পোস্টগুলি

প্রাণী ও উদ্ভিদ বিলুপ্তি লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পৃথিবীর বুকে ফিরবে আবার হারিয়ে যাওয়া ডোডোপাখি ও লোমশ ম্যামথেরও!

ছবি
হারিয়ে যাওয়া ডোডোপাখি ও লোমশ ম্যামথেরও ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  একটা সময় পৃথিবীতে দাপিয়ে বেড়াত লোমশ ম্যামথরা! অতিকায় চেহারার এই প্রাণীরা আজকের হাতির চেয়ে আকারে অনেক বড়। যাদের দেখা মেলে কেবল ইতিহাস বইয়েই। কিংবা ডোডোপাখি! প্রায় চারশো বছর আগে অবলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল তারা। আবার তাসমানিয়ান টাইগারের মতো প্রাণীরাও এই গ্রহের বুক থেকে হারিয়ে গিয়েছে চিরতরে। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া এই সব জীবরা কি ফের ফিরে আসবে পৃথিবীতে? কোনও কল্পবিজ্ঞান কাহিনি নয়, এমন সম্ভাবনাই সত্যি হতে পারে। তেমনই আশা দিচ্ছে এক কলোসেল বায়োসায়েন্স নামের এক মার্কিন সংস্থা। ২০২১ সালে ডালাসে স্থাপিত হয়েছিল এই সংস্থা। যাদের লক্ষ্যই হল হারিয়ে যাওয়া পশুপাখিদের ফের এই পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা। এমনকী প্রাগৈতিহাসিক জীবদেরও। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাহায্যেই তা সম্ভব বলে দাবি তাদের। তবে সংস্থার গবেষকদের দাবি যে, যারা অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে তাদের পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা যে সম্ভব হবেই তা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও চেষ্টা শুরু হয়েছে। জানা যাচ্ছে যে, বিলুপ্ত জীবদের জীবাশ্মে যে ডিএনএ পাওয়া যায় তা সংগ্রহ করাই প্রাথমিক লক্ষ্য। যেমন ম্যামথের ক্ষেত্রে তাদ...

একমাত্র পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব আছে কেন?

ছবি
প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবী হচ্ছে সৌরজগতের একমাত্র অনন্য গ্রহ, যেখানে জীবন তার সকল রূপেই বিদ্যমান। জীবাণু থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক বুদ্ধিসম্পন্ন প্রাণী মানুষ সহ প্রাণের সকল অস্তিত্বই এখানে বিদ্যমান। পৃথিবীতে প্রাণের সাবলীল অস্তিত্বের অনেক কারণ রয়েছে। যে ৫ কারণে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব প্রাণ বলতে আমরা যা বুঝি অর্থাৎ হাইড্রোজেন ও কার্বনের মিশ্রণে তৈরি জৈবযৌগ এর জন্য সবচেয়ে অনুকূল পরিবেশ এই পৃথিবীতেই রয়েছে। এর অবস্থান সূর্য থেকে এমন দূরত্বে যেখানে খুব গরম বা ঠাণ্ডা নে ই।  সবচেয়ে বড়ো কথা হল তরল পানি রয়েছে, আমাদের শ্বসনের জন্য অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে, বায়ুমণ্ডল রয়েছে, চৌম্বকক্ষেত্র রয়েছে যা সূর্যের বিকিরণ থেকে আমাদের রক্ষা করে। যথেষ্ট স্থলভাগ রয়েছে এবং সেখানে আমরা খাবার ফলাতে পারি।  এদিকে অন্যান্য গ্রহগুলোর অবস্থা আমাদের জন্য চরম। বুধ, শুক্র অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং এর বাতাস শ্বাসের উপযোগী নয় মঙ্গল তুলনামূলক আমাদের পৃথিবীর মতোই প্রায় তবে এর বায়ুমণ্ডল অনেক পাতলা এবং অক্সিজেন এর মাত্রা অতি নগণ্য। এরপরের গ্রহগুলো বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন গ্যাসীয়...

ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন ও কত বড়? সে ডিমে নাকি জল ঢুকত না, জানি তার আসল ইতিহাস

ছবি
ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন ও কত বড় তার প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  দৈত্যাকার ডাইনোসরদের জীবাশ্ম বা ফসিলস পাওয়া গেলেই নতুন করে গবেষণা শুরু করেন তাঁরা।মধ্যপ্রদেশে বাঘ ধার গ্রামে বাঘনী নদীর তীরে তিনটি জায়গা থেকে ডাইনোসরের ডিমের ২৫টি ফসিল বা জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। ডাইনোসরের ডিম কত বড় ছিল বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, ডাইনোসরের ডিমের এই জীবাশ্ম প্রায় ৬৫০ কোটি বছরের পুরনো। আপাতত এই জীবাশ্মগুলি লখনউ এবং চণ্ডীগড়ের গবেষণা কেন্দ্রে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর আগেও ডাইনোসরের ডিমের জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। তাই এই বাগানে ডাইনোসর ফসিল পার্ক তৈরি করেছে বন বিভাগ। বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন যে, এগুলি মাংসাশী ডাইনোসরের ডিম হতে পারে।  কিন্তু আপনি কি জানেন ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন এবং সেগুলো ঠিক কত বড়? কোথায়ই বা প্রথম ডাইনোসরের ডিম খুঁজে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা? ডাইনোসরের ডিম অনেক আকারের হয় ১ ইঞ্চি থেকে ৮ ইঞ্চি চওড়া এবং দৈর্ঘ্যে ২ ফুট পর্যন্ত। ১৮৫৯ সালে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো ডাইনোসরের ডিম আবিষ্কার করেছিলেন। বিজ্ঞানীদের মতে, ডাইনোসররা প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে ছিল। এই সময়ে তাদের আকারে ...

পৃথিবী কেন ধ্বংস হবে?

ছবি
পৃথিবী ধ্বংসে প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিজ্ঞানীদের দাবি পৃথিবীতে প্রথম প্রলয় আসে ৪৪৩ মিলিয়ন বছর আগে। এর নাম দেওয়া হয় এন্ড অর্ডোভিসিয়ান। এই সময় পৃথিবীর সমস্ত জল বরফে পরিণত হতে থাকে।সাগরে বসবাসকারী প্রাণীরা মারা যেতে থাকে। এই সময় প্রায় ৮৬টি প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যায়। ২০১৭ সালের বর্তমান জীববিজ্ঞান জার্নালে বিশদভাবে এই প্রলয়ের ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পৃথিবী ধ্বংস হবে দ্বিতীয় প্রলয় হয় প্রায় ৩৫৯ থেকে ৩৮০ মিলিয়ন বছর আগে। একে বলা হয় এন্ড ডেভোনিয়ান। আগ্নেয়গিরির আকস্মিক সক্রিয়তার কারণে এই প্রলয় আসে। অক্সিজেনের মাত্রা কমতে শুরু করে। তখন উপস্থিত প্রায় ৭৫ শতাংশেরও বেশি প্রজাতি বিলুপ্ত হয়। অনেক মাছ ধ্বংস হয়ে যায়। মজার বিষয় হল যে, ছোটো প্রজাতির প্রাণীরা বেঁচে ছিল। সেখান থেকেই উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিভাজন শুরু হয়।  এবার ষষ্ঠবারে প্রলয় আসার পালা। এই নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন। কীভাবে আসলে সেই প্রলয় বা ধ্বংসলীলা কেন এবং কখন?এই প্রসঙ্গে নয়ের দশকে বিখ্যাত জীবাশ্মবিদ রিচার্ড লিকি সতর্ক করেছিলেন যে, ষষ্ঠ বিলুপ্তির জন্য মানুষই দায়ি হবে। কারণ হি...

পৃথিবীকে কিভাবে বদলে দিচ্ছে মনুষ্য যুগ?

ছবি
প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মনুষ্যযুগ বা অ্যান্থ্রোপসিন। মধ্য বিংশ শতকেই পৃথিবী পা রেখেছে এই যুগে। এই গ্রহ জুড়ে রাজত্ব করছে মানুষ। এমনই দাবি করছেন একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের ব্যাখ্যা এই যে, পৃথিবীর প্রায় এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে মানুষের পা পড়েনি। বায়ুমণ্ডলে শ্বাসরুদ্ধ করা গ্রিনহাউস গ্যাস, মাইক্রোপ্লাস্টিকের বাড়বাড়ন্ত, ক্ষতিকর রাসায়নিক, পুরনো মোবাইল ফোন থেকে মুরগির হাড সবেতেই মানুষের কর্তৃত্ব ও তার জেরে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ স্পষ্ট।  মানুষেই পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যা প্রমাণ করে দেয় যে অ্যান্থ্রোপসিন শুরু হয়ে গিয়েছে।২০০৯ সাল থেকে একদল বিজ্ঞানী অ্যান্থ্রোপসিন সংক্রান্ত গবেষণা করে চলেছেন। আগামিকাল তাঁদের সর্বশেষ রিপোর্টটি প্রকাশিত হতে চলেছে। খাতায়কলমে বর্তমানে হলোসিন অধ্যায় চলছে। এই যুগ শুরু হয়েছিল ১১,৭০০ বছর আগে। শেষ গ্লেসিয়াল পিরিয়ড-এর পরে। কিন্তু এই মুহূর্তে বিজ্ঞানীদের দাবি যে, মানুষের কার্যকলাপের প্রভাবে হলোসিন শেষ হয়ে মধ্য বিংশ শতকেই অ্যান্থ্রোপসিন শুরু হয়ে গিয়েছে। এ নিয়ে দীর্ঘ বিতর্কও রয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, জাপানের বেপু বেতে সমুদ্রের নী...

উল্টো দিকে ঘুরবে এবার পৃথিবী? কী প্রভাব পড়বে জীবজগতে, জানালেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীতে এমন অনেক রহস্য লুকিয়ে রয়েছে যার উত্তর এখনও বিজ্ঞানীরা খুঁজছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, পৃথিবীর ভেতরের অংশ গরম ও কঠিন লোহা দিয়ে তৈরি। এর ফলে পৃথিবীতে চৌম্বক ক্ষেত্র এবং মহাকর্ষ বল তৈরি হয়। পৃথিবীর কেন্দ্রে ঘূর্ণনের কারণে এটি ঘটে। তবে পৃথিবীর ঘূর্ণন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে বা বিপরীত দিকে ঘুরতে শুরু করলে কী হবে আমাদের? কী হবে যদি পৃথিবী উল্টো দিকে ঘোরে  পৃথিবীতে কি প্রবল ভূমিকম্প হবে, এর মহাকর্ষ বল কি শেষ হয়ে যাবে,এর চৌম্বক ক্ষেত্রের উপর কি প্রভাব পড়বে এসবেরই উত্তর খুঁজেছেন বিজ্ঞানীরা। নেচার জিওসায়েন্সের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, প্রায় ৭০ বছর পর পর পৃথিবীর কেন্দ্রে ঘূর্ণনের দিক পরিবর্তন হয়। তবে এখন বিশ্বাস করা হচ্ছে যে এই পরিবর্তনটি ১৭ বছরে ঘটবে এবং পৃথিবীর কেন্দ্র বিপরীত দিকে ঘুরতে শুরু করবে। বিজ্ঞানীদের একটি দল দাবি করেছে যে, পৃথিবী তার ঘূর্ণনের দিক পরিবর্তন করতে পারে। ২০০৯ সালে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কোরের ঘূর্ণন থেমে যায়। তারপর তা আশ্চর্যজনকভাবে বিপরীত দিকে ঘুরে যায়। ১৪ বছর পর আবারও সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়...

সমুদ্র সৈকতে ভেসে এল সবুজ এলিয়েন, আসলে কি এলিয়েন না অন্য কিছু?

ছবি
স্কটল্যান্ডের পাওয়া গেল সবুজ এলিয়েন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  অদ্ভুত রং তার দেখতেও বড় উদ্ভট। ফ্লুরোসেন্ট সবুজ রঙের এক বস্তু উদ্ধার হয়েছে স্কটল্যান্ডের একটি সমুদ্রতট থেকে। যিনি এই প্রাণীটিকে প্রথম লক্ষ্য করেন তিনি ভেবেছিলেন এটি একটি ভিনগ্রহী। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩৩ বছরের মাইক আরনট গত সোমবার এডিনবার্গের পোর্টোবেলো সমুদ্র সৈকতে হাঁটার সময় প্রাণীটিকে একবার দেখা মাত্রই হোঁচট খান।  সবুজ এলিয়েন কোথায় দেখা গেল   প্রথমে তিনি এই প্রাণীটিকে শ্যাওলা আচ্ছাদিত পাইনকোন ভেবেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি খেয়াল করেন যে, প্রাণীটি জীবিত।অবাক প্রাণীটি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের কাছে মিস্টার আরনট বলেছেন যে, আমি অদ্ভুত সূঁচ দিয়ে সজ্জিত এই ফ্লুরোসেন্ট সবুজ জিনিসটি দেখতে পেয়েছিলাম। এটি যে আসলে কী সে সম্পর্কে আমার কোনও ধারণা ছিল না। অবাক বস্তুটির উজ্জ্বল সবুজ এবং সোনালি রং আমাকে আকৃষ্ট করেছিল।  আমি বস্তুটিকে উল্টে দেখলাম এর অনেকগুলি ছোট পা রয়েছে। এরকম প্রাণী আমি আগে কখনও দেখিনি। আমার মনে হয়েছিল এটি ভিনগ্রহী হতে পারে। আবার এই ভাবনারও উদয় হয়েছিল যে, গভীর সমুদ্রের কোন...

বিশ্বের সবথেকে বড় বরফ গলতে-গলতে বিলুপ্তির পথে, ছবি প্রকাশ করল নাসা

ছবি
বিশ্বের সবথেকে বড় বরফ খন্ড, নাসার তরফে শেয়ার করা সেই ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীর বৃহত্তম বরফের গলন শুরু হতে হতে তা এক্কেবারে শে পর্যায়ে এসে পৌঁছে গিয়েছে। সেই বিশালাকার বরফের বিলুপ্তির দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়ার একটি স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা।  বিশ্বের সবথেকে বড় বরফ  খন্ড আন্টার্কটিকার A-76A হল শেষ অবশিষ্ট অংশ। যা একসময় বৃহত্তম বরফের টুকরোগুলির মধ্যে একটি ছিল। শীঘ্রই এটি শেষ হতে চলেছে বলে নাসার তরফে জানানো হয়েছে। আমেরিকার ন্যাশনাল আইস সেন্টারের তরফে বলা হয়েছে যে, এই আইসবার্গটি ১৩৫ কিমি লম্বা এবং ২৬ কিমি চওড়া। এটি লন্ডনের মোট আয়তনের প্রায় দ্বিগুণ।বিরাট ওই বরফ চাঁই রোড আইল্যান্ডের আকারের পর্বত A-76 এর বৃহত্তম অংশ। আগে এটিকে সবচেয়ে বড় আইসবার্গ বলে মনে করা হতো। ২০২১ সালের মে মাসে এই অংশটি অ্যান্টার্কটিকার রনে আইস শেল্ফের পশ্চিম ভাগ থেকে ভেঙে যায়।  এরপর সেটি তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলি ছিল 76A, 76B এবং 76C। আইসবার্গ নম্বর 76A এই খণ্ডগুলির মধ্যে বৃহত্তম। এই বিশাল বরফের টুকরোটি গত এক বছর ধরে আন্টার্কটিকার কাছে ধীরে ধীরে ভাসছিল ব...

গোল্ডেন পয়জ়ন ফ্রগ ব্যাঙ ১০ জন মানুষকে মুহুতে শেষ করে দিতে পারে, দাবি গবেষকদের

ছবি
গোল্ডেন পয়জ়ন ফ্রগ ব্যাঙ ছবি ১। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত প্রাণীর বসবাস এই পৃথিবীতে। বিষধর সাপের কথা আমরা শুনেছি  দেখেওছি।আপনারা কি বিষাক্ত ব্যাঙের কথা কখনও শুনেছেন? হ্যাঁ পৃথিবীতে এমনই এক প্রজাতির ব্যাঙ রয়েছে যা দেখতে খুব সুন্দর হলেও, সেই সৌন্দর্যই ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করতে পারে যে কোনও সময়।  বিশ্বের সবচেয়ে বিষাক্ত ব্যাঙ কোনটি? এই ব্যাঙগুলিকে বলা হয় গোল্ডেন পয়জ়ন ফ্রগ। সাধারণত এরা দুই ইঞ্চির বা তার থেকে সামান্য কিছুটা বড় বা ছোট হয়। কিন্তু মারাত্মক দিকটি হল,তাদের মধ্যে দশটি বড় মানুষকে মেরে ফেলার মতো যথেষ্ট বিষ রয়েছে। কলম্বিয়ার শিকারী মানুষজন বহু শতাব্দী ধরে এই ধরনের ব্যাঙের বিষ ব্যবহার করে শিকার ধরে থাকে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের রিপোর্ট অনুযায়ী এই ব্যাঙগুলি কেন এতটা বিষাক্ত হয় সে বিষয়ে কোনও তথ্য নেই। তবে এদের বিষ মূলত গাছপালা এবং বিষাক্ত পোকামাকড় থেকে আসে বলে মনে করা হয়। তার কারণ হল এই ধরনের জায়গাগুলি থেকে অন্যত্র কোথাও পালিত হয় এমন ব্যাঙগুলির শরীরে বিষ থাকে না। এই ব্যাঙ এতটাই বিষাক্ত যে, এটিকে স্পর্শ করলেই মৃত্যু হতে পারে।  চিকিৎসা গবেষণার...

এলিয়েনদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে এখনই প্রস্তুতি নিন, বিজ্ঞানীরা কড়া সতর্কবার্তা দিল

ছবি
এলিয়েনদের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহে প্রাণের সন্ধানে সদা ব্যস্ত থাকেন বিজ্ঞানীরা। তার প্রয়োজনও আছে। কারণ একদিন পৃথিবী শেষ হয়ে গেলে মানুষ অন্য গ্রহে যাতে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। অনেক বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে, যদি অন্য গ্রহে প্রাণের বিকাশ ঘটতে পারে। তাহলে সেখানে এলিয়েনদের অস্তিত্ব থাকাও সম্ভব।  এলিয়েনদের সঙ্গে কেন মোকাবিলা করতে হবে পৃথিবীবাসীর স্কটল্যান্ডের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ ইউনিভার্সিটির একটি দল পরিকল্পনা করতে চায় যে, এলিয়েনরা পৃথিবীতে এলে কীভাবে তাদের মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিয়ে তাঁরা শক্তিশালী প্রোটোকল এবং চুক্তিগুলিকে একত্রিত করতে চান। পাশাপাশি এলিয়েন সভ্যতার কোনও প্রমাণের মূল্যায়নও করা হবে।প্রাথমিক কাজটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নতুন গবেষণা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।যা অন্যান্য গ্রহে এলিয়েনদের অনুসন্ধানে নিবেদিত বা SETI। এই SETI পোস্ট-ডিটেকশন হাবের কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং সমন্বয়কারী ডঃ জন এলিয়ট বলেছেন।  সায়েন্স ফিকশন ফিল্মগুলি এলিয়েন জীবন এবং তাদের প্রভাবের অনুসন্ধানে পূর্ণ। কিন্তু তাদের মানবিক প্রভাব সম্পর্...

বিড়ালের মত ডাইনোসরের কঙ্কাল পেল, আর্জেন্টিনার বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আর্জেন্তিনায় একটি বিশেষ প্রজাতির ডাইনোসরের সন্ধান মিলেছে । যাদের পিঠে ধারালো বর্ম রয়েছে এবং তারা দু'পায়ে হাঁটে। তাদের আকার কিছুটা বিড়ালের মতো। বিড়ালের আকারের ডাইনোসরের কঙ্কাল উদ্ধার রয়েছে,পিঠে ধারালো বর্ম। ডাইনোসরের উদ্ভব ঘটে কোন মহাকালে ডাইনোসর সম্পর্কে আমরা প্রায় সকলেই অল্প বিস্তর পরিচিত। তাহলে আপনি নিশ্চয়ই স্টেগোসরাসের সঙ্গে পরিচিত। কিন্তু এবার স্টেগোসরাসের মতোই এক অদ্ভুত ধরনের ডাইনোসরের সন্ধান মিলল। দৈত্যাকার এই ডাইনোসরগুলির পিঠে রয়েছে ধারালো অংশ এবং লম্বা সূক্ষ্ম লেজ রয়েছে। সম্প্রতি গবেষকরা আর্জেন্টিনার রিও নিগ্রো প্রদেশের একটি বাঁধের কাছে খনন করে স্টেগোসরাসের পরিবারের একটি ডাইনোসরের আংশিক কঙ্কাল আবিষ্কার করেছিলেন।  জীবাশ্মগুলি পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে, স্টেগোসরাসের মতো এই ডাইনোসরেরও শরীরে ধারালো কাঁটা রয়েছে।পরবর্তীতে এই বিশেষ প্রজাতির ডাইনোসরের নাম রাখা হয় জাকাপিল কানিউকুরা। তবে এরা স্টেগোসরাসের অনেক আগে থেকে বেঁচে ছিল এবং এদের অনেক স্বাতন্ত্র্যসূচক বৈশিষ্ট্য ছিল যা মূল স্টেগোসরাস থেকে বেশ আলাদা। উদাহরণস্বরূপ, জাকাপিল...

মঙ্গল গ্রহেও জন্মাবে গাছ, অন্ধকারে গাছ জম্মিয়ে রেকর্ড গড়লেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  রাতের অন্ধকারে গাছ জন্মানোর অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষের সাহায্যে সূর্যের আলো ছাড়াই গাছের জন্ম দিতে পেরেছেন তারা। যা মঙ্গলেও ফসল ফলানোর ক্ষেত্রে ব্যাপক ভাবে কার্যকরী হতে পারে। কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষেই এবার জন্ম নিল গাছ। সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে গাছপালা বৃদ্ধি করেছেন তাঁরা। আর সেই প্রক্রিয়াই ভবিষ্যতে তাঁদের বড় দিশা দেখাতে চলেছে। এই পদ্ধতি একদিকে পৃথিবীতে গাছ জন্মানোর এক অন্য উপায়ের দিশা যেমন দেখিয়েছে। তেমনই আবার মঙ্গলগ্রহেও কীভাবে ফসল ফলানো যায়, তারও একটা সমাধানসূত্র বের করে দিয়েছে।বিজ্ঞানীদের এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে নেচার ফুড জার্নালে।  সেখানেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, কীভাবে বিজ্ঞানীরা দুই ধাপের রাসায়নিক পদ্ধতির শরণাপন্ন হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড, বিদ্যুৎ এবং জলকে অ্যাসিটেটে রূপান্তর করেছেন। যা ভিনিগারের প্রধান উপাদানের একটি রূপ।কাজটা হয়ে যাওয়ার পরই খাদ্য উৎপাদনকারী জীবগুলি অন্ধকারে বৃদ্ধি পেতে অ্যাসিটেট গ্রহণ করে। ঠিক যেমনটা সৌরশক্তি প্রবেশ করলে হয়।বিজ্ঞ...

পৃথিবীতে শুরু হয়েছে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির পর্ব, হুঁশিয়ারি গবেষণায়

ছবি
গত ৭০০ বছরে পৃথিবীর তাবৎ জীববৈচিত্র্যের অনেক বেশি সংখ্যক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে ছবি । হ্যালো বন্ধুরা  পৃথিবীর চেনা জানা ২০ লক্ষ প্রাণী ও উদ্ভিদের সাড়ে সাত থেকে ১৩ শতাংশই ইতিমধ্যেই গণহারে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে।আর আসছে আসবে নয়। ভয়ঙ্কর সর্বনাশের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে পৃথিবীতে। শুরু হয়ে গিয়েছে প্রাণের গণবিলুপ্তির সময়।সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে ক্রেটাসিয়াস যুগের পর প্রাণের গণহারে বিলুপ্তির ষষ্ঠ পর্যায় শুরু হয়ে গিয়েছে । খুব কম করে হলেও ৭০০ বছর আগে। ১৫০০ শতাব্দী থেকেই। গণবিলুপ্তির পর্ব পৃথিবীর চেনা জানা ২০ লক্ষ প্রাণী ও উদ্ভিদের সাড়ে সাত থেকে ১৩ শতাংশই ইতিমধ্যেই গণহারে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। পৃথিবী থেকে হারিয়ে গিয়েছে চিরতরে। যে ভাবে হারিয়ে গিয়েছে ডাইনোসররা। হারিয়ে গিয়েছে আরও অসংখ্য প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী ও উদ্ভিদ। যে হারে স্তন্যপায়ী পাখি ও উভচররা হারিয়ে যাচ্ছে তাদের চেয়ে অনেক বেশি হারে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে । পৃথিবীর অমেরুদণ্ডী প্রাণী। যারা পৃথিবীর জীববৈচিত্র্যের মোট প্রাণীর ৯৭ শতাংশ। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় এই উদ্বেগজনক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান গবেষণা প...