পোস্টগুলি

মহাকাশ মিশন লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মহাকাশে দূরত্ব মাপার উপায় কী?

ছবি
মহাকাশে দূরত্ব মাপার জন্য বিভিন্ন উপায় এবং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এগুলো নির্ভর করে মাপার প্রয়োজনীয়তা এবং দূরত্বের উপর। নিচে কিছু প্রধান পদ্ধতির বিবরণ দেওয়া হল: ১।প্যারালাক্স পদ্ধতি (Parallax Method)    *ব্যবহার: নিকটবর্তী তারাদের দূরত্ব মাপার জন্য।    *পদ্ধতি :  পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় তারাদের অবস্থানের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে                                    ত্রিকোণমিতির সাহায্যে দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।    **সীমাবদ্ধতা: এই পদ্ধতি শুধুমাত্র কাছাকাছি তারাদের জন্য কার্যকর (প্রায় কয়েক হাজার আলোকবর্ষ                          পর্যন্ত)।  ২।সেফেইড ভেরিয়েবল তারকা (Cepheid Variable Stars)     **ব্যবহার: দূরবর্তী গ্যালাক্সির দূরত্ব মাপার জন্য।     **পদ্ধতি : সেফেইড ভেরিয়েবল তারকাগুলোর উজ্জ্বলতা পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়।এই উজ্জ্বলতার          ...

ইসরোর নতুন চমক ! লাদাখে চালু দেশের প্রথম অ্যানালগ স্পেস মিশন

ছবি
এই নতুন মিশনটি পৃথিবীর বাইরের নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে সাহায্য করবে মহাকাশচারীদের। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ইসরোর মুকুটে নয়া পালক। দেশের প্রথম অ‌্যানালগ স্পেস মিশন লে-লাদাখে চালু করল ইসরো। ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এটি একটি স্মরণীয় এবং তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। যা পরবর্তীতে মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হবে বলেই অভিমত বিজ্ঞানীদের। ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে যে, মহাকাশ অভিযানে যাওয়ার আগে পৃথিবীতেই যাতে মহাকাশের মতো কঠিন তথা প্রতিকূল পরিস্থিতি খুঁজে সেখানে মহাকাশচারীদের থাকার এবং গবেষণা চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে–সে কথা মাথায় রেখেই এই মিশন সাজানো হয়েছে। ভবিষ‌্যতের মহাকাশচারীদের এই নয়া মিশনটি পৃথিবীর বাইরের নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে সাহায্য করবে। ইসরোর হিউম‌্যান স্পেসফ্লাইট সেন্টার ছাড়াও এই অভিযানের উদে‌্যাক্তা তালিকায় রয়েছে এএকেএ স্পেস স্টুডিও, লাদাখ বিশ্ববিদ‌্যালয়, আইআইটি বম্বে। এছাড়াও সহযোগী হিসাবে রয়েছে লাদাখ অটোনোমাস হিল ডেভলপমেন্ট কাউন্সিল।  কিন্তু কেন, দেশের উত্তরতম প্রান্তের লে-লাদাখকেই বেছে নেওয়া হল ইসরোর এই মিশনের জন‌্য? আরও পড়ুন:  মহাজাগত...

মহাকাশে নভোচারী মৃত্যু হলে তাঁর শরীরের কী হয়? আদৌ কি ফেরানো হয়?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে এখনও পর্যন্ত বহু মহাকাশচারী প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু কখনও কি মনে এমন প্রশ্ন এসেছে, চাঁদ, মঙ্গল বা মহাকাশের কোথাও কোনও নভোচারী মারা গেলে তাঁর শরীরের কী হয়? চলুন আজ সেটাই জেনে নেওয়া যাক। মহাকাশে নভোচারী মারা গেলে বডি যেভাবে আনা হয় মানুষকে মহাকাশে পাঠানো কখনওই সহজ কাজ ছিল না। প্রায় ৫০ বছর আগে নাসা চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছিল। তারপরে এখন আবার চাঁদে মানব মিশন পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রমের পর চিন তার মহাকাশচারীদের নিজস্ব নির্মিত মহাকাশ স্টেশনে পাঠিয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন, ইএসএ ইত্যাদির যাত্রীরাও মহাকাশে গিয়েছে।  মহাকাশে এখনও পর্যন্ত বহু মহাকাশচারী প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু কখনও কি মনে এমন প্রশ্ন এসেছে, চাঁদ, মঙ্গল বা মহাকাশের কোথাও কোনও নভোচারী মারা গেলে তাঁর শরীরের কী হয়!  আরও পড়ু ন: চাঁদে মানুষ পাঠাতে যাচ্ছে ইসরো, হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদল নিয়ে মুখে কুলুপ The Conversation report অনুয়ায়ী, ৬০ বছর আগে শুরু হওয়া মহাকাশ মিশনে ২০ জন মহাকাশচারীর জীবন গিয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জন মহাকাশচারী ১৯৮৬ এবং ২০০৩ সালে নাসার স্পেস শাটল ট্র্যাজেডিত...

দেশে তৈরি যানে নভশ্চরদের মহাকাশে পাঠাবে ভারত! দুর্ঘটনা থেকেও বাঁচাবে ইসরোর প্রযুক্তি

ছবি
 ইসরোর নতুন প্রযুক্তি গগনযান মিশন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ১৯৮৪ সালের ৩ এপ্রিল রাশিয়ার মহাকাশযানে চেপে মহাশূন্যের উদ্দেশে রওনা দিয়ে নজির গড়েছিলেন ভারতীয় মহাকাশচারী রাকেশ শর্মা। তিনিই ছিলেন প্রথম ভারতীয় নভশ্চর। ৩৪ বছর পর ফের নজির গড়ার পথে ভারত।  দুর্ঘটনা থেকে কিভাবে বাঁচাবে ইসরোর প্রযুক্তি এবার দেশে তৈরি মহাকাশযানে চাপিয়ে ভারতীয় মহাকাশচারীদের মহাকাশে পাঠানোর কথা ঘোষণা করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরো। নাম দেওয়া হয়েছে গগনযান মিশন। শুধু মহাকাশে পাঠানোই নয় ভারতীয় মহাকাশচারী কল্পনা চাওলার পরিণতির কথা মাথায় রেখে ভারতীয় মহাকাশচারীদের কী ভাবে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে হবে সেই ব্যবস্থাও ইসরো করে ফেলেছে বলে জানিয়েছে তারা। মহাকাশে কোনও দুর্ঘটনার হাত থেকে ভারতীয় মহাকাশচারীদের বাঁচাতে ক্রু এস্কেপ সিস্টেম বা সিইএস এর উপর ভরসা রাখছে ইসরো। মহাকাশে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দেশে তৈরি এই উন্নত প্রযুক্তিই দেশের মহাকাশযাত্রীদের প্রাণ রক্ষা করবে বলে দাবি ইসরোর।ক্রু এস্কেপ সিস্টেমএকটি ফাইটার জেটের চালক আসনের মতো কাজ করে। যেখানে এক জন চালক যে কোনও পরিস্থিতিতে জেট থেকে ...

মহাকাশে প্রজনন কি সম্ভব? বাঁদর ও মাছ পাঠিয়ে পরীক্ষা করতে চলেছে চিন

ছবি
মহাকাশে বাঁদরে প্রজনন । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশ স্টেশন নির্মাণের কাজটি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করেছে চিন। এখন বিজ্ঞানীরা শূন্য মাধ্যাকর্ষণে জীবন বিজ্ঞান গবেষণা করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। যা তিয়াংগং থেকেই নেতৃত্ব দিতে চলেছেন একদল মহাকাশচারী। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, মহাকাশে প্রজনন পরীক্ষা করার জন্য বানর উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা নিয়েছে চিন।  মহাকাশে কি কি পাঠিয়ে প্রজনন বৃদ্ধি করতে চায় চিন চিনের তিয়াংগং স্পেস স্টেশনে মাইক্রোগ্র্যাভিটি নিয়ে গবেষণা করার জন্য প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক সরঞ্জামগুলির ব্যবস্থাপনাও করবে এই সংস্থা। চিন এই প্রজেক্টের নেতৃত্ব দিচ্ছে বেজিংয়ের চাইনিজ় অকাদেমি অফ সায়েন্সেস। চলতি বছরের শুরুতেই ডক করা মহাকাশ স্টেশনের ওয়েনটিয়ান মডিউলেই এই পরীক্ষাটি পরিচালিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইঁদুর এবং ম্যাকাকগুলিকে নিয়েও কিছু গবেষণা করা হবে। যেখানে তারা কীভাবে মহাকাশে বড় হতে পারে তা ধরা পড়বে। এই পরীক্ষাগুলি মাইক্রোগ্র্যাভিটি এবং অন্যান্য মহাকাশ পরিবেশের সঙ্গে একটি জীবের অভিযোজন সম্পর্কে তা আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে। বলছেন চাইনিজ অকাদ...

মহাকাশ ইতিহাসে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ শক্তিশালী বিস্ফোরণ, আলো পৌঁছতে ১.৯ বিলিয়ন বছর লাগল

ছবি
সর্বকালের সবশ্রেষ্ঠ শক্তিশালী বিস্ফোরণ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে এখনও পর্যন্ত সবথেকে উজ্জ্বল বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে গেল গত ৯ অক্টোবর। এই বিস্ফোরণটি টেলিস্কোপ দ্বারা রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণগুলির মধ্যে একটি বলে মনে করা হচ্ছে। নাসার তরফে বলা হচ্ছে যে, এটি গামা রশ্মি বিস্ফোরণ বা জিআরবি মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ।  মহাকাশ শক্তিশালী বিস্ফোরণ বিজ্ঞানীদের মতে, এটি GRB 221009A। বিশ্বের বেশ কয়েকটি টেলিস্কোপ এই বিস্ফোরণের পরের ঘটনা চাক্ষুষ করেছে।অসাধারণ দীর্ঘ GRB 221009A এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে উজ্জ্বল গামা রশ্মি। বলেছেন ব্রেন্ডন ও কনর ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড এবং ওয়াশিংটন ডিসির জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরাল ছাত্র। এই বিস্ফোরণ এখনও পর্যন্ত সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। তিনি যোগ করলেন যে, যেহেতু এই বিস্ফোরণগুলি খুব উজ্জ্বল এবং কাছাকাছি হয়েছে। আমরা মনে করি এদের সম্পর্কে ব্ল্যাক হোল গঠন থেকে ডার্ক ম্যাটার মডেলগুলি পরীক্ষা করা পর্যন্ত এই বিস্ফোরণগুলি সম্পর্কে কিছু মৌলিক প্রশ্ন উন্মোচন করার বিষয়ে শতাব্দীর সেরা সুযোগ।বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন...

নারী স্বাধীনতার নয়া ধাপ, ২০২৩ এ নারী নভোচারীকে মহাকাশে পাঠাবে সৌদি আরব

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশযুদ্ধে রাশিয়া ও আমেরিকার একচেটিয়া আধিপত্যকে খর্ব করতে মরিয়া চিন। সেই সঙ্গে এই তালিকায় নিজেদের স্থানও উজ্জ্বল করতে চাইছে আরব দেশগুলিও। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলের কক্ষপথে সফলভাবে প্রবেশ করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মহাকাশযান।  কবে সৌদি আরব মহিলা নভোচারীকে মহাকাশে পাঠাবে এবার সৌদি আরবও জানিয়ে দিল যে, তাদের মহাকাশ অভিযানের কথা। ২০৩০ সালেই মহাকাশে অভিযান করতে চাইছে তারা। আর সেখানে পুরুষ মহাকাশচারীদের সঙ্গে এক মহিলাকেও মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।সৌদি স্পেস কমিশনের তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, ২০৩০ সালের মহাকাশ অভিযানের দিকে তাকিয়ে এই স্পেস প্রোগ্রামের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সব ঠিক থাকলে মানব সভ্যতার উন্নতির লক্ষ্যে মহাকাশে মানুষ পাঠানো হবে।  তাঁদের মধ্যে থাকবেন একজন মহিলা মহাকাশচারীও। রক্ষণশীল আরব দেশের তরফে এমন ঘোষণাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।সাত মাস ধরে ৩০ কোটি মাইল পথ পাড়ি দিয়ে মঙ্গলের কক্ষপথে প্রবেশ করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মহাকাশযান আমাল। ওই ঘটনায় দেশের সর্বত্র আলোড়ন পড়ে যায়। পৃথিব...

চীনোও এবার মহাকাশে পর্যটকদের নিয়ে যাবে, এলন মাস্ক-বেজোসদের মতো

ছবি
বেজোস-মাস্কদের মতো পর্যটকদের মহাকাশে নিয়ে যাবে চিন। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আমেরিকার জেফ বেজোস বা এলন মাস্কদের মতোই মহাকাশ পর্যটনের দৌড়ে ঢুকতে চায় চিন সরকার। আগামী তিন বছরের মধ্যে পর্যটকদের মহাকাশের সফরে নিয়ে যাওয়াই চিনের লক্ষ্য।চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিজিটিএনের রিপোর্টে দাবি। পর্যটকদের মহাকাশে নিয়ে যেতে চায় চিন ২০২৫ সালের মধ্যে স্বল্প সময়ের জন্য মহাকাশে ঘোরাফেরার বন্দোবস্ত করতে চায় চীন সরকার। বেজিংয়ের রকেট সংস্থা সিএএস স্পেসের এক বিজ্ঞানী ইয়াং ইকিয়াং জানিয়েছেন যে, তিন ভাবে মহাকাশ সফরের কথা চিন্তা ভাবনা করছেন তাঁরা। যদিও সেগুলি কী কী, তা খোলসা করেননি তিনি। তবে বেজোসের ব্লু অরিজিন নামের সংস্থার মতোই পর্যটকদের পৃথিবী থেকে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় কারম্যান লাইনের কাছে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। ব্লু অরিজিনের হাত ধরে মহাকাশ পর্যটন ব্যবসার সামনের সারিতে রয়েছেন অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজোস। চলতি বছরে তাঁর সংস্থার তরফে পর্যটকদের তিন বার মহাকাশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বেজোস ছাড়াও ব্রিটিশ ধনকুবের রিচার্ড ব্র্যানসনের সংস্থাও এই দৌড়ে নেমে পড়েছে। ব্র্যানসনের সংস্থা ভার্জিন গ্যালাকটিকের রকেট অবশ্য পর্...

মহাকাশ স্টেশনে কি মহাকাশচারী কাঁদাতে পারে! বা কাঁদলে কি হয়

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে আমরা একটা অসাধারণ  তথ্য  নিয়ে আসলাম । বিষয়টা হচ্ছে আপনি কি মহাকাশে কাঁটতে পারবেন! মানে চোখের জল ফেলতে পারবেন? মহাকাশচারী কিসএসফিল্ড বেশ কয়েকদিন আগে এই বিষয়টা নিয়ে একটা অসাধারণ ভিডিও পোস্ট করেছিলেন।তা জানাব আজকে। মহাকাশ স্টেশনে কি কাঁদা যায়  কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির একজন মহাকাশচারী বলা যেতে পারে ESA অন্তর্ভুক্ত ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির অন্তর্ভুক্ত।তিনি একটি জলে যে ব্যগ থাকে তার থেকে নিজের চোখে জল ঢাললে। এবং জল ঢেলে তিনি বোঝানোর চেষ্টা করলেন যে, কোন মানুষ যদি বা কোন মহাকাশচারী আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে কাঁদে তাহলে তার চোখের জলটা কি রকম থাকবে।  আরও পড়ুন:   এবার মহাকাশে মাংস উৎপাদন করবে ইউরোপ! ছবিতে দেখা যায় চোখ থেকে কিন্তু জল পরছে না ।চোখের কাছে এই সেই জল জমে রয়েছে অসাধারণ দৃশ্য এটি উনি আমাদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। এবং আরো বেশ কিছুটা জল ঢেলে তিনি দেখালেন ।যে, না এটি একেবারেই পড়বেনা মহাকাশ স্টেশনে ।তবে কিছুটা হয়তো ছিটকে গেল এদিক ওদিক তবে চোখের জল একেবারেই পড়বে না নিচে।চোখে...

সৌরজগতের বাইরে মহাকাশযান ভয়েজার ১ রহস্যজনক আচরণ করছে

ছবি
মহাকাশযান ভয়েজার ১ এর ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আজ থেকে ৪ বছর আগে সৌরজগতের প্রান্তসীমা ছাড়িয়ে অসীমের পথে ছুটতে শুরু করে মহাকাশযান ভয়েজার ১। ১৯৭৭ সালে পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরু করে এ মহাকাশযান সব মিলিয়ে প্রায় ৪৫ বছর যাত্রা করেছে  এই  মহাকাশে। ভয়েজার ১ এখন কোথায এ মহাকাশযান এখন পৃথিবী থেকে ২ হাজার ৩৩০ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরুর পর ২০১৮ সালে এটি সৌরজগতের প্রান্তসীমা ছাড়িয়ে যায়। বিশাল এই পথ পাড়ি দিয়েও এখনও ঠিকঠাক কাজ করে যাচ্ছে এটি। নাসা থেকে বিজ্ঞানীরা যেসব কমান্ড দিচ্ছেন ভয়েজার সেটি গ্রহণ করছে ও সে অনুযায়ী কাজও করছে। এরপর তথ্য সংগ্রহ করে তা পৃথিবীতেও পাঠাচ্ছে।  বর্তমান ভয়েজার ১কিভাবে কাজ করছে সম্প্রতি এ মিশনের বিজ্ঞানীরা অদ্ভুত কিছু বিষয় লক্ষ্য করছেন। এই মহাকাশযানকে যা নিয়ন্ত্রণ করছে সেই অ্যাটিটিউড আর্টিকুলেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেমে (এএসিএস) যে তথ্য আসছে।আর ভয়েজার আসলে যা করছে তা মিলছে না। তবে এএসিএস এটুকু নিশ্চিত করেছে যে, ভয়েজারের হাই-গেইন অ্যান্টেনা এখনও পৃথিবীর দিকেই মুখ করা আছে, যাতে মহাকাশযানটি না...

এবার ছয় মাসের জন্য নভোচর পাঠিয়ে ইতিহাস গড়বে আমিরশাহী

ছবি
 ছয় মাস অন্তরীক্ষে কাটাবেন আরব মহাকাশচারী প্রতীক ছবি। আমিরশাহী ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতেই মঙ্গলের কক্ষপথে মহাকাশযান পাঠিয়ে ইতিহাস রচনা করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE)। এবার ফের নয়া কীর্তি গড়তে চলেছে দুবাই। দীর্ঘ ৬ মাসের জন্য এক আরব মহাকাশচারীকে মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই নাসার সঙ্গে এই বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর। তবে এর আগে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর রেকর্ড গড়েছে আরব। ২০১৯ সালে হাজ্জা আল মনসৌরি নামের এক মহাকাশচারী ৮ দিন কাটিয়ে এসেছিলেন অন্তরীক্ষে। কিন্তু এত দীর্ঘ সময়ের জন্য কোনও মহাকাশচারীকে পাঠানোর ইতিহাস গড়লে নিঃসন্দেহে মহাকাশ রেসে আরও অনেকটা এগিয়ে যাবে সংযুক্ত আরব বা আমিরশাহী। আমিরশাহীর কৃতিত্ব এই কৃতিত্ব গড়তে পারলে আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ভারত ও অন্য দেশগুলির পরে একাদশ দেশ হিসেবে নজির গড়বে তারা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রধানমন্ত্রী শেখ মহম্মদ বিন রসিদ আল মাকটোরাম এই ঘোষণা করেছেন টুইটারে। তিনি লিখেছেন যে, মহাকাশের ইতিহাসে ১১তম দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী দীর্ঘ সময়ের জন্য কোনও নভচরকে অন্তরীক্ষে প...

মহাকাশে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব!আমেরিকাকে নয়, চীনকে কাছে টানতে চান পুতিন

ছবি
মহাকাশে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব ছবি। হ্যালো বন্ধুরা, রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে মহাকাশেও । আগেই মার্কিন মহাকাশ নজরদারি সংস্থার তরফে সমীক্ষায় জানানো হয়েছিল যে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে অন্যান্য দেশের নজরদারি উপগ্রহগুলিকে অকেজো করার ছক কষছেন পুতিন। এবার রাশিয়া স্পেস এজেন্সি সূত্রেই খবর মহাকাশে সমস্ত যৌথ প্রজেক্ট থেকে আমেরিকাকে বাদ দেওয়ার কথা ভাবছে পুতিন সরকার। আরও উল্লেখযোগ্য যে, সেসব প্রজেক্টে এবার চিনকে কাছে টানতে চায় রাশিয়া। অর্থাৎ মার্কিন বিরোধী অবস্থান আরও মজবুত করার দিকেই ঝুঁকছে মস্কো। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের একাধিক কাজকর্ম যৌথভাবে করে আমেরিকার নাসা ও রাশিয়ার  রসকসমস। এই মুহূর্তে দুই রুশ মহাকাশচারী স্পেস স্টেশনে রয়েছেন। শুক্র গ্রহ অভিযানে একসঙ্গে কাজ করার কথা ছিল রাশিয়া ও ইউক্রেনের। প্রকল্পের নাম ভানেরা-ডি । নাসা এবং রসকসমস,দুই সংস্থা হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে বলে ঠিক ছিল এতদিন। কিন্তু যুদ্ধ এক নিমেষেই সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে। এখন আমেরিকার সঙ্গে যৌথভাবে কোনও কাজ এগোনো না পসন্দ রাশিয়ার। রসকসমস সূত্রে খবর যে, রুশ মহাকাশবিজ্ঞানীরা একাই শুক্র নিয়ে...

দীর্ঘ মহাকাশযাত্রায় নভশ্চরদের মস্তিষ্ক বদলে যায় আকারে ও কাজকর্মে

ছবি
মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের আকার ও তাদের কাজকর্মও বদলে যায় ছবি।  হ্যালো বন্ধুরা  মহাকাশে অনেক দিন কাটালে নভশ্চরদের মস্তিষ্ক আর আগের মতো থাকে না। মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের আকার ও তাদের কাজকর্মও বদলে যায়। যা পৃথিবীতে ফিরে আসার অনেক পরেও আর আগের অবস্থায় ফিরে যায় না। পৃথিবীতে ফিরে আসার পর তাঁরা নানা ধরনের স্নায়বিক রোগের শিকার হন যা আমৃত্যু থেকে যায়। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ও রুশ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস এর বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক একটি গবেষণা এ কথা জানিয়েছে। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ফ্রন্টিয়ার্স ইন নিউরাল সার্কিটস এ।আগের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে।দীর্ঘ দিন মহাকাশে কাটিয়ে ফিরে পৃথিবীতে ফিরে আসার পর মহাকাশচারীদের মাংসপেশি ও হাড়ে নানা ধরনের সমস্যা হয়েছে। পেশি ও হাড়ের ক্ষয় হয়েছে দ্রুত হারে। সেই ক্ষয় রোখা যায়নি। তাকে আগের অবস্থায় ফেরানোও সম্ভব হয়নি।এ বারের গবেষণা জানাল যে,দীর্ঘ দিনের মহাকাশযাত্রায় বদলে যায় মহাকাশচারীদের মস্তিষ্কের আকার ও কাজকর্মও। পৃথিবীতে ফিরে আসার পর তাঁরা নানা ধরনের স্নায়বিক রোগের শিকার হন। যা আমৃত্যু থেকে যায়। আরও পড়ুন:  ...

প্রথম রুশ মহিলা নভশ্চরকে মহাকাশে পাঠাবে আমেরিকার ধনকুবেরের সংস্থা, Russia’s Woman Astronaut

ছবি
প্রথম রুশ মহিলা নভশ্চর হ্যালো বন্ধুরা  এই প্রথম কোনও মহিলাকে মহাকাশে পাঠাচ্ছেন রাশিয়া । প্রথম রুশ মহিলা নভশ্চর মহাকাশে যাবেন আমেরিকার ধনকুবের এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স-এর বানানো শক্তিশালী রকেটে চেপে । স্পেস এক্সের এর তরফে  জানানো হয়েছে আগামী বছরের মাঝামাঝি প্রথম রুশ মহিলা নভশ্চর আনা কিকিনা যাবেন মহাকাশে । তার জন্য রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস-এর সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে । ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে নিজেদের একটি অকেজো উপগ্রহকে ধ্বংস করতে গিয়ে দিন কয়েক আগে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বিপদ ডেকে এনেছিল রাশিয়া । ওই ঘটনার মহাকাশ আবর্জনা স্পেস ডেব্রি বা স্পেস জাঙ্ক এর বিশাল জমেছে পৃথিবীর কক্ষপথে । মমেঘ হাকাশ স্টেশন অন্যান্য উপগ্রহ ও মহাকাশযানের বিপদ বাড়িয়ে তোলার জন্য ইতিমধ্যেই রাশিয়ার কড়া সমালোচনা করেছে আমেরিকা । কাউকে আগেভাগে না জানিয়ে রাশিয়ার ওই পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানোর বিষয়ে বিবৃতি দিয়ে প্রকাশ্যে নিন্দা করেছে আমেরিকার প্রতিরক্ষা ও বিদেশ দফতর । আরও পড়ুন:  মহাকাশ স্টেশন কি? নিন্দা করেছেন নাসার প্রধান বিল নেলসনও । এই পরিস্থিতিতে এলন...

ভয়েজার ১ এখন কোথায়?

ছবি
সৌরজগতের প্রান্তসীমা অতিক্রম করে যাচ্ছে । ৩৫ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার উৎক্ষেপণ করা নভোযান ভয়েজার ১ এখন সৌরজগতের এক প্রান্তসীমায় অবস্থান করছে ।ভয়েজার ১ 'সায়েন্স' সাময়িকীতে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছিল যে বর্তমানে পৃথিবী থেকে সাড়ে ১৮ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করছে  এই   নভোযানটি । ভয়েজার ১ মহাকাশে ভয়েজার ১  ভয়েজার ১, ২০২৫ সালে আমাদের সঙ্গে সকল যোগাযোগ ছিন্ন করে চিরতরে হারিয়ে যাবে । এই সুবিশাল মহাকাশের কোন এক অজানা স্থানে । আজ থেকে ৪২ বছর পূর্বে ৫ সেপ্টেম্বর  ১৯৭৭ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল ভয়েজার ওয়ান । স্পেস কে যদি আপনি একজন স্পেশাল হয়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই জেনে থাকবেন । যে ভয়েজার ওয়ান স্পেস ক্রাফট মানুষের বানানো প্রথম মহাকাশযান । পৃথিবী থেকে সবথেকে দূরে অবস্থান করছে । যদি  ডিটেলস জানতে চান তাহলে পোস্টটি  পড়তে পারেন । ইতিহাসে প্রথম ব্যাংক ইন্টারেস্ট ফিল করছি । বর্তমানে পৃথিবী থেকে  প্রায় ২১ দশমিক ৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। কিন্তু এত দূরে যাওয়া সত্ত্বেও আজ আমাদের সাথে কমিউনিকেট করে চলেছে । স্পেসিফ...