্ভুতদর্শন গ্রহের হদিশ পেয়ে বিস্মিত বিজ্ঞান মহল

শুধু তা-ই নয়, আমাদের সৌরমণ্ডলের গ্রহ বৃহস্পতির পৌনে ১২ গুণ ভরের এই ভিন্‌গ্রহটি আকারেও দানবাকৃতি। বৃহস্পতির ব্যাসার্ধের ১ হাজার ২১৭ গুণ এই ভিন্‌গ্রহের ব্যাসার্ধ।


২৪ ঘণ্টার গ্রীষ্ম, শীতকাল ফুরোয় ৪৮ ঘণ্টায়! অবাক করা ভিন্গ্র‌হের হদিশ
২৪ ঘণ্টার গ্রীষ্ম,শীতকাল ফুরোয় ৪৮ ঘণ্টায় অবাক করা গ্রহটি ফাইল ছবি ।

আরও পড়ুন:নেপচুনের চেয়ে বড় ভিনগ্রহ থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল জলীয় বাস্পের ধোঁয়া ছড়িয়েছে মহাকাশে

গবেষকরা জানিয়েছেন এই ভিন্‌গ্রহের শীতকাল আর গ্রীষ্ম এই দু’টি ঋতুও পৃথিবীর মতো নয়। পৃথিবীতে বিভিন্ন ঋতু আসে যায় নিজের কক্ষপথে পৃথিবী কিছুটা ঝুঁকে থাকায়। এই ভিন্‌গ্রহে কিন্তু সেই একই কারণে ঋতুর পরিবর্তন ঘটে না। পৃথিবী থেকে ৮৪৮ আলোকবর্ষ দূরে থাকা দানবাকৃতি ভিন্‌গ্রহটি তার নক্ষত্রটিকে প্রদক্ষিণ করে অদ্ভুত ডিমের মতো দেখতে কক্ষপথে। উপবৃত্তাকার যা হওয়ার কথা নয়।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।


Asteroid: এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের উচ্চতার আড়াই গুণ গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে

কোন মন্তব্য নেই

শুক্রবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২২

এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের চেয়ে আড়াই গুণ গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে
এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের উচ্চতার আড়াই গুণ গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের আড়াই গুণ উচ্চতার একটি দানবাকৃতি গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। অসম্ভব গতিবেগে । পৃথিবীর খুব কাছেপিঠে এসে পড়ার সময় গ্রহাণুটির গতিবেগ দাঁড়াবে সেকেন্ডে প্রায় সাড়ে ১৯ কিলোমিটার বা ঘণ্টায় ৪৩ হাজার ৭৫৪ মাইল। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা বৃহস্পতিবার এই খবর দিয়ে জানিয়েছে যে আকারে এত বিশাল বলে গ্রহাণুটি পৃথিবীর পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, শুধুই বিশালত্ব নয় গ্রহাণুটি সভ্যতার পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আরও একটি কারণ রয়েছে । গ্রহাণুটি খানিকটা ঘন ঘনই এসে পড়ছে পৃথিবীর কাছাকাছি। গ্রহাণুদের কক্ষপথ সাধারণত আগেভাগে খুব একটা আঁচ করা যায় না। তা বদলায়ও ঘন ঘন। কোনও গ্রহের খুব কাছাকাছি এসে পড়লে সেই গ্রহের জোরালো অভিকর্ষ বলের টানে গ্রহাণুদের আছড়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। পৃথিবীতে এমনই একটি গ্রহাণু আছড়ে পড়ায় ডাইনোসরদের বিলুপ্তি হয়েছিল বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের একটি বড় অংশের ।

নাসা জানিয়েছে যে, আগামী সপ্তাহের গোড়ার দিকে আমেরিকার এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের উচ্চতার চেয়ে আড়াই গুণ বেশি উঁচু গ্রহাণু । যে গ্রহাণুটি পৃথিবীর খুব কাছাকাছি এসে পড়বে । সেটি দৈর্ঘ্যে এক কিলোমিটার বা ৩ হাজার ২৮০ ফুট হবে । গ্রহাণুটির নাম (৭৪৮২) ১৯৯৪ পিসি-১।এই সৌরমণ্ডলে গ্রহাণুদের আদত ঠিকানা মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝখানে থাকা গ্রহাণুপুঞ্জ (অ্যাস্টারয়েড বেল্ট) থেকে আসছে না এই গ্রহাণু । দানবাকৃতি গ্রহাণুটি আসবে পৃথিবীর খুব কাছেপিঠের এলাকা থেকেই। 

তাই এদের ‘নিয়ার আর্থ অবজেক্টস (এনইও)এর শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এমন প্রায় ২৬ হাজার এনইও র কথা এখনও পর্যন্ত জানতে পেরেছে নাসা। যাদের মধ্যে অন্তত এক হাজারটি গ্রহাণুকে পৃথিবীর পক্ষে আজ হয়তো কাল বিপজ্জনক হতে পারে বলে চিহ্নিত করেছে র্বিজ্ঞানীরা ।

১৯৯৪ সালে প্রথম এই দানবাকৃতি গ্রহণুটির হদিশ পান জ্যোতির্বিজ্ঞানী রবার্ট ম্যাকনট। অস্ট্রেলিয়ার সাইডিং স্প্রিংস অবজারভেটরিতে আকাশ পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে। তার ২০ বছর আগে  ১৯৭৪-এও এই দানবাকৃতি গ্রহাণুটি পৃথিবীর কাছাকাছি এসে পড়ে ছিল। তবে খুব কাছে এসে পড়েছিল ৮৯ বছর আগে । ১৯৩৩ সালের ১৭ জানুয়ারিতে।

নাসা জানিয়েছে, গ্রহাণুটি ফের পৃথিবীর খুব কাছে এসে পড়বে ৮৩ বছর পর। ২১০৫ সালের ১৮ জানুয়ারি। নাসার খবর এখনও পর্যন্ত গ্রহাণুটির গতিপথ যা সেই হিসাবে বলা যায় খুব কাছে এসে পড়লেও এ বার হয়তো তেমন বিপদ নেই পৃথিবীর। কারণ এখনকার গতিপথ বজায় থাকলে গ্রহাণুটি খুব কাছে আসার সময় পৃথিবী থেকে তার দূরত্ব থাকবে চাঁদের দূরত্বের ৫ গুণ।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।

Nasa On Mars: ঠিক জেন বইছে নদী মঙ্গল গ্রহে

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২২

Nasa On Mars: ঠিক জেন বইছে নদী মঙ্গল গ্রহে


ক্রমশ মঙ্গল গ্রহ বা মার্চ আবার আস্তে আস্তে করে এগিয়ে আসছে আমাদের পৃথিবী দিকে । কখনো চলে যায় সাড়ে ৫ কোটি থেকে ছয় কোটি কিলোমিটার দূরে বা কাছে বলা যেতে পারে । আবার কখনো সে চলে যায় অনেক দূরে প্রায় ৪০ কোটি কিলোমিটার । আর এখন ফিরছে পৃথিবীর দিকে আবার কাছাকাছি আসবে ।৬৮৭ দিনে এক বছর পূর্ণ করে মঙ্গল । আর ২০২০ পারসেভারেন্স রোভার ২.৫ বিলিয়ন পিকসেল মার্চকেম থেকে তুলা অসাধারণ একটি ছবি প্রকাশ করল নাসা ।

বলে রাখি মাঝে কিছুদিন কনজামশন ছিল ।কনজামশন কি? যখন সূর্য মাঝখানে চলে আসে মানে পৃথিবী তার কক্ষপথে ঘুরছে এবং মঙ্গল তার কক্ষপথে ঘুরছে ।ঘুরতে ঘুরতে একটা সময় দুজন দুজনার এগেনস্টে চলে যায় ।আর মাঝে থাকে সূর্য । সেই সময় সিগন্যাল আসা কিন্তু বন্ধ হয়ে যায় যাই হোক । সেই কনজামশন কাটিয়ে আবারো মঙ্গল থেকে ভিডিও ছবি তথ্য পাঠাতে শুরু করেছে পারসেভারেন্স রোভার ।

যার আরেকটি নাম রয়েছে মার্চ ২০২০ নাসার ।বলে রাখি এটি কিন্তু ২০২১ এ ফেব্রুয়ারি ১৮ তারিখে পৌঁছেছিল মঙ্গলের মাটিতে । তারপর থেকে একের পর এক কামাল করে চলেছে পারসেভারেন্স নামক রোভারটি । আরেকটি রোভার রয়েছে কিরোসিটি সেও বিভিন্ন সময়ে ভিডি ও ছবি তথ্য পাঠাচ্ছে । তবে ছবির কোয়ালিটি অনুযায়ী নাসার পারসেভারেন্স রোভার কিন্তু এক অসাধারণ ইতিহাস তৈরি করেছে ।

এই অসাধারণ ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে মঙ্গলের মাটিতে একসময় জল ছিল তার প্রমাণ ।একেবারে যেন বয়ে গেছে নদীর মত করে । এছাড়াও একদম ক্লোজআপে যখন দেখছি আমরা সেই ছবি ও বা বিশ্লেষকরা যখন বিশ্লেষণ করছেন তখন তারাও জানাচ্ছেন যে, একেবারেই পারসেভারেন্স রোভার যেই জায়গায় রয়েছে ।বা জায়গায় থেকে কাজ করছে ।যে জিরো কেটারে বাইরে গিয়ে সেখানেও প্রমাণিত যে একসময় জল বইত ।

এই কয়েকদিন আগেই একটি নিয়জে জানা গেছে যে, বেশ কিছু জায়গা মঙ্গলে পাওয়া গেছে মাত্র তিন ফুট নিচে জল বরফ হয়ে রয়েছে ।আর এইসব জায়গাগুলোতে যে জল একসময় ছিল তাও প্রমাণিত । বৈজ্ঞানিকরা বা নাসা মনে করছে যে সমস্ত জলত শেষ হয়ে যায়নি মঙ্গলে । এখনো গভীরে প্রায় ৯৯% কাছাকাছি জল রয়েছে তবে ডিউটরিয়াতে ।আপনাদের ভালো লাগলো সঙ্গে থাকুন লাইক কমেন্ট অবশ্যই করবেন ।

ধন্যবাদ   

Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo