Responsive Ad Slot

নক্ষত্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নক্ষত্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা কোনটি । Sirius star

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২১

 লুব্ধক (ইংরেজি নাম: Sirius) পৃথিবীর আকাশের উজ্জ্বলতম তারা। লুব্ধকের আপাত প্রভা -১.৪৭ যা আকাশের দ্বিতীয় উজ্জ্বল তারা ক্যানোপাস বা অগস্ত্য থেকে দু'গুণ বেশি উজ্জ্বল।


সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা কোনটি । Sirius star
সিরিয়াস  তারা



সিরিয়াস সর্ম্পকে

হ্যালো বন্ধুরা আমাদের প্রতিনিয়ত জীবনধারায় দিন ও রাত্রি একটা অঙ্গ কারণ দিনে আমরা কর্মব্যস্ত থাকি এবং রাত্রের দিকে বিশ্রাম করি । যাতে পরের দিনে ভালোভাবে কাজ করতে পারি এই দিনের বেলায় আকাশের শোভা বাড়ানো হতে সূর্যের একটা বিরাট ভূমিকা থাকে । রাতের আকাশে চাঁদের সাথে তারা গুলো আকাশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তারা গুলির মধ্যে কিছু কম চকচক করে । আবার কয়েকটি তারা বেশি চকচক করে তারা গুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে তারা আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাহলো সিরিয়াস । সিরিয়াস একটা অদ্ভুত এবং রোমাঞ্চে ভরা তারার সাথে জড়িত । বিভিন্ন সভ্যতার নানা রকম কথা জড়িত আছে আর সেই সিরিয়াস নামে তারাটির ব্যাপারেই আজকের আমাদের এই বিশেষ পর্বটি । অবস্থান রয়েছে কন্সটেলেশন সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা আমাদের চোখে আঙ্গুল দেখানোর কারণ দুটি এক পৃথিবী থেকে সিরিয়াস তুলনামূলক কাছে অবস্থিত । আর ২ এর আভ্যন্তরীণ চমক যার ফলে একে আরও উজ্জ্বল দেখায় । আমাদের পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব ৮.১ কিন্তু দূরত্ব হওয়া সত্বেও সূর্যের উজ্জ্বলতা কুড়ি গুন বেশি ইংরেজি ভাষাতেই তার নামে ডাকা হয় ।এর পেছনে কিছু পৌরাণিক কাহিনী জড়িত আছে তাদের মধ্যে অনুযায়ী নামের একটা নক্ষত্র মন্ডল এর অন্তর্গত করতে নিজের মালিককে সাহায্য করত সংস্কৃত ভাষায় । 

আমরা যদি রাতের আকাশের দিকে তাকাই তাহলে তার বিবরণ দিতে পারি না । তেমনি খালি চোখে দেখল তার প্রকৃত ধারণা দেওয়া সম্ভব হয় না কারণ এমনিতেই মনে হয় কিন্তু আসলে এটা একটা বাইনারি সিস্টেম । যেখানে একটা নয় দুটি তারা আছে যাদের মধ্যে একটা মুখ্য রূপে গণ্য হয় । আর দ্বিতীয় টা ওর সাথেই অবস্থিত সিরিয়াকে একটা বলা হয় এবার একটু সিরিয়াস সিরিয়াস ব্যাপার জেনে নিন । প্রথমে এর ব্যাপারে হিসাব করি তবে সূর্যের দ্বিগুণ এবং মিটার পার সেকেন্ড এর চারিদিকে নির্মিত বিশেষ প্রকৃতির হওয়া সম্ভব হয় না । আর অপরদিকে যদি এর সম্বন্ধে জানতে চাই তবে দেখা যাবে এখনও পর্যন্ত সবথেকে বড় আর এক ধরনের ছোট তারা । যেমন বলা যেতে পারে ১.০২ এর সমান কিন্তু অদ্ভুতভাবে আকারের দিক দিয়ে পৃথিবী থেকেও ছোট এর তাপমাত্রা সিরিয়াস এর থেকে বেশি প্রায় ২৫ হাজারের মত এর তাপমাত্রা । ৯৯৪০ কেলভিন তবে আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে আস্তে আস্তে ঠান্ডা হয়ে যেতে চলেছে । এর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গেছে যে স্মৃতিশক্তি কমে যাচ্ছে হাজার ৮৬২ সালের আগের খোঁজ পান । একসাথে এর বয়স প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন বছর এর সমন্বয়ে গঠিত । এর গণনা অনুযায়ী আগামী ১০ হাজার বছর পর্যন্ত রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা হয়ে থাকবে ।ভবিষ্যতে তীব্রতা আরও বাড়তে পারে কারণ মনে করা হচ্ছে ধীরে ধীরে ৬০ হাজার বছর ধরে সৌরজগতের আরও কাছে চলে আসছে । তখন স্বাভাবিকভাবেই একে আরও উজ্জ্বল দেখা যাবে ।

দেখব কি করে

এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা মহাকাশে উপস্থিত সিরিয়ার ব্যাপারে কিছু কথা জানতে পারলাম তবে এই পৃথিবীতে মানব সভ্যতা সম্পর্কে কয়েকটি কথা জড়িত আছে । সেটা কি আপনারা জানেন তবে শুনুন আপনার কথা শুনেছেন নিশ্চয়ই গাড়ির কোম্পানি একটা গাড়ির ইঞ্জিন বানিয়েছিল তার নাম রেখেছিল ব্রাজিলের পতাকার দিকে চোখ রাখছে । এখানে ২৭ টা আছে তেমনি এদের মধ্যে একটাকে বলা হয় সিরিয়াস । উদ্দেশ্য করছে এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন তার সম্বন্ধে এত কিছু জানলাম কিন্তু সত্যিকারে যদি দেখতে হয় তবে দেখব কি করে?  সেটাও বলে দিচ্ছি শীতকালের সন্ধের সময় আকাশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে যদি দেখার চেষ্টা করেন তবে সিরিয়াস কে দেখতে পাবেন । 

সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা 

সূর্য থেকে ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আর এই দূরত্ব হওয়া সত্ত্বেও গরমের সময় আমরা প্রত্যেকেই নাজেহাল হয়ে যায় । তাই সকলেই বলে থাকে আমাদের পৃথিবী ধ্বংস সূর্যই করবে । তাই বহু থিওরিস্ট মনে করেন পৃথিবী ধ্বংসের সময় সূর্য একটি বিশাল আকারের আগুনের গোলায় পরিবর্তিত হবে । অথবা সূর্য সম্পন্ন করবে কিন্তু আপনারা জানেন কি আমাদের ব্রহ্মান্ডে এমন একটি দাদা রয়েছে যা মাত্র চার সেকেন্ডের এডিট করে তা আমাদের সূর্য পুরো এক বছর ওয়েট করতে পারে না ।আমাদের সূর্য একটি তারা অর্থ ছোট ছোট রাতের আকাশে দেখা যায় যে সূর্যের ন্যায় অথবা আরও বড় কিন্তু এরা আলোকবর্ষ দূরে থাকায় এদেরকে ছবি দেখায় স্টার অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি । সকলেই জানি কিন্তু আপনারা জানেন না হয়তো তারাই একমাত্র উৎস । ব্রহ্মাণ্ডে তাদের বড় অবদান রয়েছে তারা যেমন আমাদের সূর্য শুধুমাত্র ঈদে নয় প্রতিটি অবজেক্টিভ জন্ম হয়েছে । তার গর্ভে তাদের প্রাচীন ইতিহাসের একটি বড় অবদান রয়েছে রাতের আকাশ কে সৌন্দর্যময় করার সঙ্গে আমাদের পূর্বপুরুষদের দিরেকশন বোঝাতে  তথা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনুমান করতে সাহায্য করেছে ।তাদের সম্পর্কে বহু তথ্য জানতে পারি নতুন স্টার্ট করেছি কিছুটা কম আবার কিছু তারা বিশাল আকারের এবং খুবই উজ্জ্বল । এমন এক অদ্ভুত তারা রয়েছে যা শুনলে আপনার মাথা ঘুরিয়ে দেবে নাম বললে খাচ্ছিল কারণেই স্টার সিস্টেম থেকে যে রশ্মি আসছিল তার তিন ধারার সমষ্টির থেকেও বেশি অর্থাৎ এটি কেবল মাত্র তিনটি তার সমর্থক হতে পারে না ।বরং ক্যালকুলেশন দেখাচ্ছিলো আসলে এটি একটি বিশাল আকারের ক্লাস টেন । 

১৯৯০ হাভেল টেলিস্কোপ লঞ্চ করার পর এতে থাকা হোয়াইটফিল্ড প্লানেটরিয়াম এর সাহায্যে থেকে প্রথম দেখা হয় । আর ১৩৬ একটি ভিন্ন ধারার সমষ্টি অর্থাৎ তাদের থেকেও বেশি অর্থাৎ তারা ছিল । অর্থাৎ  ৬৩ ৬৩ আলাদা তারা ক্লাসটা ছিলো । হাজার ১৯৯৯ সালে হাভেল টেলিস্কোপ এর এডভান্স wap2 অর্থাৎ ক্যামেরা লাগানো হয় তখন আমরা আরও অনেকে আরও ভালভাবে স্টাডি করার সুযোগ পায় । তখন এর ভিতর থেকে৬০ মিনিটে শুরু করা হয় আরো ৩৬ এর প্রতি বেশি ইন্টারেস্ট এর কারণ ছিল । কিন্তু বাকিদের তুলনায় অধিক উজ্জ্বল ছিল কারণ ছিল এতে থাকা অধিকমাত্রায় উজ্জ্বল তারা । তাদের মধ্যে একটি ছিল আরন ৩৬১-৩৬৫ একটি পোস্টার অর্থাৎ এই ধরনের তারা খুবই রেয়ার জানেন কেন কারণ এই ধরনের তারা প্রায়ই খুবই বেশি । আর ১৬৬১ সবথেকে গরম তাদের মধ্যে একটি এর সার্ভিস টেম্পারেচার প্রায় ৫০ হাজার ৭২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সূর্য থেকে প্রায় ১০ গুণ বেশি গরম । একটি ওয়ার্ডপ্রেস এবং এর উপর নির্ভর করে আলাদা শ্রেণীতে ভাগ করা হয় । স্টিলের ক্লাসিফিকেশন বর্তমান সৃষ্টি করা হয় এই সিস্টেমে বিভিন্ন অ্যাপের সাহায্যে ভাগ করা হয়েছে । প্রথমে ও এ কে এম এস কে গরম তারা থাকে এবং ক্লাসের সব থেকে ঠান্ডা তারা প্রত্যেক ক্লাস ক্লাসে ভাগ করা হয়েছে । প্রতিটি বিভাগে থেকে ৯ পর্যন্ত রয়েছে যেখানে সবথেকে গরম এবং নয় সব থেকে ঠান্ডা আমাদের সূর্য সেন এর থেকে আরও ৬১ একটি পোস্টার শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ।  মাত্র এক বছরের ২০১০ সালে যখন আর ওয়ান ৬ এর ডিটেইলস স্টাডি করা হচ্ছিল তখন জানা যায় এই তারাটি ৮৭ লাখ ১০ হাজার যা প্রমাণ করে ।

 এখনো পর্যন্ত ডিসকভার করা তারা গুলির মধ্যে সবথেকে ৩৪.৮ করে তা আমাদের সূর্য পুরো এক বছরের এডিট করে যদি তারা কে সূর্য স্থানে রিপ্লেস করা হয় তাহলে তিনি সমগ্র পৃথিবীর প্রান্ত করে দেবে । আর ভয়ঙ্কর পৃথিবীবাসীকে পুড়িয়ে ছাই করে দেবে । কিন্তু সবথেকে বিশেষত্ব হলো এটি সবথেকে উজ্জ্বল তারা হওয়ার সঙ্গে সবথেকে ম্যানচেস্টার ২০১৬ অবজারভেশন থেকে জানা যায় আর ৩৬ নং ৩১৫ সমান অর্থাৎ আমাদের সূর্যের থেকে ৩১৫ বেশি ইউ ওয়াই স্কুটি ব্রহ্মান্ডে সবথেকে বড় জামাতে সূর্যের ম্যাচে মাত্র ৩০ গুণ বেশি ।  কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না ভাল লাগলে একটা লাইক বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার  করুন, সঙ্গেই থাকুন ।

পৃথিবী থেকে তারার দূরত্ব কত?

কোন মন্তব্য নেই

 পৃথিবী থেকে একটি তারার দূরত্ব প্রথম সঠিকভাবে পরিমাপ করেন ফ্রিডরিক বেসেল ১৮৩৮ সালে। লম্বন কৌশল ব্যবহার করে তিনি এই দূরত্ব পরিমাপ করেছিলেন। তিনি পৃথিবী থেকে ৬১ সিগনি নামক তারাটির দূরত্ব ১১.৪ আলোকবর্ষ নির্ণয় করেছিলেন।


পৃথিবী থেকে তারার দূরত্ব কত
পৃথিবী থেকে তারার দূরত্ব



পৃথিবী থেকে তারার দূরত্ব

দক্ষিণ গোলার্ধের আকাশের দিকে চোখ মেললে সেন্ট্রাল ফোর্স নামে একটি নক্ষত্রপুঞ্জ দেখা যায়। হাজার ৮০০ বছর আগে জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমি ৪৮০০ তালিকাভুক্ত করেছিলেন এবং তার মধ্যে এসেন্টিয়ালস নক্ষত্রপুঞ্জ একটি নক্ষত্র।  নক্ষত্র জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র ব্যবস্থা আছে যাকে আমরা বলি আলফা সেন্টোরি ব্যবস্থা তে অবস্থিত তিনটি নক্ষত্র হলো আলফা  সেন্টোরি। এবং আলফা সেন্টোরি নক্ষত্রটিকে অর্থাৎ আমরা প্রক্সিমা সেন্টরি নামে ডাকি। গৃক মিথলজি অর্ধেক মানুষ অর্ধেক ঘোড়ার মতো দেখতে এক ধরনের প্রাণী এবং শব্দটির অর্থ হল সূর্যের প্রক্সিমা সেন্টরি হল আমাদের সবচেয়ে নিকটতম নক্ষত্র। এবং আলফা সেন্টোরি হলো আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্রে ব্যবস্থা হাজার ৯১৫ সালে স্কটিশ সাউথ আফ্রিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সর্বপ্রথম কে আবিষ্কার করেন। পৃথিবী থেকে ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এই নক্ষত্র।  আর বাকি দুই শতাংশ বেড়েছে ১ লক্ষ ৯০ হাজার কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এবং বাকিদের তুলনায় অনেক কম উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টরি একটি উজ্জ্বল বিন্দুর মতো দেখতে লাগে কিন্তু আসলে এটি একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র।

পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যায় না ৯৩ হাজার কিলোমিটার প্রায় ১৪ শতাংশ  এবং এর পৃষ্ঠতলের তাপমাত্রা ৩০০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর আশেপাশে।সূর্যের তাপমাত্রা প্রায় ৫৫ শতাংশ জানিয়েছে। যে প্রক্সিমা সেন্টরি উজ্জ্বলতা কম হলেও এর উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্লেয়ার বলে কারণ এই নক্ষত্রের মধ্যে সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া গুলি নক্ষত্রের উজ্জলতা পরিবর্তন খেয়ালখুশিমতো ঘটায়। নাসার কর্মকর্তারা ব্যাখ্যা করেছেন যে সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া গুলি কেবলমাত্র নয় বরং অন্য কারো সঙ্গে যুক্ত জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। যে ৫০০ কোটি বছর বয়সী এই নক্ষত্র মধ্যে থাকবে। আরো চার লক্ষ কোটি বছর ধরে বর্তমান বিশ্বে প্রায় তিনগুণ অনেক দীর্ঘ হবে। এর কারণ হলো আমাদের সূর্যের মতো নক্ষত্রপুঞ্জ বিদ্যমান থাকে কারণ এই নক্ষত্রের জ্বালানি ব্যবহার করে। তাই এরা অনেক বেশি উজ্জ্বল হয় কিন্তু তাদের জ্বালানি খরচ করে তাই এদের অস্তিত্ব অনেক দীর্ঘ হয়। প্রক্সিমা সেন্টরি উজ্জ্বলতা আমাদের সূর্যের উজ্জ্বলতা ১ শতাংশেরও কম। 

২৪ আগস্ট ২০১৬ তে ঘোষণা করা হয় যে পৃথিবীর আকৃতির একটি গ্রহ প্রক্সিমা সেন্টরি। কে কেন্দ্র করে ঘুরছে এই গ্রহ টির নাম হল আমাদের সৌরজগতের বাইরে অবস্থিত সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ। বিভিন্ন গবেষণা অস্তিত্বের কথা জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্রক্সিমা সেন্টরি কে কেন্দ্র করে ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব তুলনায় প্রক্সিমা সেন্টরি কে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান। এই গ্রহে প্রাণের হদিশ মেলা সম্ভাবনা যথেষ্ট রয়েছে যদিও পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব তুলনায় অনেক কম দূরত্বে অবস্থান করে প্রক্সিমা সেন্টরি। কে কেন্দ্র করে ঘুরছে গ্রহটি কিন্তু যেহেতু প্রক্সিমা সেন্টরি সূর্যের তুলনায় অনেক কম উজ্জ্বল এবং অনেক কম তাপমাত্রার একটি নক্ষত্র এর তাফসীর পুড়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। 

সুতরাং এখানে জীবনধারণের সম্ভাবনা আছে নিউইয়র্ক এর পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং এর ২০১৬ সালের এপ্রিলের ১২ তারিখ ঘোষণা দিয়েছেন। ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে সৌরজগতে মহাকাশযান পাঠানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে খুব কম ওজন বিশিষ্ট একটি মহাকাশযান তৈরি করা হবে এর ওজন হতে পারে এটার সাথে লাগানো থাকবে। এমন একটা পাল যে ঢাকায় চলে সংক্ষেপে আলোচনা তৈরি যেটাকে বলে কোন বোন নেই কিন্তু যখন সেটা প্যাকেটের মধ্যে ভ্রমণ করে তখন তার এনার্জি থাকে। আর তাকে মোমেন্টাম যদি কোন প্রতিফলকের গায়ে পড়ে তখন এটা সামান্য পরিমাণ ধাক্কা দেয়। ধাক্কাটা খুব সামান্য কিন্তু একবার শুরু হলে কোন থামাথামি নেই এটা ধাক্কা দিতেই থাকে ব্রেকফাস্ট কে ধাক্কা দেবে পৃথিবীর মাটিতে বসানো একটা আলোক রশ্মির উৎস এর গতি হবে। আলোর গতি প্রায় কুড়ি ভাগের একভাগ এক-পঞ্চমাংশ অর্থাৎ পৃথিবী থেকে চাঁদে যেতে কত সময় লাগবে। পাঁচগুণ বেশি সময় অর্থাৎ বিগত ২৪ বছর পর আমরা আরেকটা সৌরজগতের ছবি পাবো। ২৪ বছর বলার কারণ হলো পৃথিবী থেকে নক্ষত্র ব্যবস্থাই স্পেসক্রাফট পৌঁছাতে সময় লাগে কুড়ি বছর এরপর আলোর গতিতে ছবিগুলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে আরও চার বছর সময় লেগে যাবে। এটি একটি অসাধারণ উত্তেজনার প্রথম ১০০ বছরের কিছু বেশি সময় পার হওয়ার পরেই আমরা স্বপ্ন দেখছি। অন্য নক্ষত্রের পাড়ি দেওয়ার মানব জাতির উপর থেকে ভরসা উঠে যায়নি। তার প্রধান কারণ হচ্ছে বিজ্ঞান বিজ্ঞানী হচ্ছে একমাত্র পথ আমাদের অজানাকে জানতে সাহায্য করে। একমাত্র উপায় যার সাহায্যে আমরা ভবিষ্যতে অন্য কোন সৌরজগতে অন্য কোন পৃথিবী সদৃশ গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের জন্য যাত্রা দিতে পারব। 

মানবজাতি তরফ থেকে কোন বার্তা যাবে তা নির্ধারণ করেছিলেন আমাদের সবচেয়ে প্রিয় জ্যোতির্বিদ ও আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ তিনি আমাদের বুঝিয়েছেন। যে মানবজাতির জন্য শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জন করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং বিজ্ঞানী হচ্ছে সেই একমাত্র পথ যার দ্বারা আমরা আমাদের এই নিজস্ব মহাবিশ্বকে বুঝে উঠতে পারব। তিনি আমাদের জানিয়েছেন যে বিজ্ঞান শুধুমাত্র আধুনিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এটি একটি গভীর উৎস বিজ্ঞান চিন্তা করার একটি উপায়। এবং বিশ্বকে জয় করার জন্য মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হাতিয়ার বিদায় নেওয়ার আগে বলে যেতে চাই এক্সপেক্টেড কাট অফ স্টার্স অফ এনডিআর । সুতরাং এখানে জীবনধারণের সম্ভাবনা আছে নিউইয়র্ক এর পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং এর ২০১৬ সালের এপ্রিলের ১২ তারিখ ঘোষণা দিয়েছেন। ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে সৌরজগতে মহাকাশযান পাঠানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে খুব কম ওজন বিশিষ্ট একটি মহাকাশযান তৈরি করা হবে এর ওজন হতে পারে এটার সাথে লাগানো থাকবে। এমন একটা পাল যে ঢাকায় চলে সংক্ষেপে আলোচনা তৈরি যেটাকে বলে কোন বোন নেই কিন্তু যখন সেটা প্যাকেটের মধ্যে ভ্রমণ করে তখন তার এনার্জি থাকে। আর তাকে মোমেন্টাম যদি কোন প্রতিফলকের গায়ে পড়ে তখন এটা সামান্য পরিমাণ ধাক্কা দেয়। পৃথিবী থেকে একটি তারার দূরত্ব প্রথম সঠিকভাবে পরিমাপ করেন ফ্রিডরিক বেসেল ১৮৩৮ সালে। লম্বন কৌশল ব্যবহার করে তিনি এই দূরত্ব পরিমাপ করেছিলেন। তিনি পৃথিবী থেকে ৬১ সিগনি নামক তারাটির দূরত্ব ১১.৪ আলোকবর্ষ নির্ণয় করেছিলেন।


ধন্যবাদ।


সূর্যের অজানা রহস্য । The mystery of the sun

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২১

 হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন আপনারা আশা করি অনেক অনেক ভাল আছেন। আজ আমরা সৌরজগতের নক্ষত্র সূর্য সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে তার মধ্যে একটি হলো আকাশ গঙ্গা ছায়াপথ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রস্থল থেকে কয়েক হাজার আলোকবর্ষ দূরে আমাদের সৌরজগতে অবস্থিত। সৌরজগতের উজ্জ্বলতম তারা মহাকর্ষ বলের কারণে তাদের নিজস্ব কক্ষপথে নির্দিষ্ট গতিতে সূর্যের চারপাশে ঘুরছে। 

এই পৃথিবীর বুকে বাঁচিয়ে রেখেছে উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলো থেকে খাদ্য উৎপাদন করে থাকে অনুরূপভাবে আমরা খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভর করে থাকি। এছাড়া জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের প্রধান ভূমিকা রাখে পৃথিবীর উপর সূর্যের প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই মানুষ অনুধাবন করে আসছে। তাহলে বন্ধুরা চলুন আজকের এই পোস্টে সূর্যের রহস্য সম্পর্কে কিছু জানা অজানা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নেওয়া যাক। 


সূর্যের অজানা রহস্য ।The mystery of the sun
সূর্যের অজানা রহস্য


সূর্যের অজানা রহস্য

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির লক্ষ কোটি তারার মধ্যে একটি মাঝারি হলুদ বর্ণের তারা হল সূর্য । প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী থেকে প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে মহাশূন্যে ভাসমান ধূলিকণা হাইড্রোজেন হিলিয়াম গ্যাসের বিশাল মেঘ সৃষ্টি হয় মহাকর্ষের কারণে বড় বড় ধাক্কা লেগে প্রচণ্ড শক্তি তৈরি হয় । এর ফলে জ্বলন্ত আগুনের গোলার মতো সূর্য থেকে আলো উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। অবশিষ্ট ধূলিকণা গ্যাস সূর্যের আকর্ষণের সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণ করতে থাকে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে এই পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহ উপগ্রহ গুলি সৌরজগৎ গঠিত হয়েছে। গ্রহ বুধ শুক্র পৃথিবী মঙ্গল বৃহস্পতি শনি এবং নেপচুন সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৪ লাখ কিলোমিটার যা পৃথিবীর থেকে প্রায় ১০০ নয় বরং আয়তনে সূর্য পৃথিবী থেকে ১৩ লক্ষ গুণ বড় ।

 এবং ওজনের দিক দিয়ে তিন লক্ষ গুণ ভারী পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার অনেক দূরে অবস্থিত হওয়ায় সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে সময় লাগে আর সেকেন্ড। সূর্যের বাইরের দিকে তাপমাত্রা ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং সূর্যের তাপমাত্রা সেলসিয়াস পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকে। পৃথিবী সূর্যের চারদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন নির্দিষ্ট কক্ষপথে কেন্দ্র করে তার চারিদিকে ঘুরছে। একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ২৩ কোটি বছর। পৃথিবী নিজের অক্ষের চারদিকে ২৪ ঘন্টায় একবার ঘরে নিজের অক্ষের চারদিকে একবার ঘুরে। মহাবিশ্বের প্রতিটি নক্ষত্রের জন্ম মৃত্যু নিশ্চিত আমাদের সূর্য একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে সাধারণত ১০০০ কোটি বছর হয়ে থাকে। 

সূর্য যে আমাদের সৌরজগতের একমাত্র নক্ষত্র চারপাশে পৃথিবী আর শাথে শাথে গ্রহগুলি অপকর্ম করছে।  এমন কি জিনিস আছে যে সূর্যকে এত শক্তি প্রদান করে? সূর্য আকারে কতইবা পর সিরিয়াল দিয়ে তৈরি সূর্য সারাজীবন কি এভাবেই আমাদের জীবনের সাথে জড়িত থাকবে নাকি সূর্যের একদিন মৃত্যু হবে? সূর্যের বিষয়টা আমাদের খুবই জরুরি কারণ সূর্য মানুষ জাতি এবং জীবনের জন্মদাতা বলা হয় সূর্য যদি একদিন তার আলো দেওয়া বন্ধ করে দেয় তাহলে সারা পৃথিবীতে বরফের পাহাড় জমে যাবে। জীবন পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে সূর্য  পুরোপুরি হাইড্রোজেন অক্সিজেন কার্বন প্রচুর পরিমাণে সৃষ্টি হয় এর কারন হল সূর্যের মারাত্মক গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স। 

সূর্যের গ্রাভিটি পৃথিবীর তুলনায় হাজারগুণ বেশি যদি আপনার ওজন পৃথিবীতে ৭০ কেজি হয় তাহলে সূর্যে আপনার ওজন হবে ১৭৮০ কেজি।  আর সূর্যের যদি আমরা বাইরে বেরোতে আসতে চাই তাহলে ৬৫০ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ডের গতিতে বাইরে আসতে হবে। এর কারন হল সূর্যের এসকেপ ভেলোসিটি হচ্ছে ৬৫০ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ড। মানে হল এটি এমন একটি গতিবেগ ফোর্স যার ফলে যে কোন গ্রহ নক্ষত্রের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির বাইরের গেটের বাইরে বেরিয়ে যাওয়া যায় একে আমরা বলি। সেটি যেমন আমাদের পৃথিবী থেকে মহাকাশযান পাঠাই আমরা মহাকাশে পাঠানো হয় ইলেভেন পয়েন্ট ২ মিটার পার সেকেন্ড। এর কারণ হলো আমাদের পৃথিবীর ইলেভেন পয়েন্ট ২ মিটার পার সেকেন্ড আর এই গতি যদি আমরা করতে পারি তাহলে কিন্তু পৃথিবীর বাইরে যেতে পারবে না। 

তার আগেই পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে আর সেই রকমই সূর্যের এসকেপ ভেলোসিটি হচ্ছে ৬৫০ মিটার পার সেকেন্ড। মানে আপনারা ভাবছেন যে কোন দেশে যাওয়া যায় কিন্তু ফিরে আসার কোনো চান্স থাকে না। সূর্যের শক্তি কতটা আপনি এই প্রকার আন্দাজ লাগাতে পারেন সূর্য থেকে প্রায় ৬ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কিন্তু সূর্য তার চারিপাশে করতে বাধ্য হচ্ছে যে আমাদের পৃথিবীর মেটেরিয়াল দিয়ে তৈরি সেই প্রকার সূর্যকে ইন্দুষ্ট্রিয়াল দিয়ে তৈরি না। সূর্য পুরোপুরি একটা গ্রাইন্স পুরোপুরি গ্যাসীয় পদার্থ বন্ধুরা। আপনারা কি কোনদিন ভেবেছিলেন পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে কিন্তু সূর্যের চারিদিকে ঘোরে যেমন কি সৌরজগতের গ্রহ সূর্যের চারপাশে ঘোরে তেমনি আমাদের সূর্য আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির সেন্টারের চারিদিকে পরিক্রমা করছে। মানে যেটাকে আমরা আকাশগঙ্গা বলি সূর্য একবার পরিক্রমণ করতে সময় নেয় প্রায় ২৫ কোটি বছর।

সূর্যের জন্মের পর থেকে মাত্র কুড়ি বাড়ি আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির পরিক্রমা করেছে। সূর্য তার নিজের মধ্যে প্রোটন ইলেকট্রন এর একটি ঝড়ের সৃষ্টি করেন। যেটাকে আমরা বলি সোলার উইনার এর গতি হয় ৪৫০ কিলোমিটার পার সেকেন্ড। আর এই রেডিয়েশন আমাদের পৃথিবী থেকে আরো দূরে মানে আমাদের সোলার সিস্টেমের বাইরে পৌঁছে যায়। এই ঝর কিন্তু অনেক ক্ষতিকারক এই ঝড় আমাদের পৃথিবীর কোন ক্ষতি করতে পারে না। কারণ আমাদের পৃথিবীর একটা ম্যাগনেটিক ফিল্ড আছে আর এটাই আমাদের রক্ষা করে।  সূর্য প্রতি সেকেন্ড তার নিজের ভাঁড়ের ৫০ লাখ টন কমতে থাকে সূর্য পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে রয়েছে। সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে সময় লাগে ৪ মিনিট। তাই আমরা যখন সূর্যকে দেখি তখন ওটা 8 মিনিট পুরনো সূর্য আর সূর্যের আলো পৌঁছাতে সময় নেয়। ৫ ঘন্টা ৩০ মিনিট সূর্য প্রতি সেকেন্ডে প্রায় সাত কোটি কোটি ৯৫ লাখ টন রূপান্তরিত করছে। 

বন্ধুরা এইবার জেনে নেওয়া যাক সূর্যের বিষয়ে কিছু রোমাঞ্চকর তথ্য 

সূর্য যদি একদিন তার আলো দেওয়া বন্ধ করে দেয় সারা পৃথিবী থেকে যাবে কোন বস্তু যদি সূর্যের কুড়ি লাখ ২২ হাজার কিলোমিটারের মধ্যে চলে আসে সূর্য তাকে তার নিজের মধ্যে টেনে নেবে তার কারণ সূর্যের গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স। প্রচন্ড পরিমানে আপনারা কি জানেন সূর্যের রং আসলে সাদা আমরা এটিকে হলুদ দেখি কারণ। আমাদের বায়ুমণ্ডলের কারণ কিন্তু সূর্য কিভাবে দেবে নাকি একদিন এটিও বুঝে যাবে এর মৃত্যু হবে। বন্ধুরা আপনারা জানলে অবাক হবেন যে সূর্যের অস্তিত্ব একদিন পুরোপুরি ভাবে শেষ হয়ে যাবে। কিছু কিছু বিজ্ঞানীদের মতে আজ থেকে ৫ বিলিয়ন ফিয়ার্স পর সূর্যের মুখ প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাবে। এর ফলে আমাদের পৃথিবী সমুদ্রের জল আছে সব বাষ্প হয়ে আকাশে উড়ে যাবে। এবং ৫ বিলিয়ন ৪০ কোটি বছর পর সূর্যের হাইড্রোজেন পুরোপুরিভাবে শেষ হয়ে যাবে। 

আর এর চারিদিকে একটা কালো আকারে সৃষ্টি হয় আর ধীরে ধীরে সূর্য তার বিনাশের দিকে এগিয়ে যাবে। আর ততদিন আমাদের অনেক যুগ পেরিয়ে যাবে মানুষ জাতি হয়ত ততদিন পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারবে না। আর কোন প্রশ্ন জন্যই হয়ত ততদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকবে না। এ পৃথিবীতে বন্ধুরা ভয় পাওয়ার কিছুই নেই ১২ ই আগস্ট ২০১৮ তে আমেরিকার স্পেস এজেন্সি নাসা একটি মিশন পাঠিয়েছিল সূর্য তে যার নাম ছিল পার্কার সোলার প্রোব। এটি প্রায় ৭ বছর ধরে সূর্যের চারিদিকে পরিক্রমা করবে এবং নানা রকম তথ্য পৃথিবীতে পাঠাবে। আর এর থেকেই আমরা নতুন নতুন তথ্য জানতে পারবো সূর্যের বিষয়ে।


Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo