পোস্টগুলি

নক্ষত্র লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

যার সামনে সূর্যও বিন্দুবৎ! মহাকাশে ‘লাল দৈত্য’র ছবি তুললেন বিজ্ঞানীরা, Space News Nasa

ছবি
WOH G64  এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আপনি জানেন  সূর্য কত বড়? উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এর ভিতরে সেঁধিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর আকৃতির ১৩ লক্ষটি গ্রহ। কিন্তু সেই সূর্যকেই একটা বিন্দুর মতো মনে হবে WOH G64-র সামনে। এই নক্ষত্রটি অবশ্য আমাদের ছায়াপথের সদস্য নয়। ১ লক্ষ ৬০ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এই নক্ষত্রটি লার্জ ম্যাদেলানিক ক্লাউড ছায়াপথের তারা। এই প্রথম আমাদের ছায়াপথের বাইরের কোনও নক্ষত্রের ছবি তোলা সম্ভব হল। ইউরোপিয়ান সাউদার্ন অবজারভেটরির ভেরি লার্জ টেলিস্কোপ ইন্টারফেরোমিটারে ধরা পড়েছে এর ছবি। এই অতিকায় নক্ষত্রটি কিন্তু সত্যিই দৈত্য! আসলে কোনও নক্ষত্র বুড়ো হলে সে হয়ে ওঠে লাল দৈত্য। এক অতিকায় লাল বল হয়ে তখন সে জ্বলে থাকে আকাশে। পরে অবশ্য দ্রুত ভর হারিয়ে নিজের বাইরের স্তরগুলিকে উড়িয়ে দেবে সে। যদিও ভিতরের মূল অংশ অক্ষতই থাকবে। ঘন হয়ে সেই তারাটি পরিণত হবে শ্বেত বামনে। সেই সময় তাকে ঘিরে রাখবে এক গ্যাসের আস্তরণ। যাকে বলা হয় নেবুলা।  আরও পড়ুন:  সূর্য আর বাঁচবে কতদিন? জানাল নাসা এই অবস্থার শেষে কালো বামন হয়ে পড়বে সেই নক্ষত্র। তবে সেই দশায় পৌঁছতে এখনও দেরি রয়েছে।...

সূর্য আর বাঁচবে কতদিন? জানাল নাসা

ছবি
                                                              সূর্য জীবনকাল আর কত বছর ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সূর্য হল পৃথিবী নামের নীল রঙের গ্রহটার পাওয়ার হাউস। এই ব্রহ্মাণ্ডের অন্য কোথাও প্রাণের সন্ধান এযাবৎ মেলেনি। অন্তত সৌরজগতের আর কোথাও যে প্রাণ নেই তা একরকম নিশ্চিত যতই বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপাকে ঘিরে আশা জাগুক। কিন্তু সেই প্রাণও শূন্যে বিলীন হয়ে যাবে যদি সূর্য না থাকে। কাজেই পৃথিবীর জীবজগতের টিকে থাকার জন্য সূর্যের টিকে থাকাও একান্তই দরকার। কিন্তু এই মহাবিশ্বে সকলই ফুরায়। সূর্যও ফুরোবে নিশ্চিত।  সূর্যের  মৃত্যু  কবে খোলসা করল নাসা তার আগে বলা যাক, কত পুরনো এই সূর্য? সৌরজগতের কর্তার বয়স প্রায় সাড়ে চারশো কোটি বছর। এত বছরের আয়ু সত্ত্বেও সূর্যকে বুড়ো বলা যাবে না। কেননা নক্ষত্রের নিরিখে এ নেহাতই তুচ্ছ সময়। সেদিক বিচার করলে বলা যায় সূর্য এক মাঝবয়সি তারা। নাসার বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস যে, সূর্য তার অর্ধেক আয়ুর কাছা...

গ্যালাক্সি মানে কি! একটি গ্যালাক্সিতে মোট নক্ষত্রের সংখ্যা কত থাকে

ছবি
গ্যালাক্সি মানে  ছায়াপথে ইংরেজি নাম হল galaxy। তারা নাক্ষত্রিক অবশেষ আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস, ধূলিকণা ও তমোপদার্থ নিয়ে গঠিত মহাকর্ষীয় টানে আবদ্ধ একটি জগৎ। গ্যালাক্সি শব্দটির উৎস গ্রিক গালাক্সিআস্ (γαλαξίας) শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ, দুধালো বা এটি আকাশগঙ্গা অর্থে ব্যবহৃত হত।  আকারগত দিক থেকে ছায়াপথগুলি বামনাকৃতি কয়েক কোটি বা ১০৮ নক্ষত্র নিয়ে গঠিত থেকে দানবাকৃতি । একশো লাখ কোটি বা ১০১৪ নক্ষত্র নিয়ে গঠিত পর্যন্ত হতে পারে।প্রতিটি ছায়াপথই তার ভরকেন্দ্রটির চারিদিকে আবর্তনশীল। একটি গ্যালাক্সিতে মোট নক্ষত্রের সংখ্যার ছবি।  গ্যালাক্সিতে মোট নক্ষত্রের সংখ্যা বিজ্ঞানীদের অনুমান করেন যে, আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথে মোটামুটি ৩০ হাজার কোটি (৩০০,০০০,০০০,০০০) নক্ষত্র আছে। সংখ্যাটি কতটা বিশাল তা মনে হয় বুঝতে পারছ। আপনাকে একটু সাহায্য করা যাক। সাগরসৈকতের বালুকণার সঙ্গে তুলনা করে সংখ্যাটা কিছুটা বুঝতে পারবে। ধরা যাক, প্রতিটি বালুর কণা হলো একেকটি নক্ষত্র। তুমি যদি এক মুঠো বালু সৈকত থেকে তুলে নাও, তাহলে সেখানে কয়েক হাজার থেকে প্রায় লাখখানেক বালুকণা আছে বলে ধরে নেওয়া যায়।  আরও পড়ু ন: আমা...

সূর্যোদয় কাকে বলে? the sunrise

ছবি
ভোর বেলার সূর্যোদয় এর ছবি। সূর্য আসলে কি সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রের খুব কাছে অবস্থিত তারাটির নাম। প্রায় আদর্শ গোলক আকৃতির এই তারা প্রধানত প্লাজমা তথা আয়নিত পদার্থ দিয়ে গঠিত যার মধ্যে জড়িয়ে আছে চৌম্বক ক্ষেত্র। এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার কিলোমিটার যা পৃথিবীর ব্যাসের ১০৯ গুণ, ভর প্রায় ২×১০৩০ কিলোগ্রাম তথা পৃথিবীর ভরের ৩ লক্ষ ৩০ হাজার গুণ। এই ভর সৌরজগতে। সূর্যোদয় কিভাবে হয় সূর্যোদয় হল সেই মুহূর্ত যখন সূর্যের উপরের রিম সকালে দিগন্তে উপস্থিত হয়। শব্দটি সৌর ডিস্কের দিগন্ত অতিক্রম করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া এবং এর সাথে থাকা বায়ুমণ্ডলীয় প্রভাবকেও উল্লেখ করতে পারে।যদিও সূর্যকে দিগন্ত থেকে উত্থান বলে মনে হয়। এটি আসলে পৃথিবীর গতি যা সূর্যের আবির্ভাব ঘটায়। পৃথিবী পর্যবেক্ষকদের ঘূর্ণায়মান রেফারেন্স ফ্রেমে থাকার ফলে একটি চলমান সূর্যের বিভ্রম। আরও পড়ুন:  পৃথিবীতে ছোট পাহাড়ে দেখা যাবে দুটো সূর্য! এই আপাত গতি এতটাই দৃঢ়প্রত্যয়ী যে অনেক সংস্কৃতির পৌরাণিক কাহিনী এবং ধর্মে ভূকেন্দ্রিক মডেলের চারপাশে নির্মিত হয়েছিল। যা ১৬ শতকে জ্যোতির্বিজ্ঞানী নিকোলাস কোপার্নিকাস তার সূর্যকেন্দ্রিক মড...

ভেঙে পড়ল সূর্যের ভূপৃষ্ঠ একাংশ! মহাজাগতিক দৃশ্য দেখে অবাক বিজ্ঞানীরা

ছবি
সূর্যের একাংশ ভেঙে পড়ার ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগতের প্রধান সূর্য। তাকে নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের শেষ নেই। নানা ভাবে পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্রকে নিয়ে চলছে গবেষণা। এবার সূর্যে বড়সড় চাঞ্চল্য নজরে এল বিজ্ঞানীদের। সূর্যের একটা বড় অংশ ভেঙে পড়তে দেখলেন তাঁরা। সূর্য থেকে প্লাজমা ভেঙে পড়ল কেন? গত ফেব্রুয়ারি তে সূর্যের প্লাজমার একটা বড় অংশকে দেখা যায় সূর্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে। সেই বিচ্ছিন্ন অংশটিকে সূর্যকেই প্রদক্ষিণ করতে দেখেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে দেখা যায় যে, এর ফলে সূর্যের উত্তর মেরুতে একটি ঘূর্ণি সৃষ্টি হচ্ছে। পরে অবশ্য আর ভেঙে পড়া টুকরোটিকে দেখা যায়নি। নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ থেকেই দেখা গেল মহাজাগতিক এই দৃশ্য।  আরও পড়ুন:  কালপুরুষ নক্ষত্র মন্ডল কাকে বলে? Orion Constillation নাসার বিজ্ঞানী ড. তামিথা স্কভ সেই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি কয়েক সেকেন্ডের হলেও আসলে তা ৮ ঘণ্টা সময়কালের।কিন্তু কেন সূর্য থেকে প্লাজমা ভেঙে পড়ল? আসলে সূর্যের অধিকাংশ অংশই নানা ধরনের গ্যাস দিয়ে তৈরি। কেবল সূর্যই নয়, সব ধরনের নক্ষত্রের ভিতরটাই এরকম।  আরও পড়ুন:  তুরস...

কালপুরুষ নক্ষত্র মন্ডল কাকে বলে? Orion Constillation

ছবি
কালপুরুষ নক্ষত্র মণ্ডলের ছবি। কালপুরুষের বর্ণনা কালপুরুষ তারামণ্ডলের বর্তমান আকৃতি আজ থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ বছর পূর্বে গঠিত হয়েছিলো। পৃথিবীর সাপেক্ষে এর তারাগুলোর আপেক্ষিক গতি কম হওয়ার কারণে আজ থেকে আরও ১০/২০ লক্ষ বছর পর্যন্ত কালপুরুষ তারামণ্ডলকে রাতের আকাশে দেখা যাবে। অর্থাৎ এটিই দৃশ্যমান মণ্ডলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় পর্যবেক্ষণযোগ্য থাকবে। আরও একটি সুবিধা হল এই মণ্ডলের আবির্ভাব মানব সভ্যতার সমসাময়িক কালে হয়েছে। সুমেরীয়রা কালপুরুষ তারামণ্ডলকে একটি জাহাজ হিসেবে কল্পনা করত। প্রাচীন চীনে এটি ছিল রাশিচক্রের ২৮ টি রাশির একটি যার প্রতীক ছিল Xiu (宿)। এই রাশিটি সেখানে শেন নামে পরিচিত ছিল যার অর্থ তিন। কালপুরুষের কোমরবন্ধের তিনটি তারা দেখেই তারা এই নামকরণ করেছিল।প্রাচীন মিশরে এই মণ্ডলের তারাগুলো মৃত্যু এবং পাতালপুরীর দেবী অসিরিসের সাথে সম্পর্কিত ছিল। বলা হয়ে থাকে যে গিজা পিরামিড কমপ্লেক্স এই কালপুরুষের কোমরবন্ধের তিনটি তারার খ-মানচিত্র অনুসারে তৈরি করা হয়েছে।  এই কমপ্লেক্সের মধ্যে রয়েছে গিজার গ্রেট পিরামিড, খফ্রুর পিরামিড এবং মেঙ্কাউ-রার পিরামিড।কালপুরুষের কোমরবন্ধ এবং তরবারি নি...

রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠাল হাবল টেলিস্কোপ

ছবি
রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী ছবি । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবী থেকে বহুদূরে ঝকঝক করছে রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী। সেই ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠাল হাবল টেলিস্কোপ। সম্প্রতি নাসা সেই ছবি সামনে এনেছে। যা ঘিরে কৌতূহল দেখা দিয়েছে মহাকাশপ্রেমীদের মধ্যে। নাসা একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, পৃথিবী থেকে ১ লক্ষ ৬০ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত সেই রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী। যা দেখতে গোলাকার। নক্ষত্রমণ্ডলী হল বহু নক্ষত্রের সমাহার। হাবল টেলিস্কোপের তোলা এই নক্ষত্রমণ্ডলীটি ব্যতিক্রমী। কারণ এটি গোলাকার। এর মধ্যে হাজার হাজার তারা ঘন ভাবে সজ্জিত রয়েছে। লাল এবং নীল ফিল্টার ব্যবহার করে ওই নক্ষত্রমণ্ডলীটির দু’টি ছবি তুলেছে হাবল টেলিস্কোপ।  আরও পড়ুন:  ব্রহ্মাণ্ড আর কত বৃদ্ধি পাবে? না ফের চুপসে যেতে শুরু করবে যাতে ওই নক্ষত্রমণ্ডলী থকে বেরিয়ে আসা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য পর্যালোচনা করে সেটা সম্পর্কে আরও নানা তথ্য পাওয়া যায়।নাসা তার বিবৃতিতে আরও জানিয়েছে যে, অন্তত ১০ কোটি বছর আগে তৈরি হয়েছে ওই গোলাকার নক্ষত্রমণ্ডলী। মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির কাছাকাছি অবস্থিত লার্জ ম্যাগেলানিক ক্লাউড নামে খর্বকার গ্যালাক্সি। সেখানেই রয়েছে...

তারার জন্ম হয় মহাকাশে কীভাবে! তার ছবি তুলে দেখাল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
মহাকাশে কীভাবে তারার জন্ম হয় তার ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশের আরও একটি অত্যাশ্চর্য ছবি তুলে এনেছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। নাসার ওয়েব টেলিস্কোপের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে একটি নতুন ছবি শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, এটি একটি তারার জন্মের সময়কালের ছবি। পোশাকি ভাষায় এই তারাদের প্রোটোস্টার বলা হয়।  মহাকাশে কীভাবে নক্ষত্র জন্ম হয় মহাকাশবিজ্ঞানী মহল বলছে যে, তারার জন্মের এমন ছবি আগে কখনও দেখা যায়নি।নক্ষত্রটির নাম L1527  যা ধুলোর মেঘে ঘেরা। এই মেঘগুলি শুধুমাত্র ইনফ্রারেড আলোতে দেখা যায়। ছবিতে দেখা গিয়েছে তা নক্ষত্রটি কেন্দ্রে রয়েছে এবং এর গঠনের সময় গ্যাস এবং ধুলো বের হচ্ছে।নাসা বলেছে যে, এই নক্ষত্রটি দেখতে অনেকটা বালিঘড়ির মতো। জেমস ওয়েব তার ইনফ্রারেড ক্যামেরা দিয়ে দেখেছে।  এটি থেকে কমলা এবং নীল আলো বের হচ্ছে। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি জানিয়েছে যে, এই তারকার এমন ছবি আগে কখনও দেখা যায়নি। গ্যাস এবং ধূলিকণার ঘূর্ণায়মান ডিস্কের কারণে এই নক্ষত্রটি তখনও অন্ধকার জগত ছিল। নাসার এক বিবৃতিতে তা বলা হয়েছে। নীল অংশটি সবচেয়ে পাতলা ধুলো। কমলা আলোতে ধুলো সবচেয়...

সূর্যের থেকে ৫৩০ গুণ বড় নক্ষত্রটি বিস্ফোরণ, দেখাল ১১ বিলিয়ন বছর পিছিয়ে গিয়ে হাবল টেলিস্কোপ

ছবি
৫৩০ গুণ বড় নক্ষত্রটি বিস্ফোরণ । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  অনন্য নজির সৃষ্টি করল নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। দূর দূরান্তের সুপারনোভার বিভিন্ন মুহূর্ত ফ্রেমবন্দি করেছে স্পেস টেলিস্কোপটি। মহাবিশ্ব তখন তার শৈশবে। ১১ বিলিয়ন বছর আগে বিরাট তারার বিস্ফোরণ হয়। এখন টেলিস্কোপটি সেই ১১ বিলিয়ন বছরে পিছিয়ে গিয়ে ওই বিরাট তারার বিস্ফোরণ অর্থাৎ সুপারনোভা অবস্থার আগের মুহূর্তের ছবি তুলে এনেছে।  ১১ বিলিয়ন বছর পিছিয়ে গিয়ে হাবল টেলিস্কোপ কি দেখাল নক্ষত্রটি আমাদের সূর্যের চেয়ে ৫৩০ গুণ বড় ছিল। একটি বিপর্যয়কর বিস্ফোরণে তার বাইরের গ্যাসের স্তরগুলিকে আশপাশের মহাজাগতিকতায় উড়িয়ে দিয়েছিল। এই ঘটনাটিকেই সুপারনোভা বলা হয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা শক্তিশালী স্পেস অবজ়ারভেটরি ব্যবহার করে বিস্ফোরণের নক্ষত্রটির চূর্ণ বিচূর্ণ হওয়া অবস্থার ছবি তুলে ধরেছে। একটি সুপারনোভা খুব প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্ত করা যেতে পারে। কারণ সেই পর্যায়টি সত্যিই ছোট। এটি শুধুমাত্র কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিনের জন্য স্থায়ী হয় এবং সুপারনোভা সনাক্ত করার কাজটি খুবই দুষ্কর। একই এক্সপোজারে আমরা চিত্রগুলির একটি ক্রম দেখতে সক্ষম হয়েছ...

হাসছে মহাকাশে গনগনে সূর্য! গ্রহণের পর হঠাৎ পরিবর্তন, এর প্রভাব পড়তে পারে পৃথিবীতে

ছবি
হঠাৎ পরিবর্তন সূর্যের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাশূন্যের ঘুটঘুটে অন্ধকারকে গনগনে হলুদ সূর্য। হঠাৎ তার গায়ে ফুটে উঠল কালো রঙের চোখ মুখ। নাসার সোলার ডায়নামিক দিয়ে সেই দৃশ্য ফুটে উঠতেই ছবি উঠল। কিন্তু দেখা গেল সূর্যের চোখ মুখ মিলিয়ে যাচ্ছে না। বরং তা একই ভাবে রয়ে গিয়েছে মহাশূন্যে একখানা জ্বলন্ত স্মাইলি ইমোজি র মতো। গ্রহণের পর হঠাৎ পরিবর্তন সূর্যের  মঙ্গলবার ছিল আংশিক সূর্যগ্রহণ। তার কয়েক ঘণ্টা পর থেকেই সূর্যের এই পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। সূর্যের হাসিমুখের ছবিটি নাসা তুলেছে স্থানীয় সময় ৯টা ৩৭ মিনিটে। তার পর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ভোরে ছবিটি টুইটারে শেয়ার করে নাসা। তবে বেশ মজাচ্ছলেই ছবির বিবরণে নাসা লিখেছে। সে চিজ হাসিমুখে ছবি তোলার জন্য বিদেশে এমন বলা দস্তুর। তার পর সূর্যের হাসিমুখের ব্যাখ্যাও দিয়েছে নাসা।  তারা লিখেছে যে, নাসার সোলার ডায়নামিক মানমন্দির সূর্যের হাসিমুখের এই ছবিখানা তুলেছে। যেখানে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ফাঁকে ধরা পড়েছে কলঙ্ক।যদিও চাঁদের কলঙ্কের সঙ্গে সূর্যের এই কলঙ্কের মিল নেই কোনও। নাসা জানিয়েছে যে, এই কালো ছোপকে বলা হয় করোনাল হোলস। প্রবল গ...

নক্ষত্রদের মধ্যে ধুলো জমলে কি হয়? পিলার্স অফ ক্রিয়েশন এর ছবি তুলল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
পিলার্স অফ ক্রিয়েশন এর ছবি । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ফের একটি অভাবনীয় ছবি তুলে বিশ্ববাসীর সামনে হাজির করল নাসার শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব। জমকালো, অত্যন্ত বিস্তারিত ল্যান্ডস্কেপটিকে আইকনিক পিলার্স অফ ক্রিয়েশন বা সৃষ্টির স্তম্ভ বলা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এটি আসলে ঠিক কী আন্তঃনাক্ষত্রিক ধুলো এবং গ্যাস দিয়ে তৈরি তিনটি লুমিং টাওয়ারের একটি ভিস্তা।  পিলার্স অফ ক্রিয়েশন যা মাঝে মাঝে কাছাকাছি ইনফ্রারেড আলোতে আধা স্বচ্ছ দেখায়। ছবিটি এই স্তম্ভগুলির চারপাশে আন্তঃনাক্ষত্রিক ধূলিকণার উপস্থিতি এবং ঘনত্বকে তুলে ধরে।আইকনিক সৃষ্টিটি বিশাল ঈগল নেবুলার মধ্যে সেট করা হয়েছে। যা ৬,৫০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।নাসার হাবল টেলিস্কোপ প্রথম ১৯৯৫ সালে সৃষ্টির স্তম্ভগুলি ক্যাপচার করেছিল এবং ২০১৪ সালে এটি পুনর্বিবেচনা করেছিল। নাসা সম্প্রতি একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে যে, নবগঠিত তারকারা এই ছবিতে সিন স্টিলার। যখন গ্যাস এবং ধূলিকণার স্তম্ভের মধ্যে পর্যাপ্ত ভরের গিঁট তৈরি হয়। তখন তারা তাদের নিজস্ব অভিকর্ষের অধীনে ভেঙে পড়তে শুরু করে। ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয় এবং অবশেষে নতুন তারা তৈরি করে।কিছু স...

নক্ষত্রকে গিলে নিল আর এক নক্ষত্র! এমনি বিরল ঘটনার হদিস পেলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
নক্ষত্রকে গিলে নিল আর এক নক্ষত্র ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এক নক্ষত্রের গ্রাসে নিশ্চিহ্ন আর এক নক্ষত্র। মহাকাশে ঘুরতে ঘুরতে সঙ্গী তারাটিকে গিলে নিল আর এক তারা। বিরল মহাজাগতিক ঘটনার হদিস পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।মহাকাশ গবেষকরা জানিয়েছেন যে, আকাশগঙ্গা ছায়াপথে পৃথিবী থেকে ৩ হাজার আলোকবর্ষ দূরে ঘূর্ণায়মাণ এক নক্ষত্র যুগল সম্প্রতি পরস্পরের সঙ্গে প্রায় এক হয়ে গিয়েছে।  নক্ষত্র যুগলের ঘর ভাঙল একটি তারা অপরটিকে কার্যত গিলে নিয়েছে। ফলে সেখানে যুগ্ম তারার অস্তিত্ব আর নেই বললেই চলে। এমন ঘটনা মহাকাশে বেশ বিরল বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। মহাকাশে এমন একাধিক জোড়া নক্ষত্রের অস্তিত্ব রয়েছে। তারা একে অপরকে কেন্দ্র করে মৃদু গতিতে পাক খায়। বিজ্ঞানীরা তাদের নক্ষত্র দম্পতি কিংবা বাইনারি স্টার ও বলে থাকেন। আলোচ্য নক্ষত্র যুগল ‘ক্যাটাক্লিসমিস ভ্যারিয়েবল’ শ্রেণির অন্তর্গত।  তাদের পরস্পরকে প্রদক্ষিণের গতিও তুলনামূলক বেশি। মাত্র ৫১ মিনিটে পরস্পরের চার দিকে এক পাক সম্পন্ন করে এই দুই তারা। পৃথিবী থেকে তাদের ঔজ্জ্বল্যের হ্রাস বৃদ্ধিও লক্ষ্য করা যেত প্রায়ই।বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, হাজার হাজার বছর ধরে এই দুই...

উজ্জ্বল নক্ষত্রের আশপাশেই লুকিয়ে রয়েছে অশরীরি তাঁরা

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  তার পর একটি বিস্ফোরণ হয়ে মৃত্যু হয় তারার।তারা নয় তাঁরা। রাতের আকাশে ঝকঝক নক্ষত্রদেরও তো মৃত্যু হয়। সেই সব মৃত তারাদের নিয়েই সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে একটি রিপোর্ট। জানা গিয়েছে যে, ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গায় ভরে রয়েছে এই সব মৃত তারায়।  তাদের সংখ্যা এতটাই বেশি যে, প্রতিটি জীবিত তারার ১০০ আলোক বর্ষের মধ্যেই পাওয়া যাবে অন্তত একটি অশরীরি তারাকে। যেমন সূর্যের সবচেয়ে কাছের মৃত তারাটির দূরত্ব ৬৫ আলোকবর্ষ। মহাকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রগুলিরই স্থায়িত্ব হয় সবচেয়ে কম। তারা তাদের ভিতরের হাইড্রোজেন ১০ লক্ষ বছরের মধ্যেই শেষ করে ফেলে। তার পর একটি বিস্ফোরণ হয়ে মৃত্যু হয় তারার। শেষে থেকে যায় শুধু মূল অংশটুকু। হয় জৌলুসহীন বস্তু হয়ে নয়তো আশপাশের সবকিছু গিলে খাওয়া কৃষ্ণ গহ্বর হয়ে।  আরও পড়ুন:  টেলিস্কোপের ক্যামেরা কাছে গেলেই নাকি কমে যায় তাপমাত্রা! এমনি সূর্যপৃষ্ঠে রহস্যে ঘেরা এক অঞ্চল কিন্তু সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে যে, ছয়াপথ থেকে এই মৃত তারারাও ছিটকে যাচ্ছে কখনও সখনও। মাধ্যাকর্ষণ শক্তি হারিয়ে তারা বেরিয়ে যাচ্ছে ছায়াপথের আগল ছেড়ে। ঘটনাটিকে মজাচ্ছলে কবর খান...

টেলিস্কোপের ক্যামেরা কাছে গেলেই নাকি কমে যায় তাপমাত্রা! এমনি সূর্যপৃষ্ঠে রহস্যে ঘেরা এক অঞ্চল

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সূর্যপৃষ্ঠে রহস্যময় এক এলাকার খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে গেলেই নাকি অদ্ভুত ভাবে কমে আসে তাপমাত্রার পারদ। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন এনএসও এর শক্তিশালী একটি সোলার টেলিস্কোপ এই তথ্য সংগ্রহ করেছে। সূর্যপৃষ্ঠে রহস্যে ঘেরা এক অঞ্চল জানা গিয়েছে যে, সূর্যের মধ্যেকার এই রহস্যে ঘেরা অঞ্চলটির নাম ক্রোমোস্ফিয়ার। এটি সৌর পরিমণ্ডলের একটি স্তর, যার সূচনা সূর্যপৃষ্ঠ থেকে ৪০০ কিলোমিটার উঁচুতে। ১২০০ কিলোমিটার উচ্চতায় এই স্তরের সর্বোচ্চ সীমা। ক্রোমোস্ফিয়ারের মধ্যে তাপমাত্রার তারতম্য রয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি যে, সাধারণত সূর্যের ক্রোমোস্ফিয়ারের নীচের দিকে তাপমাত্রা থাকে তিন হাজার ৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর উপরের দিকের তাপমাত্রা থাকে ৭ হাজার ৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।  কিন্তু এই স্তরের একটি বিশেষত্ব খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা জানিয়েছেন যে, সূর্যের এই বিশেষ স্তরটি থেকে দূরে সরে গেলে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। যেখানে সূর্যের অন্যান্য স্তরগুলির ক্ষেত্রে ঘটে বিপরীত ঘটনা। সে সব স্তর থেকে সূর্যের কেন্দ্রের আরও কাছে গেলে তাপমাত্রা বাড়ে। দূরে গেলে গরম...

পৃথিবী সহ তিন গ্রহকে গিলে খেতে আসছে সূর্য! ধ্বংসের বার্তা দিলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  যে গনগনে ফুল ফুটন্ত আগুনের গোলায় ভরপুর প্রাণশক্তি, যে নক্ষত্রের জন্য প্রাণবন্ত এই পৃথিবী, সেই প্রাণদায়ী সূর্যই কিন্তু পৃথিবীকে গিলে খেতে আসছে! শুনে অবাক হচ্ছেন তো? কিন্তু জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে আসছে তেমনই আশঙ্কার কথা। সূর্য এবার পৃথিবী সহ তিন গ্রহকে গ্রাস করবে  নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের জটিল থিওরি প্রয়োগ করে এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তাঁরা। তা অবশ্য সাধারণ মানুষের বোধের বাইরে নয়। ব্যাখ্যায় বরং পরে আসা যাক। রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নালের রিপোর্ট দেখে কিন্তু চিন্তায় মাথায় হাত সকলের। তবে কি পৃথিবীর ধ্বংস আসন্ন। সেই উত্তরও দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের ব্যাখ্যা অনুযায়ী সূর্য তো বিপুল হাইড্রোজেনের ভাণ্ডার। যা তার জীবনীশক্তি, জ্বালানিশক্তি।  তাই তো আগুনের বিশাল বলয় হয়ে ধিকিধিকি তাপ ছড়ায় মহাবিশ্বে। আর সেই তাপশক্তি আর আলোকশক্তি থেকেই পৃথিবীতে প্রাণের স্ফূরণ। রুক্ষ মাটিতে সবুজের ছোঁয়া হৃদস্পন্দনের ধুকপুকানি। কিন্তু সব রসদই তো ফুরোয় একদিন। সেভাবেই সূর্যের অভ্যন্তরের জ্বালানি হাইড্রোজেনে ভাঁড়ার...

চার সূর্য এক আকাশে, মহাকাশে নতুন দৃশ্যে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এক আকাশে দুটো সূর্য থাকতে পারে না। এই প্রবাদ বহু পুরনো। কিন্তু সেই প্রবাদ যে নিছকই আমাদের নীল গ্রহের জন্যই সত্য়িই তা প্রমাণ হয়ে গেল। ১৫০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত HD 98800 নক্ষত্রমণ্ডলীর সন্ধান মিলতে অবাক জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সেখানে দেখা মিলল তিনটি নক্ষত্রের! বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন যে, ওখানে তিনটি নয় চারটি সূর্য ছিল ।  এক আকাশে চার সূর্য ছবি । এক আকাশে চার সূর্য চুতুর্থটিকে আত্মসাৎ করে ফেলেছে বাকি তিন মিলে এমন আজব এক নক্ষত্রমণ্ডলীর সন্ধান পেয়ে তাই বিস্মিত বিজ্ঞানীরা।কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিল বোর ইনস্টিটিউটের তরফে আলেজান্দ্রো ভিগনা গোমেজ এবিষয়ে বলতে গিয়ে জানাচ্ছেন যে, যতদূর আমরা জানি এমন কিছুর সন্ধান আমরা এই প্রথম পেলাম। অতিকায় নক্ষত্রগুলি এভাবে এত কাছাকাছি কী করে অবস্থান করছে তা ভাবলে অবাক হতে হয়।ঠিক কীভাবে ওই নক্ষত্রমণ্ডলীর মধ্যে অবস্থান করছে সূর্যগুলি জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন:  চাঁদের গুহায় থাকবে মানুষ, খুঁজে দিলেন নাসার বিজ্ঞানীরা দু’টি তারা  মধ্যে   একদিনে একে অপরকে চক্কর কাটতে পারে।ওই দুই নক্ষত্রের ভর আমাদের সূ...

পৃথিবীতে ছোট পাহাড়ে দেখা যাবে দুটো সূর্য!

ছবি
ছবি: সংগৃহীত । ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,   ফ্রান্সের দক্ষিণ পূর্বের প্রোভেন্স অঞ্চলের একটি ছোট পাহাড় থেকে আপনি দুটো সূর্য দেখতে পারেন। একটি সূর্য সাড়ে চার বিলিয়ন বছর ধরে উদিত হয়ে পৃথিবীকে শক্তি জুগিয়ে দিনের শেষে অস্ত যাচ্ছে। অন্যটি নির্মিত হচ্ছে হাজারো প্রতিভাবান মস্তিষ্ক ও হাতের দ্বারা বিকশিত হচ্ছে ধীরে ধীরে। সত্যিকারের সূর্যের শেষ রশ্মিগুলো ছড়িয়ে দেয় মায়াবি আভা। আর একটি বিশাল নির্মাণ সাইটে তৈরি হতে যাওয়া সূর্য হয়তো মানব ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অস্তিত্বের সঙ্কটের সমাধান করতে পারবে। পৃথিবীতে তৈরি হচ্ছে সূর্য সিএনএনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে, সেন্ট পল লা ডুরেন্সের ছোট্ট এলাকায় ৩৫টি দেশের বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক ফিউশন ঘটানোর চেষ্টা এবং সেই কাজে দক্ষতা অর্জনের জন্য একত্রিত হয়েছেন। আর এই প্রক্রিয়াটি প্রাকৃতিকভাবে ঘটে সূর্য এবং সমস্ত নক্ষত্রে। তবে পৃথিবীর বুকে ঠিক কিছু ঘটানো দারুণ কঠিন।ফিউশন কার্যত একটি সীমাহীন শক্তির যোগান দেয়। যা জীবাশ্ম জ্বালানির অনেকটাই বিপরীত। কারণ, এতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের হার শূন্য। সেই সাথে পামাণবিক ফিউশনে তৈরি হয় না কোনো তেজস্ক্...

হাব্‌ল এর চোখে ধরা পড়ল প্রায় ১৪০০ কোটি বছর আগে ইয়ারেন্ডেল তারা

ছবি
হাব্‌ল এর চোখে ধরা পড়ল প্রায় ১৪০০ কোটি বছর আগে ইয়ারেন্ডেল তারা ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে, হাব্‌ল দেখালো ঠিক সময়েই সেই কেরামতি করে দেখাল মহাকাশে নাসার তিন দশকেরও বেশি সময়ের পুরনো হাব্‌ল স্পেস টেলিস্কোপ।হাব্‌ল-এর চোখে ধরা পড়ল প্রায় ১৪০০ কোটি বছর আগে বিগ ব্যাং বা মহা বিস্ফোরণের পর প্রথম যে তারাগুলির জন্ম হয়েছিল তাদেরই একটি। নাম তার ইয়ারেন্ডেল।বা অ্যাঙ্গলো স্যাক্সন ভাষায় যার অর্থ ভোরের তারা।জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, এই তারার জন্ম হয়েছিল বিগ ব্যাং-এর পর ঘন জমাট অন্ধকার ফুঁড়ে ব্রহ্মাণ্ডে যখন সবে ভোরের আলো কসমিক ডন ফুটছে।ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির পর থেকে সভ্যতা এখনও পর্যন্ত যে তারা বা নক্ষত্রগুলির হদিশ পেয়েছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন আর এই সৌরমণ্ডল থেকে সবচেয়ে দূরে রয়েছে এই ইয়ারেন্ডেলই। ব্রহ্মাণ্ডে সবে তখন ভোরের আলো ফুটছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, এই নক্ষত্রটির জন্ম হয়েছিল বিগ ব্যাং-এর পরের ৯০ কোটি বছরের মধ্যেই। জন্মের পর থেকে এই ব্রহ্মাণ্ড উত্তরোত্তর বেশি গতিতে চারপাশে ফুলেফেঁপে উঠছে বলে এই সদ্য আবিষ্কৃত নক্ষত্রটি এখন সৌরমণ্ডল থেকে রয়েছে ২ হাজার ৮০০ কোটি আ...