পোস্টগুলি

নাসা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নাসার চমকপ্রদ আবিষ্কার: সমুদ্রের তলে ১,০০,০০০ লুকানো পাহাড় উন্মোচিত!

ছবি
নাসার সমুদ্রের তলদেশে লুকানো পাহাড়ের মানচিত্র। নাসার চমকপ্রদ আবিষ্কার: সমুদ্রের তলে ১,০০,০০০ লুকানো পাহাড় নাসার সম্প্রতি প্রকাশিত সমুদ্রপৃষ্ঠের মানচিত্রে এক চমকপ্রদ আবিষ্কার ধরা পড়েছে। বিজ্ঞানীরা সমুদ্রের গভীরে প্রায় ১,০০,০০০ লুকানো পাহাড়ের অস্তিত্ব শনাক্ত করেছেন। এই আবিষ্কার শুধু ভূতত্ত্ব নয়, বরং পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সমুদ্রের তলদেশের রহস্য নাসার স্যাটেলাইট এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা সমুদ্রের গভীর তলদেশে লুকিয়ে থাকা পাহাড়ের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেছেন। সংখ্যা: প্রায় ১,০০,০০০। উচ্চতা: গড়ে ১,৫০০ মিটার বা তারও বেশি। অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগরের গভীর অংশে। এই পাহাড়গুলো সমুদ্রপৃষ্ঠে সরাসরি দৃশ্যমান না হলেও, স্যাটেলাইটের গ্রাভিটি ফিল্ড এবং রাডার প্রযুক্তির সাহায্যে এগুলো সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। কেন এই আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ? ১. পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস উন্মোচন সমুদ্রের তলদেশে এমন লুকানো পাহাড়ের উপস্থিতি পৃথিবীর প্লেট টেকটোনিকস, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং ভূগর্ভস্থ কাঠামো সম্পর্কে নতুন তথ্য দেয়। ২. জীব...

মঙ্গলে ‘রঙ গড়িয়ে পড়া’ চিহ্ন আবিষ্কার করল নাসা – কী হতে পারে এর মানে?

ছবি
মঙ্গলে নাসার আবিষ্কার: 'রঙ গড়িয়ে পড়া' চিহ্নের রহস্য উন্মোচন ছবি নাসার। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশ নিয়ে আমাদের কৌতূহলের শেষ নেই। সেই কৌতূহলকে আরও উসকে দিল নাসার সাম্প্রতিক এক আবিষ্কার। নাসার মঙ্গলগামী উপগ্রহের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এমন কিছু চিহ্ন, যেগুলো দেখে মনে হচ্ছে যেন দেয়ালের উপর দিয়ে রঙ গড়িয়ে পড়ছে। এই অদ্ভুত এবং রহস্যময় চিহ্নগুলি মঙ্গলের এক বিশেষ অংশে দেখা গেছে, যা বিজ্ঞানীদের মাঝে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এগুলো কি কেবল প্রাকৃতিক কোনো ঘটনা, নাকি লুকিয়ে আছে আরও গভীর কিছু বার্তা? চলুন, বিশ্লেষণ করে দেখি কী হতে পারে এই ‘রঙ গড়িয়ে পড়া’ রেখার পেছনের সত্য। নাসার পর্যবেক্ষণ কী বলছে? নাসার 'Mars Reconnaissance Orbiter' (MRO) নামের উপগ্রহটি মঙ্গলের উপরিভাগে নিয়মিত ছবি তোলে এবং তথ্য সংগ্রহ করে। সম্প্রতি এই উপগ্রহ থেকে পাঠানো ছবিতে দেখা গেছে কিছু সরু, গা dark ় রেখা—যা দেখতে ঠিক যেন কোনো দেয়ালে কালো রঙ গড়িয়ে পড়েছে। বিজ্ঞানীরা এই রেখাগুলিকে বলেন "Recurring Slope Lineae" (RSL)। এই চিহ্নগুলোর উৎস কী হতে পারে? এই ধরনের রেখা আগে বিভিন্ন সময় মঙ্গলের ঢালে দেখা গেছে,...

মঙ্গল গ্রহের মেঘের পালক! নাসা ভিনগ্রহের আকাশের অত্যাশ্চর্য ছবি তুলেছে

ছবি
মঙ্গল গ্রহের মেঘের পালক ছবি নাসা । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নাসা মঙ্গল গ্রহের মনোমুগ্ধকর ছবি উন্মোচন করেছে, যেখানে তার আকাশে ভেসে বেড়ানো সূক্ষ্ম, পালকের মতো মেঘের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এই বহির্জাগতিক মেঘের গঠনগুলি লাল গ্রহের গতিশীল আবহাওয়ার ধরণগুলির একটি আভাস দেয়, যা এর ইতিমধ্যেই রহস্যময় আকর্ষণকে আরও বাড়িয়ে তোলে। নাসার কিউরিওসিটি রোভার এবং মার্স রিকনাইস্যান্স অরবিটার দ্বারা ধারণ করা, মেঘগুলি মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডল জুড়ে প্রসারিত পাতলা, তীক্ষ্ণ পথ হিসাবে দেখা যায়। এগুলি মূলত জল-বরফের স্ফটিক দিয়ে গঠিত, অনেকটা পৃথিবীর সিরাস মেঘের মতো, এবং তাপমাত্রা হ্রাসের সময় অত্যন্ত উচ্চ উচ্চতায় তৈরি হয় বলে মনে করা হয়। এই মেঘের গঠনগুলি বিশেষভাবে মনোমুগ্ধকর কারণ গোধূলির সময় তাদের ঝলমলে চেহারা, যা বিজ্ঞানীরা "রাতের মেঘ" নামে অভিহিত করেন। বরফের স্ফটিক থেকে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়, পাতলা মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডলে একটি উজ্জ্বল দৃশ্য তৈরি করে। এই মেঘগুলির অধ্যয়ন কেবল মঙ্গল গ্রহের আবহাওয়া সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে না বরং গবেষকদের বুঝতেও সাহায্য করে যে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে...

সূর্য আর বাঁচবে কতদিন? জানাল নাসা

ছবি
                                                              সূর্য জীবনকাল আর কত বছর ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সূর্য হল পৃথিবী নামের নীল রঙের গ্রহটার পাওয়ার হাউস। এই ব্রহ্মাণ্ডের অন্য কোথাও প্রাণের সন্ধান এযাবৎ মেলেনি। অন্তত সৌরজগতের আর কোথাও যে প্রাণ নেই তা একরকম নিশ্চিত যতই বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপাকে ঘিরে আশা জাগুক। কিন্তু সেই প্রাণও শূন্যে বিলীন হয়ে যাবে যদি সূর্য না থাকে। কাজেই পৃথিবীর জীবজগতের টিকে থাকার জন্য সূর্যের টিকে থাকাও একান্তই দরকার। কিন্তু এই মহাবিশ্বে সকলই ফুরায়। সূর্যও ফুরোবে নিশ্চিত।  সূর্যের  মৃত্যু  কবে খোলসা করল নাসা তার আগে বলা যাক, কত পুরনো এই সূর্য? সৌরজগতের কর্তার বয়স প্রায় সাড়ে চারশো কোটি বছর। এত বছরের আয়ু সত্ত্বেও সূর্যকে বুড়ো বলা যাবে না। কেননা নক্ষত্রের নিরিখে এ নেহাতই তুচ্ছ সময়। সেদিক বিচার করলে বলা যায় সূর্য এক মাঝবয়সি তারা। নাসার বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস যে, সূর্য তার অর্ধেক আয়ুর কাছা...

দেড় বছর পর কেন শনির বলয় উধাও হবে? জানাল নাসার বিজ্ঞানীরা

ছবি
শনি গ্রহ ও তার বলয় ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আর মাত্র  আঠারো মাস। ২০২৫ সালের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে উধাও হয়ে যাবে শনির বলয়! জানাল আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ শনি, যা বৃহস্পতির পর সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। তবে শনি গ্রহকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় করে তোলে তার বলয়।  শনিতে মোট ৮২টি বলয় রয়েছে। মূল বলয় ৭টি। এই বলয়গুলি মূলত অসংখ্য বরফ কণা, পাথরের ভগ্নাংশ ও ধূলিকণা নিয়ে গঠিত। এগুলি আসলে ধূমকেতু গ্রহাণু বা উপগ্রহের অংশবিশেষ। লক্ষ লক্ষ বছর আগে শনির কাছাকাছি এসে তার মাধ্যাকর্ষণের প্রবল টানে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল মহাজাগতিক পদার্থগুলি। এই বলয় কিন্তু চিরস্থায়ী নয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আগেই জানিয়েছিলেন সে কথা। এর আয়ু খুব বেশি হলে ১০ কোটি বছর। ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাচ্ছে বলয়। শনির বুকে আছড়ে পড়ছে বলয়ে ঘূর্ণায়মান পাথরখণ্ড। কিন্তু ১০ কোটি বছর তো দূরের কথা আর দেড় বছরের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে উধাও হয়ে যাবে শনির বলয়! শনি পৃষ্ঠ থেকে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার মাইল বিস্তৃত বলয়কে টেলিস্কোপে চোখে রাখলেই দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু ২০২৫-এ তা আর দৃশ্যমান...

চাঁদে, মঙ্গলে হবে যৌথ অভিযান! এবার ইসরোর সহযাত্রী হচ্ছে নাসা

ছবি
ইসরোর সঙ্গে হবে যৌথ অভিযান! চাঁদে, মঙ্গলে ও  আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সহযাত্রী নাসা ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এবার মহাকাশেও জোট বাঁধছে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন। আমেরিকার মহাকাশ সংস্থা নাসার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো বছর কয়েক আগেই আর্থ অবজ়ারভেশন উপগ্রহ নিসার বানানোর উদ্যোগে হাত দিয়েছিল। এবার যৌথ ভাবে মহাকাশ অভিযানেও নামতে চলেছে দুই দেশ। নাসা ও ইসরো চুক্তিতে কি কি আছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমেরিকা সফরের সময়ই মহাকাশ অভিযানে যৌথ পদক্ষেপের লক্ষ্যে আর্টেমিস চুক্তিতে সই করেছে ভারত। এর ফলে ভবিষ্যতে চাঁদে মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্যে নাসা আর্টেমিস মিশনের অংশীদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ইসরোর। পাশাপাশি মঙ্গল অভিযানেও হাত মেলাতে পারে ইসরো এবং নাসা। যৌথ উদ্যোগে ২০২৪ সালেই মহাকাশচারী পাঠানো হতে পারে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে।  আরও পড়ুন:   মহাকাশচারীরা মহাকাশস্টেশনে কিভাবে চুল কাটেন! তা দেখালো এবার চীন প্রসঙ্গত, ভারত ছাড়াও আর্টেমিস চুক্তিতে সাক্ষরকারী সাতটি দেশ রয়েছে।বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর যে, আর কয়েক বছরের মধ্যেই ইসরোর সঙ্গে যৌথ ভাবে মঙ্গল, শ...

অক্সিজেন মিলল চাঁদে’র মাটিতে, মানব-বসতি গড়ার পথে আরও একধাপ এগোল NASA

ছবি
মানব বসতি গড়ার পথে চাঁদে অক্সিজেন তৈরি করল নাসা। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চিরকালই পৃথিবীর বাইরে প্রাণের সন্ধান খুঁজতে তৎপর বিজ্ঞানীরা। কখনও কোনও নতুন গ্রহে জল পাওয়া যায়। আবার কখনও কোনও গ্রহে প্রাণ আছে কি না সেই নিয়ে গবেষণা চলে নিরন্তর। এরই মধ্যদে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের আর্টেমিস মিশনের মাধ্যমে চাঁদে নভোশ্চর পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।  নাসা কিভাবে চাঁদের মাটিতে অক্সিজেন তৈরি করেছে নাসার আসল উদ্দেশ্য হল এই যে, মিশনের মাধ্যমে চাঁদের পৃষ্ঠে তাদের উপস্থিতি বজায় রাখা। আর এই উদ্দেশ্যকে বাস্তবে টিকিয়ে রাখতে হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল অক্সিজেন তৈরি করা।আর বিজ্ঞানীরা তেমনটাই করেছেন। নকল চাঁদের মাটি থেকে অক্সিজেন নিষ্কাশন করেছেন। গবেষণাগারে বৈজ্ঞানিক উপায়ে তৈরি করেছেন এই মাটি। লুনার সয়েল একটি বিশেষ কায়দায় তৈরি করা গুঁড়ো গুঁড়ো মাটি দিয়ে সৃষ্ট।  এই মাটিই আসলে ছড়িয়ে আছে চাঁদের পৃষ্ঠে। এই প্রথম বায়ুশূন্য পরিবেশে (ভ্যাকুয়াম এনভায়রনমেন্ট) ওই মাটি থেকে অক্সিজেন বের করেছেন বিজ্ঞানীরা। ইন সিটু রিসোর্স ইউটিলাইজেশন প্রক্রিয়ার মাধ্য়মে এই কাজ করা হয়েছে। এই পরীক্...

ঝড় উঠেছে সূর্যে, আছড়ে পড়তে পারে পৃথিবীর বুকে! সতর্ক করল নাসা

ছবি
সূর্যে উঠেছে ঝড় সেই ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সূর্যের বুকে প্রবল ঝঞ্ঝা। আর তার জেরেই এক শক্তিশালী সৌরঝড়ের সতর্কতা জারি করল নাসা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়ে দিল যে, সম্ভবত এই মাসে পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে চলেছে সৌরঝড়টি। সৌরঝড় ঠিক আসলে কী ?  সূর্যের আবহাওয়ামণ্ডলের বাইরের অংশকে বলে করোনা। এটা তৈরি প্রোটন, ইলেকট্রন ও অন্যান্য কণার শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে। সূর্যের ভিতরের শক্তি চৌম্বকশক্তি হয়ে বিপুল বিস্ফোরণে বেরিয়ে আসাকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে করোনাল মাস ইজেকশন । সেই শক্তি বেরিয়ে আসে সৌরশিখার ছটায়। আর সেটাই মহাকাশে সৌরঝড় হয়ে আছড়ে পড়তে থাকে। আরও পড়ুন:  যেন ভিনগ্রহীদের যান? চাকায় চলা রোভার নয়, এ বার উড়ন্ত চাকি যাবে চাঁদে ও গ্রহাণুতে সূর্যে এই ঝড়ের ফলে কী ক্ষতি হতে পারে?  এই ধরনের ঝড়ে পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের উপরে প্রভাব পড়বে। ফলে অনেক জায়গায় জিপিএস, বেতার যোগাযোগ ছিন্ন হতে পারে। পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগ ও মোবাইলের নেটওয়ার্কের উপরেও প্রভাব ফেলবে সৌরঝড়। ঝড়ের মাত্রা বেশি হলে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে ফাটলও ধরতে পারে।  আরও পড়ুন:  রা...

চাঁদের মাটিতে মহাকাশচারীরা কি ধরণের পোশাক পড়বে? তার ছবি প্রকাশ করল নাসা

ছবি
চাঁদের পোশাক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আবার চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে নাসা। কোন পোশাক পরে চাঁদে পাড়ি দেবেন মহাকাশচারীরা সম্প্রতি তার ঝলক দেখাল এবার নাসা।মহাকাশচারীদের চাঁদে যাওয়ার জন্য যে পোশাক তৈরি করেছে অ্যাক্সিওম স্পেস নামক একটি সংস্থা। তা পরে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে মহাকাশচারীরা এমনই দাবি করা হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। চাঁদে যাওয়ার পোশাক কেমন হবে? নাসার তরফে জানানো হয়েছে যে, পোশাকটির আসল ঝলক দেখানো হয়েছে বটে তবে মহাকাশচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য ভিন্ন রঙের পোশাক দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা। মহাকাশচারীরা চাঁদে দীর্ঘ সময় কী ভাবে কাটানো যায় সেই পরীক্ষা করতেই আর্টিমিস ৩ মিশন নিয়ে এ বার চাঁদে যাবেন। নাসার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসন এক বিবৃতিতে বলেন যে, অ্যাক্সিওমের পরবর্তী প্রজন্মের স্পেসস্যুটগুলি শুধুমাত্র মহিলাদের চাঁদে হাঁটতে সাহায্যের জন্যেই নয়, চাঁদে যাওয়ার ক্ষেত্রে মহাকাশচারীদের সুযোগ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে পারে এই পোশাকটি।স্পেসস্যুটগুলির নাম দেওয়া হয়ছে অ্যাক্সিওম একস্ট্রাভেহকুলার মোবিলিটি ইউনিট বা এক্সিমু।  আরও পড়ুন:  মঙ্গলগ্রহে একাই অভিযান চালাবে...

পৃথিবীকে সঙ্কটে ফেলছে কোন দেশগুলো? স্যাটেলাইট থেকে বের করে ফেলল NASA

ছবি
র্তমানে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন সারা বিশ্বের দেশগুলি  এমনি চিত্র। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  কার্বন নিঃসরণকে কেন্দ্র করে একের পর এক সতর্কবার্তা দিয়ে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু তাতেও কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য় করা যাচ্ছে না। বরং মানুষ যত উন্নয়নশীল হয়ে উঠছে সেই সঙ্গে অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পুরো পৃথিবী। বর্তমানে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন সারা বিশ্বের দেশগুলির মধ্যে একমাত্র বিতর্কের কারণ হয়ে উঠেছে। কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে সব দেশই বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।  কিন্তু কোনও সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ এখনও অবধি নেওয়া হয়নি বললেই চলে। আর গবেষকরা বহুদিন ধরেই কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন নিয়ে অনেক গবেষণা করে চলেছেন। বর্তমানে এক নতুন গবেষণায় মারাক্ত ফলাফল এসছে।  পৃথিবীকে যে দেশগুলো বিপদে ফেলছে নাসার পর্যবেক্ষকরা স্য়াটালাইটের সাহায্যে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন নিয়ে পরীক্ষা করেছেন। আর তারপর তারা গবেষণা সংক্রান্ত একটি মানচিত্র সামনে এনেছেন। এতে সেসব দেশকে সবুজ রঙে দেখানো হয়েছে। সেই সব দেশগুলির কার্বন নিঃসরণ কম। গাঢ় ...

মঙ্গলগ্রহে হঠাৎ ভাল্লুকের মুখের দেখা? Nasa-র ছবি দেখে হতবাক নেটদুনিয়া

ছবি
মঙ্গলগ্রহে ভাল্লুকের মুখের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  লালগ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব আছে কি না, তা নিয়ে বহুদিন ধরে গবেষণা চলেছে। সেখানে নাকি ভাল্লুকের বসবাস! হ্যাঁ নাসারর অরবিটার থেকে তোলা সাম্প্রতিকতম একটি ছবি থেকে লাল গ্রহে ভাল্লুকের মুখই দেখা গিয়েছে। নাসা-র Mars Reconnaissance অরবিটার থেকে ছবিটি তোলা হয়েছে। যা মঙ্গলের চারপাশে ঘুরে চলেছে বিগত ১৭ বছর ধরে।  গত বছর ১২ ডিসেম্বর ছবিটি তোলা হয়েছিল। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ছবিটি।দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে অরবিটারটি মঙ্গলের কিছু হাই রেজ়োলিউশন ছবি তুলে চলেছে। অ্যারিজ়োনার টাকসনের ইউনিভার্সিটি অফ অ্যারিজ়োনা লুনার অ্যান্ড প্ল্যানেটারি ল্যাবরেটারিতে হাই রেজ়োলিউশন ইমেজিং সায়েন্স এক্সপেরিমেন্ট বা HiRISE-এ অরবিটার থেকে পাঠানো ছবিগুলিকে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সত্যিই কি দেখা গেল মঙ্গলগ্রহে ভাল্লুক? টুইটারে যখন প্রথমবার ছবিটি শেয়ার করা হয়। নেটিজ়েনদের অনেকেই এটিকে ডজের সঙ্গে তুলনা করছিলেন। ডজ হল ইন্টারনেটের অন্যতম জনপ্রিয় মিম। যা পরবর্তীতে ক্রিপ্টোকারেন্সিও হয়। নেটপাড়ার লোকজনের মধ্যে অনেকেই আবার এই ছবির সঙ্গে পেঁ...

মঙ্গল গ্রহের মাটিতে ফণা তোলা সাপ! কিসের ছবি তুলল নাসার রোভার

ছবি
মঙ্গল গ্রহে ফণা তোলা সাপ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে একটি বিস্তৃত গর্ত। হঠাত্ দেখলে মনে হবে সাপের মাথার অংশ। কিন্তু আসলে এটি একটি আগ্নেয়গিরির চারপাশের এলাকা। ছবিটি নাসার তুলা। নাসার মার্স রিকনেস্যান্স' কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে এই ছবি তোলা হয়েছে। HiRISE ক্যামেরা দিয়ে প্রায় ২৭৩ কিলোমিটার উঁচু থেকে এগুলি তোলা।গত অগস্টে ছবিটা তোলা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি এগুলি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।নাসা তরফ থেকে।এই ফিসারটি মঙ্গল গ্রহের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি অলিম্পাস মনসের কাছে একটি আগ্নেয়গিরি অঞ্চল।  Gordii Fossae'-তে অবস্থিত।নাসা জানিয়েছে যে, এই অঞ্চলে বেশ কিছু স্থানেই এরকম ফাটল রয়েছে। বিস্তৃত মসৃণ আগ্নেয়পৃষ্ঠের উপর রয়েছে বিচিত্র বিশাল ফাটল। মঙ্গল গ্রহের মাটিতে ফণা তোলা সাপ। আরও পড়ুন:  বৃহস্পতি গ্রহের চাঁদ কয়টি? কিসের ছবি তুলল নাসার রোভার নাসা এর কিউরিওসিটি মার্স রোভার মিশনের মাস্ট ক্যামেরা বা মাস্টক্যামের সাহায্যে এই আঙুলের মতো শিলাগুলি দেখেছিল। এগুলি সম্ভবত প্রাচীন অতীতে পাথরের মধ্য দিয়ে ভূগর্ভস্থ জলের স্রোত হিসাবে গঠিত হয়েছিল। সময়ের সাথে সাথে খনিজ সিমেন্ট জমা করে। ব...

রহস্যময় আদিম এক ধূমকেতু! যা খা্লি চোখে দেখা যাবে ৫০ হাজার বছর পর পৃথিবী থেকে

ছবি
আদিম এক ধূমকেতু ৫০ হাজার বছর পর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মাঝে কেটে গিয়েছে প্রায় ৫০ হাজার বছর। আবার সে ফিরে আসছে। যেন সেলিব্রিটি ধূমকেতু । আবারও নীল গ্রহের দুয়ারে দেখা দেবে এক পুরোনো অতিথি। ৫০ হাজার বছর পর দেখা যাবে একটি বিরল ধূমকেতু। কোনও যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই তা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন বিশ্ববাসী।  ধূমকেতু ৫০ হাজার বছর পর দেখা যাবে পৃথিবী  থেকে মহাকাশবিজ্ঞানীরা বলছেন যে, যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং চাঁদের আলো বেশি না হয় তবেই ওই বিশালকার ধাবমান ধূমকেতু খালি চোখে দেখা সম্ভব। শেষ যখন দেখা গিয়েছিল সেই সময় হয়তো আদিম মানুষ নিয়ান্ডারথাল পৃথিবীতে বিচরণ করত। সেখানে হাতির পরিবর্তে ম্যামথ ঘুরত। তখন কোনও দূষণ ছিল না। আকাশ পরিষ্কার থাকত। পূর্বপুরুষরা হয়তো এই ধূমকেতু দেখেছেন। ভাগ্য ভালো যে এই সময়ের মধ্যে এটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে।  আরও পড়ুন:  প্রতি ঘণ্টায় ১২০ টি উল্কাপিণ্ড পড়বে পৃথিবীতে এই ডিসেম্বরে, এর নাম জেমিনিড আপনিও দেখতে পাবেন? গত বছর মার্চে সৌরমণ্ডলের কাছাকাছি দেখা গিয়েছিল এই ধূমকেতুকে। ওয়াইড ফিল্ড সার্ভে ক্যামেরায় সেটিকে দেখেছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।...

নাসাতে চাকরির বড় সুযোগ! ১৫ লাখ টাকা মাইনে দেবে টানা দু’মাস বিছানায় শুয়ে থাকলে?

ছবি
কি কি কাজ করতে পারলে মিলবে ১৫ লাখ টাকা বেতনের চাকরি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা দিচ্ছে চাকরির বড় সুযোগ। কাজ বলতে বিছানায় শুয়ে টিভি দেখতে হবে। বেতন শুনলে চমকে উঠবেন। লক্ষ লক্ষ টাকা।সারাক্ষণ শুয়ে থাকলে ভাগ্যও শুয়ে থাকে। বাড়িতে বেশিক্ষণ শুয়ে থাকলে বা ঘুমিয়ে থাকলে এমন কথা শুনিয়ে দেন বাবা মায়েরা। সে নিয়ে তৈরি হয় মিম কনটেন্টও।  নাসাতে কিভাবে মিলবে ১৫ লাখ টাকা মাইনে চাকরির চিন্তা নেই, সত্যিই হচ্ছে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা দিচ্ছে চাকরির বড় সুযোগ। নাসায় চাকরি পেতে তো বিশাল মেধা আর বিজ্ঞানে অগাধ জ্ঞান থাকা জরুরি।তবে এবার যে চাকরিটা  নাসা দিচ্ছে, তাতে এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। কাজ বলতে বিছানায় শুয়ে টিভি দেখতে হবে। বেতন শুনলে চমকে উঠবেন। লক্ষ লক্ষ টাকা। এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এতটাই বিস্তৃত যে, তা নিয়ে গবেষণার শেষ নেই।  তাই মহাকাশবিজ্ঞানীরা এই মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচন করতে নিরন্তর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন।সম্প্রতি নাসা কৃত্রিম মাধ্যাকর্ষণ শক্তি নিয়ে গবেষণা করছে। সেজন্য এমন কয়েকজন ভলেন্...

মঙ্গল গ্রহে মাকড়সা,গিজ়ার,ডিমের পোচ ও বরফের দেখা?

ছবি
মঙ্গল গ্রহে মাকড়সা,গিজ়ার,ডিমের পোচ ও বরফের দেখা ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগতে পৃথিবীর সবথেকে কাছের গ্রহ মঙ্গল। আর তাই মঙ্গল গ্রহে প্রাণের সম্ভাবনা খুঁজতে বহু বছর ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। মঙ্গলে জল আছে কিনা থাকলেও কী অবস্থায় আছে, জলবায়ু কীভাবে পরিবর্তন হয় সেসব নিয়ে বিস্তর গবেষণা চালাচ্ছেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা।  মঙ্গল গ্রহে বরফের দেখা তাঁদের পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছে যে , মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর চেয়েও ঠাণ্ডা। আবহাওয়ার পরিস্থিতিও কঠিন। সাধারণত সেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। এই তাপমাত্রা পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে রাশিয়ার কাছাকাছি আর্কটিক অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায় তাও সেটা শীতকালে। মঙ্গল গ্রহ সূর্যের থেকে অনেক দূরে। তাই সূর্যের তাপ কম পৌঁছায়। মঙ্গল গ্রহের একটি পাতলা বায়ুমণ্ডল রয়েছে যার মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে ৯৫ শতাংশ।  মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর তুলনায় ১০০ গুণ পাতলা। এরকম নানা কারণে মঙ্গল গ্রহের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের এত নীচে থাকে। কখনও কখনও তাপমাত্রা মাইনাস ১২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও পৌঁছে যায়।নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি (JP...

মৃত্যুর আগে মঙ্গল থেকে নাসা কে শেষ ছবি পাঠাল ইনসাইট ল্যান্ডার

ছবি
মৃত্যুর আগে যে ছবি পাঠাল ইনসাইট ল্যান্ডার। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ইনসাইট নামের একটি রোভার মঙ্গলে পাঠায়। ওই রোবট মহাকাশযানটি পাঠানোর উদ্দেশ্য ছিল লাল গ্রহ মঙ্গলে ভূমিকম্প হয় কি না। হলে সেই কম্পনের তীব্রতা কতটা? মূলত এই দুইটি তথ্য় জোগাড় করার কাজেই এতদিন ব্য়স্ত ছিল ইনসাইট।  ইনসাইট ল্যান্ডার মৃত্যুর আগে কি কি ছবি পাঠিয়েছিল প্রায় ৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে মঙ্গলে নিজের কর্তব্য পালনের পর অকেজো হয়ে পড়ল ল্যান্ডার ইনসাইট নামের ওই রোবট।সম্প্রতি ইনসাইট থেকে পাঠানো একটি ছবি টুইটারে শেয়ার করেছে নাসা। ছবির সূত্রে নাসা জানিয়েছে যে, মঙ্গলে জীবনযাপন শেষ হয়েছে ইনসাইটের। ১৯ নভেম্বর নাসার শেয়ার করা সেই ছবিতেই ধরা পড়েছে মঙ্গলের শেষ চিত্র। ইনসাইটের পাঠানো মঙ্গলের ছবির সঙ্গে টুইটে একটি ছোট্ট বাক্য জুড়ে দিয়েছে নাসা।আমার জন্য চিন্তা করো না।  লেখাটির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে লাল গ্রহের মাটিতে পড়ে রয়েছে ল্যান্ডার ইনসাইট। ইনসাইটের আয়ুষ্কাল ফুরিয়ে আসছে সেই আভাস নভেম্বরেই দিয়েছিল নাসা। প্রতিষ্ঠানটি তখন জানায় যে, সম...

জীবনদায়ী জল কি বাড়ছে পৃথিবীর উষ্ণতা? ২০ বসছরের গবেষণায় মগ্ন NASA

ছবি
 নাসা  গবেষণা  প্রথমবারের মতো ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সম্প্রতি নাসার উদ্যোগে প্রথমবারের মতো বিশ্বের মহাসাগর হ্রদ এবং নদীগুলির সমীক্ষা করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রায় ১৭০ মাইল বা ২৭৫ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে ভ্যানডেনবার্গ ইউএস স্পেস ফোর্স বেস থেকে SWOT (Surface Water and Ocean Topography) কে পৃথিবীর কক্ষপথে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল স্যাটেলাইটটি।  জল কি পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়াতে পারে যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হয় এসইউভি আকারের স্যাটেলাইটটি কয়েক মাসের মধ্যে গবেষণার তথ্য তৈরি করে পাঠাতে শুরু করবে।এই মিশনের একটি প্রধান উদ্দেশ্য হল সমুদ্র ও মহাসাগরগুলি কীভাবে বায়ুমণ্ডলীয় তাপ এবং কার্বন ডাই অক্সাইডকে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শোষণ করে তা অন্বেষণ করা। উল্লেখ্য যে, ওই পদ্ধতি প্রাকৃতিকভাবে বিশ্বের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং জলবায়ু পরিবর্তনকে হ্রাস করতে সহায়তা করে।  আরও পড়ুন:  মক্সি যন্ত্র দিয়ে এবার মঙ্গলে অক্সিজেন তৈরি করছে নাসা, Mars Oxygen গ্রিনহাউস...

মেঘে যদি ধুলো জমে তাহলে কেমন লাগে? এমনি ছবি তুলে দেখাল বুড়ো হাবল

ছবি
মেঘে ধুলো জমে তাহলে কেমন লাগে সেই ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাজাগতিক বিস্ময়ের ছবি একের পর এক তুলেই চলেছে ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নাসার শক্তিশালী টেলিস্কোপ। এবার তারা ফের গোটা বিশ্বকে হতবাক করে দিল চোখ আটকে যাওয়ার মত ছবি পাঠিয়ে। মেঘে ধুলো জমলে কি হয় নাসার শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ হাবল বিশ্বকে মাঝে মাঝেই অনেক চমক দেয়। হাবলের তোলা শত শত আলোকবর্ষ দূরের দৃশ্য সাধারণ মানুষকে অবাক করে। নাসার সেই হাবল এবার ফের একটা চমক দিল। সম্প্রতি নাসা তাদের ইনস্টাগ্রাম পেজে ইন্টারস্টেলার ধুলো এবং মেঘের একটি ছবি শেয়ার করেছে। যা ক্যাপচার করা হয়েছে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে।চকচকে ধূলিকণাগুলি তারার সঙ্গে জড়িত। বেশ কয়েকটি রঙের সংমিশ্রণ। যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪,৩৫০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।  আরও পড়ুন:  রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠাল হাবল টেলিস্কোপ অর্থাৎ ৪ হাজার ৩৫০ বছর আগে যে মহাজাগতিক ঘটনা ওই স্থানে ঘটেছিল তা এখন দেখতে পাচ্ছেন বিশ্ববাসী। এছাড়াও নাসার শেয়ার করা ছবিতে হাজার হাজার নক্ষত্রের সংগ্রহ দেখা যাচ্ছে।এই সব মিলিয়েই তৈরি হয়েছে প্রচ...