পোস্টগুলি

ভিনগ্রহ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ধরা পড়েছে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব! নভেম্বরেই মিলবে তার প্রমাণ, দাবি নাসার চিত্র পরিচালকের

ছবি
ধরা পড়েছে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং আগামীতেও চলবে। তবে এবার পৃথিবী থেকে দূরে আবারও তাদের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। আর সেই প্রমাণ আগামী নভেম্বর মাসে সর্বসমক্ষে আনা হবে। এমনটাই ঘোষণা করে চমকে দিয়েছেন নাসার চিত্র পরিচালক সাইমন হল‌্যান্ড। . সাইমন হল‌্যান্ডের দাবি করনে যে, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের উদ্যোগে হওয়া একটি কর্মসূচি বিশেষভাবে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব, প্রমাণ-সহ অনুসন্ধানের জন‌্যই গৃহীত হয়েছিল। এর সঙ্গে যুক্ত ছিল মার্ক জুকারবার্গের ব্রেকথ্রু লিসেন প্রোজেক্টও।  সেই সূত্র থেকেই খবর মিলেছে যে, ভিনগ্রহীরা যে সত্যিই রয়েছে। আর তার অকাট‌্য প্রমাণও মিলেছে। অস্ট্রেলিয়ায় পার্কস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে এলিয়েনদের পাঠানো সিগন‌্যাল। ২০১৯ সালে সেই প্রমাণ বিজ্ঞানীদের হাতে এসেছিল, কিন্তু তখন তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। আরও পড়ুন:  দৈনিক একটা করে সূর্য তার খাবার! এমনি এক ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেলেন এবার বিজ্ঞানীরা নাসার চিত্র পরিচালক সংবাদমাধ‌্যমকে জানান যে, মানুষ নয়, এমন প্রাণীর অস্তিত্ব ধরা পড়েছে পার্কস টেলিস্কোপে। পৃথিব...

ভিন্‌গ্রহে কি তবে প্রাণের চিহ্ন?

ছবি
ভিন্‌গ্রহে প্রাণের চিহ্ন। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবী থেকে ১২৪ আলোকবর্ষ দূরে লাল রঙা এক খুদে নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে কে২-১৮বি নামে এক গ্রহ। আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীদের নজর এখন দূরের সেই গ্রহের দিকে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মহাকাশ পর্যবেক্ষণাগার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গ্রহে এমন এক রাসায়নিক রয়েছে যা একমাত্র প্রাণের উপস্থিতিতেই থাকা সম্ভব। প্রাণ রহস্য সমাধান করতে তাই শীঘ্রই অভিযানে নামছে জেমস ওয়েব। ভিন্‌গ্রহে প্রাণের চিহ্ন অনেক দিন ধরেই কে২-১৮বি গ্রহটিকে নিয়ে উৎসাহ জন্মেছে বিজ্ঞানীদের মনে। প্রাথমিক ভাবে তাঁদের অনুমান এই যে, গ্রহ জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে প্রকাণ্ড জলরাশি। সমুদ্রের আকার এখানে পৃথিবীর ২.৬ গুণ। জল মানেই প্রাণের উৎস। সেই সঙ্গে ডাইমিথাইল সালফাইড (ডিএমএস)-এর উপস্থিতি আরও নজর কেড়েছে বিজ্ঞানীদের। এই গ্যাসীয় পদার্থটি প্রাণের অস্তিত্ব থাকার অন্যতম প্রমাণ। নাসা-র বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, জীবদেহ থেকে ডিএমএস তৈরি হয়।  আরও পড়ু ন: মহাকাশে নভোচারী মৃত্যু হলে তাঁর শরীরের কী হয়? আদৌ কি ফেরানো হয়? অতএব কে২-১৮বি-র বায়ুমণ্ডলে ডিএমএস...

৯৯% মিল, সৌরজগতের বাইরে পৃথিবীর মত গ্রহের খোঁজ পেল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
৯৯% মিল রয়েছে পৃথিবী সঙ্গে এই গ্রহের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এক বছর হয়ে গেল মহাকাশে চরকিপাক খেয়ে চলেছে আধুনিক প্রজন্মের জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।মহাকাশের একঝাঁক গ্রহ নক্ষত্রের অবিশ্বাস্য কিছু ছবি তুলে ধরেছে। এবার যে প্রকৃত অর্থেই প্ল্যানেট হান্টার হিসেবে নিজেকে মেলে ধরতে সক্ষম হল টেলিস্কোপটি। তার কারণ, বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী অবজ়ারভেটরিটি আমাদের সৌরজগতের বাইরেও এমন একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছে। যা দেখতে হুবহু পৃথিবীর মতো। পৃথিবীর মত গ্রহটি দেখতে কেমন গ্র হটিকে এর আগে LHS 475b হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছিল। যার ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের সঙ্গে ৯৯% মিলে যায়। নাসার ট্রানজ়িটিং এগজ়োপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট টিইএসএস পর্যবেক্ষণ ডেটাতে প্রথম দেখার পরে গ্রহটিকে ওয়েব দ্বারা পর্যবেক্ষণ করার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। অন্যান্য গ্রহের তুলনায় এই LHS 475 b পৃথিবীর অনেক কাছের। পৃথিবী থেকে মাত্র ৪১ আলোকবর্ষ দূরে কনস্টিলেশন অক্টেনে এই গ্রহের অবস্থান। এই গ্রহটিকে নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন লাস্টিগ ইয়েগার নামের এক মহাকাশ বিশেষজ্ঞ। তিনি দাবি করেছেন যে,এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই এমন গ্রহ আছে। এখন অন...

মেঘে যদি ধুলো জমে তাহলে কেমন লাগে? এমনি ছবি তুলে দেখাল বুড়ো হাবল

ছবি
মেঘে ধুলো জমে তাহলে কেমন লাগে সেই ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাজাগতিক বিস্ময়ের ছবি একের পর এক তুলেই চলেছে ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নাসার শক্তিশালী টেলিস্কোপ। এবার তারা ফের গোটা বিশ্বকে হতবাক করে দিল চোখ আটকে যাওয়ার মত ছবি পাঠিয়ে। মেঘে ধুলো জমলে কি হয় নাসার শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ হাবল বিশ্বকে মাঝে মাঝেই অনেক চমক দেয়। হাবলের তোলা শত শত আলোকবর্ষ দূরের দৃশ্য সাধারণ মানুষকে অবাক করে। নাসার সেই হাবল এবার ফের একটা চমক দিল। সম্প্রতি নাসা তাদের ইনস্টাগ্রাম পেজে ইন্টারস্টেলার ধুলো এবং মেঘের একটি ছবি শেয়ার করেছে। যা ক্যাপচার করা হয়েছে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে।চকচকে ধূলিকণাগুলি তারার সঙ্গে জড়িত। বেশ কয়েকটি রঙের সংমিশ্রণ। যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪,৩৫০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।  আরও পড়ুন:  রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠাল হাবল টেলিস্কোপ অর্থাৎ ৪ হাজার ৩৫০ বছর আগে যে মহাজাগতিক ঘটনা ওই স্থানে ঘটেছিল তা এখন দেখতে পাচ্ছেন বিশ্ববাসী। এছাড়াও নাসার শেয়ার করা ছবিতে হাজার হাজার নক্ষত্রের সংগ্রহ দেখা যাচ্ছে।এই সব মিলিয়েই তৈরি হয়েছে প্রচ...

সমুদ্র সৈকতে ভেসে এল সবুজ এলিয়েন, আসলে কি এলিয়েন না অন্য কিছু?

ছবি
স্কটল্যান্ডের পাওয়া গেল সবুজ এলিয়েন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  অদ্ভুত রং তার দেখতেও বড় উদ্ভট। ফ্লুরোসেন্ট সবুজ রঙের এক বস্তু উদ্ধার হয়েছে স্কটল্যান্ডের একটি সমুদ্রতট থেকে। যিনি এই প্রাণীটিকে প্রথম লক্ষ্য করেন তিনি ভেবেছিলেন এটি একটি ভিনগ্রহী। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩৩ বছরের মাইক আরনট গত সোমবার এডিনবার্গের পোর্টোবেলো সমুদ্র সৈকতে হাঁটার সময় প্রাণীটিকে একবার দেখা মাত্রই হোঁচট খান।  সবুজ এলিয়েন কোথায় দেখা গেল   প্রথমে তিনি এই প্রাণীটিকে শ্যাওলা আচ্ছাদিত পাইনকোন ভেবেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি খেয়াল করেন যে, প্রাণীটি জীবিত।অবাক প্রাণীটি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের কাছে মিস্টার আরনট বলেছেন যে, আমি অদ্ভুত সূঁচ দিয়ে সজ্জিত এই ফ্লুরোসেন্ট সবুজ জিনিসটি দেখতে পেয়েছিলাম। এটি যে আসলে কী সে সম্পর্কে আমার কোনও ধারণা ছিল না। অবাক বস্তুটির উজ্জ্বল সবুজ এবং সোনালি রং আমাকে আকৃষ্ট করেছিল।  আমি বস্তুটিকে উল্টে দেখলাম এর অনেকগুলি ছোট পা রয়েছে। এরকম প্রাণী আমি আগে কখনও দেখিনি। আমার মনে হয়েছিল এটি ভিনগ্রহী হতে পারে। আবার এই ভাবনারও উদয় হয়েছিল যে, গভীর সমুদ্রের কোন...

মঙ্গলে ছিল প্রাণ! জলবায়ু পরিবর্তন না হলে মানুষের বসবাসযোগ্য দ্বিতীয় গ্রহ হত, নতুন গবেষণা

ছবি
প্রাণ ছিল মঙ্গলে । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গলে মানুষ বাস করতে এক সময়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে লালগ্রহ আর মানুষের বসবাসযোগ্য নয়। সম্প্রতি একটি গবেষণায় এমনই দাবি করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। নতুন তত্ত্বটি নেচার জার্নালে প্রকাশিত একটি জলবায়ু মডেলিং সংক্রান্ত অধ্যয়নকে অনুসরণ করে।যা কয়েকশো কোটি বছর আগে মঙ্গলে বসবাসকারী জীবাণুগুলির অধ্যয়ন করেছিল।  আর সেই সময় লাল গ্রহে আমাদের পৃথিবীর মতোই জীবন বেঁচে থাকার অনুকূল বায়ুমণ্ডল ছিল।এটা বিশ্বাস করা হয় যে, মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল পরিবর্তনের কারণে সেখানে অণুজীবনের জীবন শেষ হয় সর্বপ্রথম। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব এবং মঙ্গলে তা শেষ হওয়ার মূল কারণ হল।দুটি গ্রহের গ্যাস গঠন এবং সূর্য থেকে তাদের দূরত্বের পার্থক্য। যেহেতু মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে অনেক দূরে সেখানে যে প্রাণের সন্ধান মিলেছে তা বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত গ্রিনহাউস গ্যাসের উপর বেশি নির্ভরশীল ছিল যা তাপমাত্রাকে বাঁচিয়ে রাখে। কিন্তু জীবাণুরা নিজেরাই তাদের গ্রহকে ধ্বংস করেছে। ডেইলি স্টারের খবর অনুযায়ী মঙ্গল গ্রহের প্রাচীন অণুজীব হাইড্রোজেন গ্রহণ করত এবং মিথেন উৎপন্ন করত। ধী...

এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ করল জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা! ১৮০০ রেডিও সিগন্যাল পেল র্বিজ্ঞানীরা

ছবি
এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশ থেকে রেডিও সিগন্যাল পাচ্ছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এক আধবার নয় ১৮৬৩টি সিগন্যাল পেয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। তবে কি এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে ফেললেন বিজ্ঞানীরা! অনেক বছর ধরে তারা গবেষণা করে আসছে। ভিনগ্রহীদের নিয়ে যে আগ্রহ তাঁদেরকে পৃথিবীতে আনতে গবেষণার মধ্যেই চাঞ্চল্যকর তথ্য এবার বিজ্ঞানীদের হাতে। রেডিও সিগন্যাল  ভিনগ্রহ  থেকে কিভাবে  আসছে এলিয়েনদের নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই পৃথিবীবাসীর। ভিনগ্রহীদের খোঁজে পৃথিবীর মহাকাশ বিজ্ঞানীরা কি না করেছেন। সমস্তরকম প্রচেষ্টা তাঁরা করে যাচ্ছেন এখনও। তার মধ্যেই খবর এলিয়েন দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা গিয়েছে।মহাকাশের এক কোণ থেকে  পৃথিবীতে বসে  এমন কিছু রেডিও সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছে যা থেকে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এ সংকেত  এলিয়েনদের । এলিয়েনদের নতুন ধরনের রেডিও সংকেতে  একেবারে নতুন ধরনের রেডিও সংকেত পেয়ে ভিনগ্রহীদের নিয়ে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। এই সংকেতগুলি রেকর্ড করা হয়েছে। এই সংকেতগুলি ফাস্ট রেডিও বার্স্ট থেকে আলাদা। যেখান থেকে এই সংকেত আসছে সেখানে রেডি...

দুই গ্রহে বেঁচে থাকতে পারবে মানুষ! পৃথিবী ছাড়াও অবাক করা দাবি বিজ্ঞানীদের

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এখনও পর্যন্ত শুধুমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি গড়ে উঠেছে সভ্যতা। তবে এবার, পৃথিবী ছাড়াও অন্যান্য গ্রহগুলিতে প্রাণের সন্ধান রয়েছে কি না তা নিয়ে দীর্ঘ গবেষণায় লিপ্ত রয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এমনকি যদি কোনো গ্রহে জীবনধারণের পরিবেশ থাকে সেক্ষেত্রে সেখানে মানব সভ্যতা স্থাপনের বিষয়টিও ভাবনায় রেখেছেন তাঁরা।  এমতাবস্থায় বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন যে, বর্তমানে তাঁরা এমন দু’টি এক্সোপ্ল্যানেট আবিষ্কার করেছেন। যেগুলিতে মানুষের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রবল। এক্সোপ্ল্যানেট আসলে ঠিক কি? এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি যে, বিজ্ঞানের ভাষায় এক্সোপ্ল্যানেট শব্দটি ব্যবহার করা হয় সেই সব গ্রহের জন্য, যেগুলি আমাদের সৌরজগতের বাইরে অবস্থান করে অন্য কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। জেনে সেই দু’টি গ্রহ সম্পর্কে মূলত বিজ্ঞানীরা যে দু’টি গ্রহ আবিষ্কার করেছেন সেগুলি আমাদের থেকে প্রায় ১০০ আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে। এই প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে যে, জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী লেটিশিয়া ডেলরেজ এই আবিষ্কারের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর দলটিতে সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা অন্তর্ভুক্ত...

এই প্রথম এক গ্রহে কার্বন ডাই অক্সাইড খুঁজে পেল নাসা! সৌরজগতের বাইরে সাতশো আলোকবর্ষ দূরে

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সৌরজগতের বাইরেও কার্বন ডাই অক্সাইড খুঁজে পেল এবার নাসা। তাদের জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ সৌরজগতের বাইরে একটি গ্রহে কার্বন ডাই অক্সাইডের সন্ধান পেয়েছে। সৌরজগতের বাইরে কার্বন ডাই অক্সাইড  জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ এই মুহূর্তে পৃথিবী থেকে পনেরো লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। সূর্যের সংসারের বাইরে যে গ্রহটির মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইডের অস্তিত্ব মিলেছে, তার নাম দেওয়া হয়েছে ডব্লিউএএসপি-৩৯ বি। এই গ্রহের মধ্যে নানাবিধ গ্যাস প্রচুর পরিমাণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব সাতশো আলোকবর্ষ।ডব্লিউএএসপি-৩৯ বি’ আকারে শনি গ্রহের সমান।  এই গ্রহের তাপমাত্রা ৯০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নিজের নক্ষত্রের চারপাশে গ্রহটি মাত্র চার দিনে (পৃথিবীর হিসেব) এক বার ঘুরে আসে। ২০১১ সালে এই গ্রহের অস্তিত্বের কথা প্রথম জানতে পারেন বিজ্ঞানীরা। এক দশক পর সেখানে মিলল কার্বন ডাই অক্সাইডের খোঁজ।সৌরজগতের বাইরে যে সব গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে নাসা মনে করে তার একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে।  ডব্লিউএএসপি-৩৯ বি গ্রহে কি কি রয়েছে পাঁচ হাজার গ...

মহাকাশে মহাপৃথিবী খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে, এই মহাবিশ্বে মানুষ কি আমরা একা? পৃথিবী কি একমাত্র গ্রহ, তাতে রয়েছে প্রাণ? এই প্রশ্নের উত্তর সেই কবে থেকে খুঁজে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। আর সেজন্য কেবল সৌরজগত নয় এমনকী ছায়াপথের বাইরে অন্যত্রও চোখ রেখেছেন তাঁরা। আর এভাবে খুঁজতে খুঁজতেই এবার খোঁজ মিলল এক মহাপৃথিবীর ।  নতুন পৃথিবী ৫০৮বি ৩৭ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত । পৃথিবীর দোসরের খোঁজ পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৭ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত রস ৫০৮বি গ্রহটিকে ঘিরে আগ্রহ তুঙ্গে। মনে করা হচ্ছে যে, পৃথিবীর দোসর হতে পারে এই গ্রহটি।অর্থাৎ জলের অস্তিত্ব থাকতেই পারে এখানে। ফলে তা বসবাসের যোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। জানা গিয়েছে যে, এই গ্রহটি পাক খাচ্ছে যে নক্ষত্রকে, সেটি একটি লাল বামন। সেটির সঙ্গে গ্রহটির যা দূরত্ব তা থেকে মনে করা হচ্ছে এই গ্রহে জল থাকতেই পারে। তবে সমস্যা হল যে, গ্রহটি পাক খেতে খেতে অনেক সময়ই সেই অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছে। তবে তা সত্ত্বেও গ্রহটিতে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে, এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে পারছেন না বিজ্ঞানীরা। আরও পড়ুন:   পৃথিবীতে ৪৫ বছর আগে সংকেত পাঠিয়েছিল এলিয়েনরা! রহস্যজনক তথ্য এল ...

মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনের পা! নাসার ছবি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

ছবি
মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনের পায়ের ছাপ ছবি। মঙ্গলে ভিনগ্রহের প্রাণীর পায়ের ছাপ  ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মঙ্গলে ভিনগ্রহের প্রাণীর পায়ের ছাপ সেই ছবিই তুলেছে নাসা । সম্প্রতি লাল গ্রহের ভূপৃষ্ঠের একটি ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। সেই ছবি দেখেই এলিয়েন নিয়ে কৌতূহলি নেটিজেন এমন প্রশ্ন তুলল। পাশাপাশি ছবি দেখে মুগ্ধ তারা। ফলে ইতিমধ্যে ওই ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।কিন্তু হঠাৎ মঙ্গলের ছবি দেখে এলিয়েনের কথা মনে পড়ল কেন ! কারণ আছে। বিখ্যাত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা যে ছবি প্রকাশ্যে এনেছে, মার্স রিকনেসান্স অরবিটার থেকে তোলা সেই হাই রিজলিউশন ছবির বৈশিষ্টই আসল কারণ। ছবিটি আসলে ভিন গ্রহের ভূপৃষ্ঠের একটি গোলাকার গর্ত। গোল অবশ্য খানিক বাঁকাচোরা। তারচেয়ে বড় কথা যে, বড় গর্তের ভিতর অসংখ্য পায়ের আঙুলের মতো রেখা রয়েছে। সেই হলুদাভ দাগের সঙ্গে মানুষের পায়ের আঙুলের কোনও মিল নেই। কারণ তা ভিষণই এলোমেলো। এই ছবি নিয়েই শোরগোল পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে । আরও পড়ুন:  পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে বেহেমথ ধূমকেতু, ঘণ্টায় ৩৫ হাজার কিমি বেগে নাসা ...

এলিয়ানের সঙ্গে সঙ্গম, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা! দাবি করল মার্কিন এক মহিলা

ছবি
অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ভিনগ্রহে কি প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর সেই কবে থেকে খুঁজে চলেছে মানুষ। আজও নিশ্চিত কোনও উত্তর মেলেনি। এর মধ্যেই এক আজব দাবি করতে দেখা গেল এক মার্কিন  মহিলাকে। তাঁর দাবি যে, ভিনগ্রহের এক প্রাণীর এলিয়ানের সঙ্গে তিনি নাকি যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিলেন। আর তারই ফলশ্রুতি অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পড়েছিলেন তিনি। আমেরিকার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের এক রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই আজব এক ঘটনার কথা। ভিনগ্রহীর সঙ্গে সঙ্গম, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ওই রিপোর্টে প্যারানর্মাল তথা অনুযাই অতীন্দ্রিয় অভিজ্ঞতার শরিক হওয়ার দাবি করা নানা ব্যক্তির কথা রয়েছে। সেখানেই জায়গা পেয়েছে ওই মহিলার দাবিও। এই ধরনের অভিজ্ঞতা যাঁদের হয়েছে তাঁদের স্বাস্থ্যের উপর কী প্রভাব পড়েছে সেটা নিয়েই আলোচনা রয়েছে ওই রিপোর্টে। আসলে এই রিপোর্ট হল ইউএফও সংক্রান্ত দেড় হাজার পাতার একটি নথির অংশ। ওই রিপোর্টে রয়েছে ৪২টি মেডিক্যাল ফাইল। পাশাপাশি ভিনগ্রহীদের সঙ্গে মোলাকাতের ৩০০টি অপ্রকাশিত ঘটনাও রয়েছে। আরও পড়ুন:  রহস্যময় দুটি গ্রহ, বৃষ্টি হলে জল নয় বদলে রয়েছে পাথর কয়েক...

এলিয়েনদের খুঁজতে মানুষের নগ্ন ছবি মহাকাশে পাঠাবে নাসা!

ছবি
এলিয়েনদের খুঁজতে মানুষের নগ্ন প্রতীক ছবি। এলিয়েনদের খোঁজ করেছেন বিজ্ঞানীরা বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে, এলিয়েন অর্থাৎ ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের আকর্ষণ করতে এবার নাকি মহাকাশে মানুষের নগ্ন ছবি পাঠাবে নাসা। মার্কিন স্পেস এজেন্সির এই অদ্ভুত কর্মকাণ্ডের সম্পর্কে সদ্যই জানা গিয়েছে। এলিয়েন বা ভিনগ্রহীদের নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতূহল বরাবরই তুঙ্গে। এই এলিয়েনদের নিয়ে সিনেমাও তৈরি হয়েছে বেশ কিছু। ভিনগ্রহে আদৌ কারও বাস রয়েছে কিনা তা জানতে অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। আর সেই গবেষণা  পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্যই এবার মহাকাশে মানুষদের নগ্ন চিত্র পাঠাতে চলেছেন নাসার বৈজ্ঞানিকরা। এই ছবির মাধ্যমে ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের আকর্ষণ করাই হল মূল লক্ষ্য। প্রায় ১৫০ বছর ধরে এলিয়েনদের খোঁজ করেছেন বিজ্ঞানীরা। এখনও সাফল্য আসেননি। তাই এবার কিছুটা নতুন পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা হয়তো আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথেই রয়েছে বুদ্ধিমান এলিয়েনরা। আর তাদের আকৃষ্ট করতেই মানুষের নগ্ন ছবি পাঠানো হবে মহাকাশে। ভিনগ্রহের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই যে, আকাশগঙ্গা ছায়াপথে থাকা ভিনগ্রহের জীবদের সঙ্গে অনেক...

নেপচুনের চেয়ে বড় ভিনগ্রহ থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল জলীয় বাস্পের ধোঁয়া ছড়িয়েছে মহাকাশে

ছবি
নেপচুনের চেয়ে বড় ভিনগ্রহ থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল জলীয় বাস্পের ধোঁয়া ছড়িয়েছে মহাকাশে ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  পৃথিবী থেকে মাত্র ১৫০ আলোকবর্ষ দূরে থাকা ভিনগ্রহটি আকারে এই সৌরমণ্ডলের গ্রহ নেপচুনের চেয়েও বড়।জল আছে বোঝা গেল। তা সে তরল অবস্থায় থাকুক বা না থাকুক ।আছে জলীয় বাস্প হয়ে এই ভিনগ্রহে। আছে কি প্রাণও?সৌরমণ্ডলের বাইরে এমন একটি ভিনগ্রহের হদিশ মিলল যার বায়ুমণ্ডলে রয়েছে জলীয় বাস্প। ফুটন্ত জলের কেটলি থেকে বেরিয়ে আসা ধোঁয়ার মতো সেই জলীয় বাস্প ছড়িয়ে পড়ছে মহাকাশে। তার নাম টিওআই ৬৭৪বি। গত বছর এটির আবিষ্কার হয়েছিল। এ বার তার বায়ুমণ্ডলে হদিশ মিলল জলীয় বাস্পের। যা ধরা পড়ল নাসা-র ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট (টেস) এ। গত বছর টেস-এর নজরেই প্রথম ধরা দেয় এই ভিনগ্রহটি।সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি পিয়ার রিভিউ পর্যায় পেরিয়ে প্রকাশিত হতে চলেছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল এ। তার আগে গবেষণাপত্রটিকে অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে । আরও পড়ুন:  বুধ গ্রহের আয়তন কত? গবেষকরা জানিয়েছেন এই সৌরমণ্ডলের গ্রহ নেপচুনের আকারের এই ভিনগ্রহটি যে নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ...