পোস্টগুলি

গবেষণা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কাজ করবে না আর অ্যান্টিবায়োটিক, ‘অবাধ্য’ জীবাণুর কামড়ে পৃথিবীতে প্রাণ হারাবে ৪ কোটি মানুষ!

ছবি
অ্যান্টিবায়োটিক এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   অ্যান্টিবায়োটিকের উদ্ভাবন চিকিৎসা বিজ্ঞানের যুগান্তকারী আবিষ্কারের অন্যতম। কিন্তু মুড়ি-মুড়কির মতো সেই ওষুধ খেয়ে চলাই কাল হতে চলেছে। চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করলেও ভ্রূক্ষেপ করেননি কেউ। কেননা এর ফলে একশ্রেণির জীবাণু ক্রমেই অবাধ্য’ হয়ে উঠছে। যার জেরে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণ। গবেষকরা দাবি করেছেন যে, ২০৫০ সালের মধ্যে ৪ কোটি মানুষের মৃত্যু হবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণের কারণেই। কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিডোমিওলজিস্ট জোসেফ লিওনার্দ বলেছেন যে, আমরা নিজেদের কোথায় এনে ফেলেছি এটা আমাদের বুঝতে হবে।দ্য ল্যান্সেট’-এ প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ১৯৯০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এই কারণে। আগামী সময়ে এর হার আরও বাড়বে। এবং ২০২৫ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে তা বার্ষিক ২০৪টি দেশের ২০ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ হবে। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়াবে ৩ কোটি ৯০ লক্ষের বেশি। আরও পড়ুন:  মঙ্গলে সন্ধান দেড় লক্ষ টন জল, প্রাণে...

মঙ্গলে সন্ধান দেড় লক্ষ টন জল, প্রাণের সন্ধান মিলবে? নতুন গবেষণা ঘিরে শোরগোল

ছবি
মঙ্গলের ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৩.৫ মাইল উপরে দেড় লক্ষ টন জল । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গল  গ্রহের  ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৩.৫ মাইল উপরে বরফের এই স্তর তৈরি হয়। মঙ্গলের সবচেয়ে উঁচু আগ্নেয়গিরি অলিম্পাস মনসসহ আগ্নেয়গিরি অঞ্চলে বরফের পাতলা স্তর রয়েছে। লাল গ্রহের ঠান্ডা ঋতুতে সূর্য ওঠার আগে প্রতিদিন এই স্তর তৈরি হয়। বিজ্ঞানীরা এই প্রথম মঙ্গলের বিষুবরেখার এত কাজে বরফের আকারে জলের সন্ধান পেলেন। পৃথিবী ছাড়া আর কোন গ্রহে প্রাণ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে? বহু বছর ধরে এই নিয়ে গবেষণা করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। প্রাণের অস্তিত্ব থাকার অন্যতম শর্ত হল জল। লাল গ্রহ মঙ্গলে সেই জলের অস্তিত্ব রয়েছে বলে আগেই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এবার এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, মঙ্গল গ্রহের সবচেয়ে উঁচু আগ্নেয়গিরিতে বরফের আকারে জল রয়েছে। যার পরিমাণ চমকে দেওয়ার মতো। প্রায় দেড় লক্ষ টন। নেচার জিওসায়েন্স জার্নালে একটি আন্তর্জাতিক গবেষক দলের সেই গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। আরও পড়ু ন: গত ৫০ বছরের এত তীব্র সৌরঝড়, আগুনের ঝাপটা এল পৃথিবীর দিকেও, ছবি তুলল আদিত্য-এল১ বিজ্ঞানীরা এই প্রথম মঙ্গলের বিষুবরেখার এত কাজে বরফের আকারে জলের সন্ধান পেলেন।...

রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোল গিলে নিতে পারে তিন হাজার কোটি সূর্যকে! এমনি দাবি বিজ্ঞানীদের

ছবি
রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোল । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  খোঁজ পাওয়া গেল ব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বড় ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের। যা দু দশ লক্ষ নয় গ্রাস করতে পারে প্রায় তিন হাজার কোটি সূর্যকে। এমনই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।  বিজ্ঞানীদের দাবি যে , এই কৃষ্ণগহ্বরের ভর সূর্যের ভরের তিন হাজার কোটি গুণ বেশি। অর্থাৎ, সহজ কথায় এই কৃষ্ণগহ্বরে এঁটে যেতে পারে প্রায় তিন হাজার কোটি সূর্য। যদিও এই কৃষ্ণগহ্বর আমাদের নক্ষত্রমণ্ডল থেকে বহু আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আরও পড়ুন:  ব্ল্যাক হোল 8.5 বিলিয়ন বছর আগে উজ্জ্বল নক্ষত্রকে হত্যা করেছিল, যার আলো এখন পৃথিবীতে এসে পৌঁছল সাম্প্রতিক সময়ে কৃষ্ণগহ্বরটিকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি’র মাসিক গবেষণাপত্রে এই আবিষ্কারের কথা উঠে এসেছে। বিশেষ শক্তিশালী লেন্স ব্যবহার করে প্রায় দুই দশক ধরে গবেষণা চালিয়ে এই কৃষ্ণগহ্বরটি খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। ২০০৪ সালে ডারহাম ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞানী অ্যালিস্টার এজ় প্রথম এই কৃষ্ণগহ্বরের উপস্থিতি সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিলেন।  আরও পড়ুন:  ধেয়ে ...

পৃথিবীকে সঙ্কটে ফেলছে কোন দেশগুলো? স্যাটেলাইট থেকে বের করে ফেলল NASA

ছবি
র্তমানে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন সারা বিশ্বের দেশগুলি  এমনি চিত্র। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  কার্বন নিঃসরণকে কেন্দ্র করে একের পর এক সতর্কবার্তা দিয়ে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু তাতেও কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য় করা যাচ্ছে না। বরং মানুষ যত উন্নয়নশীল হয়ে উঠছে সেই সঙ্গে অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পুরো পৃথিবী। বর্তমানে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন সারা বিশ্বের দেশগুলির মধ্যে একমাত্র বিতর্কের কারণ হয়ে উঠেছে। কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে সব দেশই বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।  কিন্তু কোনও সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ এখনও অবধি নেওয়া হয়নি বললেই চলে। আর গবেষকরা বহুদিন ধরেই কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন নিয়ে অনেক গবেষণা করে চলেছেন। বর্তমানে এক নতুন গবেষণায় মারাক্ত ফলাফল এসছে।  পৃথিবীকে যে দেশগুলো বিপদে ফেলছে নাসার পর্যবেক্ষকরা স্য়াটালাইটের সাহায্যে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন নিয়ে পরীক্ষা করেছেন। আর তারপর তারা গবেষণা সংক্রান্ত একটি মানচিত্র সামনে এনেছেন। এতে সেসব দেশকে সবুজ রঙে দেখানো হয়েছে। সেই সব দেশগুলির কার্বন নিঃসরণ কম। গাঢ় ...

ভেঙে পড়ল সূর্যের ভূপৃষ্ঠ একাংশ! মহাজাগতিক দৃশ্য দেখে অবাক বিজ্ঞানীরা

ছবি
সূর্যের একাংশ ভেঙে পড়ার ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগতের প্রধান সূর্য। তাকে নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের শেষ নেই। নানা ভাবে পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্রকে নিয়ে চলছে গবেষণা। এবার সূর্যে বড়সড় চাঞ্চল্য নজরে এল বিজ্ঞানীদের। সূর্যের একটা বড় অংশ ভেঙে পড়তে দেখলেন তাঁরা। সূর্য থেকে প্লাজমা ভেঙে পড়ল কেন? গত ফেব্রুয়ারি তে সূর্যের প্লাজমার একটা বড় অংশকে দেখা যায় সূর্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে। সেই বিচ্ছিন্ন অংশটিকে সূর্যকেই প্রদক্ষিণ করতে দেখেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে দেখা যায় যে, এর ফলে সূর্যের উত্তর মেরুতে একটি ঘূর্ণি সৃষ্টি হচ্ছে। পরে অবশ্য আর ভেঙে পড়া টুকরোটিকে দেখা যায়নি। নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ থেকেই দেখা গেল মহাজাগতিক এই দৃশ্য।  আরও পড়ুন:  কালপুরুষ নক্ষত্র মন্ডল কাকে বলে? Orion Constillation নাসার বিজ্ঞানী ড. তামিথা স্কভ সেই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি কয়েক সেকেন্ডের হলেও আসলে তা ৮ ঘণ্টা সময়কালের।কিন্তু কেন সূর্য থেকে প্লাজমা ভেঙে পড়ল? আসলে সূর্যের অধিকাংশ অংশই নানা ধরনের গ্যাস দিয়ে তৈরি। কেবল সূর্যই নয়, সব ধরনের নক্ষত্রের ভিতরটাই এরকম।  আরও পড়ুন:  তুরস...

নাসাতে চাকরির বড় সুযোগ! ১৫ লাখ টাকা মাইনে দেবে টানা দু’মাস বিছানায় শুয়ে থাকলে?

ছবি
কি কি কাজ করতে পারলে মিলবে ১৫ লাখ টাকা বেতনের চাকরি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা দিচ্ছে চাকরির বড় সুযোগ। কাজ বলতে বিছানায় শুয়ে টিভি দেখতে হবে। বেতন শুনলে চমকে উঠবেন। লক্ষ লক্ষ টাকা।সারাক্ষণ শুয়ে থাকলে ভাগ্যও শুয়ে থাকে। বাড়িতে বেশিক্ষণ শুয়ে থাকলে বা ঘুমিয়ে থাকলে এমন কথা শুনিয়ে দেন বাবা মায়েরা। সে নিয়ে তৈরি হয় মিম কনটেন্টও।  নাসাতে কিভাবে মিলবে ১৫ লাখ টাকা মাইনে চাকরির চিন্তা নেই, সত্যিই হচ্ছে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা দিচ্ছে চাকরির বড় সুযোগ। নাসায় চাকরি পেতে তো বিশাল মেধা আর বিজ্ঞানে অগাধ জ্ঞান থাকা জরুরি।তবে এবার যে চাকরিটা  নাসা দিচ্ছে, তাতে এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। কাজ বলতে বিছানায় শুয়ে টিভি দেখতে হবে। বেতন শুনলে চমকে উঠবেন। লক্ষ লক্ষ টাকা। এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এতটাই বিস্তৃত যে, তা নিয়ে গবেষণার শেষ নেই।  তাই মহাকাশবিজ্ঞানীরা এই মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচন করতে নিরন্তর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন।সম্প্রতি নাসা কৃত্রিম মাধ্যাকর্ষণ শক্তি নিয়ে গবেষণা করছে। সেজন্য এমন কয়েকজন ভলেন্...

ব্রহ্মাণ্ড আর কত বৃদ্ধি পাবে? না ফের চুপসে যেতে শুরু করবে

ছবি
বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাবিশ্বের উদ্ভব প্রায় ১৩৮০ কোটি বছর আগে। তখন থেকেই ক্রমশ বাড়ছে ব্রহ্মাণ্ড যেমন বাড়ে মানবশিশু। আবার ব্যাপারটা বেলুনে ক্রমশ হাওয়া ভরার সঙ্গেও তুলনীয়। আদি পর্বের সেই কথা অনেকেরই জানা।বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ভবিষ্যৎ তাহলে কী? বৃদ্ধির সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে সে কি ফের চুপসে যেতে শুরু করবে কী? এমনি বিষয় নিয়ে চলছে গবেষনা। ফের চুপসে যাওয়ার ইঙ্গিত এখনও নেই ব্রহ্মাণ্ডের বৃদ্ধির তুরীয় অবস্থা থেকে ব্রহ্মাণ্ডের ত্রমসঙ্কোচনের আভাস আছে স্টিফেন হকিং-এর বিখ্যাত বই আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’-এ। হকিং নিশ্চিত করে সঙ্কোচনের কথা বলেননি সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন। তাই মহাবিশ্বের ভবিতব্য রহস্যই রয়ে গিয়েছে।জাতীয় মহাকাশ বিজ্ঞান বক্তৃতামালায় ন্যাশনাল স্পেস সায়েন্স সিমপোজ়িয়াম সেই রহস্যের কিনারা করার চেষ্টা করলেন পুণের ইন্টার ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজ়িক্স-এর অধিকর্তা সোমক রায়চৌধুরী।  প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিরোজ়িও হলে তিনি বলেন যে, ব্রহ্মাণ্ড ফের চুপসে যাবে এমন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। বরং উন্নত মানের যেসব টেলিস্কোপ মহাকাশে...

মঙ্গল গ্রহে 1,000 ফুট পর্যন্ত গভীর সমুদ্র ছিল, চাঞ্চল্যকর তথ্য এল গবেষণায়

ছবি
মঙ্গল গ্রহে জল। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  একটি নতুন গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে যে, ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে মঙ্গল গ্রহে ৩০০ মিটার বা প্রায় ১০০০ ফুট পর্যন্ত গভীর সমুদ্র ছিল।কোপেনহাগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে মঙ্গলে সমুদ্রের উপস্থিতি সংক্রান্ত এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছিল। মঙ্গল মানেই যেন রুক্ষ্ম একটা ছবি ভেসে ওঠে আমাদের চোখের সামনে। সৌরজগতের লাল গ্রহে মরিচা পড়া লোহার কাঠামোর জন্য বিখ্যাত।  মঙ্গল গ্রহে সত্যি সমুদ্র ছিল আমেরিকান স্পেস এজেন্সি জানাচ্ছে যে. মঙ্গলের গড় তাপমাত্রা মাইনাস ৮০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। যা হিমাঙ্কের তাপমাত্রার চেয়েও অনেক কম। গ্রহটির বায়ুমণ্ডল খুব পাতলা এবং খুব ঠান্ডা হওয়ার কারণে বরফ ছাড়া আর কোনও আকারে জলের অস্তিত্ব নেই। তবে একটি নতুন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে মঙ্গল গ্রহে ৩০০ মিটার পর্যন্ত গভীর সমুদ্র ছিল।  সেন্টার ফর স্টার অ্যান্ড প্ল্যানেট ফরমেশনের প্রফেসর মার্টিন বিজ়ারো একটি প্রেজ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন যে, সেই সময় মঙ্গল গ্রহে বরফে ভরপুর গ্রহাণু দিয়ে বোমাবর্ষণ করা হয়। এই কাণ্ড গ্রহের বিবর্তনের প্রথম ১০০ মিলিয়ন বছরে ঘটেছিল। আর একটি আক...

ব্ল্যাক হোল 8.5 বিলিয়ন বছর আগে উজ্জ্বল নক্ষত্রকে হত্যা করেছিল, যার আলো এখন পৃথিবীতে এসে পৌঁছল

ছবি
.5 বিলিয়ন বছর আগে উজ্জ্বল নক্ষত্র ও ব্ল্যাক হোল ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মহাকাশে রহস্যজনক একটি উজ্জ্বল আলো দেখতে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। পরে জানা যায় যে, এই আলো একটি নক্ষত্র থেকে আসছিল। যা সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, ব্ল্যাক হোল এই নক্ষত্রটিকে টুকরো টুকরো করে ফেলেছিল। আর এখন বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন। পৃথিবী থেকে ৮.৫ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে এই ঘটনাটি ঘটেছিল।  সেই সময় মহাবিশ্ব তার বর্তমান বয়সের মাত্র এক তৃতীয়াংশ ছিল। এই নক্ষত্রটি ৮.৫   বিলিয়ন বিলিয়ন বছর আগে ভেঙে গিয়েছিল। যা চূর্ণ বিচূর্ণ আলোর আকারে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেখতে পান বিজ্ঞানীরা।এই উজ্জ্বল আলোকে বিজ্ঞানীরা AT ২০২২cmc নাম দিয়েছেন। গত ১১ ফেব্রুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির পালোমার অবজ়ারভেটরি দ্বারা প্রথম দেখা গিয়েছিল এই উজ্জ্বল আলোক।  ব্ল্যাক হোলের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির দ্বারা যখন কোনও নক্ষত্র ছিন্ন হয়ে যায় তখন সেটি একটি জোয়ার ভাটা বিঘ্নিত ঘটনা হিসেবে পরিচিত হয়। মহাকাশে এগুলিকে ভায়োলেন্সের ঘটনা বলা হয়। যা জ...

এক সময় মঙ্গলে বিরাট সমুদ্র ছিল, তার প্রমাণ খুঁজে পেলেন গবেষকরা

ছবি
মঙ্গলে গ্রহে এক সময় বিরাট সমুদ্র ছিল ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গলে এক সময় বেশ বড় একটি সমুদ্র ছিল তার প্রমাণ পেলেন বিজ্ঞানীরা। একদল গবেষক মঙ্গলে একটি বিশাল সমুদ্রের প্রমাণ পেয়েছেন। তাঁরা দাবি করেছেন যে, ৩.৫ বিলিয়ন বছর আগে লাল গ্রহের পৃষ্ঠে ওই সমুদ্রের অস্তিত্ব ছিল। পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা প্রতিষ্ঠানের একটি প্রেস রিলিজ় অনুসারে টপোগ্রাফির একটি সেট প্রকাশ করেছেন।  মঙ্গলে সমুদ্র কিভাবে খুঁজে পেলেন গবেষকরা তাঁরা বিশ্বাস করেন যে, মানচিত্রগুলি একটি আদর্শ দৃশ্য সাজেস্ট করছে। যেখান থেকে বোঝা গিয়েছে গ্রহটি একবার বর্ধিত উষ্ণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা অনুভব করেছিল। আর্দ্র জলবায়ু আজও বিদ্যমান। যথেষ্ট কঠোর হিমায়িত শুষ্ক এবং সে দিনের সেই পরিস্থিতিতেও এমনই জলবায়ু ছিল।পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির জিওসায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক এবং সম্প্রতি গবেষণার প্রধান লেখক বেঞ্জামিন কার্ডেনাস বলেছেন। এখানে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হিসাবে যা অবিলম্বে মনে আসে তা হল এই আকারের একটি সমুদ্রের অস্তিত্ব মানে জীবনের জন্য উচ্চতর সম্ভাবনা। জিওফিজি...

নাসার বিশেষ যন্ত্র মহাকাশ থেকে মিথেনের বিশ্বব্যাপী নির্গমন সনাক্ত করল

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সম্প্রতি মহাকাশ থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস মিথেনের বিশ্বব্যাপী নির্গমন সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে নাসার একটি যন্ত্র। অরবিটাল যন্ত্রটি বায়ুবাহিত ধূলিকণা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে আরও ভাল ভাবে বোঝার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল।  এই ডিভাইসটিকে ইমেজিং স্পেকট্রোমিটার বলা হয়। সারা বিশ্বে ৫০ টিরও বেশি মিথেন  সুপার এমিটার’ সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে মধ্য এশিয়া মধ্য প্রাচ্য এবং দক্ষিণ পশ্চিম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এটি জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে স্থাপন করা হয়েছিল। মিথেনের অতি-নিঃসরণকারীকে চিহ্নিত করল ডিভাইসটি কীভাবে? যন্ত্রটি মিথেনের হটস্পট সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত তথ্য সন্ধানের চেষ্টা করছে। তবে রয়টার্সের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, এগুলি গ্যাস ফেসিলিটি এবং ল্যান্ডফিলগুলিতে আবিষ্কৃত হয়েছে। স্পেকট্রোমিটারটি পৃথিবীর মরুভূমি এবং অন্যান্য শুষ্ক অঞ্চল থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রস্ফুটিত ধূলিকণার খনিজ গঠন সনাক্ত করার জন্য নির্মিত হয়েছিল। এটি  সেই অঞ্চলে পৃষ্ঠের মাটি থেকে প্রতিফলিত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিমাপ করে। নাসার আর্থ সারফেস মিনারেল ডাস্ট ই...

গিলবার্ট রোবট মাছ! প্লাস্টিক গিলে জল শুদ্ধ করবে এমনি দাবি বিজ্ঞানীদের

ছবি
গিলবার্ট রোবট মাছ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  দেখতে ঠিক মাছের মতো। জলে ছেড়ে দিলে সাঁতরাতেও পারে নির্ভুল। তবে এই মাছ জ্যান্ত নয়। যন্ত্র দিয়ে তৈরি শরীর। ইংল্যান্ডের সারে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক ছাত্র মাছটি বানিয়েছেন জলকে প্লাস্টিককণার দূষণ থেকে মুক্ত রাখতে। গিলবার্ট রোবট মাছ কিভাবে কাজ করে প্লাস্টিকের অত্যন্ত ছোট ছোট কণা যার আর এক নাম মাইক্রোপ্লাস্টিক ক্রমেই চিন্তা বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যবিদদের। এই প্লাস্টিক কণা আকারে এতটাই ছোট যে তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জল খাওয়ার সময় চোখে পড়ে না।এভাবে  জলবাহী হয়ে শরীরে ঢুকে স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এই প্লাস্টিক। সারে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি যন্ত্র মাছ জলকে এই প্লাস্টিক কণা মুক্ত করতে পারবে বলে দাবি করেছেন তাঁর স্রষ্টা। আরও পড়ুন:  কি হবে যদি সমুদ্রের জল শুকিয়ে যায়? মাইক্রোপ্লাস্টিক খালি চোখে তা চট করে দেখা সম্ভব নয়। এক একটি মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণার ব্যাস হতে পারে বড়জোর ০.২ ইঞ্চি বা ৫ মিলিমিটার।যন্ত্র দিয়ে তৈরি রোবট মাছ সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করবে। জলে ছেড়ে দিলে ওই মাইক্রোপ্লাস্টিককে গিলে নিয়ে শুদ্ধ জল পেট থেকে ছেঁকে বের করবে এই রো...

মঙ্গলে ছিল প্রাণ! জলবায়ু পরিবর্তন না হলে মানুষের বসবাসযোগ্য দ্বিতীয় গ্রহ হত, নতুন গবেষণা

ছবি
প্রাণ ছিল মঙ্গলে । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গলে মানুষ বাস করতে এক সময়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে লালগ্রহ আর মানুষের বসবাসযোগ্য নয়। সম্প্রতি একটি গবেষণায় এমনই দাবি করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। নতুন তত্ত্বটি নেচার জার্নালে প্রকাশিত একটি জলবায়ু মডেলিং সংক্রান্ত অধ্যয়নকে অনুসরণ করে।যা কয়েকশো কোটি বছর আগে মঙ্গলে বসবাসকারী জীবাণুগুলির অধ্যয়ন করেছিল।  আর সেই সময় লাল গ্রহে আমাদের পৃথিবীর মতোই জীবন বেঁচে থাকার অনুকূল বায়ুমণ্ডল ছিল।এটা বিশ্বাস করা হয় যে, মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল পরিবর্তনের কারণে সেখানে অণুজীবনের জীবন শেষ হয় সর্বপ্রথম। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব এবং মঙ্গলে তা শেষ হওয়ার মূল কারণ হল।দুটি গ্রহের গ্যাস গঠন এবং সূর্য থেকে তাদের দূরত্বের পার্থক্য। যেহেতু মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে অনেক দূরে সেখানে যে প্রাণের সন্ধান মিলেছে তা বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত গ্রিনহাউস গ্যাসের উপর বেশি নির্ভরশীল ছিল যা তাপমাত্রাকে বাঁচিয়ে রাখে। কিন্তু জীবাণুরা নিজেরাই তাদের গ্রহকে ধ্বংস করেছে। ডেইলি স্টারের খবর অনুযায়ী মঙ্গল গ্রহের প্রাচীন অণুজীব হাইড্রোজেন গ্রহণ করত এবং মিথেন উৎপন্ন করত। ধী...

চাঁদের জন্ম থিয়া ধাক্কায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই! নতুন তথ্য উঠে এল গবেষণায়

ছবি
থিয়া ধাক্কায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চাঁদের জন্ম ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চাঁদের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণায় নতুন তথ্য উঠে এল বিজ্ঞানীদের হাতে। গবেষকদের দাবি করছেন যে, পৃথিবীর এই উপগ্রহটি তৈরি হতে শতাব্দীর পর শতাব্দী সময় লাগেনি। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চাঁদের সৃষ্টি হয়েছিল।চাঁদের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে পূর্বেও বহু গবেষণা হয়েছে। কিন্তু ঠিক কী ভাবে এই উপগ্রহ তৈরি হয়েছে তার খুঁটিনাটি তথ্য অনেকাংশেই রহস্যে মোড়া। সম্প্রতি একটি গবেষণায় চাঁদের উৎস সম্পর্কে নতুন তথ্য জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। থিয়া ধাক্কায় চাঁদের জন্ম ব্রিটেনের ডারহ্যাম ইউনিভার্সিটির অধীন ইনস্টিটিউট ফর কম্পিউটেশনাল কসমোলজির এক দল গবেষক জানিয়েছেন যে, চাঁদের সৃষ্টি হয়েছিল মাত্র কয়েক ঘণ্টায়। তাঁরা দাবি করেন, পৃথিবীর সঙ্গে থিয়া নামের এক মহাজাগতিক বস্তুর ধাক্কার পরপরই চাঁদের সৃষ্টি হয়। থিয়ার আকার প্রায় মঙ্গল গ্রহের সমান।পৃথিবীর সঙ্গে থিয়ার সংঘর্ষ ছিল তীব্র। ডারহ্যাম ইউনিভার্সিটির গবেষকরা কৃত্রিম ভাবে মডেল হিসাবে অতীতের সেই মহাজাগতিক ঘটনার পুনর্নিমাণ করে দেখিয়েছেন।  তাতে দেখা গিয়েছে যে, তীব্র সংঘর্ষে পৃথিবী এবং থিয়া থেকে ছিটক...

মঙ্গল গ্রহে আপনার ভয়েস কেমন হবে? পৃথিবী থেকে শোনার সুযোগ করে দিল নাসা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মঙ্গলে আপনার গলার আওয়াজ আপনার কানে কীভাবে ঠেকবে, কেমন শোনাবে, তা এবার শোনার সুযোগ করে দিল নাসা। কীভাবে এই অসাধ্যসাধন বাড়িতে বসেই করবেন তা জানবো আজ। কীভাবে মঙ্গল গ্রহে আপনার কণ্ঠস্বর শোনা যাবে যেভাবে আপনার কণ্ঠস্বর যদি মহাকাশের অন্যান্য গ্রহে শোনা যায় তাহলে তা কেমন লাগবে ভেবে দেখেছেন কখনও! নাসা এবার এমনই একটি প্রোগ্রাম ডেভেলপ করেছে। যার দ্বারা মঙ্গল গ্রহে আপনার কণ্ঠস্বর কেমন শুনিয়েছে তা পৃথিবীতে বসে আপনি জানতে পারবেন। সেই ডেটা সংগ্রহ করবে নাসার পারসিভারেন্স রোভার। যা মঙ্গলে আপনার শব্দের রেপ্লিকেট করবে। পাশাপাশি স্পেস এজেন্সিটির কাছে রয়েছে একটি অনলাইন টুল যার মাধ্যমে মানুষ নিজের বাড়িতে বসেই মঙ্গল গ্রহে তাঁদের শব্দের অনুকরণও করতে পারবেন। তার জন্য আপনাকে নাসার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে সাউন্ড অফ মার্স সেকশন থেকে ইউ অন মার্স ট্যাবটি নেভিগেট করতে হবে। তারপর ক্লিক করে কিছুক্ষণ হোল্ড করার পর আপনার ভয়েসটি রেকর্ড করতে পারবেন। কাজটা সঠিক ভাবে করতে পারলেই অডিও ফাইলটি ডাউনলোড করুন এবং মঙ্গলে আপনার শব্দ কীরকম শোনাল তা শুনে দেখুন।নাসার তরফ...

মঙ্গল গ্রহেও জন্মাবে গাছ, অন্ধকারে গাছ জম্মিয়ে রেকর্ড গড়লেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  রাতের অন্ধকারে গাছ জন্মানোর অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষের সাহায্যে সূর্যের আলো ছাড়াই গাছের জন্ম দিতে পেরেছেন তারা। যা মঙ্গলেও ফসল ফলানোর ক্ষেত্রে ব্যাপক ভাবে কার্যকরী হতে পারে। কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষেই এবার জন্ম নিল গাছ। সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে গাছপালা বৃদ্ধি করেছেন তাঁরা। আর সেই প্রক্রিয়াই ভবিষ্যতে তাঁদের বড় দিশা দেখাতে চলেছে। এই পদ্ধতি একদিকে পৃথিবীতে গাছ জন্মানোর এক অন্য উপায়ের দিশা যেমন দেখিয়েছে। তেমনই আবার মঙ্গলগ্রহেও কীভাবে ফসল ফলানো যায়, তারও একটা সমাধানসূত্র বের করে দিয়েছে।বিজ্ঞানীদের এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে নেচার ফুড জার্নালে।  সেখানেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, কীভাবে বিজ্ঞানীরা দুই ধাপের রাসায়নিক পদ্ধতির শরণাপন্ন হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড, বিদ্যুৎ এবং জলকে অ্যাসিটেটে রূপান্তর করেছেন। যা ভিনিগারের প্রধান উপাদানের একটি রূপ।কাজটা হয়ে যাওয়ার পরই খাদ্য উৎপাদনকারী জীবগুলি অন্ধকারে বৃদ্ধি পেতে অ্যাসিটেট গ্রহণ করে। ঠিক যেমনটা সৌরশক্তি প্রবেশ করলে হয়।বিজ্ঞ...

এবার চাঁদের মাটিতে গাছের জন্ম দিয়ে ইতিহাস গড়লেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  চাঁদ নিয়ে মানুষের আগ্রহ কমেনি কোনওদিন। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে চাঁদে জমি কিনে রাখা।এবার আরও চমকের খবর শোনালেন বিজ্ঞানীরা। আমেরিকা, চিন এবং রাশিয়া এই তিনটি দেশই চেষ্টা করছে চাঁদের মাটিতে মানুষকে রেখে আরও আধুনিক পদ্ধতিতে গবেষণা শুরু করার। কিন্তু খাবার ছাড়া মানুষ বাঁচবে কী করে! নাসার সাম্প্রতিকতম ঘোষণা অনুযায়ী সেই সমস্যার সমাধান হতে চলেছে খুব তাড়াতাড়ি।  চাঁদের মাটিতে কি কি গাছের জন্ম দিল বিজ্ঞানীরা নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, চাঁদের মাটিতে ফুলকপি বা ব্রকোলি জাতীয় সবজির চাষ হতেই পারে।আরও জানা গিয়েছে যে, চাঁদের মাটি রেগোলিথ প্রকৃতির। প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে এই মাটি নিয়ে আসা হয়েছিল পৃথিবীতে। এতদিন ধরে চেষ্টা করার পর অবশেষে ফসল ফলাতে সক্ষম হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। অ্যারাবিডোপসিস থালিয়ানা নামে এই গাছ চাষ করা হয়েছে চাঁদের মাটিতে। এই গাছ ব্রকোলি, ফুলকপি ইত্যাদি ফসলের সমকক্ষ। বিজ্ঞানীরা জনিয়েছেন যে, চাঁদের মাটির ফলন ক্ষমতা খুবই কম। কিন্তু এই সবজিগুলির চাষ হতেই পারে। সফলভাবে এই চাষ করেছেন ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা।  আরও পড়ুন:  ...

চাঁদে যা অক্সিজেন সঞ্চিত রয়েছে, তা প্রায় ৮ বিলিয়ন মানুষ কে এক লক্ষ বছর ধরে অক্সিজেন দেওয়া যাবে

ছবি
চাঁদে যা অক্সিজেন সঞ্চিত রয়েছে, তা প্রায় ৮ বিলিয়ন মানুষ কে এক লক্ষ বছর ধরে অক্সিজেন দেওয়া যাবে ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাকাশ বিষয়ক গবেষণা সবসময়েই অত্যন্ত রহস্যজনক এবং আকর্ষণীয়। বর্তমানে মহাকাশ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের গবেষণাতেই মজেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের কাছে ক্রমশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। পৃথিবীর বাইরে অন্যান্য গ্রহ উপগ্রহ নিয়ে নিত্যনতুন তথ্যও প্রকাশ্যে আসছে। আর এইসব গবেষণা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যেই অন্যতম ছিল চাঁদের অক্সিজেন সংক্রান্ত আলোচনা। চন্দ্রপৃষ্ঠে সবচেয়ে ভাল কোন পদ্ধতিতে অক্সিজেন উৎপাদন সম্ভব হবে। তা নিয়ে  এখন  পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন বৈজ্ঞানিকরা। এই গবেষণায় সমাধানও পাওয়া গিয়েছে। চাঁদের উপর যে পাথুরে আবরণ রয়েছে যাকে রেগোলিথ বলে।সেখানে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সঞ্চিত রয়েছে। এই অক্সিজেন মানবকুলের বেঁচে থাকার জন্য কাজে লাগানো যেতে পারে। নতুন গবেষণায় বলা হচ্ছে যে, চাঁদের পৃষ্ঠদেশে যথেষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন সঞ্চিত রয়েছে। এই পরিমাণ অক্সিজেন ৮ বিলিয়ন লোককে প্রায় এক লক্ষ বছর ধরে অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারবে। তবে এই...