পোস্টগুলি

সৌরজগত লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শুক্র গ্রহ কোন দিক থেকে কোন দিকে ঘোরে?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শুক্র গ্রহ সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ, যা তার অনন্য ঘূর্ণনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। সাধারণত, সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহগুলো পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘূর্ণন করে। তবে, শুক্র গ্রহ এই নিয়মের ব্যতিক্রম। এটি ঘোরে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে, যা বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় retrograde rotation নামে পরিচিত। শুক্রের ঘূর্ণনের বৈশিষ্ট্য ১।ঘূর্ণনের গতি শুক্র গ্রহের ঘূর্ণন অত্যন্ত ধীর। এটি একবার নিজের অক্ষে সম্পূর্ণ ঘূর্ণন সম্পন্ন করতে পৃথিবীর প্রায় ২৪৩ দিন সময় নেয়। ২।অস্বাভাবিক ঘূর্ণন কক্ষপথ শুক্র গ্রহ তার অক্ষের চারপাশে প্রায় ১৭৭ ডিগ্রি কোণে ঝুঁকে থাকে। এর ফলে, এর দিন এবং রাতের চক্র পৃথিবীর তুলনায় ভিন্ন। ৩।পশ্চিম থেকে পূর্বে সূর্যোদয় শুক্র গ্রহে সূর্য উদিত হয় পশ্চিম দিক থেকে এবং অস্ত যায় পূর্ব দিকে। এটি পৃথিবীর নিয়মিত সূর্যোদয়-অস্তের ঠিক বিপরীত। আরও পড়ু ন: 500 বছর আগে পৃথিবী কেমন ছিল? কেন শুক্র গ্রহ ব্যতিক্রম? বিজ্ঞানীরা মনে করেন, শুক্র গ্রহের এই ব্যতিক্রমী ঘূর্ণনের কারণ অতীতে এক বা একাধিক বৃহৎ সংঘর্ষ, যা গ্রহটির ঘূর্ণনের গতিপথ পরিবর্তন করে দিয়েছে। আরও পড়ু ন: কোন গ্রহে সবচেয়ে বেশি হীরা আছে...

ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ কয়টি ও কি কি?

ছবি
ইউরেনাস গ্রহ ইউরেনাস সৌরজগতের একটি গ্রহ। সূর্যের দিক থেকে এর অবস্থান সপ্তম এবং আকারের বিচারে তৃতীয় বৃহত্তম। মূলত এই গ্রহটিকে অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানীই আগে লক্ষ্য করেছিলেন কিন্তু তারা এটাকে সৌরজগতের গ্রহ হিসাবে বিবেচনায় আনতে পারেননি। এই গ্রহের আবিষ্কারের সাথে উইলিয়াম হার্শেল-এর নাম বিশেষভাবে জড়িত।১৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে জন ফ্লামস্টিড অন্তত ছয়বার এই গ্রহটিকে দেখতে পান। তিনি তার নক্ষত্র তালিকায় এই গ্রহটিকে বৃষ নক্ষত্রমণ্ডলের একটি নক্ষত্র হিসাবে নামকরণ করেছিলেন ৩৪ তাউরি। ফরাসি জ্যোতির্বিজ্ঞানী পিয়েরে লেমোনিয়ার ১৭৫০ থেকে ১৭৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ভিতরে প্রায় ১২ বার এই গ্রহটি পর্যবেক্ষণ করেন। ইউরেনাস গ্রহের বলয় উপগ্রহে ছবি।   কিন্তু তিনিও একে নক্ষত্র হিসাবেই চিহ্নিত করেছিলেন। স্যার উইলিয়াম হার্শেল এই গ্রহটিকে প্রথম ১৭৮১ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ মার্চে বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং ঐ বৎসরের ২৬ এপ্রিলে একে একটি ধূমকেতু হিসাবে উল্লেখ করেন। পরে আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের পর তিনি একে সৌরজগতের গ্রহ হিসাবে স্বীকৃতি দেন। প্রথমাবস্থায় অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানীই এটা মানতে চাননি। শেষ পর্যন্ত এটিকে গ্রহ হিসাবে আন্তর...

পৃথিবীর জমজ গ্রহ কোনটি, কাকে বলে ও কেন?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌর জগৎকে যদি একটি পরিবার ধরা হয় তবে 3পৃথিবীর কিন্তু একটি যমজ বোন আছে।সেটি হলো শুক্র গ্রহ আকার-আকৃতি ও গাঠনিক উপাদানের সাদৃশ্যের জন্যই এরকমটি বলা হয়ে থাকে। সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে এটি দ্বিতীয় ও পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশি গ্রহ। সাধারণভাবে পৃথিবীর আকাশে ভোরবেলায় একে সুক তারা ও সন্ধায় সন্ধ্যা তারা নামে ডাকা হয়। কেন  শুক্র  গ্রহকে পৃথিবীর জমজ বলা হয় শুক্রকে পৃথিবীর যমজ গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করা হয় কারণ এটির আকার এবং আকৃতি অনেকটাই পৃথিবীর সাথে মেলে এবং এটির গঠনও অনেকটা একইরকমের।শুক্র গ্রহের অনেক বৈশিষ্ট্য একে সৌর জগতের ব্যতিক্রমধর্মী গ্রহ হিসাবে পরিচিত করেছে। সেসব বলার আগে ছোট্ট করে এ গ্রহের নামকরণ নিয়ে একটু বলে আসি। ২৪ ঘণ্টায় দিন আর ১২ মাসে বছর দেখে অভ্যস্ত আমরা পৃথিবীর মানুষেরা কি ভাবতে পারি সৌর জগতে এমন গ্রহও আছে যেখানে এক বছরের চেয়ে এক দিন বড়! এজন্যই শুক্রকে বাতিক্রমধর্মী বলেছিলাম। ভেনাস বা শুক্র নিজ অক্ষের মধ্যে এতটা ধীর গতিতে ঘোরে যে এটির এক দিন পৃথিবীর প্রায় ২৪৩ দিনের সমান।  আরও পড়ু ন: পৃথিবীর নিকটতম গ্রহের নাম কি অথচ আপন কক্ষপথে পৃথিব...

পৃথিবীর নিকটতম গ্রহের নাম কি

ছবি
পৃথিবীর নিকটতম  শুক্র গ্রহের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীর দুটি প্রতিবেশী গ্রহ হচ্ছে শুক্র ও মঙ্গল। এরমধ্যে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ৪.৩ কোটি কিলোমিটার এবং মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব ৭.৮ কোটি কিলোমিটার। অতএব পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র।সূর্য থেকে দূরত্ব ক্রমানুসারে গ্রহগুলোর অবস্থান: ১।প্রথমত - বুধ  ২।দ্বিতীয়ত - শুক্র ৩। তৃতীয়ত - পৃথিবী ৪। চতুর্থতম - মঙ্গল ৫। পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র শুক্র গ্রহ যার ইংরেজি নাম Venus। Venus হল সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ। এই পার্থিব গ্রহটিকে অনেক সময় পৃথিবীর বোন গ্রহ বলে আখ্যায়িত করা হয়। কারণ পৃথিবী এবং শুক্রের মধ্যে গাঠনিক উপাদান এবং আচার আচরণে বড় রকমের মিল রয়েছে। আরও পড়ু ন: লঞ্চ হয়ে গেল ওসিয়ানস্যাট ৩ ও আট ন্যানোস্যাটেলাইট, বড় চমক দেখাল ইসরো এই গ্রহটি যখন সকাল বেলায় পৃথিবীর আকাশে উদিত হয় তখন একে লুসিফার বা শয়তান নামেও ডাকা হয়ে থাকে। বাংলায় সকালের আকাশে একে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে একে সন্ধ্যাতারা বলে ডাকা হয়ে থাকে। এর কোনও উপগ্রহ নাই। আরও পড়ু ন:  বৃহস্পতির সবচেয়ে বড় উপগ্রহের নাম কি

বৃহস্পতির সবচেয়ে বড় উপগ্রহের নাম কি

ছবি
বৃহস্পতির সবচেয়ে বড় গ্যানিমিড উপগ্রহের ছবি। বৃহস্পতি গ্রহের প্রাকৃতিক উপগ্রহ বৃহস্পতি গ্রহের বর্তমান ৯৫টি প্রাকৃতিক উপগ্রহ রয়েছে।এগুলির মধ্যে বৃহত্তম চারটি উপগ্রহ গ্যালিলিয়ান চাঁদ নামে পরিচিত। ১৬১০ সালে গ্যালিলিও গ্যালিলি ও সাইমন মরিয়াস পৃথক পৃথক ভাবে এগুলি আবিষ্কার করেন। এই উপগ্রহগুলিই আবিষ্কৃত প্রথম মহাজাগতিক বস্তু, যেগুলি পৃথিবী বা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে না। ১৯শ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে অনেকগুলি ক্ষুদ্রতর বার্হস্পত্য চাঁদ আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলির নামকরণ করা হয়েছে রোমান দেবতা জুপিটার অথবা তার গ্রিক রূপ জিউসের প্রেমিক প্রেমিকা বা কন্যাদের নামানুসারে। বৃহস্পতিকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিণরত বৃহত্তম ও সর্বাপেক্ষা অধিক ভরযুক্ত বস্তুগুলি হল এই গ্যালিলিয়ান চাঁদ চারটি। অন্যান্য জ্ঞাত ৭৫টি চাঁদ ও বলয়গুলির একত্রিত ভর এই গ্রহটিকে প্রদক্ষিণরত বস্তুগুলির সামগ্রিক ভরের ০.০০৩% মাত্র। আরও পড়ু ন:  বৃহস্পতি গ্রহের আয়তন কত? বৃহস্পতির প্রাকৃতিক উপগ্রহগুলির মধ্যে আটটি নিয়মিত প্রাকৃতিক উপগ্রহ। এগুলি অনুগামী গতিতে প্রায় বৃত্তাকার কক্ষে বৃহস্পতিকে প্রদক্ষিণ করছে। গ্রহীয় ভরের কারণে গ্যালিলিয়ান চাঁদগু...

সৌরজগৎ কি নিয়ে গঠিত?

ছবি
সৌরজগৎ যা কিছু নিয়ে গঠিত তার ছবি।  ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগৎ মূলত মহাকাশের গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, গ্রহাণুপুঞ্জ, গ্যালাক্সি, ধূলিকণা ও গ্যাস ইত্যাদি নিয়ে গঠিত একটি সৌর ব্যবস্থা। সৌরজগৎ মুলত ৮ গ্রহ, ১৬৬ উপগ্রহ ও অসংখ্য গ্রহাণুপুঞ্জ নিয়ে গঠিত। সৌরজগৎের প্রত্যেকটি গ্রহ ও উপগ্রহ  সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। সৌরজগৎ হল সূর্য ও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সূর্য-প্রদক্ষিণকারী তথা পরস্পরের প্রতি অভিকর্ষজ টানে আবদ্ধ মহাজাগতিক বস্তুগুলিকে নিয়ে গড়া একটি ব্যবস্থা। আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কেন্দ্রস্থল থেকে ২৬,০০০ আলোকবর্ষ দূরে কালপুরুষ বাহুতে এই গ্রহ ব্যবস্থাটি অবস্থিত। সৌরজগৎ যা কিছু নিয়ে গঠিত সৌরজগৎ সূর্য নামের একটি মাঝারী আকারের নক্ষত্র ও এর চারপাশে ঘুরতে থাকা ৮টি গ্রহ, এদের উপগ্রহ, বামন গ্রহ, উল্কা, গ্রহাণু, ধুমকেতু ইত্যাদি নিয়ে গঠিত। সৌরজগৎ এর সৌর বা Solar System এর Sol এর অর্থ সূর্য, যা প্রাচীন রোমান ভাষা থেকে আগত। অর্থাৎ সূর্যকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জগতই হচ্ছে সৌরজগৎ বা সোলার সিস্টেম। যথাঃ ১।  গ্রহ সমুহঃ সৌরজগতে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে মোট আটটি গ্রহ। গ্রহ গুলো হল...

সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি?

ছবি
সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি ও কি কি তার প্রতিক ছবি। প্রাকৃতিক উপগ্রহ  আজ আপনাদের জানাব   সৌরজগতের  মোট   প্রাকৃতিক উপগ্রহ কয়টি।প্রাকৃতিক উপগ্রহএকটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বা মহাকাশীয় বস্তু যা কোনো একটি গ্রহ বা তার থেকে বড় অন্য কোন বস্তুকে কেন্দ্রকে করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান থাকে এবং অবশ্যই যা মানব সৃষ্ট নয়। এ ধরনের বস্তুকে সাধারণত বা মাঝেমাঝেই চন্দ্র হিসেবে অভিহিত করা হয়। এই সংজ্ঞাটির উপর ভিত্তি করে একটি তারা চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান কোন গ্রহ বা কোন ছায়াপথের কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান কোন তারাকেও এই শ্রেণিতে ফেলা যায়। অবশ্য এই ব্যবহারটি সচরাচর করা হয় না সকল ক্ষেত্রেই কোন গ্রহ, বামন গ্রহ বা ক্ষুদ্র গ্রহ এর সাথে প্রাকৃতিকভাবে বিরাজমান বস্তুগুলোকে প্রাকৃতিক উপগ্রহ বলা হয়ে থাকে। আরও পড়ু ন: তারার জন্ম হয় মহাকাশে কীভাবে! তার ছবি তুলে দেখাল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ উপগ্রহে সৃষ্টি র্জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা যে, গ্রহের জন্মের সময় একএকটি নক্ষত্র কে ঘিরে কয়েকটি মহাজাগতিক মেঘ আবর্তিত হতো। এরা নক্ষত্রের আকর্ষণে ঘনীভূত হয়ে অবশেষে জমাট বেঁধে গ্রহে রূপান্তরিত হয়। আ...

বুধের উপগ্রহ কয়টি! আয়তন,প্রভাব ও এর কাজ কি?

ছবি
বুধের উপগ্রহ বুধ গ্রহ যার ইংরেজি নাম Mercury মার্কারি। সৌরজগতের প্রথম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ। এটি সূর্যের সর্বাপেক্ষা নিকটতম গ্রহ। এর কোনো উপগ্রহ নাই।এটি সূর্যকে প্রতি ৮৮ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে। এর উজ্জ্বলতার আপাত মান -২.৬ থেকে +৫.৭ পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু একে পৃথিবী থেকে সহজে দেখা যায় না। কারণ সূর্যের সাথে এর বৃহত্তম কৌণিক পার্থক্য হচ্ছে মাত্র ২৮.৩ ডিগ্রী। কেবল সকাল ও সন্ধ্যার ক্ষীণ আলোয় এটি দৃশ্যমান হয়। বুধ গ্রহ সম্বন্ধে সংগৃহীত তথ্যের পরিমাণ তুলনামূলক কম। বুধ অভিমুখী নভোযান মেরিনার ১০ ১৯৭৪ - ১৯৭৫ সালে অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছিল এবং মেসেঞ্জার ২০০৪ - ২০১৫ সালে ৪০০০ বার অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছিল। বুধ এর আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার বুধ গ্রহে আয়তন ৭ কোটি ৪৭ লক্ষ ৯৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার। পৃথিবীর ক্ষেত্রফল বুধের ক্ষেত্রফলের প্রায় ৭ গুণ। আয়তন: বুধের আয়তন ৬০৮২,৭২,০৮,৭৪২ ঘন কিলোমিটার। আরও পড়ু ন: বর্তমানে বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি? বুধ গ্রহের প্রভাব বুধ একটি শুভ গ্রহ এটি অশুভ পরিস্থিতি তৈরি করলে নেতিবাচক ফলাফলও দেয়। কুণ্ডলীতে বুধের অবস্থান খারাপ হলে ত্বক সংক্রান্ত ব্যাধি দেখা দেয় এবং ...

শনি গ্রহের সন্ধানে গেছে কে?

ছবি
শনি গ্রহ ও বলয়ের আকৃতি ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শনি গ্রহ যার ইংরেজি নাম: Saturn; স্যাটার্ন। সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ এবং বৃহস্পতির পরই সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এটি একটি গ্যাসীয় দৈত্য যার ব্যাসার্ধ পৃথিবীর ব্যাসার্ধের প্রায় নয় গুণ। শনি গ্রহের গড় ঘনত্ব অবশ্য পৃথিবীর গড় ঘনত্বের এক অষ্টমাংশ। কিন্তু এই গ্রহের বৃহত্তর আয়তনের জন্য এটি পৃথিবীর তুলনায় ৯৫ গুণ বেশি ভারী। শনি গ্রহের বাংলা নামটি এসেছে হিন্দু গ্রহদেবতা শনির নাম থেকে। অন্যদিকে ইংরেজি নাম স্যাটার্ন এসেছে রোমান ধনসম্পদ ও কৃষিদেবতা স্যাটার্নের নাম থেকে এবং শনির জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক চিহ্নটি উক্ত রোমান দেবতার কাস্তের প্রতীক। মানুষ কি শনি গ্রহে গেছে শনি গ্রহের অন্বেষণ শুধুমাত্র ক্রুবিহীন প্রোব দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে । তিনটি মিশন ছিল flybys।যা সিস্টেম সম্পর্কে জ্ঞানের একটি বর্ধিত ভিত্তি তৈরি করেছিল। ১৯৯৭ সালে চালু হওয়া ক্যাসিনি হাইজেন মহাকাশযানটি ২০০৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত কক্ষপথে ছিল।গ্রহের মহাকাশ গবেষণার জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মিশনগুলির মধ্যে একটি হল শনি গ্রহে ক্যাসিনি মিশন। ক্যাসিনি হল একটি অত্যাধুনিক র...

দেড় বছর পর কেন শনির বলয় উধাও হবে? জানাল নাসার বিজ্ঞানীরা

ছবি
শনি গ্রহ ও তার বলয় ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আর মাত্র  আঠারো মাস। ২০২৫ সালের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে উধাও হয়ে যাবে শনির বলয়! জানাল আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ শনি, যা বৃহস্পতির পর সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। তবে শনি গ্রহকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় করে তোলে তার বলয়।  শনিতে মোট ৮২টি বলয় রয়েছে। মূল বলয় ৭টি। এই বলয়গুলি মূলত অসংখ্য বরফ কণা, পাথরের ভগ্নাংশ ও ধূলিকণা নিয়ে গঠিত। এগুলি আসলে ধূমকেতু গ্রহাণু বা উপগ্রহের অংশবিশেষ। লক্ষ লক্ষ বছর আগে শনির কাছাকাছি এসে তার মাধ্যাকর্ষণের প্রবল টানে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল মহাজাগতিক পদার্থগুলি। এই বলয় কিন্তু চিরস্থায়ী নয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আগেই জানিয়েছিলেন সে কথা। এর আয়ু খুব বেশি হলে ১০ কোটি বছর। ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাচ্ছে বলয়। শনির বুকে আছড়ে পড়ছে বলয়ে ঘূর্ণায়মান পাথরখণ্ড। কিন্তু ১০ কোটি বছর তো দূরের কথা আর দেড় বছরের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে উধাও হয়ে যাবে শনির বলয়! শনি পৃষ্ঠ থেকে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার মাইল বিস্তৃত বলয়কে টেলিস্কোপে চোখে রাখলেই দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু ২০২৫-এ তা আর দৃশ্যমান...

রাতের আকাশে নতুন ম্যাজিক! এবার পাশাপাশি দেখা যাবে শুক্র, বৃহস্পতি ও চাঁদকে

ছবি
এবার পাশাপাশি দেখা যাবে শুক্র, বৃহস্পতি ও চাঁদকে ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশের নতুন ম্যাজিক। সবুজ ধূমকেতু সৌরজগতের দূর প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে। আবার তার দেখা মিলবে ৫০ হাজার বছর পরে। স্বাভাবিক ভাবেই রাতের আকাশে যাঁরা চোখ রেখে খুঁজে চলেন মহাজাগতিক বিস্ময় তাঁদের মন খারাপ। কিন্তু এই বিষণ্ণতার মধ্যেই রাতের আকাশে নয়া ম্যাজিক দেখতে আগ্রহী তাঁরা। মহাকাশের কী সেই ম্যাজিক জানা যাচ্ছে যে, বহুদিন পরে রাতের আকাশে কাছাকাছি আসতে দেখা গিয়েছে পৃথিবীর দুই প্রতিবেশী বৃহস্পতি ও শুক্রকে। দুই দৈত্যাকার গ্রহ সবচেয়ে কাছাকাছি আসবে ১ মার্চ। এই মুহূর্তে রাতের আকাশে চোখ ফেরালে সবচেয়ে উজ্জ্বল যে দুই বিন্দুর দিকে নজর পড়ছে সেগুলি বৃহস্পতি ও  শুক্র। ফেব্রুয়ারির মাসে দুই গ্রহের মধ্যে দূরত ছিল প্রায় ২৯ ডিগ্রির। মাসের শেষে তা হতে চলেছে মাত্র ২৩ ডিগ্রি। সেই হিসেবে ১ মার্চ তাদের কার্যতই গায়ে গায়ে দেখা যাবে রাতের আকাশে।তবে তার আগে মঙ্গলবারই চাঁদকে দেখা যাবে শুক্র ও বৃহস্পতিবার একেবারে কাছে। আরও পড়ুন:  হঠাৎ তুরস্কের আকাশে এলিয়েনের UFO! এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে আনলেন বিজ্ঞানীরা একসঙ্গে তিন জ্যোতিষ...

জেমস ওয়েবের তথ্য: এবার কার্বন ডাই-অক্সাইড পাওয়া গেল সৌরজগতের বাইরে

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগতের বাইরে কার্বন ডাই অক্সাইড শনাক্ত করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব। এর ফলে ডব্লিউএএসপি থার্টি নাইন নামের ওই গ্রহটির গঠন সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা মহাকাশ বিজ্ঞানীদের। কার্বন ডাই-অক্সাইড পাওয়া গেল সৌরজগতের কোথায়? নাসার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে যে , জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ প্রথমবারের মতো সৌরজগতের বাইরে কার্বন ডাই অক্সাইড থাকার পরিষ্কার প্রমাণ পেয়েছে। পর্যবেক্ষণ সূত্রে জানা যায় ৭০০ আলোকবর্ষ দূরের একটি তারকাকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করছে ডব্লিউএএসপি থার্টি নাইন নামের এই গ্রহ।  আরও পড়ুন:  কী সংকেত ভেসে আসছে ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে? রেডিও সিগন্যালে কি পেলেন বিজ্ঞানীরা নেচার ম্যাগাজিনে প্রকাশের জন্য গৃহীত এই অনুসন্ধান জানিয়েছে তারা। ভবিষ্যতে পাথুরে গ্রহের অপেক্ষাকৃত পাতলা বায়মণ্ডলেও কার্বন ডাইন অক্সাইড শনাক্ত ও পরিমাপ করতে সক্ষম হতে পারে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ।নাসা বলছে যে, ডব্লিউএএসপি-থার্টি নাইন গ্রহটির ভর বৃহস্পতির চেয়ে কম। তবে এটির ব্যাস তার চেয়ে প্রায় দেড় গুণ বেশি।  আরও পড়ুন:  সূর্যোদয় কাকে বলে? the sunrise ইত...

রহস্যময় বহু পুরনো এক সৌরজগতের সন্ধান পেলেন এবার বিজ্ঞানীরা

ছবি
বহু পুরনো এক সৌরজগতের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এবার বিজ্ঞানীরা মহাকাশে একটি প্রাচীন সৌরজগতের সন্ধান পেয়েছেন। যা আমাদের এই মহাজাগতিক দুনিয়ার থেকে অনেকটাই আলাদা।প্রায় ৯০ আলোকবর্ষ দূরে গবেষকরা একটি ১০ ​​বিলিয়ন বছরেরও বেশি পুরনো সাদা বামন নক্ষত্রকে দেখেছেন । যা সূর্যেরই মতো একটি মৃত নক্ষত্রের অবশিষ্ট উষ্ণ অংশ। সেটি গ্রহের ভাঙা টুকরোগুলির সমষ্টি দ্বারা বেষ্টিত। যাকে প্ল্যানেটসিমাল বলা হয়। এই অস্পষ্ট তারকাটির সৃষ্টিও হয়েছে ওই টুকরো টুকরো বস্তুগুলি দ্বারা।  বহু পুরনো সৌরজগতে কি কি রয়েছে আমাদের চারপাশের থেকে অনেক আলাদা এই সৌরজগতটি। এটি দুটি উপাদন রয়েছে লিথিয়াম এবং পটাশিয়ামের দ্বারা ভরপুর। কিন্তু আমাদের সৌরজগতের কোনও গ্রহেরই গঠন এমন নয়।এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমাদের আদি মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে এই প্রাচীনতম সৌরজগত কেন এতটা আলাদা ছিল? লিথিয়াম এবং পটাশিয়ামের মতো বিরল উপকরণগুলি কীভাবেই সমৃদ্ধ এই সৌরজগত? ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ছাত্র অ্যাবিগেইল এলমস যিনি সাদা বামন গ্রহ বলেছেন।  এই সৌরজগৎ পুরনো। অর্থাৎ শ্বেত বামন (যাকে WDJ2147-4035 বলা হয়) এবং তার আশপাশের সৌরজ...