পোস্টগুলি

রকেট লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রকেট লঞ্চে কেন এত জল লাগে? কারণ জানলে চমকে যাবেন

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  রকেট  উৎক্ষেপণের সময় প্রায় ৩০ লক্ষ লিটার জলও ব্যবহার করা হয়।  এমনই একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তবে এমনটা যে শুধু নাসাতেই হয় তা কিন্তু নয়।  নাসা  থেকে শুরু করে ISRO, এমনকী পৃথিবীর বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা স্টেশনেই এমনটা হয়। রকেট উৎক্ষেপণের সময় খরচ হয় প্রায় ৩০ লক্ষ লিটার জল । রকেট লঞ্চে সময়  জল ব্যবহার করা হয় কেন মনে করুন তো, কোনও এক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র থেকে রকেট উৎক্ষেপণ হচ্ছে। কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। রকেট উৎক্ষেপণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে আগুনের শিখা এবং ধোঁয়া। কিন্তু এসব আপনি নিজের চোখে দেখতে পান। যেটা পান না, তা হল উৎক্ষেপণের সময় প্রায় ৩০ লক্ষ লিটার জলও ব্যবহার করা হয়। নাসা তার ইউটিউব চ্যানেলে কেনেডি স্পেস সেন্টারের একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছে। এই ভিডিয়োতে লঞ্চ প্যাড ওয়াটার ডিলিউজ সিস্টেম পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার সময় প্রায় ৩০ লাখ লিটার জল ব্যবহার করা হয়েছে। কেন রকেট উৎক্ষেপণে এত বড় পরিসরে জল ব্যবহার করা হয়। রকেট উৎক্ষেপণের সময় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের দল প্রস্তুত থা...

এই প্রথম বেসরকারি সেক্টর রকেট বিক্রম-এস লঞ্চ করছে ভারত

ছবি
রকেট বিক্রম-এস । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  স্কাইরুট অ্যারোস্পেস মহাকাশে দেশের প্রথম ব্যক্তিগতভাবে ডেভেলপ করা রকেটটি উত্তোলন করতে প্রস্তুত। প্রারম্ভ মিশনটি নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিক্রম এস লঞ্চ ভেহিকলের সঙ্গে একটি প্রদর্শনী ফ্লাইটে চালু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।  মিশনটি যে ঐতিহাসিক হতে চলেছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ দেশে রকেটগুলি এখনও পর্যন্ত পাবলিক সেক্টরের ডোমেইন ছিল। যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মহাকাশ মিশনের উন্নয়ন নকশা এবং উৎক্ষেপণের নেতৃত্ব দেয়।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে যে, মিশনটি নভেম্বরের মধ্যে চালু করা যেতে পারে।  যদিও তারা এখনও চূড়ান্ত লঞ্চের তারিখ সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত বার্তা দেয়নি। কোম্পানি ইতিমধ্যেই IN-SPACe থেকে একটি প্রযুক্তিগত উৎক্ষেপণের ছাড়পত্র পেয়েছে। যা স্পেস-টেক প্লেয়ারদের প্রচার ও নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশের নোডাল সংস্থা।স্কাইরুট ইতিমধ্যেই বিক্রম রকেটের তিনটি রূপ তৈরি করছে। যেখানে বিক্রম-১ লো আর্থ অরবিটে ৪৮০ কিলোগ্রাম পেলোড বহন করতে পারে।  বিক্রম- II ৫৯৫ কিলোগ্রাম কার্গো নিয়ে উঠতে পারবে। এদিকে, Vikram-III ৮১৫ kg থেকে ৫০০ km লো ইনক্ল...

চিনের লং মার্চ 5B রকেট যা ১০ তলা বাড়ির সমান, ভগ্নাংশ ভেঙে পড়তে পারে পৃথিবীর বুকে!

ছবি
চিনের লং মার্চ 5B রকেট ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  রকেটের ভগ্নাংশ বায়ুমণ্ডলের সংস্পর্শে এসে জ্বলেপুড়ে যায় কিংবা সমুদ্রের জলে পড়ে ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু চিন এত বড় একটা রকেট পাঠিয়েছে মহাকাশে যে তার বাকি অংশটুকু সরাসরি পৃথিবীর বুকে এসেই পড়বে। আর এই অংশ যেমন তেমন নয় ১০ তলা বাড়ির সমান! এই প্রকাণ্ড ওজনের কথা শুনে সকলেই তটস্থ। এমনকী চিন্তিত চিনা বিজ্ঞানীরাও।  চিনের ১০ তলা বাড়ির সমান ওজনের রকেট অপেক্ষার প্রহর গুনছেন তাঁরা। বিজ্ঞানীদের হিসেব অনুযায়ী শুক্রবার কিংবা শনিবার নাগাদ ভূখণ্ডে তা আছড়ে পড়তে পারে।গত সোমবার লং মার্চ 5B রকেট উৎক্ষেপণ করেছিল চিনের তিয়ানগং মহাকাশ কেন্দ্র থেকে। বুস্টার অর্থাৎ যে অংশটির চাপে রকেট জ্বালানির সাহায্যে মহাকাশে ওড়ে সেই অংশের ওজন সাড়ে ২২ মেট্রিক টন। এরোস্পেস কর্পোরেশনের মতে যা প্রায় একটি ১০ তলা বাড়ির সমান।  চিনের লং মার্চ 5B রকেট কতটা ক্ষতি করতে পারে কর্পোরেশন সূত্রের খবর যে, রকেটের অনিয়ন্ত্রিত অংশটি যে পৃথিবীতে ভেঙে পড়তে পারে। তা প্রত্যাশিত ছিল। এখন চিন্তা একটাই কোথায় তা ভেঙে পড়বে আর কতটা ক্ষতি হবে।তবে হিসেবনিকেশ বলছে যে, শুক্রবার সন্ধ...