Responsive Ad Slot

এরোপ্লেন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
এরোপ্লেন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

এরোপ্লেন কে আবিষ্কার করেন?

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২১

 

এরোপ্লেন কে আবিষ্কার করেন
এরোপ্লেন


এরোপ্লেন আবিষ্কার 

প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ যখন পাখিদের আকাশে উড়তে দেখতো তখন তাদের ইচ্ছে হতো পাখিদের মতো আকাশে   ওড়া । কিন্তু আজ থেকে এক হাজার বছর আগে কেউ কখনো ভাবতেও পারেনি যে ভবিষ্যতের দিনে এরোপ্লেনে করে যাত্রা করা এতটা সহজ ও সুরক্ষিত হয়ে যাবে ।১৫ শতাব্দী থেকে বৈজ্ঞানিক ইঞ্জিনিয়াররা আকাশে উড়ন্ত পাখিদের দেখে তাদের উপর বিভিন্ন ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করেন । এবং আকাশে ওড়ার স্বপ্ন দেখেন আর তাদের এই স্বপ্নকে সত্যি করার জন্য তারা নিজেদের পুরো জীবন আবিষ্কারের পেছনে লাগিয়ে দিয়েছিলেন । তাদের মধ্যে কয়েকজন সফল হয়েছিলেন আবার কয়েকজন অসফল হয়েছিলেন । উড়োজাহাজ আবিষ্কারের কাহিনী অনেক বড় প্লেন এর মতো বারবার চালিয়ে দেখা যেত না । একবার আকাশে ওড়া নেই তা কিছুক্ষণের মধ্যেই মাটিতে ভেঙে পড়ে যেত আর সাথে সাথে তো তাই একটু করে বানিয়ে টেস্ট করা যেত না । একেবারে পারফেক্ট বানাতে হত সাধারণভাবে যে দুই ভাইকে এর আবিষ্কারক হিসেবে জানা যায় তাদের নাম হল উরিভি রাইট এবং উইলবার রাইট । তবে এ ছাড়াও আরো অনেক ইঞ্জিনিয়াররা এরোপ্লেন বানানোর চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তারা এই এরোপ্লেন কে আকাশে উড়ানোর সময় কোন কোন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়ে নিজেদের জীবন হারিয়েছিলেন । 

বন্ধুরা আমি আপনাদের সাথে আজকের পোষ্টে আবিষ্কারের ইতিহাস এবং সেই আবিষ্কারের জন্য নিজেদের জীবন অতিবাহিত করা মহান কিছু বৈজ্ঞানিক এর বিষয়ে আপনাদের জানাব । 

লিওনার্দো দা

আবিষ্কারকের তালিকা প্রথম লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ১৪৫২ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । তিনি একজন মহা চিত্তার  তবে তাকে পুরো পৃথিবী শুধুমাত্র একজন চিত্রকার ছিলেন । হিসেবে এমনটা নয় তিনি সে সময় একজন গবেষক ও ছিলেন তার তৈরি প্রত্যেকটি পেইন্টিং কিছু না কিছু রহস্য লুকিয়ে থাকত । আর এইসব দেখে অবাক হয়ে যেত লিওনার্দো দা  ভিঞ্চি কে পৃথিবীর প্রথম মানুষ বলা হয় উড়োজাহাজের প্রথম স্বপ্ন দেখেছিলেন । এবং সেটাকে বাস্তবায়ন করেছিলেন তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে তিনি দিনরাত এক করে দিয়েছিলেন । লিওনার্দো দা ভিঞ্চির সম্বন্ধে দিয়েছিলেন আর পরবর্তীকালে এই থিওরির উপর কাজ করেই অনেক সফল এরোপ্লেন আবিষ্কার করেছিলেন । তাদের মধ্যে প্রথমটি হলো ফেলাং মেশিং দেশের সবথেকে শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলে মানা হয় । পাখি কিভাবে আকাশে উড়ে আর কিভাবে মাটিতে নেমে আসে অনেক সময় ধরে তিনি করেছিলেন । এরপর তিনি কাঠের সাহায্যে একটি স্লাইড দিয়ে  তৈরি করেছিলেন এতে পুলিশের ব্যবহার করা হয়েছিল  যাতে সহজে আকাশে উড়া যায় । আর সামনের দিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য সাইকেলের রিং লাগানো ছিল আবিষ্কারের স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়ে যায় । ২০০ রামে ১৫১৯ সালে তিনি মারা যান । আবিষ্কার করার জন্য তিনি আরেকটি মেশিনে তৈরি করেছিলেন আর এই মেশিনের সাথে অনেকটা ম্যাচ করে তৃতীয় ধাপের পেইন্টিং এর মাধ্যমে সর্বপ্রথম উল্লেখ করেন । তাদের মত ছিল এই পেইন্টিং এর সাথে সাথে তিনি আরো অনেক জরুরী তথ্য দিয়েছিলেন । ১৫১৯ সালের মৃত্যুর পরে প্লেন বানানোর চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তারা কেউই সফল হননি । আবিষ্কার হয়ে গিয়েছিল আবিষ্কার করেন তাদের নাম ছিল এবং ব্যবহার করা হয়েছিল । আরে ডায়ামিটার ১০ মিটার পর্যন্ত রাখা হয়েছিল ।

 ১৯ সেপ্টেম্বর ১৭৮৩ সালে এই বেলুনের এক্সপেরিমেন্ট করার জন্য একটি মুরগি হাঁস আরেকটি ছাগলকে হাওয়ায় উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল । ১৫ মিনিট পর্যন্ত ছিল তারপর সেটি মাটিতে পড়ে যায় । এরপর যে মানুষকে বসিয়ে আকাশে উড়ানোর কথা চিন্তা করেন এর প্রায় এক মাস পর ২১ নভেম্বর ১৭৮৩ সালে একজন বৈজ্ঞানিক এবং একজন অধিকারী প্রথম হট এয়ার বেলুন যাত্রা করেন । তারা প্রায় ২৫ মিনিট ধরে ৯ মিটার পর্যন্ত যেতে পেরেছিলেন ।

অটো লেলিন

অটো লেলিন ১৮৪৮ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলেও জানিয়েছিলেন । ১৮৭০ সালে রয়েল টেকনিক্যাল একাডেমী বার্লিন থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করেছিলেন । ১৮৯১ সালে তিনি তার প্রথম এক্সিডেন্ট করেছিলেন প্রথম তিনি গ্লাডিয়েটর এর সাহায্যে প্রায় ২৫ মিনিট পর্যন্ত আকাশে উঠতে পেরেছিলেন । ১৮৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি আলাদা আলাদা টেকনিকের সাহায্যে আকাশে ওড়ার যন্ত্র আবিষ্কার করেন । তারা এই পাঁচ বছরের এক্সপেরিমেন্ট এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চিনি আড়াইশো মিটার পর্যন্ত উঠতে পেরেছিলেন । তিনি পুরো ২০০০ বার সাহায্যে আকাশে উড়ে ছিলেন । ১৮৯৬ সালে তিনি যখন নিয়ে আকাশে করছিলেন তিনি তাদের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন । তখন তিনি প্রায় ১৫ মিটার উঁচু থেকে মাটিতে পড়ে যান এই এক্সিডেন্ট এর ফলে তার ঘাড়ের হাড় ভেঙে যায় । আর একদিন পর তার মৃত্যু হয় ।

 এলবাট ডুমন

১৮৭৩ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন এরোপ্লেনে জন্মদাতা বলে মানা হয় । কাজ করতে করতে এরোপ্লেন আবিষ্কারের কথা ভাবেন তার বানানো প্রথম যন্ত্রটি প্রথমে হট এয়ার বেলুন আকাশে উড়ানো হয়েছিল । তার সাথে এই যন্ত্রটি আকাশে ওড়ানো হয় ১৮৯৮ সালে তিনি তার প্রথম চেষ্টা করেছিলেন তারপর অক্টোবর ১৯৭১ সালে তিনি তার শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার কে আকাশে পুরো পৃথিবীতে এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন । তিনি ফ্রান্সের প্যারিসে আকাশে উড়িয়ে পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন ।

উইল রাইট ও ব্রাদার্স

১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন অপ্রিল ১৮৬৭ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন উইল রাইট ব্রাদার্স নামে এর আবিষ্কারক হিসেবে জানা হয় ।১৭ ডিসেম্বর ১৯০৩ সালে পৃথিবীর সবথেকে প্রথম সাকসেসফুল আবিষ্কার করেছিলেন । ছোটবেলা থেকে আকাশে ওড়ার খুব ইচ্ছে ছিল তারা পাখিদের আকাশে উড়তে দেখে নিজেরা উড়তে চাইত । তবে এই স্বপ্ন পূরণ করার জন্য তাদের কাছে সেই পরিমাণ টাকা ছিল না । ওকে দেখে খুবই আগ্রহী হয় তারা শুরুর দিকে উঠিয়ে আকাশে উড়ে বেড়াতো তারা একটি সাইকেলের দোকানে কাজ করতো । আর সেখান থেকেই তাদের মাথায় আসে ছিল কিন্তু তা ঠিক টাইমে নির্দিষ্ট জায়গায় খুব কঠিন দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচতে ১৯০০ সালে একটি জায়গায় গিয়ে তাদের এক্সপেরিমেন্ট শুরু করে । এরপর ১৯০৩ সালে ইঞ্জিন সাহায্যে একটি উড়োজাহাজ আকাশে ওড়ায় । কিন্তু এটি মাত্র ৬ সেকেন্ড পর্যন্ত আকাশে উঠতে পেরেছিল । ইঞ্জিন এর সাহায্যে প্রথম এরোপ্লেন তৈরি হয়েছিল এরপর চতুর্থ প্রচেষ্টায় আকাশে উড়েছিল । ৮৩৫ ফুট পর্যন্ত যেতে পেরেছিল এরপর তারা বারবার এই এক্সপেরিমেন্ট করতে থাকে । একসময় সাকসেসফুল হয় আর তারা প্রায় ৩৫ মাইল প্রতি ঘন্টায় উড়িয়ে ছিল । কিন্তু এখনো পর্যন্ত এই দুই ভাই এর সম্বন্ধে কেউ কিছুই জানত না । আর না কোন সংবাদপত্রে এই দুই ভাইয়ের কথা কখনো উল্লেখ করা হয় । ১৯৬০ সালে ফ্রান্সে যায় যেখানে বসে পুরো দুনিয়ার সামনে ৯১ মিনিটে পর্যন্ত দূরত্ব অতিক্রম করেছিল । এই ঘটনার পর তাদের বেশ কিছু পুরুষ্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয় । এরপর থেকে ১৯৭৯ সালের দিকে বেশ কিছুদিন বানানোর প্রচেষ্টা শুরু হয়ে গিয়েছিল । আর ১৯০৯ সালের পর্যন্ত লম্বা দূরত্ব অতিক্রম করেছিল । এরপর  ১৯১৯ সালে প্রথম এরোপ্লেন কে আবিষ্কার করেছিল । এরপর থেকে আর অভিনয়ের মাধ্যমে আধুনিক আবিষ্কার হয়েছে । তো কেমন লাগলো পোষ্টি আমাকে কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন । যদি  ভাল লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই একটি লাইক করে দিন আর বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করে দিন । দেখা হবে পরের  ততই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।

এরোপ্লেন ১ লিটার তেলে কত কি:মি: যায় বা জেট ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে?

কোন মন্তব্য নেই

শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২১

 আজকের পোষ্টে আমরা জানবো যে একটা এরো প্লেনে কতটা ফ্যাট থাকে এবং একটা এরোপ্লেন যখন ট্রাভেল করে তখন কতটা তেল খায় । মানে সোজা ভাষায় বলতে গেলে একটা এরোপ্লেন এর মাইলেজ কত ? 


জেট ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে
এরোপ্লেনের

এরোপ্লেন ১ লিটার তেলে কত কি:মি: যায়

অনেকে মনে করে যে পাইলট এরোপ্লেন কেটে করার আগে ফিউল ট্যাংকে ফুল করে নেয় মানে কোন লঞ্চে যাওয়ার আগে আমরা যেভাবে আমাদের গাড়ির ট্যাংকে ফুল করে ফেলি।তবে এই ধারণাটা কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল একটা এরোপ্লেনের ততোটাই যতোটা তার এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য দরকার হয় ।তবে তার সাথে কিছু এক্সট্রা ফিরল থাকে ফ্লাইট রেগুলেশন মেন্টেন করার জন্য ।একটা প্লেন থেকে যে পর্যন্ত যাবে এই দূরত্ব যাওয়ার জন্য যতটা ফিউল লাগবে এবং তার সাথে এবং ল্যান্ডিংয়ের জন্য যতটা ফিউল লাগবে সেটা কে একসাথে তৃতীয় বলা হয়ে থাকে । অর্থাৎ কমপ্লিট করার জন্য যতটা ফিউজ দরকার সেটাই হলো তবে একটা ট্রিপ লেট করার জন্য এই ফাইলটা যথেষ্ট নয় ।

কারণ আগে থেকেই জানে না যে হাওয়ার ডিরেকশন কি হবে হাওয়ার গতিবেগ কত থাকবে তার সাথে আবহাওয়ার কন্ডিশন অনুযায়ী উচ্চতা অ্যাটিটিউড পরিবর্তন হতে পারে । আর যদি কোন প্লেন কে কম উচ্চতায় উঠতে হয় তবে ফিউচারে অনেক বেশি হয় এই সমস্ত কারণের জন্য ব্যাংকে যেতে হয় তাকে । বলা হয়ে থাকে সাধারণত ৫ পার্সেন্ট হয় এমন কোন প্লেন এয়ারপোর্ট এর দিকে যাচ্ছে । কিন্তু এয়ারপোর্টে কোন একটা একসিডেন্টের কারণে ব্লক হয়ে আছে সেই ক্ষেত্রে একটা প্লেন কোন একটা এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করাবে যাতে কোন সমস্যা না হয় । তার জন্য ফিউল ট্যাংক এর মধ্যে যে ভ্রুটা ভরা হয় তাকে অল্টারনেটিভ সিউড়ি বলা হয় । এবার যদি আপনি অল্টারনেট এয়ারপোর্টে পৌঁছে যান এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের থেকে যদি আপনাকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে আমি কিছুক্ষণের জন্য ব্লক আছে । আপনি একটা চক্কর ঘুরে আসুন এই ক্ষেত্রে আপনার শেষ হয়ে গেছে। কন্টিনজেন্সি শেষ হয়ে গেছে এবং যেহেতু আপনি অল্টারনেট এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করছেন তার মানে আপনার অল্টারনেটর শেষ হয়ে গেছে তবে এখনো কিন্তু টেনশন নেওয়ার কোনো ব্যাপার নেই ।

কারণ প্রত্যেকটা প্লেনে একটা ফাইনাল রেজাল্ট থাকে যাকে ব্যবহার করে কোন প্লেন ১৫০০ ফিট উচ্চতায় একটা মিনিমাম স্পিড রেখে প্রায় ৩০মিনিট পর্যন্ত উঠতে পারে । এয়ারপোর্ট ক্লিয়ার করার জন্য প্রায় ৩০ মিনিট সময় থাকবে তার সাথে । আপনার কেউ নাম্বার ওয়ান প্রার্থী দেওয়া হবে ল্যান্ডিংয়ের জন্য তার কারণ আপনার প্লেন এমারজেন্সী চলছে এর সাথে একটা অথরিটি থাকে এক্সট্রা পড়ার ইচ্ছে মত ঘুরতে পারে না । এর পেছনে অনেক কারণ আছে যদি পাইলট জানিয়েছে যে এয়ারপোর্ট থেকে সেটাই করতে চলেছে সেখানে এয়ার ট্রাফিক অনেক বেশি হতে পারে । সে ক্ষেত্রে একটু এক্সট্রা তেল ভরে না এ কারণে তাকে একটু এক্সট্রা সময় কাটাতে হতে পারে ।তবে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে যত এক্সট্রা ফেভর বেশি বেড়ে যাবে এবং চুলকানো তার সাথে বেড়ে যাবে ।

আরও একটা ফিউল দরকার সেটা হলো এটা ব্যবহার করা হয় কোন প্রিপজিশন থেকে এ পর্যন্ত যাওয়ার জন্য তার সাথে এটা প্লেনের অক্সিলারি পাওয়ার সাপ্লাই করে । এয়ারকন্ডিশন করে এবং ইঞ্জিন স্টার্ট হওয়ার সময় সাহায্য করে আপনি বুঝতে পারলেন যে যখন তখন কোন কোন জিনিসগুলো কে মাথায় রাখতে হয় যেগুলো হয় সেগুলো ডিফারেন্ট। ডিফারেন্ট টাইপ এর হতে পারে যেমন এভিয়েশন এভিয়েশন ইত্যাদির জন্য কোনটা সেটা ডিপেন্ড করে। যে প্লেনের মধ্যে কোন ধরনের ইঞ্জিন লাগানো আছে এবং তারা সাধারণত কোন উচ্চতায় করে । যদি আমরা কথা বলি ৭৪৭ এর মধ্যে হিসেবে ব্যবহার করা হয় এর ফ্রীজিং পয়েন্ট সেলসিয়াস থেকে -৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয় । যে কারণে রিপ্লাই করতে পারে যদি আমরা বলি তবে এক সেকেন্ডে খরচা করে তাহলে এবার কল্পনা করুন তাকে দশ ঘন্টা ক্লাস করতে হয়।

 তবে তার জন্য প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার লিটার দরকার এর এক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার জন্য দরকার পড়ে। তবে এখানে একটা অ্যাডভান্টেজ আছে ৪৬৫ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারে যদি আমরা প্রত্যেকে দেখি তবে একজন যাত্রী এক কিলোমিটার যাত্রা করার জন্য 0.003 খরচা হয় । আপনি অনেক সময় এয়ারপোর্টে কিংবা কোন মুভিতে ছবিতে দেখে থাকতে পারেন যে যখন কোন এরোপ্লেন এয়ারপোর্টে দাঁড়িয়ে থাকে তখন একটা ছোট্ট বিকাল এর সঙ্গে কানেক্ট থাকে আপনার হয়তো মনে হতে পারে যে কাল থেকে হয়তো

ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে

এ কানেক্টেড থাকে আপনার হয়তো মনে হতে পারে যে ওই বিকাল থেকে এরোপ্লেন তাকে হয়তো ফিউল ভরা হচ্ছে কিন্তু ব্যাপারটা সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে বিকেলটাকে একেবারে অন্য কাজের জন্য ব্যবহার করা হয় ।এই বিকেলগুলো কেজিপি ইউ বলা হয় যার মানে হল অক্সিলারি গ্রাউন্ড পাওয়ার ইউনিট ইউনিট ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই করে থাকে। কারণ যখন এয়ারপোর্টে দাঁড়িয়ে থাকে তখন এনজিওগুলো বন্ধ থাকে যেগুলো ইলেকট্রিসিটি জেনারেট করতে পারে না এই কারনেই মত অবস্থায় এরোপ্লেন থেকে এক্সটার্নাল ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই করতে হয় ।একটা প্লেনের মধ্যে থাকে আর এগুলো ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করা থাকে তা সত্ত্বেও এত বড় হয়েছে ৪৫ জন লোক একসাথে ডুবে যেতে পারবে ।এ সমস্ত ছোট ছোট একে অপরের সাথে একটা চিত্রের মাধ্যমে কানেক্টেড থাকে।


জেট ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে
এরোপ্লেনের

 এজন্য করা হয় যাতে প্লেনের দুটোই সমান পরিমাণে অস্থি থাকে এবং সবসময় একটা ব্যালেন্স পজিশনে থাকে ।যদি কমে যায় তবে অন্য ট্যাঙ্ক থেকে ফিউল এসে সেই জায়গাটা পূরণ করে দেয় । ফ্লাই জেট ইঞ্জিন পর্যন্ত হয় যার জন্য একটা মুখে ব্যবহার করতে হয় । একটা জিনিস এটা প্রচণ্ড পরিমাণে উত্তপ্ত থাকে এর মধ্যে আগুন লেগে যেতে পারে তাকে প্লেনে থাকাটা একটা অ্যাডভান্টেজ এর মধ্যে আগুন লেগে যায় । তবে ওই নষ্ট হয়ে যাবে যাত্রীদের কোন ক্ষতি হবে না এতে প্লেনের মধ্যে ফিরলেন থাকে তার মধ্যে আরও একটা মেকানিজম থাকে । যাকে ব্যবহার করে কোন এমারজেন্সি প্লেনের পাইলট করে দিতে পারে অর্থাৎ প্লেন থেকে বাইরে ফেলে দিতে পারে। যেকোনো সময় প্লেনের মধ্যে কোন ধরনের ঘটনা ঘটে যায় এরকম ধরনের একটা ঘটনা ঘটে ।এর পাশের একটা প্লেনের সাথে  করার কিছুক্ষণের মধ্যেই স্ট্রাইক এর ফলে দুটো ইঞ্জিনই বন্ধ হয়ে যায় । এবং ইমারজেন্সি ইন্টারনেট করাতে হয় এই দুর্ঘটনায় বেঁচে যায় আপনি কিছু নতুন শিখতে পেরেছেন ভিডিওটা যদি ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই একটা লাইক এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না আপনি যদি জেনে থাকেন তবে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে বেল নোটিফিকেশন অন করে নিবেন আর যদি সাবস্ক্রাইব করে থাকেন তবে আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আজকে এই পর্যন্তই আবার দেখা হবে পরের জন্য স্ক্রিনের মধ্যে যে কোন একটা আপনি এনজয় করতে পারেন ধন্যবাদ


Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo