Responsive Ad Slot

কাল্পনিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কাল্পনিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মিল্কিওয়ের কোথায় আছে ভিনগ্রহীরা ?

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২

মিল্কিওয়ের কোথায় আছে ভিনগ্রহীরা
কেন্দ্রস্থলের আশেপাশেই ভিনগ্রহীদের এমন বহু সভ্যতা থাকতে পারে ছবি ।


প্রাণের অস্তিত্বের সন্ধানে মানুষ আমাদের সৌর মন্ডল এবং তার বাইরে দূর মহাকাশে নজরে কি আসছে । মিল্কিওয়ের ছায়াপথের কোথায় হতে পারে ওই সমস্ত ভিনগ্রহীদের খোজ । তা নিয়ে চলছে গবেষণার আর এবার পথ দেখালেন বিজ্ঞানীরা । হ্যাঁ বন্ধুরা, খুব দূরে নয় আমাদের ব্রহ্মান্ডে আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথে রয়েছে ভিনগ্রহীরা ।ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলের আশেপাশেই ভিনগ্রহীদের এমন বহু সভ্যতা থাকতে পারে ।

ভিনগ্রহীরা

যে সভ্যতা গুলো প্রযুক্তির দিক থেকে আমাদের এই মানব সভ্যতার থেকেও অনেক গুন এগিয়ে । মার্কিন অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি বা ESA একটি গবেষণা পত্রে প্রকাশীত এই খবর দিয়েছেন ।মিল্কিওয়ের ছায়াপথে ভিনগ্রহীদের সভ্যতাগুলোর সভাব্য ঠিকানা খুঁজে বের করতে বিভিন্ন টেলিস্কোপ ও উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে ।মহাকাশে পাঠানো তথ্যের  ভিত্তিতে কম্পিউটার সিমুলেশন করেছিলেন আমেরিকার পেন্সিল স্টেট ইউনিভার্সিটির এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্ট অধিকর্তা ও তার সহযোগী বিজ্ঞানীরা ।

গবেষণা থেকে এটা জানা গিয়েছে এলিয়েনদের অ্যাডভান্স সে সভ্যতা গুলির হয়ত উৎপত্তি হয়েছে, মিল্কিওয়ের ছায়াপথের জন্মের একশ থেকে দেড়শ কোটি বছরের মধ্যেই । প্রসঙ্গত আমাদের এই  ছায়াপথের বয়স প্রায় এক হাজার ৩৫০ কোটি বছর । এর মানে বিংব্যংক বা মহা বিস্ফোরণের পর ব্রহ্মান্ডের সৃষ্টি হওয়ার ২০০ কোটি বছরের মধ্যেই ভিনগ্রহীদের সভ্যতার উৎপত্তি হয়েছিল ।

আরও পড়ুন:কেন এলিয়েনদের সাথে আমাদের এখনো দেখা হয়নি? ভিনগ্রহের প্রাণীদের সম্পর্কে

কালের নিয়মে সেই সভ্যতা গুলির কিছু কিছু বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে এতদিনে ।আমাদের ব্রহ্মাণ্ড ফুলেফেঁপে উঠছে প্রায় প্রতিটি মুহূর্তই বেলুনের মতো ।বেলুন ফুলা যেমন তার উপরে থাকা দুটি বিন্দুর মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে ক্রমশ । ঠিক তেমন ব্রহ্মাণ্ড ফুলে-ফেঁপে ওঠে ফলে গ্যালাক্সিগুলোর একে অন্যের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।সেই সব গ্যালাক্সির ভেতরে থাকা নক্ষত্রগুলো তার স্থানে বদল করেছে ।একে অন্যের থেকে দূরেও সরে যাচ্ছে ।ফলে ভিনগ্রহীদের সভ্যতাগুলো অবস্থানের পরিবর্তন হচ্ছে খুবই দূরত ।


মিল্কিওয়ের কোথায় আছে ভিনগ্রহীরা ১
ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলের আশেপাশেই হয়তো ও সমস্ত ভিনগ্রহীদের সভ্যতা গুলি হবে ছবি ।


তবে গবেষণাপত্রটি এটাও জানিয়েছেন মিল্কিওয়ের ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলের আশেপাশেই হয়তো ও সমস্ত ভিনগ্রহীদের সভ্যতা গুলি হবে । পৃথিবী থেকে মিল্কিওয়ের ছায়াপথের কেন্দ্রের কাছে থাকা সুপার্মাসিভ ব্লাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর রয়েছে ।যেটা পৃথিবী থেকে ৩০ হাজার আলোকবর্ষ দূরের ।এর থেকেও কম দূরত্বে থাকতে পারে ঐ সমস্ত ভিনগ্রহী সভ্যতাগুলো । গবেষকরা এই সমস্ত তথ্য পেয়েছেন কম্পিউটার সিমুলেশন করে । যারা দেখেছেন ভিনগ্রহীদের এই সমস্ত সভ্যতার হাতে রয়েছে এমন সব উন্নত টেকনোলজি যা তাদেরকে গ্যালাক্সি থেকে অন্যদিকে খুবই দ্রুত সরিয়ে নিতে সাহায্য করছে।

আরও পড়ুন:অক্সিজেন উড়ে যাবে! পৃথিবীতে থাকবে না কোনও প্রাণ, আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

আর যা কারনে তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারছে ।মানে বলা চলে তারা হাইলি অ্যাডভান্স কোন সভ্যতা হবে ।বন্ধুরা বিজ্ঞানের এই খজটি আমাদেরকে এই ধারণা দিয়েছে আমাদেরকে মিল্কিওয়ের ছায়াপথে কেন্দ্রের দিকে থাকতে পারে হাইলি অ্যাডভান্স এলিয়েন সভ্যতা ।কিন্তু এখানে প্রশ্ন একটাই কেন ওই ধরনের অ্যাডভান্স সভ্যতা আমাদের এই গ্রহে আসে না ।কেমন লাগলো সেটি অবশ্যই কমেন্টে করে জানাবেন ।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।

কি হবে যদি সমুদ্রের জল শুকিয়ে যায়?

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২২

কি হবে যদি সমুদ্রের জল শুকিয়ে যায়
পৃথিবীর সমস্ত সমুদ্রের জল নিমেষের মধ্যে শুকিয়ে যায় ছবি ।


আজকের পোষ্টা একটু কাল্পনিক অতএব আশা করব আপনারা কাল্পনিকভাবে এই পোষ্টি পড়বেন । তবে কাল্পনিক হলেও আমরা সায়েন্সের থিওরী দিয়ে জানার চেষ্টা করবো । কি হতে পারে যদি পৃথিবীর সমস্ত সমুদ্রের জল নিমেষের মধ্যে শুকিয়ে যায়? কি হবে যদি কোন রহস্যময় পোর্টালকে ব্যবহার করে আমরা পৃথিবীর সমস্ত সমুদ্রের জল কে শুকিয়ে দিতে পারি ? এই বিশাল জলরাশি শুকাতে কত সময় লাগতে পারে্? কয়েক বছর নাকি কয়েক দশক না লক্ষ লক্ষ বছর লেগে যেতে পারে? এরপর একই কোন প্রাণী পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে সক্ষম হবে কিন্তু রাতারাতি নিমেষের মধ্যে হয়ে গেলে কি হতে পারে? 

সমুদ্রের জল

ভূপৃষ্টে প্রায় ৭০ ভাগ জায়গায় সমুদ্র দখল করে আছে ।কিন্তু তার মানে কতটা জল আপনি কি কল্পনা করতে পারছেন । আপনি যদি এই সমস্ত জলকে অলিম্পিক সাইজের সুইমিংপুলে ভর্তি করা শুরু করেন । তাহলে আপনার এই ৫৩৫,২০০,০০০,০০০,০০০ এতগুলো অলিম্পিক সাইজের সুইমিংপুল লাগবে । আমরা যদি বাস্কেট বল কোর্টর সাইজের পোর্টাল খুলি তাহলে লক্ষ লক্ষ বছর লেগে যাবে সমুদ্র জল শুকাতে । কিন্তু কি হবে যদি আমরা এমন কোন একটা কাল্পনিক পাম্প আবিষ্কার করতে পারি । যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বা কয়েক এক ঘন্টায় সমস্ত সমুদ্রের জল শুকিয়ে দিতে পারবে ।

যারা সমুদ্রের সাঁতার কাটছে উপকূলবর্তী নাবিকরা এবং ক্রস জাহাজের প্যাসেঞ্জার রা তারা খুব দ্রুত এই ইফেটা বুঝতে পারবে । কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই উপকূলবর্তী এলাকায় যারা সাঁতার কাটছিল বা যারা নৌকা বা জাহাজ চালাচ্ছিল তারা সমুদ্রের তলদেশে আছে পড়বে।কিন্তু মাছ সমুদ্রের বড় বড় জাহাজের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা খুব দূরধশি হয়ে উঠবে । টাইটানিকের মতো বড় সাইজের কোন যদি জাহাজ সমুদ্রের মাঝখানে থাকে ।তাহলে তার ৩০ সেকেন্ড সময় লাগবে উপর থেকে সমুদ্র তলে আছড়ে পড়তে । এবং আছড়ে পড়ার পর আপনি বুঝতে পারছেন ক্ষতবিক্ষত হয়ে ভেঙ্গে পড়বে জাহাজটা ।প্রথম এক মিনিটের মধ্যে মাছ সমুদ্রের সমস্ত বড় বড় জাহাজের সঙ্গে একই রকম জিনিস ঘটবে ।

সামুদ্রিক প্রাণীদের কি হতে

এরপর দেখা যাক সামুদ্রিক প্রাণীদের কি হতে পারে ।আমার মনে হয় আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এদের কি হতে পারে।নিমিষের মধ্য সমুদ্রের সমস্ত মাছ মারা যাবে এবং বৃষ্টির মতো সমুদ্রের তলদেশে ঝরে পড়তে থাকবে । কারণ সমুদ্রের উপরিতলে যে সমস্ত প্রাণীর ভেসে বেড়ায় তারা সমুদ্রের জল শুকিয়ে যাওয়ার পর সমুদ্রের তলদেশে ঝরে পড়বে । কিন্তু যে সমস্ত সামুদ্রিক প্রাণীর সমুদ্রের তলদেশে থাকে তারা হয়তো জলের স্রোতের সঙ্গে হারিয়ে যেতে পারে । এই সবতো গেলে প্রাথমিক ফলাফল এর পর আসল যে সমস্যাটার সম্মুখীন আমাদের হতে হবে সেটা আলোচনা করা যাক ।

সমুদ্রের তাপমাত্রা

আমাদের সমুদ্র পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চার এর জন্য প্রধানত দুটো কাজ করে থাকে ।প্রথমত সমুদ্রের তাপমাত্রাকে সমুদ্রের জল ধরে রাখে এবং সমুদ্রের স্রোত এর মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয় । যার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা মোটামুটি কন্ট্রোলে থাকে ।কোন জায়গায় অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে যায় না আর কোন জায়গা অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় না ।

সমুদ্রে জলচক্র নিয়ন্ত্রিত 

দ্বিতীয় সমুদ্রে জন্য জলচক্র নিয়ন্ত্রিত হয় । সূর্যের তাপে সমুদ্রপৃষ্ঠের জল বাষ্প হয়ে বায়ূমন্ডল বাতাসের সাথে মিশে যায় । এবং তারপরে আপনি জানেন বৃষ্টি হিসেবে পৃথিবীপৃষ্ঠে আবার ঝরে পড়ে । যে মুহুতে পৃথিবী থেকে সমুদ্র হারিয়ে যাবে পৃথিবী একটা জায়গাটিক মরুভূমিতে পরিণত হবে । আপনার বাড়িতে ছাতা থাকলে তার আর কোন প্রয়োজন পড়বে না । কারণ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আর থাকবে না । তবে সূর্যের তাপ থেকে বাঁচার জন্য হয়তো ছাতা আপনার কাজে লাগতেও পারে ।


যদি সমুদ্রের জল শুকিয়ে যায়
যদি সমুদ্রের জল শুকিয়ে যায় ছবি ।

লেক ও নদী

কিন্তু সমুদ্র শুকিয়ে গেলেও পৃথিবীতে বহু বড় বড় লেক মানে রত এবং নদী তো থাকবে । তারা কি আমাদের বাঁচাতে পারবে? কিন্তু দাঁড়ান সমুদ্র ছাড়া পৃথিবীতে ৯৭ শতাংশ জল থাকবেনা । আর লেক ও নদী গুলোতে যে জল থাকবে তা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পর্যাপ্ত নয় । পানীয় জল খুব দ্রুতগতিতে বাষ্পাকারে  উড়ে যাবে কয়েক দিনের মধ্যেই মানুষ এবং সমস্ত প্রাণীরা জলের অভাবে ডিহাইড্রেশন হয়ে মারা যাবে ।

গাছপালা ও জঙ্গল

গাছপালা এবং জঙ্গলের মারা যেতে হয় তো কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে । কয়েক মাসের মধ্যেই জঙ্গল এবং ঝপঝার গুলো শুকনো জ্বালানিতে পরিণত হবে ।এরপর ছোট-বড় দাবানলের ফলে এই সমস্ত কিছুই জ্বলে যেতে শুরু করবে ।প্রায় এক বছরের মধ্যেই পৃথিবীর সমস্ত জঙ্গল জ্বলে পুড়ে শেষ হয়ে যাবে । আর দাবানলের ফলে যত আগুন লাগা শুরু করবে পৃথিবীর অক্সিজেনের পরিমাণ তোত কমে যেতে থাকবে । কারণ আপনি জানেন কোন কিছুকে জ্বলার জন্য অক্সিজেনের দরকার হয় ।ফলস্বরুপ কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে ।

এই পর্যন্ত যদি কোন মানুষ বেঁচে থাকে । তাহলে তারা অনুভব করতে পারবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আর শ্বাস প্রশ্বাস চালানোর জন্য উপযুক্ত নয় । এবং সূর্যের প্রচণ্ড তাপে সমস্ত প্রাণীরা মারা যাবে । পৃথিবী অনেকটা শুক্র গ্রহের মতো হয়ে যাবে । অতএব জল দূষণ এবং জল অপচয় কে কন্ট্রোল করা আমাদের দায়িত্ব । প্রকৃতির প্রত্যেকটি এলিমেন্ট আমাদের জন্য এসেনশিয়াল জীব জগতের শ্রেষ্ঠ প্রাণী উপাধি যখন আমাদের কাছে আছে তাহলে পৃথিবীতে সুরক্ষিত রাখা আমাদের দায়িত্ব ।


Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo