পোস্টগুলি

রহস্যময় লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু, পাথর ও মূল আসলে কি?

ছবি
শনি গ্রহের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   পৃথিবীতে   সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রত্ন হল হিরে,পোখরাজ, রুবি, নীলকান্তমণি এবং পান্না। নীলা পাথর হল শনি গ্রহের প্রতিনিধি বা Neelam Stone রত্ন। যেটিকে অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে মনে করা হয়। রত্নশাস্ত্র অনুসারে, নীলা হল শনির প্রধান রত্ন। এই পাথরের নীল রঙের কারণে একে নীলা বলা হয়। শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু হলো লোহা (Iron)। এটি একটি অস্তবিদ্যুত ধাতু এবং মৌল্যবান একটি মেটাল হিসেবে পরিচিত। লোহা মুখ্যভাবে শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু হিসেবে পরিচিত হয়েছে কারণ এটি শনি গ্রহের একটি কৃষ্টি হিসেবে পরিচিত হয়েছে এবং তার উচ্চ চোম্বক ক্ষেত্র রয়েছে যা লোহার বা ইয়ন প্রতি পর্যায়ে সৃষ্টি করতে সক্ষম। এটি পৃথিবীতে পাওয়া যায় এবং এর উপকারিতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রকাশ পায়, যেমন মেটালার্জি, নির্মাণ, পরিবহন, ইলেকট্রনিক্স, ইত্যাদি। লোহা একটি পোষক উপাদান হিসেবে পরিচিত এবং মানব শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন হতে পারে। শনি গ্রহ হলো একটি শীতল গ্রহ এবং লোহা এটির উপারোক্ষ প্রতিকার হিসেবে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আরও পড়ু ন: কালপুরুষ নক্ষত...

মঙ্গল গ্রহের আকাশের রং কি?

ছবি
মঙ্গল গ্রহের আকাশের রং ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গল হলো সূর্য থেকে চতুর্থ দূরবর্তী গ্রহ এবং বুধের পরেই সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ।ইংরেজি ভাষায় মঙ্গল গ্রহ রোমান পুরাণের যুদ্ধদেবতা মার্সের নাম বহন করে এবং প্রায়শই এই গ্রহটিকে লাল গ্রহ নামে অভিহিত করা হয়। এর জন্য দায়ী এই গ্রহের পৃষ্ঠতলে ফেরিক অক্সাইডের আধিক্য, যার ফলে গ্রহটিকে লালচে রঙের দেখায় এবং খালি চোখে দৃশ্যমান মহাজাগতিক বস্তুগুলির মধ্যে এই গ্রহটিকে স্বতন্ত্রভাবে দর্শনীয় করে তোলে। মঙ্গল গ্রহের আকাশ পৃথিবীর রাতের আকাশে মঙ্গল গ্রহ থাকলে আনাড়ি চোখও একে সহজেই চিনে ফেলে। এমন লাল আর কিছুই যে নেই রাতের আকাশে! বেটলজিউস, অ্যান্টারিস নক্ষত্ররাও লাল। তবে মঙ্গলের কাছে কিছুই নয়। কিন্তু মঙ্গল সব সময় একই রকম উজ্জ্বল থাকে না। একসময় উজ্জ্বল হতে হতে পৃথিবীর আকাশে সব নক্ষত্রের চেয়েও উজ্জ্বল হয়ে যায়। রাতের আকাশে এর চেয়ে বেশি উজ্জ্বল থাকে শুধু চাঁদ আর শুক্র। সাধারণত মঙ্গলের ভূপৃষ্ঠের রং লালচে। আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে এই লালচে রং আকাশে এর রুপ নেয় গোলাপি। আরও পড়ু ন: সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি? সূর্যের কাছাকাছি নীল রঙটি জলের বরফ...

রাতের আকাশে নতুন ম্যাজিক! এবার পাশাপাশি দেখা যাবে শুক্র, বৃহস্পতি ও চাঁদকে

ছবি
এবার পাশাপাশি দেখা যাবে শুক্র, বৃহস্পতি ও চাঁদকে ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশের নতুন ম্যাজিক। সবুজ ধূমকেতু সৌরজগতের দূর প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে। আবার তার দেখা মিলবে ৫০ হাজার বছর পরে। স্বাভাবিক ভাবেই রাতের আকাশে যাঁরা চোখ রেখে খুঁজে চলেন মহাজাগতিক বিস্ময় তাঁদের মন খারাপ। কিন্তু এই বিষণ্ণতার মধ্যেই রাতের আকাশে নয়া ম্যাজিক দেখতে আগ্রহী তাঁরা। মহাকাশের কী সেই ম্যাজিক জানা যাচ্ছে যে, বহুদিন পরে রাতের আকাশে কাছাকাছি আসতে দেখা গিয়েছে পৃথিবীর দুই প্রতিবেশী বৃহস্পতি ও শুক্রকে। দুই দৈত্যাকার গ্রহ সবচেয়ে কাছাকাছি আসবে ১ মার্চ। এই মুহূর্তে রাতের আকাশে চোখ ফেরালে সবচেয়ে উজ্জ্বল যে দুই বিন্দুর দিকে নজর পড়ছে সেগুলি বৃহস্পতি ও  শুক্র। ফেব্রুয়ারির মাসে দুই গ্রহের মধ্যে দূরত ছিল প্রায় ২৯ ডিগ্রির। মাসের শেষে তা হতে চলেছে মাত্র ২৩ ডিগ্রি। সেই হিসেবে ১ মার্চ তাদের কার্যতই গায়ে গায়ে দেখা যাবে রাতের আকাশে।তবে তার আগে মঙ্গলবারই চাঁদকে দেখা যাবে শুক্র ও বৃহস্পতিবার একেবারে কাছে। আরও পড়ুন:  হঠাৎ তুরস্কের আকাশে এলিয়েনের UFO! এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে আনলেন বিজ্ঞানীরা একসঙ্গে তিন জ্যোতিষ...

কী সংকেত ভেসে আসছে ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে? রেডিও সিগন্যালে কি পেলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
রেডিও সিগন্যাল মহাআকাশ থেকে ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   এলিয়েন নিয়ে আমাদের কৌতুহলের শেষ নেই।ভিনগ্রহীদের সঙ্গে বিশ্ববাসীর যোগাযোগ স্থাপন নিয়েও উৎসাহ তুঙ্গে আমজনতা থেকে বিজ্ঞানী ও সকলের। মহাকাশ বিজ্ঞানের কূট জটিল অনেক রহস্যই হয়ত ভেদ করা সম্ভব হবে এবার।তবেই তো অনুসন্ধান গবেষণা আর উত্তর। সেই উত্তরের খোঁজে এতদিন ধরে কাজ করে চলেছেন বিশ্বের তাবড় মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।  ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরেরে সিগন্যাল এই প্রথম ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরের এক ছায়াপথ থেকে রেডিও তরঙ্গ পেলেন কানাডার একদল বিজ্ঞানী এবং ভারতে বসানো রাক্ষুসে টেলিস্কোপের সাহায্যে তা মিলেছে।তাই ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ থেকে দূরে আসা তরঙ্গকে যন্ত্রের মাধ্যমে বন্দি করার খবর প্রথমে এলিয়েনদের বার্তা নিয়ে জল্পনা আরও উসকে দেয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা মনে করিয়ে দেন কোনও এলিয়েন নয় পৃথিবীর নিকটবর্তী ছায়াপথ থেকে যে সংকেত আসছে মনে রাখতে হবে তা আসলে অনেক অনেক আগে সেখান থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এতদিন পর পৃথিবীতে এসে পৌঁছচ্ছে। আরও পড়ুন:  সত্যিই কি এলিয়েন আছে? আকাশে দৃশ্যমান UFO রহস্যভেদ নতুন দল গঠন নাসার SDSSJ0826+5630 নামের যে ছায়াপথের তরঙ্গ থেকে স...

মঙ্গল গ্রহে মাকড়সা,গিজ়ার,ডিমের পোচ ও বরফের দেখা?

ছবি
মঙ্গল গ্রহে মাকড়সা,গিজ়ার,ডিমের পোচ ও বরফের দেখা ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগতে পৃথিবীর সবথেকে কাছের গ্রহ মঙ্গল। আর তাই মঙ্গল গ্রহে প্রাণের সম্ভাবনা খুঁজতে বহু বছর ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। মঙ্গলে জল আছে কিনা থাকলেও কী অবস্থায় আছে, জলবায়ু কীভাবে পরিবর্তন হয় সেসব নিয়ে বিস্তর গবেষণা চালাচ্ছেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা।  মঙ্গল গ্রহে বরফের দেখা তাঁদের পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছে যে , মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর চেয়েও ঠাণ্ডা। আবহাওয়ার পরিস্থিতিও কঠিন। সাধারণত সেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। এই তাপমাত্রা পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে রাশিয়ার কাছাকাছি আর্কটিক অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায় তাও সেটা শীতকালে। মঙ্গল গ্রহ সূর্যের থেকে অনেক দূরে। তাই সূর্যের তাপ কম পৌঁছায়। মঙ্গল গ্রহের একটি পাতলা বায়ুমণ্ডল রয়েছে যার মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে ৯৫ শতাংশ।  মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর তুলনায় ১০০ গুণ পাতলা। এরকম নানা কারণে মঙ্গল গ্রহের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের এত নীচে থাকে। কখনও কখনও তাপমাত্রা মাইনাস ১২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও পৌঁছে যায়।নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি (JP...

রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠাল হাবল টেলিস্কোপ

ছবি
রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী ছবি । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবী থেকে বহুদূরে ঝকঝক করছে রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী। সেই ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠাল হাবল টেলিস্কোপ। সম্প্রতি নাসা সেই ছবি সামনে এনেছে। যা ঘিরে কৌতূহল দেখা দিয়েছে মহাকাশপ্রেমীদের মধ্যে। নাসা একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, পৃথিবী থেকে ১ লক্ষ ৬০ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত সেই রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী। যা দেখতে গোলাকার। নক্ষত্রমণ্ডলী হল বহু নক্ষত্রের সমাহার। হাবল টেলিস্কোপের তোলা এই নক্ষত্রমণ্ডলীটি ব্যতিক্রমী। কারণ এটি গোলাকার। এর মধ্যে হাজার হাজার তারা ঘন ভাবে সজ্জিত রয়েছে। লাল এবং নীল ফিল্টার ব্যবহার করে ওই নক্ষত্রমণ্ডলীটির দু’টি ছবি তুলেছে হাবল টেলিস্কোপ।  আরও পড়ুন:  ব্রহ্মাণ্ড আর কত বৃদ্ধি পাবে? না ফের চুপসে যেতে শুরু করবে যাতে ওই নক্ষত্রমণ্ডলী থকে বেরিয়ে আসা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য পর্যালোচনা করে সেটা সম্পর্কে আরও নানা তথ্য পাওয়া যায়।নাসা তার বিবৃতিতে আরও জানিয়েছে যে, অন্তত ১০ কোটি বছর আগে তৈরি হয়েছে ওই গোলাকার নক্ষত্রমণ্ডলী। মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির কাছাকাছি অবস্থিত লার্জ ম্যাগেলানিক ক্লাউড নামে খর্বকার গ্যালাক্সি। সেখানেই রয়েছে...

ব্ল্যাক হোল 8.5 বিলিয়ন বছর আগে উজ্জ্বল নক্ষত্রকে হত্যা করেছিল, যার আলো এখন পৃথিবীতে এসে পৌঁছল

ছবি
.5 বিলিয়ন বছর আগে উজ্জ্বল নক্ষত্র ও ব্ল্যাক হোল ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মহাকাশে রহস্যজনক একটি উজ্জ্বল আলো দেখতে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। পরে জানা যায় যে, এই আলো একটি নক্ষত্র থেকে আসছিল। যা সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, ব্ল্যাক হোল এই নক্ষত্রটিকে টুকরো টুকরো করে ফেলেছিল। আর এখন বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন। পৃথিবী থেকে ৮.৫ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে এই ঘটনাটি ঘটেছিল।  সেই সময় মহাবিশ্ব তার বর্তমান বয়সের মাত্র এক তৃতীয়াংশ ছিল। এই নক্ষত্রটি ৮.৫   বিলিয়ন বিলিয়ন বছর আগে ভেঙে গিয়েছিল। যা চূর্ণ বিচূর্ণ আলোর আকারে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেখতে পান বিজ্ঞানীরা।এই উজ্জ্বল আলোকে বিজ্ঞানীরা AT ২০২২cmc নাম দিয়েছেন। গত ১১ ফেব্রুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির পালোমার অবজ়ারভেটরি দ্বারা প্রথম দেখা গিয়েছিল এই উজ্জ্বল আলোক।  ব্ল্যাক হোলের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির দ্বারা যখন কোনও নক্ষত্র ছিন্ন হয়ে যায় তখন সেটি একটি জোয়ার ভাটা বিঘ্নিত ঘটনা হিসেবে পরিচিত হয়। মহাকাশে এগুলিকে ভায়োলেন্সের ঘটনা বলা হয়। যা জ...

প্লুটোর আসল ছবি শেয়ার করল নাসা, সত্যিকারে বামন গ্রহের রং কেমন?

ছবি
প্লুটোর গ্রহের আসল ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নাসা এবার প্লুটোর একটি আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করেছে। ওই ক্লোজ় আপে ধরা পড়েছে প্লুটোর সত্যিকারের রং। নিউ হরাইজ়ন মহাকাশযান দ্বারা এই ছবিটি তোলা হয়েছে। প্লুটো থেকে প্রায় ২২,০২৫ মাইল  দূরত্বে তোলা ছবিটি তার হার্ট দেখিয়েছে। যা নাইট্রোজেন এবং মিথেন দিয়ে তৈরি একটি বিশাল হিমবাহ। প্লুটো গ্রহের আসল ছবি দেখতে কেমন প্লুটোর গ্রহের পরিচিতি হয়েছিল সৌরজগতের নবম গ্রহ হিসেবে। কিন্তু ২০০৬ সালে সেই গ্রহকেই বামন গ্রহে নামিয়ে দেওয়া হয়। তার কারণ হল আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা ইউনিয়ন (IAU) দ্বারা বিবেচিত একটি পূর্ণ আকারের গ্রহের সমস্ত মানদণ্ড পূরণ করতে অক্ষম হয় গ্রহটি। তবে নাসা এবার প্লুটোর একটি আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করেছে। ওই ক্লোজ় আপে ধরা পড়েছে প্লুটোর সত্যিকারের রং। নিউ হরাইজ়ন মহাকাশযান দ্বারা এই ছবিটি তোলা হয়েছে।  প্লুটো থেকে ২২,০২৫ মাইল  (৩৩,৪৪৫ কিমি) দূরত্বে তোলা ছবিটি তার হার্ট দেখিয়েছে। যা নাইট্রোজেন এবং মিথেন দিয়ে তৈরি একটি বিশাল হিমবাহ।নাসা এই ছবি শেয়ার করে বলছে যে, প্লুটোর তলে রয়েছে অজস্র ফাটল গর্ত ট্যান পড়েছে। সামগ্রিক ভ...

বিশ্বের সবথেকে বড় বরফ গলতে-গলতে বিলুপ্তির পথে, ছবি প্রকাশ করল নাসা

ছবি
বিশ্বের সবথেকে বড় বরফ খন্ড, নাসার তরফে শেয়ার করা সেই ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীর বৃহত্তম বরফের গলন শুরু হতে হতে তা এক্কেবারে শে পর্যায়ে এসে পৌঁছে গিয়েছে। সেই বিশালাকার বরফের বিলুপ্তির দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়ার একটি স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা।  বিশ্বের সবথেকে বড় বরফ  খন্ড আন্টার্কটিকার A-76A হল শেষ অবশিষ্ট অংশ। যা একসময় বৃহত্তম বরফের টুকরোগুলির মধ্যে একটি ছিল। শীঘ্রই এটি শেষ হতে চলেছে বলে নাসার তরফে জানানো হয়েছে। আমেরিকার ন্যাশনাল আইস সেন্টারের তরফে বলা হয়েছে যে, এই আইসবার্গটি ১৩৫ কিমি লম্বা এবং ২৬ কিমি চওড়া। এটি লন্ডনের মোট আয়তনের প্রায় দ্বিগুণ।বিরাট ওই বরফ চাঁই রোড আইল্যান্ডের আকারের পর্বত A-76 এর বৃহত্তম অংশ। আগে এটিকে সবচেয়ে বড় আইসবার্গ বলে মনে করা হতো। ২০২১ সালের মে মাসে এই অংশটি অ্যান্টার্কটিকার রনে আইস শেল্ফের পশ্চিম ভাগ থেকে ভেঙে যায়।  এরপর সেটি তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলি ছিল 76A, 76B এবং 76C। আইসবার্গ নম্বর 76A এই খণ্ডগুলির মধ্যে বৃহত্তম। এই বিশাল বরফের টুকরোটি গত এক বছর ধরে আন্টার্কটিকার কাছে ধীরে ধীরে ভাসছিল ব...

রহস্যময় বহু পুরনো এক সৌরজগতের সন্ধান পেলেন এবার বিজ্ঞানীরা

ছবি
বহু পুরনো এক সৌরজগতের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এবার বিজ্ঞানীরা মহাকাশে একটি প্রাচীন সৌরজগতের সন্ধান পেয়েছেন। যা আমাদের এই মহাজাগতিক দুনিয়ার থেকে অনেকটাই আলাদা।প্রায় ৯০ আলোকবর্ষ দূরে গবেষকরা একটি ১০ ​​বিলিয়ন বছরেরও বেশি পুরনো সাদা বামন নক্ষত্রকে দেখেছেন । যা সূর্যেরই মতো একটি মৃত নক্ষত্রের অবশিষ্ট উষ্ণ অংশ। সেটি গ্রহের ভাঙা টুকরোগুলির সমষ্টি দ্বারা বেষ্টিত। যাকে প্ল্যানেটসিমাল বলা হয়। এই অস্পষ্ট তারকাটির সৃষ্টিও হয়েছে ওই টুকরো টুকরো বস্তুগুলি দ্বারা।  বহু পুরনো সৌরজগতে কি কি রয়েছে আমাদের চারপাশের থেকে অনেক আলাদা এই সৌরজগতটি। এটি দুটি উপাদন রয়েছে লিথিয়াম এবং পটাশিয়ামের দ্বারা ভরপুর। কিন্তু আমাদের সৌরজগতের কোনও গ্রহেরই গঠন এমন নয়।এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমাদের আদি মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে এই প্রাচীনতম সৌরজগত কেন এতটা আলাদা ছিল? লিথিয়াম এবং পটাশিয়ামের মতো বিরল উপকরণগুলি কীভাবেই সমৃদ্ধ এই সৌরজগত? ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ছাত্র অ্যাবিগেইল এলমস যিনি সাদা বামন গ্রহ বলেছেন।  এই সৌরজগৎ পুরনো। অর্থাৎ শ্বেত বামন (যাকে WDJ2147-4035 বলা হয়) এবং তার আশপাশের সৌরজ...

এক সময় মঙ্গলে বিরাট সমুদ্র ছিল, তার প্রমাণ খুঁজে পেলেন গবেষকরা

ছবি
মঙ্গলে গ্রহে এক সময় বিরাট সমুদ্র ছিল ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গলে এক সময় বেশ বড় একটি সমুদ্র ছিল তার প্রমাণ পেলেন বিজ্ঞানীরা। একদল গবেষক মঙ্গলে একটি বিশাল সমুদ্রের প্রমাণ পেয়েছেন। তাঁরা দাবি করেছেন যে, ৩.৫ বিলিয়ন বছর আগে লাল গ্রহের পৃষ্ঠে ওই সমুদ্রের অস্তিত্ব ছিল। পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা প্রতিষ্ঠানের একটি প্রেস রিলিজ় অনুসারে টপোগ্রাফির একটি সেট প্রকাশ করেছেন।  মঙ্গলে সমুদ্র কিভাবে খুঁজে পেলেন গবেষকরা তাঁরা বিশ্বাস করেন যে, মানচিত্রগুলি একটি আদর্শ দৃশ্য সাজেস্ট করছে। যেখান থেকে বোঝা গিয়েছে গ্রহটি একবার বর্ধিত উষ্ণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা অনুভব করেছিল। আর্দ্র জলবায়ু আজও বিদ্যমান। যথেষ্ট কঠোর হিমায়িত শুষ্ক এবং সে দিনের সেই পরিস্থিতিতেও এমনই জলবায়ু ছিল।পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির জিওসায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক এবং সম্প্রতি গবেষণার প্রধান লেখক বেঞ্জামিন কার্ডেনাস বলেছেন। এখানে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হিসাবে যা অবিলম্বে মনে আসে তা হল এই আকারের একটি সমুদ্রের অস্তিত্ব মানে জীবনের জন্য উচ্চতর সম্ভাবনা। জিওফিজি...

কসমিক কিহোল কি! এর রহস্যময় ছবি তুলল হাবল স্পেস টেলিস্কোপ

ছবি
কসমিক কিহোলের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   মহাকাশের একটি অবিশ্বাস্য ছবি তুলে নিয়ে এসেছে নাসা। মহাকাশ সংস্থাটি দাবি করছে যে , এর নাম কসমিক কিহোল। হাবল স্পেস টেলিস্কোপ এই অসামান্য ছবিটি তুলেছে। একটা সময় বলা হচ্ছিল হাবল স্পেস টেলিস্কোপের বয়স হয়েছে। আর সেই কারণেই আরও শক্তিশালী তার উত্তরসূরি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ নিয়ে আসা হয়।  কিন্তু সেই জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপকে টক্কর দিয়েই অভূতপূর্ব এই কসমিক কিহোল এর ছবি তুলে তাক লাগাল হাবল স্পেস টেলিস্কোপ।এই রহস্যময় কসমিক কিহোল টি আসলে একটি নীহারিকার প্রতিফলন। এটিকে NGC 1999 নাম দেওয়া হয়েছে। পৃথিবী থেকে ৩৫০ আলোকবর্ষ দূরে ওরিয়ন নেবুলার কাছে অবস্থিত এই কসমিক কিহোল।এ বিষয়ে নাসা তার ওয়েবসাইটে লিখছে যে, নাসা/এসা হাবল স্পেস টেলিস্কোপের এই অদ্ভুত প্রতিকৃতিটি NGC 1999 প্রদর্শন করে।  যা ওরিয়ন নক্ষত্রমন্ডলে প্রতিফলিত নীহারিকা।NGC 1999 পৃথিবী থেকে প্রায় ১,৩৫০ আলোকবর্ষ দূরে এবং ওরিয়ন নেবুলার কাছে অবস্থিত। যা পৃথিবীর বিশাল নক্ষত্র গঠনের সবচেয়ে কাছের অঞ্চল। সাম্প্রতিক NGC 1999 নিজেই নক্ষত্র গঠনের এটি একটি ধ্বংসাবশেষ।একটি নবজাত তারার ...

সত্যিই কি এলিয়েন আছে? আকাশে দৃশ্যমান UFO রহস্যভেদ নতুন দল গঠন নাসার

ছবি
বার বার দেখা যাচ্ছে UFO। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নাসা এখন একটি ১৬ সদস্যের দল তৈরি করেছে। যারা এই কয়েক দশকের এলিয়েন বা ইউএফও সংক্রান্ত পুরনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করবে। এই দলটি প্রায় নয় মাস ধরে গবেষণা করবে যা শুরু হবে চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই। কেন বার বার দেখা যাচ্ছে UFO অজানা উড়ন্ত বস্তু ইউএফও মানবজাতির কাছে সবসময়ই রহস্যের বিষয়। যে রহস্যের সমাধান আজও অধরা রয়ে গিয়েছে। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে বিভিন্ন আকার আকৃতির বস্তু দেখার রিপোর্ট আসতে থাকে আমাদের কাছে। যেগুলিকে এলিয়েন বা কখনও ইউএফও বলে দাবি করা হয়। কিন্তু কোথা থেকে তারা আসে আর কোথায়ই বা তারা যায়।তাদের উৎস সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর আজও আমাদের কাছে অজানা। আরও পড়ুন:  মহাকাশে দুই গ্যালাক্সি যুদ্ধ, বিরল সেই ছবি তুলে দেখাল নাসার টেলিস্কোপ গবেষণা দলটি বলছেন যে,  সিভিল স্পেস প্রোগ্রাম অ্যারোনটিক্স রিসার্চ এবং স্পেস রিসার্চের জন্য দায়ী আমেরিকার স্বাধীন সংস্থা নাসা এখন একটি ১৬ সদস্যের দল তৈরি করেছে। যারা এই কয়েক দশকের এলিয়েন বা ইউএফও সংক্রান্ত পুরনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করবে। এই গবেষণা দলটি ...

মহাকাশ ইতিহাসে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ শক্তিশালী বিস্ফোরণ, আলো পৌঁছতে ১.৯ বিলিয়ন বছর লাগল

ছবি
সর্বকালের সবশ্রেষ্ঠ শক্তিশালী বিস্ফোরণ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে এখনও পর্যন্ত সবথেকে উজ্জ্বল বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে গেল গত ৯ অক্টোবর। এই বিস্ফোরণটি টেলিস্কোপ দ্বারা রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণগুলির মধ্যে একটি বলে মনে করা হচ্ছে। নাসার তরফে বলা হচ্ছে যে, এটি গামা রশ্মি বিস্ফোরণ বা জিআরবি মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ।  মহাকাশ শক্তিশালী বিস্ফোরণ বিজ্ঞানীদের মতে, এটি GRB 221009A। বিশ্বের বেশ কয়েকটি টেলিস্কোপ এই বিস্ফোরণের পরের ঘটনা চাক্ষুষ করেছে।অসাধারণ দীর্ঘ GRB 221009A এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে উজ্জ্বল গামা রশ্মি। বলেছেন ব্রেন্ডন ও কনর ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড এবং ওয়াশিংটন ডিসির জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরাল ছাত্র। এই বিস্ফোরণ এখনও পর্যন্ত সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। তিনি যোগ করলেন যে, যেহেতু এই বিস্ফোরণগুলি খুব উজ্জ্বল এবং কাছাকাছি হয়েছে। আমরা মনে করি এদের সম্পর্কে ব্ল্যাক হোল গঠন থেকে ডার্ক ম্যাটার মডেলগুলি পরীক্ষা করা পর্যন্ত এই বিস্ফোরণগুলি সম্পর্কে কিছু মৌলিক প্রশ্ন উন্মোচন করার বিষয়ে শতাব্দীর সেরা সুযোগ।বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন...

মঙ্গলে ছিল প্রাণ! জলবায়ু পরিবর্তন না হলে মানুষের বসবাসযোগ্য দ্বিতীয় গ্রহ হত, নতুন গবেষণা

ছবি
প্রাণ ছিল মঙ্গলে । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গলে মানুষ বাস করতে এক সময়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে লালগ্রহ আর মানুষের বসবাসযোগ্য নয়। সম্প্রতি একটি গবেষণায় এমনই দাবি করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। নতুন তত্ত্বটি নেচার জার্নালে প্রকাশিত একটি জলবায়ু মডেলিং সংক্রান্ত অধ্যয়নকে অনুসরণ করে।যা কয়েকশো কোটি বছর আগে মঙ্গলে বসবাসকারী জীবাণুগুলির অধ্যয়ন করেছিল।  আর সেই সময় লাল গ্রহে আমাদের পৃথিবীর মতোই জীবন বেঁচে থাকার অনুকূল বায়ুমণ্ডল ছিল।এটা বিশ্বাস করা হয় যে, মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল পরিবর্তনের কারণে সেখানে অণুজীবনের জীবন শেষ হয় সর্বপ্রথম। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব এবং মঙ্গলে তা শেষ হওয়ার মূল কারণ হল।দুটি গ্রহের গ্যাস গঠন এবং সূর্য থেকে তাদের দূরত্বের পার্থক্য। যেহেতু মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে অনেক দূরে সেখানে যে প্রাণের সন্ধান মিলেছে তা বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত গ্রিনহাউস গ্যাসের উপর বেশি নির্ভরশীল ছিল যা তাপমাত্রাকে বাঁচিয়ে রাখে। কিন্তু জীবাণুরা নিজেরাই তাদের গ্রহকে ধ্বংস করেছে। ডেইলি স্টারের খবর অনুযায়ী মঙ্গল গ্রহের প্রাচীন অণুজীব হাইড্রোজেন গ্রহণ করত এবং মিথেন উৎপন্ন করত। ধী...

ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারের পা ধরে রেখেছে নাকি এলিয়েন! এমনি তথ্য মঙ্গল গ্রহ নিয়ে

ছবি
নাসার  ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নাসার প্রকৌশলীরা যখন এই ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারটি উড়িয়েছিল তখন সেই সময় তাঁরা এর পায়ের সঙ্গে একটি রহস্যময় বস্তুকে ঝুলতে দেখেছিলেন। জিনিসটি অনেকটাই সুতোর মতো দেখাচ্ছিল। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ওই বস্তুটিকে এলিয়েন আখ্যা দিয়েছেন। নাসার হেলিকপ্টারের পা ধরে রেখেছে এলিয়েন প্রাণের সন্ধানে মঙ্গলে গিয়েছে নাসার পার্সিভারেন্স রোভার এবং ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার জেজ়োরে ক্রেটার। এর মধ্যেই ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারকে ঘিরে একটি চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ্যে এসেছে। গত সেপ্টেম্বরে নাসার বিজ্ঞানীরা এই ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারকে। সেটি হল ইনজেনুইটির ৩৩ তম ফ্লাইট। আর ঠিক এই সময়েই নাসার ইঞ্জিনিয়াররা রহস্যমস একটি জিনিস দেখতে পান। এ প্রসঙ্গে একটা বিষয় জেনে রাখা ভাল যে, মঙ্গল গ্রহে অবতরণের জন্য এই ছোট হেলিকপ্টারটির ৪টি পা রয়েছে। তাঁরা এর পায়ের সঙ্গে একটি রহস্যময় বস্তুকে ঝুলতে দেখেছিলেন। জিনিসটি অনেকটাই সুতোর মতো দেখাচ্ছিল। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ওই বস্তুটিকে এলিয়েন আখ্যা দিয়েছেন।একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন যে, এলিয়েন তার পায়ের নীচে একটি সুতো বেঁধে রেখে ও...

টেলিস্কোপের ক্যামেরা কাছে গেলেই নাকি কমে যায় তাপমাত্রা! এমনি সূর্যপৃষ্ঠে রহস্যে ঘেরা এক অঞ্চল

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সূর্যপৃষ্ঠে রহস্যময় এক এলাকার খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে গেলেই নাকি অদ্ভুত ভাবে কমে আসে তাপমাত্রার পারদ। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন এনএসও এর শক্তিশালী একটি সোলার টেলিস্কোপ এই তথ্য সংগ্রহ করেছে। সূর্যপৃষ্ঠে রহস্যে ঘেরা এক অঞ্চল জানা গিয়েছে যে, সূর্যের মধ্যেকার এই রহস্যে ঘেরা অঞ্চলটির নাম ক্রোমোস্ফিয়ার। এটি সৌর পরিমণ্ডলের একটি স্তর, যার সূচনা সূর্যপৃষ্ঠ থেকে ৪০০ কিলোমিটার উঁচুতে। ১২০০ কিলোমিটার উচ্চতায় এই স্তরের সর্বোচ্চ সীমা। ক্রোমোস্ফিয়ারের মধ্যে তাপমাত্রার তারতম্য রয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি যে, সাধারণত সূর্যের ক্রোমোস্ফিয়ারের নীচের দিকে তাপমাত্রা থাকে তিন হাজার ৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর উপরের দিকের তাপমাত্রা থাকে ৭ হাজার ৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।  কিন্তু এই স্তরের একটি বিশেষত্ব খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা জানিয়েছেন যে, সূর্যের এই বিশেষ স্তরটি থেকে দূরে সরে গেলে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। যেখানে সূর্যের অন্যান্য স্তরগুলির ক্ষেত্রে ঘটে বিপরীত ঘটনা। সে সব স্তর থেকে সূর্যের কেন্দ্রের আরও কাছে গেলে তাপমাত্রা বাড়ে। দূরে গেলে গরম...

চিনে হঠাৎ আকাশে ভেসে উঠল রহস্যময় ভিন রঙের মেঘ

ছবি
ভিন রঙের মেঘর ছবি দেখা গেল চিনে। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আকাশে মেঘের খেলা প্রায়সময়ই দেখা যায়। কখনও ঘোড়ার আকার,আবার কখনও পাখি মত। কিন্তু শুধু আকারই নয় রঙও বদল করে মেঘ। একসঙ্গে অনেক রঙের মেঘ কখনও দেখেছেন কি? অদ্ভুত এই নির্দশনেরই সাক্ষী থেকেছে চিনের গুয়াংডং প্রদেশ। সেখানেই ভিন রঙের মেঘ নজরে এসেছে। এক নজরে দেখলে প্রথমে রামধনু বলে মনে করা হলেও এটি আসলে মেঘ। মেঘের এক তুলো পেজা উপরেই গোলাপি আকাশি আভার এই রেশ দেখা গিয়েছিল সেখানে। কোথায় দেখা গেল ভিন রঙের মেঘ জানা গিয়েছে যে, দক্ষিণ চিনের গুয়াংডং প্রদেশের পুনিং সিটিতে গত অগস্ট মাসের শেষভাগে এই রামধনুর মতো দেখতে মেঘ দেখা যায়। বাসিন্দারা কিউমুলাস মেঘটির ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই হইচই পড়ে যায়। রাতারাতি ভাইরাল হয়ে যায় সেই মেঘের ছবি। এখনও অবধি ১.৩ কোটিরও বেশি মানুষ ওই মেঘের ছবি দেখেছেন এবং ৫ লক্ষেরও বেশি লাইক পড়েছে।পাইলাস যাকে ক্যাপ ক্লাউড বা স্কার্ফ ক্লাউডও বলা হয় থাকে।আসলে তা হল কিউমুলাস বা কিউমুলোনিম্বাস মেঘের ঠিক উপরে তৈরি হওয়া মসৃণ মেঘের এক আস্তরণ। যেভাবে তৈরি হয় এই উজ্জ্বল মেঘের পুঞ্জ বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন যে, মূলত বায়...