Responsive Ad Slot

রেডিও টেলিস্কোপ আবিষ্কার কিভাবে হয়েছিল?

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১

টেলিস্কোপ 

 প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে পর্যন্ত পৃথিবীর বাইরে যে বৃহত্তর জগতে রয়েছে অর্থাৎ ইউনিভার সম্পর্কে আমরা জানিনা । কেবল মাত্র দৃষ্টিশক্তি অনুমান ম্যাথমেটিক্যাল ক্যালকুলেশনের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর ছিলাম । তবে সেই সময়কার বেশিরভাগ ক্যালকুলেশন একুরেট হতো না । কারণ সেই সময়ে বর্তমান দিনের নেয় অ্যাডভান্স টেকনোলজি মডার্ন সাইন্টিফিক ডিসকভার হয়নি । তাই এই দীর্ঘ সময় ধরে আমরা কেবলমাত্র নিজেদের সোলার সিস্টেম এবং সূর্যের কাছে থাকা কয়েকটি গ্রহ সম্পর্কে বোঝার চেষ্টা করছিলাম ।

 সেই সময় ব্ল্যাকহোল একজনের অথবা শুধুমাত্র কনসেপ্ট ছিল । এরপর আসে যখন ষোলো চোখ এড়াতে টেলিস্কোপ এর ডিসকভার হয় এই সময় থেকে আমরা মহাকাশের বহু দূরে থাকা অবজেক্টকে ক্লিয়ার দেখতে শুরু করি । টেলিস্কোপ কেমন করে আবিষ্কার হয়েছিল  টেলিস্কোপের সাহায্যে দূরের জিনিস কাছে থাকলেও এর একটি সমস্যা ছিল । সেই অফ থে অরিজিনাল অন অবজেক্ট এবং কম্পোজিশন এই ধরনের ডিটেলসটা জানা যেত না । আর এই সমস্যার সমাধান করেছিল রেডিও টেলিস্কোপ । টেলিস্কোপ থেকে রেডিও টেলিস্কোপ বানানোর পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ইন্টারেস্টিং স্টরি ।


রেডিও টেলিস্কোপ আবিষ্কার কিভাবে হয়েছিল
রেডিও টেলিস্কোপ

রেডিও টেলিস্কোপ আবিষ্কার

হ্যালো বন্ধুরা টেলিস্কোপ  পরিষেবায় বাধা সৃষ্টি হয়েছে কোন এক অজ্ঞাত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল । এই সমস্যার সমাধানের দায়িত্ব দেয়া হয় এর জন্য একটি বিশেষ শ্রেণী তৈরি করেন । অধ্যয়ন করার পদ্ধতিকে পাল্টে দেয় জানেন একটি সাধারণ কেমনভাবে একসঙ্গে পাল্টে দিয়েছিল । কথাটা শুনলেই আমাদের মাথায় আসে ট্রানজিস্টার সেটিং করলেই হয় । কোন নিউজ অথবা এন্টারটেনমেন্ট শুরু হয়ে যায় কিন্তু জানেন এই রেডিও কেমন ভাবে কাজ করে । রেডিওর প্রধান ওয়ার্কিং এলিমেন্ট হলো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ করে ট্রানজিস্টার রেডিও তরঙ্গ অর্থাৎ ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন আলোকরশ্মির নেয় । তবে শুধু পার্থক্য দেখে আমরা চোখে দেখতে পাইনা ১৯৪০ সালে ১৩৭ ডিসকভার করেন রেডিওর মাধ্যমে । আমরা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে পারি আর সেই সাইন্টিস্ট ছিলেন তার । এই সন্ধান অ্যাস্ট্রোনমি ফেলতে এক নতুন যুগের সূচনা করে তিনি merry-go-round রিসিভার এর মাধ্যমে ডিসকভার করেন । এটি এমন এক ১.৫ সিগন্যাল রেকর্ড করতে পারত । যে নীতির মাধ্যমে প্রথম কাজ করে আসছিল । মেইলটা সেন্টার থেকে একটি অভূতপূর্ব ছিল ডিজাইন করেছিলেন একজন নাম রাখা হয় রেডিও টেলিস্কোপ । অপারেটর এবং ইঞ্জিনিয়ারকে পৃথিবীর প্রথম রেডিও টেলিস্কোপ নির্মাণ করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল ।এরপর ধীরে ধীরে রেডিও টেলিস্কোপ এর উপর নজর দেয়া হয় । আর এইভাবে আবিষ্কার হয় রেডিও টেলিস্কোপ ।

রেডিও টেলিস্কোপ যেভাবে কাজ করে

এবার চলুন দেখা যাক অফ ডিফারেন্ট পরিবেশে থাকা যে কোন পোষ্টের মাধ্যমে করা হতো । স্ক্রিনে দেখানো এই পিকচার গুলি অপটিক্যাল টেলিস্কোপটি নেওয়া হয়েছিল । যার সাথে আমরা সকলেই পরিচিত কিন্তু যখন আমরা এদেরকে রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখি তখন পুরো ছবিটা পাল্টে যায় । এক নতুন রূপে ধরা দেয় এমনকি অজানা ঘটনা তুলে ধরে ।১৯৫০-৬০ এবং সত্তরের দশকে নতুন খুঁজেছিল যেমন পালসার এবং রেডিও গ্যালাক্সি তবে এই ধরনের খোঁজ সর্বপ্রথম শুরু হয়েছিল । এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন অপটিক্যাল টেলিস্কোপটি শুধুমাত্র দূরের জিনিস কাছে আনতে পারে । কিন্তু তার ডিটেলস স্টাডি করতে পারে একমাত্র রেডিও টেলিস্কোপ এর মাধ্যমে শুধু মহাকাশ থেকে আসা যেকোনো ধরনের সিগন্যাল সে গ্রহ-নক্ষত্র blackhole-1 হোক না কেন সব কাজ করতে পারে । থেকেও বড় বিষয় হলো রেডিও টেলিস্কোপ দেশে থাকা ইউনিভার্সিটির ক্যাস্ট ডিটেক্ট করতে পারেন । যার সাহায্যে আইডেন্টিফাই করা যায় । স্পেসের কোন স্থানে কসমিক ডেনসিটি কমবেশি এর থেকে সাইন্টিস্টদের বুঝতে সুবিধা হয় । ইউনিভার্সের কোন স্থানে কত বেশি শব্দ থাকতে পারে কারণ একমাত্র সেই সকল স্থানে বেশি দেখা যায় । যেখানে গ্যাস এবং পার্টিকেলের ডেনসিটি বেশি থাকে শুধু তাই নয় সেটা মনে করে ইউনিভার্সিটি জন্মের পর কেমন অবস্থা তৈরি হয়েছিল । এবং তারপর প্রথম স্টার ফর্মেশন কেমন হবে শুরু হয় গ্যালাক্সি life-cycle এমনকি সুদূর গ্যালাক্সি থেকে আসা দিনগুলি সিগন্যাল কেউ কাজ করতে সক্ষম এই রেডিও টেলিস্কোপ । 

রেডিও সিগন্যাল

এবার দেখা যাক কেমন ভাবে কাজ করে যেকোনো রেডিও টেলিস্কোপ এর মাঝখানে একটি বডি থাকে । আর সামনে থাকে সিগন্যাল প্রথম কাজ করে । যেখান থেকে এমপ্লিফায়ার এর সাহায্যে আরো স্ট্রং করার পরেই সিগন্যালকে অপটিক্যাল ফাইবারের সাহায্য পাঠানো হয় । সুপারকম্পিউটার পর্যন্ত এরপর ডিজিটাল সিস্টেমে রেডিও শেষ করা হয় । তবে এখান থেকে কোন ছবি পাওয়া যায় না এই সিস্টেম এর পরিবর্তে উঠে আসে । এরপর শুরু হয় তারা ডিজিটাল সিস্টেমে উঠে আসা এই সকল রোগ থেকে ছবি তৈরি করতে এক ধরনের বিশেষ সফটওয়ারের সাহায্যে অবজেক্টের ইমেজ তৈরি করা হয় । জানেন রেডিও টেলিস্কোপ কে নির্জন স্থানে কেন তৈরি করা হয় নির্মাণ করার জন্য প্রয়োজন হয় । একটি বড় এরিয়া যেখানে থাকে অর্থাৎ এখানে কোন প্রকার লাউড সাউন্ড মোবাইল সিগন্যাল টেলিভিশন এমনকি হাইভোল্টেজ ইলেকট্রিসিটি ইন্টারফিয়ারেন্স যেন না থাকে ।

 কারণ স্পেসের বহুদূর থেকে আসা সিগন্যাল আর থার্মোস্ফিয়ার এর সংস্পর্শে আসামাত্র দুর্বল হয়ে যায় । তার ওপর এই ধরনের ইন্টারফিয়ারেন্স সিগন্যাল করে দিতে পারে আমরা সকলেই জানি বর্তমানে পৃথিবীর লার্জেস্ট টেলিস্কোপ অবস্থিত যার নাম ফাস্ট । তবে বেশিদিন তার জাদু' ধরে রাখতে পারবে না । তবে সেই বিষয়ে যাবার পূর্বে চলুন দেখে নেওয়া যাক বর্তমানে world's second-largest রেডিও টেলিস্কোপ অবস্থায় রয়েছে । কয়েক বছর আগে পর্যন্ত ওয়ার্ল্ড লার্জেস্ট রেডিও টেলিস্কোপ টেলিস্কোপ অবস্থিত তৈরি করা হয়েছিল । এবং স্টাডি করার জন্য এতে রয়েছে পাওয়ারফুল সিস্টেম দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ডিসকভার করেছেন । গ্যালাক্সি গ্র্যান্ড মলেকিউলস এবং পালসার কিন্তু আনফরচুনেটলি ডিসেম্বর ২০০৭ পাওয়ারফুল হ্যারিকেন এর জন্য আর্চিভস করেছে । 


রেডিও টেলিস্কোপ আবিষ্কার কিভাবে হয়েছিল
রেডিও টেলিস্কোপ সিগন্যাল

সিগন্যালক রিফাইন

এবার চলুন দেখা যাক কিভাবে থেকে  টেলিস্কোপ দেখতে একই রকম বাউল শিল্পী শেখর এর তুলনায় একচুয়ালি সিগন্যালকে রিফাইন করেন । অপরদিকে আশীবিষে ডায়ামিটার ৩০৫ মিটার কিন্তু তা সত্ত্বেও আজ থেকে বেশি পাওয়ারফুল যার সাহায্যে প্লানেট এ্যার্থ কিভাবে ডিটেক্ট করা যায় । তবে আরও প্রায় দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে কাজ করেছে । সেখানে ফাস্ট টেলিস্কোপ এর জার্নি সবেমাত্র শুরু হয়েছে তবে ফাস্ট এই অল্প সময়ে পালসার ১৫০ এবং p1102 ডিসকভার করেছে । তবে হয়তো আগামী দশ বছরের মধ্যে ফাস্ট টেলিস্কোপ  আর থাকবে না । অর্থাৎ স্কয়ার কিলোমিটার অবজারভেটরি কাউন্সিল ইউকের প্রধান লক্ষ্য অ্যাস্ট্রোনমি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারীতে তরফ থেকে একটি প্রকাশ পাস । হয় যেখানে বলা হয় আগামী দশ বছরের মধ্যে তারা ওয়ার্ল্ড লার্জেস্ট বানাতে চলেছে আর এই কাজে সাহায্য করবে । পৃথিবীর ১০ টি দেশ অস্ট্রেলিয়া কানাডা চায়না ইন্ডিয়া নিউজিল্যান্ড সাউথ আফ্রিকা নেদারল্যান্ড এবং আর এই প্রজেক্ট তৈরি হবে । 

গভর্মেন্টের অবজারভেশনে তরফ থেকে বলা হয়েছে এই পেজে থেকেও কাজ করতে পারবে। এখন আমি ফিল্ডে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসতে পারে সেই সময়ে ভিনগ্রহী ইটের অবজারভেশনে অর্গানাইজেশন এর তরফ থেকে বলা হয়েছে ।এই টেলিস্কোপ এতটাই পাওয়ারফুল হবে যে উইডথ থে উইক সিগন্যাল কেউ কাজ করতেপারবে । যার পর এখন আমি ফিল্ডে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসতে পারে সেই সময় হয়তো ভিনগ্রহী সংকেত অর্থাৎ এলিয়েন সিগন্যাল কাজ করা সম্ভব হবে ।  কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না ভাল লাগলে একটা লাইক বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার । 

সত্যি কি হোয়াইট হোল হয়?

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১

 আমাদের ইউনিভার্স আর রহস্যের একটি গভীর সম্পর্ক আছে । ইউনিভার্স যেমন দেখা যায় আসলে সেটা ঐ রকমটা নয় । আমরা আজ পর্যন্ত ইউনিভার্সের সম্পর্কে যতটাই খোঁজ করিনা কেন কিন্তু আমরা আজও এটা সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে সক্ষম হয়নি । আমরা আমাদের ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে যতটুকু জানতে পেরেছি তা এই সমস্ত মহান শব্দের কারণে । যারা ম্যাথমেটিক্স এর সাহায্যে আমাদের এই ইউনিভার্সের সম্পর্কে আমাদেরকে জানতে সাহায্য করেছে । বন্ধুরা আজকের এই পোষ্টে আমরা হোয়াইট হলে সম্পর্কে জানব । কিন্তু  হোয়াইট হোল সম্পর্কে জানতে গেলে আপনাকে ব্ল্যাকহোলের সম্পর্কে কিছুটা জানতে হবে ।

আমাদের এই ইউনিভার্সিটির সবথেকে রহস্যময় জিনিস হল ব্ল্যাক হোল । ব্ল্যাকহোলের এমন একটি স্থান যেখানে এতটাই অধিক হয়েছে ওই স্থান থেকে কোনকিছুই বাইরে বেরোতে পারে না । দ্রুতগতিতে ট্রাভেল করে সেটা ওইখান থেকে বাইরে আসতে পারে না । আর এই কারনেই আমরা ব্ল্যাকহোল কে দেখতে পারিনা । আমরা যা দেখি সেটা হচ্ছে ব্ল্যাকহোলের বাইরের অংশকে ইভেন্ট হরাইজন বলা হয়ে থাকে । কিন্তু বন্ধুরা কঠিন হলেও সত্য তাই আমরা আজ পর্যন্ত ব্ল্যাকহোল কে দেখতে পাইনি । আর আমাদের কাছে এতটা আধুনিক টেলিস্কোপ নিচে যেটার সাহায্যে আমরা ব্ল্যাকহোল কে দেখতে পারবো আর আমরা ব্ল্যাক হোলের যে সমস্ত পিকচার এবং ভিডিও এখন দেখতে পাচ্ছি না । এগুলো অনুমান করা এবং আর্টিস্ট দ্বারা তৈরি করা একটি চিত্র মাত্র । যেটা আমাদেরকে এটাই বুঝাতে এরকমটা হবে ব্ল্যাকহোলের এই ইমেজটি হওয়ার পূর্বে ব্ল্যাক হোল শুধুমাত্র দিয়েছিল । কিন্তু এটা প্রমাণ করেছে বাস্তবে ব্ল্যাক হোল আছে আর আমরা বাস্তবে এটাকে না দেখলেও এর চারপাশে পরিবর্তন এবং প্রভাবকে অধ্যায়ন করে ব্ল্যাকহোলের সম্পর্কে একটি অনুমান করতে পারি । ব্ল্যাকহোল আদৌ হতে পারে এই ধরনের বিচার সর্বপ্রথম সতেরশো চুরাশি রেখেছিলেন । 


সত্যি কি হোয়াইট হোল হয়?
হোয়াইট হোল

হোয়াইট হোল

ক্যালিফোর্নিয়া ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি'র পদার্থবিজ্ঞানী সিন ক্যারল হোয়াইট হোলকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন, ব্লাক হোল হলো এমন একটি জায়গা যেখানে কেউ একবার গেলে আর ফিরে আসতে পারবে না । হোয়াইট হোল হলো এমন একটি জায়গা যেখান থেকে কেউ একবার বের হলে আর সেখানে ফিরে যেতে পারেনা।

১৯১৫ সালে মহান বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন থিওরি অফ রিলেটিভিটি স্থানের কথা কল্পনা করেন । যার গ্রাভিটি লাইট কেও হার মানাবে কিন্তু এর সাথেই আইনস্টাইনের থিওরি অনুসারে এমন কিছু স্থানে তিনি কল্পনা করেন । যেটা ব্ল্যাকহোলের থেকেও অধিক রহস্যময় হতে পারে । আর এটাই হলো অধিকাংশ বিজ্ঞানী বলে সিদ্ধান্ত কিন্তু তারা মানতে চান না । এমনটা এই কারণে এটা আমাদের প্রত্যেকের নিয়মের বিরুদ্ধে । একটি ব্ল্যাকহোল তার আশেপাশের সব বস্তু তে তার ভেতরে নিয়ে নেয় এবং তার ভেতর থেকে কোনকিছুই বাইরে আসতে পারে না । কিন্তু একটু হোয়াইট হল তার সম্পূর্ণ বিপরীত কাজ করেন । এখানে নেট থেকে বাইরে আসতে পারে কিন্তু কোনোভাবেই এর ভেতরে যেতে পারে না । কিছু বিজ্ঞানী বলেন বাস্তবে সম্ভব নয় কিন্তু এমন কিছু তথ্য অস্তিত্ব হওয়ার থেকেই ইশারা করছে ।

 কেননা black-white হলে একে অপরের সাথে জুড়ে আছে । এর জন্য হোয়াইট হোল কিভাবে সৃষ্টি হয় তাকে বোঝার জন্য আপনাদেরকে ব্ল্যাকহোলের জন্মের সম্পর্কে কিছু তথ্য জানতে হবে । আমাদের সূর্যের থেকেও কয়েক গুণ বড় তারা যখন জ্বালানি শেষ হয়ে যায় তখন সেটার মধ্যে গ্রাভিটি আসনের মধ্যে থাকা ব্যালান্স নষ্ট হয়ে যায় । যার কারণে তারা হয়ে যায় আর তখন একটি মহা বিস্ফোরণ হয় সেটাকে বলা হয়ে থাকে সুপার্ণভা । আর এই সুপারনোভার পর ওই তারানকোর গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স এর কারণে অধিকাংশ হয়ে যায় আর অবশেষে একটি ইনফাইনাইট এনসিটি বিন্দুতে পরিণত হয় । যেটা কে বলা হয় গ্র্যাভিটেশনাল সিঙ্গুলারিটি একটি সিম্পল এতটাই অধিক হয় যে কোন কিছুর থেকে বাইরে আসতে পারে না । এবং এটাকে আমরা বলি ব্ল্যাক হোল আমরা ব্ল্যাকহোল কে দেখতে পাই না কারণ ব্ল্যাকহোল থেকে কোন আলো রিফ্লেক্ট হয়ে বাইরে বেরোতে পারে না । আর হ্যাঁ বন্ধুরা আমরা ব্ল্যাকহোলের সম্পর্কে শুধুমাত্র এটুকুই জানি এর থেকে অধিক তথ্য আমাদের জানা নেই আমরা জানি না ।

থিওরি অনুসারে হোয়াইট হোল

ব্ল্যাক হোলের ভিতরে কি আছে আর ব্ল্যাক হলে চলা মেয়েটার কোথায় চলে যায় । কিন্তু হ্যাঁ বন্ধুরা আমাদের কাছে এমন কিছু থ্রি আছে যা আমাদেরকে এই ব্যপারগুলো বুঝতে সাহায্য করবে । প্রথম থেকেই অনুসারে ব্ল্যাকহোল টাইম টোটাল হতে পারে যা আমাদেরকে সময় যাত্রা করাতে পারে । দ্বিতীয় থিওরি অনুসারে ব্ল্যাকহোল হতে পারে যা মহাশূন্যের অনেক দূরের দূরত্বকে একে অপরের সাথে জড়িয়ে রেখেছে । যার ব্যবহার করে আমরা আলোর থেকেও দ্রুত গতিতে টাইম ট্রাভেল করতে পারি । কিন্তু বন্ধুরা একটি এমনও আছে যেটার উপরে বিজ্ঞানীরা পূর্ব থেকেই বিশ্বাস করে আসছেন । আর সেটা হলো যে জিনিস ব্ল্যাকহোলের ভেতরে যায় তার সব সময়ের জন্যই এর ভেতরে আটকে যায় ব্ল্যাক হলে । যাওয়া কোন বস্তুকে বিজ্ঞানীরা একটি নাম দিয়েছেন সেটা হল ইনফর্মেশন দশক থেকে এটা মেনে আসছেন ।যখনই কোন ইনফরমেশন ব্ল্যাক হোলের ভিতরে চলে যায় চিরতরের জন্য হারিয়ে যায় কিন্তু একটি এমনও আছে । আর যে তাকে বেশ কিছু তথ্য দ্বারা প্রমাণ করা হয়েছে ।

 আর সেটা হল ইনফর্মেশন কিভাবে রিকভার করা যেতে পারে আর এখান থেকেই হোয়াইট হলে সিদ্ধান্ত সামনে আসে । আসলে ইনফর্মেশন কে সবসময় ব্ল্যাক হোলের ভিতরে কি হারিয়ে যাওয়া একটি মৌলিক সমস্যাকে তুলে ধরে । কেননা আলবার্ট আইনস্টাইন আর আইজ্যাক নিউটন দুজনই মনে করতেন না তৈরি করা যায় না । কখনো নষ্ট করা যায় এটা শুধুমাত্র রুপের পরিবর্তন করা যেতে পারে চলুন মনে করি ব্ল্যাকহোল ইনফর্মেশন কে সিন্দুকের মতো করে তথ্যকে তার ভেতরে লুকিয়ে রাখে । কিন্তু ১৯৭৫ সালে আমাদের মহান বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তার যুক্তি দিয়ে রাখেন । যাতে সম্পূর্ণ পৃথিবীর সব বিজ্ঞানী সঠিক মনে করেন তিনি বলেন ব্ল্যাকহোল এনার্জি দিয়ে করেন আর অফিসের শুরু হয়েছে । দেখেছেন সময়ের সাথে সাথে ব্ল্যাকহোলের হয়ে যায় তিনি বলেন ব্ল্যাকহোল এনার্জি ক্রেডিট করে এর মানে এটাও ব্রহ্মাণ্ডে চিরস্থায়ী নয় । এখানে প্রশ্ন আসে যদি ব্ল্যাক হোয়াইট হয়ে যায় তাহলে ঐ সমস্ত মেয়েদের কি হয় । যা ব্ল্যাকহোলের ভেতরে ছিল এইখানে দিয়েছেন এই নিয়মটি বিরোধিতা করে ।

 মেয়েটার কখনো নষ্ট করা যায় না আর বর্তমানে এটাই বিজ্ঞানীদের মধ্যে একটি আলোচনার বিষয় । কিন্তু এটা থেকে একটি সম্ভাব্য উত্তর এটা হতে পারে না । সে সময় হয়ে যায় আর যখন হয় তখন সে তার ভেতরে থাকা সব ইনফরমেশন কে বাইরে বের করে দেয় । যদি এই সম্ভাবনাটি সত্যি হয় তাহলে এটা উত্তর হতে পারে ব্ল্যাকহোলের ভেতরের সব মেকি হয়ে থাকে কেননা এটার মানে এটাই হবে ডিপ্রেশনের ।সময়ে ইনফর্মেশন নষ্ট হয় না সেগুলো রিকভার করা যেতে পারে । কিন্তু কিছু বিজ্ঞানী এর থেকেও কিছুটা এগিয়ে ভাবছেন তারা মনে করছেন ব্ল্যাকহোল আর হোয়াইট হল একে অপরের সাথে জুড়ে আছে । যে স্পেস থাকে একে অপরের সাথে জুড়ে দেয় আর আমরা যদি কোন ব্ল্যাকহোলে যেতে পারি তাহলে আমরা আলোর থেকে অধিক দ্রুতগতিতে মহাশূন্যের অন্য কোন প্রান্তে চলে যাবো । আর না হয় অন্য কোন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা মনে করেন । আসলে একটি হোয়াইট হলে ছিল একটি ব্ল্যাকহোল নষ্ট হওয়ার সময় জন্ম নিয়েছিল । আর এর ভেতর থেকে বের হওয়ার থেকে আমাদের এই ইউনিভার্সের জন্ম হয়েছে ।

তুই মনে করেন বিগ ব্যাংক ও আসলে একটি হোয়াইট হলে ছিল । একটি ব্ল্যাকহোল নষ্ট হওয়ার সময় জন্ম নিয়েছিল আর এর ভেতর থেকে বের হওয়ার পর থেকেই আমাদের এই ইউনিভার্সের জন্ম হয়েছে । যদি এই তিন সঠিক হয় তাহলে হতে পারে আসলে ইউনিভার্স আমাদের এই ইউনিভার্সিটি থেকেও অনেক বড় । আর আমাদের সম্পূর্ণ ইউনিভার্সিটি ব্ল্যাকহোলের ভেতরে মজুদ আছে । যেটা কিনা এই বিশাল ইউনিভার্সের ছোট্ট একটি অংশ । সত্যি উর্ধে ব্লাকহোলের মতন এতটাই রহস্যময় চেয়ে আমাদের মনে বারবার একটি প্রশ্ন উঠে আসে । সত্যি কি হোয়াইট হোল আছে অনেকটা সময় ধরে বিজ্ঞানীরা এটা বিশ্বাস করছেন না ।হোয়াইট হলে কিছু হয় কিন্তু বন্ধুরা ইদানীং কিছুটা হলেও পরিবর্তন এসেছে । আমাদের পৃথিবী এবং সূর্য অবজেক্টের মহাশূন্যে ঘটনা ঘটনা থেকে নজর রেখে চলেছে । যেমন রেফারেন্স ২০০৬ সালে ব্লাস্ট কে দেখা যায় ।

 কিন্তু এইখানে প্লাস্টিকের পরম্পরাগত খামারের সাথে তেমন মিলছিল না । অসাধারণ রূপে এই গ্লাসটি সাধারণের থেকে কিছুটা লম্বা সময় ধরে চলে প্রায় একশো দুই সেকেন্ড পর্যন্ত । জার্মানে ছিল হয়তো এটা কোন বড় ধরনের সুপার্ণভা এক্সপ্লোশন হয়েছিল । কিন্তু সবথেকে অবাক করা বিষয় এটাই যে স্থানটিতে কোন প্রকার সুপার লোভা বিস্ফোরণ হয় । যা থেকে এটা আসবে বিজ্ঞানীদের কাছে এই প্লাস্টিক সম্পর্কে তেমন কোনো আয় ছিল না । সত্যিটা কি ছিল কিন্তু এই ঘটনা হওয়ার পাঁচ বছর পর বিজ্ঞানীরা পরামর্শ দেন ২০০৬ সালে দেখা হলে জন্মের সময় হয়েছিল । আর যেটা ১০২ সেকেন্ড পর্যন্ত উপস্থিতি ছিল । এবং তার ভেতরে থাকে বাইরে বের করে দেয় আর সমাপ্ত হয়ে যায় । এই সিদ্ধান্তটি কি জানেন না কিন্তু বন্ধুরা যদি হয় দলের সম্পর্কে বলি তাহলে এটাই তার বড় প্রমাণ হতে পারে । যে টা এটাই বোঝাই যে এসএমএস থেকে বড় এবং রহস্যময় জিনিস এই হোয়াইট হল বাস্তব হতে পারে । তো বন্ধুরা আপনাদের কি মনে হয় সত্যি কি হতে পারে সেটা আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন । নেক্সট টাইম এরকম কোন সাইন্টিফিক এবং আপনাদের সামনে হাজির হবো ।

থ্যাঙ্কস ।

কিভাবে তৈরী হচ্ছে কৃত্রিম ব্ল‍্যাক হোল ।

সময় কি? ব্ল্যাক হোল-এর কাছে সময় কেন থেমে যায় কেন


মঙ্গল গ্রহে যাওয়া প্রথম নারী

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ৯ নভেম্বর, ২০২১

 কখনো কি ভেবে দেখেছেন আপনাকে যদি এই পৃথিবী থেকে ৯৪ কোটি কিলোমিটার দূরে মঙ্গল গ্রহে একা রেখে আসা হয়? তাহলে কেমন হবে শুনতে অবাক লাগলেও এটা সত্য যে ২০৩৩ সালে প্রথম মানুষ হিসেবে এলিজা কার্সন নামে এই মেয়েটি একা যাবে মঙ্গল গ্রহে । সাত বছর বয়সে বাবা তাকে নিয়ে গিয়েছিলেন আলবামার একটি এসপেস ক্যাম্পে সেই ক্যাম্পের অভিজ্ঞতার তাকে এমন ভাবে নাড়িয়ে দিয়েছিল যে তার ভাবনার জগৎ তাই অন্য শিশুদের চাইতে আলাদা হয়ে যায় ।


মঙ্গল গ্রহে যাওয়া প্রথম নারী এলিজা কার্সন
এলিজা কার্সন 

এলিজা কার্সন

এলিজার যখন ৯ বছর বয়স তখন তার সাথে দেখা হয়  ৪১ মহাকাশচারীরা মাসের এই নারী মহাকাশচারী তাকে জানিয়ে দিয়েছিলেন । ছোটবেলাতেই তিনি মহাকাশে যাওয়া স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন । এই কথাটা নিজের চোখে মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন কি আর ও করেছিলো । ১২ বছর বয়সে এলিজা সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে আলবামা কানাডার কুইবেক ও তুরস্কের ইজমির বিভিন্ন অংশ নেয় । মহাকাশের বেসিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন মিশন কিভাবে পরিচালিত হয় তা শিখে নিয়েছে । এলিজা মহাকর্ষ শূন্যস্থানে চলাচল করার পদ্ধতি স্থানে থাকা শিখে নিয়েছে । এলিজা অর্জন করেছে বিশেষ মুহূর্তে জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা । রোবটিক্স বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নিজে একটি রকেট বানিয়েছে  এলিজা । শুধু তাই নয় নাসা থেকে তাকে ব্লুবেরি নামক একটি কলম দেওয়া হয়েছে । যেহেতু এলিজা মঙ্গলে গেলে আর ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম তাই নাসা কাছে সে কোন প্রকার যৌন তাইয়্যেবা সন্তান ধারণের নিষেধাজ্ঞা পত্রে স্বাক্ষর করেছে । কারণ এর আগে একটা কুকুরকে স্পুটনিক' মহাকাশে পাঠানো হয় তখন রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা জানতো না যে কিভাবে এসে আবার পৃথিবীতে ফেরত আনতে হয় । শুধু আটকে সফলভাবে উড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল । তারাও ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর জেএসসি করে চাঁদে পাঠানো হয় । হয়তো জানতেই হবে তার জীবনের শেষদিন অবশেষে ইঞ্জিনিয়ারিং এর ত্রুটি থাকার কারণেই বেশি রাগ ধরে যায় । আর আগুনে ঝলসে মারা যায় তাই হয়তো হারিয়ে যেতে পারে এলিজা । আরে লিজাকে একবার মঙ্গল গ্রহে পাঠানো হলে তাকে আবার কিভাবে যে পৃথিবীতে আনা হবে তার বাস্তব অভিজ্ঞতার কাছে অফিশিয়ালি । ১৮ বছরের আগে কাউকে নভোচারী হিসেবে আবেদন করার সুযোগ দেয় না তবে এর ক্ষেত্রে এ নিয়ম মানা হয়নি ।

প্রথম থেকেই প্রতিষ্ঠানটি এলিজাকে মানুষের ভবিষ্যৎ মঙ্গল অভিযানের জন্য শক্ত-সমর্থ করে তৈরি করতে চেয়েছে ।২০৩৩ সালে যখন মঙ্গল গ্রহে প্রথমবার মানুষ পাঠানোর অভিযান শুরু হবে তখনই এলিজা বয়স হবে ৩০ বছর । এই জন্য যথাযথ বয়স হয়তো আর ফিরে আসবে না । এই পৃথিবীতে আর মাত্র ১৪ বছর পরে একমাত্র নিঃসঙ্গ মানুষ হিসেবে কোটি কোটি মাইল দূরের লোহার মরিচার ঢাকা প্রচন্ড শীত ও নিষ্প্রাণ গ্রহের ক্ষীয়মান নীল নক্ষত্র নিয়ে হারিয়ে যাবে ।তবে তাতে সে মোটেও ভীত নয় ভাবতে অবাক লাগে মানুষের স্বপ্ন কত বিশাল এলিজা কার্সন আমাদেরকে স্বপ্ন দেখতে শেখায় । শেষে জীবনের আরেক নাম-ই স্বপ্ন আর সেই স্বপ্ন পূরণে জীবনকে নিঃশেষ করে দেয়া এক ধরনের সার্থকতা হয়তো । পৃথিবীতে আর ফিরে আসা হবে না তাজানা সত্ত্বেও এলিজা কার্সন এই মঙ্গল গ্রহে একা যাবার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়।


মঙ্গল গ্রহে যাওয়া প্রথম নারী এলিজা কার্সন 2

এই মেয়েটি প্রথম ব্যক্তি হতে পারে


এলিজা কার্সন মঙ্গল গ্রহে কেন যেতে চায়

বন্ধুরা ছোটবেলায় আমরা সুপারহিরো রাজপুত্র রাজকন্যার কাটুন এবং এনিমেটেড সিনেমা দেখি আর তাদের মত হওয়ার অথবা তাদের দুনিয়াতে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি । এরকম একটি স্বপ্ন ১৯ বছরের স্বপ্ন দেখেছিলেন প্রোগ্রামটি দেখতে পারেনি । তাদের বাড়ির পিছন থেকে বিভিন্ন সময় মঙ্গল গ্রহে গিয়ে ছিল । একদিন আমি ওখানে যাব ৩ বছরের ছোট্ট তখনই মহাকাশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় এলিজা ।মঙ্গল গ্রহের ভিডিও দেখতে শুরু করে এমনকি নিজের ঘরে দেয়ালগুলোতে মঙ্গল গ্রহের ছবি । আর শুধু তাই নয় সেটা স্বপ্নের দুনিয়ায় নজর রাখার জন্য একটি টেলিস্কোপে একবার মঙ্গল গ্রহে পৌঁছানোর পর । আর কোনো দিনই হয়তো সে পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারবে না । কিন্তু তা সত্ত্বেও যে পৃথিবী ছেড়ে ১৮২ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । তার স্বপ্নের দুনিয়া মঙ্গল গ্রহে রাখতে চাই সে যেন মঙ্গল গ্রহে প্রথম স্বপ্ন পূরণের জন্য আমেরিকান স্ক্স্যন্সসে ২০০৩ সালে নাসা মঙ্গল গ্রহে মিশনের পরিকল্পনা করেছে । আর এই উদ্দেশ্য সাধনের জন্য তারা ঈসাকে ট্রেনিং দিয়ে প্রস্তুত করছে । ২০০১ সালের ১০ মার্চ আমেরিকার জন্ম হয়েছিল এলিজা ।এখন তার বয়স ২০ বছর আমেরিকার মহাকাশ যাত্রীর সাথে সাথে একজন পাবলিক স্পিকার । মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণ করার পেছনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে । ২০০৮ সালে তিনি মেয়েকে তার প্রথম এক্সপ্রেস ক্যাম্পের জন্য আমার হাতে নিয়ে যান  তখন তার বয়স মাত্র ৭ বছর । রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে তারপর থেকে তুর্কি এবং কানাডার কোন স্থানে অবস্থিত ম্যাচুয়েট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির একমাত্র ব্যক্তি । 

যে যোগ দিয়েছিল আর ওয়েবসাইটেও এবং অন্যান্য অনলাইন প্লাটফর্ম এ ব্যবহৃত হয় । তিনি মেয়েকে উৎসাহিত করতে এবং তার স্বপ্ন পূরণের জন্য এবং আছেন এভাবেই আমরা একটি ইতিহাস তৈরি করে ফেলেছেন । সমস্ত অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রথম বছরেই এডভান্স দেয় এবং মাত্র ১৬ বছর বয়সে এলেকশন কমিশন দ্বারা চালিত একনিষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন করে । ১৮ বছর বয়সে লাইসেন্স ট্রেনিং অফিস ট্রেনিং ট্রেনিং এর জন্য দরখাস্ত বাতিল করে দিয়েছিল । ১৮ বছর বয়স না হলে যোগদান করার ছাড়পত্র মেলে না । তবে নাসায় কাজ করছে তাকে স্পেস ট্রেনিংয়ের জন্য ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে থেকেই সাহায্য করছে । কেননা ২০৩৩ সালে নাসা মঙ্গল গ্রহে মানুষ কিভাবে ৩২ বছর একজন মহাকাশচারী আদর্শ সময় । ২০৩৩ কমিশন দুই থেকে তিন বছরের জন্য হবে তখনই চার বছর হয়ে যাবে । তাই ২০৩৩ সালে মঙ্গলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে । মঙ্গল গ্রহে যাবে তাই নয় ওখানে দুই থেকে তিন বছর থাকবে । একা থাকবে না তার সাথেই থাকবে ওখানে থাকার জায়গা তৈরি করবে নিজেদের জন্য খাবার তৈরি করবে । এবং অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে আর শুধু তাই নয় জীবনের অস্তিত্ব আছে কিনা তার খোঁজে চালাবে । মঙ্গল গ্রহের সবথেকে বড় সমস্যা হল ওখানকার আবহাওয়া ওখানে প্রায় সব সময় ধরে চলতে থাকে । কখনো কখনো এতটাই বেড়ে যায় যে গ্রহটি ঘিরে ফেলে একের বিপরীতে গিয়ে কাজ করা এবং টিকে থাকার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে । তার সাথে নাসার বিভিন্ন রকম মেশিন চালানো হচ্ছে ইন্টারভিউতে জানিয়েছিলেন যে মঙ্গল গ্রহে অক্সিজেনের পরিমাণ খুবই কম ।

ওখানে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ ৯০% তাই আমাকে কমেন্ট যুক্ত পরিবেশে টিকে থাকার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ট্রেনিং এর সময় একবার অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে দেয়া হয়েছিল । অর্থাৎ আমাদের হাইপোক্সিয়া অবস্থায় রাখা হয়েছিল যাতে লক্ষ্য করা যায় অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গেলে আমার কি পরিস্থিতি হয় । এই অবস্থায় আমার মধ্যে ইউফোরিয়া দেখা যায় । সাধারণত প্রচন্ড হাসি এবং হাসিটা খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়ায় আমার শুন্য হয়ে গিয়েছিল । এ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা একটি বই লিখেছেন এবং তিনি নিজে সেটা প্রকাশ করেছেন । বইটির নাম দিয়েছেন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি নিয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসতে সক্ষম হবে । জানা নেই তবে বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির বর্তমানে যে জায়গায় পৌঁছে গেছে তাতে আস্থা রাখা যেতে পারে । যে মঙ্গলবারে চলেছে প্রথম সফলভাবে পৃথিবীতে আসবে এই আশা রাখি সমগ্র পৃথিবীর জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ এর ফলে আমরা মঙ্গল গ্রহকে আরও কাছ থেকে জানতে পারবো । বিভিন্ন খুঁটিনাটি তথ্য এখন ২০৩০ সাল পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে । বন্ধুরা শেষ পর্যন্ত শক্তি হবে আপনার কি মনে হয় আপনার মতামত আমাকে কমেন্ট করে জানান ।ভালো লাগলে একটা লাইক করুন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন ।

মঙ্গলের মাটিতে কি জল? আসল সত্যি টা কি এই জানুন

মঙ্গলের মাটিতেই মৃত্যু হল ইঞ্জেনুইটির হেলিকপ্টারে

মঙ্গলের মাটিতে রয়েছে ডাইনোসরের ডিম ছড়িয়ে আছে পাথরের টেবিল?


বিরল ঘটনা মহাকাশে, ধূমকেতু থেকে বেরিয়ে আসছে যেন আগ্নেয়গিরির লাভা

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১

ধুমকেতু হল ধুলো বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু। ধূমকেতু একটি ক্ষুদ্র বরফাবৃত সৌরজাগতিক বস্তু যা সূর্যের খুব নিকট দিয়ে পরিভ্রমণ করার সময় দর্শনীয় কমা ,একটি পাতলা, ক্ষণস্থায়ী ও বায়ুমন্ডল । এবং কখনও লেজও প্রদর্শন করে । ধূমকেতুর নিউক্লিয়াসের ওপর সূর্যের বিকিরণ ও সৌরবায়ুর প্রভাবের কারণে এমনটি ঘটে থাকে ।


ধূমকেতু থেকে বেরিয়ে আসছে যেন আগ্নেয়গিরির লাভা
ধূমকেতু থেকে বেরিয়ে আসছে যেন আগ্নেয়গিরির লাভা

ধূমকেতুর আগ্নেয়গিরির লাভা

ফ্লোডিং কমেন্ট ঘটনা মহাকাশে ধুমকেতু থেকে বেরিয়ে আসছে । যেন আগ্নেয়গিরির লাভা সেই নিয়ে খবর দিতে চলে এলাম । বন্ধুরা চলে আসি খবরে যেন হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে জেগে উঠছে আগ্নেয়গিরি । বলা যেতে পারে জেগে উঠেছে আগনিওগিরি গলগল করে বেরিয়ে আসছে লাভা আর তাতেই আলোকিত হয়ে উঠছে চারপাশ । সেভাবেই হঠাৎ অসম্ভব উজ্জ্বল হয়ে উঠতে দেখা গেল একটি ধূমকেতুকে । এমন ধূমকেতুর হইল এই প্রথম এখনো পর্যন্ত আমাদের চোখে ধরা দিয়েছে যে বৃহত্তম ধুমকেতু । ধুমকেতু তাদের অন্যতম আকারে হেলবপ ধুমকেতু সুবিশাল গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকে হেলবপ ধুমকেতু উজ্জ্বলভাবে দেখা গিয়েছিল । পৃথিবীর আকাশে ১৯২৭ সালে আবিষ্কৃত হলেও এই ধূমকেতুটিকে এর আগে হঠাৎ এতটা উড়তে দেখা যায়নি । 

ধূমকেতুটির নাম ২৯টি ধূমকেতুটি সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে । অনেক অনেক দূরের কক্ষপথের শনি ও বৃহস্পতি মাঝামাঝি জায়গা থেকে ব্রিটিশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশন এর অ্যাড এন্ড রিমুভস বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন । গত ২৫ সেপ্টেম্বর আকাশের নক্ষত্রের দিকে নজর রেখে টেলিস্কোপে ধরা পড়ে । এই ধূমকেতুটি উজ্জ্বলতা হঠাৎই অসম্ভব বেড়ে গিয়েছে । তার কিছুদিন পরে তা কিছুটা কমতে ও দেখা যায় পরে আবার খুব উজ্জ্বল হয়ে ওঠে । ধূমকেতুটি দুদিনের মধ্যে ধূমকেতুটিকে অন্তত ৫ বার খুব উজ্জ্বল হয়ে উঠতে দেখা গিয়েছে । মনে হচ্ছে সেই ধূমকেতু তার ভেতর থেকে অত্যন্ত উত্তপ্ত মহাকাশের ছুঁড়ে দিচ্ছে । আগ্নেয়গিরি থেকে যেভাবে বেরিয়ে আসে যেন একের পর এক বিস্ফোরণ হচ্ছে । ধূমকেতুতে কম সময়ের মধ্যে ধূমকেতুটির উজ্জ্বলতা স্বাভাবিকের চেয়ে ২৫০ গুণ বেড়ে যায় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক বলেছেন । 

এত বড় বিস্ফোরণের ঘটনা এর আগে আর হয়নি এই ধূমকেতুতে এর আগে এতটা উজ্জ্বল হয়ে উড়তে দেখা যায়নি । ধূমকেতুটিকে গত ২৪ অক্টোবর আবার বিস্ফোরণ হয়েছে । তাতে এই ধুমকেতু কি কি পদার্থ উগলে দিচ্ছে তা জানার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে হাবল টেলিস্কোপ । টেলিস্কোপ এর এখন কর্মক্ষমতা একেবারেই নেই তবে অন্যান্য দিক থেকেও নজর রাখা হচ্ছে । ধূমকেতু থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসা ১০০ মিটার আকারে বস্তুগুলোকে দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে । এই পাথর খন্ড গুলি থেকে পড়ে বৃহস্পতির মুলুকে কিছু নতুন ধুমকেতু তৈরি হতে পারে । কিন্তু ধূমকেতুটির উজ্জ্বলতা হঠাৎ এত বেড়ে গেল কেন আর সেই ঘটনা কেন পর্যায়ক্রমে ঘটেই চলেছে সেই রহস্যের জট এখনো খুলতে পারেননি । জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তাদের ধারণা হয়তো এই ধূমকেতুর অভ্যন্তরে কোন পরিবর্তন ঘটছে । এ বন্ধুরা এটা ছিল কমিটি নিয়ে একটা তথ্য মূলক পোষ্ট আশা করি ভালো লেগেছে সঙ্গে থাকবেন ।আমাদের লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত জানাবেন । আসি আবার দেখা হবে সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন

ভয়েজার ১ এখন কোথায়?

কোন মন্তব্য নেই

শুক্রবার, ৫ নভেম্বর, ২০২১

সৌরজগতের প্রান্তসীমা অতিক্রম করে যাচ্ছে । ৩৫ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার উৎক্ষেপণ করা নভোযান ভয়েজার ১ এখন সৌরজগতের এক প্রান্তসীমায় অবস্থান করছে ।ভয়েজার ১ 'সায়েন্স' সাময়িকীতে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছিল যে বর্তমানে পৃথিবী থেকে সাড়ে ১৮ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করছে এই  নভোযানটি ।


ভয়েজার ১ এখন কোথায়?
ভয়েজার ১

মহাকাশে ভয়েজার ১ 

ভয়েজার ১, ২০২৫ সালে আমাদের সঙ্গে সকল যোগাযোগ ছিন্ন করে চিরতরে হারিয়ে যাবে । এই সুবিশাল মহাকাশের কোন এক অজানা স্থানে । আজ থেকে ৪২ বছর পূর্বে ৫ সেপ্টেম্বর  ১৯৭৭ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল ভয়েজার ওয়ান । স্পেস কে যদি আপনি একজন স্পেশাল হয়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই জেনে থাকবেন । যে ভয়েজার ওয়ান স্পেস ক্রাফট মানুষের বানানো প্রথম মহাকাশযান । পৃথিবী থেকে সবথেকে দূরে অবস্থান করছে । যদি  ডিটেলস জানতে চান তাহলে পোস্টটি  পড়তে পারেন । ইতিহাসে প্রথম ব্যাংক ইন্টারেস্ট ফিল করছি । বর্তমানে পৃথিবী থেকে  প্রায় ২১ দশমিক ৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। কিন্তু এত দূরে যাওয়া সত্ত্বেও আজ আমাদের সাথে কমিউনিকেট করে চলেছে । স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে আজহারীর দিয়ে চলেছে। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো কতদিন এবং কতদূর পর্যন্ত আমাকে ট্র্যাক করতে পারবো। তবে কি কখনো ভয়েজার ওয়ান এর সিগনাল আসা বন্ধ হয়ে যাবে। তাহলে কবে এবং কিভাবে জানবো আজকের এপিষদে জানব। 

১৯৬৪ সালের জেট প্রপুলসন ল্যাবরেটরি অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অফ ১৯৭০ এর দশকে জুপিটার ইউরেনাস নেপচুন একটি সমান্তর অনলাইনে আসতে চলেছে। তখন তিনি নামের একটি কনসেপ্ট সকলের সামনে তুলে ধরেন। যে তে হয়েছিল এর উদ্দেশ্য ছিল মন্ডলের বাইরে গ্রহকে ডিটেলসে দেখা এই কনসেপ্টের ফেসবুকে লঞ্চ করার কথা ছিল । যাতে আমরা সকল বাইরে পথ বেঁকেছে জানতে পারি  এবং এদের ছবি নিতে পারি । এই পুরো মিশনের নাম দেওয়া হয় । তার প্রোগ্রাম কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু কারণবশত এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয়নি । কেন্দ্রীকরণ সারে না ১৯৭৭ দ্বিতীয় একটি মিশন করে যার নাম দেয়া হয়েছে ভয়েজার ১ । প্রোগ্রাম গ্রামের লঞ্চ করা হয়েছিল এবং ভয়েজার ওয়ান ১৯৭৭ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল । আর এর লঞ্চ থেকে ১৬ দিন পর ১৯৭৭ সালে লঞ্চ করা হয়েছে ।ফেসবুকে এই গ্রুপে সাহায্যে আমাদের সোলার সিস্টেমের সকলকে দেখার সুযোগ পায় । স্টেজ প্রোগ্রামের ক্যাপচার করা সম্ভব হয়নি । এবং নির্বাচন করেছিল কিন্তু কেবলমাত্র জুপিটার এবং এর সব থেকে বড় টাইটানিক এপ্লাই করার সময় তার প্রয়োজনীয় ভেলোসিটি করে ফেলেছে । সৌরমণ্ডলের বাইরে যেতে পারে প্রায় তিন বছর তিন মাস ৯ দিন পর এক অজানা শহরে যেখানে রয়েছে । তা কেউ জানতোনা লঞ্চের প্রায় ৪৪ বছর পর আজ এই শহর যাদুর রয়েছে । বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ২১ দশমিক ৭০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে । ২৫ আগস্ট ২০১২ তে আমাদের সৌরমণ্ডলের এবং ইন্টারস্টেলার মিডিয়ামে যাওয়া প্রথম স্পেস হিসেবে গৌরব অর্জন করেন । আজ থেকে প্রায় ১৪৫ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরে রয়েছে । অর্থাৎ পৃথিবী এবং সূর্যের টেনশন থেকে ১৪৫ গুণ বেশি কিন্তু এত দূরে থাকা সত্বেও আজও আমরা করতে পারছি । কিন্তু তা কতদিন ভয়েজার-ওয়ান আমাদের সাথে কানেক্টেড থাকবে । এটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন এই প্রশ্নের উত্তর জানার আগে আমাদের জানা দরকার ভয়েজার-ওয়ান কেমন ভাবে আমাদের সাথে কমিউনিকেট করে ।

ডাটা রিসিভ এবং ট্রান্সলেট

জানা দরকার কেমন ভাবে আমরা ভয়েজার-ওয়ান থেকে ডাটা রিসিভ এবং ট্রান্সলেট করে থাকি । সবার প্রথমে কুড়ি কিলো ওয়ার্ড এর একটি রেডিও সিগন্যাল স্কেলএবং ট্রান্সমিট করে থাকি । সবার প্রথমে কুড়ি কিলো ওয়ার্ড এর একটি রেডিও সিগন্যাল স্কিন পৃথিবীতে থাকা বড় বড় টেলিস্কোপ এর সাহায্যে ভয়েজার-ওয়ান এদিকে পাঠানো হয় । এই সিগন্যালস ভয়েজার-ওয়ান পর্যন্ত অর্থাৎ ২১.৭ বিজ্ঞান কিলোমিটার দূর পর্যন্ত যেতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগে যায় ।এরপর সেনসিটিভ স্কিনের কি কাজ করেন এরপর ভয়েজার ওয়ান কুয়েতি দিনার পৃথিবীর দিকে ট্রান্সলেট করে । এতদূর থেকে পৃথিবী পর্যন্ত আস্তে আস্তে খুবই দুর্বল হয়ে যায় । যাকে ট্যাগ করা খুবই মুস্কিল হতো যদি আমাদের কাছে না থাকতো এর অর্থ নেটওয়ার্ক । নেটওয়ার্ক  এবং অস্ট্রেলিয়ার ভিডিও আপডেট বেশী সেনসিটিভ স্পেস থেকে আসা যেকোনো আজকে কাজ করতে পারেন । আমরা প্রতিদিন নেটওয়ার্কের সাহায্যে সিগন্যাল কেটগোরি আর্চিভস পেজ থেকে আসা সিগন্যাল টেস্ট করার জন্য আমাদের টেকনোলজি বর্তমানে অনেক বেশি অ্যাডভান্স । টেকনোলজি সাহায্যে আলোকবর্ষ দূরে থেকে ছুটে আসা দিনগুলো খুব সহজেই ডিটেক্ট করে ফেলে । আমাদের রেডিও এন্ড এক্সট্রিমলি ডিটেক্ট করতে সক্ষম এই জায়গার লোকেশন করার জন্য কোন টেনশন নেই । কিন্তু এখানে একটি সমস্যাও রয়েছে ভয়েজার ওয়ান টিচার  রেডিও আইসোটোপ থার্মোইলেকট্রিক জেনারেটরের সাহায্যে একটি ছোট ইলেকট্রিক জেনারেটর ইলেকট্রিসিটি প্রবেশ করেনি । 

সম্মান কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ডে আমাদের থেকে দূরে যাচ্ছে । তাই প্রতিদিন কেটে লাগানোর একটি ম্যাটারিয়েল ধীরে ধীরে শেষ হচ্ছে । ১৯৯০ ছবি যাকে তাকে বলা হয় এরপর ক্যামেরা কে বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে ভয় পাওয়ার কি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখা যায় । কিন্তু সাইন্সের মতে ভয়েজার ওয়ান কেবলমাত্র ২০২৫ পর্যন্ত আমাদের সাথে কানেক্টেড থাকতে পারবে । তখন এর আগে যে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে যার ফলে পর্যাপ্ত ইলেকট্রিসিটি প্রবেশ করতে পারবে না । যার ফলে ভয়েজার-ওয়ান এলাকার সাইন্টিফিক ইন্সট্রুমেন্ট কাজ করা বন্ধ করে দেবে । অর্থাৎ আর বেশি দিন পর্যন্ত আমাদের সাথে কমিউনিকেট করতে পারবে না । বর্তমানে লাগানো এগারটি সাইন্টিফিক ইন্সট্রুমেন্টের মধ্যে মাত্র চারটি একটিভ রয়েছে । এদের সাহায্যে ইন্টারস্টেলার ম্যাগনেটিক ফিল্ড এবং কাশ্মীরের ইনফর্মেশন কালেক্ট করছে । কিন্তু খুব শীগ্রই এলাকার মহাকাশে হারিয়ে যাবে । কিন্তু এখনো শেষ হয়নি এদিকে লক্ষ্যে পৌঁছায় এবং এতে থাকা গোলেম রেকর্ড কোন এডভান্স শ্রীকৃষ্ণের হাতে পৌঁছায় । আমাদের এই সবেমাত্র পোস্টটি  কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না ।আর ভাল লাগলে একটা লাইক বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার করুন।

সঙ্গেই থাকুন

টেলিস্কোপ কিভাবে তৈরি হয়

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০২১

টেলিস্কোপ কিভাবে তৈরি হয়
টেলিস্কোপ তৈরি

 

 (২ এর মধ্যে ১ এন্ট্রি) ১: একটি লেন্সের মাধ্যমে আলোক রশ্মির প্রতিসরণ বা অবতল দর্পণ দ্বারা আলোক রশ্মির প্রতিফলনের মাধ্যমে দূরবর্তী বস্তু দেখার জন্য সাধারণত একটি টিউবুলার অপটিক্যাল যন্ত্র । প্রতিফলক প্রতিসরাকের তুলনা করুন। ২: বিভিন্ন টিউবুলার ম্যাগনিফাইং অপটিক্যাল যন্ত্রের যেকোনো একটি।


মেশিনিং দিয়ে টেলিস্কোপ

বহু শতাব্দী আগে একজন ডাচ অপটিশিয়ান দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছিল । তার আগে এটি বিশ্বাস করা হয়েছিল যে পৃথিবী আসলে সূর্যের চারপাশে ঘোরানো সিরিজটি ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিওর হাতে ছাড় দিয়েছিল। যে টেলিস্কোপটি বাস্তবতাকে ফোকাসে নিয়ে এসেছে আধুনিক টেলিস্কোপগুলি সেই প্রারম্ভিক সংস্করণগুলির থেকে আলোকবর্ষ এগিয়ে এবং তাদের আইপিসগুলির মাধ্যমে মহাবিশ্ব একটি প্রতিফলিত দূরবীন বাউন্স করে। এবং আলোকে ঘনীভূত করতে থাকে। আয়নার সাথে উত্পাদন শুরু হয় নলাকার ধাতব অংশগুলির । মেশিনিং দিয়ে এগুলি বিভ্রান্তিকর এবং একসাথে স্ক্রু করা হলে এগুলি স্ট্রেলাইটকে ব্লক করবে। যা হস্তক্ষেপ করবে টেলিস্কোপ অপারেশন আরও সরঞ্জামগুলি। একটি কঠিন অ্যালুমিনিয়াম ডিস্ককে স্পোক সহ একটি রিংয়ে রূপান্তরিত করে । এই অংশটিকে স্পাইডার বলা হয়। টেলিস্কোপের সেকেন্ডারি মিররকে সমর্থন করার জন্য একটি কাঠামো যা ধাতব অংশগুলিকে একটি প্রতিরক্ষামূলক অক্সাইড দিয়ে লেপ দেওয়ার পরে। তারা সেগুলিকে কালো রঙের একটি ভ্যাটে নিমজ্জিত করে ।  রঙ করার জন্য অক্সিডাইজড ছিদ্রগুলির মধ্যে এবং এই ঢালাইয়ের পরবর্তী অংশের পৃষ্ঠকে সিল করে। আইএসসি অফ সিক লো এক্সপেনশন গ্লাস টেলিস্কোপের প্রাথমিক আয়না হয়ে উঠবে । 

একটি ডায়মন্ড এজ টুল একটি গণনাকৃত লেজের উপর ঘোরে। গ্লাসটিকে কিছুটা অবতল করে তোলে অবতল প্রোফাইলকে উন্নত করতে একজন কর্মী গ্লাসটিকে ঘষিয়া তুলিয়া তুলিয়া  ফেলিতে সক্ষম। একটি সূক্ষ্মভাবে কার্ভ ঢালাই লোহার ডিস্কের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এবং এটিকে তারা যেভাবে ঘোরান লোহার ডিস্ক তার বক্রতাকে সূক্ষ্ম সুর করার জন্য ঘষিয়া  তুলিয়া ফেলিতে সক্ষম। কাচের উপর নিচে বিয়ার করে একজন কর্মী। স্ক্র্যাচের জন্য পৃষ্ঠ পরীক্ষা করার পরিবর্তে এবং একটি ক্যালিব্রেটেড গেজ ব্যবহার করে তিনি ডিস্কের ব্যাসার্ধ পরিমাপ করে নিশ্চিত করেন। যে অবতল প্রোফাইলটি সঠিক কাচের এখন কী ঘোরানো দরকার যখন নলাকার কাটার আমেস ডেড সেন্টার একটি গর্ত কাটতে পারে।এই কেন্দ্রের গর্তটি আমরা আগে যে বিভ্রান্তিগুলি দেখেছি তা মিটমাট করার জন্য আকারের এবং এটি কাঁচের পাশের টেলিস্কোপে আয়নাটিকে নিরাপদে ধরে রাখতে সক্ষম । করবে ডিস্ক একটি স্বয়ংক্রিয় হাতিয়ার হিসাবে দোদুল্যমান হয়। যৌগটিকে এটির বিরুদ্ধে ঘষে এটিকে পালিশ করার জন্য একজন কর্মী যে যৌগটির। কিছু অংশ একটি পলিশিং ডিস্কে প্রয়োগ করে এবং তার বিপরীতে কাচের পৃষ্ঠকে কাজ করে। বারবার এই হ্যান্ড পলিশিং পৃষ্ঠের যথেষ্ট উন্নতি করে ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান প্রাথমিক মিরর গ্লাসটিকে একটি গ্রিডের সাথে তুলনা করেন। যে মাত্রাগুলি সঠিক তা যাচাই করার জন্য তিনি গ্লাসে একটি লেজারের লক্ষ্য রাখেন।

 একটি কম্পিউটার প্রতিফলিত আলো বিশ্লেষণ করে যদি কোণটি $১,০০০ দ্বারা বন্ধ থাকে। চুল টেলিস্কোপের ছবি ঝাপসা হতে পারে । গ্লাসটি এখন তার আয়না শেষ করার জন্য প্রস্তুত । একটি ভ্যাকুয়াম চেম্বারে মুখের দিকে তাকায় তাদের কাছে অল্প পরিমাণে টাইটানিয়াম অক্সাইড সিলিকন মনোক্সাইড এবং অ্যালুমিনিয়াম ছিল। তারা চেম্বারটি শক্তভাবে বন্ধ করে এবং বিষয়বস্তুগুলিকে আবরণ করে। এবং তারপরে বেশিরভাগ পাম্প করে এর ভিতরে একটি আংশিক ভ্যাকুয়াম তৈরি করছে। একটি ৬০০০ ভোল্টের ইলেক্ট্রোড সক্রিয় করে। যা এখন ঘূর্ণায়মান কাচের ডিস্কে আয়নগুলির একটি উজ্জ্বল স্রাব। ছড়ায় এই আয়নগুলি গ্লাস থেকে যে কোনও দীর্ঘস্থায়ী দূষককে বিস্ফোরিত করে এটিকে একটি গুরুতর পরিষ্কার করতে তারা অ্যালুমিনিয়াম টাইটানিয়াম এবং সিলিকনকে গরম করে। বাষ্পের একটি মেঘের মধ্যে সেই বিনুনিটির কোনটি পেলেট অ্যাডামস ঘনীভূত অবতরণ কাচের পৃষ্ঠে একটি চকচকে আয়না তৈরি করে। এই অত্যন্ত প্রতিফলিত আবরণ প্রয়োগ করার জন্য মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য এই টেলিস্কোপ আয়না।

 এখন আকাশের তারা এবং গ্রহ থেকে আলো প্রতিফলিত করার জন্য প্রস্তুত। প্রাথমিক আয়নার জন্য ধাতব হাউজিং এর পরবর্তী লেন্সগুলিতে তিনি নব দিয়ে সম্পূর্ণ আইপিসের জন্য একটি মাউন্ট মেকানিজম যুক্ত করেছেন। ফোকাস করার জন্য তিনি অ্যাসেম্বলির উপর ফ্লিপ করেন। এবং সেই নির্ভুলভাবে তৈরি আয়নাটিকে হাউজিং এর উপর স্লাইড করেন কর্ক রিংটি আয়নাটিকে কুশন করে। যাতে একটি স্ক্র্যাচ ছাড়াই একটি ধরে রাখার রিং ইনস্টল করা যায়। টেলিস্কোপের প্রাথমিক আয়নাটি এখন তিনটি টুকরো একসাথে থাকার জন্য নিরাপদ। পার্ট বাফেল তারপর টেলিস্কোপ মিরর কেন্দ্র থেকে টিউন করার জন্য লেন্স হোল্ডারে স্ক্রু করে। সে বিস্ময়কর মিরর অ্যাসেম্বলিতে যোগ দেয় টেলিস্কোপ থেকে দাঁতে ইতিমধ্যে একটি সেকেন্ডারি মিরর দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে। যা বড় করার জন্য প্রাথমিক আয়না থেকে প্রতিফলিত চিত্রগুলিকে বাউন্স করবে। এবং দেখতে এই টেলিস্কোপটি তৈরি করতে প্রায় ছয় সপ্তাহ সময় লাগছে। এবং এখন এটি মহাবিশ্বের রহস্য উদঘাটনে সাহায্য করতে প্রস্তুত।


টেলিস্কোপ কিভাবে তৈরি হয়
টেলিস্কোপ তৈরি

ঘরে তৈরি টেলিস্কোপ

দূরের কোনো কাঙ্খিত বস্তুকে কাছে থেকে দেখতে কার না ভালো লাগে । ঠিক ধরেছেন আজকে আমি এমন একটা বিষয় নিয়ে বলব যেটা আমাদের কাঙ্খিত বস্তুটাকে কাছে থেকে দেখতে সাহায্য করবে । বসলাম টেলিস্কোপ এর কথা ভাবছেন এটা কিভাবে সম্ভব টেলিস্কোপ  আপনি আপনার বাড়িতে বসে বাসায় বসে বানাতে পারবেন । তো চলেন শুরু করি :-একটা কনটিনার আর এটা দেখে বুঝতে পারতেছেন যে এটা হচ্ছে ব্যাডমিন্টন খেলার সাথে জড়িত আরেকটা কনটিনার আমি ব্যবহার করলাম । সেটা হচ্ছে বডি স্প্রে বা পারফিউমের যেটা সেই কথাটা আমি একটু গ্রাম ব্যবহার করব ।একটা মার্কার কলম । টেপ কাটার ব্লেড ১৬০ আর আমার মূল উপাদান তার মধ্যে হচ্ছে লেন্স ।

 লেন্স আমি ব্যবহার করবো একটা হচ্ছে আমার অবজেক্টিভ লেন্স আরেকটা হচ্ছে আমি দুটো লেন্স ব্যবহার করব । ওকে এখন প্রথমে আমরা যে কাজটা করব আমাদের এখানে দেয়া আছে । আমি জাস্ট এটা হচ্ছে আমার এই যে অবজেক্টিভ লেন্স । আমি আরেকটা বৃত্ত আছি এখন আমি কাটার দিয়ে এটাকে কাটবো । আরেকটা জিনিস দেখে আমি ঠিক আমার এই নাম দিয়ে একটা বৃত্ত দিয়েছি । আর এইটাতেই যেখানে আমি ব্যবহার করবো । সেজন্য আমি খুবই সতর্কতার সাথে তাকে একদম পরিমাণমতো কেটে নিবো । আমি যখন একটা টেলিস্কোপ বানাবো আমি এখানে টেলিস্কোপ এর ছবি আঁকার চেষ্টা করছি । এটা হচ্ছে আমার আজ থেকে এসে একটা বিন্দুতে মিলিত হবে । এটাকে বলে ফোকাস বিন্দু ও ফোকাস বিন্দু হবে আমাকে অবশ্যই আমার লেন্সের ফোকাস বিন্দু মেপে নিতে হবে । কিভাবে মাপবে আমি দেখাচ্ছি আপনি বিভিন্নভাবে মাপতে পারেন । 

যখন আমরা সেই রকম তখন আমরা কোথায় গিয়ে সেটা ভালো দেখাচ্ছে । যে জায়গাটাতে ভালো দেখাচ্ছে সেটা হচ্ছে আমাদের ফোকাস বিন্দু । থেকে কিভাবে লেন্সের ফোকাস বিন্দু নিয়ে নিয়েছে আমার অবজেক্টিভ লেন্সের ফোকাস দূরত্ব লেন্সের ফোকাস দূরত্ব সেন্টিমিটার । ৩ সেন্টিমিটার ৪৪৪ তাহলে আমাকে আমার কন্ঠ এমন ভাবে কাটতে হবে যেন আমার কাছাকাছি থাকে । আমার এটাতো আপডাউন করে ভিতরে ঢুকবে আমি এমন ভাবে কাটতে হবে । কারণ হচ্ছে না হলে আপনার হাত কেটে যেতে পারে । আমি আরেকটা জিনিস খেয়াল করে এরকম করে কেটে দিয়েছি এটার ব্যবহার আমি একটু পরে বলব । আর এটাও কাটা হয়ে গেছে আর আমি এটা একটু আগেই কইরে রাখছি । এটা কি আমি গোল করেছি সেটা ঠিক করে ওকে দেখা যাক । আমার প্রথম কথা হচ্ছে আমাকে আমি খুব সুন্দর করে এর ভিতরে এবং সতর্কতার সাথেআমার অবজেক্টিভ লেন্স থাকে । 

আমি খুব সুন্দর করে এর ভিতর দিয়ে স্লোলি এবং সতর্কতার সাথে ঢুকিয়ে দিলাম । এবার এই যে কফিটা আমি কেটেছিলাম আমার অফিসের জন্য সেট করার জন্য এটাকে আমি খুবই সতর্কতার সাথে এটার মধ্যে দিয়ে দিচ্ছি । এজন্য এরকম করে কেটে দিয়েছিলাম মার্কেটের হয়ে যেত এখন আর বের হতে পারবে না । সেটা আমি এবার এখানে রাখবো আমি তাকে আমি খুব সুন্দর করে একদম সেট করে নিয়েছি । এবার আমি যে কাজটা করব আমার এই বড় কন্ঠে নাতে খুবই সতর্কতার সাথে তাকে আমি খুবই সতর্কতার সাথে করার জন্য রেখেছি । আমি একটা কষ্ট দিয়ে খুব সুন্দর করে একদম সেট করে নিয়েছি । এবার আমি যে কাজটা করব আমার এই বড় কনটেইনার তাতে খুবই সতর্কতার সাথে এইটা কে আমি ভিতরে ফেলবো খুবই সতর্কতার সাথে । খুবই স্মার্ট হয়ে গেল করার জন্য আমরা করে রেখেছি দেখা যাচ্ছে যে কারণে আমি আমার জিনিসটা করতে চাই । তাহলে আমি এই জায়গাটাতে আমি এখানে কিন্তু অলরেডি কালার দিয়ে দিয়েছি । জিজ্ঞেস করতে পারেন আমি গানটা দিয়ে কি করছি? আমি গামছা দিয়ে আমার মধ্যে আগেই আমার লেন্স থাকে সেট করে নিয়েছি । আমার অফিসের জন্য আমি নিয়ে নিয়েছি এবার আমি এখানে করাবো ভিতরে ঢুকিয়ে ফেলবে । খুবই সতর্কতার সাথে খুবই স্মার্ট হয়ে গেল দেখা যাচ্ছে যে কারণে আমি আমার জিনিসটা করতে চাই তাহলে আমি এখানে কিন্তু দিয়ে দিয়েছি । এটা দিয়ে দিয়েছি জিজ্ঞেস করতে পারেন আমি কি করছি আমি গামছা দিয়ে জামার মধ্যে আগেই আমার লেন্স থাকে সেট করে নিয়েছি । 

সুন্দর করে মরে নিচ্ছি যেন জিনিসটা সুন্দর দেখা যায় । দেখেন আমি নিয়েছি এবং দেখাচ্ছে এখন একটু খেয়াল করবেন আমি কিন্তু এটা কিন্তু আমার বের হয়ে আসতে পারবে না । কারণ আমি মাথাটা সিস্টেম করে দিয়েছিলাম আর এটাও ভিতরে ঢুকতে পারবে না । কারণ এখানে আমি করে নিয়েছি এবার করা যাচ্ছে এবং আপনারা দেখতে পাচ্ছেন চমৎকার এবং সুন্দর আপনি আপনার বাসায় বসেই অনেকটা বলবো । আমি ফেলনা থেকেই কারণে যে জিনিস গুলো অনেক  খেলনা থেকেই খুব চমৎকার একটা টেলিস্কোপ হয়ে গেল । এবার আমি একটু দেখা দিয়ে আমরা কত গুন বড় করে কোন বস্তু দেখতে পারবো । আমি এখানে চেষ্টা করছি আমার প্রথম প্রকাশ লেন্সের ফোকাস দূরত্ব এবার আমি দেখব । আমার প্রতিবিম্ব কেমন হবে আমাদের প্রতিবিম্বের করতে হবে । অবজেক্টিভ লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বাড়ে দূরত্ব আমার রেজাল্ট ৭.৫ আমরা দেখতে পাচ্ছি । যে আমরা আমাদের রিয়েল বস্তু থেকে ৮ গুণ বড় করে দেখতে পারব না । থাকবে তারা ম্যাগনিফিকেশন হবে ম্যাগনিফাইং হবে তফাৎ করা যাচ্ছে । এবং দেখাও যাচ্ছে একটু যদি চেষ্টা করি দেখা যাচ্ছে আপনি চাইলে এরকম বানাতে পারেন । আর হ্যাঁ ভালো লেগে থাকে অবশ্যই লাইক করবেন  ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আনন্দে থাকবেন।

ধন্যবাদ

সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহাণুর নাম কি

কোন মন্তব্য নেই

 এ পর্যন্ত জানা মতে,বেষ্টনীর বৃহত্তম বস্তু হল সেরেস। গ্রহাণু বেষ্টনীর মোট ভর প্লুটোর চেয়ে যথেষ্টই কম এবং প্লুটোর উপগ্রহ শ্যারন এর প্রায় দ্বিগুণ।


সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহাণুর নাম কি
গ্রহাণু

 গ্রহাণু কি

আলোচনা করব মহাজগতের এক বিচিত্র ও অতিপরিচিত বস্তু Asteroid বা গ্রহাণু কি?  গ্রহাণু বা অ্যাস্টেরয়েড (Asteroid) মূলত পাথর খণ্ড যারা গ্রহের মতো সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে থাকে । সৌরজগতের বেশিরভাগ গ্রহাণুই মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যবর্তী অঞ্চলে পাওয়া যায়।গ্রহাণু কি এগুলো কোথায় রয়েছে মহাবিশ্বে কিভাবে ভেসে বেড়ায় আমাদের বসবাসযোগ্য পৃথিবীর ওপর এর প্রভাব এবং সে সম্পর্কে একটু ডিটেইলস এ বলোবো । গ্রহাণু হল প্রধানত পাথর দ্বারা গঠিত বস্তু যা তাকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে । আমাদের সৌরজগতের গ্রহ নক্ষত্র গ্রহ নামে পরিচিত বস্তু এরা ছোট আকারে ছোট হয় । বেশিরভাগ মঙ্গল এবং বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত গ্রহাণু থেকে নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে আবর্তন করে চলেছে । বৈজ্ঞানিকরা গবেষণা করে দেখেছেন গ্রহণের অঞ্চলে সৌরজগতের গঠনের প্রাথমিক সময় যে সকল গ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল তাদের অবশিষ্টাংশ বৃহস্পতির আদেশ দ্বারা সৃষ্ট । মহাকাশ অভিযানের কারণে অন্যের সাথে মিলিত সুযোগ পায়নি।অবশ্যই তৈরি করেছে গ্রহণ সম্পর্কে একটি গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত মঙ্গল বৃহস্পতি এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ।আকৃতিবিশিষ্ট সৌরজগতের অংশবিশেষ বিভিন্ন আকার আকৃতি বিশিষ্ট অসংখ্য গ্রহাণুপুঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে ।

 এবং চাঁদের ভর এর প্রায় ৪৫০ বিজ্ঞানীগণ । প্রথম ১৯৬১ সালে গ্রহণ করেন বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার করা গ্রহণের মধ্য এটি সব থেকে বড় গ্রহাণু । যেটি প্রথম আবিষ্কার করেন অবস্থিত গ্রহগুলি আবর্তিত হতে হতে কখনও কখনও এই পৃথিবীর নিকটবর্তী স্থানে চলে আসে । এবং পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষের একটা সম্ভাবনা তৈরি হয় টিভি মোবাইল খবর শুনতে দেখা যায় । এই দিন এই পৃথিবীর পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাবে এবং পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষ হতে পারে । যদি এর দিক পরিবর্তন করে ভবিষ্যতে নাসার বিজ্ঞানীরা এমন কিছু পরিকল্পনা করছেন । যাতে নিজের কক্ষপথে ছেড়ে আসা গ্রহাণুগুলো করে পুনরায় তাদের নিজস্ব কক্ষপথে ফিরিয়ে দেওয়া যায় । যাই হোক ভবিষ্যতে বলবে যে নাসার পরিকল্পনা কতটা সফল হবে । পৃথিবীতে গ্রহাণু জাতীয় মহাকাশ থেকে কতটা রক্ষা করতে পারবে তো বন্ধুরা আশা করছি গ্রহাণু অগ্রাহনের কি এর সম্পর্কে তোমাদেরকে সমস্ত কিছু বোঝাতে পেরেছি । এ পরবর্তীতে আমরা জানবো যে না এই গ্রহ থেকে আমাদের পৃথিবী কে রক্ষা করা যে পরিকল্পনা করছেন ।

সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহাণু

এই বন্ধুরা মহাবিশ্ব কথাটা অনেকটা রহস্যময় রহস্য ময় লাগে এই মহাবিশ্বের অনেক বিচিত্র ধরনের বস্তু রয়েছে । যেগুলোর মোট হদিশ বিজ্ঞানীরা আজও আবিষ্কৃত করতে পারেননি । এই মহাবিশ্বের একটি অংশ হলো আমাদের এই সৌরজগৎ আজকে সৌরজগৎ নিয়ে বলব না আজকে আমরা এই সৌরজগতের মধ্যে অবস্থিত গ্রহাণু বেষ্টনী নিয়ে আলোচনা করবো । তাহলে সময় নষ্ট না করে চলুন শুরু করা যাক । আমাদের সৌরজগতের মধ্যে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত মঙ্গল বৃহস্পতি কক্ষপথের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত বেষ্টনীতে গ্রহাণু । বেষ্টনী বলে গ্রহাণু কি হলো সৌরজগতের একটি অংশবিশেষ । গ্রহাণুগুলো মূলত পাথরের কোন পদার্থ দিয়ে গঠিত সূর্য থেকে দূরত্ব প্রায় ২.৩ থেকে ৩.৩ দূরত্বে অবস্থিত । ধারণা করা হয় যে সৌরজগতের গঠন কালীন সময়ে বৃহস্পতি গ্রহের মহাকাশে আকর্ষণের কারণে যে বস্তুগুলো একসাথে মিলে বড় কোন বস্তুতে পরিণত হতে পারেনি সে সকলেই বেষ্টনীতে আশ্রয় নিয়েছে । গ্রহাণু বেষ্টনীতে ১০ থেকে ২০ হাজারের বস্তু আছে ।

 যেগুলোর প্রায় এক কিলোমিটার এর উপরে এতো বস্তু থাকা সত্বেও গ্রহাণু বেষ্টনী সমগ্র পৃথিবীর ঘরের এক হাজার ভাগের এক ভাগ । থেকে সামান্য বেশি বেষ্টিত অবস্থিত গ্রহাণুগুলো খুব একটা ঘন সন্নিবেশে তো নয় । কারণ পৃথিবী থেকে প্রেরিত নভোযান গুলো কোন রকম দুর্ঘটনা ছাড়াই নিয়মিত বেষ্টনী অতিক্রম করে । যে গ্রহাণু গুলোর ব্যাস ১০ থেকে ১০ হাজারের মধ্যে সে গুলোকে বলা হয় এ বেষ্টনী । প্রায় অর্ধেক ভর্সেস ওয়ের্ নামক চারটি সর্ববৃহৎ গ্রহাণুর মধ্যে আবদ্ধ । তাদের ১০০ ভাগের চার ভাগ ভোর হলো এই গ্রহাণু বেস্ট । নির্ভর গ্রহাণু বেষ্টনীর মধ্যে সর্ববৃহৎ এবং একটি মাত্র বামন গ্রহের নাম হল সেরে ।যায ৯৫০ কিলোমিটার মাঝে সংঘর্ষের মাঝে মধ্যে ঘটে থাকে । যার ফলে গ্রহাণু পরিবার সৃষ্টি হয় যাদের কক্ষ বিশিষ্ট এবং গঠন উপাদান একই রকম ছাড়া বাকি সবগুলো গ্রহাণুর সৌরজগতের মধ্যে অবস্থিত । 

তবে ৪১০ হাইজিয়া নামক দুটি ভবিষ্যতে বামন গ্রহ শ্রেণীর মধ্যে জায়গা পাবে । এ সকল গ্রহাণুগুলো যদি সামর্থ্য হয় তাহলে এরা বামন গ্রহের কাতারে পড়বে । সর্ববৃহৎ গ্রহণ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা নেওয়া যায় এটি সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত হয় উনবিংশ শতকে । তখন সবাই সেরেস কি গ্রহ বলে মনে করেছিলেন কিন্তু পরবর্তীতে ৮৫০ এর দশকে যখন এর প্রতিবেশী আরো গ্রহাণু আবিষ্কৃত হল তখন এটিকে গ্রহাণু বলে মেনে নেয়া হয় । ২০০৬ সালের এসকে বামন গ্রহ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় । সূর্য থেকে এটি ২.৭৭ দূরত্বে অবস্থিত । এবং ৯৫০ কিলোমিটার কক্ষপথের বৈশিষ্ট্য উপর ভিত্তি করে বেষ্টনী গ্রহাণুগুলো গ্রহাণু শ্রেণী এবং পরিবার বিভক্ত করা হয় । যে গ্রহাণুগুলো অপেক্ষাকৃত বড় গ্রহাণু কে কেন্দ্র করে আবর্তন করে । সে গুলোকে গ্রহাণু বলা হয় এই সবগুলো কিন্তু তাদের মতো নয় কোন কোন গ্রহাণু মাত্র ঘুমে থেকে ধারণা করা হয় যে এই সকল ধুমকেতু পৃথিবীর পানির উৎস হিসেবে কাজ করেছিল । বৃহস্পতি গ্রহের এন এবং এল রায়ের বিন্দুগুলো যে কোন গ্রহ বৃহস্পতি ৭২৩ রেজোন্যান্স অবস্থান করছে । অর্থাৎ তারা বৃহস্পতিকে যে সময় দুইবার আবর্তন করবে । সে সময় সূর্যকে তিনবার আবর্তন করে এছাড়া উপসর্গ দেখা যায় ।

বেষ্টনী

আপনারা তো প্রায় সবাই জানেন যে আমাদের সৌরজগতের দুটি প্রধান বেষ্টনী রয়েছে । এলাকায় পারবেন আর আপনারা এটাও জানেন যে আমাদের সৌরজগতের সমস্ত  বাষ্ট্রের মধ্যে উপস্থিত রয়েছেন । তবে আপনারা কি জানেন সৌরজগতের কোথায় রয়েছে কত বছর আগে সৃষ্টি হয় আকার কি রকম কে কত সালে এই বেষ্টনী প্রথম খুঁজে পেয়েছিলেন । এছাড়া এস্টোরয়েড সম্পর্কিত আরও অনেক তথ্য রয়েছে সেগুলো যদি না জেনে থাকেন তাহলে চিন্তা করবেন না । সম্পর্কিত অনেক তথ্যই আপনারা মিস করে যাবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক । বাংলা গ্রহাণু বেষ্টনী বলা হয় এবং বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত সৌরজগতের সমস্ত গ্রহের মতো গ্রহ । সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে হাজার হাজার গ্রহাণু উপস্থিত রয়েছে । বিভিন্ন আকার ও আকৃতির হয়ে থাকে তবে এর তুলনায় আকারে অনেক ছোট হয় । তাই এদের সূত্র গ্রহ বলা হয়ে থাকে । এদের আকার ছোট ধূলিকণা থেকে হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে । স্টেট গুলি সাধারণত পাথর ও ধাতু দ্বারা গঠিত একটি মাত্রই বামন গ্রহ । উপস্থিতি রয়েছে যার নাম হল সেরা ।৫০ কিলোমিটারের সবথেকে বড় তিনটি গ্রহাণু হলো তারা যাদের প্রায় ৬০০ কিলোমিটার অনুমান করেছেন । যে আজ থেকে প্রায় চার দশমিক ৬ লক্ষ কোটি বছর আগে সৃষ্টি হয়েছিল । ২.২.২  ৩২৯ থেকে ৪০০ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত । অবস্থিত এর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এমনকি এর মধ্যে মহাকাশযান ১৫ ছাড়া সহজে যেতে পারবে ।এতে আপনার অনুমান করতে পারেন যে ২০০৮ সালে আবিষ্কৃত হয় যখন ইটালিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী কে আবিষ্কার করেন । প্রথম আবিষ্কৃত বস্তু ১৫  মাস পরেই আবিষ্কৃত হয় পরের কয়েক দশক ধরে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল । এবং আঠারোশো পঞ্চাশের দশকে গ্রহাণুর নাম দিয়েছিলেন তারপর থেকে ধীরে ধীরে সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায় । এমনকি ২০০০ সালের মধ্যে দশ লক্ষেরও বেশি গ্রহ আবিষ্কার করা হয়েছিল । অনেকেই শুনেছেন বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী ভবিষ্যতে পৃথিবী কে ধাক্কা মারতে পারে সেই জন্য বিজ্ঞানীরা বর্তমানে গ্রহ নিয়ে অনেক গবেষণা করছেন । আর এটাতো আপনারা সবাই জানেন যে এই বছর ২৯ এপ্রিল অর্থাৎ কিছুদিন আগেই ১৯৯৮ or২  গ্রহাণু দিয়ে গেছে । এই গ্রহ থেকে এসেছে এমনকি আজ পর্যন্ত যত গ্রহাণু পৃথিবীর কাছ দিয়ে গেছে সবগুলোই বেষ্টনী থেকে এসেছে । আজকের  এ পর্যন্তই  ভালো লাগলে লাইক করবেন এবং অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করবেন । 

উল্কা কাকে বলে? উল্কাপাত ও উল্কাবৃষ্টি কি

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১

এটি মহাকাশে পরিভ্রমণরত পাথর বা ধাতু দ্বারা গঠিত ছোট মহাজাগতিক বস্তু যা পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করলে বায়ুর সংঘর্ষে জ্বলে উঠে। তখন একে উল্কাপাত (meteor) বলে। এই উল্কাপাতের জন্য দায়ী বস্তুগুলোকে উল্কা বলে। এসব উল্কার বেশীরভাগই গ্রহাণুর বা ধূমকেতুর অংশবিশেষ।


উল্কা কাকে বলে? উল্কাপাত ও উল্কাবৃষ্টি কি
উল্কা

উল্কা কি

উল্কা বলতে সাধারণত কাদের বোঝানো হয় । মেঘমুক্ত রাতের আকাশে বিশেষ করে জোরালো চাঁদের আলো না থাকলে প্রায়ই চোখে পড়ে উজ্জ্বল আলোর এক রেখা হঠাৎ করে আকাশের গায়ে ফুটে উঠে মিলিয়ে গেল । এই ঘটনাকে সাধারণত উল্কাপাত বা তারা খসা বলে । যে বস্তুগুলোকে এইভাবে আত্মপ্রকাশ করতে দেখা যায় তাদেরকে বলে উল্কা । মোটেও তা নয় বরং বলা চলে তাদের সঙ্গে এদের আকাশ-পাতাল তফাৎ প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায় । যে প্রকৃতপক্ষে আমরা তারা বলতে যাদের বুঝেই তাদেরকে আমরা কখনই উল্কার মতো দ্রুত ধাবমান রূপে প্রত্যক্ষ করতে পারিনা । কেননা তারা আকাশে আপেক্ষিকভাবে স্ত্রীয়ের উল্কা হঠাৎ জ্বলে উঠে । আবার নিভে যায় কেন নিজস্ব কোন আলো থাকে না । এরা এক ধরনের তারবিহীন বস্তুপিণ্ড মহাকাশে এখানে ওখানে ছড়িয়ে আছে । কোথাও দলবদ্ধভাবে কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে এরা কেউ হয়তো মহাকাশে প্রায় একই অঞ্চলে প্রায় গতিহীন হয়ে দীর্ঘকাল পড়ে আছে । নানা কারণে ইতস্তত ঘোরাঘুরি করছে ।পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরছে বলে এদের নিজেদের গতিশীলতা কারণে মাঝে মাঝে কোন কোন উল্কা পৃথিবীর ঘারের কাছে এসে পড়ে তখন পৃথিবীর মহাকর্ষ বলের প্রচন্ডভাবে টানতে থাকে । ফলে এরা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসতে বাধ্য হয় । পৃথিবীর নিয়ম অনুসারেই দ্রুততর হয় কিন্তু পৃথিবীর প্রায় হাজারখানেক কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত আছে । তার বায়ুমণ্ডল এর বিশেষ করে তার নিচের দিকে ধাবমান প্রচন্ড সং এর ফলে বিষয়গুলো জ্বলতে থাকে । এই ঘটনার শুরু হয় সাধারণত পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় । তখন প্রথম গুলো আমাদের দৃষ্টিগোচর হয় যতক্ষণ থাকে ততক্ষণ এদেরকে আকাশের পটভূমিকায় দেখতে পাওয়া যায় ।

স্বাভাবিকভাবে জ্যোতিষ মেঘেদের আর দেখার প্রশ্ন উঠেনা আচার-আচরণ জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছে বিশৃংখল মনে হয় । কেন বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে উল্কাপাত বিশৃঙ্খলা আচার-আচরণের পিছনে আসলে মানুষের অজ্ঞ । তাদের সম্পর্কে মূল্যবোধ গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তর এখনো জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছে প্রায় সম্পূর্ণ । অজানা আর থেকেই বলে দিতে পারেন কখন কোথায় দেখা মিলবে কাদের ক্ষেত্রে এমনটা কখনই বলা যায় না । তারা মনে করেন যে মহাকাশের কোথায় কোথায় আছে আনা আছে এবং এদের উৎপত্তি কিভাবে হয়েছে । পারেন সেই সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য যথেষ্ট তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত এদের রহস্য উদ্ঘাটিত হবে না । অনেক চিন্তা ভাবনা করে এবং কিছু সফল পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে তারা আপাত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, বেশকিছু উৎপত্তি হয়েছে স্থান থেকে আবার তারা মনে করেন যে বেশ কিছু সৃষ্টি হয় তাদের দেহের অংশ থেকে । তাদের সম্পর্ক থাকার ব্যাপারে নিশ্চিত হতে সংগ্রহ করা গেছে ।  বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে যুগ যুগ ধরে ভূপৃষ্ঠে এসে জমা হয়েছে এবং তাদের একটা খুব বড় অংশই বিজ্ঞানের চোখের আড়ালেই থেকে গেছে । কিন্তু তবুও সংগ্রহীত উল্কার পরিমাণ নেহাতই কম নয় আজকাল বড় বড় জাদুঘরের এইরকম কিছু সংগ্রহ সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য রাখা হয় । যে উল্কাপিণ্ড বায়ুমন্ডলের শেষ হয়ে যায় না বৃষ্টি এসে উপনীত হয় তাদেরকে বলা হয় উল্কাপিণ্ড ।এদেরকে পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করে জানা যায় উপাদানের দিক থেকে এরা প্রধানত তিন রকমের হতে পারে । যেমন প্রস্তরময়, লৌহঘটিত ও নবগঠিত উল্কাপিণ্ড । উল্কাপিণ্ডে প্রধানত ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড দ্বারা গঠিত সেইসঙ্গে বেশকিছু নির্মাণ করেছে আর দুই ধরনের উল্কাপিন্ডের উপাদান একই পরিমানে তৃতীয় ধরনের উল্কাপিণ্ড গঠন করে ।


উল্কা কাকে বলে? উল্কাপাত ও উল্কাবৃষ্টি কি
উল্কাপাত ও উল্কাবৃষ্টি

উল্কাপাত ও উল্কাবৃষ্টি

আজকের বিষয় উল্কা ও উল্কাবৃষ্টি পরীক্ষা জিনিসটা আসলে কি ও বৃষ্টি আসলে কেন হয় আর কেনই বাউল কাদের খসে পড়া তারার মত দেখায় । প্রথমে আসা যাক উল্কাটি সে প্রশ্নের যেসব বস্তু মহাকাশে ঘুরে বেড়ায় তাদের কে মহাজাগতিক বস্তু বলা হয় । এরকম কোন মহাজাগতিক বস্তু পৃথিবীর যথেষ্ট কাছে এসে পড়লে পৃথিবীর মহাকর্ষ ক্ষেত্রের প্রভাবে বস্তুটি ভূপৃষ্ঠের দিকে এগুতে থাকে । তখন এর সঙ্গে বায়ুমন্ডলে কণাগুলো সংঘর্ষ ঘটে এই সংঘর্ষ এবং ঘর্ষণের ফলে বস্তুটি জ্বলে ওঠে । আলোর রেখা দেখা যায় সেটি উল্কা বেশিরভাগ সময় এত ছোট হয় যেটি ভূপৃষ্ঠ ছাই হয়ে যায় । কিন্তু যদি মোটামুটি বড় আকারের হয় তখন সেটি পুরোপুরি ছাই হয়ে যায় না । অবশেষে বিশ্বজুড়ে আছে পরে উল্কাপিণ্ড বলা হয় । এখন প্রশ্ন হলো এগুলো আসছে কোত্থেকে সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ পৃথিবী থেকে বেশ দূরে অবস্থান করে । সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এছাড়াও পাথরের টুকরোর মতো ছড়িয়ে থাকে অধিকাংশ বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করার সাথে সংঘর্ষের ফলে পৃথিবীপৃষ্ঠ পর্যন্ত পর্যন্ত হয়ে যায় । এবং পৃথিবী ও মঙ্গল গ্রহে অভিকর্ষ বলের প্রভাবে সাধারণত দেখা যায় । পৃথিবীর দিকে আমরা দেখি সেগুলো কিলোমিটার পযন্ত হয়ে থাকে ।

প্রতিদিন লক্ষ বছরে একবার হয় যেগুলো নিজস্ব কক্ষপথ ভ্রমণের সময় কোন কারণে কক্ষ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায় এবং পৃথিবী মঙ্গল গ্রহে অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের উপর আছে  পরে সাধারণত ভোরের দিকে সন্ধ্যার ছায়া দেখা যায় । কারণ সে সময়কার অবস্থান থাকে পৃথিবীর গতির দিকে খালি চোখে আমরা দেখি । সেগুলো প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার উপরে থাকে । আর থাকে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩০ কিলোমিটার ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়াদের কথা এখন আসা যাক । উল্কা বৃষ্টির গল্প প্রতিবছর পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে এ ধরনের ঘটনা প্রতিবছরই কিছু নির্দিষ্ট দিনে আকাশে উল্কার পরিমাণ বেশি বেড়ে যায় । এক্ষেত্রে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ টা উল্কা দেখা যেতে পারে । আর এ ধরনের পরিস্থিতি কে বলে উল্কা বৃষ্টি । একটি নির্দিষ্ট জায়গা থেকেই আসে এগুলো কি বলেন এখন থেকে মনে হতেই পারে । এগুলো নিশ্চয়ই কোন একটি বস্তু থেকে খসে পড়েছে । আসলে কিন্তু তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৃষ্টির কারণ থাকে সেটা মূলত কোন গ্যাসীয় পদার্থ তৈরি সূর্যের খুব কাছে চলে যায় । তখন এর কিছু অংশ বলা যেতে পারে ছড়িয়ে থাকে চলার পথে পৃথিবীর কাছাকাছি অঞ্চলের টুকরোগুলো পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে বৃষ্টি  হয় । আজ এখানেই শেষ করছি আপনাদের ভাল লাগলে লাইক ও শেয়ার করুন এবং আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানান ।  

ধন্যবাদ

ধূমকেতু আসলে কি ? ধূমকেতু কবে দেখা যাবে

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০২১

 

আমাদের রাতের আকাশে মাঝে মাঝেই এক অদ্ভুত জিনিস এর দেখা মেলে । উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো দেখতে এক বস্তু যার পেছনে ছাতার মতো লেগে থাকা উজ্জ্বল হয়েছে । পৃথিবী থেকে রাতের আকাশে মাঝে মাঝে দেখা মেলা বস্তুটিকে আমরা ধুমকেতু বলে  থাকি । এই ধুমকেতু কিছুদিনের জন্য পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান হয়ে আবার হারিয়ে যায় । মহাকাশের অন্ধকারে তবে তারা ফিরে আসে এক যুগ পর । তাই মানুষের এক জীবনে কোন নির্দিষ্ট ধূমকেতু দেখা সম্ভব নয় ।আর যদিও দেখতে পায় তা খুবই ভাগ্যের ব্যাপার । কোথা থেকে আসে এবং কিছুদিন থেকে আবার কোথায় হারিয়ে যায় এদের ফিরে আসতে এত দীর্ঘ সময় লাগে যে এক জীবনে দেখা সম্ভব নয় । ধূমকেতুর অংশের প্রস্তুতি কি ও কিভাবে তৈরি হয় এসব কিছুই জেনে নিন আজকের পোষ্টে ।


ধূমকেতু আসলে কি ? ধূমকেতু কবে দেখা যাবে
ধূমকেতুর আসল ছবি

ধূমকেতু কি

ধুমকেতু হল ধুলো, বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু। ধূমকেতুর নিউক্লিয়াসের ওপর সূর্যের বিকিরণ ও সৌরবায়ুর প্রভাবের কারণে এমনটি ঘটে। ধূমকেতুর নিউক্লিয়াস বরফ, ধূলা ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাথুরে কণিকার একটি দুর্বল সংকলনে গঠিত। প্রস্থে কয়েকশ মিটার থেকে দশ কি: । 

ধুমকেতু হল বড় পাথর ও ধূলিকণার মিশ্রণে তৈরি এক মহাজাগতিক বস্তু ।যার সৃষ্টি সৌরজগতের শেষ প্রান্তে থাকা ও ওর থেকে বিরাট বড় ফ্যান মেঘ ভেঙে গিয়ে সূর্যের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে এরা সূর্যের দিকে ছুটে চলে । এবং সূর্যকে ঘিরে এক লম্বা উপবৃত্তাকার কক্ষপথে তৈরি করে । এই বৃত্তাকার পথে যখন সূর্যের খুব কাছে আসে তখন সূর্যের প্রচণ্ড তাপে গলে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয় । সেই সঙ্গে ধূলিকণার সমন্বয়ে ধূমকেতুর পথে ভেসে থাকে এই অবস্থায় সূর্যের আলো ধূমকেতুর করলে মূল বরফখণ্ড অর্থাৎ ধুমকেতু উজ্জ্বল হয়ে আকাশে দেখা যায় । সেই সঙ্গে তার পেছনে ফেলে আসা জলীয় বাষ্পের গ্যাস ও ধূলিকণা অধিষ্ঠিত থাকতে দেখা যায় । 

এই ধুমকেতু সূর্য থেকে যত দূরে যায় ততই ঠান্ডা হয়ে যায় এবং তার মিলিয়ে যায় । আবার ঘুরে সূর্যের কাছে এলে তার লেজ তৈরি হয় তখন আমরা রাতের আকাশে তাকিয়ে ধুমকেতু হিসেবে দেখতে পাই । এতগুলো যেহেতু সৌরমণ্ডলের শেষ সীমানা থেকে সৃষ্টি হয় তাই এদের কক্ষ পথ অনেক লম্বা হয় । তাই এদের ফিরে আসার সময় অনেক বেশি এইসব ক্ষেত্রে এক মনোরম দুশো বছরের কম সময়ে যারা কক্ষ পথ ভ্রমণ সম্পন্ন করে । বা রাতের আকাশে ফিরে আসে তাদের বলে স্বল্পকালীন ধূমকেতুর যেমন হলো ধূমকেতু কত বছর অন্তর আমাদের রাতের আকাশে ফিরে আসে । আর যারা দুশো বছরের বেশি সময় কক্ষ পথ ভ্রমণ সম্পূর্ণ তাদের বলে দীর্ঘকালীন ধুমকেতু কয়েক লক্ষ বছর পর্যন্ত হতে পারে । যেমন দুই হাজার কুড়ি সালে দেখা যাচ্ছে আবার দেখা যাবে সাড়ে ৬ হাজার বছর পর এখনো পর্যন্ত প্রচুর ধুমকেতু আমাদের সৌরমণ্ডলের আবিষ্কৃত হয়েছে । 

আবার অনেক ধূমকেতু আছে যেগুলোর হদিশ মানুষের এখনো অজানা সেগুলো এখন হয়তো আছে সৌরমণ্ডলের বাইরে ।এক যুগ পরে আসবে সূর্যের কাছে এই ধূমকেতুর অস্তিত্ব এক অনিশ্চিত ধূমকেতুর মুলটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ১০ কিলোমিটার হয়ে থাকে । সূর্যের তাপে গলে জলীয় বাষ্পের আবরণে তার আকার দাঁড়ায় প্রায় ৪০ হাজার কিলোমিটার । এবং এতে ১০ লক্ষ কিলোমিটার প্রতিবার ঘোরার সময় ধূমকেতুর মূল ভূখণ্ড ত্যাগ করে ছোট হতে থাকে । এবং তার ক্ষয় হতে থাকে সাধারণভাবে স্বল্পকালীন ধুমকেতু সূর্যকে প্রায় ১০০০ বার প্রদক্ষিণ করতে পারে । এবং দীর্ঘ ধূমকেতুর ১০% পঞ্চাশবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে । আর মাত্র ১% ২০১২ সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে পারে ।দীর্ঘকালীন ধুমকেতু যেহেতু অনেক লম্বা রাস্তা অতিক্রম করে তাই যাত্রাপথে অন্য গ্রহের আকর্ষণে তার দিক পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে । এমনকি গ্রহাণু সংঘর্ষে ভেঙেও যেতে পারে অন্য কোন সৌরমণ্ডলের আকর্ষণে ছুটে যেতে পারে । নানা অজানা মহাজাগতিক বিষয় ঘটতে পারে তাই দীর্ঘকালীন ধুমকেতু গুলি বেশিরভাগই অনিশ্চিত তবে ধুমকেতু সৌন্দর্য রাতের আকাশে যে অপরূপ শোভা সৃষ্টি করে তা দেখার জন্য মানবজাতির সর্বদা আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করেন । 

ধূমকেতু গঠিত ও আসা

ধূমকেতু যে বাচ্চাদের জন্য পোষা প্রাণী যখন আপনি রাতের আকাশের দিকে তাকান এবং সমস্ত জ্বলন্ত তারা দেখেন তখন আপনি কি কখনও ভাবতে পারেন যে সেখানে আর কি আছে । আপনি জানেন সেখানে একটি চাঁদ আছে আপনি জানেন যে সেখানে গ্রহ আছে কিন্তু আপনি কি জানেন যে আকাশে অন্যান্য বস্তু আছে । সেইসাথে এই বস্তুগুলির মধ্যে একটিকে ধূমকেতু বলা হয় । তাই ধূমকেতু ঠিক কী একটি মন্তব্য হল এক ধরনের স্পেস রক যদিও তারা উজ্জ্বল, এটি সৌরজগতের বাইরের অংশে খুব ছোট যা পৃথিবী থেকে দেখা যায় না । 

সাধারণত শুধুমাত্র জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টেলিস্কোপগুলি আমাদের সৌরজগতের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় এই মন্তব্যগুলি দেখতে পারে । ধূমকেতুগুলি পৃথিবীর কাছাকাছি রয়েছে যা নিয়মিত টেলিস্কোপ দিয়ে দেখা যায় না । এটি বিরল তবে এটি কখনও কখনও এমন একটি মন্তব্য যথেষ্ট উজ্জ্বল হয় যা টেলিস্কোপ ছাড়াই দেখা যায়। একটি ধূমকেতু দেখতে যথেষ্ট ভাগ্যবান হবেন উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের চেয়েও উজ্জ্বল বা উজ্জ্বল নক্ষত্রের চেয়েও উজ্জ্বল যদি আপনি তাদের একটি দেখার সুযোগ পান । তবে এটি জীবনে একবারের জন্য একটি সুযোগ হবে যা ধূমকেতু দিয়ে তৈরি একটি ধূমকেতু ধূলিকণা এবং বরফ যা সূর্যের চারপাশে ঘুরে বেড়ায় মানুষ কখনও কখনও ধূমকেতুকে নোংরা তুষার বল বলা হয় । যদি আপনি রাস্তায় তুষার দেখতে পান তবে আপনি এতে নুড়ি এবং ময়লা দেখতে পাবেন ।

 যা আকাশে একটি ধূমকেতুর মতো দেখায় ধূমকেতুর একটি বরফ মাঝখানে যা জল দিয়ে তৈরি । এবং যে গ্যাসগুলি হিমায়িত হয় সেগুলি শিলা এবং ধাতুর বিটগুলির সাথে মিশ্রিত হয় । এবং কালো ধুলোর একটি স্তর দ্বারা আবৃত থাকে যখন এটি সূর্যের কাছাকাছি আসে সূর্যের তাপের ফলে বরফ গলে যায় । এবং একটি গ্যাস ধূলিকণা ছড়িয়ে পড়ে মন্তব্যের কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসের চারপাশে এই ধূলিকণাগুলি ধূমকেতুর মাথায় একটি মেঘ তৈরি করে যাকে বলা হয়, ওহ, । এটি বেশ দুর্দান্ত কারণ আমি কেবল স্টারডাস্ট, টেম্প টেলস এবং এই গল্পগুলির মতো একটি বড় বাউলের ​​মতো জ্বলজ্বল করি না । 

প্রকৃতপক্ষে ধূমকেতুর লেজটি আসলে একটি মন্তব্যের সবচেয়ে দৃশ্যমান অংশ যা মন্তব্যটিতে সূর্যের আলো জ্বলতে থাকে । যা লেজগুলিকে উড়িয়ে দেয় যাকে বলা হয় ডাস্ট টেল । এবং আয়ন লেজ কখনও কখনও লক্ষ লক্ষ মাইল লম্বা হতে পারে । লেজগুলি তৈরি করা হয় আপ গ্যাস এবং ক্ষুদ্র ধূলিকণা যে blo হয় সৌর বায়ু দ্বারা নিউক্লিয়াস থেকে দূরে ধূমকেতুগুলি কীভাবে জলের বরফ এবং অন্যান্য অণুর সাথে আবৃত ধূলিকণা তৈরি করে । বা একটি মন্তব্যের শুরুতে যখন ধূলিকণাগুলি একত্রিত হয় তখন এটি লেগোসের মতো যা একে অপরের উপরে স্তুপীকৃত হতে থাকে অবশেষে মিলিত হয় । ধূলিকণার আকার আমি দেখি শিলার মাধ্যাকর্ষণ তারপর সেই বরফের শিলাগুলিকে একত্রে টেনে নিয়ে যায় । এবং আপনি একটি মন্তব্য পান কোথা থেকে ধূমকেতু আসে সৌরজগতের দুটি স্থান থেকে ধূমকেতু আসে । প্রথম স্থানটিকে কুইপার বেল্ট বলা হয় । কুইপার বেল্ট নেপচুনের কক্ষপথের ঠিক বাইরে দ্বিতীয় স্থানটিকে উর্ট মেঘ বলা হয় । এই অঞ্চলটি কুইপার বেল্টের চেয়ে অনেক দূরে, তাই এই অঞ্চল থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে বেশি সময় লাগে । কি কোনো বিখ্যাত মন্তব্য আছে কি আপনি বেটচা হ্যালির ধূমকেতু সবচেয়ে বিখ্যাত মন্তব্যগুলির মধ্যে একটি । 


ধূমকেতু আসলে কি ? ধূমকেতু কবে দেখা যাবে
ধূমকেতুর আসল ছবি

ধূমকেতু দেখা যাবে

এই ধূমকেতু একবার দেখা যায় প্রতি ৭৫ বছর পর বিজ্ঞানীরা ভবিষ্যদ্বাণী করেন । যে এটি পরবর্তী ২০৬১ সালে দৃশ্যমান হবে বিখ্যাত লেখক মার্ক টোয়েন একবার বলেছিলেন যে হ্যালির ধূমকেতু যেদিন পাশ দিয়ে গেছে সেদিনই তার জন্ম হয়েছিল এবং তিনি মারা যান যখন এটি যথেষ্ট নিশ্চিত হয়ে ফিরে আসে তখন সে মারা যায় 74 বছর পরে হ্যালির ধূমকেতু ফিরে আসার ঠিক একদিন পর হেল-বপ হল আরেকটি বিখ্যাত ধূমকেতু যা ক্যালিফোর্নিয়ার কিছু লোক একবার বিশ্বাস করেছিল, একটি মহাকাশযান জুতা-লেভি 9 ছিল মন্তব্যের একটি স্ট্রিং যা ক্যাপচার করেছিল বৃহস্পতির মাধ্যাকর্ষণ এই মন্তব্যগুলি 1990 সালের 16ই জুলাইয়ের সপ্তাহে সূর্যের পরিবর্তে বৃহস্পতির চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে শুরু করেছিল এই মন্তব্যগুলির জন্য বৃহস্পতিতে বিধ্বস্ত হয়েছিল যখন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন যে কী অবিশ্বাস্য দৃষ্টিভঙ্গি অ্যাডভেঞ্চার ধূমকেতু যা পৃথিবী থেকে দেখা যায় প্রতি পাঁচ থেকে দশ বছরে একবার ঘটে।

সৌরজগতের অভ্যন্তরীণ অংশে হ্যালির ধূমকেতু শেষ বার উপস্থিত হয়েছিল ১৯৮৬ সালে । এবং এরপরে আবার আসবে ২০৬১ সালের মধ্যভাগে।

অনুসূর: ০.৫৮৬ জ্যো.এ. (শেষ অনুসূর অবস্থান: ৯ ফেব্রু:

আবিষ্কারক: প্রাগৈতিহাসিক (পর্যবেক্ষণ) এডমন্ড হ.

আপাত মান: ২৮.২ (২০০৩ সালে)

নিকটবিন্দুর সময়: ২৮ জুলাই ২০৬১ ।

মহাকাশের ধুমকেতু অন্যরকম একটি বিষয় ধূমকেতু কবে দেখা যাবে এবং হ্যালির ধূমকেতু সম্পর্কে আজ আমরা জানবো বিস্তারিত । বছর পর পৃথিবী দৃশ্যমান হয়ে ওঠে নাম রাখা হয় ধুমকেতু । ধুমকেতু সর্বশেষ ১৯৮৬ সালের 9 ফেব্রুয়ারি ২৮ শে জুলাই পৃথিবীতে দেখা যাবে । দেখা যাবে প্রথম ধারণা করেন যে ১৯৭২- ১৯৬৫ এবং সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ১৯৭৭ থেকে ৯৮ সাল পর্যন্ত তথ্য থেকে দেখা যায় । যে একত্রিশ ১৯৮৪ সালের দূরবীন ধুমকেতু আবার এগুলো দেখলে মনে হয় । কোন অ্যাপস দিয়ে তৈরি এক ধরনের উজ্জ্বল ধূমকেতু পর্যবেক্ষণ করা গেছে । বিজ্ঞানীদের মধ্যে  ১০০ কোটিরও বেশি রয়েছে আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় পৃথিবীর আকাশে দেখা যায় । এবং আকাশযান ব্যবহার করে এটি পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পান । তা ছাড়া পৃথিবীতে আরেকটি জনপ্রিয় রয়েছে যেটি  ১৯৮৫ সালে এ কে আবিষ্কার করেন ।

সমুদ্র থেকে কিভাবে খনিজ তেল তোলা হয়

কোন মন্তব্য নেই

 

খনিজ তেল 

পৃথিবীর পেট্রোলিয়াম ইন্দুষ্ট্রি লাভ করে ভালো করে কাঁচা তেলের দামের উপর নির্ভর করে । আর প্রতি ব্যারেল কাঁচা তেলের দাম ইতিহাসে অনেক কিছু চেঞ্জ করেছে । কিছু দেশ খুব দ্রুতগতিতে উন্নতি করেছে আবার কিছু দেশের অবনতি ঘটেছে । পেট্রোলিয়ামের বারবার ভাবতে বাধ্য করেছে যে আমরা কিভাবে এবং কোথা থেকে আমাদের এনার্জি ডিমান্ড পূরণ করতে পারব । যদিও সারা পৃথিবীতে তেলের দাম মোটামুটি একই রকম থাকে কিন্তু তার স্বত্তেও সেই থেকে কোথা থেকে তোলা হচ্ছে তার ওপর পেট্রোলিয়াম এর দাম প্রচুর পরিমাণে ভ্যারি করে ।  ১ ব্যারেল পেট্রোলিয়ামকে এক্সট্রাক্ট করে একটা দেশের যে খরচ হয় অন্য দেশের খরচ তার থেকে অনেক আলাদা হতে পারে । এমনকি একই দেশের মধ্যে ও পেট্রোলিয়াম তোলার পদ্ধতি উপর ভিত্তি করে কাঁচা তেলের দাম বিভিন্ন রকমের হতে পারে । একটা দেশের ক্ষেত্রে কিছু পরিমাণ পেট্রোলিয়ামকে মাটির তলা থেকে তুলতে খরচা হতে পারে আর কিছু পরিমাণ পেট্রোলিয়ামকে তুলতে এর বেশি খরচ হতে পারে । এভারেজ হিসেবে ধরে তবে তাদের পেট্রোলিয়ামকে নির্ধারিত পড়তে হয় এবং সারা পৃথিবীতে যে সবসময় পারবেন তার নিচেই রাখতে হয় ।এই কারণে প্রত্যেকটা দেশের মাটির তলা থেকে তেল বের করার একটা ক্যাপাসিটি হয়  যার থেকে বেশি তারা ইচ্ছা করলেও করতে পারে না । আর যদি বের করে ফেলে তবে তাদের সেটাকে বিক্রি করতে হয় তার কারণ হলো খনিজ তেল বিভিন্ন জায়গাতে পাওয়া যায় । এটা সমতলভূমির কোন মাঠের পাশে পাওয়া যেতে পারে আবার কখনোবা গভীর সমুদ্রের মাঝখানে পাওয়া যেতে পারে । এবার এই দুটো জায়গাকে দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে কোন জায়গায় খনিজ তেল বের করা টাকা বেশি খরচ হতে পারে ।অতীতে যখন পেট্রোলিয়াম এর দাম অনেক কম ছিল তখন সমতলভূমি ছেড়ে সমুদ্রের মাঝখানে পুলিশদের বের করাটা একেবারেই লাভজনক ছিল না । কিন্তু যখন পেট্রোলিয়াম এর দাম ধীরে ধীরে বেড়েছে চলছে ।\


সমুদ্র থেকে কিভাবে খনিজ তেল তোলা হয়
সমুদ্র থেকে তেল তোলা পদ্ধিত

  

সমুদ্র থেকে তেল তোলা পদ্ধিত

তেল তিনটি সাধারণ পদ্ধতি দ্বারা নিষ্কাশন করা হয়: রেন্ডারিং, পশু পণ্য এবং অলিজিনাস ফলের সাথে ব্যবহার করা হয়; যান্ত্রিক চাপ, তেল-বহনকারী বীজ এবং বাদাম জন্য; এবং উদ্বায়ী দ্রাবক দিয়ে নিষ্কাশন, চাপ দিয়ে সম্ভব তুলনায় আরো সম্পূর্ণ নিষ্কাশনের জন্য বড় আকারের অপারেশনে নিযুক্ত।

সমুদ্রের মাঝখানে তেল তোলার পদ্ধতি অপশনগুলো একটা হাইকোর্ট হায়রে স্ক্যান খনিজ তেল তোলার মেথড কিন্তু এটাও মাথায় রাখতে হবে । যে পৃথিবীর সমুদ্র গুলো ১৯ দলের একটা বিশাল ভান্ডার । এ কারণে সমতলভূমিতে যদি কোনো কষ্টই না পাওয়া যায় তখন বড় বড় কোম্পানিগুলো সমুদ্রের মাঝখানে যায় । কিন্তু কাজ করা শুরু করার আগে কোম্পানিগুলোকে জানতে হবে যে এগজ্যাক্টলি কোন জায়গাটায় তাদের যেতে হবে । কারণ সমুদ্র একটা বিশাল জায়গা তবে সমুদ্রের মাঝখানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে এক সঙ্গে জোট বেঁধে থাকে । মানে সিঙ্গেল প্লাটফর্ম এক জায়গায় থাকে না । সেখানে আশেপাশে আরও প্লাটফর্ম থাকে তবে কোথায় বানাতে হবে তার জন্য জিওলজিস্ট বিভিন্ন জাহাজের সাহায্যে স্যাটেলাইট ইমেজ এর সাহায্যে  দেখে থাকে । তারপর যখনই তারা ডিসাইড করে ফেলবে যে কোন জায়গায় দাঁড়াতে পারে তখন গুলোকে নিয়ে গিয়ে ওখানে ইন্সটল করা হয় । তবে যে জায়গায় এদেরকে ইন্সটল করা হয় বহু বছর ধরে তারা সেই এক জায়গাতেই থাকে । তাদেরকে একটা অনেক সময় ধরে অপারেট করার জন্যই তৈরি করা হয় । তবে কোনোভাবেই এটা একটা জাহাজের মত কাজ করে না । 

মোটামুটি ভাবে এখানে যারা কাজ করে তারা প্রতিদিন  ১২ ঘণ্টা  কাজ করে । কন্টিনিউয়াসলি ২০০ থেকে ৩০০ জন পর্যন্ত কাজ করে । তারপর আবার কাজ শুরু করে এর ফলে রাখা সম্ভব যেহেতু সেখানে অতিরিক্ত জায়গা থাকে না । তবে সমস্যা হলো এই পদ্ধতির ফলে উপকূলবর্তী শহর থেকে যাতায়াত করতে হয় আর এর জন্য তারা হেলিকপ্টার কে বেশি প্রচার করে ট্রান্সপোর্টেশন এর জন্য । হেলিকপ্টার হেলিকপ্টার যে কারণে গত কয়েক দশকে অনেক কোম্পানি এই কাজের জন্য এগিয়ে এসেছেন । এই কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটা বড় কোম্পানি হলো এভিয়েশন হেলিকপ্টার কে অপারেট করে মেনলি কল করার জন্য । ইউনাইটেড কিংডম এর নাম উপকূলবর্তী শহর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এতদিন এয়ারপোর্ট এয়ারপোর্ট থেকে খুব কমই এরোপ্লেন ইউরোপের কোন জায়গাতেই যায় । তবে এই পৃথিবীর সবথেকে বেশি হেলিকপ্টার প্রতিদিন প্রায় ১০০ হেলিকপ্টার এখান থেকে উড়ে এদের মধ্যে বেশির ভাগটাই নোটগুলোকে সার্চ করে । তবে এই শহরের সঙ্গে আরও একটা ভাবে জড়িত এখানে সমুদ্রবন্দরে সেই সমস্ত জাহাজগুলো এসে দাঁড়ায় করে । তবে যেগুলো আছে সেখান থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে তেল উপকূলে চলে আসে । কিন্তু যারা কাজ করে তাদের প্রয়োজন হয় মেডিকেল সাপ্লাই এর প্রয়োজন হয় । এমনকি এসএমএস করার জন্য বিভিন্ন ইকুইপমেন্ট দরকার হয় । 

আর সেই সবকিছু সাপ্লাই করে এই জাহাজগুলোকে সাধারণত ছোট এবং সহজ হয় এই কারণে উপকূল সব সময় বিজিপি থাকে । কখনো হেলিকপ্টারটি কখনো জাহাজের সাপ্লাই করা হচ্ছে যাতে নড়তে থাকা শতাধিক কন্টিনিউয়াসলি নিজেদের কাজ চালিয়ে যেতে পারে । সাধারণত তিন ধরনের কাজ হয় প্রথমত প্রোডাকশন মানে যে সমস্ত খনিজ তেলের সঙ্গে সরাসরি ভাবে যুক্ত থাকে । তারপর মেনটেনেন্স গুলোতে এবং এর মধ্যে থাকা বিভিন্ন ইকুইপমেন্ট কে মেনটেন করে এরপর তাকে সার্ভিস মানে যারা কাজ করে । তাদের খাওয়া-দাওয়া এবং বিভিন্ন দরকার মেনটেন করে বড় বড় কোম্পানিগুলো । সবসময় চেষ্টা করে যাতে গুলোতে কাজ করার লোক এদের সংখ্যা সবসময় মিনিমাম রাখা যায় । সমস্ত ওয়াতের ট্রানস্পর্ট করা এবং তাদের জন্য সাপ্লাই সব সময় মেইনটেইন করা অনেক এক্সপেন্সিভ । তার সাথে আরও একটা জিনিস আছে এখানে যারা কাজ করে তাদের স্যালারি সমতল ভূমিতে ফিল্ডে কাজ করে ।

 যারা তাদের থেকে অনেক বেশি হয় এমনকি বলতে পারেন একটু বেশি হয় এজন্য বেশিরভাগ ম্যানেজমেন্ট এবং সেগুলো ভূপৃষ্ঠে কোন অফিস থেকে ভিডিও কনফারেন্স এর মধ্যেই হয়ে থাকে । যদিও উপকূল থেকে কয়েক দিনের মধ্যেই থাকে কিন্তু তা সত্ত্বেও সাপ্লাই পৌঁছানো এখানে অনেক কস্টলি এই কারণে খাওয়ার জল এবং বিদ্যুৎ তারা নিজেরাই তৈরি করে নেয় । আপনারা দেখেও বুঝতে পারবেন যে তৈরি করতে প্রচুর টাকা খরচা হয় এর কারণ হলো সমুদ্রের উপরে আমরা যেটুকু অংশ দেখতে পায় সমুদ্রের নিচের অংশটা সমুদ্রের তলা থেকে এমনকি কয়েক হাজার ফুট পর্যন্ত ড্রিল করে । সেখান থেকে তেল বের করে নিতে পারে আর তার জন্য সেইরকম ইকুপমেন্ট ও তাদের কাছে থাকে । কিছু কিছু প্ল্যাটফর্ম আছে যারা সমুদ্রের উপরে ভেসে থাকে ।

 প্লাটফর্ম 

তেল বের করে নিতে পারে আর তার জন্য সেইরকম ইকুইপমেন্টও তাদের কাছে থাকে কিছু কিছু প্ল্যাটফর্ম আছে যারা সমুদ্রের উপরে ভেসে থাকে । তবে এমন কিছু প্ল্যাটফর্ম আছে যারা সমুদ্রের তলা থেকে একেবারে টাওয়ারের মতো করে তৈরি করা থাকে । পৃথিবীর সবথেকে লম্বা প্লাটফর্ম হল পেট্রোনিয়াস প্লাটফর্ম ২০২০ সালে বুর্জ খালিফা তৈরি হওয়ার আগে এটাই ছিল । পৃথিবীর সবথেকে উঁচু স্ট্যান্ডিং স্ট্রাকচার প্লাটফ্রম তৈরি করতে খরচ হয় এমন কিছু কিছু প্ল্যাটফর্ম আছে যাদের তৈরি অস্ট্রেলিয়ান ডলারের কাছাকাছি চলে যেতে পারে । তবে এখানে একটা প্রশ্ন আমাদের মনের মধ্যে উঠে আসে এত খরচ আর এত এরপরেও এগুলো কি লাভজনক আনসার হতে পারে । একটা শর্তে আর একটা লঙ্কেশ্বর দেখতে গেলে কোনোভাবেই কতটা লাভজনক নয় । যতটা সমতলভূমির অয়েলফিল্ড গুলো রাশিয়ার মধ্যে তেলের দাম কমানো নিয়ে বিবাদ শুরু হওয়ার পর থেকে এবং কোভিদ নাইনটিন শুরু হওয়ার পর পেট্রোল এর ডিমান্ড অনেক কমে গেছে । যে কারণে মনে হয় না এখন অর্থাৎ বর্তমানে পৃথিবীর কোন বক্সগুলো প্রফিট করতে পারছে । তাছাড়া আমেরিকা এবং এর মতো বড়-বড় কান্ট্রিতে সেলেরিও অনেক হাই হয় । যে কারণে এই অপশন গুলো থেকে পেট্রোল বের করার থেকে বাইরে থেকে পেট্রোলিয়াম কিনে নেওয়া যায় । তাদের কাছে লাভজনক মনে করুন যদি ভারতের মতো দেশের সমুদ্র উপকূলীয় যদি খনিজ তেল পাওয়া যায় তবুও সেখানে অপব্যবহার করে গড়ে তোলার থেকে সৌদি আরব দেশগুলো থেকে তেল কেনাটা ভারতের কাছে বেশি লাভজনক হবে । তবে এই প্লাটফর্ম করতেও পারে এই কারণে এগুলোকে এখনো জীবিত রাখা হয়েছে ।


সমুদ্র থেকে কিভাবে খনিজ তেল তোলা হয়
সমুদ্র থেকে তেল তোলা পদ্ধিত

খয় ক্ষতি

সারা পৃথিবীতে যখন খনিজ তেলের ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে তখন সমতলভূমিতে ধাকা অন্ড কোনভাবে পূর্ণ করতে পারবে না । এখনই কোম্পানিগুলোকে যেতে হবে সমুদ্রের মাঝখানে তাছাড়াও কোন দেশ যদি মনে করে যে তারা বাইরে থেকে পেট্রোলিয়াম না কিনে নিজেদের দেশেই দমেস্টিক্যালি প্রডিউস করবে তবুও তাদের কাজে লাগতে পারে ।তবে কয়েক দশক আগে থেকে যখন অফসোর অপারেট করা শুরু করেছিল তখন বড় বড় কোম্পানিগুলো আরো একটা খরচ হওয়ার কথা ভাবেনি যেটা বর্তমানে তাদের ভাবতে হচ্ছে । এটা তখন তারা বুঝতে পারে যখন বৃদ্ধি কোম্পানির ডিলার নামক একটা আগুন লেগে যায় এক্সপ্লোশন হয় । এবং তার সাথে সাথে প্রায় পাঁচ মিলিয়ন ব্যারেল সমুদ্রের মধ্যে ছড়িয়ে যায় । প্রায় এক দশক পরেও এই দুর্ঘটনার জন্য যে কত ক্ষতি হয়েছিল সেটা বের করা সম্ভব হয়নি । বি, পি কম্পানিকে প্রায় ৬৫ মিলিয়ন ডলার খরচা করতে হয়েছিল । সমূদ্র পরিস্কার করার জন্য যেটা সেই সময়কার তাদের কোম্পানির প্রায় তিন বছরের ছিল । এটা কোনোভাবেই কেউ বলতে পারে না হয়তো এই ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক রকম হতে পারে হয়তো বিভিন্ন দেশের সরকারের ওপর অনেক গুরুত্ব দিতে পারে । তবে সমুদ্রে এই প্রোডাক্টটি আপনি মেনে নিতে পারেন । এই দুর্ঘটনাগুলো একটা বড় কোম্পানির ইমেজ এমনভাবে খারাপ করতে পারে । সেই ভাবে এনভারমেন্ট কেউ নষ্ট করতে পারে । আর এই সব কিছু একটা ভালো বিজনেস এর জন্য কোনোভাবেই ঠিক নয় এ কারণে গত এক দশকে এই ইন্ডাস্ট্রিতে খুব একটা বেশি ইনক্রিজ দেখা যায়নি । তবে এর ফিউচার কবে এবং কিভাবে পাল্টাবে পাল্টাবে কিনা সেটা এখন আমরা সেই ভাবে বলতে পারবো না । কারণ দ্রুত পরিবর্তন হওয়া এই পৃথিবীতে আমরা কিভাবে এবং কোথা থেকে আমাদের এনার্জি পূরণ করব সেটাও খুব দ্রুতগতিতে পাল্টে যাচ্ছে । তো বন্ধুরা আপনার কী মনে হয় সেটা কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন । লাইক এবং বন্ধুদের সঙ্গে অবশ্যই শেয়ার করবেন ।  

আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ 

পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারীর নাম কি

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১

 ইউরি আলেক্সেইভিচ্ গাগারিন (রুশ: Юрий Алексеевич Гагарин, ৯ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ১৯৬৮) একজন সোভিয়েত বৈমানিক এবং নভোচারী। তিনি সর্বপ্রথম ব্যক্তি যিনি মহাকাশ ভ্রমণ করেন, তিনি ভস্টক নভোযানে করে ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল পৃথিবীর কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করেন ।


পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারীর নাম কি
প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন


পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনের রোমহর্ষক কাহিনী

মানুষের মহাকাশযাত্রার ইতিহাসে ইউরি গাগারিন এক অবিস্মরণীয় নাম প্রথমবারের মতো মহাকাশে তিনি পাড়ি জমিয়েছিলেন। রাষ্ট্রীয় নভোচারীর মহাকাশযাত্রা আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে যে ভয়াবহ প্রতিযোগিতা সূচনা করেছিল তারই সূত্র ধরে পরবর্তীতে একের পর এক মহাকাশ অভিযান চালানোর চেষ্টা করতে থাকে। দেশ দুটি যার ফলে মানুষ চাঁদে পা রেখেছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে বানিয়েছে মহাকাশ স্টেশন।   ইউরি গ্যাগারিন নামের একটি মহাকাশযানে করে ১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল মহাকাশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। রাশিয়ার সময় সকাল ছটা তে মহাকাশযাত্রা তিনি শুরু করেন। প্রথমবারের মতো পৃথিবীর আকর্ষণের বাধন ছিরে বেরিয়ে যায়। তারপর পৃথিবীকে ঘিরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে একবার ঘুরে নিয়ে আবারও প্রবেশ করে। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে রাশিয়ানদের সৌভাগ্য মহাকাশযানটি সেদিন পৃথিবীর বুকে সফলভাবেই নেমে এসেছিল। মোটাদাগে জায়গায় মহাকাশযাত্রার গল্প কিন্তু এটুকুই তবে এর মাঝে লুকিয়ে আছে মজার এবং দারুণ সব তথ্য। যেগুলো নিয়ে কথা না বললে এই মহাকাশযাত্রার গল্পটি অপূর্ণই থেকে যাবে। বিশেষ করে ইউড়ি গাগারিন মানুষটিকে ছিলেন এর আগে কেন কোন মহাকাশযান মানুষকে মহাকাশে নিয়ে যেতে পারেনি। তা নিয়ে কথা না বললে তো এই কাহিনীর কিছুই আসলে বলা হবে না। তাহলে চলুন এরকম কিছু তথ্য সংক্ষেপে জেনে নেওয়া যাক। 

ইউরি গ্যাগারিনের পুড়ছিল ১০৮ মিনিট এখনকার হিসাবে কিন্তু খুবই অল্প। কিন্তু ১৯৬১ সালের প্রযুক্তির কথা বললে অনেক বেশি আসলে অন্যান্য দেশে এমন কি খোদাও তখন অভিকর্ষের বাধা উপেক্ষা করেন । পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে যাওয়ার মত প্রযুক্তি আবিষ্কার করতে পারেনি । এই ১০৮ মিনিটের মধ্যে মিশন পৃথিবীর চারপাশে একবার ঘুরে আসতে সময় লেগেছিল ঘণ্টারও কম সময়ে । কারণ মহাকাশযানটির ছিল প্রচণ্ড পৃথিবী ঘিরে ঘোড়ার বেশিরভাগ সময় জুড়ে বাসের গতি বেগ । প্রতি ঘন্টায় ১৭৫০০ মাইল এ সময় বৃত্তাকার একটি পথ ধরেছে এবং সর্বোচ্চ উচ্চতায় উঠেছে । তারপর গতি বেগ কমে আসলে এটি আবার পৃথিবীর সীমানায় প্রবেশ করে । পৃথিবীর একপাক ঘুরে আসার জন্য ওয়ান মহাকাশযানকে যে উচ্চতায় উঠে যেতে হয়েছে সে জন্য নূন্যতম গতিবেগ ঘন্টায় ১৭৫০০ মাইল হওয়াটা ছিল বাধ্যতামূলক । এর মানে দাঁড়ায় মহাকাশযানটি কে প্রতি সেকেন্ডে ৫ মাইল পথ পাড়ি দিতে হয়েছে । মহাকাশের বাধা ছিঁড়ে পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে গিয়ে পৃথিবীতে ঘুরে আসতে হলে এরকম প্রচন্ড ব্যথা কাটা আবশ্যক । কিন্তু সে সময় এত শক্তিশালী আর কোন রকেট ছিলই না । এই মিশনের প্রস্তুতি হিসেবে মহাকাশযানে ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে দেখা দরকার ছিল । সেজন্য এর একটি প্রোটোটাইপ ভস্রিকে নামে একটি মহাকাশযানে করে আইহোল ইভানোভিচ নামের মনুষ্য আকৃতির একটি মেয়ে এবং একটি কুকুরকে ঘুরে আসলে পাঠানো হয়েছিল ।

প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনের জন্ম

সফল হওয়ার জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছিল ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত এক নিলামে ৯৯৫১০ বিক্রি হয় ইউরি গ্যাগারিন । যখন মহাকাশে যাত্রা করেন তখন তার বয়স ছিল ২৭ বছর । ১৯৩৪ সালের ৯ মার্চ রাশির জাতকের কাছে কোন নামের এক গ্রামে তার জন্ম । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অন্যদের মতোই তার পরিবারকে অসম্ভব কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে । জার্মান এক অফিসার তাদের ঘরের দখল নিয়ে ছিল ফলে প্রায় এক বছরের মতো মাটির ঘরে বসবাস করতে হয়েছিল ।তাদের তারও করুন ১৯৪৩ সালে নাসিরা তার দুই ভাইকে দাস হিসেবে ধরে নিয়ে গিয়েছিল । যুদ্ধ শেষে তারা মুক্তি পেয়েছিলেন অবশ্য পরে ১৯৪৬ সালে আবারও ফিরে আসে । পরিবার জানা যায় ছোটবেলা থেকেই মহাকাশযাত্রা স্বপ্ন দেখেছিলেন তবে তার ছোটবেলায় মানুষ মহাকাশযাত্রার কথা সে ভেবেছে বলে মনে হয় না ।সফল দের কে নিয়ে এরকম কল্পকথা ছড়িয়ে পড়া স্বাভাবিক সে সময়ে অবস্থা বিবেচনা করলে ছোটবেলাতে কিউরি মহাকাশযাত্রা স্বপ্ন দেখেছিলেন । তবে তার ছোটবেলায় মানুষ মহাকাশযাত্রার কিভাবে ভেবেছে বলে মনে হয়না সফলদের কে নিয়ে এরকম কল্পকথা ছড়িয়ে পড়া স্বাভাবিক । সে সময়ে অবস্থা বিবেচনা করলে মনে হয় মহাকাশযাত্রা না হলেও বৈমানিক হবার স্বপ্ন কিন্তু তার ছিল । সেই ধারাবাহিকতায় এবার শীতে বছর খানেকের জন্য একটি ভোকেশনাল স্কুলে পড়াশোনা করে হাতে কলমে কাজ শিখেছেন । তারপর তারা তাদের একটি কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয় পড়ার সুযোগ পেয়ে যান । সেখানে পড়ার সময় শখের বশে বিমান চালানোর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন । ১৯৫৫ সালে কারিগরি বিদ্যালয় পড়াশুনা শেষ করে ওরেনবার্গ এর পাইলট স্কুলে ভর্তি হন । ইউড়ি গাগারিন সেখানে তিনি যুদ্ধ বিমান চালনার প্রশিক্ষণ নেন সেখানে ভ্যালেন্টিনা গড়েছে হওয়ার সাথে তার পরিচয় কিছু ঘটনা ঘটে পরিচালনায় উই লাভ করেন । এবং ভ্যালেন্টিনা সাথে সেই বছরই তার বিয়ে হয় এরপর তাকে অবস্থিত নিয়োগ করা হয় । এই এলাকায় বিমান চালানো বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল নিজের কাজে দারুন মুন্সিয়ানার পরিচয় দেন । ইউরি গ্যাগারিন ১৯৫৭ সালের ৫ ই নভেম্বর ইউরি গ্যাগারিন বিমান বাহিনীতে লেফটেন্যান্ট পদ লাভ করেন । ১৯৫৯ সালের ৬ নভেম্বর তিনি সিনিয়র লেফটেন্যান্ট পদে উন্নীত হন ।পরের বছর ১৯৬০সালে আরো ১৯ জন বৈমানিকের সাথে মহাকাশ যাত্রার জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন । এর মধ্যে থেকেই ইউরি গ্যাগারিন এবং নির্মাণ টিটুকে দ্বিতীয় পর্যায় নির্বাচন করা হয় । এর পেছনের কারণ তাদের উচ্চতা লম্বা নয় বরং তুলনামূলকভাবে অন্যদের চেয়ে খাটো হওয়ার ফলেই নির্বাচিত হয়েছিলেন । তারা এর উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ২ ইঞ্চি ছোট ঘরে বেশ ভালোভাবে এগিয়ে ছিলেন তিনি । সেই সঙ্গে স্মৃতিশক্তি শারীরিক ক্ষমতা ইত্যাদি মিলে শেষ পর্যন্ত তিনি প্রথম মহাকাশ যাত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন । তাছাড়া প্রথম ধাপে নির্বাচন এর মধ্যেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন ইউরি । একটি ভোটাভুটি করা হয়েছিল এই কাকে মহাকাশযাত্রা জন্য সবচেয়ে যোগ্য মনে করেন । এর মাঝে ১৭ টি ভোট পড়েছিল ইউরি গ্যাগারিনের পক্ষে । 

ক্যাপসুল বর্তমানে সাধারণ আকৃতির মহাকাশযান বানানো হয় সেসব মহাকাশযানের নির্দিষ্ট চোখা মাথা থাকে। মহাকাশের বাঁধন ছেড়ে বেরোনোর জন্য তাকে অনেক বেশি চাপ সহ্য করতে হয় । গোলাকৃতির মহাকাশযানের ক্ষেত্রে সুবিধা হলো এর নির্দিষ্ট কোন সেন্টার অফ গ্রাভিটি নেই । যখন যেদিকে ফিরি থাকবে সেভাবে সবটুকু পৃষ্ঠতলের মহাকর্ষ চাপ টুকু ছড়িয়ে যাবে । ফলে কোন একটি বিন্দুতে মহাকাশযানকে অনেক বেশি চাপ সহ্য করতে হবে না । সেজন্য আসলে ভস্টক ওয়ান প্রয়োজনীয় গতি বেগে ছুটে পেরেছিল এবং ভেতরের একমাত্র যাত্রীটি যাত্রার সময় বেশ আরামই ছিলেন । অনেকেই হয়তো ভাবছেন এখন তাহলে মহাকাশযান এভাবে ডিজাইন করা বা বানানো হয় না । কেন আসলে সব কিছুতেই একটা কিন্তু থাকে গোলাকৃতি সমস্যা হলো ফিরেছেন আমার ক্ষেত্রে এটি অনুপোযোগী । তাছাড়া বর্তমান মহাকাশযানগুলো তে ফিরে এসেছেন আমার জন্য রাস্তার থাকে যার ভূপৃষ্ঠে কাছাকাছি চলে এলো । রাস্তার চালু হয়ে যায় এবং ওপরের দিকে বলপ্রয়োগ করে ফলে মহাকাশযানের গতি ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে এবং যানটি নিরাপদের নামতে পারে । কিন্তু সেরকম কোনো কাজ ছিল না হলে বাঁচতে চাইলে ঘরের একমাত্র উপায় ছিল ।উপরে থাকতেই প্যারাসুট নিয়ে থেকে বেরিয়ে যাওয়া তাই করেছিলেন । কিন্তু সে সময় প্রথম অনুষ্ঠান সফল মহাকাশ অভিযান হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য সফলভাবে যাত্রীসহ মহাকাশযানটির নেমে আসা গুরুত্বপূর্ণ ছিল । ফলে রাশিয়ানরা তাদের অফিশিয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য গোপন করে গিয়েছিল । পরবর্তীতে যাত্রীসহ নেমে আসার নিয়ম শিথিল পরের আসি আসল সত্যটি ফাঁস করে এখনো রয়ে গেছে ইউরি গ্যাগারিনের । সম্মানে অবস্থিত নদীর নাম রাখা হয়েছে এর আগে একই লঞ্চ থেকে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল ।রাশিয়ার ফেডারেল স্পেস এজেন্সির দায়িত্বে থাকলেও মহাকাশযান উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটির আসলে কিন্তু কাজাকিস্তানের অবস্থিত ছিল । তবে এখন কাজাকিস্তান স্বাধীন রাষ্ট্র রাশিয়ান সরকার এখনো এখান থেকে মহাকাশ যান উৎক্ষেপণ করে ।


পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারীর নাম কি
প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন


এমনকি এ বছরের জুলাই এবং সেপ্টেম্বর দুটো মহাকাশযান থেকে কিন্তু যাত্রা করেছে । প্রকৃতি মাঝে মাঝে বড় নির্মম আচরণ করে মহাকাশ থেকে ফিরে আসার পর শিউলীর স্বপ্ন জুড়ে ছিল ফের মহাকাশযাত্রা । কিন্তু এটাই তার কাল হয়ে দাঁড়ালো অসম্ভব বিখ্যাত হয়ে যাওয়ায় রাশিয়ার জন্য তিনি এত বেশি মূল্যবান হয়ে গিয়েছিলেন যে রাশিয়া আমরা তাকে আরেকবার মহাকাশে পাঠানোর ঝুঁকি নিতে কোনভাবেই রাজি ছিলেন না । এসময় ইউরি গ্যাগারিন স্টার সিটি মহাকাশচারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগ দেন সেই সঙ্গে ফাইটার পাইলট হিসেবে আবারো কাজ শুরু করেন । বিমান বাহিনীর পদোন্নতি ১৯৬৬ সালের ৬ নভেম্বর বিমানবাহিনীর কর্নেল পদে ভূষিত হন । ইউড়ি গাগারিন পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালের দিকে রাশিয়ান সরকার তাকে আরেকবার মহাকাশে পাঠাতে রাজি হয় । তখন অনুষ্ঠানের কোনো কিছু সেভাবে নির্ধারিত হয়নি । নিয়মিত নির্মম পরিহাস একটি সাধারণ রুটিন প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান ইউড়ি গাগারিন । দিনটি ছিল সাতাশে মার্চ হাজার ১৯৬৮ তাকে সমাহিত করা হয় । তো বন্ধুরা এই ছিল পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনের অজানা-অচেনা কাহিনী । আমরা জানি মহাকাশ নিয়ে আপনারা ভালো লাগে । কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না ।  লাইক ও শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে জানাবেন আপনার মুলোবান মতামত

Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo