Responsive Ad Slot

শিক্ষা মুলক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিক্ষা মুলক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

চিনি কিভাবে তৈরি হয়?

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১


 চিনি কিভাবে তৈরি হয় 

হ্যালো ফ্রেন্ডস কেমন আছেন সবাই আবার আপনাদের স্বাগত জানায় ।  বন্ধুরা এটা কি আপনারা জানেন যে চিনি কিভাবে তৈরি হয় ? যেমনটা আপনারা দেখছেন অতি সহজেই গরম গরম চিনি তৈরি হচ্ছে তো চলুন জেনে আসি আসলে চিনি ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হয় কিভাবে । বন্ধুরা হয়তো এরকম কোন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না যে মিষ্টি পছন্দ করে না । কারণ অল্প হলেও আমরা সবাই মিষ্টি খেতে ভালবাসি আর এই মিষ্টি চাহিদা আজ থেকে নয় এটা ২০০০ বছর আগে থেকে চলে আসছে । কারণ মিষ্টি মুখে একটা আলাদা রকম অনুভুতি আসে এটা আমাদের শরীরে খুশি থাকা হরমোনের নাম বল করে দেয় । যাই হোক মিষ্টি তো আমাদের মস্তিষ্ককে সক্রিয় করে কিন্তু যখনই মিষ্টির কথা আসে তখন এসব প্রথমে চিনি কিভাবে তৈরি হয় ? কারণ চিনি থেকে তৈরি হয় কিন্তু সেখানেও জিনিস ফ্যাক্টরি থেকে তৈরি হয় ওখানে প্রশ্ন চলে আসে ? যে আসলে চিনি কোন জিনিস থেকে তৈরি হয় আর এটাকে তৈরি করার জন্য কোন কোন প্রসেসের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় ।


চিনি কিভাবে তৈরি হয়?
চিনি 


চিনি 

বন্ধুরা আজকের পোষ্টে আমি আপনাদের এটা জানাতে চলেছি যে কিভাবে বড় বড় ফ্যাক্টরিতে তৈরি হয় তো চলুন  শুরু করা যাক । এরপর দ্বিতীয় সবথেকে বেশি উৎপাদন করা হয় আমাদের দেশ ভারতে আরে উৎপাদন বছর বছর বেড়েই চলেছে । কিন্তু যখন কথা আছে এটা তৈরি করার দক্ষতা বৃদ্ধিতে সুগার ফ্যাক্টরি তে নিয়ে আসা হয় ।এটা চিনি তৈরি সর্বপ্রথম প্রক্রিয়া কারণে বেশিরভাগ আখ থেকে তৈরি করা হয় । যদিও বানানোর জন্য কিছু লাল আলুর ব্যবহার করা হয় । কিন্তু ভারী মাত্রা চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহার করা হয় এ কারণে যখন আটকে সুগারমিল পর্যন্ত নিয়ে আসা হয় । তখন ওগুলোকে ছোট ছোট টুকরো করা হয় । আরো গুলোকে পূরণ করার জন্য সমস্ত আমগুলোকে চপার মেশিন ঢালাই মেশিন এগুলোকে ছোট ছোট করে কাটা হয় । এজন্য করা হয় যেন এগুলো ভালো করে পিষে এর থেকে বেশি থেকে বেশি মাত্রায় রস বের করা যায় । আর বন্ধুরা এবং এগুলোকে পরিষ্কার পানিতে ধোয়া হয় তারপর জুনাগড় কিভাবে পরিষ্কার হয়ে যায় তখন এগুলোকে পেশার জন্য যেন সে পুরোপুরি ভাবে আলাদা হয়ে যায় । বন্ধুরা আলাদা গুলোকে বলা হয় ব্যবহার করা হয় এটা এতটাই বেশি পাওয়ারফুল জালালী যে সুগার ইন্ডাস্ট্রি সমস্ত প্রয়োজন পূরণ করা যায় । এবং আলাদা করার জন্য যে মেশিন ব্যবহার করা হয় তাকে বলা হয় উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে পাঠিয়ে দেয়া হয় আরকি চিনেন তারা পর্যন্ত । তৈরি করতে হয় যেখানে প্রথমে আটকে ৭৫ ডিগ্রি পর্যন্ত গরম করা হয় । তাতে মিল্ক অফ লাইম মেশানো হয় এগুলো একমাত্র কারণ এটাই যে অ্যাসিডিটি কম হয়ে যায় । কারণ ওর মধ্যে হালকা ফুলকা এসিডের মাত্রা থাকে কিন্তু অন্যরকম হয়ে যায় ।

তারপর ওটাকে ১৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে গরম করে লোড করা হয় । যেখানে রসের মধ্যে অনেক ধরনের কেমিক্যাল এবং আরো কিছু মেশানো হয় । অনেক ধরনের এবং কেমিক্যাল নিচে বসে যায় যার ফলে আমরা পরিষ্কার উপরের অংশ দেখতে পায় । তো বন্ধুরা এবার পরিষ্কার উপরে চলে এসেছে এগুলোকে এর মাধ্যমে হাই টেম্পারেচার ফোটানো হয় । আলাদা হয়ে যায় আর শিল্পে পরিনত হয়ে যায় আরো বেশি পরিমাণ শক্ত করার জন্য কোন মেশিনে পাঠানো হয় । যেখানে এগুলোর দেয়া হবে তারপর যখন চিনি তৈরি হয়ে যায় এরকম কিছু অংশ রেখে দেয়া হয় । যেগুলো কিনে নেয় কারণ থাকে তোর জন্য একটা কড়াইতে পানি এবং অল্প পরিমাণ দুধ দিয়ে ভালো করে ফোটানো হয় । আর অনেক ঘন্টা পর্যন্ত তারপর যখন এগুলো হয়ে যায় তখন আগে থেকে তৈরি করার উপরে লাগানো আছে ।আর অনেক ঘণ্টা পর্যন্ত ফোটার পর যখন এগুলো লেজার হয়ে যায় তখন আগে থেকে তৈরি করা বর্তন যার উপরে লাগানো আছে ওতে ঢেলে দেয়া হয় । তারপর আর দিন পর্যন্ত এগুলোকে পুরোপুরিভাবে ঢেকে রাখা হয় যেন কোন প্রকার হাওয়া না লাগে তারপর যখন আখ দিন পর এগুলোকে খোলা হয় । তখন রহস্য ঘর থেকে মিষ্টি তৈরি হয়ে যায় ।

যেগুলো চিনির মতনই হয়ে থাকে কিন্তু একটু আলাদা হয় । বন্ধুরা এটা আপনাদের জানিয়ে দেই যশোর থেকে বাতাসা তৈরি করা হয় যেখানে পানি এবং সাদা করার জন্য ওর মধ্যে বেকিং সোডা পাউডার দিয়ে ভালো করে গরম করে নেয়া হয় । তারপরও গুলো ছড়িয়ে বাতাসা তৈরি করা হয় এবার আপনাদের দেখিয়ে দিয়েছে আসলে আমরা যে ছোট ছোট চিনির দানা খাওয়ার জন্য ব্যবহার করি ওগুলো তৈরি করা হচ্ছে । কিভাবে এবার বন্ধ করার জন্য একটা অন্যরকম যেখানে চিনি এবং সেরা ওয়াদা করা হয় । বন্ধুরা এটাকে বলা হয় আরেকরকম প্রসেসের মধ্যে দিয়ে নিয়ে অনেকে চিনে তৈরি করা হয় । আর সর্বনাশা জলোচ্ছ্বাস বলা হয়ে থাকে আর যেগুলো পরে মাছের খাবারের জন্য ব্যবহার করা হয় । বায়োফ্লক মাছ চাষ করা হচ্ছে যেখানে চিটাগুড় অনেক বেশী মাত্রায় ব্যবহার করা হয় । এগুলো মার্কেটে এভেলেবেল আছে অন্যদিকে এর থেকে পর দেখেছি আগে পানিতে ফুটিয়ে ভাব তৈরি করা হয় ।তারপর বন্ধুরে এগুলোকে লেখার ঢালা হয় যার মত অনেক ধরনের ফুড গ্রেড কেমিক্যাল মেশানো হয় ।

আর চীনের কালার ক্রিস্টাল মতন হয়ে যায় তারপরে বেশি চিনি কী থেকে পিউরিফাই করা হয় । এবার লাস্টে পরদেশী চিনি কে হার্সা যে পুরোপুরি ভাবে পরিষ্কার করা হয় ।এবার ফাইনালে চীনের মধ্যে বাইরে বের করে আলাদা আলাদা করা হয় আর ওখানে মোটা এবং আলাদা রকমের দানাগুলো কে ট্যাগ করে মার্কেটে পাঠিয়ে দেয়া হয় । যেগুলো ছোট এবং বেদানা হয় ওগুলো আরো বেশি করে তৈরি করা হয় । তবে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন কিভাবে জমির আখ থেকে চিনি তৈরি করার আলাদাভাবে আমাদের কাছ পর্যন্ত পৌঁছায় । আমাদের কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন আর এই ধরনের চমৎকার   পোষ্টে প্রতিনিয়ত দেখার জন্য ।

সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ


গুগল সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে || How Google Search Works

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১

 আপনার মনের মধ্যে একটা প্রশ্ন এলো বিরিয়ানি কি করে তৈরি করতে হয়? আর এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য আপনি সবার প্রথম চলে গেলেন গুগলের যেখানে লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট আছে এবং হাজারো প্রসেস আছে কিভাবে বিরিয়ানি তৈরি করতে হয় । যদিও আপনি এটা আপনার মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতেন কিন্তু না আপনি গুগল কে বেশি ভরসা করলেন।


গুগল সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ  করে || How Google Search Works
গুগল সার্চ ইঞ্জিন


গুগল সার্চ ইঞ্জিন যেভাবে কাজ  করে

কারণ আপনি জানেন গুগল সমস্ত প্রশ্নের উত্তর জানেন। কিন্তু কিভাবে গুগল সমস্ত প্রশ্নের উত্তর জেনে যায় google.com নিজেও একটা ওয়েবসাইট। তা সত্ত্বেও এর মধ্যে আমরা সমস্ত ওয়েবসাইটের ইনফর্মেশন খুব ইজিলি পেয়ে যায়। একবারও কি আপনার মনে হয় না যে, এই গুগল কিভাবে কাজ করে কিভাবে এই গুগল সমস্ত ওয়েবসাইটের ইনফর্মেশন একত্রিত করে ? এবং তাদের বিভিন্ন ব্যাংক দিয়ে পেজের পরপয়েজ হিসেবে সাজিয়ে রাখে যাতে আপনার সুবিধা হয়। আজকে পোস্টে আমরা জেনে নেই গুগল কিভাবে কাজ করে গুগোল একটা ওয়েবসাইট কিন্তু আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট কে সার্চ করতে হয় তাহলে আপনি গুগলে গিয়ে সার্চ করেন। তবে একটা জিনিস আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে সমস্ত ওয়েবসাইটের ইনফর্মেশন কিন্তু গুগলের কাছে থাকে না । যদি আজকে আমি একটা ওয়েবসাইট বানাই তবে সেই ওয়েবসাইট থেকে কিন্তু গুগলের মধ্যে আসতে প্রায় তিন দিন থেকে এক সপ্তাহের মত সময় লেগে যেতে পারে । 

কারন গুগল নিজের অ্যালগোরিদম করবে এবং পৃথিবীতে যত ওয়েবসাইট আছে সেগুলোতে ভিজিট করতে থাকবে । এবং তার ডেট করতে থাকবে এই প্রক্রিয়ার জন্য তার একটু সময় লেগে যেতে পারে। এই কারণে নতুন ওয়েবসাইট গুগলের রাংর্কিংয়ে আছে  মোটামুটি তিন থেকে পাঁচ দিন বা এক সপ্তাহের মত সময় লেগে যেতে পারে । এবার যখন আমরা কোনো কিছু গুগলে সার্চ করব তখন যে সমস্ত ওয়েবসাইটগুলোকে কল করে রেখেছে অথবা দেখে রেখেছে । এবং সেই ওয়েবসাইটগুলোর ডেটাকে এক জায়গায় স্টোর করে রেখেছে এবং সেই ওয়েবসাইট গুলো কে সাজিয়ে রেখেছে সেই ওয়েবসাইটগুলো। আমরা দেখতে পাব গুগোল  যে প্রত্যেক দিন রিয়েল-টাইমে পৃথিবীতে যে সমস্ত ওয়েবসাইটগুলো কন্টিনুওসলি তৈরি হচ্ছে। তাদের সমস্ত ডাটা ইন্সট্যান্টলি দেখাতে পারেন তাহলে প্রশ্ন হল ওয়েব সাইট আছে এগুলো কিভাবে তৈরি করে কিভাবে তৈরি করে ওয়েবসাইট তৈরী হবে তাদের ডেটাগুলো অটোমেটিক্যালি গুগলের কাছে চলে আসবে। এই কাজের জন্য ইউজ করে অনেকেই বলে থাকেন কোন ওয়েবসাইটে গুগলের এই স্পাইডার স্পাইডার মানে একেবারে সত্যি কারের ভেবে নেবে না। এটা একটা ওয়েবসাইটের যায় তখন সেই স্পাইডার ওয়েবসাইট সার্চ করতে থাকে। 

যে ওই ওয়েবসাইটের মধ্যে আর অন্য কোন হাইপারলিংক আছে কিনা। ওয়েবসাইটের মধ্যে এমন কোন লিংক যেটা অন্য কোন পেয়ে যেতে বা অন্য কোন ওয়েবসাইটকে লিংক করে খুঁজে নেবে। তখন রোবটগুলোকে ইউজ করে আর যে সমস্ত ওয়েবসাইট আছে তাদের মধ্যেও চলে যাবে। এবং সেখানে কেউ সার্চ করতে থাকবে অন্য কোন হাইপারলিংক আছে কিনা এইভাবে যত হবে সেগুলোতে কন্টিনুওসলি সার্চ করতে থাকবে। এবং ডাটা কালেক্ট করতে থাকবে এরকম করতে করতে পারো ওয়েবসাইটের একটা জাল তৈরি করে। এই কারণের জন্যই বলা হয় তার সাথে সাথে যে ওয়েবসাইটকে স্পাইডার স্ক্যান করতে থাকবে। তাদের মধ্যে থাকা ইউ আরে রাইট দেস্ক্রিপশন কিওয়ার্ডগুলো কেউ সার্চ করতে থাকবে। এবং যে পাবে সে গুলোকে ব্যবহার করে নিজের ইন্ডেক্স বানাবে ইন্টারনেটকে নতুন নতুন নতুন আপডেটের জন্য। যদি কোন ওয়েবসাইট আপডেট হয় তবে তার আপডেট গুগল কালেক্ট করে নিজের ভেতর পুরে রাখি। মানে একটা কন্টিনুওস প্রসেস মানে কন্টিনিউয়াসলি গুগোল এই কাজটা করে চলেছে। এরকম মোটেই নয় যে ইন্টারনেটের একসঙ্গে করে তারপর সার্চ ইঞ্জিনে আমাদেরকে দেখাতে থাকে। 

এই রোবটগুলো কন্টিনিউ কাজ করতে থাকে এবং কন্টিনিউয়াস লেটেস্ট আপডেট করতে থাকে। এবং ব্যাপার হলো করে তবে সেগুলোর করার জন্য অনেক বড় বড় সার্ভারের দরকার হয়। তাই সারা পৃথিবীতে গুগলের অনেক বড় বড় সার্ভার চারিদিকে ছড়িয়ে আছে। এবার এটা তো হয়ে গেল গুগল কিভাবে এডিট করে তবে আমরা যখন কোন কিছু গুগলে সার্চ করি তখন সেই প্রশ্নটা কিভাবে কাজ করে। আপনি সার্চ করে বিরিয়ানি কিভাবে তৈরি করতে হয় কিংবা ধরুন হাউ টু মেক চিকেন বিরিয়ানি। চিকেন বিরিয়ানি যে ওয়েবসাইটে থাকবে  সেই ওয়েবসাইটগুলোকে গুগোল নিজে ওয়েবসাইটগুলোকে অথেন্টিক মনে হবে। এবং মনে হবে যে অনেক লোকের মধ্যে ভিজিট করে এবং এগুলোকে ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উপরের দিকে রাখবে। তারপর ওয়েবসাইটগুলোকে গুগোল আবার স্ক্যান করবে এবং কয়েকটি কোশ্চেন পড়বে। যেমন ধরুন চিকেন বিরিয়ানি কি ওয়েব সাইটের টাইটেল আছে কিংবা ধরুন চিকেন বিরানি ডেসক্রিপশনে আছে অথবা ওয়েবসাইটের মধ্যে এমন কি কোন জিনিস আছে যেটা সঙ্গে ম্যাচ করে।

 এছাড়াও ধরুন ওয়েবসাইটের মধ্যে যে সমস্ত হাইপারলিংক আছে সেগুলো সেগুলো গুগোল বারবার চেক করে দেখে আর সেই হিসেবে গুগল নিজের সার্চ রেজাল্ট তৈরি করে। এবং অথেন্টিক ওয়েবসাইটের মধ্যে যেতে পারি। এবং বিনা যানজটে আমাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যায় তবে গুগল সার্চের মধ্যে যে রেজাল্ট আমরা দেখি সেটা কন্টিনুওসলি একই থাকেনা। বিভিন্ন ধরনের ফ্যাক্টর আছে যার জন্য গুগল সার্চের রেজাল্ট অফ ডাউন হতে থাকে এবং তার সাথে চেঞ্জ হতে থাকে নানান ধরনের ওয়েবসাইট।


গুগল সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ  করে || How Google Search Works
গুগল সার্চ ইঞ্জিন


How Google Search Works

এর রেংক তার সাথে আরও একটা জিনিস ডিপেন্ড করে সেটা হল সিটিআর অর্থাৎ গ্রেট। মানে ধরুন কোনো কিছুকে আপনি গুগলে সার্চ করেছেন এবার বলুন মানুষ রেজাল্ট এর মধ্যে থেকে কোন একটা ওয়েবসাইট কে বারবার ধরে ভিজিট করছে। এবং সেই ওয়েবসাইটের মধ্যে কিছু টাইম কাটাচ্ছি তখন মনে করবে যে এই ওয়েবসাইটের সাথে সাথে ওই ওয়েবসাইটের ব্যাংকিং একটু বেড়ে যেতে পারে। তার সাথে এটাও ভ্যারি করে যেকোনো ওয়েবসাইটের ট্রাফিক কতটা বেশি জেনারেট হয় এর বিভিন্ন কারণের জন্য কোন ওয়েবসাইটে ব্যাংকিং ডিপেন্ড করে। সেটা হলো গুগোল সার্চিং ওয়েবসাইট এর কাছে কোন টাকা চার্জ মানে ধরুন যদি কোন ওয়েবসাইট মনে করে যে আমি গুগলে টাকা দিয়ে আমার ওয়েবসাইটে রাংর্কিং বাড়াবো তবে সেটা কিন্তু কোনভাবেই করবে না। 

তবে হ্যাঁ গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইট বানিয়েছে ওয়েবসাইট ওয়েবসাইট ঢুকবে না তবে এটাও মাথায় রাখতে হবে এর জন্য কিন্তু আপনার ওয়েবসাইট সার্চ রেজাল্ট আসবে না। আপনার ওয়েবসাইটে ঢুকবে এবং লেখা আছে আর আপনার ওয়েবসাইটের মধ্যে থেকে কালেক্ট কোরবে না। কিন্তু প্রবলেম ওটাই আপনার ওয়েবসাইট গুগলের সার্চ রেজাল্টে আসবে না যার ফলে আপনার ওয়েবসাইটের কমে যাবে কারণ এখন মোটামুটি সবাই সবকিছু সার্চ করে। আর গুগল সার্চের মধ্যে যদি আপনার ওয়েবসাইট না আসে তবে বুঝতে পারছেন যে আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক জ্যামের হবে না। তবে বর্তমানে গুগোল আগের থেকে অনেক বেশি অ্যাডভান্স হয়ে গেছে এমন কিছু জিনিস আছে যার জন্য গুগল চাই যে আপনাকে কোন ওয়েবসাইটে ঢুকতেই না হয়। তার রেজাল্টা আপনি গুগলের সার্চ এর মধ্যেই পেয়ে যান ধরলেন প্রেসিডেন্ট অফ আমেরিকা আমেরিকা ইনফরমেশন জানার জন্য আপনাকে কোন ওয়েবসাইটে যেতে হলো না গুগল নিজের মধ্যেই এর রেজাল্ট আগে আপনাকে দেখিয়ে দিলো। যদি আপনি গুগলের মধ্যে ক্যালকুলেটর তাহলে একটা ক্যালকুলেটর গুগল সার্চের মধ্যে চলে আসে। 

গুগলে সার্চ ইঞ্জিন গুগলে সার্চ ইঞ্জিন কে ব্যবহার করে তাদের বিয়ে দেয়ার মানেটা কি রকম ভাবে সার্চ করে কিভাবে রেজাল্ট জানতে চাই এগুলোকে ধীরে ধীরে নিজেই বুঝতে পারছে। এবং কন্টিনিউয়াসলি নিজেকে আপডেট করছে সুতরাং একটা টাইম ছিল যখন আমরা গুগলকে চালাতাম তবে বর্তমানে গুগোল আমাদের চালাচ্ছে মানে ধরুন আপনি যদি কোনোকিছুকে সার্চ করেন তবে গুগলের প্রথম পেজ এর মধ্যে যে কটা রেজাল্ট থাকে মস্ট প্রবাবলি আপনি এগুলোর মধ্যে একটা ক্লিক করে আমাদের বলে দিচ্ছে। যে কোনটাতে ক্লিক করতে হবে আপনি যদি কোন রাস্তা না জানেন গুগল আপনাকে রাস্তা দেখিয়ে দেবে। সেখানে যাওয়ার জন্য আপনি কি কিনবেন কী পড়বেন সবকিছুর জন্য গুগোল আমাদেরকে কোন না কোনভাবে কন্টিনিউয়াসলি ইনফ্লুয়েন্স করে চলেছে। এই কারণে যখন আপনার চিকেন বিরিয়ানি খাওয়ার ইচ্ছা তখন সেটা কিভাবে তৈরি করতে হয় সেটা জানার জন্য আপনি নিজের মায়ের কাছে না গিয়ে আগে গুগলের কাছে চলে যান। গুগোল যেভাবে বলে সেভাবে আমরা রান্না করে ফেলে বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই যদি ভালো লাগে তবে অন্য প্রসঙ্গে এই পোস্টি শেয়ার করতে একদমই ভুলবেন না। 

মোবাইল ফোন ও টাওয়ার কিভাবে কাজ করে ? চুলুন জানি

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১

 


মোবাইল ফোন ও টাওয়ার কিভাবে কাজ করে
কথা বলচ্ছে


মোবাইল ফোন ও টাওয়ার

মোবাইল ফোন তো আমরা সবাই ব্যবহার করে থাকি যদি আমাদের কাউকে ফোন করতে হয় তবে তার নাম্বারটা আমরা আমাদের ফোনে টাইপ করি তারপর ডায়াল করি । এবং সাথে সাথে সেই ফোনটা তার কাছে চলে যায় যাকে আমরা কল করেছিলাম । কিন্তু একবারও কি আপনি ভেবেছেন যে ফোনেতে আমরা যে কথা বলি সেগুলো হওয়ার মাধ্যমে কি করে অন্য একজনের কাছে চলে যায়? আর তাও ইন্সট্যান্টলি সোজাসুজি বললে মোবাইল ফোন কিভাবে কাজ করে আজকে এই পোষ্টে আমরা সেটাই জানার চেষ্টা করব । যে মোবাইল ফোন কিভাবে কাজ করে মোবাইল ফোন সম্পর্কে জানার আগে টেলিফোন সম্পর্কে একটু জেনে নেওয়া যাক । আগে আমরা টেলিফোনকে ব্যবহার করতাম সে ক্ষেত্রে যখন একটা টেলিফোন থেকে টেলিফোনে কল করা হতো সেখানে করার জন্য এবং কথা বলার জন্য একটা ডাক্তারের লাইন পাতা থাকতো । 

 চুলুন জানি

আর এর মাধ্যমে আমাদের যে আওয়াজটা আছে সেটা এক শহর থেকে অন্য শহরে কিংবা এক দেশ থেকে অন্য দেশে চলে যেত । কিন্তু মোবাইল ফোনে কোন রেসপন্স নেই সুতরাং ওয়ারলেস কমিউনিকেশন করার জন্য আমাদের কাছে এমন একটা ডিভাইস দরকার,যার সাহায্যে আমরা যে কথা বলি সেটা অটোমেটিকালি একটা সিগন্যাল হিসেবে ট্রানস্ফার শুরু হয় । এবং এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় তার ছাড়াই সিগন্যাল টা চলে যায় । আপনি যখন ফোন করতে যান আপনার কলটি প্রথমে আপনার টাওয়ারে যায়, সেখান থেকে প্রধান কেন্দ্রে চলে যায়। কেন্দ্রে সে খুঁজে বের করে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফোন নাম্বারটি কোন টাওয়ার এবং সাব-ডিবিশানে আছে। এর পর সে সাব-ডিবিশানে যায় এবং ওখান থেকে টাওয়ার হয়ে ওই ফোন নাম্বার কিংবা মোবাইলে কলটি যায়।

এখন আমি কলকাতাতে আছি এখান থেকে আমি একজনকে কল লাগাতে মুম্বাইতে আছে তাহলে আমার কাছে যে ফোনটা আছে সেটা কি অত দ্রুত গতিতে সিগন্যাল বের করতে পারবে ? যে ইন্সট্যান্টলি মুম্বাইতে চলে যাবে তারপর আমার কলটা আমি যাকে করেছিলাম তার কাছে পৌঁছে ফোন রিং হবে । সেও ফোনটা রিসিভ করবে এবং ইন্সট্যান্টলি আমরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলে নিতে পারি । তার মানে আমার কাছে যে ফোনটা আছে কলকাতাতে সেটা সিগন্যাল ট্রান্সলেট করবে এবং মুম্বাইতে যে আছে সে রিসিভ করবে তো এত দ্রুত গতিতে একটা মোবাইল ফোন সিগন্যাল ট্রান্সলেট করতে পারে না । আর এই কাজটা কি করার জন্য আমাদের কাছে আসে টাওয়ারের কনসলে অতএব আমরা যখন কাউকে ফোন করি তখন সেই সিগন্যাল টাওয়ারের চলে যায় । এবং টাওয়ারের দায়িত্ব হলো ওই ছেলেটাকে যাকে ফোন করেছি তার কাছ পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। সহজ ভাবে যদি দেখা যায় তবে আমি কাউকে ফোন করেছি এবার আমার ফোনে আছে মাইক্রোফোন । আমি যখনই কোনো কিছু বলছি সঙ্গে সঙ্গে অটোমেটিক্যালি সেটা টাইপ হয়ে যাচ্ছে । তার মানে তে কনভার্ট হয়ে যাচ্ছে কন্টিনিউয়াসলি আমার এই ভয়েসটা আমার ফোনে লাগানো যে আছে তার মাধ্যমে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ এ কনভার্ট হয়ে যাবে ।কারণ ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ না হয় তবে সিগন্যাল টাওয়ার পর্যন্ত কোন ভাবে পৌছাবেনা । 

আমাদের কথাগুলো প্রথমে কনভার্ট হয় এবং তারপর সেটা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ এ কনভার্ট হয় আমাদের ফোনের মধ্যেই হয় । তার পরিবারের কাছে ফোন করেছি তার ফোনটা তখন রিসিভ করবে আমার ফোন থেকে সিগনাল ট্রান্সমিট হয়েছিল যাকে ফোন করেছি তার ফল হিসেবে সেটাকে রিসিভ করবে । কিন্তু যখন তার ফোনটা রিসিভ করবে তখন ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ থাকবে । তারপর সেটাকে ডিলিট করবে এবং তার ফোনের স্পিকার আছে সেই স্পিকারের মাধ্যমে আমার কথাগুলো শোনা যাবে । অতএব যে ফোন করছে তার কথাটা প্রথমে ডিজিটালে কনভার্ট হয় তারপর সেটা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ এ কনভার্ট হয় এবং এতে তার ফোনে প্রথমে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ ঢুকে । তারপর সেটাকে এবং স্পিকারে সমস্যা হলো আমি তো আপনাদের বলে দিচ্ছি এইটার থেকে শুনতে খুব সহজ লাগছে । কিন্তু সারা পৃথিবীতে একটাই টাওয়ার নেই এমনকি লক্ষ লক্ষ টাওয়ার আছে এবং কি এখন প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা টাওয়ার আছে । তাহলে নেটওয়ার্ক প্রোভাইডার বুঝবে কি করে যে তাকে কোন টাওয়ারে সিগনাল সেন্ড করতে হবে । তার মানে আমার কাছে যেটা ছিল তার কাছে চলে গেল কিন্তু ওইটা কি করে বুঝবে যে যাকে ফোন করে সে কোন টাওয়ার এর আন্ডারে আছে । কিংবা ধরুন কোন এলাকা আছে আপনার জানার জন্য ভুল দিয়েছে টাওয়ারের কাছে এরকম কোন ক্ষমতা থাকেনা যে ওইটা আবার করতে পারবে । যে তাকে অন্য কোন টাওয়ারে সিগনাল টাকা সেন্ড করতে হবে প্রত্যেকটা আলাদা আলাদা টাওয়ারের হিসেবে ডিলিট করা থাকে । অতএব প্রত্যেক টাওয়ার এর আন্ডারে একটা পার্টিকুলার এরিয়া থাকে দূর থেকে আমাদের কাছে সিগন্যালটা আসে তাকে আমরা ভেজটেশন বলে থাকি । বলা হয়ে থাকে অর্থাৎ আমাদের কাছ থেকে সিগন্যাল এবং আমাদেরকে সিগনাল দেয় এবারে আমাদের ফোনের সঙ্গে কানেক্ট থাকবে সেটা দিরেক্টলি কানেক্টেদ থাকে । 

অর্থাৎ মোবাইল সেন্টার এর সাথে কানেক্টেড থাকে আপনাদের এলাকায় আছে সেই প্রত্যেকটা এলাকাভিত্তিক একটা করে মোবাইল সুইচিং সেন্টার থাকে । যার মধ্যে আপনার ফোনের সমস্ত ইনফরমেশন থাকে আপনার এলাকাতে যেটা থাকে তার কাজ হল আপনার কাছ থেকে সমস্ত ইনফরমেশন নিয়ে এমএসসি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া । আর ওই মোবাইল সুইচিং সেন্টারের কাজ হলো যে আপনার কাছ থেকে যে সিগন্যাল টেস্ট সেটাকে পর্টিকুলারলি সেই জায়গা পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার । যেখানে আপনি কল করেছেন এই মোবাইল সুইচিং সেন্টারগুলো প্রত্যেকটা শহরে আলাদা আলাদা থাকে ওই শহরের যতটা আছে ওই

মোবাইল ফোন ও টাওয়ার কিভাবে কাজ করে
মোবাইল পারস


মোবাইল সুইচিং সেন্টার এর সঙ্গে কানেক্ট থাকে । শহরের সমস্ত মোবাইল সিগন্যাল ওই শহরের এমএসসি পর্যন্ত আসে তারপরে ওখান থেকে ট্রান্সফার হয় । এবার ওই মোবাইল সুইচিং সেন্টারগুলোর মধ্যে আপনার সমস্ত ইনফরমেশন থাকে আপনার ফোনের আইএমইআই নাম্বার কত আপনার ফোনটা কোন টাওয়ার এর সঙ্গে কানেক্ট আছে । এমনকি আপনার ফোনে কত ব্যালেন্স আছে এই সমস্ত ইনফরমেশন মোবাইল সুইচিং সেন্টারগুলোর কাছে থাকেন । আর বাকি যে সমস্ত মোবাইল সুইচিং সেন্টার আছে সব একে অপরের সাথে কানেক্টেড থাকে অথবা সম্পর্কিত জোকস আছে ওই মোবাইল স্যুইচড সেন্টারে আছে । এবার ব্যাপারটা হলো আপনার যেখানে পৌঁছতে হবে সেটাকে সুইচ করাতে হবে মানে আপনি যেখানে কল করেছেন সেটা কোচিং সেন্টার এর সঙ্গে কানেক্ট আছে । এবং কোন টাওয়ারের আন্ডারে সেই ব্যক্তি যাকে আপনি কল করেছেন অটোমেটিক্যালি এরকমভাবে সুইচ করতে করতে আপনার কলটা সেই ব্যক্তির কাছে পৌঁছে যায় যাকে আপনি ফোন করেছেন । এবার আপনি হয়তো খেয়াল করেছেন যখনই আপনি কাউকে ফোন করেন তখন লাগার আগে এরকম ধরনের শব্দ হয় কেন? এটা এই কারনেই হয় যে মাঝখানে যে প্রশ্নগুলো হচ্ছে মানে একটা শুটিং সেন্টার থেকে আরেকটা সুইচিং সেন্টারে আপনার ফোনটা ট্রানস্ফার হচ্ছে । এই সবকিছুর জন্য যেটা হয় তার জন্য এরকম টুকটুক টুকটুক করে শব্দ হয় । আপনার যেটা মনে হয় যে ১৫ সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার ফোন লেগে গেল এবং আপনি খুব ইজিলি ফোনেতে কথা বলছেন এটা আমাদের মনে হয় আমাদের আর কি আমারও তো এগুলো কখনো ভাবিও না । আমরা শুধু ফোনের ডায়াল করেই সাথে সাথে কল লেগে যায় আর বিন্দাস কথা বলতে থাকি ।

 এবার আপনি ধরুন কাউকে ফোন লাগিয়েছেন অথচ নেটওয়ার্ক তাকে খুঁজে পাচ্ছে না মানে ডিসাইড করতে পারছে না । যে কোন নেটওয়ার্ক আরে সেই ব্যক্তি টা আছে তখন উল্টো দিক থেকে আপনাকে বলবে যে যে ব্যক্তি কে আপনি ফোন করেছেন তিনি নেটওয়ার্কের বাইরে আছে । এবার ধরুন এরকম অবস্থায় মানে যদি কোন নেটওয়ার্কের বাইরে মোটামুটি কুড়ি মিনিট থেকে ৩০ মিনিটের মত থাকে তখন আপনাকে বলবে যে ব্যক্তি কে আপনি ফোন করেছেন তার ফোন সুইচড অফ আছে । মানে ধরুন আপনি যদি আপনার ফোন থেকে বার করে রাখেন কিংবা ফোনকে অনেকক্ষণ ধরে ফ্লাইট মোডে রাখেন তাহলে আপনার ফোন সুইচ অফ না থাকলেও নেটওয়ার্ক কিন্তু আপনাকে বলবে যে উনার ফোন সুইচ অফ আছে । যাকে আপনি ফোন করেছেন এবার ধরুন আপনি কাউকে ফোন করেছেন এবং সেই ব্যক্তিটি অন্য কলে ব্যস্ত আছে তখন সিগন্যাল তো ওর ফোন পর্যন্ত পৌঁছে যাবে । কিন্তু ওর ফোন বলবে যে আমি এখন ব্যস্ত আছি আর সাথে সাথে নেটওয়ার্ক প্রবাহ আপনাকে বলে দেবে যে যাকে আপনি ফোন করেছেন তিনি অন্য কলে ব্যস্ত আছেন ।

আপনি কিছুক্ষণ ওয়েট করতে পারে এরকম ভাবেই সাধারণত এই কাজগুলো হয়ে থাকে এত কিছু একটা করতে হয়। আমাদের ফোন কল করার জন্য এই সব কিছু আমরা এমনিতেই পেয়ে গেছি আমাদের এত কিছু ভাবতে হয় না । আমরা শুধু ফোন করি আর লেগে যায় । আর এই সবকিছু তো আল্লাহ দান, তাই নিয়েই সবকিছু আমরা আমাদের ব্রেইন থেকে বের করেছি । সুতরাং একটা মানুষের মাথার মধ্যে কত ক্ষমতা থাকে আপনার ব্রেইন কে যদি আপনি সঠিক কাজে ব্যবহার করতে পারেন । তবে সেখান থেকে এত লাভ পাওয়া যায় যে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না । এবার আমরা ফোনের মাধ্যমে যে কথাগুলো বললি সেগুলো কিন্তু এনক্রিপটেড থাকে মানে কেউ চাইলেও ওটাকে মাঝপথে শুনে নিতে পারবে না । আপনার ফোনের সিম টা থাকে তার মধ্যে একটা এনক্রিপশন কিট থাকে আর যার জন্য আপনি যে কথাগুলো বলে সেগুলো সমস্ত কিছু এনে থাকে । তাহলে একবার ভাবুন যে আপনি আপনার ফোনে তে যে এই ভিডিওটা দেখছেন এটা কত ধরনের কত রকম ভাবে আপনার কাছে আসছে । সে আপনি ফোনের ডাটা ইউজ করে দেখুন কিংবা ওয়াইফাই যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের এসব কিছু ভাবতে হয় না । আমরা শুধুমাত্র ফোনের মধ্যে ভিডিও দেখি এনজয় করি । তো বন্ধুরা কেমন লাগলো আর কি মনে হয় সেটা কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন সমস্ত বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন তারাও জানে কীভাবে আমাদের এই ফোন কল কাজ করে ।

Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo