পোস্টগুলি

ডাইনোসর লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন ও কত বড়? সে ডিমে নাকি জল ঢুকত না, জানি তার আসল ইতিহাস

ছবি
ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন ও কত বড় তার প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  দৈত্যাকার ডাইনোসরদের জীবাশ্ম বা ফসিলস পাওয়া গেলেই নতুন করে গবেষণা শুরু করেন তাঁরা।মধ্যপ্রদেশে বাঘ ধার গ্রামে বাঘনী নদীর তীরে তিনটি জায়গা থেকে ডাইনোসরের ডিমের ২৫টি ফসিল বা জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। ডাইনোসরের ডিম কত বড় ছিল বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, ডাইনোসরের ডিমের এই জীবাশ্ম প্রায় ৬৫০ কোটি বছরের পুরনো। আপাতত এই জীবাশ্মগুলি লখনউ এবং চণ্ডীগড়ের গবেষণা কেন্দ্রে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর আগেও ডাইনোসরের ডিমের জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। তাই এই বাগানে ডাইনোসর ফসিল পার্ক তৈরি করেছে বন বিভাগ। বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন যে, এগুলি মাংসাশী ডাইনোসরের ডিম হতে পারে।  কিন্তু আপনি কি জানেন ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন এবং সেগুলো ঠিক কত বড়? কোথায়ই বা প্রথম ডাইনোসরের ডিম খুঁজে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা? ডাইনোসরের ডিম অনেক আকারের হয় ১ ইঞ্চি থেকে ৮ ইঞ্চি চওড়া এবং দৈর্ঘ্যে ২ ফুট পর্যন্ত। ১৮৫৯ সালে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো ডাইনোসরের ডিম আবিষ্কার করেছিলেন। বিজ্ঞানীদের মতে, ডাইনোসররা প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে ছিল। এই সময়ে তাদের আকারে ...

পর্তুগালে পৃথিবীর সবথেকে বড় ডাইনোসর কঙ্কালের অবশেষ মিলল

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এখনও পর্যন্ত সবথেকে বড় ডাইনোসরের জীবাশ্ম কঙ্কাল আবিষ্কার করলেন পর্তুগালের জীবাশ্মবিদরা। দেহাবশেষগুলিকে একটি সৌরোপড বলে মনে করা হচ্ছে। একটি তৃণভোজী ডাইনোসর যা ১২ মিটার বা 39 ফুট লম্বা এবং ২৫ মিটার দীর্ঘ। প্রায় ১৫০ মিলিয়ন বছর আগে এরা পৃথিবীতে বিচরণ করত। পর্তুগালে কিভাবে পাওয়া গেল বিশ্বের সবথেকে বড় ডাইনোসর লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ফ্যাকাল্টি এবং জীবাশ্মবিদ এলিজ়াবেত মালাফাইয়া সোমবার সংবাদমাধ্যম এএফপিকে বলেছেনন যে, এটি ইউরোপে সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বড় নমুনাগুলির মধ্যে একটি। চলতি বছরের অগস্টের শুরুতে মধ্য পর্তুগালের পম্বলের বাড়ির কাছে একটি বাগান থেকে পর্তুগিজ এবং স্প্যানিশ বিজ্ঞানীরা বিশালাকার ডাইনোসরের হাড়গুলি খুঁজে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। আরও পড়ুন:  বিড়ালের মত ডাইনোসরের কঙ্কাল পেল, আর্জেন্টিনার বিজ্ঞানীরা সংগ্রহ করা হাড়গুলির মধ্যে জীবাশ্মবিদরা প্রায় তিন মিটার লম্বা একটি পাঁজরের অবশিষ্টাংশ খুঁজে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন মালাফাইয়া। তবে এই প্রথম নয়, এর আগে ২০১৭ সালে এই একই স্থানে জীবাশ্মের টুকরো প্রথম বার নজরে আসে...