পোস্টগুলি

এলিয়েন রহস্য লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ধরা পড়েছে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব! নভেম্বরেই মিলবে তার প্রমাণ, দাবি নাসার চিত্র পরিচালকের

ছবি
ধরা পড়েছে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং আগামীতেও চলবে। তবে এবার পৃথিবী থেকে দূরে আবারও তাদের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। আর সেই প্রমাণ আগামী নভেম্বর মাসে সর্বসমক্ষে আনা হবে। এমনটাই ঘোষণা করে চমকে দিয়েছেন নাসার চিত্র পরিচালক সাইমন হল‌্যান্ড। . সাইমন হল‌্যান্ডের দাবি করনে যে, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের উদ্যোগে হওয়া একটি কর্মসূচি বিশেষভাবে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব, প্রমাণ-সহ অনুসন্ধানের জন‌্যই গৃহীত হয়েছিল। এর সঙ্গে যুক্ত ছিল মার্ক জুকারবার্গের ব্রেকথ্রু লিসেন প্রোজেক্টও।  সেই সূত্র থেকেই খবর মিলেছে যে, ভিনগ্রহীরা যে সত্যিই রয়েছে। আর তার অকাট‌্য প্রমাণও মিলেছে। অস্ট্রেলিয়ায় পার্কস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে এলিয়েনদের পাঠানো সিগন‌্যাল। ২০১৯ সালে সেই প্রমাণ বিজ্ঞানীদের হাতে এসেছিল, কিন্তু তখন তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। আরও পড়ুন:  দৈনিক একটা করে সূর্য তার খাবার! এমনি এক ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেলেন এবার বিজ্ঞানীরা নাসার চিত্র পরিচালক সংবাদমাধ‌্যমকে জানান যে, মানুষ নয়, এমন প্রাণীর অস্তিত্ব ধরা পড়েছে পার্কস টেলিস্কোপে। পৃথিব...

ভিন্‌গ্রহে কি তবে প্রাণের চিহ্ন?

ছবি
ভিন্‌গ্রহে প্রাণের চিহ্ন। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবী থেকে ১২৪ আলোকবর্ষ দূরে লাল রঙা এক খুদে নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে কে২-১৮বি নামে এক গ্রহ। আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীদের নজর এখন দূরের সেই গ্রহের দিকে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মহাকাশ পর্যবেক্ষণাগার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গ্রহে এমন এক রাসায়নিক রয়েছে যা একমাত্র প্রাণের উপস্থিতিতেই থাকা সম্ভব। প্রাণ রহস্য সমাধান করতে তাই শীঘ্রই অভিযানে নামছে জেমস ওয়েব। ভিন্‌গ্রহে প্রাণের চিহ্ন অনেক দিন ধরেই কে২-১৮বি গ্রহটিকে নিয়ে উৎসাহ জন্মেছে বিজ্ঞানীদের মনে। প্রাথমিক ভাবে তাঁদের অনুমান এই যে, গ্রহ জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে প্রকাণ্ড জলরাশি। সমুদ্রের আকার এখানে পৃথিবীর ২.৬ গুণ। জল মানেই প্রাণের উৎস। সেই সঙ্গে ডাইমিথাইল সালফাইড (ডিএমএস)-এর উপস্থিতি আরও নজর কেড়েছে বিজ্ঞানীদের। এই গ্যাসীয় পদার্থটি প্রাণের অস্তিত্ব থাকার অন্যতম প্রমাণ। নাসা-র বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, জীবদেহ থেকে ডিএমএস তৈরি হয়।  আরও পড়ু ন: মহাকাশে নভোচারী মৃত্যু হলে তাঁর শরীরের কী হয়? আদৌ কি ফেরানো হয়? অতএব কে২-১৮বি-র বায়ুমণ্ডলে ডিএমএস...

ঘন ঘন এলিয়েন সংকেত! কোথায় থেকে ভেসে আসছে এই সংকেত?

ছবি
ঘন ঘন এলিয়েন সংকেত পৃথিবীতে ভেসে আসছে। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে সারা ক্ষণ কত কীই না ঘটে চলে সব কিছুর নাগাল পায় না পৃথিবীর মানুষ। তবে মহাকাশের কোনও না কোনও প্রান্তে পৃথিবীর মতোই গ্রহের খোঁজ জারি রেখেছেন বিজ্ঞানীরা। সেই গবেষণাতেই নতুন মোড় ঘুরেছে সম্প্রতি। ভিন্‌গ্রহ থেকে সঙ্কেত মিলেছে। এক বার নয় বার বার সঙ্কেত ভেসে আসছে। এলিয়েন সংকেত আমেরিকার ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের রেডিয়ো টেলিস্কোপে সম্প্রতি ভিন্‌গ্রহের সঙ্কেত ধরা পড়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি করেন যে, ঘন ঘন সঙ্কেত আসছে পৃথিবী থেকে মাত্র ১২ আলোকবর্ষ দূরের এক পাথুরে গ্রহ থেকে। গ্রহটির নাম দেওয়া হয়েছে ওয়াইজ়েড সেটি বি। এই গ্রহে পৃথিবীর মতো আবহাওয়া থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এখনও বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। আরও পড়ুন:  হঠাৎ তুরস্কের আকাশে এলিয়েনের UFO! এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে আনলেন বিজ্ঞানীরা গ্রহটি থেকে আসা চৌম্বকীয় তরঙ্গ বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছে। মনে করা হচ্ছে যে, ওই গ্রহে মানুষের বাসযোগ্য আবহাওয়া থাকলেও থাকতে পারে। সঙ্কেতের উৎস সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের অনুমান গ্রহটির চৌম্ব...

হঠাৎ তুরস্কের আকাশে এলিয়েনের UFO! এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে আনলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
এলিয়েনের UFO মত দেখতে মেঘ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সম্প্রতি আকাশে অদ্ভুত এক মেঘের সৃষ্টি হতে দেখছিলেন তুরস্কের বুরসা শহরের বাসিন্দারা। এর ভিডিয়োগুলিও বেশ ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা এটাকে বলেছেন এলিয়েনের ইউএফও। চলন্ত গাড়ি থেকেও এর ভিডিয়ো রেকর্ড করা হয়েছে। ভিডিয়োতে স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল যে. আকাশে একটি বড় গোল আকৃতির মেঘ। এক ঝলকে দেখলে ওই মেঘের রাশিকে আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইয়িং অবজেক্ট বলেই মনে হতে পারে।  তুরস্কে এলিয়েনের UFO দেখে কি বলছে বিজ্ঞানীরা এই বিরাট মেঘপুঞ্জ প্রায় এক ঘণ্টা আকাশে ছিল। আর সেই সুযোগেই অদ্ভুত এই দৃশ্যকে ক্যামেরাবন্দি করে ফেলেন স্থানীয়রা।এটি সূর্যাস্তের সময় দেখা গিয়েছিল। গোলাকার আকৃতির মেঘ ছাড়া আর কোনও মেঘ আকাশে তখন দেখা যায়নি। এই ধরনের মেঘ তৈরির বিষয়ে তুরস্কের স্টেট ওয়েদার সায়েন্স সার্ভিসেস থেকে জানানো হয়েছে যে, এটি একটি বিরল ঘটনা। যা লেন্টিকুলার ক্লাউড নামে পরিচিত। এটি এক ধরনের মেঘ।  যা ২০০০-৪০০০ মিটার ঊচ্চতায় দেখা যায়। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, সাধারণত এই ধরনের মেঘ আকাশে দেখা গেলে পরের দিন বৃষ্টির ...

কী সংকেত ভেসে আসছে ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে? রেডিও সিগন্যালে কি পেলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
রেডিও সিগন্যাল মহাআকাশ থেকে ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   এলিয়েন নিয়ে আমাদের কৌতুহলের শেষ নেই।ভিনগ্রহীদের সঙ্গে বিশ্ববাসীর যোগাযোগ স্থাপন নিয়েও উৎসাহ তুঙ্গে আমজনতা থেকে বিজ্ঞানী ও সকলের। মহাকাশ বিজ্ঞানের কূট জটিল অনেক রহস্যই হয়ত ভেদ করা সম্ভব হবে এবার।তবেই তো অনুসন্ধান গবেষণা আর উত্তর। সেই উত্তরের খোঁজে এতদিন ধরে কাজ করে চলেছেন বিশ্বের তাবড় মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।  ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরেরে সিগন্যাল এই প্রথম ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরের এক ছায়াপথ থেকে রেডিও তরঙ্গ পেলেন কানাডার একদল বিজ্ঞানী এবং ভারতে বসানো রাক্ষুসে টেলিস্কোপের সাহায্যে তা মিলেছে।তাই ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ থেকে দূরে আসা তরঙ্গকে যন্ত্রের মাধ্যমে বন্দি করার খবর প্রথমে এলিয়েনদের বার্তা নিয়ে জল্পনা আরও উসকে দেয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা মনে করিয়ে দেন কোনও এলিয়েন নয় পৃথিবীর নিকটবর্তী ছায়াপথ থেকে যে সংকেত আসছে মনে রাখতে হবে তা আসলে অনেক অনেক আগে সেখান থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এতদিন পর পৃথিবীতে এসে পৌঁছচ্ছে। আরও পড়ুন:  সত্যিই কি এলিয়েন আছে? আকাশে দৃশ্যমান UFO রহস্যভেদ নতুন দল গঠন নাসার SDSSJ0826+5630 নামের যে ছায়াপথের তরঙ্গ থেকে স...

সমুদ্রপৃষ্ঠে এলিয়েনদের রাস্তা’র সন্ধান, গবেষকমহলে গভীর চিন্তা

ছবি
সমুদ্রপৃষ্ঠে এলিয়েনদের রাস্তা’র ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সমুদ্র থেকে ৩০০০ মিটার নীচে হলদে ইটের রাস্তা'র সন্ধান মিলেছিল। আটলান্টিসের কাছে এই রাস্তা খুঁজে পেয়েছিলেন ইউরাল ফেডারেল ইউনিভার্সিটি (ইউআরএফইউ) এবং ইউনিভার্সিটি অফ টিউবিনজেন (জার্মানি) এর গবেষকরা। এলিয়েনদের হলদে ইটের রাস্তা’র সন্ধান পেল বিজ্ঞানীরা  আধুনিক যুগে বোধহয় সেই আলোচনাই বহু বিজ্ঞানপ্রেমীদের সবথেকে সেরা পাসটাইম! যদিও বিষয়টি বৈজ্ঞানিক মহলের কাছে বিবেচনার জন্য অত্যন্তই গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সময় আমাদের কাছে বিভিন্ন তথ্য আসতে থাকে। যেখানে দাবি করা হয় ভিনগ্রহীদের সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য কিছু তথ্য। কখনও কখনও তা কারও কাছে হাস্যকর ঠেকে। কখনও আবার কেউ তার সিরিয়াস ব্যাখ্যা খুঁজতেও বসে যান। তবে সিরিয়াস হোক বা হোক সে হাস্যকর যা রটে তার কিছুটা তো বটে।  এবার এক অদ্ভুত রঙের ইটের সন্ধান মিলল। যা নিয়ে বিজ্ঞানীমহলে রীতিমতো হইহই রব পড়ে গিয়েছে।অনুসন্ধানকারী ভেসেল নটিলাস জলতলের এই অদ্ভুত হলদে রঙের রাস্তায় সর্বপ্রথম ধাক্কা খেয়েছিল। ওই জাহাজটি প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের ঠিক উত্তরে একটি গভীর সি রিজ অন্বেষণ করছিল। ...

সমুদ্র সৈকতে ভেসে এল সবুজ এলিয়েন, আসলে কি এলিয়েন না অন্য কিছু?

ছবি
স্কটল্যান্ডের পাওয়া গেল সবুজ এলিয়েন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  অদ্ভুত রং তার দেখতেও বড় উদ্ভট। ফ্লুরোসেন্ট সবুজ রঙের এক বস্তু উদ্ধার হয়েছে স্কটল্যান্ডের একটি সমুদ্রতট থেকে। যিনি এই প্রাণীটিকে প্রথম লক্ষ্য করেন তিনি ভেবেছিলেন এটি একটি ভিনগ্রহী। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩৩ বছরের মাইক আরনট গত সোমবার এডিনবার্গের পোর্টোবেলো সমুদ্র সৈকতে হাঁটার সময় প্রাণীটিকে একবার দেখা মাত্রই হোঁচট খান।  সবুজ এলিয়েন কোথায় দেখা গেল   প্রথমে তিনি এই প্রাণীটিকে শ্যাওলা আচ্ছাদিত পাইনকোন ভেবেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি খেয়াল করেন যে, প্রাণীটি জীবিত।অবাক প্রাণীটি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের কাছে মিস্টার আরনট বলেছেন যে, আমি অদ্ভুত সূঁচ দিয়ে সজ্জিত এই ফ্লুরোসেন্ট সবুজ জিনিসটি দেখতে পেয়েছিলাম। এটি যে আসলে কী সে সম্পর্কে আমার কোনও ধারণা ছিল না। অবাক বস্তুটির উজ্জ্বল সবুজ এবং সোনালি রং আমাকে আকৃষ্ট করেছিল।  আমি বস্তুটিকে উল্টে দেখলাম এর অনেকগুলি ছোট পা রয়েছে। এরকম প্রাণী আমি আগে কখনও দেখিনি। আমার মনে হয়েছিল এটি ভিনগ্রহী হতে পারে। আবার এই ভাবনারও উদয় হয়েছিল যে, গভীর সমুদ্রের কোন...

এলিয়েনদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে এখনই প্রস্তুতি নিন, বিজ্ঞানীরা কড়া সতর্কবার্তা দিল

ছবি
এলিয়েনদের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহে প্রাণের সন্ধানে সদা ব্যস্ত থাকেন বিজ্ঞানীরা। তার প্রয়োজনও আছে। কারণ একদিন পৃথিবী শেষ হয়ে গেলে মানুষ অন্য গ্রহে যাতে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। অনেক বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে, যদি অন্য গ্রহে প্রাণের বিকাশ ঘটতে পারে। তাহলে সেখানে এলিয়েনদের অস্তিত্ব থাকাও সম্ভব।  এলিয়েনদের সঙ্গে কেন মোকাবিলা করতে হবে পৃথিবীবাসীর স্কটল্যান্ডের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ ইউনিভার্সিটির একটি দল পরিকল্পনা করতে চায় যে, এলিয়েনরা পৃথিবীতে এলে কীভাবে তাদের মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিয়ে তাঁরা শক্তিশালী প্রোটোকল এবং চুক্তিগুলিকে একত্রিত করতে চান। পাশাপাশি এলিয়েন সভ্যতার কোনও প্রমাণের মূল্যায়নও করা হবে।প্রাথমিক কাজটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নতুন গবেষণা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।যা অন্যান্য গ্রহে এলিয়েনদের অনুসন্ধানে নিবেদিত বা SETI। এই SETI পোস্ট-ডিটেকশন হাবের কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং সমন্বয়কারী ডঃ জন এলিয়ট বলেছেন।  সায়েন্স ফিকশন ফিল্মগুলি এলিয়েন জীবন এবং তাদের প্রভাবের অনুসন্ধানে পূর্ণ। কিন্তু তাদের মানবিক প্রভাব সম্পর্...

সত্যিই কি এলিয়েন আছে? আকাশে দৃশ্যমান UFO রহস্যভেদ নতুন দল গঠন নাসার

ছবি
বার বার দেখা যাচ্ছে UFO। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নাসা এখন একটি ১৬ সদস্যের দল তৈরি করেছে। যারা এই কয়েক দশকের এলিয়েন বা ইউএফও সংক্রান্ত পুরনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করবে। এই দলটি প্রায় নয় মাস ধরে গবেষণা করবে যা শুরু হবে চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই। কেন বার বার দেখা যাচ্ছে UFO অজানা উড়ন্ত বস্তু ইউএফও মানবজাতির কাছে সবসময়ই রহস্যের বিষয়। যে রহস্যের সমাধান আজও অধরা রয়ে গিয়েছে। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে বিভিন্ন আকার আকৃতির বস্তু দেখার রিপোর্ট আসতে থাকে আমাদের কাছে। যেগুলিকে এলিয়েন বা কখনও ইউএফও বলে দাবি করা হয়। কিন্তু কোথা থেকে তারা আসে আর কোথায়ই বা তারা যায়।তাদের উৎস সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর আজও আমাদের কাছে অজানা। আরও পড়ুন:  মহাকাশে দুই গ্যালাক্সি যুদ্ধ, বিরল সেই ছবি তুলে দেখাল নাসার টেলিস্কোপ গবেষণা দলটি বলছেন যে,  সিভিল স্পেস প্রোগ্রাম অ্যারোনটিক্স রিসার্চ এবং স্পেস রিসার্চের জন্য দায়ী আমেরিকার স্বাধীন সংস্থা নাসা এখন একটি ১৬ সদস্যের দল তৈরি করেছে। যারা এই কয়েক দশকের এলিয়েন বা ইউএফও সংক্রান্ত পুরনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করবে। এই গবেষণা দলটি ...

ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারের পা ধরে রেখেছে নাকি এলিয়েন! এমনি তথ্য মঙ্গল গ্রহ নিয়ে

ছবি
নাসার  ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নাসার প্রকৌশলীরা যখন এই ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারটি উড়িয়েছিল তখন সেই সময় তাঁরা এর পায়ের সঙ্গে একটি রহস্যময় বস্তুকে ঝুলতে দেখেছিলেন। জিনিসটি অনেকটাই সুতোর মতো দেখাচ্ছিল। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ওই বস্তুটিকে এলিয়েন আখ্যা দিয়েছেন। নাসার হেলিকপ্টারের পা ধরে রেখেছে এলিয়েন প্রাণের সন্ধানে মঙ্গলে গিয়েছে নাসার পার্সিভারেন্স রোভার এবং ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার জেজ়োরে ক্রেটার। এর মধ্যেই ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারকে ঘিরে একটি চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ্যে এসেছে। গত সেপ্টেম্বরে নাসার বিজ্ঞানীরা এই ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারকে। সেটি হল ইনজেনুইটির ৩৩ তম ফ্লাইট। আর ঠিক এই সময়েই নাসার ইঞ্জিনিয়াররা রহস্যমস একটি জিনিস দেখতে পান। এ প্রসঙ্গে একটা বিষয় জেনে রাখা ভাল যে, মঙ্গল গ্রহে অবতরণের জন্য এই ছোট হেলিকপ্টারটির ৪টি পা রয়েছে। তাঁরা এর পায়ের সঙ্গে একটি রহস্যময় বস্তুকে ঝুলতে দেখেছিলেন। জিনিসটি অনেকটাই সুতোর মতো দেখাচ্ছিল। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ওই বস্তুটিকে এলিয়েন আখ্যা দিয়েছেন।একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন যে, এলিয়েন তার পায়ের নীচে একটি সুতো বেঁধে রেখে ও...

এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ করল জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা! ১৮০০ রেডিও সিগন্যাল পেল র্বিজ্ঞানীরা

ছবি
এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশ থেকে রেডিও সিগন্যাল পাচ্ছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এক আধবার নয় ১৮৬৩টি সিগন্যাল পেয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। তবে কি এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে ফেললেন বিজ্ঞানীরা! অনেক বছর ধরে তারা গবেষণা করে আসছে। ভিনগ্রহীদের নিয়ে যে আগ্রহ তাঁদেরকে পৃথিবীতে আনতে গবেষণার মধ্যেই চাঞ্চল্যকর তথ্য এবার বিজ্ঞানীদের হাতে। রেডিও সিগন্যাল  ভিনগ্রহ  থেকে কিভাবে  আসছে এলিয়েনদের নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই পৃথিবীবাসীর। ভিনগ্রহীদের খোঁজে পৃথিবীর মহাকাশ বিজ্ঞানীরা কি না করেছেন। সমস্তরকম প্রচেষ্টা তাঁরা করে যাচ্ছেন এখনও। তার মধ্যেই খবর এলিয়েন দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা গিয়েছে।মহাকাশের এক কোণ থেকে  পৃথিবীতে বসে  এমন কিছু রেডিও সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছে যা থেকে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এ সংকেত  এলিয়েনদের । এলিয়েনদের নতুন ধরনের রেডিও সংকেতে  একেবারে নতুন ধরনের রেডিও সংকেত পেয়ে ভিনগ্রহীদের নিয়ে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। এই সংকেতগুলি রেকর্ড করা হয়েছে। এই সংকেতগুলি ফাস্ট রেডিও বার্স্ট থেকে আলাদা। যেখান থেকে এই সংকেত আসছে সেখানে রেডি...

নতুন এলিয়েন বিশ্বের সন্ধান পেল নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আকর্ষণীয় একটি এলিয়েন বিশ্বকে উন্মোচিত করেছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। সে এমনই এক এলিয়েন দুনিয়া, যা শস্যের ঝাঁকে আবৃত এবং বালিকে প্রতিফলিত করে। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের MIRI এবং NIRSpec সেন্সরগুলি এই এলিয়েন দুনিয়াটি আবিষ্কার করেছে।  এলিয়েন দুনিয়া অদ্ভুত বালির মেঘ দ্বারা আবৃত  সাম্প্রতিকতম একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে যে, এই ধরনের এক্সোপ্ল্যানেটের সন্ধান প্রথমবার মিলল। বিজ্ঞানীরা একটি বাদামী বামনের চারপাশে সিলিকেট সমৃদ্ধ মেঘের ইঙ্গিত খুঁজে পেয়েছেন যা বৃহস্পতির তুলনায় প্রায় ২০ গুণ বড়। VHS 1256 b হল কর্ভাস নক্ষত্রমণ্ডলের একটি বাদামী বামন যা পৃথিবী থেকে ৭২ আলোকবর্ষ দূরে এবং দুটি ক্ষুদ্র লাল বামন নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে। যা সত্যিই চাঞ্চল্য ফেলে দেওয়ার মতো একটি বিষয়। ২০১৬ সালে প্রথমবার এই অদ্ভুত এক্সোপ্ল্যানেটটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল এবং এর লালচে বর্ণের কারণে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা রীতিমতো বিস্মিত হয়েছিলেন। তাঁরা ভেবেছিলেন যে, কোনও ধরনের বায়ুমণ্ডল এই চকচকে লাল বর্ণের জন্য দায়ী হতে পারে। space.com এর রিপোর্ট অনুযায়ী জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কো...

পৃথিবীতে ৪৫ বছর আগে সংকেত পাঠিয়েছিল এলিয়েনরা! রহস্যজনক তথ্য এল সামনে

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আজ থেকে প্রায় অর্ধশতক আগে অর্থাৎ ১৯৭৭ সালের ১৫ আগস্ট মহাজাগতিক বিশ্ব থেকে একটি এলিয়েন বার্তা এসে পৌঁছায় পৃথিবীতে। ঘটনা জুড়ে বেশ হইচই পড়ে যায় সেই সময়। পরবর্তীকালে অবশ্য জানা গিয়েছিল, ওই বার্তাটি মাত্র ৭২ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল। তবে এই বার্তা ধরা পড়ে বিগ ইয়ার রেডিও টেলিস্কোপে। আর বার্তা পাওয়ার পরই একদম হুলস্থূল কান্ড ঘটে যায় বিজ্ঞানীমহলে। এরপর সারা পৃথিবীর সমস্ত বিজ্ঞানী সেই বার্তার উৎস স্থলের সন্ধানে আগ্রহী হয়ে পড়েন। ৪৫ বছর আগে পৃথিবীতে সংকেত এরপর কেটে গিয়েছে ৪৫ টা বছর। দীর্ঘ এই সময়ে মহাজাগতিক বার্তার ওপর গভীর গবেষণা চলে সারা পৃথিবী জুড়ে। তবে এতদিনে নাকি তারা জানতে পেরেছেন সেই বার্তার উৎসস্থল। এমনকি ওই বার্তাকে চিহ্নিতও করেছেন তারা! অদ্ভুত সেই সিগন্যালকে “Wow” হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তারা। এমনকি ওই বার্তাটির ফ্রিকোয়েন্সিও খুঁজে বের করতে পেরেছেন বলে খবর। বিজ্ঞানী মহলের অবশ্য দাবি করেন যে, এই সৌরজগতের থেকে নয় এই বার্তার আগমন ঘটেছে দূরের কোনো নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে। এছাড়া এই সংক্রান্ত গবেষণাও শুরু হয়ে যায় পুরোদমে।  জা...

এলিয়েনদের হামলার ভয় পাচ্ছেন বিজ্ঞানীদের একাংশ

ছবি
এলিয়েনদের হামলার ভয় পাচ্ছে ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সৌরজগতের চৌহদ্দির বাইরে অন্য সভ্যতার খোঁজ করতে উঠে পড়ে লেগেছে নাসা। কিন্তু বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা যে, নাসার এই অতি কৌতূহল পৃথিবীর জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। বহির্বিশ্বে সাংকেতিক আমন্ত্রণবার্তা ভিনগ্রহীদের সন্ধানে বহির্বিশ্বে সাংকেতিক আমন্ত্রণবার্তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নাসা। খুব শীঘ্রই সেই বার্তা পৌঁছে যাবে ছায়াপথের বিশেষ বিশেষ অংশে। ভিনগ্রহী বিষয়ক গবেষকদের একাংশের দৃঢ় ধারণা। নাসার এই সাহসী পদক্ষেপ পৃথিবীকে বড় ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিতেও পারে। এলিয়েনদের যেভাবে বার্তা পাঠানো হবে বহির্বিশ্ব অর্থাৎ সৌরজগতের বাইরের ছায়াপথে যে আরও নক্ষত্রমণ্ডল রয়েছে এবং সেই সব অন্য নক্ষত্রের অন্য কোনও গ্রহে যে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণী থাকতে পারে। তা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। সন্দেহ নিরসনে এ বার তাঁরা ঠিক করেছেন। বহির্বিশ্বে পৃথিবীর তরফে একটি সাংকেতিক বার্তা পাঠানো হবে। যাতে পৃথিবীর ঠিকানার পাশাপাশি জানানো থাকবে পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও। থাকবে মহিলা এবং পুরুষের ছবিও সৌরজগতের...

মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনের পা! নাসার ছবি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

ছবি
মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনের পায়ের ছাপ ছবি। মঙ্গলে ভিনগ্রহের প্রাণীর পায়ের ছাপ  ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মঙ্গলে ভিনগ্রহের প্রাণীর পায়ের ছাপ সেই ছবিই তুলেছে নাসা । সম্প্রতি লাল গ্রহের ভূপৃষ্ঠের একটি ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। সেই ছবি দেখেই এলিয়েন নিয়ে কৌতূহলি নেটিজেন এমন প্রশ্ন তুলল। পাশাপাশি ছবি দেখে মুগ্ধ তারা। ফলে ইতিমধ্যে ওই ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।কিন্তু হঠাৎ মঙ্গলের ছবি দেখে এলিয়েনের কথা মনে পড়ল কেন ! কারণ আছে। বিখ্যাত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা যে ছবি প্রকাশ্যে এনেছে, মার্স রিকনেসান্স অরবিটার থেকে তোলা সেই হাই রিজলিউশন ছবির বৈশিষ্টই আসল কারণ। ছবিটি আসলে ভিন গ্রহের ভূপৃষ্ঠের একটি গোলাকার গর্ত। গোল অবশ্য খানিক বাঁকাচোরা। তারচেয়ে বড় কথা যে, বড় গর্তের ভিতর অসংখ্য পায়ের আঙুলের মতো রেখা রয়েছে। সেই হলুদাভ দাগের সঙ্গে মানুষের পায়ের আঙুলের কোনও মিল নেই। কারণ তা ভিষণই এলোমেলো। এই ছবি নিয়েই শোরগোল পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে । আরও পড়ুন:  পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে বেহেমথ ধূমকেতু, ঘণ্টায় ৩৫ হাজার কিমি বেগে নাসা ...

এলিয়ানের সঙ্গে সঙ্গম, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা! দাবি করল মার্কিন এক মহিলা

ছবি
অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ভিনগ্রহে কি প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর সেই কবে থেকে খুঁজে চলেছে মানুষ। আজও নিশ্চিত কোনও উত্তর মেলেনি। এর মধ্যেই এক আজব দাবি করতে দেখা গেল এক মার্কিন  মহিলাকে। তাঁর দাবি যে, ভিনগ্রহের এক প্রাণীর এলিয়ানের সঙ্গে তিনি নাকি যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিলেন। আর তারই ফলশ্রুতি অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পড়েছিলেন তিনি। আমেরিকার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের এক রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই আজব এক ঘটনার কথা। ভিনগ্রহীর সঙ্গে সঙ্গম, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ওই রিপোর্টে প্যারানর্মাল তথা অনুযাই অতীন্দ্রিয় অভিজ্ঞতার শরিক হওয়ার দাবি করা নানা ব্যক্তির কথা রয়েছে। সেখানেই জায়গা পেয়েছে ওই মহিলার দাবিও। এই ধরনের অভিজ্ঞতা যাঁদের হয়েছে তাঁদের স্বাস্থ্যের উপর কী প্রভাব পড়েছে সেটা নিয়েই আলোচনা রয়েছে ওই রিপোর্টে। আসলে এই রিপোর্ট হল ইউএফও সংক্রান্ত দেড় হাজার পাতার একটি নথির অংশ। ওই রিপোর্টে রয়েছে ৪২টি মেডিক্যাল ফাইল। পাশাপাশি ভিনগ্রহীদের সঙ্গে মোলাকাতের ৩০০টি অপ্রকাশিত ঘটনাও রয়েছে। আরও পড়ুন:  রহস্যময় দুটি গ্রহ, বৃষ্টি হলে জল নয় বদলে রয়েছে পাথর কয়েক...

এলিয়েনদের খুঁজতে মানুষের নগ্ন ছবি মহাকাশে পাঠাবে নাসা!

ছবি
এলিয়েনদের খুঁজতে মানুষের নগ্ন প্রতীক ছবি। এলিয়েনদের খোঁজ করেছেন বিজ্ঞানীরা বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে, এলিয়েন অর্থাৎ ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের আকর্ষণ করতে এবার নাকি মহাকাশে মানুষের নগ্ন ছবি পাঠাবে নাসা। মার্কিন স্পেস এজেন্সির এই অদ্ভুত কর্মকাণ্ডের সম্পর্কে সদ্যই জানা গিয়েছে। এলিয়েন বা ভিনগ্রহীদের নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতূহল বরাবরই তুঙ্গে। এই এলিয়েনদের নিয়ে সিনেমাও তৈরি হয়েছে বেশ কিছু। ভিনগ্রহে আদৌ কারও বাস রয়েছে কিনা তা জানতে অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। আর সেই গবেষণা  পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্যই এবার মহাকাশে মানুষদের নগ্ন চিত্র পাঠাতে চলেছেন নাসার বৈজ্ঞানিকরা। এই ছবির মাধ্যমে ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের আকর্ষণ করাই হল মূল লক্ষ্য। প্রায় ১৫০ বছর ধরে এলিয়েনদের খোঁজ করেছেন বিজ্ঞানীরা। এখনও সাফল্য আসেননি। তাই এবার কিছুটা নতুন পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা হয়তো আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথেই রয়েছে বুদ্ধিমান এলিয়েনরা। আর তাদের আকৃষ্ট করতেই মানুষের নগ্ন ছবি পাঠানো হবে মহাকাশে। ভিনগ্রহের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই যে, আকাশগঙ্গা ছায়াপথে থাকা ভিনগ্রহের জীবদের সঙ্গে অনেক...