পোস্টগুলি

পৃথিবী লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নাসার চমকপ্রদ আবিষ্কার: সমুদ্রের তলে ১,০০,০০০ লুকানো পাহাড় উন্মোচিত!

ছবি
নাসার সমুদ্রের তলদেশে লুকানো পাহাড়ের মানচিত্র। নাসার চমকপ্রদ আবিষ্কার: সমুদ্রের তলে ১,০০,০০০ লুকানো পাহাড় নাসার সম্প্রতি প্রকাশিত সমুদ্রপৃষ্ঠের মানচিত্রে এক চমকপ্রদ আবিষ্কার ধরা পড়েছে। বিজ্ঞানীরা সমুদ্রের গভীরে প্রায় ১,০০,০০০ লুকানো পাহাড়ের অস্তিত্ব শনাক্ত করেছেন। এই আবিষ্কার শুধু ভূতত্ত্ব নয়, বরং পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সমুদ্রের তলদেশের রহস্য নাসার স্যাটেলাইট এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা সমুদ্রের গভীর তলদেশে লুকিয়ে থাকা পাহাড়ের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেছেন। সংখ্যা: প্রায় ১,০০,০০০। উচ্চতা: গড়ে ১,৫০০ মিটার বা তারও বেশি। অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগরের গভীর অংশে। এই পাহাড়গুলো সমুদ্রপৃষ্ঠে সরাসরি দৃশ্যমান না হলেও, স্যাটেলাইটের গ্রাভিটি ফিল্ড এবং রাডার প্রযুক্তির সাহায্যে এগুলো সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। কেন এই আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ? ১. পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস উন্মোচন সমুদ্রের তলদেশে এমন লুকানো পাহাড়ের উপস্থিতি পৃথিবীর প্লেট টেকটোনিকস, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং ভূগর্ভস্থ কাঠামো সম্পর্কে নতুন তথ্য দেয়। ২. জীব...

কাজ করবে না আর অ্যান্টিবায়োটিক, ‘অবাধ্য’ জীবাণুর কামড়ে পৃথিবীতে প্রাণ হারাবে ৪ কোটি মানুষ!

ছবি
অ্যান্টিবায়োটিক এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   অ্যান্টিবায়োটিকের উদ্ভাবন চিকিৎসা বিজ্ঞানের যুগান্তকারী আবিষ্কারের অন্যতম। কিন্তু মুড়ি-মুড়কির মতো সেই ওষুধ খেয়ে চলাই কাল হতে চলেছে। চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করলেও ভ্রূক্ষেপ করেননি কেউ। কেননা এর ফলে একশ্রেণির জীবাণু ক্রমেই অবাধ্য’ হয়ে উঠছে। যার জেরে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণ। গবেষকরা দাবি করেছেন যে, ২০৫০ সালের মধ্যে ৪ কোটি মানুষের মৃত্যু হবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণের কারণেই। কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিডোমিওলজিস্ট জোসেফ লিওনার্দ বলেছেন যে, আমরা নিজেদের কোথায় এনে ফেলেছি এটা আমাদের বুঝতে হবে।দ্য ল্যান্সেট’-এ প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ১৯৯০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এই কারণে। আগামী সময়ে এর হার আরও বাড়বে। এবং ২০২৫ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে তা বার্ষিক ২০৪টি দেশের ২০ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ হবে। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়াবে ৩ কোটি ৯০ লক্ষের বেশি। আরও পড়ুন:  মঙ্গলে সন্ধান দেড় লক্ষ টন জল, প্রাণে...

পৃথিবী কি পুরুষ-শূন্য হয়ে যাবে? আশঙ্কার কথা জানাল গবেষণা

ছবি
ক্রোমোজোমে এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   কন্যাভ্রূণ হত্যার কথা প্রায়ই শোনা যায়। পুত্রসন্তানের জন্ম না দেওয়ায় মহিলার উপর নির্যাতনের খবরও সামনে আসে। কিন্তু, বিজ্ঞান বলছে যে, সন্তান পুত্র না কন্যা হবে, তা নির্ভর করে তার পিতার ক্রোমোজোমোর উপর। পুরুষের ওয়াই ক্রোমোজোমের সাহায্যেই একজন নারী পুত্রসন্তানের জন্ম দিতে পারেন। কিন্তু, সেই ওয়াই ক্রোমোজোমই যদি ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়? তাহলে কি আর পৃথিবীতে পুরুষের অস্তিত্ব থাকবে? এক গবেষণায় ওয়াই ক্রোমোজোম নিয়ে এমনই আশঙ্কার কথা শোনালেন গবেষকরা। মানুষের দেহে প্রতি কোষে একজোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে। নারীর দেহে দুটোই এক্স ক্রোমোজোম। আর পুরুষের দেহে একটি এক্স ও অপরটি ওয়াই ক্রোমোজোম। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে যে, ডিম্বাণুর নিষেক ঘটে সেটি এক্স ক্রোমোজোম বহনকারী না ওয়াই ক্রোমোজোম বহনকারী শুক্রাণুর সঙ্গে মিলিত হচ্ছে, তার উপরই নির্ভর করে মেয়ে না ছেলে হবে। প্রসেডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স জার্নালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে ওয়াই ক্রোমোজোমের সংকোচন নিয়ে। বছর দুয়েক আগের ওই গবেষণাপত্র বলছে যে, মানুষের ওয়াই ক্রোমোজোম ক্রমশ সঙ্কুচিত হচ্ছে। বিজ...

সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতি কত?

ছবি
সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতি ছবি। সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতি  সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর ঘূর্ণন একটি গতি যেখানে পৃথিবী একটি অবিরাম গতিতে এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে ভ্রমণ করে। এই গতি আমাদের গ্রহের প্রতিটি ঋতুর সময়কাল এবং দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করে। পৃথিবীর সূর্যের চারপাশে যাত্রা শেষ করতে ৩৬৫ দিন লাগে। পৃথিবী তার অক্ষের উপর একই সময়ে সূর্যের চারদিকে ঘোরে। সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতিবেগ পৃথিবীর কক্ষপথের গতি গড় ২৯.৭৮ কিমি/সেকেন্ড (19 মাইল/সেকেন্ড; 107,208 কিমি/ঘন্টা; 66,616 মাইল), যা ৭ মিনিটে গ্রহের ব্যাস এবং ৪ ঘণ্টায় চাঁদের দূরত্ব কভার করার জন্য যথেষ্ট দ্রুত। আরও পড়ুন:  পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কে আবিষ্কার করেন? উপরে চিত্রে সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথে বিভিন্ন অবস্থান এবং অক্ষীয় ঢালের মধ্যকার সম্পর্ককে দেখানো হয়েছে। এখানে পৃথিবী উপবৃত্তাকার কক্ষপথের ছয়টি চিত্রের প্রতিটির মধ্য দিয়ে ক্রমান্বয়ে অতিক্রম করে। এখানে, ২ থেকে ৫ই জানুয়ারির মধ্যে পেরিহেলিয়ন বা অনুসূর (পেরিয়াপসিস - সূর্যের নিকটতম বিন্দু); ১৯ থেকে ২১শে মার্চের মধ্যে বসন্ত বিষুব; ২০ থেকে ২২শে জুনের মধ্যে উত্তর-অয...

পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কে আবিষ্কার করেন?

ছবি
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হল পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে তার পৃষ্ঠের বা তার কাছাকাছি একটি বিন্দুর দূরত্ব। আর্থ গোলক একটি উপবৃত্তাকার উপবৃত্তাকার দ্বারা পৃথিবীর চিত্রের আনুমানিক ব্যাসার্ধ সর্বাধিক থেকে প্রায় ৬,৩৭৮ কিমি ৩,৯৬৩ মাইল থেকে সর্বনিম্ন প্রায় ৬,৩৫৭ কিমি বা ৩,৯৫০ মাইল। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ আবিষ্কার সাইরিনের ইরাথোস থেনিস বা এরাটোস্থেনিস (প্রাচীন গ্রিক: Ἐρατοσθένης, আইপিএ: [eratostʰénɛːs]; ইংরেজিঃ ɛrətɒsθəniːz/; খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৬ – খ্রিষ্টপূর্ব ১৯৫/১৯৪ ছিলেন একজন গ্রিক গণিতজ্ঞ, ভূগোলবিদ, কবি, জ্যোতির্বিদ, এবং সঙ্গীত তত্ত্ববিদ। তিনি ছিলেন জ্ঞানপিপাসু ব্যক্তি, যিনি আলেকজেন্দিয়া লাইব্রেরী-তে কেবলমাত্র জ্ঞানার্জনের জন্য কর্মরত ছিলেন। তিনি জ্ঞানের অন্যতম শাখা ভূগোল এবং এর কতিপয় পরিভাষা উদ্ভাবন করেন, যা আজ আমদের জ্ঞান তৃষ্ণা মেটাচ্ছে। আরও পড়ুন:  পৃথিবীর পরিধি কত মিটার? ইরাতোস্থিনিস লক্ষ করেন বছরের নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে সিয়েনে (বর্তমান আসওয়ান, মিশর) লম্বভাবে বা সোজাভাবে পোতা দন্ড ছায়া ফেলে না। কিন্তু ঐ সময়ে আলেকজান্দ্রিয়াতে (মিশরের একটি প্রাচীন শহর) পোতা দন্ড ছায়া ...

পৃথিবীর পরিধি কত মিটার?

ছবি
পৃথিবীর পরিধি ও মিটার। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীর পরিধি হল পৃথিবীর চারপাশের দূরত্ব । বিষুবরেখার চারপাশে পরিমাপ করা হয় , এটি 40,075.017 কিমি (24,901.461 মাইল)। মেরুগুলির মধ্য দিয়ে পরিমাপ করা হয়েছে , পরিধি হল 40,007.863 কিমি (24,859.734 মাইল)। পৃথিবীর পরিধি পরিমাপ প্রাচীনকাল থেকেই ন্যাভিগেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ । প্রথম পরিচিত বৈজ্ঞানিক পরিমাপ এবং গণনাটি ইরাটোসথেনিস দ্বারা করা হয়েছিল।একটি পরিচিত উত্তর-দক্ষিণ দূরত্বের দুটি স্থানে মধ্য দিবসের সূর্যের উচ্চতা তুলনা করে।  তিনি তার গণনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নির্ভুলতা অর্জন করেছিলেন।  পৃথিবীকে একটি গোলক হিসাবে বিবেচনা করলে এর পরিধি হবে এর একক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ। পৃথিবী গোলাকার থেকে প্রায় 0.3% বিচ্যুত হয় যেমন চ্যাপ্টা হয়ে থাকে । আধুনিক সময়ে পৃথিবীর পরিধি দৈর্ঘ্য পরিমাপের মৌলিক একক সংজ্ঞায়িত করতে ব্যবহৃত হয়েছে সপ্তদশ শতাব্দীতে নটিক্যাল মাইল এবং আঠারো শতকে মিটার ।  আরও পড়ুন: পৃথিবীর কক্ষপথ কে আবিষ্কার করেন? পৃথিবীর মেরু পরিধি ২১,৬০০ নটিক্যাল মাইলের খুব কাছাকাছি কারণ নটিক্যাল মাইলের উদ্দেশ্য ছিল এক মিনিটের...

পৃথিবীর কক্ষপথ কে আবিষ্কার করেন?

ছবি
পৃথিবীর কক্ষপথের ছবি ১। পৃথিবীর কক্ষপথ কাকে বলে ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  কক্ষপথ ইংরেজি নাম Orbit। কক্ষপথ বলতে কোন একটি বস্তুর কেন্দ্রমুখী বলের প্রভাবে অপর একটি বস্তুর চারদিকে ঘোরার পথকে বোঝায়। পদার্থবিদ্যায় কক্ষপথ বলতে বোঝায় মহাকর্ষীয় বলের ফলে কোন বস্তুর বক্র পরিক্রমণ পথ। উদাহরণস্বরূপ একটি নক্ষত্রকে ঘিরে কোনো গ্রহের প্রদক্ষিণ।সাধারণত গ্রহের কক্ষপথ হয় উপবৃত্তাকার।  কক্ষীয় গতি সম্পর্কিত বলবিদ্যার বর্তমান ধারনাটির ভিত্তি হল আলবার্ট আইনেস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা। সাধারণ আপেক্ষিকতা বা আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব বলতে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন কর্তৃক ১৯১৫-১৯১৬ সালে আবিষ্কৃত মহাকার্ষের জ্যামিতিক তত্ত্বকে বোঝায়। এটি বিশেষ আপেক্ষিকতা এবং নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্বকে একীভূত করার মাধ্যমে একটি বিশেষ অন্তর্দৃষ্টির জন্ম দিয়েছে। কক্ষপথের ইতিহাস আধুনিক কক্ষপথ বোঝার জন্য যে ভিত্তি সেটি প্রথম জোহানেস কেপলার এর তিনটি সূত্র দ্বারা প্রণয়ন করা হয়েছিল। প্রথমত তিনি দেখেন যে, আমাদের সৌরজগৎের গ্রহগুলোর কক্ষপথ উপবৃত্তাকার না বৃত্তাকার । এবং সূর্য কক্ষপথের কেন্দ্রে অবস্থিত নয়। দ্বিতীয়ত, সূর্য ...

একমাত্র পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব আছে কেন?

ছবি
প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবী হচ্ছে সৌরজগতের একমাত্র অনন্য গ্রহ, যেখানে জীবন তার সকল রূপেই বিদ্যমান। জীবাণু থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক বুদ্ধিসম্পন্ন প্রাণী মানুষ সহ প্রাণের সকল অস্তিত্বই এখানে বিদ্যমান। পৃথিবীতে প্রাণের সাবলীল অস্তিত্বের অনেক কারণ রয়েছে। যে ৫ কারণে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব প্রাণ বলতে আমরা যা বুঝি অর্থাৎ হাইড্রোজেন ও কার্বনের মিশ্রণে তৈরি জৈবযৌগ এর জন্য সবচেয়ে অনুকূল পরিবেশ এই পৃথিবীতেই রয়েছে। এর অবস্থান সূর্য থেকে এমন দূরত্বে যেখানে খুব গরম বা ঠাণ্ডা নে ই।  সবচেয়ে বড়ো কথা হল তরল পানি রয়েছে, আমাদের শ্বসনের জন্য অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে, বায়ুমণ্ডল রয়েছে, চৌম্বকক্ষেত্র রয়েছে যা সূর্যের বিকিরণ থেকে আমাদের রক্ষা করে। যথেষ্ট স্থলভাগ রয়েছে এবং সেখানে আমরা খাবার ফলাতে পারি।  এদিকে অন্যান্য গ্রহগুলোর অবস্থা আমাদের জন্য চরম। বুধ, শুক্র অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং এর বাতাস শ্বাসের উপযোগী নয় মঙ্গল তুলনামূলক আমাদের পৃথিবীর মতোই প্রায় তবে এর বায়ুমণ্ডল অনেক পাতলা এবং অক্সিজেন এর মাত্রা অতি নগণ্য। এরপরের গ্রহগুলো বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন গ্যাসীয়...

পৃথিবীর গভীরে ১০ কিলোমিটার গর্ত কেন খুঁড়ছে চীন?

ছবি
কেন পৃথিবীর গভীরে ১০ কিলোমিটার গর্ত খুঁড়ছে চীন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মহাকাশ বিজ্ঞানে এগিয়ে থাকার চেষ্টা চালিয়ে চলেছে। এমনকি কিছু কিছু দেশ তাদের সাফল্যের পতাকা উত্তোলন করেও ফেলেছে। তবে পৃথিবীর অভ্যন্তরের রহস্য বুঝতে বিশ্ব এখনও অনেক পিছিয়ে সে কথা বলা যেতেই পারে। পৃথিবীর অভ্যন্তরে কী ঘটছে তা কি জানা সম্ভব? তবে অনেক অজানাকেই জানাতে পরিণত করতে চিন একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।পৃথিবীর গভীরে প্রবেশ করতে চলেছে দেশটি। এমনকি ১০ কিলোমিটার খুঁড়েও ফেলেছে। প্রায় ১০টি স্তর খনন করার পরে চিন ক্রিটেসিয়াস সময়ের ১৪৫ মিলিয়ন বছর আগে পাথর বের করে আনতে পারবে। যদিও এমনটাই ধারণা করছে চিন। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। ফলে প্রাচীন যুগের পাথরের খোঁজে লেগে পড়েছে চিনা বিজ্ঞানীরা। চিন কি পারবে ১৪৫ মিলিয়ন বছর আগে পাথর বের করতে? যদিও চিনের এই খনন প্রক্রিয়া কোনওভাবেই রেকর্ড করতে পারবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এরও একটি কারণ আছে। তা হল ২৪ মে, ১৯৭০-এ রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত কোলা উপদ্বীপে প্রায় ১১ কিলোমিটার খোঁড়া হয়েছিল। আর সেখান থেকেই জানা গিয়েছিল যে, মাটির নীচে এত গভীর...

পৃথিবী কেন ধ্বংস হবে?

ছবি
পৃথিবী ধ্বংসে প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিজ্ঞানীদের দাবি পৃথিবীতে প্রথম প্রলয় আসে ৪৪৩ মিলিয়ন বছর আগে। এর নাম দেওয়া হয় এন্ড অর্ডোভিসিয়ান। এই সময় পৃথিবীর সমস্ত জল বরফে পরিণত হতে থাকে।সাগরে বসবাসকারী প্রাণীরা মারা যেতে থাকে। এই সময় প্রায় ৮৬টি প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যায়। ২০১৭ সালের বর্তমান জীববিজ্ঞান জার্নালে বিশদভাবে এই প্রলয়ের ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পৃথিবী ধ্বংস হবে দ্বিতীয় প্রলয় হয় প্রায় ৩৫৯ থেকে ৩৮০ মিলিয়ন বছর আগে। একে বলা হয় এন্ড ডেভোনিয়ান। আগ্নেয়গিরির আকস্মিক সক্রিয়তার কারণে এই প্রলয় আসে। অক্সিজেনের মাত্রা কমতে শুরু করে। তখন উপস্থিত প্রায় ৭৫ শতাংশেরও বেশি প্রজাতি বিলুপ্ত হয়। অনেক মাছ ধ্বংস হয়ে যায়। মজার বিষয় হল যে, ছোটো প্রজাতির প্রাণীরা বেঁচে ছিল। সেখান থেকেই উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিভাজন শুরু হয়।  এবার ষষ্ঠবারে প্রলয় আসার পালা। এই নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন। কীভাবে আসলে সেই প্রলয় বা ধ্বংসলীলা কেন এবং কখন?এই প্রসঙ্গে নয়ের দশকে বিখ্যাত জীবাশ্মবিদ রিচার্ড লিকি সতর্ক করেছিলেন যে, ষষ্ঠ বিলুপ্তির জন্য মানুষই দায়ি হবে। কারণ হি...

পৃথিবীকে কিভাবে বদলে দিচ্ছে মনুষ্য যুগ?

ছবি
প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মনুষ্যযুগ বা অ্যান্থ্রোপসিন। মধ্য বিংশ শতকেই পৃথিবী পা রেখেছে এই যুগে। এই গ্রহ জুড়ে রাজত্ব করছে মানুষ। এমনই দাবি করছেন একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের ব্যাখ্যা এই যে, পৃথিবীর প্রায় এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে মানুষের পা পড়েনি। বায়ুমণ্ডলে শ্বাসরুদ্ধ করা গ্রিনহাউস গ্যাস, মাইক্রোপ্লাস্টিকের বাড়বাড়ন্ত, ক্ষতিকর রাসায়নিক, পুরনো মোবাইল ফোন থেকে মুরগির হাড সবেতেই মানুষের কর্তৃত্ব ও তার জেরে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ স্পষ্ট।  মানুষেই পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যা প্রমাণ করে দেয় যে অ্যান্থ্রোপসিন শুরু হয়ে গিয়েছে।২০০৯ সাল থেকে একদল বিজ্ঞানী অ্যান্থ্রোপসিন সংক্রান্ত গবেষণা করে চলেছেন। আগামিকাল তাঁদের সর্বশেষ রিপোর্টটি প্রকাশিত হতে চলেছে। খাতায়কলমে বর্তমানে হলোসিন অধ্যায় চলছে। এই যুগ শুরু হয়েছিল ১১,৭০০ বছর আগে। শেষ গ্লেসিয়াল পিরিয়ড-এর পরে। কিন্তু এই মুহূর্তে বিজ্ঞানীদের দাবি যে, মানুষের কার্যকলাপের প্রভাবে হলোসিন শেষ হয়ে মধ্য বিংশ শতকেই অ্যান্থ্রোপসিন শুরু হয়ে গিয়েছে। এ নিয়ে দীর্ঘ বিতর্কও রয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, জাপানের বেপু বেতে সমুদ্রের নী...

বিমানের ফুয়েল ট্যাঙ্ক মাঝ আকাশ থেকে খসে পড়লে কি হবে? ঠিক ভারতে এমনি হল এক দুর্ঘটনা

ছবি
 ভারতীয়  MiG-29 ফাইটার জেট থেকে ভেন্ট্রাল ড্রপ ট্যাঙ্ক পড়ে যায় ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিপদ কি আর বলে কয়ে আসে কখন যে কী ঘটে তা আর কে বলতে পারে। ২২ মে ২০২৩-এ একটি বড় বিপদের সম্মুখীন হতে হল বায়ুসেনাকে। এদিন একটি MiG-29 (MiG-29 ফাইটার জেট) ফাইটার পশ্চিমবঙ্গের কলাইকুন্ডা বিমান বাহিনী ঘাঁটি থেকে একটি নিয়মিত প্রশিক্ষণ মিশনে উড়েছিল। ফেরার সময় ফাইটার জেট থেকে ভেন্ট্রাল ড্রপ ট্যাঙ্ক পড়ে যায়।  সব থেকে ভাল বিষয় হল ট্যাঙ্কটি এয়ারবেসের কাছে একটি জঙ্গলে পড়েছিল। এতে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। তবে ভয়ঙ্কর এক বিপদ থেকে বেঁচে গেল ভারতীয় বায়ুসেনা। কিন্তু প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে যে ঘটনাটি কীভাবে ঘটল? এত বড় ফুয়েল ট্যাঙ্ক কীভাবে পড়ে গেল? এর জন্য দায়ী কে? নাকি এটা কোনও রুটিন মিশনের অংশ ছিল অথবা ফাইটার জেটের ওজন কমাতেই কী এটা করা হয়েছে নাকি? সব কিছুর উত্তর খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভেন্ট্রাল ড্রপ ট্যাঙ্কটির কাজ কী? যে কোনও ফাইটার জেটে অতিরিক্ত জ্বালানির জন্য ভেন্ট্রাল ড্রপ ট্যাঙ্কটি ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ কোনও জরুরী পরিস্থিতিতে যাতে সেটিকে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু চলতি বছরের ২২ মে ঘ...

500 বছর আগে পৃথিবী কেমন ছিল?

ছবি
৫০০ বছর আগে পৃথিবীর মানুষ কেমন ছিল। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বর্তমান সময়ে সবকিছু অনেক সহজ হয়ে গেছে। আমরা এখন চাইলেই কয়েক ঘন্টার মধ্যেই এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে পারি। চাইলেই কয়েক মুহুর্তের মধ্যেই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে থাকা মানুষগুলোর সাথে যোগাযোগ করতে পারি। এখনকার সময়ে টেকনোলজি অনেক আপডেট হওয়ার সাথে সাথে মানুষগুলোও স্মার্ট হয়ে গেছে । এই প্রজন্মের মানুষগুলোর লাইফ স্টাইল এমন হয়ে গেছে যে প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া তারা এক পাও সামনে অগ্রসর হতে পারে না ।  কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন। আজ থেকে ৫০০ বছর আগে আমাদের পৃথিবী কেমন ছিল। আর তখন মানুষ কেমন ভাবে জীবনযাপন করতো। কেমন ছিল তাদের নিত্যদিনের লাইফস্টাইল গুলো।আজ থেকে ৫০০ বছর আগে পৃথিবীতে মানব সভ্যতার সময়কাল কে ইতিহাসের মধ্যযুগ ধরা হয়। সেই সময়ে যে শাসক ছিলেন তাদের রাজা বলা হয়। এই ৫০০ বছর সালের দিকে indi genius শাসকরা তো  রাজত্ব করেছিল ই। কিন্তু এছাড়াও বাইরের দেশের কিছু আক্রমণকারী ভারতে ঢুকে পড়েছিল এবং তারাও ভারতে রাজত্ব করছিল। এই সময় ভারতে পল্লব চোল চালক্য পান্ডিয়া রাষ্ট্রগুটার মত কিছু শক্ত...

ধেয়ে আসছে ‘সিটি কিলার’ গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে! বিপদের আশঙ্কা কতটা?

ছবি
সিটি কিলার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিপদের আশঙ্কা ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চাঁদ এবং শুক্রগ্রহের কাছাকাছি চলে আসছে সিটি কিলার নামের এক গ্রহানু। তার ফলে, শুক্রসন্ধ্যায় মহাকাশে ব্ল্যাকবোর্ডে আচমকা তৈরি হল একটি উল্টে যাওয়া চন্দ্রবিন্দু। সম্প্রতি এমনই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে গোটা বিশ্ব।  কবে সিটি কিলার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে চলে যাবে একটি গ্রহাণু যার পোশাকি নাম ২০২৩ ডিজেড-২। যদিও ওই গ্রহাণুকে ডাকা হচ্ছে সিটি কিলার’ নামেই। এমনটাই জানাচ্ছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি।মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মতে এই যে, ওই গ্রহাণুর আয়তন ৪০-১০০ মিটারের মতো।  আরও পড়ুন:  প্রতি ঘণ্টায় ১২০ টি উল্কাপিণ্ড পড়বে পৃথিবীতে এই ডিসেম্বরে, এর নাম জেমিনিড আপনিও দেখতে পাবেন? যা পৃথিবীর যে কোনও একটি শহরকে ধ্বংস করার পক্ষে যথেষ্ট ক্ষমতাসম্পন্ন। তবে এই দফায় মহাকাশবিদদের মতে, ওই গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষ হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। তাঁরা জানাচ্ছেন যে, সিটি কিলার উড়ে যাবে চাঁদ এবং পৃথিবীর মাঝখান দিয়ে। পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে এক লক্ষ ৬৮ হাজার কিলোমিটার দূর দিয়ে উড়ে ...

পৃথিবীকে সঙ্কটে ফেলছে কোন দেশগুলো? স্যাটেলাইট থেকে বের করে ফেলল NASA

ছবি
র্তমানে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন সারা বিশ্বের দেশগুলি  এমনি চিত্র। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  কার্বন নিঃসরণকে কেন্দ্র করে একের পর এক সতর্কবার্তা দিয়ে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু তাতেও কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য় করা যাচ্ছে না। বরং মানুষ যত উন্নয়নশীল হয়ে উঠছে সেই সঙ্গে অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পুরো পৃথিবী। বর্তমানে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন সারা বিশ্বের দেশগুলির মধ্যে একমাত্র বিতর্কের কারণ হয়ে উঠেছে। কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে সব দেশই বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।  কিন্তু কোনও সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ এখনও অবধি নেওয়া হয়নি বললেই চলে। আর গবেষকরা বহুদিন ধরেই কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন নিয়ে অনেক গবেষণা করে চলেছেন। বর্তমানে এক নতুন গবেষণায় মারাক্ত ফলাফল এসছে।  পৃথিবীকে যে দেশগুলো বিপদে ফেলছে নাসার পর্যবেক্ষকরা স্য়াটালাইটের সাহায্যে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন নিয়ে পরীক্ষা করেছেন। আর তারপর তারা গবেষণা সংক্রান্ত একটি মানচিত্র সামনে এনেছেন। এতে সেসব দেশকে সবুজ রঙে দেখানো হয়েছে। সেই সব দেশগুলির কার্বন নিঃসরণ কম। গাঢ় ...

এবার 25 ঘণ্টায় হবে এক দিন? শত চেষ্টা করেও পৃথিবীর কাছে থাকছে না চাঁদ

ছবি
পৃথিবী থেকে চাঁদ ক্রমশ সরে যাচ্ছে ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ। এবার হয়তো আর ২৪ ঘণ্টায় এক দিন সম্পূর্ণ হবে না। ভাবছেন সে আবার কেমন কথা! সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে রাতে শুতে যাওয়া পর্যন্ত আপনি কখনও বুঝতে পারেন না। যে, দিনের দৈর্ঘ্য ক্রমাগত বাড়ছে। বোঝার কথাও নয়, সারাদিন এমনভাবে ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে কেটে যায় যে, কতক্ষণ দিন আছে সেটাই বোঝা দায় হয়ে যায়।  কেন 25 ঘণ্টায় হবে এক দিন তবে জেনে রাখুন পৃথিবীতে দিনের দৈর্ঘ্য় একটু একটু করে বেড়েই চলেছে। অর্থাৎ এমনটা ধরা যেতেই পারে যে, দিনের দৈর্ঘ্য় ২৪ ঘণ্টার জায়গায় ২৫ ঘণ্টা হতে হয়তো বেশি দিন বাকি নেই। চাইলে আপনি একবার খেয়াল করে দেখতেই পারেন ।যে, কতক্ষণ দিন থাকছে তবে তা ঘড়ি দেখে বোঝা সম্ভব নয়। তবে বিজ্ঞানীরা কিন্তু তাঁদের গবেষণা জারি রেখেছিলেন। আর তার ফলাফল সামনে আসতেই তাঁরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।  বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, লক্ষ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীতে দিনের দৈর্ঘ্য ছিল ১৩ ঘণ্টারও কম। কিন্তু বর্তমানে তা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। আর এর কারণ হল চাঁদ । ধীরে ধীরে চাঁদ আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়্যাল হলওয...