Responsive Ad Slot

পৃথিবী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পৃথিবী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

পৃথিবী থেকে মহাকাশ স্টেশনের দূরত্ব ও স্টেশনে যেতে কত সময় লাগে

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২১

 বন্ধুরা আমরা জানি মহাকাশ বিষয়ে  জানতে আপনাদের ভালো লাগে তাই আজকে নিয়ে এলাম আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন নিয়ে সম্পূর্ণ তথ্য কবে শুরু হয়েছিল কোন কোন দেশ জড়িত কতদিন কাজ করবে কিভাবে তৈরি হয়েছিল এবং পৃথিবী থেকে মহাকাশ স্টেশনের দূরত্ব সমস্তটাই । 

 আপনারা জানতে পারবেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের মূল উদ্দেশ্য হলো মহাকাশ বিষয়ক গবেষণা কে আরো ত্বরান্বিত করা । ভবিষ্যতে মহাকাশে মানুষের অভিযান মাইক্রো গ্রাভিটি মহাকাশের টিকে থাকা ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণা করা হয় । এখানে ১৬ টি দেশের সহযোগিতা আর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল । কৃত্রিম উপগ্রহের মহাকাশে যাত্রার সূচনা হয় কোন ১৯৯৮ সালের ২০ নভেম্বর কাজাখাস্তানের বাইক লঞ্চ সাইটের একটি লঞ্চ থেকে প্রোটন কে নামের রাশিয়ান রকেটের মাধ্যমে । ফুটবল মাঠের সমান ওজনের প্রতিটি গাড়ির থেকেও বেশি মানে প্রায় ৪৫০ জন এই মহাকাশযানকে একদিনে কিন্তু পুরোটা তার কক্ষপথে পাঠানো হয়নি । 

আগেই বলেছি এর সাথে জড়িয়ে আছে অনেক ইতিহাস প্রায় ১২ বছর ধরে ৩০ টির বেশী মিশন পরিচালনার মাধ্যমে পূর্ণতা পায় । এই আই এস এর মানে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন প্রতি ঘন্টায় ৮০০০ এর কিলোমিটারেরও বেশি বেগে পৃথিবীতে প্রতি ৯০ মিনিটে একবার করে প্রদক্ষিণ করে চলেছে । এটি ১৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে আবর্তন গতি দানব স্পেস স্টেশন একদিনে আনুমানিক ১৬১২ প্রদক্ষিণ করে পৃথিবীতে মহাকাশে আর্থ কক্ষপথের পৃথিবী থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরত্বে আবর্তন করে চলেছে ।


পৃথিবী থেকে মহাকাশ স্টেশনের দূরত্ব ও স্টেশনে যেতে কত সময় লাগে
মহাকাশ স্টেশনের ছবি


পৃথিবী থেকে মহাকাশ স্টেশনের দূরত্ব

পৃথিবীর প্রায় সব মানুষের ক্ষেত্রেই ব্যাপারটা এমন। তবে পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) থাকা ছয় নভোচারীদের বেলায় ব্যাপারটা আলাদা।আগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছতে প্রায় ৪৫ ঘণ্টা ব্যয় হতো। দু'দিন সময় লাগার কারণ, মহাকাশ স্টেশনে ২৫০ মাইল দূর থেকে পৃথিবীর চারপাশে অনবরত ঘুরছে, তাই এর সঠিক পয়েন্টে পৌঁছানো খুব সহজ নয়। এর জন্য অবতরণের আগে মহাকাশযানগুলোকে ১৬ বার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে হয়। প্রতিবার প্রদক্ষিণ করতে ৯০ মিনিটের মতো সময় লাগে ।

মহাকাশ স্টেশনের ইতিহাস 

এই আই এস এস কিন্তু শুরুর গল্পটা কি ছিল চলে যাই শুরুর গল্পে একটা সময় ছিল যখন মহাকাশ স্টেশনের কথা কেবল কল্পবিজ্ঞানের শোভা পেত । কিন্তু বাস্তবতার মুখ দেখতে পারি দিতে হয়েছে বেশ কিছুটা পথ আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের কথা বলতে গেলে শুরুতেই যে মানুষটার নাম উঠে আসে তিনি হলেন আমেরিকার ৪৪ তম প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান । হাজার ১৯৮৪ সালের ২৫ শে জানুয়ারি তিনি নাটকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং অন্যান্য দেশের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একটি স্পেস স্টেশন তৈরি করার আদেশ দেন । ১০ বছরের মধ্যে যাতে মানুষ মহাকাশে থেকে আরও নিখুঁত ভাবে গবেষণার কাজ গুলো করতে পারে । শুরু হয় মহাকাশ স্টেশন তৈরি কার্যক্রম এর দুই বছর পরেই জাপান কানাডা এবং ইউরোপ এই প্রকল্পে অংশীদারি চুক্তি স্বাক্ষর করে ।১৯৮৭ সালের চূড়ান্ত নকশা সম্পন্ন হয় আর তার পরের বছরই এর নাম দেন ফ্রিডম । কিন্তু এই প্রকল্পে অর্থ সংকট নকশাকৃত স্টেশনে নির্মাণের জন্য খরচের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার । অন্যদিকে স্পেস শাটল challenger7 মৃত্যুর পরে এই প্রজেক্টে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকেই প্রেসিডেন্ট । বিল ক্লিনটন ক্ষমতায় আসার পর ১৯৯৪ সালে পুনরায় এর নকশা করার আদেশ দেন কিন্তু এবারের খরচের দিকটা মাথায় রেখে নকশা করার এবং আরও কিছু দেশের সহযোগিতার জন্য আদেশ আসে । 

এবারের খরচের কথা মাথায় রেখে আরো উন্নত একটি মডেল তৈরি করা হয় যার নাম দেওয়া হয় আলফা । কিন্তু খরচ আরো কমে আসে রাশিয়ার হস্তক্ষেপে স্থগিত রাখা রাশিয়ান স্পেস স্টেশন টু এর যন্ত্রাংশ আর মডেল গুলো ব্যবহার করা হয় এতে সবমিলিয়ে আগের চেয়ে অনেক সাশ্রয়ী আর উন্নত একটি স্টেশন তৈরি সম্ভব হয় । আর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন । আমেরিকার নাসা রাশিয়ার ব্রাজিল কানাডার স্পেস এজেন্সি জাপানের যাত্রা এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির প্রধান ১১ টি দেশের স্পেস স্টেশন ইন্টার গভারমেন্ট এগ্রিমেন্ট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে রচিত হয় । সম্মিলিতভাবে কাজ করার এক অভূতপূর্ব ইতিহাস এর মাধ্যমে সবগুলো দেশ প্রয়োজন অনুযায়ী আইএসএস মডেল পাঠানো আর্থিক সহায়তা মিশন পরিচালনা এবং এর দেখাশোনা করা গবেষণার তথ্য ভাগাভাগি করে নেওয়ার নিশ্চয়তা পায় । 

বিলিয়নেরও বেশি এর দেখাশোনা করা গবেষণার তথ্য ভাগাভাগি করে নেওয়ার নিশ্চয়তা পায় ২০১৫ সালের তথ্য অনুযায়ী মানব ইতিহাসে তৈরি সবথেকে ব্যয় বহুল বস্তু আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে । ইতিহাস থেকে কিভাবে পাঠানো হয়েছিল তার কক্ষপথে এবার বলবো সেটি ফুটবল মাঠের আকৃতি এবং প্রায় ৪ লক্ষ ৮ হাজার কেজি স্পেস স্টেশন থেকে একবারে কিন্তু পাঠানো হয়নি । এর কক্ষপথের ১৯৯৮ সাল থেকে শুরু করে ২০১১ সাল পর্যন্ত ৩০ টির বেশী মিশন পরিচালনা করে সম্পূর্ণ করা হয় স্পেস স্টেশনটি । সবগুলো মডেল সংযোজনের কাজ একবারে একেকটি মডেল যোগ করা হতে থাকে যার প্রতিটি কাজ আলাদা আলাদা আর এতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে আমেরিকা এবং রাশিয়ার কানাডা ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ।

এবং জাপানের ভূমিকম্প ছিল উল্লেখযোগ্য এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কে জানিয়ে দিন নভেম্বর ১৯৯৮ বেশিরভাগ মানুষের চোখ ছিল সেদিন টেলিভিশনের পর্দায় । আর কাজাকাস্তানের বায়ুর কসমোড্রোম মহাকাশবিজ্ঞানীরা তখন একই সাথে ব্যস্ত আর উত্তেজিত হবার সাথে সাথে লন্ডনের এরিয়া ২৪ থেকে সর্বপ্রথম আইএসএস মারিয়াকে উৎক্ষেপিত করা হয়। প্রোটনকে রকেটের মাধ্যমে প্রযুক্তিতে তৈরি করা হল একটি পৃষ্ঠা এসএসকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আর তার পক্ষ থেকে নিরাপদে রেখেছে শুরুর দিকে ব্যবহার করা হতো। 

আইএসএস নিয়ন্ত্রণ যোগাযোগ এবং বৈদ্যুতিক শক্তির কাজে বর্তমানে কিন্তু এটি ব্যবহার করা হয় স্টোরেজঃ ক্যাপাসিটি আর অতিরিক্ত জ্বালানি হিসাবে এরপর কয়েক সপ্তাহ পরেই ডিসেম্ ১৯৯৮ নাসা স্পেস শাটল এন্ড এভার এর মাধ্যমে পাঠাই ইউনিটি এবারে করে আবার ফিরে আসেন পৃথিবীতে । এটি একটি মডিউল আর প্রথম নোট মডেল হবার জন্য এর আরেক নাম নামেও পরিচিত পরবর্তীতে যতগুলো মডেল পাঠানো হয়েছে সেগুলো ইউনিটির সাথে যুক্ত হয়েছে । ১৮ ফুট দৈর্ঘ্যের আজ ১৪ ফুট ব্যাসার্ধের সিলিন্ডারের মত দেখতেই মডেলটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৫০ হাজারের মেকানিক্যাল আইটেম।  তার এরপর একই সাথে মহাকাশে এবং আইএসএসে মানুষের বসবাস করা নতুন ইতিহাস রচিত হয় ভিডিওটি পাঠানোর পর জারিয়া পাঠানোর দুই বছর পর আবারও বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে নতুন ইমেইল পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়।


পৃথিবী থেকে মহাকাশ স্টেশনের দূরত্ব ও স্টেশনে যেতে কত সময় লাগে
মহাকাশ স্টেশনের ছবি


রাশিয়ান স্পেস এজেন্সি 

রাশিয়ান স্পেস এজেন্সি ২০০০ সালের ১২ ই জুলাই থেকে একটি প্রোটন কে রকেটের মাধ্যমে পাঠানো হয়। আইএসএসের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য আইএসএসে সংযোগকৃত তৃতীয়টি যোগাযোগ এবং বসবাসের জন্য ব্যবহার করা হয় মহাকাশে মহাকাশচারী প্রথম ঘর অর্থ হল নক্ষত্র জারিয়া আমেরিকার অর্থায়নে নির্মাণ করলেও ভেলতা নির্মাণে ব্যয় ভার বহন করে কিন্তু রাশিয়া। আর এই কাজের জন্য অর্থ যোগান অদ্ভুত এক কাজ করে তারা বেশ দা উৎক্ষেপণে রকেটে চোখে পড়ে পিৎজা হাটের বিজ্ঞাপন তবে অর্থ সংকটের কারণে এই মিশনে কোন ভ্যাকান্সি ডেট ছিল না। তাই রকেটটি কোন কারণে ধ্বংস হয়ে গেলে বিলম্ব ঠেকাতে আমেরিকা প্রস্তুত রাখে ইন্টারিম কন্ট্রোল। মডিউল কিন্তু তারা প্রয়োজন পড়েনি তাই সেটি বাতিল করা হয়। এর কয়েক মাস পরেই নভেম্বরে এক্সপেদিশন মিশনে মহাকাশে প্রথম তিন বাসিন্দা ১৩৬ জন বসবাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। আইএসএসে তারা হলেন উইলিয়াম শেফার্ড আমেরিকান ইউড়াসিয়ান এবং সের্গেই ব্রিন পালের রাশিয়ান।


২০০১ সাল ছিল আইএসএস এর জন্য বেস্ট বেস্ট একটা সময় এই বছর বেশ কিছু মডিউলেশন করা হয় স্পেস স্টেশনে । এগুলোর মধ্যে রয়েছে ডেসটিনি কানাডা এবং কোয়েস্ট আমেরিকার নির্মিত চারটি বৈজ্ঞানিক নির্যাতনসহ একটি স্পেস স্টেশনে গবেষণা এবং আরো উন্নত যোগাযোগের জন্য এই মডেল পাঠানো হয় । এরপর থেকে একের পর এক নিশান পরিচালনা করা হতে থাকে । নভোচারীদের পাঠানোর জন্য সেখানে নভোচারীরা কাটাতেন কয়েক মাস করে জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত ২৩০ জন নভোচারী স্টেশনে পাড়ি জমিয়েছেন । গবেষণার কাজে ডেসটিনি টকিং এরপর নভোচারীরা মহাকাশ গবেষণার কাজ করতে শুরু করেন ।  গবেষণার কাজে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি আছে এতে ২০০১ সালের ৭ ই ফেব্রুয়ারি স্পেশাল আটলান্টিসের পাঠানো হয় । মহাকাশ গবেষণা ইতিহাস রচনার নীতি এর বিভিন্ন রকম গবেষণা এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হলো গ্রাভিটি নিয়ে গবেষণা পরিবর্তন ঘটায় । শরীরে কি পরিবর্তন ঘটে চোখের উপর প্রভাব পড়ে এসব নিয়ে গবেষণা করেন তারা ।  প্রতি সপ্তাহে ৩৬ ঘন্টা কাজ করা লাগে স্পেস স্টেশনে নভোচারীদের এর মধ্যে গবেষণার প্রতিদিন নিয়ম করে দুই ঘণ্টা ব্যায়াম কিন্তু করতেই হয় । আছে সেখানে পাশাপাশি স্পেস স্টেশন মেনটেনেন্স এবং স্পেস স্টেশনের বাইরে কাজ করা তবে মজার ব্যাপার হলো এত কিছুর মাঝেও তারা বিনোদনেরও সময় পান । তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সুযোগ থাকে ।

গান মিউজিক ভিডিও কখনোবা নভোচারীরা মেতে ওঠেন নিজেদের আড্ডায় মহাকাশের রেকর্ড করা প্রথম মিউজিক ভিডিওটি । এখনো পর্যন্ত ইউটিউবে নয় মিলিয়ন ভিউ পেয়েছে ডেসটিনি নিয়ন্ত্রণে ছিল আরেকটি অংশ ২ স্পেশল চুক্তিতে স্বাক্ষরের পর এই প্রকল্পে কানাডার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হল এ রোবট চিট্টি রোবট ১ কিলোগ্রাম পর্যন্ত । আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য ব্যবহার করা হয় এটি এর মাধ্যমে এপ্রিল ২০০১ এ পাঠানো হয় এই রোবটিক আন্টি কোয়েস্ট হলো এক ধরনের এয়ারলক কিংবা স্পেসওয়াক সময় দরজা হিসেবে ব্যবহার করা হয় । এটি ১২ জুলাই ২০০১ এর নাসার স্পেস শাটল আটলান্টিসের মাধ্যমে পাঠানো হয় । এয়ারলক ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন সম্পন্ন করার লক্ষে এতে যোগ করা হতে থাকে  । আরো কিছু প্রযুক্তি এর মধ্যে দ্বিতীয় স্পেস পাঠায় ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি যোগ করা হয় রেডিওটার যেগুলো স্পেস স্টেশনে তৈরি তাপ বিকিরণ এর মাধ্যমে ।

 মহাকাশে ছেড়ে দিয়েছে স্টেশনের প্রতিষ্ঠানটিকে ঠান্ডা রাখে সোলার প্যানেল স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করা হয় ২০০৯ সালে ১১২ ফুট দৈর্ঘ্যের ৩৯ ফুট প্রস্থের সোলার প্যানেল গুলো । পঞ্চান্নটি বাড়িতে কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম আর এই আইএসএসে ভবিষ্যৎ কী গত এক দশকে মহাকাশ গবেষণার মহাকাশের নানা অজানা দিক জানাতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন অবর্ণনীয় ভূমিকা কিন্তু পালন করেছে । কিন্তু সম্প্রতি জানা গেছে এর ভবিষ্যৎ রয়েছে অনিশ্চয়তার মধ্যে ২০২৪ সালের পর কোন অর্থ ব্যয় করবে না এখনো পর্যন্ত ১৬০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে না কিন্তু ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে । এই প্রকল্পের কারণে হয়তোবা ২০০৮ সালের পর শেষ হতে যাচ্ছে কাল জয়ী স্পেশাল সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন । এই প্রকল্প বন্ধ করার তবে কোন প্রাইভেট কোম্পানি যদি চায় এতে অর্থায়ন করে চালু রাখতে পারেই । প্রকল্প কিন্তু নাসার উপস্থিতি থাকবে অনিশ্চিত যদি না হয় তবে ২০২৮ সালের মধ্যে সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে এই প্রকল্পের আসবে স্টেশনটিকে আছে  ফেলা হবে প্রশান্ত মহাসাগরে । মোটামুটি এই ছিল আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের ইতিহাস বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কেমন লাগলো জানাতে ভুলবে না সঙ্গে থাকবে । 


২০৫০ সালে মহাকাশে কি কি হতে চলেছে বা মহাকাশ অভিযান কি কি!

কোন মন্তব্য নেই

রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২১

 বন্ধুরা আমরা একটা বিশেষ টপিকের উপর ভিত্তি করে  শুরু করতে চলেছি, আর এই জিনিসটার নাম হল দেখ লিস্টটা  শুরু করার আগে আমরা আপনাদের এই সিরিজ সম্পর্কে কিছু বলতে চাই,


২০৫০ সালে মহাকাশে কি কি হতে চলেছে বা মহাকাশ অভিযান কি কি!
 দ্য ফিউচার

  

২০২১  সাল থেকে ২০৫০ সাল দ্য ফিউচার

দ্য ফিউচার ২০২১ আমরা অদূর ভবিষ্যতে ঘটতে পারে এমন আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতির কথা আলোচনা করব । স্বাভাবিকভাবেই ভবিষ্যতে অনেক ঘটনা ঘটবে আর সেই সমস্ত ঘটনার বর্ণনা একটা পোষ্ট দেখানো সম্ভব নয় । তাই আমরা একটা পোষ্ট একটা টপিক আলোচনা করব এর ফলে আপনাদের এবং আমাদের মধ্যে বোধগম্যতা উন্নত হবে। বন্ধুরা আমরা যেহেতু ভবিষ্যৎ ঘটনা সম্পর্কে আলোচনা করতে চলেছি সেটা এরকম এলোমেলোভাবে বলা ঠিক হবে না । তাই চলুন  টাকে একটু আকর্ষণীয় করে তোলা যায় আর সেটা করার জন্য আমাদের একটা টাইম মেশিন এর প্রয়োজন হবে ।এটা একটা কাল্পনিক টাইম মেশিন যার সাহায্যে আপনারা আমার সাথে যাবেন ভবিষ্যতের অভিযানে ।তাই চলুন বন্ধুরা , এখন আমরা ২০২১ সালে আছি আর কদিন পরে আসতে চলেছে ৩১ অক্টোবর তাই প্রথমেই টাইম মেশিনে চড়ে আমাদের অনেক দূর এগোতে হবে না চলুন যাওয়া যাক ।

মহাকাশ অভিযান কি কি

৩১ অক্টোবর দিনটাতে বন্ধুরা এখন আমরা ২০২১ সালের ৩১ শে অক্টোবর দিনটাতে রয়েছে মহাকাশে পাঠানো হবে এখনো পর্যন্ত যতগুলো টেলিস্কোপ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে এটাই সবথেকে বড় । বিজ্ঞানী টেলিস্কোপ এর মাধ্যমেই বড় করে দেখতে চান এর ফলে মহাবিশ্বকে আমরা আরো অনেক দূর পর্যন্ত দেখতে পাবো । ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের পরীক্ষা দ্বিতীয় বার করছে কিন্তু এবারে বেইমান পাঠানো হবে না । কেবলমাত্র একটা টেস্টিং মেশিন হতে চলেছে । এখন ২০২২ সাল এবছর মহাকাশে বেশ কিছু হতে চলেছে জুন মাসে লঞ্চ করা হবে এই মিশনের উদ্দেশ্য হল প্রকাণ্ড গ্রহ বৃহস্পতি এবং তিনটি উপগ্রহ এবং নিখুঁত পর্যবেক্ষণ করা হবে । আসলে এটা একটা স্পেস টেলিস্কোপ এর কাজ হবে ডার্ক ম্যাটার এবং ব্যানার্জি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা । এবং সেটা আমাদের পৃথিবীতে পৌঁছায় কি হতে চলেছে এটা ২০২২ এর আগস্টে লঞ্চ করা হবে । এটা আমাদের সৌরজগতের একটা সাইট থেকে পর্যবেক্ষণ করবে ফলে আমরা খুব গভীরে গিয়ে জানতে পারবো । যে গ্রহ কিভাবে গঠিত হয় এবং তাদের কেন্দ্রে থাকে আর পৃথিবীর কেন্দ্রে কোন কোন পদার্থ পাওয়া যেতে পারে ।

বন্ধুরা আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে সেই দিনটার কথা যেদিন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের চেষ্টাতেই মিশন সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন আর এভাবেই পুরো পৃথিবীতে ভারত নিজের নামে করেছিল । এর আগে পৃথিবীর কোন দেশে প্রথম বারের চেষ্টায় সফল হয়নি আর এই সাফল্য ধরে রাখতে হবে এর ফলে মঙ্গল গ্রহকে আমরা অনেক বেশি কাছ থেকে জানতে পারব । যদিও এখনও জানা যায়নি কিন্তু ২০২২ সালের মধ্যেই লঞ্চ করতে চাই বলে শোনা যাচ্ছে । বন্ধুরা এবার চলুন টাইম মেশিনে চড়ে আমরা ২০২৩ সালে উপস্থিত হয়েছি এ বছরেও ঘটতে চলেছে অনেক উল্লেখযোগ্য মহাকাশ সম্পর্কিত ঘটনা । এবছর মঙ্গল অভিযানের তৈরি লঞ্চ করা হবে সম্ভবত ভারতের প্রথম সফল হবে যাতে আপনারা সকলেই ভরসা রাখি সাহায্যে আমরা সবাই মঙ্গল  সম্পর্কে জানতে পারবো । আপনারা সকলেই জানেন যে শুক্র গ্রহকে আমরা সৌরজগতের নরক বলে থাকি সেটা আরো অনেক নিখুঁত এবং গভীর ভাবে জানতে পারবো । বন্ধুরা চলুন এবার ২০২৪ সালে প্রবেশ করা যাক । এই বছরটা আমেরিকার মহাকাশ অভিযানের একটা গুরুত্বপূর্ণ বছর হতে চলেছে এবছর প্রথমবার একটা প্রাইভেট এজেন্সির মানুষকে মঙ্গল গ্রহে পাঠানো শুরু করবে এবং ইকুইপমেন্ট গুলো তারপর মানুষকে পাঠানোর সময় আসবে কিন্তু এবছর কেবলমাত্র পাঠানো হবে এ বছর

 ইকুইপমেন্ট পাঠানো হবে ব্লু মুন এ বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে আরো একটা প্রাইভেট স্পেস এজেন্সি নিজেদের স্পেস মিশন সফল করার প্রচেষ্টায় নামবে । আর এই কোম্পানির নাম হলো অরিজিন এটা পৃথিবীর বর্তমান ধনী মানুষ এবং ২০২৪ সম্ভবত তিনি সবথেকে ধনী থাকবেন । অর্থাৎ যে প্রজেক্টে লাঞ্চ করবেন এটা একটা লোন আল্লার ঘর থেকে চাঁদের মাটিতে পাঠানো হবে । আর কাজ হবে চাঁদের মাটি থেকে জল নিষ্কাশন করা এবং পরে সেটা পৃথিবীতে আনা হবে । বন্ধুরা এবার আমরা এসে পৌঁছেছি ২০২৬ সালে স্পেসএক্স মানুষকে মঙ্গল গ্রহে পাঠানোর জন্য তৈরি মানবজাতি সবথেকে দীর্ঘতম এবং মানব ইতিহাসে সবথেকে ভয়ঙ্কর হতে চলেছে । কেননা মহাকাশচারীদের প্রায় একবছর মহাকাশে থাকতে হবে আর পুরো সময়টাই তারা ট্রাভেল করবেন । ২০২৭ সাল নাগাদ তারা মঙ্গলগ্রহে পৌঁছে যাবেন পৃথিবীর প্রথম কম্পানি হতে চলেছে যে মানুষকে অন্য একটা গ্রহে পৌঁছে দেবে । আর এটা একটা বিরাট সাফল্য হতে চলেছে না পরের বছর আরও একটা স্পেস মিশন লঞ্চ করবে । তারপর মানুষকে মঙ্গল গ্রহের নাম হতে চলেছে চলেছে সেটা হল পৃথিবীতে আসা নিয়ে । গবেষণা করা তাদের মহাকাশচারীদের চলেছে এবং এর পরের বছরের এই ক্ষেত্রে নিজেকে শক্তিশালী করে তুলবে । আর মেশিনে চড়ে আমরা দশ বছর এসেছি এখনো পর্যন্ত যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তবে মহাকাশ অভিযানে মানুষ একটা অত্যন্ত উঁচু স্থানে পৌঁছে গেছে । এই দশ বছরে আমাদের সবথেকে বড় মিশন মানুষকে মহাকাশে নিয়ে গিয়ে একটা বিশাল কৃতিত্ব অর্জন করা । 


২০৫০ সালে মহাকাশে কি কি হতে চলেছে বা মহাকাশ অভিযান কি কি!
 দ্য ফিউচার


এখন আমরা ২০৩৫ সালে পৌঁছে গেছি এই বছর জাপানের একটা কোম্পানি তাদের বানিয়ে ফেলেছে । এখন সবথেকে বড় সমস্যা নিয়ে আমরা যখন করে ফেলবো মানুষে তৈরি করে ফেলতে পারবে । এবং আমাকে একটা নতুন মাত্রা ২০৩০ সালের লঞ্চ হবে আর এটা আমাদের সৌরজগতের সব থেকে কাছের নক্ষত্র জগতে পাঠানো হবে । এটা খুবই ছোট বোলের মত দেখতে একটা মহাকাশযান লেজারের মাধ্যমে করা হবে ।  বিজ্ঞানীদের মতে যদি আমরা মাধ্যমে আলোর গতিবেগ এর প্রায় ১০% গতিবেগ অর্জন করবে । বন্ধুরা এখন আমরা ২০৪৫ সালে উপস্থিত হয়েছে এতদিন তৈরি হওয়ার দাবি জানিয়েছে গোটা পৃথিবীর কাছে ২০৫০ সালের মধ্যে মিশনগুলোর মাধ্যমে স্মরণ করে ফেলেছে । ভবিষ্যৎবাণী সংখ্যা নেহাত কম নয় আবার এমন কিছু ভবিষ্যদ্বানী আছে যেগুলো ভুল প্রমাণিত হতে পারে । কেননা সম্ভব নয় তবে আপনাদের একটা কথা বলতে পারি যে ২০৫০ সালে পৃথিবী ছাড়াও আমাদের আরও একটা নিজস্ব গ্রহ হতে চলেছে আর তাহলে মঙ্গল । আর এর মধ্যে আমাদের ভারতীয় জনগণনা কোন প্রাইভেট স্পেস এজেন্সি হয়তো আপনাদের মধ্যে কেউ কেউ ২০৫০ সালের মধ্যে মহাকাশ অভিযানের সামিল হবেন । আবার স্পেস স্পেস এজেন্সি আপনাদের মধ্যে কেউ ভারতে গড়ে তুলবেন আর এজন্য আপনাদের জানিয়ে রাখি যে ইন্দুষ্ট্রিয়াল সেক্টর খুলে দিয়েছে । কেন মনে করছে যদি আজ কোন ভারতীয় প্রাইভেট কোম্পানি এর মত কাজ শুরু করতে চাই তবে তা শুধু দশ বছর লাগবে । এজন্য তার কমার্শিয়াল সেক্টর খুলে দিয়ে প্রাইভেট কোম্পানিগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছে ।ও বন্ধুরা এই পোষ্ট আপনাদের কেমন লাগল আমাকে কমেন্ট করে জানান । এছাড়া ভবিষ্যতে আর কি কি হতে পারে সেগুলো আমাকে কমেন্ট করে জানান ।

সময় কি? ব্ল্যাক হোল-এর কাছে সময় কেন থেমে যায়

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১

 মডার্ন সাইন্স এবং অ্যাডভান্স টেকনোলজি সাহায্যে প্রকৃতির বহু নিয়মকে চেঞ্জ করতে পারলেও টাইম অর্থাৎ সময় কি আমরা এখনো পর্যন্ত ম্যানুপুলেট করতে পারনি । টাইম প্রকৃতির এমন এক সৃষ্টি যার নিজের সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলা তা না হলে পিছিয়ে পড়তে হবে । কিন্তু সময়কে থামিয়ে দিতে পারে একমাত্র একটি শব্দ যার নাম ব্ল্যাকহোল।


সময় কি? ব্ল্যাক হোল-এর কাছে সময় কেন থেমে যায়
ব্ল্যাক হোল


সময় কি

 ব্ল্যাকহোলের গ্র্যাভিটেশনাল পাওয়ারফুল যে শুধু তাই নয় সময় থামিয়ে দেয়। ব্ল্যাক হোলের ভিতরে প্রবেশ করা হয় সময় তো হয়ে যায় কারণ ব্ল্যাকহোলের কোন অস্তিত্ব নেই । এই কথা বলেছিলেন মডার্ন সায়েন্টিস্ট স্টিফেন হকিংস এখন প্রশ্ন হল সত্যিই কি ব্ল্যাকহোল সময় দিতে পারে black-white করে আবার সময় থামিয়ে দেয় । এই কথা আমরা দীর্ঘদিন ধরে শুনে আসছি কিন্তু সময় দিতে পারে যদি তাই হয় তবে আমি আপনাদের  জানব ।

বন্ধুরা  প্রথমে জানা যায় ইউনিভার্সের সময়ের উৎপত্তি কোন সময় থেকে হয়েছিল রিসার্চের এবং তাদের মতে বিগ ব্যাং এর পূর্বে সময় বলে কিছু ছিল না । আজকে ইউনিভার্স ছোট্ট একটি বিন্দুতে গিয়েছিল তারপর ঘটে সেই হিস্তরিক্যাল এভেন্ট এক্সপ্লোশন যার জন্ম হয় এবং ডাস্ট পার্টিকেলের আর এই ইভেন্টের সাথে জন্ম হয়েছিল । সময়ের আগেই টাইম অ্যাপস নয় বরং রিলেটিভ অর্থাৎ প্রতিটি স্থানে একই সময় থাকেনা । সিম্পল ভাবে বলতে গেলে আপনি ২ ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন মানে এই নয় যে ইউনিভার্সেল ঘন্টা সময় পার হয়েছে। ঠিক একই রকমভাবে স্পিডে ট্রাভেল করা স্পেসক্রাফট এর ভিতর বসে থাকা মানুষের কাছে টাইম স্লো হয়ে যায় । ঠিক সেই রকমই অধিকারভুক্ত এরিয়াতে সময়ের গতি সূত্র অনুযায়ী ইউনিভার্সিটি ব্ল্যাকহোলের কাছে অন্য স্থানের তুলনায় একদম ঠিক।

 কিন্তু কেমন ভাবে জানেন সর্বকালের মহান সাইন্টিস্ট স্যার আইজ্যাক নিউটন বলেছিলেন টাইম অ্যাপস হলিউড অর্থাৎ ব্রহ্মাণ্ডের প্রতিটি স্থানে এবং প্রতিষ্ঠানের সেম থাকে । এর অর্থ আমার সামনে কোন ঘটনা তিনটের সময় করলে তা ব্রহ্মাণ্ডের প্রতিটি স্থানে একই সময়ে ঘটবে । কিন্তু সত্যি কি তা হয় চলুন আরেকটু ডিটেইলস জানা যায় মনে করুন একটি বোম ব্লাস্ট হলো দুটি ব্যক্তি সেই বোম ব্লাস্ট পয়েন্ট থেকে দেখেন এবং কুড়ি সেকেন্ড স্টেজে দাঁড়িয়ে রয়েছে সেই এক্সপ্লোশন থেকে বেরোনো লাইট প্রথম ব্যক্তির কাছে পৌঁছাতে সময় লাগবে ১০ সেকেন্ড আর দ্বিতীয় ব্যক্তির কাছে পৌঁছাতে কত সময় লাগবে । প্রথম ব্যক্তির কাছে বোম ব্লাস্ট এর টাইমিং জানতে চাওয়া হলে দক্ষিণ-পূর্বে বলবে আর দ্বিতীয় ব্যক্তির কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সেখানে বলবে ।এখন প্রশ্ন হলো দুজনের মধ্যে সব থেকে মজার বিষয় হলো এখানে দুজনে সঠিক বলছে ।যদি সময় ১০৮ হতো তাহলে এটি পসিবল হতো না সে ক্ষেত্রে দুজনের কাছে এক্সপ্লোশন একই সময় আর দুজনেই একই সময় সেই এক্সপ্লোশন কে এর থেকে প্রমাণ হয় । নিউটন বলেছিলেন ১১৬ নয় বরং রিলেটিভ তাই সময় রেফারেন্স ফ্রেম এর ওপর নির্ভর করে এই বিষয়টিকে ।

 আরো সঠিকভাবে প্রয়োগ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের এক্স করেছেন এদের মধ্যে কিছু এক্সপেরিমেন্ট দেখা যাক এটমিক ক্লক সিনক্রোনাইজ করার পর এক দিকে পৃথিবি তে রাখা হলো । আর দ্বিতীয় থেকে পৃথিবীতে অরবিট করার স্যাটেলাইট রেখে দেওয়া হলো । এর কিছুদিন পর তাহলে দেখা যায় পৃথিবীর উপর স্যাটেলাইট লোকেশন পৃথিবীতে থাকা তুলনায় অনেক বেশি ছিল থেকে জানা যায় । এই দৃশ্যের কারণ পৃথিবীতে স্বার্থের জন্য পৃথিবীতে থাকা ঘড়ির সময় কিছু ন্যানো সেকেন্ড কমে গিয়েছিল যাকে আমরা টাইম ডাইলেশন বলে থাকি । ঠিক একই রকমভাবে হাই স্পিড এর জন্য টাইম ডাইলেশন হয়ে থাকে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে এক্সপেরিমেন্ট করা হয়েছিল ।এই প্রক্রিয়ায় পার্টিকেলের ৯৯.৯ থাকে যাই হোক লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে এবং


 
সময় কি? ব্ল্যাক হোল-এর কাছে সময় কেন থেমে যায়
ব্ল্যাক হোল


ব্ল্যাক হোল কিভাবে তৈরি হয়

এই প্রক্রিয়ায় পার্টিকেলের স্ট্রিটলাইট স্পিডে 99.9 পার্সেন্ট থাকে যাই হোক লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে এবং টাইম ডাইলেশন দুটি সম্পূর্ণ আলাদা । টপিকস এর উপর সেপারেট আমরা অবশ্যই নিয়ে আসব। এই সকল এক্সপেরিমেন্ট থেকে আর কোন সন্দেহ থাকে না । যে টাইম রিলেটেড প্রতিদিন আলাদা আলাদা স্থান আলাদা আলাদা সিচুয়েশানে ব্ল্যাক হোলের ভিতরে যায় । তা বোঝার জন্য এটি সম্পর্কে কিছু বেসিক আইডিয়া থাকা প্রয়োজন ।আইনস্টাইন বলেছিলেন স্পেস এবং একে অপরের সাথে ইন্টারকানেক্ট ইন এন্ড স্পেস স্পেস থাকা প্রতিটি অনুস্বারের করে যদি কোনো বস্তু বড় হয় তবে তাকে বেশি কার আর যদি ছোট হয় তাহলে করবে এটিকে ভালভাবে পড়ুন ।ও একটি চাদর এর উদাহরণ নিতে পারেন চাদরকে স্পেস-টাইম মনে করুন যদি এর ওপর একটি বড় বল রাখা হয় তাহলে চাদর ভিতরে ঢুকে যাবে । আর যদি ছোট বলেই চাদরের উপর রাখা হয় তাতেও চাদর একটু হলেও ভিতরে ঢুকে যাবে । কিন্তু এর এফেক্ট বলে তুলনায় কম হবে যেহেতু বড় চাদর কে বেশি ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়েছে তাই ছোটবোনটিও তার দিকে ঝুঁকে পড়বে ।

রেখেই আমরা গ্রাভিটি অর্থাৎ মধ্যাকর্ষণ শক্তি বলি এই উদাহরণটি সূর্য মনে করুন আর ছোট বোলটিকে পৃথিবী এবার আপনারা বুঝতে পারবেন পৃথিবীর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। এবার আপনাদের মধ্যে হয়তো অনেকেই ভাবছেন যদি বলো তাহলে তো পৃথিবী সূর্যের সাথে করা উচিত নাকি পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করা ।এর কারণ হলো পৃথিবী আকারে ছোট হলেও স্পেস-টাইম কিছুটা হলেও করেছে যার জন্য এর এক শিশুর ওপর ঠিক রয়েছে । সিম্পল ভাবে বলতে গেলে বেশি ম্যাচ এবং ডেনসিটি যুক্ত সবচেয়ে বেশি কাজ করবে যার জন্য সেই অবজেক্টিভিটি বেশি হবে । তাই স্বাভাবিকভাবে সবচেয়ে বেশি করবে ব্ল্যাক হোল ।

আমাদের ইউনিভার্সিটি সাইন্স সাবজেক্ট অবজেক্ট এতটাই বেশি যে এখান থেকে ফিরে আসতে পারে না এর কারণ ব্ল্যাক হোল । কিভাবে শিকার করে কিন্তু এরশাদের টাইম এর কি সম্পর্ক তা বোঝার জন্য স্পিডের ইকুয়েশন জানা প্রয়োজন। স্কুলে আমরা সকলেই পড়েছি স্পিড ইজ টু ডিসটেন্স বাই ট্রেন স্পিড বলতে কী বোঝানো হয়েছে? যার গতি প্রায় তিন লাখ কিলো মিটার পার সেকেন্ড কিন্তু এই ধারণাকে সহজ করে বোঝার জন্য ২লাখ কিলো মিটার পাঁচ সেকেন্ড ধরে যাক এবার যাওয়া যাক । ডিসটেন্স মনে করা যায় এবং  ডিসটেন্স কিলোমিটার এর ক্ষেত্রে টাইম আসবে আর সেকেন্ড নরমাল স্পেন্সের কিন্তু ব্ল্যাকলিস্টে ভর এবং বিয়ের ডিসটেন্স প্রথমে থেকে অনেক বেড়ে যাবে মনে করা যায় ।এই ডিসটেন্স কিলোমিটার হয়ে গেছে সে ক্ষেত্রে যেহেতু ফ্রি টাইম লাগবে ১০ সেকেন্ড স্পেস ডিসটেন্স যেতে সময় লেগেছিল ।

আর সেকেন্ড অপরদিকে ব্ল্যাকহোল এক্ষেত্রে 10 সেকেন্ড সময় লেগেছে অর্থাৎ টাইম হয়ে গিয়েছে ।আইনস্টাইনের থিওরি অনুযায়ী সব ডেট ফিক্সড করে যার জন্য এই থেকে যখন লাইট পাস করে তখন তা বন্ধ হয়ে যায় ।যার জন্য লাইটের দিরেকশন চেঞ্জ হয় এমনকি গ্র্যাভিটেশনাল লেঞ্জিং পদ্ধতিতেও তার এই থিওরি কে সঠিক বলে প্রমাণ করা হয়েছে। গ্র্যাভিটেশনাল ইঞ্জিন সম্পর্কে ডিটেইলস জানতে চাইলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানান ।আমরা একটি আলাদা সেপারেট পোষ্ট নিয়ে আসব ।আর হ্যা পোষ্ট কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না ।ভাল লাগলে একটা লাইক বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার এই ধরনের পোষ্ট পেতে অবশ্যই জানাতে ভুলবেন না। সঙ্গে থাকুন

পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে কত বছর আগে বা মানুষ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?

কোন মন্তব্য নেই

 বন্ধুরা আমরা এমন একটা গ্রহ তে বসবাস করি সেটাই ব্রহ্মান্ডে সবথেকে অন্য গ্রহ আর তার নাম হলো পৃথিবীর । কোটি কোটি বছর ধরে জল হাওয়া বাতাস দিয়ে আমাদের একটা বাসযোগ্য বায়ুমণ্ডল দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে ।আজ প্রযুক্তিবিদ্যায় মানুষ এতোটাই উন্নতি সাধন করেছে যে বর্তমানে মানুষের কাজ মেশিন নিয়ে নিয়েছে । কিন্তু বন্ধুরা আপনারা কি কখনো ভেবে দেখেছেন যে আমাদের এই পৃথিবীতে সৃষ্টি হলো কিভাবে ? প্রথম থেকেই পৃথিবী সবুজে পরিপূর্ণ আগ্রহ ছিল আজকের মত হওয়ার জন্য পৃথিবীতে কতগুলো বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে । পৃথিবীর অস্তিত্বের আগে এখানে কি ছিল এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে হলে আমাদের কোটি কোটি বছর পিছনে ফিরে যেতে হবে ।

পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে কত বছর আগে বা মানুষ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?
মানুষ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল

পৃথিবী কি দিয়ে তৈরি

এমন কোন ঘটনা ঘটেছিল যার জন্য পৃথিবীর এরকম একটা গঠন তৈরি হলো তাহলে চলুন সময়ের অনেকটা অতীতে ফিরে যাওয়া যাক । আর পৃথিবীর উৎপত্তি কিভাবে হয়েছিল সেই রহস্যের উপর থেকে পদ্মা আমরা এখন প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে তখন এখানে ছিল কেবল মাত্র  পাথর আর পাথর । মেকে মহাকর্ষ বল এক জায়গায় একত্রিত করেছিল তাই মেঘের বেশিরভাগ অংশ একই জায়গায় এসে একত্রিত হয়েছিল । এই মেঘের অংশগুলি পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে একটা নক্ষত্রের জন্ম দেয় । আর তারপরে ধীরে ধীরে সূর্য তৈরি হয় এই মেঘের মধ্যে থাকা ৯৯.৯% ধূলিকণা কে নিজের মধ্যে নিয়ে নেয় ।আর বাকি ধারণ করে তারপর সূর্যের চারপাশে পাথরের টুকরো প্রদক্ষিণ করতে থাকে এখনো পর্যন্ত কোন গ্রহের সৃষ্টি হয়নি । কিন্তু ধীরে ধীরে আজ থেকে ৪৫০ কোটি বছর আগে সূর্যের চারদিকে ছড়িয়ে থাকা ধুলোর পাথরের টুকরো মহাকর্ষ বলের কারণে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হচ্ছিল । আর কয়েক লক্ষ কোটি বছর কেটে যাওয়ার পর এই পাথরের টুকরো মিলে একটা গোলাকার আকার ধারণ করে । 

এর মধ্যে একটা পাথরের সূর্য থেকে একটা বিশেষ জায়গায় পৃথিবী তখন আমাদের পৃথিবী ছিল একটি আগুনের মতন কল্পনা করা মুশকিল ছিল । যে সে দিনের সেই পৃথিবী আজ একটা বসবাসযোগ্য গ্রহ পরিণত হবে যখন পৃথিবী সৃষ্টি হয় তখন তার অবস্থানকে চেয়েও খারাপ ছিল । তখন যদি এসপেস ছাড়া আমরা এই পৃথিবীতে নামতাম তাহলে আমাদের শরীর জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যেত । তখন পৃথিবীর পুরোভাগে পরিপূর্ণ ছিল সেখানে মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা তো দূরের কথা তারা খাড়া হওয়া সাধ্য ছিল না । পৃথিবীতে তখন কোন বায়ুমণ্ডল ছিলনা ছিলনা কোন স্থিতিশীল জলবায়ু কিন্তু আজ থেকে ৪৫০ কোটি বছর আগে আমাদের পৃথিবীতে এমন একটা ঘটনা ঘটে  যে আমাদের পৃথিবীতে সম্পূর্ণ বদলে দেয় । তখন ব্রহ্মাণ্ডের অন্য একটা গ্রহ পৃথিবী ধ্বংস করে দেয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিল তারা ছিল মঙ্গলগ্রহের মতই কিন্তু কেউ জানত না যে পরবর্তীকালে এই ঘটনায় পৃথিবীর জন্য ভালো হবে । যার জন্য পৃথিবীর সম্পূর্ণ বদল ঘটতে চলেছে তার প্রতি সেকেন্ডে ১৫ কিলোমিটার গতিবেগে সেটা পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে এই গোটা পৃথিবীতে এসে ধাক্কা দেয় । 

এই সংঘর্ষের ফলে হালকা ব্রহ্মান্ডে ছড়িয়ে পড়ে আর পৃথিবীর চারদিকে পাথরের টুকরো ছড়িয়ে পড়ল এবং সেগুলো পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে ঘুরতে এক টাকার ধারণ করল । পরবর্তীকালে মহাকর্ষ বলের জন্য সেগুলো একত্রিত হয়ে একটা গোলাকার পিণ্ড সৃষ্টি করলো 

পৃথিবী কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল

 আমাদের চাঁদ সে সময় যদি পৃথিবীর সাথে এই ঘটনা ঘটত তাহলে আজ আমাদের চাদের কোনো অস্তিত্ব থাকত না । আর চাঁদ না থাকলে একটা স্থিতিশীল নিয়মিত জলবায়ুর পরিমণ্ডলে তৈরি হতো না ।পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তন ঘটতো না ৪৫০ কোটি বছর আগে যাদের বয়স খুব একটা বেশি ছিল না । আর তখন পৃথিবী ছিল একটা নবগ্রহ তখন পৃথিবীতে ছিল শুধুই লভা r5v কিন্তু দীর্ঘ সময় কেটে যাওয়ার পর এই পৃথিবী ধীরে ধীরে ঠান্ডা হতে শুরু করল। কঠিন হতে শুরু করল কিন্তু নাইট্রোজেন কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের কারণে আমাদের পৃথিবীতে ছিল তখনও পর্যন্ত পৃথিবীর জীবজগতের বসবাসের উপযোগী । একটা মজবুত বাস্তুতন্ত্র তৈরি করে উঠতে পারেনি আর তখন পৃথিবীতে কোন চিহ্ন ছিল না ।এদিকে সৌরমণ্ডলের বিভিন্ন নিজেদের অবস্থার পরিবর্তন করছিল আর এই পরিবর্তনের জন্য সৌরমণ্ডলের গ্রহাণু উল্কাপিণ্ড এবং তাদের মধ্যে একটা মাধ্যাকর্ষণজনিত তৈরি হচ্ছিল ।


আর সৌরমণ্ডলের গ্রহ গুলোর দিকে ঠেলছিল টুকরো পৃথিবী আর মঙ্গল পৃথিবী সৃষ্টি হওয়ার ৫০ কোটি বছর পরে এর উপরে উল্কা বৃষ্টি হতে থাকে । এই ঘটনাকে বলা হয় কয়েক লক্ষ কোটি বছর ধরে পৃথিবীর সাথে এই ঘটনা ঘটে চলতেই থাকে । আর এই উল্কাবৃষ্টি থেকে আমাদের ছাড় পায়নি যার প্রমাণ হিসেবে আজও চাঁদের গায়ে গোবর গুলো আছে এই সময় আমাদের চাঁদ উঠেছিল ।এই ধূমকেতু আর গ্রহ গুলোর মধ্যে কিছু কিছু নিজেদের সাথে ছিল তাদের মাধ্যমে পৃথিবীতে বহুল পরিমাণে জল এসে পৌঁছায় । কোটি কোটি বছর ধরে পৃথিবী আর চাঁদের উপর এই উল্কা বৃষ্টি হতেই থাকে। কোটি কোটি বছর পর ধীরে ধীরে পৃথিবীতে একত্রিত হয় আর তার ফলে পৃথিবীতে একাধিক মহাসাগর এবং মেঘের সাথে পৃথিবীতে নাইট্রোজেন আসে । কিন্তু তা সত্বেও পৃথিবীতে প্রাণের জন্ম হয়নি কেন পৃথিবীতে অক্সিজেনের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল তখনো হয়নি তখনো পৃথিবীতে জীবনের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়নি ।৩৮০ কোটি বছর আগে এই গুলো তাদের সাথে কেবল এনেছিল কার্বন প্রোটিন এখান থেকে পৃথিবীর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে ।

পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে কত বছর আগে বা মানুষ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?
পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে কত বছর আগে

মানুষ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?

তখন সমুদ্রের গভীরে তাপমাত্রা অনেক কম ছিলো আর এখানে সূর্যের উষ্ণতা পৌঁছে ছিল না তারপর সমুদ্রের গভীরে থাকে এবং রাসায়নিক পদার্থগুলো মিলেমিশে তৈরি করে ।এগুলো ছিল এককোষী জীব এদের বলা যেতে পারে এগুলো কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজেদের মানিয়ে নিয়েছিল । কিন্তু তারপরেই ব্যাকটেরিয়াগুলো সংখ্যায় ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে যে ব্যাকটেরিয়া পরিপূর্ণ হয়ে যায় কোটি কোটি বছর পরে এই ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি পায় । তারা পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটা পাথরের মত বানিয়ে নেয় ।কিন্তু আজকের মত পৃথিবীতে ওঠার জন্য একটা বিশাল পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল আর তার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন অক্সিজেন আসবে কোথা থেকে ওই সময় সমুদ্রের গভীরে কিছু অদ্ভুত বিক্রিয়া করতে শুরু করে ।এই ব্যাকটেরিয়াগুলো সূর্যের রশ্মি নিয়ে সেগুলো বিশ্লেষিত করে তা থেকে অক্সিজেন তৈরি করতে শুরু করে দেয় ।এভাবেই পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে  অক্সিজেন  তৈরি করত । তা যথেষ্ট ছিল না কিন্তু কোটি কোটি বছর ধরে যে অক্সিজেন তৈরি করেছিল তা নেহাত কম ছিল না ফলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল অক্সিজেনের পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে । 

কিন্তু তারপরেও কয়েকশো কোটি বছর ধরে পৃথিবীতে জীবনের কোনো অস্তিত্ব ছিলনা ।আর পৃথিবীতে এতটাই পরিপূর্ণ ছিল পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছিল কিন্তু কিছু কিছু বদল ঘটতে থাকে ফলে ভূপৃষ্ঠে চলাচল করতে শুরু করে তার ফলে সবাই পরস্পরের সাথে জুড়তে শুরু করে। এবং সুপেরকন্টিনেন্ট তখন পৃথিবীর উষ্ণতা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস কিন্তু সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে আজ থেকে প্রায় ৭৫ কোটি বছর আগে পৃথিবীর দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে যায় । এরপর থেকেই ধীরে ধীরে পৃথিবীর অবস্থায় রূপান্তরিত হতে শুরু করে বন্ধুরা   আপনাদের কেমন লাগলো সেটা আমাকে কমেন্ট করে জানান আর একটা লাইক করুন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন ।

কেন এলিয়েনদের সাথে আমাদের এখনো দেখা হয়নি? ভিনগ্রহের প্রাণীদের সম্পর্কে

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১

 এলিয়েন

বন্ধুরা এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণীদের সম্পর্কে আমাদের কৌতূহলের শেষ নেই কিন্তু কেন ? তাদের সাথে আমাদের এখনো সাক্ষাত হয়নি এই প্রশ্নটা কখনো কি আপনাদের মনে এসেছে ! আসলে আমাদের বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বয়স সাড়ে ১৩ বিলিয়ন বছর এর থেকেও বেশি আর যে কোন সভ্যতার পক্ষে নিজের উন্নতি সাধন এবং অন্য সভ্যতার সাথে দেখা করার জন্য এতটা সময় যথেষ্ট পরিমাণে । 

থেকেও বেশি গ্যালাক্সি আছে ট্রিলিয়ন তারা আছে কতজন আছে কতটি দেশ আছে তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই । তারপরও আজ পর্যন্ত আমরা কোন এলিয়েন সভ্যতা কে খুঁজে পাইনি ।এলিয়েন সভ্যতা আজ পর্যন্ত আমাদের সাথে হাত মেলালেন সত্যিই ভীষণ অদ্ভুত । বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের আছে যারা হয়তো আমাদের থেকে অনেক বেশি উন্নত । তারপরে মনটা কি করে সম্ভব তাহলে কি এলিয়েনরা আমাদেরকে এড়িয়ে যাচ্ছে নাকি ব্রহ্মান্ডে উন্নত সভ্যতা সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে গেছে। নাকি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের শুধুমাত্র আমরাই আছি বন্ধুরা ।এই সমস্ত প্রশ্ন এক মহান বিজ্ঞানী এবং এসেছিল যাকে বলা হয় যে আমাদের এটা ভাবতে বাধ্য করে।


কেন এলিয়েনদের সাথে আমাদের এখনো দেখা হয়নি? ভিনগ্রহের প্রাণীদের সম্পর্কে
এলিয়েনদের সাথে আমাদের এখনো দেখা হয়নি



কেন এলিয়েনদের সাথে আমাদের এখনো দেখা হয়নি

যে এই মহাবিশ্বের কোনো আধুনিক সভ্যতা কেন এখনো পর্যন্ত মানুষের সাথে যোগাযোগ করেনি । তাহলে বন্ধুরা আজকের এই  আমরা এটাই জেনে নেবো যে এমন কি কি কারণ আছে যেগুলো আমাদের এলিয়েনদের সাথে দেখা করতে দিচ্ছে না । তাহলে চলুন শুরু করা যাক নাম্বার ওয়ান ডিসটেন্স বন্ধুরা এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে এখনো পর্যন্ত আমরা কেন এলিয়েনদের সাক্ষাৎ হয়নি সেই বিষয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণা হলো তার মধ্যে দূরত্ব পৃথিবী ছাড়া আর কোথাও জীবনের অস্তিত্ব থেকেও থাকে তাহলে হয়ত আমরা তাদের সাথে কখনো দেখা করতে পারব না । আর এর মধ্যে সবথেকে বড় বাধা হলো দুটি স্থানের মধ্যে দূরত্ব আমাদের বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এতটাই বড় যে এখানে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় মধ্যে কোটি কোটি আলোকবর্ষের ব্যবধান আছে।

হতে পারে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় জীবনের অস্তিত্ব আছে আবার এটাও হতে পারে যে এই এলিয়েনরা আমাদের থেকে অনেক বেশি উন্নত ।ব্রহ্মান্ডে অনেক এলিয়েন সভ্যতা প্রযুক্তিগতভাবে অনেক উন্নত হওয়ার পরেও অন্য ছেলের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে অক্ষম। কারণ হতে পারে যে এইসব সভ্যতা একে অপরের থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। আবার এমনটাও হতে পারে যে কোন সভ্যতা এত উন্নত নয় । যে তারা লক্ষ কোটি আলোকবর্ষ দূরের কোন সভ্যতার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে । কারণ সভ্যতা নিজস্ব একটা জীবনকাল থাকে আর কোন সভ্যতার কাছে হয়তো এতটা সময় নেই যে তারা লক্ষ লক্ষ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত কোন সভ্যতার সাথে দেখা করবে ।

আর যদি কোন সভ্যতা এমনটাও হতে চাই তাহলে সেখানে এমনটা করবে এই জন্য এই ধারণা অনুযায়ী আমরা একটা জালে আটকে পড়েছি। আর হতে পারে যে এই দূরত্ব অতিক্রম করে নতুন সভ্যতার অনুসন্ধান করা যে কোন সভ্যতার আয়ত্তের বাইরে ।

নাম্বার টু নট ইন্টারেস্টেড নট ইন্টারেস্টেড প্রথম সম্ভাবনায় বলা হয়েছে যে আমাদের পৃথিবী স্পেশাল তবে কিছু বিজ্ঞানী এমন আছেন যারা ঠিক এর উল্টোটা কে সঠিক বলে মনে করেন । তাদের মতে আমাদের পৃথিবীতে এত স্পেশাল নয় তাদের মতে ব্রহ্মান্ডে যদি কোন উন্নত সভ্যতা থাকে তাহলে সেটা এত উন্নত হবে । যা হয়তো আমরা কল্পনাও করতে পারি না সেই সভ্যতা হয়তো গ্যালাক্সি শক্তি ব্যবহার করতে শিখে গেছে । আর সেই সম্পদটি এত উন্নত আধুনিক যে তাদের সামনে আমরা পৃথিবীবাসী কীট পতঙ্গের মতো । এমন কোন উন্নত সভ্যতার আমাদের উপরে পড়েছে কিন্তু আমরা হয়তো তাদের জন্য বিশেষ কিছু নয় । যেমন আমাদের কাছে কীটপতঙ্গ তেমন বিশেষ কিছু নয় ঠিক তেমনি আমরাও তাদের কাছে বিশেষ কিছু নয় ।

এই শব্দটা এত উন্নত যে তারা হয়তো নিজেদের সমস্ত কাজ করতে পারে তার থেকে হয়তো আমাদের তুলনায় অনেক বেশী আধুনিক সভ্যতার ধর্ম জাতি এসব থেকে অনেক উদ্যোগ আছে ।এমন সভ্যতা যদি থাকে তাহলে তাদের জন্য পৃথিবীতে কিছুই নেই হয়তো আমাদের উপর তাদের কোনো আগ্রহই নেই । আর হতে পারে যে এই জন্য তারা এখনো পর্যন্ত আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন । এই নাম্বারের সাথে আমাদের দেখা না হওয়ার একটা অন্যতম কারণ হতে পারে । যে আমরা এই পৃথিবীতে কাকতালীয় ভাবে বসবাস করছি কিছু বিজ্ঞানীদের মতে আমাদের পৃথিবীর স্পেশাল তাদের মতে পৃথিবীতে বেশকিছু কারণে প্রাণের অস্তিত্ব আছে । আমাদের সূর্য এবং তা থেকে নির্গত শক্তি সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব পৃথিবীতে কার্বন এবং জলের পৃথিবীতে মহাসাগর এর অস্তিত্ব ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের এমন প্রায় এক লক্ষ সম্ভাবনা আছে যার ফলে পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব সম্ভব হয়েছে ।

 পৃথিবীতে কার্বন এবং জলের খোঁজ পাওয়া পৃথিবীতে মহাসাগরের অস্তিত্ব ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের বিস্তার এমন প্রায় এক লক্ষ সম্ভাবনা আছে যার ফলে পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব সম্ভব হয়েছে ।বিজ্ঞান অনুসারে যদি এর মধ্যে একটা সম্ভাবনাও কম থাকতো তাহলে পৃথিবীতে জীবনের কোনো অস্তিত্বই থাকত না । বন্ধুরা আজ পৃথিবীতে প্রায় ৮৭ লক্ষ প্রজাতি আছে যার মধ্যে মাত্র কয়েক প্রজাতির চিন্তা-ভাবনা করতে সক্ষম । যার মধ্যে ডলফিন শিম্পাঞ্জি এবং আমরা মানব জাতি এবং আমাদের মধ্যে ৯৮% ডিএনএ বিজ্ঞান অনুসারে কোটি কোটি বছর আগে আমাদের পুরা শিম্পাঞ্জির মতই ছিল । কিন্তু ক্রমিক বিকাশের পথ ২% ডিএনএ তে পরিবর্তন আসে ।তারপর আমরা প্রায়ই থেকে এডভান্স অস্ট্রালোপিথেকাস হোমো ইরেক্টাস হোমো স্যাপিয়েন্স স্যাপিয়েন্স ক্রমাগত বুদ্ধিজীবীরা পৃথিবীতে বসবাস করছি ।

বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব এবং পৃথিবীর এই পুরো জীবনচক্রে শুধুমাত্র মানুষের বুদ্ধিমান হওয়া হয়তো এর মধ্যে কোন সংযোগ আছে তাদের মত এই পৃথিবীতে কাকতালীয়ভাবেই জীবনের সৃষ্টি হয়েছে । আর পৃথিবী ছাড়া বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের জীবনের অস্তিত্ব নেই ।

নাম্বার অফ এলিয়েন বন্ধুরা এখনো পর্যন্ত আমরা এলিয়েনের অস্তিত্ব প্রমাণ পায়নি এর কারনে এটাও হতে পারে যে হয়তো আমরা এলিয়েনদের বুঝতেই পারেনি । হতে পারে যে তারা অন্য কোন রূপে অন্য কোন ফর্মে আছে আমরা ব্রহ্মান্ডে এলিয়েনদের জন্য রেডিও সিগন্যাল সিগন্যাল ব্যবহার করতে জানিনা । হতে পারে তারা অন্য কোনো মাধ্যমে অর্থাৎ গ্রাভিটেশনাল অথবা অন্য কোন জিনিসের মাধ্যমে আমাদের কাছে বার্তা পাঠিয়েছে ।করতে পারিনি আবার এটাও হতে পারে যে এলিয়েনরা হয়তো আমাদের আশেপাশেই আছে কিন্তু আমরা তাদের বুঝতে পারিনা । আমাদের এবং আমরা এলিয়েন না খুঁজে পাওয়ার কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী বলা হয় যে আমরা বসবাস করছি বন্ধুরা আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন আর এই সম্ভাবনা একেবারেই ভুল নয় ।সেটাও কিন্তু বেশ কিছু বিজ্ঞানী দাবি করেছেন তাদের মতে আমরা যে সংসারে বাস করছি সেটা আসল নয় বরং একটা মায়াজাল কিছু ।

বিজ্ঞানীদের মতে আমরা অতি উন্নত সভ্যতার তৈরি কোন দুনিয়ায় বাস করছি যেভাবে আমাদের মোবাইলে সবকিছু জগতের মতো দেখতে পারি । রেকর্ড করতে পারি আমরা কাল্পনিক ভিডিও গেম তৈরি করতে পারি । সেখানকার কিছু চরিত্রকে আমরা কন্ট্রোল করতে পারি আবার কিছু চরিত্র কে এমন ভাবে প্রোগ্রাম করতে পারি যে তারা নিজে থেকেই যা ইচ্ছা করতে পারে । গেমের মধ্যে সেই চরিত্রগুলোর কাছে তাদের সেই জগদল হতেই পারে কিন্তু সেই চরিত্রগুলো জানেনা যে আমাদের কাছে সেটা একটা সিমুলেশন । আর সেই দুনিয়াটা আমাদের বানানো একটা মায়াজাল সিমুলেশন সিদ্ধান্তকে যেসব বিজ্ঞানীদের মতে হয়তো আমাদের এই সভ্যতা কোন শক্তির প্রোগ্রামিং । আর হয়তো তাদের প্রোগ্রামটা এমনটা নয় যে আমরা অন্য কোন সভ্যতার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারব ।আর হয়তো তারা তাদের নিজেদের মনোরঞ্জনের জন্য আমাদের তৈরি করেছে আসলেই সংসারও একটা মায়াজাল বন্ধুরা । যদি এই সিদ্ধান্তের পক্ষে মত দিয়েছেন কিন্তু এটা একটা ধারণা এর কোন বাস্তব ভিত্তি নেই ।আবার হতেও পারে এলিয়েনদের সাথে আমাদের দেখা না হওয়ার এটা একটা কারণ বন্ধুরা ।


অক্সিজেন উড়ে যাবে! পৃথিবীতে থাকবে না কোনও প্রাণ, আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১

 বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছেন ! চলে আসি আমাদের বিজ্ঞানভিত্তিক খবরে একটি অন্যরকম খবর বেরিয়েছে অক্সিজেন নাকি কবে যাবে অনুজীব ছাড়া পৃথিবীতে থাকবে । কোন প্রাণী থাকবে না এরকমই আশঙ্কা করছেন ।সূর্যের তাপে জ্বলে-পুড়ে ভাব হয়ে যাওয়া আর সাগর-মহাসাগরের সবটুকু যাওয়ার আগেই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে উঠে যাবে শ্বাসের বাতাস ।

অক্সিজেন উড়ে যাবে! পৃথিবীতে থাকবে না কোনও প্রাণ, আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের
পৃথিবীতে থাকবে না কোনও প্রাণ


অক্সিজেন উড়ে যাবে

মানে সবটুকু জল কমে যাওয়ার আগেই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে উঠে যাবে শ্বাসের বাতাস মানে নিঃশ্বাস নেওয়ার বাতাস । বা অক্সিজেন ছিঁড়ে ফালাফালা হয়ে যাবে পৃথিবী কে চারপাশ থেকে দূরে রাখা ওজোন গ্যাসের জাদন সব ধরনের সৌর বিকিরণ ও মহাজাগতিক রশ্মির হাত থেকে বাঁচিয়ে রাখে আমাদের ।সে সৌর বিকিরণ আর মহাজাগতিক রশ্মি শোষণ করে ভেঙে দেবেন বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড এর মত যে গ্রীন হাউজ গ্যাসের বাতাসের নির্গমনের মাত্রা বৃদ্ধিতে।

 আমরা এখন যাই করি

বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন নির্বাচনের পক্ষে টিকে থাকা যেমন সম্ভব হবে না তেমনই অসম্ভব হয়ে পড়বে উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ । তাদের রান্নাবান্নার যাবতীয় প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে । আজ থেকে ২৪০ কোটি বছর আগে পরিস্থিতি এরকম ছিল ।পৃথিবীর আবার ফিরে যাবে সেই অবস্থায় পৃথিবী ভরে যাবে তখন অত্যান্ত বিষাক্ত মিথেন গ্যাসে বিভিন্ন তাত্ত্বিক মডেলে।

মিথেন গ্যাস বিভিন্ন তাত্ত্বিক মডেল খতিয়ে দেখার পর এই সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় এই অশনিসংকেত দিয়েছে গবেষণাপত্রটি । প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা নেচার জিও সাইন্সে গবেষকরা । সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের উজ্জ্বলতা এবং তার প্রেক্ষিতে বায়ুমন্ডলে কিভাবে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ কমে বাড়ে সেসবের যাবতীয় তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন । ভিনগ্রহে কি প্রকৃতির প্রাণের হতে পারে সেই প্রাণ বেঁচে থাকে কোন কোন

পারি সেই প্রাণ বেঁচে থাকে কোন কোন প্রাকৃতিক উপাদানের উপর নির্ভর করে তা জানার লক্ষ্যে নাসার একটি বিশেষ প্রকল্প নেক্সাস 5x অফলাইনের সিস্টেম সায়েন্সের অংশ এই গবেষণাটি দুই মূল গবেষক আমেরিকান সিটি অব টেকনোলজির বিজ্ঞানী অধ্যাপক ও জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞানী অধ্যাপক কাজী দাবি করেছেন । এই পরিস্থিতি আসবে সূর্যের তাপে পৃথিবীর জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যাওয়ার আগেই ।

সেই সময় আসবে সূর্যের তাপে পৃথিবীর জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যাওয়ার আগে সেই সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভরে যাবে শুধুই বিষাক্ত মিথেন গ্যাস । জেগেছে নির্ভর করে বাঁচতে পারে বিশেষ কয়েকটি অনুযায়ী তখন মানুষ অক্সিজেন এর উপর নির্ভরশীল কোন প্রাণীর সালোকসংশ্লেষ নির্ভর কোন উদ্ভিদে আর টিকে থাকতে পারবে না । পৃথিবীতে ২৪০ কোটি বছর আগে এমনই অবস্থা ছিল । পৃথিবীর গ্রহ আবার সেই পরিবেশই ফিরে যাবে সেটা আর ১০০ থেকে ২০০ কোটি বছরের মধ্যেই হতে পারে গবেষকেরা জানিয়েছেন ।

প্রাণীর অস্তিত্ব থাকতে পারেনি ভিনগ্রহের ভিন্ন লুকে এবার সেই ধরনের প্রাণের খোঁজ তল্লাশির সময় এসে গিয়েছিলো ।এটা ছিল একদম অন্যরকম একটি তথ্যমূলক আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হলো । আপনাদের কতটা ভাল লেগেছে তবে এই ধরনের নিউজ আসতে থাকে তাই আমরা আপনাদের সামনে নিয়ে আসতে বাধ্য হই ।সবাইকে ধন্যবাদ   সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।


হঠাৎ যদি পৃথিবীর সব মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যায় তাহলে কী হবে?

কোন মন্তব্য নেই

রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১

 আচ্ছা বন্ধুরা আপনারা কখনো ভেবেছেন পৃথিবী থেকে যদি মানুষের অস্তিত্ব পুরোপুরি মুছে যাই তাহলে কি হবে ? 

হঠাৎ যদি পৃথিবীর সব মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যায় তাহলে কী হবে?
পৃথিবীর সব মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যায় 

পৃথিবীর সব মানুষ বিলুপ্ত 

শুনতে বোকা বোকা মনে হলেও এর উত্তর কিন্তু অনেক অ্যাডভেঞ্চারাস হতে চলেছে আপনারা একবার ভাবুন না হঠাৎ যদি যাই মরিয়া আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায় কল-কারখানাগুলো নিস্তব্ধ হয়ে যায় বাবা-মা সন্তানকে শব্দ বন্ধ হয়ে যায় অথবা প্রেমিক-প্রেমিকার ঝগড়ার আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায়  । তাহলে চারিদিকে কেমন একটা শূন্যতা বিরাজ করবে কি তাই তো শুধু তাই নয় আমাদের পৃথিবী থেকে চলে যাওয়ার পর এমন আরো অনেক কিছু হবে হয়ত । আপনারা স্বপ্নেও কখনো কল্পনা করেন নি তাহলে বন্ধুরা আজকের এই  আমি আপনাদের এটাই বলব যে মানুষ পৃথিবী থেকে পুরোপুরি উধাও হয়ে গেলে পৃথিবীর উপরে কি কি প্রভাব পড়বে । 

যদি আপনাদের এই বিষয়ে কৌতুহল থাকে তাহলে  শেষ পর্যন্ত অবশ্যই দেখুন তাহলে চলুন শুরু করা যাক । এই বিষয়ে কথা বলার আগে আপনাদের একটা কথা মনে করিয়ে দেই আর সেটা হলো আমরা কিন্তু শুধুমাত্র মানুষের হঠাৎ বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া নিয়ে কথা এক্ষেত্রে কিন্তু উদ্ভিদ এবং প্রাণী জগৎ প্রকৃতির মধ্যে থাকছে । ২০০৭ সালে ঠিক এমনই একটা কনসেপ্ট এর উপর ভিত্তি করে একটা সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল যার নাম ছিল । সেখানে দেখানো হয়েছিল গবেষণা চলাকালীন একটা ভীষণ ক্ষতিকারক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে যা শুধুমাত্র মানুষের জন্য বিপদজনক ভাইরাসের কবলে পড়ে সমস্ত মানবজাতির জীবন শেষ হয়ে যায় । দুই হাজার কুড়ি সাল থেকে একটা ভাইরাস কিন্তু আমাদের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে যার নাম করোনাভাইরাস ।

 মানুষ বিলুপ্ত হওয়ার পর সময় অনুযায়ী পৃথিবীতে যা ঘটবে ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা পর মানুষ বিলুপ্ত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পরে সবার প্রথমে পৃথিবীর উপর প্রভাব পড়বে । কারণ ধীরে ধীরে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে কারণ থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট এবং ডিজেল পাওয়ার প্লান্ট এর মতো কেউ থাকবে না । এই সময়ের মধ্যে থেকে বেশি প্রভাব দেখা যাবে না ৪৮ থেকে ৭২ ঘন্টা পর । এবার অন্ধকার আস্তে আস্তে শুরু করবে কারণ ইতিমধ্যেই পাওয়ার ব্ল্যাক আউট হয়ে গেছে । গোটা বিশ্বে মোট ৪৩৫ নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট আছে যা কন্ট্রোল করার জন্য কোনটি প্রয়োজন হয় পাম্পের সাহায্যে কারেন্ট এর মাধ্যমে চলে । আর কারেন্ট ছাড়া নিউক্লিয়ার স্টেশনে তাপমাত্রা বেড়ে যায় ফলে আগুনে পরিণত হয় আর বাড়তে বাড়তে থাকে বেরিয়ে আসবে এই সময় বায়ুমণ্ডলের ছড়িয়ে পড়তে শুরু করবে ।এবং মেয়েকে পরিণত হবে এবার থেকে রেডিয়েশন ছড়িয়ে পড়তে শুরু আর বন্ধুরা একটা নিউক্লিয়ার রেডিয়েশন স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কুড়ি হাজার বছরেরও বেশী সময় লাগে ।

 সব থেকে বড় উদাহরণ হল রাশিয়ার চেরনোবিল হাজার ৯৮৬ সালে ছিল সেখানকার অবস্থায়ও বিপদজনক আর যদি ৪৩৫ নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট একসাথে ফেটে যায় তাহলে কী অবস্থা হবে ? নিশ্চয়ই আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এক সপ্তাহ পরেই মানুষ তাদের প্রয়োজন মেটাতে মাটিতে জল বের করে যার ফলে একটা ভারসাম্য বজায় থাকে । মাটির নিচে জলের স্তর কখনও বিস্ফোরিত হয়ে বেরিয়ে আসে না কারণ সেটা একটা রাস্তা খুঁজে পাই এবার যদি না থাকে তাহলে তো স্বাভাবিক ভাবেই মাটির নিচে জলের স্তর বাড়তে থাকবে যার ফলে মাটিতে যে সমস্ত প্রাণী বসবাস করে তারা বাইরে বেরিয়ে আসতে শুরু করবে । আর যেহেতু তারা ছড়িয়ে পড়বে বড় বড় শপিং মল সুপার মার্কেটে ।আর এইভাবে ক্রমাগত নিজেদের খিদে মেটাবে যার ফলে বেড়ে যাবে যে তারা যুক্ত করবে । এক মাস পর যেহেতু এরোপ্লেন মোটরসাইকেল এবং সমস্ত পরিবহন মাধ্যম বন্ধ থাকবে ফলে কোন প্রকার দূষণ হবে না আর প্রকৃতি নিজেকে পুনরুদ্ধার করতে শুরু করবে ।

আপনারা সকলেই জানেন যে পৃথিবীর খুব বেশি উদাহরণস্বরূপ দুই হাজার কুড়ি সালে যখন ভারতে প্রথম শুরু হয়েছিল তখন মাত্র এক মাসের মধ্যে কোনো গাড়ি-ঘোড়া না চলার কারণে পাঞ্জাব থেকে হিমালয় দেখা যাচ্ছিল হ্যাঁ বন্ধুরা । মানুষ তাদের বাড়ির ছাদ থেকে হিমালয় পর্বতের অপূর্ব দৃশ্য দেখতে পেত । কিন্তু বন্ধুরা এবার এটা চূড়ান্ত লেভেলের হবে কারণ এবার তো কোনো রকম থাকবে না ।আর তিন থেকে চার মাসে বায়ুমণ্ডল এতটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে যে আপনি খালি চোখে দেখতে পাবেন কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই সময় আমরা কেউ বেঁচে থাকব না । এসব দেখার জন্য আর বন্ধুরা আমরা চলে যাওয়ার কয়েক মাস পরে মানুষের প্রাণীদের মৃত্যু হতে শুরু করবে কারণ প্রাণীরা নিজেরা নিজেদের যত্ন রাখতে পারবে না এক বছর পর পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার এক বছর পরে সিমেন্ট এ বিল্ডিং ভেঙে পড়তে শুরু করবে টিকে থাকলেও বাড়ন্ত গাছ এবং জনগণের সামনে সেগুলো খুব বেশিদিন টিকতে পারবে না । ধীরে ধীরে অসত্য জাতীয় সড়কে ঘিরে ধরে আর তাদের

অসত্য জাতীয় গাছ পুরো শহর কে ঘিরে ধরবে । আর তাদের শিকড় ছড়িয়ে পড়বে যে কংক্রিটের বিল্ডিং ভাঙতে শুরু করবে আর দেখতে দেখতে সমস্ত বিল্ডিং ধ্বংস হয়ে যাবে । তারপর মাটিতে মিশে যাবে এমনকি রেলওয়ে স্টেশন এয়ারপোর্টে অবস্থার হাত থেকে রক্ষা পাবে না । সেগুলো পুরোপুরি ধ্বংস স্তুপে পরিণত হবে ১০ বছর পর গত ১০ বছর ধরে রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব এই সমস্ত জায়গা গাছের শুকনো পাতায় থেকে যাবে সরবে এবং সেই বিল্ডিংটির পাটিকেল মাটিতে মিশে যাবে হয়ে যাবে গোটা পৃথিবী জঙ্গলে পরিণত হবে ।আগের মত হবে না সমস্ত বন্যপ্রাণীদের দিকে চলে আসবে যেমন বাঘ-সিংহ ইত্যাদি' ।

এবার যেহেতু মানুষের কোন অস্তিত্ব নেই তাই সামুদ্রিক প্রাণীদের জীবনে ফুটবে একটা রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিবছর মানুষের চাহিদার জন্য ১ ট্রিলিয়ন মেরে ফেলা হয় তাই মানুষের বিলুপ্ত প্রাণী দের পাশাপাশি সামুদ্রিক প্রাণীর বিলুপ্তি ।৫০০ বছর পর পৃথিবীতে আর কোন শহরে অস্তিত্ব থাকবেনা সমস্ত বিল্ডিং মাটি হয়ে যাবে যদিও পাথরের তৈরি করত তখনো সুরক্ষিত থাকবে ।এখানে ভীষণ ইন্টারেস্টিং ঘটনা ঘটবে যত প্রাণী আছে অর্থাৎ কুকুর বা বিড়াল যদি তারা কোনমতেই সময় বেঁচে যায় তাহলে তার দিকে এগিয়ে যাবে এর উল্টোটা হলো এবার ধীরে ধীরে তাদের পূর্বের আকারে ফিরে যাবে । এবং পুনরায় তাদের মত হিংস্র শিকারে পরিণত হবে ১০০০ বছর পর মানুষের বিলুপ্তির ১০০০ বছর পরে দীর্ঘ কয়েকশো বছর ধরে কার্বন-ডাই-অক্সাইড পরিবেশে নামে চাই সেটা মেঘের আকাশ নেবে । আর এত বছর ধরে প্রায় ৯৫% কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে প্রথমে মাটিতে এবং পরে দেবে সমুদ্রপৃষ্ঠের তৈরি হবে ।

 তাই কার্বন ডাইঅক্সাইড আর কখনো করবে না যার ফলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল অনেক বেশি হয়ে যাবে ।১০০০০ বছর পর এবার কার্বন-ডাই-অক্সাইড শেষ হয়ে যাওয়ায় পৃথিবীতে গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর প্রভাব একেবারেই থাকবে না যার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যাবে । এটাই হবে এবার পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে ৫০ হাজার বছর ৫০ হাজার বছর পর পৃথিবী থেকে নিউক্লিয়ার রেডিয়েশন পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে । যেহেতু প্লুটোনিয়ামের ৪৫ হাজার বছর পরে একেবারে শেষ হয়ে যায় তখন পৃথিবীর কোনো ক্ষতিকারক রাসায়নিক প্রভাব থাকবে না । আর এই সময় মানুষের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যাবে আর কেউ জানতেও পারবেনা যে একসময় পৃথিবীতে মানুষের অস্তিত্ব ছিল । এক লক্ষ বছর পরে মানুষ যত টিভি রেডিও সিগন্যাল তৈরি করেছিল সেটা মানুষের বিলুপ্তির এক বছর পর ট্রাভেল করে আকাশগঙ্গার বাইরে পৌঁছে যাবে । আর যদি ইন্টেলিজেন্স এলিয়েন সিগন্যাল ধরে ফেলে তাহলে তারা বুঝে যাবে যে তারা পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারবে না । এতক্ষণ পর এক লক্ষ বছর পর্যন্ত কি কি হতে পারে তার একটা বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পনা করলাম । আশা করি  আপনাদের ভাল লেগেছে এবার আমাকে কমেন্ট করে জানান ।

হঠাৎ যদি পৃথিবীর সব মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যায় তাহলে কী হবে?
পৃথিবীর সব মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যায় 

নাসার ইন্টারনেট স্পিড কত? পৃথিবীর ইন্টারনেট স্পিড সবচেয়ে বেশি কোন দেশের

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১

 বলুনতো একটা কিপ্যাড এর ক্ষমতা কতটা, বলুনতো একটি গ্যালাক্সি এর শতকরা তারা গুনতে কত সময় লাগবে, জানেন কিনা এর ইন্টারনেট স্পিড কত ? এমন কিছু মজার ফ্যাক্ট নিয়ে আবার হাজির হলাম 

নাসার ইন্টারনেট স্পিড কত? পৃথিবীর ইন্টারনেট স্পিড সবচেয়ে বেশি কোন দেশের
পৃথিবীর ইন্টারনেট স্পিড

নাসার ইন্টারনেট স্পিড

আপনাদের সামনে চলুন তবে শুরু করা যাক । নাম্বার ওয়ান দর্শক আমাদের শরীরে অবস্থিত যতটা সহজ মনে হয় তার থেকে কঠিন একটা জিনিস কারণ একটি পাম্পিং এতটাই শক্তিশালী যে রক্ত পাম্প করে তিন তলা বাড়ির ছাদ পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারে । কিন্তু ২০০৬ সালে সিম কার্ড বিক্রি করা হয় যার মূল্য ২১০ মিলিয়ন ডলার । যা ভারতীয় টাকায় ৮৪ লক্ষ ২০ হাজার ৫৭৫ টাকা । নাম্বারটা ছিলো এত টাকা দিয়ে আপনারা যদি তারা গুনতে পছন্দ করেন তাহলে আপনার জন্য জানেন কি আপনি যদি প্রতি সেকেন্ডে একটি করে থাকো তাহলে একটি গ্যালাক্সির সব তারা গুনতে আপনার ৩০০০ বছর সময় লেগে যাবে । আশ্চর্য হলেন তো কিন্তু এত সময় কার আছে বলুন তো তাই না । এক নম্বর এবং তার আগের মানুষের খুব একটিভ পরিচিতি যন্ত্র কিন্তু জানেন কি পৃথিবীতে রেডিও আবিষ্কার হওয়ার পর ৫০ মিলিয়ন লোকের কাছে পৌঁছাতে সময় লেগেছিল প্রায় ৩৮ বছর ।

 কিন্তু তিন বছর সময় লেগেছিল সেই ৫০ জন লোকের কাছে পৌঁছাতে ।একটি ভাল লাগলে একটি লাইক দেওয়ার অনুরোধ রইল আচ্ছা বলুন তো আপনার বাড়িতে সর্বোচ্চ কত স্পিডে ইন্টারনেট চলে । আমার ধারণা প্রায় কুড়ি থেকে ২৫ এমবিপিএস মেগাবাইট পার সেকেন্ড । কিন্তু জানে বিখ্যাত স্পেস রিসার্চ পেপার সেকেন্ড একটি সাধারণ মানুষের বাড়ি ইন্টারনেট থেকে এটা আরো হাজার গুণ বেশি ।সেখানে ইন্টারনেট স্পিড প্রতি সেকেন্ডে ১৭ হাজার ১৮৭ কিলোবাইট। সে যাই হোক এবার আসি নাসা-র কথায়। ... যেখানে অবিশ্বাস্য প্রতি সেকেন্ডে ৯১ গিগিবাইট গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়। আপনার বাড়িতে এত স্পিড ইন্টারনেট চলে এমন হতো ।বন্ধুরা আমাদের দেখানো আপনাকে ভালো লেগেছে সেটা কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না ।

পৃথিবীর ইন্টারনেট স্পিড 

সর্বনিম্ন ইন্টারনেট ডাউনলোড স্পিড এর দশম অবস্থানে বাংলাদেশ । জানতে হলে দেখতে থাকুন কল্যাণ সংস্থা সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের ও পর্যালোচনা  করেই প্রতিবেদনটি । দেশের প্রায় ৪ কোটি ৩৬ লাখ ১৪২৩৪  মোবাইল ডিভাইসের তথ্যের বিশ্লেষণ করে ওপেন সিগনাল বলেছে । যে পৃথিবীর ইন্টার্নেট ডাউনলোডের গতি সবচেয়ে ইরাকে সেখানকার ব্যবহারকারীরা গড়ে প্রতি সেকেন্ডে ১.৬ মেগাবাইট ডাউনলোড গতিপথ । নিচের দিক থেকে ২৩ নম্বর স্থানে রয়েছে আলজেরিয়ার হচ্ছে ৩.৪.৪ এমবিপিএস । আর এই তালিকার শীর্ষে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড সমৃদ্ধ দেশ হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া সেখানকার ডাউনলোড স্পিড হচ্ছে ৫২ দশমিক ৪ এমবিপিএস ।এরপর শীর্ষস্থানে রয়েছেন কানাডা ডাউনলোড হচ্ছে ৪৮ দশমিক ২ এমবিপিএস ।এমবিপিএস ৫.৮৭ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আছে এবং এর তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান ।ভারত কত তম স্থানে রয়েছে ৬.৮ এমবিপিএস গতির নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান ৬.২ এমবিপিএস গতির পাকিস্তান-ভারত অবস্থানে রয়েছে এসব দেশ রয়েছে ।


নাসার ইন্টারনেট স্পিড কত? পৃথিবীর ইন্টারনেট স্পিড সবচেয়ে বেশি কোন দেশের
পৃথিবীর ইন্টারনেট স্পিড

বর্তমানে মানুষের গ্রহের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি পৃথিবীর শেষ চিত্র

কোন মন্তব্য নেই

শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১

 আমাদের ন্যায্য গ্রহটি এই অত্যাশ্চর্য ফটোগ্রাফের স্থানের কালো পটভূমির বিরুদ্ধে একটি বাঁকা, সূর্যালোক ক্রিসেন্ট খেলাধুলা করে।

বর্তমানে মানুষের গ্রহের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি পৃথিবীর শেষ চিত্র
 দৃষ্টিকোণ থেকে এটি পৃথিবীর শেষ চিত্র 

 

দৃষ্টিকোণ থেকে এটি পৃথিবীর শেষ চিত্র 


আমাদের ন্যায্য গ্রহটি এই অত্যাশ্চর্য ফটোগ্রাফের স্থানের কালো পটভূমির বিরুদ্ধে একটি বাঁকা, সূর্যালোক ক্রিসেন্ট খেলাধুলা করে। অপরিচিত দৃষ্টিকোণ থেকে, পৃথিবীটি ছোট এবং দূরবর্তী গ্রহের দূরবীন চিত্রের মতো পুরো দিগন্তটি সম্পূর্ণরূপে দেখার ক্ষেত্রের মধ্যে is আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনটিতে ক্রুদের দ্বারা উপভোগ করা, গ্রহটির খুব কাছাকাছি দর্শনগুলি নিম্ন পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে সম্ভব। প্রতি 90 মিনিটের মধ্যে একবার গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে, মেঘ, মহাসাগর এবং মহাদেশগুলির একটি দর্শনীয় স্থান তাদের দূরত্বে গ্রহের কিনার আংশিক চাপ দিয়ে তাদের নীচে স্ক্রোল করে। তবে এই ডিজিটালভাবে পুনরুদ্ধার করা চিত্রটি এখনও অবধি কেবল ২৪ জন মানুষের দ্বারা অর্জিত একটি দৃশ্য উপস্থাপন করেছে, অ্যাপোলো নভোচারী যারা চাঁদে ভ্রমণ করেছিলেন এবং আবার 1968 এবং 1972 এর মধ্যে ফিরে এসেছিলেন। ১,, ডিসেম্বর ১,, ১৯ 197২ now বর্তমানে মানুষের গ্রহের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি পৃথিবীর শেষ চিত্র।

বন্ধুরা এটা আমাদের পৃথিবী এই পৃথিবীর কোন না কোন জায়গায় আমরা বাস করি এবং আমরা যতটুকু জানি তাও এর মধ্যে অবস্থিত। কিন্তু যদি সমগ্র ব্রহ্মান্ডের সাথে তুলনা করা হয় তবে আমাদের পৃথিবী ঠিক কতটা ছোট হতে পারে আজ আপনাদের আমরা এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব । তাই চলুন আর দেরি না করে  শুরু করা যাক ব্রহ্মাণ্ডে আমাদের সব থেকে কাছের প্রতিবেশী হলো চাঁদ আপনারা অনেকেই হয়তো ভাবেন যে চাঁদ আমাদের পৃথিবীর খুব কাছেই অবস্থিত। কেননা রাতের আকাশে চাঁদের আলোয় বিরাজ করে কিন্তু বাস্তবে চাঁদ আমাদের পৃথিবীর এতটা কাছে অবস্থিত নয়। আমাদের পৃথিবী থেকে প্রায় তিন লক্ষ চুরাশি হাজার চারশো কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ।আর এই দূরত্বের মধ্যে দৃষ্টি পৃথিবী জায়গা করে নিতে পারবে আর যদি আপনি কোন ভাবে একটা না একটা গাড়ি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে চালাতে পারেন তবে ওই দূরত্বে পৌঁছাতে আপনার ১৬০ দিন সময় লাগবে। দূরত্ব সত্ত্বেও মানুষ কিন্তু চাঁদে পা রেখেছেন আর পৃথিবী থেকে মানুষটিকে আজ পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছেন। তাই এটা মানব সভ্যতার এক মহান কীর্তি হিসেবে গণ্য করা হয় । 

যদি আপনি ছাদে দাঁড়িয়ে পৃথিবী কে দেখার চেষ্টা করেন তবে পৃথিবীতে এরকম দেখাবে আর যদি আপনি পৃথিবীতে কাউকে কোন বার্তা পাঠাতে চান তবে সেকেন্ড সময় লাগবে থেকে পৃথিবীতে আপনার প্রিয়জনের কাছে পৌঁছাতে গতিবেগে যাতায়াত করে । এখন যে ফটোটা আপনারা দেখছেন সেটা মঙ্গল গ্রহ থেকে তোলা হয়েছে আর এই ছবিতে যে ছবি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সেটা হলো আমাদের পৃথিবী মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠ থেকে আমাদের পৃথিবী মঙ্গল গ্রহ পৃথিবী থেকে ২৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সর্বোচ্চ ১ মিলিয়ন কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে এর অর্থ হচ্ছে যদি মানুষ কখনো সত্যি হতে পারে তবে যতটা দূরত্ব চাঁদে পা রাখা মহাকাশচারীদের পৃথিবীতে গেছিল ।ঐ ব্যক্তি দূরত্বের ৯৮৬ গুণ বেশি দূরে থাকবে তাছাড়া মঙ্গল থেকে পৃথিবীকে পাঠাতে কিন্তু নয় বরং আলোর গতিবেগ হিসেব করলে প্রায় কুড়ি মিনিট লাগবে ।
Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo