পোস্টগুলি

মহাকাশযান লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মহাকাশে নভোচারী মৃত্যু হলে তাঁর শরীরের কী হয়? আদৌ কি ফেরানো হয়?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে এখনও পর্যন্ত বহু মহাকাশচারী প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু কখনও কি মনে এমন প্রশ্ন এসেছে, চাঁদ, মঙ্গল বা মহাকাশের কোথাও কোনও নভোচারী মারা গেলে তাঁর শরীরের কী হয়? চলুন আজ সেটাই জেনে নেওয়া যাক। মহাকাশে নভোচারী মারা গেলে বডি যেভাবে আনা হয় মানুষকে মহাকাশে পাঠানো কখনওই সহজ কাজ ছিল না। প্রায় ৫০ বছর আগে নাসা চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছিল। তারপরে এখন আবার চাঁদে মানব মিশন পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রমের পর চিন তার মহাকাশচারীদের নিজস্ব নির্মিত মহাকাশ স্টেশনে পাঠিয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন, ইএসএ ইত্যাদির যাত্রীরাও মহাকাশে গিয়েছে।  মহাকাশে এখনও পর্যন্ত বহু মহাকাশচারী প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু কখনও কি মনে এমন প্রশ্ন এসেছে, চাঁদ, মঙ্গল বা মহাকাশের কোথাও কোনও নভোচারী মারা গেলে তাঁর শরীরের কী হয়!  আরও পড়ু ন: চাঁদে মানুষ পাঠাতে যাচ্ছে ইসরো, হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদল নিয়ে মুখে কুলুপ The Conversation report অনুয়ায়ী, ৬০ বছর আগে শুরু হওয়া মহাকাশ মিশনে ২০ জন মহাকাশচারীর জীবন গিয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জন মহাকাশচারী ১৯৮৬ এবং ২০০৩ সালে নাসার স্পেস শাটল ট্র্যাজেডিত...

রকেট লঞ্চে কেন এত জল লাগে? কারণ জানলে চমকে যাবেন

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  রকেট  উৎক্ষেপণের সময় প্রায় ৩০ লক্ষ লিটার জলও ব্যবহার করা হয়।  এমনই একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তবে এমনটা যে শুধু নাসাতেই হয় তা কিন্তু নয়।  নাসা  থেকে শুরু করে ISRO, এমনকী পৃথিবীর বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা স্টেশনেই এমনটা হয়। রকেট উৎক্ষেপণের সময় খরচ হয় প্রায় ৩০ লক্ষ লিটার জল । রকেট লঞ্চে সময়  জল ব্যবহার করা হয় কেন মনে করুন তো, কোনও এক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র থেকে রকেট উৎক্ষেপণ হচ্ছে। কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। রকেট উৎক্ষেপণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে আগুনের শিখা এবং ধোঁয়া। কিন্তু এসব আপনি নিজের চোখে দেখতে পান। যেটা পান না, তা হল উৎক্ষেপণের সময় প্রায় ৩০ লক্ষ লিটার জলও ব্যবহার করা হয়। নাসা তার ইউটিউব চ্যানেলে কেনেডি স্পেস সেন্টারের একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছে। এই ভিডিয়োতে লঞ্চ প্যাড ওয়াটার ডিলিউজ সিস্টেম পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার সময় প্রায় ৩০ লাখ লিটার জল ব্যবহার করা হয়েছে। কেন রকেট উৎক্ষেপণে এত বড় পরিসরে জল ব্যবহার করা হয়। রকেট উৎক্ষেপণের সময় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের দল প্রস্তুত থা...

মহাকাশে প্রজনন কি সম্ভব? বাঁদর ও মাছ পাঠিয়ে পরীক্ষা করতে চলেছে চিন

ছবি
মহাকাশে বাঁদরে প্রজনন । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশ স্টেশন নির্মাণের কাজটি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করেছে চিন। এখন বিজ্ঞানীরা শূন্য মাধ্যাকর্ষণে জীবন বিজ্ঞান গবেষণা করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। যা তিয়াংগং থেকেই নেতৃত্ব দিতে চলেছেন একদল মহাকাশচারী। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, মহাকাশে প্রজনন পরীক্ষা করার জন্য বানর উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা নিয়েছে চিন।  মহাকাশে কি কি পাঠিয়ে প্রজনন বৃদ্ধি করতে চায় চিন চিনের তিয়াংগং স্পেস স্টেশনে মাইক্রোগ্র্যাভিটি নিয়ে গবেষণা করার জন্য প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক সরঞ্জামগুলির ব্যবস্থাপনাও করবে এই সংস্থা। চিন এই প্রজেক্টের নেতৃত্ব দিচ্ছে বেজিংয়ের চাইনিজ় অকাদেমি অফ সায়েন্সেস। চলতি বছরের শুরুতেই ডক করা মহাকাশ স্টেশনের ওয়েনটিয়ান মডিউলেই এই পরীক্ষাটি পরিচালিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইঁদুর এবং ম্যাকাকগুলিকে নিয়েও কিছু গবেষণা করা হবে। যেখানে তারা কীভাবে মহাকাশে বড় হতে পারে তা ধরা পড়বে। এই পরীক্ষাগুলি মাইক্রোগ্র্যাভিটি এবং অন্যান্য মহাকাশ পরিবেশের সঙ্গে একটি জীবের অভিযোজন সম্পর্কে তা আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে। বলছেন চাইনিজ অকাদ...

বিশ্বে প্রথম চাঁদের চারপাশে ঘুরবেন টিটো! ইলন মাস্কের স্টারশিপে চড়ে

ছবি
টিটো ও তার স্ত্রী ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিশ্বের প্রথম মহাকাশ পর্যটক এবার ইলন মাস্কের স্টারশিপে চড়ে চাঁদের চারপাশে ঘুরবেন। ২১ বছর আগে ৮২ বছর বয়সী ডেনিস টিটো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে খুব ছোট্ট করে ভ্রমণ করেছিলেন। এবার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদের চারপাশে চরকিপাক খাবেন।আর একটি অ্যাডভেঞ্চারের জন্য সাইন আপ করলেন বিশ্বের প্রথম মহাকাশ পর্যটক। এবার চাঁদের চারপাশে চরকিপাক খাবেন টিটো ও তার স্ত্রী ছোট্ট এই ট্রিপ যেন তাঁর স্পেস ট্যুরের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।২১ বছর পর সেই স্বপ্নপূরণ হতে চলেছে। টিটোর সপ্তাহব্যাপী মুনশট তাঁকে চাঁদের দূরবর্তী ২০০ কিলোমিটারের কাছাকাছি নিয়ে আসবে। টিটো শুধু একা নন তার সঙ্গে থাকবেন তাঁর স্ত্রী আকিকো সহ মোট ১০ জন। চাঁদের চারপাশে যাত্রার জন্য তাঁরা সকলেই মোটা টাকা খরচ করতে ইচ্ছুক।তবে টিটো সহজ সত্যটি আগেভাগেই অনুধাবন করতে পেরেছেন।  তিনি বুঝতে পেরেছেন যে, স্টারশিপের জন্য মহাকাশে পৌঁছনোর প্রথম প্রচেষ্টার আগে এখনও অনেক পরীক্ষা এবং উন্নয়ন বাকি রয়েছে। মিশনের জন্য যদি এতটা ছোটাছুটি না করতে হত তাহলে আমি একটি রকিং চেয়ারে বসে থাকতে পারতাম। কোনও ভাল ব...

গ্রহাণুকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিতে সক্ষম ডার্ট! পৃথিবীকে বাঁচাতে নাসার এই মহাকাশযান

ছবি
নাসার মহাকাশযান  ডার্ট  এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে ঘুরতে থাকা বিশাল এক গ্রহাণুকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিয়েছে নাসার মহাকাশযান ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট, সংক্ষেপে ডার্ট। পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা যে কোনও মহাজাগতিক বস্তুর হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে এই মহাকাশযানটি বানিয়েছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তার সফল পরীক্ষা হল মঙ্গলবার রাতে। ডার্ট ধাক্কা মারল বিশাল গ্রহাণুকে নাসার ডার্ট যে গ্রহাণুটিকে ধাক্কা মেরেছে তার নাম ডাইমরফোস। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে , প্রায় ৫২৫ ফুট চওড়া এই গ্রহাণু আকারে আস্ত একটি ফুটবল স্টেডিয়ামের মতো। মহাকাশে প্রায়ই এমন গ্রহাণু পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসে। কখনও কখনও নীল গ্রহের একেবারে কান ঘেঁষে বেরিয়ে যায় সেগুলি। যে কোনও মুহূর্তে এই সব মহাজাগতিক বস্তু বিপদ ডেকে আনতে পারে। তা এড়াতেই ডার্ট বানিয়েছেন নাসার গবেষকরা। জানা গিয়েছে যে, এই ডাইমরফোস থেকে আপাত ভাবে পৃথিবীর কোনও বিপদের সম্ভাবনা ছিল না। তার উপর কেবল পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে ডার্ট। এটি পৃথিবী থেকে এক কোটি ১০ লক্ষ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। ডাইমরফোস প্রদক্ষিণ করছে ডিডাইমোস নামের আরও ...

ভয়েজার-১ এর রহস্যময় ভুল সংকেতের সমস্যা সমাধান করল এবার নাসা

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   এক দশক আগেই সূর্যের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছিল নাসার মহাকাশযান ভয়েজার-১ । বর্তমানে সেটি রয়েছে ইন্টারস্টেলার স্পেসে। মহাশূন্যের সেই সুদূর কোণ থেকেই সংকেত পাঠাচ্ছিল সেটি। কিন্তু বেশ কয়েক মাস ধরেই লাগাতার ভুল তথ্য পাঠাচ্ছিল ভয়েজার-১।যার ফলে চিন্তিত হয়ে পড়ছিলেন বিজ্ঞানীরা। অবশেষে সেই সমস্যার সমাধান করতে সমর্থ হলেন তাঁরা। ভুল সংকেত ভয়েজার-১-এর সমস্যা মেটাল নাসা ভয়েজারের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে অ্যাটিচিউড আর্টিকুলেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম তথা এএসিএসের উপরে। কিন্তু সেখান থেকেই বিকৃত তথ্য পৌঁছচ্ছিল পৃথিবীতে। মার্কিন মহাকাশ সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, অনুসন্ধানকারী দল ওই বিকৃত তথ্যের উৎস সন্ধান করতে গিয়ে দেখেছে এএসিএস টেলিমেট্রি ডেটা পাঠাচ্ছিল এমন এক কম্পিউটার থেকে যেটি বহু দিন আগেই কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। ওই কম্পিউটারই তথ্যগুলিকে বিকৃত করে দিচ্ছিল। যার জন্য ভয়েজার-১-এর ভিতরে কি ঘটছে সে সম্পর্কে কিছুই জানা যাচ্ছিল না। আরও পড়ুন:  সৌরজগতের বাইরে মহাকাশযান ভয়েজার ১ রহস্যজনক আচরণ করছে অবশেষে সমস্যাটির সমাধান করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা এএসিএসকে নির্দেশ দিয়ে...

সৌরজগতের বাইরে মহাকাশযান ভয়েজার ১ রহস্যজনক আচরণ করছে

ছবি
মহাকাশযান ভয়েজার ১ এর ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আজ থেকে ৪ বছর আগে সৌরজগতের প্রান্তসীমা ছাড়িয়ে অসীমের পথে ছুটতে শুরু করে মহাকাশযান ভয়েজার ১। ১৯৭৭ সালে পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরু করে এ মহাকাশযান সব মিলিয়ে প্রায় ৪৫ বছর যাত্রা করেছে  এই  মহাকাশে। ভয়েজার ১ এখন কোথায এ মহাকাশযান এখন পৃথিবী থেকে ২ হাজার ৩৩০ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরুর পর ২০১৮ সালে এটি সৌরজগতের প্রান্তসীমা ছাড়িয়ে যায়। বিশাল এই পথ পাড়ি দিয়েও এখনও ঠিকঠাক কাজ করে যাচ্ছে এটি। নাসা থেকে বিজ্ঞানীরা যেসব কমান্ড দিচ্ছেন ভয়েজার সেটি গ্রহণ করছে ও সে অনুযায়ী কাজও করছে। এরপর তথ্য সংগ্রহ করে তা পৃথিবীতেও পাঠাচ্ছে।  বর্তমান ভয়েজার ১কিভাবে কাজ করছে সম্প্রতি এ মিশনের বিজ্ঞানীরা অদ্ভুত কিছু বিষয় লক্ষ্য করছেন। এই মহাকাশযানকে যা নিয়ন্ত্রণ করছে সেই অ্যাটিটিউড আর্টিকুলেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেমে (এএসিএস) যে তথ্য আসছে।আর ভয়েজার আসলে যা করছে তা মিলছে না। তবে এএসিএস এটুকু নিশ্চিত করেছে যে, ভয়েজারের হাই-গেইন অ্যান্টেনা এখনও পৃথিবীর দিকেই মুখ করা আছে, যাতে মহাকাশযানটি না...

বৃহস্পতির চাঁদ গ্যানিমেডে শব্দ ধরা পড়েছে জুনো মহাকাশযানে

ছবি
বৃহস্পতির চাঁদ গ্যানিমেডে শব্দ ধরা পড়েছে জুনো মহাকাশযানে প্রতীকী ছবি ।  বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  চাঁদ হোক বা মঙ্গল গ্রহ কিংবা বৃহস্পতি পৃথিবীর বাইরের জগতটা কেমন তা অনুসন্ধানের নেশায় বহুদিন ধরেই মেতেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। বর্তমানে বিজ্ঞানীদের মূল নজর রয়েছে চাঁদ এবং লালগ্রহে। তার পাশাপাশি বৃহস্পতি গ্রহেও চলছে অভিযান। বৃহস্পতিকে প্রদক্ষিণ করছে জুনো ।এই অভিযানের লক্ষ্য হল সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহের উৎপত্তি এবং বিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য জানা।  প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের শুরুর দিকে বৃহস্পতির চাঁদ গ্যানিমেড এর যে ছবি প্রকাশ হয়েছে সেই গ্যাস দৈত্য পৃষ্ঠতল সত্যিই অবিশ্বাস্য। তবে সবকিছুর মধ্যে নজর কেড়েছে বৃহস্পতির চাঁদ  গ্যানিমেড এর শব্দ। মহাকাশ সম্পর্কে যাঁরা আগ্রহী এই শব্দ শুনে চমকে গিয়েছেন তাঁরা। ইউটিউবে একটি অডিয়ো প্রকাশ করা হয়েছে মার্কিন স্পেস এজেন্সি নাসার ।জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি (জেপিএল) তরফে।  আরও পড়ুন:  মঙ্গলগ্রহে একাই অভিযান চালাবে রাশিয়া, ঘোষণা করল রুশ স্পেস সেন্টার রসকমস ৫০ সেকন্ডের ওই অডিয়ো ট্র্য...

আলোর গতিতে ছুটবে নাসার মহাকাশযান নতুন আবিষ্কারে উল্লসিত বিজ্ঞানীরা

ছবি
আলোর ঠেলায় এই ভাবেই ছুটবে মহাকাশযান ছবি। হ্যালো বন্ধুরা   এ বার হয়তো আলোর পালে ভর করে ছোটা যাবে মহাকাশে। ভাবনার বাইরে থাকা দূরত্বকে এ বার হয়তো কাছে এনে দেবে আলো। যেখানে পৌঁছনো কোনও মানুষের আয়ুষ্কালে একেবারেই অসম্ভব তাকে সম্ভব করে তুলবে আলোই।সে দিন হয়তো আর খুব দূরে নেই যখন প্রায় আলোর গতিতে ছোটা সম্ভব হবে মহাকাশে। আলোর জোগানো শক্তিতে এক কি দু’দশকের মধ্যেই হয়তো ছোঁয়া যাবে মাত্র চার আলোকবর্ষ দূরে থাকা প্রতিবেশী নক্ষত্রমণ্ডল প্রক্সিমা সেনটাওরিকে। যেখানে পৌঁছতে এখনকার মহাকাশযানগুলির সময় লাগত ৪০ হাজার বছর। ৪০ হাজার বছর ধরে পাড়ি দিয়ে ব্রহ্মাণ্ডে যে দূরত্বে পৌঁছত হয়। তাকে আরও তাড়াতাড়ি একটি মানুষের আয়ুষ্কালেই কাছে পেতে গত কয়েক শতাব্দী ধরেই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন মহাকাশবিজ্ঞানী ও মহাকাশ প্রষুক্তিবিদরা।কিন্তু তাঁদের এত দিনের সেই নিরলস সাধনার ফলপ্রসূ হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আলোই। আলোর ধর্ম হল আলোর কণার প্রায় ভরশূন্যতা। অথচ আলোর গতিতে ছুটতে পারলে কী রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হতে পারত। পৌঁছনো যেত ভাবনার থেকে বাইরে থাকা এই ব্রহ্মাণ্ডের অজানা অচেনা জগতে। কল্পনাতীত দূরত্বে থাকা সেই সব জগত...

SpaceX: বিশ্বের শক্তিশালী মহাকাশযান স্টারশিপ

ছবি
বিশ্বের শক্তিশালী মহাকাশযান স্টারশিপ ছবি । হ্যালো বন্ধুরা   মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসবাস নিয়ে জল্পনা কল্পনার কোনো শেষ নেই ।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ ছেড়ে কেন এই লাল গ্রহে মানুষের এত আগ্রহ । এর অন্যতম কারণ হলো পৃথিবীর সাথে মঙ্গল গ্রহের অনেক মিল রয়েছে । যেমন সেখানে রয়েছে পাহাড়-পর্বত এমনকি আছে বায়ুমণ্ডলও । শুধু তাই নয় প্রাণ বাঁচানোর একমাত্র উপায় পানীয় পাওয়া যাবে ওই গ্রহে ।এতকিছু থাকার পরে কে না চাইবে লাল গ্রহে গিয়ে একটু ঠুয় মেরে আসতে । মানুষের সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়ার ঘোষণা দিলেন স্পেসএক্স ও টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক । আগামী এক দশকের মধ্যে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছেন এই শীর্ষ ধনী । সম্প্রতি প্রকাশিত লেক্স ফেথম্যনের পথকাষ্টে তিনি  এ ই   মন্তব্য করেছেন । সবকিছু ঠিক থাকলে পাঁচ বছরের মধ্যে আর যদি তা না হয় তাহলে দশ বছর লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন  ইলন মাস্ক । স্পেসএক্স  এর চারশিপ নামে যে মহাকাশযান নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন  ইলন মাস্ক  । সেটি  এ পর্যন্ত নির্মিত সবচেয়ে জটিল ও অত্যাধুনিক রকেট । প্র...