Responsive Ad Slot

বিশ্বব্রহ্মাণ্ড লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিশ্বব্রহ্মাণ্ড লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মহাকাশ সম্পর্কে অজানা তথ্য বিজ্ঞানের জানা অজানা তথ্য

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১


মহাকাশ সম্পর্কে অজানা তথ্য বিজ্ঞানের জানা অজানা তথ্য
মহাকাশ

মহাকাশ সম্পর্কে অজানা তথ্য  

রাতের আকাশে তাকিয়ে যে হাজার হাজার জ্বলতে থাকা তারা দেখা পাই । তারা প্রাচীনকাল থেকেই তাদের দিকে টানছে আমাদের এখানে মধ্যাকর্ষণ ছাড়িয়ে একদিন মানুষ জয় করেছে মহাশূন্যে বেঁধেছি ঘর স্পেস স্টেশন। সেখান থেকে আমাদের পৃথিবীতে একদমই বিভিন্ন রকম দেখায় পৃথিবীর পাহাড় সাগর অথবা ঘূর্ণিঝড় একদমই আলাদা। যেন মহাকাশচারী প্রথম যাত্রাতেই অজস্র ছবি তুলেছেন তাদের ভেতর থেকে নির্বাচিত কিছু ছবি নিয়ে আজকের আয়োজন।

 ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির পর্যবেক্ষণকারী মহাকাশযানের তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে গিনি-বিসাউ প্রজাতন্ত্র দেশগুলোর ভেতর একটা সীমা আছে। আর্সেনাল নিচের দিকে সাদা রঙের জায়গাটা রাজধানী ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির সাগরের এবং এই বিশাল বড় পরিবর্তন এলো কি না আসলে তার নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করবে কিনা তা নির্ধারণ করা। ২০১০ সালের ২০ এপ্রিল পানির নিচে তেলের খনি বিস্ফোরণের কারণে প্রচুর তেল ছড়িয়ে পড়ে তিন মাস ধরে মেক্সিকো উপসাগরের নির্গমনের ক্যানভাসে পরিণত হয়। সে সময় নাসার একটি মহল থেকে নেয়া ছবি এই তিনটি বর্ণের একটি প্রোফাইল তৈরি করেছিল তারা মোটামুটি সব ধরনের ছিল বলা হয়ে থাকে। ফুলের মাটিতে আছড়ে পড়া সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড় এটা ফিলিপাইনের পূর্ব উপকূলে আঘাত করে এতে অন্তত ৫০০ জনের জীবনহানি ঘটে ২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে   মনে হয় যেন পৃথিবীতে কেউ আগুনে জ্বলছে দিচ্ছে ওরা ২০১১ সালের ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে তোলার সময় ছবি তোলা পানির দিকে এগিয়ে চলছে মহাকাশচারীরা। যখন পৃথিবীর দিকে তাকায় তখন রাতের তারার মত লাগে   উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের কোন জায়গাটা লন্ডন এছাড়া  চ্যানেলের প্যারিস শহর আমস্টারডাম আর বাসের উপর দিকে ডান কোনায় অন্ধকার অংশটুকু অরোরা বোরিয়ালিস ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন থেকে তোলা হয়।  

সবচেয়ে বড় জ্যোতিষীকে মাকড়সার মতো দেখতে ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা দিয়ে নিজের জান থেকে ৩২০ দূরে ঘুরে আসেন। তিনি নদীকে স্বর্ণ দিয়ে বলা হয় হাজার ৮০০ সালের দিকে এর আশেপাশের সন্ধানীরা অনেক ঘুরেছে সোনার নদীয়ায় নীল রং নিয়ে ভেতর দিকে চলছে বরফে ঢাকা এই জায়গাটা। পর্বত এভারেস্টের আর এর আশেপাশের শৃঙ্গ গুলোর ২০১১ সালে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে একজন মহাকাশচারী ছবিটি তুলেছেন এভারেস্টের উচ্চতা সমুদ্র সমতল থেকে ৮৮৪৮ মিটার ইন্দোনেশিয়ার নিচের দিকে অস্ট্রেলিয়ার উপকূল এটি একটি স্পেস শাটল বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার। আর নিচের ট্রপোস্ফিয়ার সবচেয়ে কম দামের অ্যাটমোস্ফিয়ার ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে তোলা ইতালি ২০১২ সালের জানুয়ারিতে এক ধাক্কা খেয়ে একদিকে হেলে কিছুটা ডুবে যায়। এতে প্রায় ৪ হাজার যাত্রী ছিল নিহত হয়েছিল ৩২ জন দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করে অনেকের প্রাণ রাখা সম্ভব হয়।

বিজ্ঞানের জানা অজানা তথ্য

২০১২ সালের ১৭ জানুয়ারি তোলা দেখে মনে হবে কেউ বাংলার ইংরেজি আটকে রেখেছে। কিন্তু এটা প্রকৃতির কারসাজি পানির ভেতরে ফাইটোপ্লাঙ্কটন মিলনের সৌন্দর্য ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ৬০০ কিলোমিটার উপর থেকে অলিগলি রাশিয়ার ওপর এ ধরনের গঠনকে রাস্তা রাস্তা বলা হয়। বাতাসে ভেসে আসা তুষার থাকে এটা মহাকাশ থেকে তোলা পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো ছবি মহাকাশচারীদের এই ছবিটি তুলেছিলেন ঐতিহাসিক ভ্রমণের সময়। ৯৬২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে আসেন এটাকে চেনা যাবে যদি কৃত্রিম দ্বীপ টার দিকে তাকানো হয়। এটা দুবাই বামদিকে অপরাধী উজ্জল বুর্জ খলিফা দেখা যাচ্ছে জায়গা দিয়েছে কুয়াশার মাঝে সবুজ দ্বীপের ছবি। ২০১০ সালের অক্টোবরে তুলেছিল নাসার স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি দেখে মনে হয় আর যেন জায়গা বদল করেছে আগ্নেয়গিরির দ্বীপ কাকে দেখা যাচ্ছে। দেখে মনে হবে ভ্যান গগের আঁকা কোন ছবি নয় ছবিটির নাম দিয়েছে অবিরাম মহাসাগর ছবি। ২০০৫ সাল থেকে ২০০৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অবস্থান একসাথে দেখা যাচ্ছে ছবিটি তোলা হয়েছিল স্রোতের দিক কিভাবে পরিবর্তন হয়। তা দেখার জন্য অদ্ভুত সবুজ রঙের এইগুলো অ্যান্টার্কটিকার উপকূলের এ ছবিটি রহস্যের সৃষ্টি করেছিল। সবুজ এটাই প্রথম ছবি এটা সাগরের কোন ফাইটোপ্লাংটন বা শৈবাল হতে পারত কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানান তিনি নিশ্চিত হতে পারছেন না। কারণ মনে হচ্ছে শৈবাল সাগরে ভাসছে না লেগে আছে তখন জাহাজ নিয়ে গিয়ে নমুনা নিয়ে আসেন।

 প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন পুরো জায়গাটা যেন সবুজ বরফের  প্যানকেক আবার সবুজ পানিতে ভাসছে বিভিন্ন সাগরে অবস্থিত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা সাগরের যে কোনো অস্বাভাবিকতা সাবধানবাণী স্থল পর্যন্ত পৌঁছে যায়। একে অন্যের সাথে মিলিত নেটওয়ার্ক তৈরি করে ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সুনামি লাখ ৩০ হাজার মানুষের জীবন নিয়ে গেলে এর কার্যক্রম প্রসারিত করা হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল শহর পৃথিবীতে করে তাকে দেখতে চেয়েছিলেন পৃথিবীর দ্রুততম পরিবর্তিত হয় একটি সবুজ গাছপালার সবুজ সাদা আর হালকা কমলা সাগর পাথরের নুড়ি পাথর বাদামি একাকীত্বে ভোগা আছড়ে পড়তে যাচ্ছে।পৃথিবীতে সীমারেখা শহরের আলো দেখা যাচ্ছে ছবিটি তোলেন দশকের পর দশক ধরে লাল রঙের নানা রহস্য জাল বুনেছে। মনে হাজার  ১৯৮৯ সালে প্রথমবার ছবি তোলা সম্ভব হয় পরে জানা যায় এগুলো এক ধরনের বৈদ্যুতিক ক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট স্প্রাইটস থেকে এসে। বরফখণ্ড আলোকচ্ছটা তৈরি করছে ২০০৫ সালের সেরা স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবিতে গ্রীনল্যান্ডের বরফখন্ডে দেখা যাচ্ছে ছোট ছোট এই বড় জাহাজের জন্য দুর্যোগ ডেকে আনতে পারে টাইটানিকের সেই বিখ্যাত বরফখণ্ড পুনর্জন্ম এখানে মিসিসিপি নদী।

 ব্লক মারার শহর এই ছবিটির একটি প্রতিযোগিতায় জেতার শীর্ষ ৫ এর ছবি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের প্রথম মানচিত্র পাথর মাটিতে থাকা শরীর দেখানো হয়েছে। হারিকেন ১৯৯২ সালে এই ঝড়ে বাতাসের গতি এতটাই প্রবল ছিল যে ঝড়ের গতি নির্ধারণ করার যন্ত্রপাতি ও নষ্ট করে দিয়েছিল ক্ষয়ক্ষতি দাঁড়িয়েছিল ২৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। এগিয়ে যাওয়া দেখানো হয়েছে ২৩ আগস্ট এর মাঝে ২৪ আগস্ট এবং ২৫ আগস্ট এর অবস্থান মেঘের উপর মেঘ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বিশ্রাম নিচ্ছে এলাকা কে আলাদা করেছে পাহাড় পাহাড়ের বাধা পেয়ে মেঘগুলো বাম দিকে বৃষ্টি ঝরায়। অন্যদিকে পাহাড় পেরিয়ে অন্যদিকে তার দিকে আসতে পারে না। এদিকে মোর পরিবেশ আমেরিকা শহরের মহাকাশচারীরা ১৯৬৯ সালে চারদিন পর আর নীল আর্মস্ট্রং চাঁদে পা রাখেন। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ধুলাবালি আর অন্য বস্তুর ঘূর্ণন রং লাল সবুজ আর সাইক্লোন মিলছে সাদা অংশ থেকে আসে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ দেখে মনে হবে কোন প্রাণীর মুখ কিন্তু জনবিরল অস্ট্রেলিয়া এতো আলো কেন খোঁজ নিয়ে জানা যায়। আলোগুলো দাবানলের আগুন পৃথিবীর বৃহত্তম উষ্ণতম চীনের এই মরুভূমিতে এক ঝড়ের পর তুষারের চাদরে ঢেকে গিয়েছিল।

স্বপ্নের মত মেঘেদের রাস্তা দক্ষিণ-পশ্চিম ব্যাংক থেকে তোলা এই ছবি গুলো কৃত্রিম কৃষিকাজের জন্য প্ল্যান এর সাহায্যে কৃত্রিম বৃষ্টি তৈরি করার জন্য আকাশের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এগুলো খেয়াল করে মেঘ সৃষ্টি হয় আমেরিকার সর্ববৃহৎ তেল শোধনাগার বিভিন্ন রকম আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলোর মিলিত ছবি হওয়ায় বাড়িঘর যন্ত্রপাতি সাদা ও নীল আর গাছপালা লাল দেখাচ্ছে। উপকূলে বরফের মাকড়সার জালের মতো ফাটল বিশেষজ্ঞদের মতে জানুয়ারিতে এই অঞ্চলের উচ্চ তাপমাত্রা আর বাতাসের ফলে তৈরি হওয়া স্রোতে ফাটল তৈরি করেছে। স্পেস স্টেশন থেকে দেখা সূর্যোদয় দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর সূর্যোদয় হলেও মানুষ পৃথিবীর তাপ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনা। কক্ষপথের সুবিধা থাকার জন্য ৪৫ মিনিট পর শহরের ছবি এখানে দেখা যাচ্ছে। মহাশূন্যে সৌন্দর্যবর্ধনের দৌড়ে আমাদের চেনা অচেনা পৃথিবী টাও কম যায় না।  কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।।

অঝোরে লোহার বৃষ্টি ভিন্‌গ্রহে একটি দিকে ও ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এল রহস্যময় তরঙ্গ

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১

 প্রায় আমাদের বৃহস্পতির মত আকারের এই ভিনগ্রহের ঝলসে যাওয়া উঠে এসেছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণা পত্রে সেই গবেষণা পত্রটির প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল ।


অঝোরে লোহার বৃষ্টি ভিন্‌গ্রহে একটি দিকে ও ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এল রহস্যময় তরঙ্গ
অঝোরে লোহার বৃষ্টি 

অঝোরে লোহার বৃষ্টি এই ভিন্‌গ্রহের একটি দিকে

 প্রায় আমাদের বৃহস্পতির মত আকারের এই ভিনগ্রহের ঝলসে যাওয়া উঠে এসেছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণা পত্রে সেই গবেষণা পত্রটির প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল । লোহার বৃষ্টি এই ভিনগ্রহের একটি দিকে লেখা হয়ে যাচ্ছে তার শরীর সোনা নয় লোহা ঝরছে ঝরে পড়ছে । একনাগাড়ে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হচ্ছে এই ভিনগ্রহের । শুধু একটি দিকেই গলে গলে আকাশ থেকে ঝরে পড়ছে অনবরত ঝাঁপিয়ে লোহার বৃষ্টি হচ্ছে । বিভিন্ন মূলকের এই গ্রহে আর ভয়ঙ্কর গনগনে তাপে জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে । সেই গ্রহের একটি দিক আগে যতটা আজ করা হয়েছিল তার চেয়েও বেশি তাপমাত্রায় পুড়ে যাচ্ছে ।  wap 786 নামের সঠিক তাপমাত্রা ২২৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ডিগ্রি ফারেনহাইট এর চেয়েও অনেক বেশি যা আমাদের সূর্যের তাপমাত্রা ডিগ্রী সেলসিয়াসের এক-তৃতীয়াংশের বেশি  । প্রায় আমাদের বৃহস্পতির মত আকারের এই ভিনগ্রহের ঝলসে যাওয়া উঠে এসেছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণা পত্রে সেই গবেষণা পত্রটির প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল ।জার্নাল গবেষণাপত্রটি জানিয়েছে আমাদের থেকে মাত্র ৬৪০ আলোকবর্ষ দূরে থাকা এই ভিন গ্রহ নক্ষত্র কে প্রদক্ষিণ করে চলেছে তার তাপমাত্রা সূর্যের চেয়েও অনেক বেশি । আর সেই গনগনে দেওয়া নক্ষত্রটি এতটাই কাছে রয়েছে প্রায় বৃহস্পতির আকারের এই ভিনগ্রহ যে পৃথিবীর মাত্র ১.৮ দিনেই সেটি তার নক্ষত্র কে প্রদক্ষিণ করে । যেখানে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর লাগে ৩৬৫ দিন কয়েক ঘণ্টা সময় ।

 শুধু তাই নয় যাদের যেমন একটি দিক সবসময় থাকে পৃথিবীর দিকে জ্যোতির্বিজ্ঞানে পরিভাষায় যাকে বলা হয় ।তাহলে সেই ভিন গ্রহ এমনই একটি দিক সবসময় থাকে তার নক্ষত্রের দিকে । সেদিকে সবসময় দিনের আলো রাতের অন্ধকার নামে না কোনোকালেই । আর ভিনগ্রহের যে দিকটি কোনদিনই নক্ষত্রের মুখ দেখতে পায় না সেই দিকটি সব সময় ঢাকা থাকে জমাট বাঁধা অন্ধকারে । এই দিকে তাপমাত্রা অন্যদিকে তুলনায় কিছুটা কম মূল গবেষক নিউইয়র্ক-এর কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক করি জয় বর্ধনের জানিয়েছেন । প্রচন্ড তাপমাত্রায় ভিনগ্রহে গলে যাচ্ছে আর সেই গলানো লোহা বাষ্পীভূত হয়ে উঠে আসছে বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে । সেখান থেকেই অত্যন্ত লোহার বাসবো ভিনগ্রহের অন্ধকারে ঢেকে থাকা দিকের কিছুটা ঠান্ডা লোহায় পরিণত হচ্ছে । অনর্গল ঝরে পড়ছে খুব গরম লোহার বৃষ্টি হয় তো কেমন লাগলো এই এক্সোপলানেট নিয়ে পোষ্টি আশা করি ভালো লেগেছে সঙ্গে থাকবে  লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানাবেন ।


অঝোরে লোহার বৃষ্টি ভিন্‌গ্রহে একটি দিকে ও ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এল রহস্যময় তরঙ্গ
রহস্যময় তরঙ্গ

ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এল রহস্যময় তরঙ্গ

ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এলো রহস্যময় তরঙ্গ চাঞ্চল্য বিজ্ঞানীমহলে । হ্যালো বন্ধুরা চলে এলাম সেই বিষয় নিয়ে আপনাদেরকে একটি ইনফরমেটিভ  পোষ্টি দিতে । মহাবিশ্বে অনন্ত পরিধিতে কত রহস্য লুকিয়ে রয়েছে আদিম যুগ থেকে সেইসব না জানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে আসছে মানুষ । অথচ আজও উত্তর মেলেনি সম্প্রতি ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে আসা এক বেতার সংকেত । হীরের চাঞ্চল্য দেখা দিলো সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এক গবেষক দল সন্ধান পেয়েছেন সেই সংকেতের তবে এই সম্পদের সন্ধান এই বছর নয় মিলেছিল দুই হাজার কুড়ি সালে প্রতি সন্তানের কথা জানা গিয়েছে। অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল প্রকাশিত গবেষণা পত্র থেকে বিশ্বের অন্যতম সংবেদনশীল রেডিও টেলিস্কোপ অস্ট্রেলিয়ান স্কোয়ার কিলোমিটার এসকেএফ গবেষকরা পেয়েছিলেন । এমন এক মহাজাগতিক বস্তুর সন্ধান উজ্জ্বলতা প্রতিমুহূর্তে বদলাচ্ছিল বস্তুটির নাম রাখা হয়েছে এ এসকেবি j730 8.2 -325 সেখান থেকে ভেসে আসছিল সংকেতটি ।ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এলো রহস্যময় তরঙ্গ চাঞ্চল্য বিজ্ঞানীমহলে ।

 শঙ্কিত এখনও বোঝা সম্ভব হয়নি দেখা গিয়েছে একবার সেটি প্রবল উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে । তারপর আবার ফিকে হয়ে গিয়েছে তারপর আবার সেটিকে উজ্জ্বল হয়ে উড়তে দেখা গিয়েছে সময় সময় । সেটিকে অবস্থা থেকে ১০০ গুণ বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠল দেখেছেন গবেষকরা । পরে দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক সংবেদনশীল নিরেট রেডিও টেলিস্কোপ এর উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয় কিন্তু এখনও পর্যন্ত আশ্চর্য মহাজাগতিক বস্তুর স্বরূপ বুঝে উঠতে পারেনি তারা । প্রথমে মনে করা হয়েছিল এটি হয়তো বা এক ধরনের নক্ষত্র যেখানে সারা আগুনের জলে পরে অবশ্য বোঝা যায় এটি তেমন কোন মহাজাগতিক বস্তু নয় । ঠিক এমন না হলেও এই ধরনের সংকেতের দেখা অবশ্য এর আগেও কয়েকবার মিলেছে বিজ্ঞানীদের ধারণা সম্ভবত । কোনো একটি নয় একগুচ্ছ বস্তুর সম্মিলিত সংকেতই ধরা পড়েছে টেলিস্কোপে ।দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক সংবেদনশীল নিরেট রেডিও টেলিস্কোপ এর উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয় কিন্তু এখনও পর্যন্ত আশ্চর্য মহাজাগতিক বস্তুর স্বরূপ বুঝে উঠতে পারেনি তারা ।ইনফরমেটিভ পোষ্টি  কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না সঙ্গে থাকবেন  লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানাবেন আসি আবার দেখা হবে সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কাকে বলে? আমরা কোন গ্যালাক্সিতে বাস করি

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১

 আমাদের বাসস্থান পৃথিবী সৌরজগতের একটি ছোট গ্রহ আর সমগ্র সৌরজগৎ ছায়াপথের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ একাধিক গ্রহ নিয়ে যেমন সৌরজগৎ গড়ে ওঠে তেমনি ভাবে অসংখ্য সৌরজগৎ মিলে তৈরি হয় একটি ছায়াপথ ইংরেজিতে ছায়াপথ কে বলা হয় গ্যালাক্সি । 

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কাকে বলে? আমরা কোন গ্যালাক্সিতে বাস করি
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা

আমাদের সৌরজগৎ যে ছায়াপথে অবস্থিত তার নাম মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বাংলায় একে বলা হয় আকাশগঙ্গা ছায়াপথ।এরকম অগণিত গ্যালাক্সি রয়েছে সমগ্র সৃষ্টি জগত সম্পর্কে চিন্তা করতে চাইলে ছায়াপথের প্রাথমিক তথ্য গুলো আমাদের অবশ্যই জানা দরকার । এই পর্বে আলোচনা করা হবে

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কাকে বলে

 আমাদের বাসস্থান পৃথিবী সৌরজগতের একটি ছোট গ্রহ আর সমগ্র সৌরজগৎ ছায়াপথের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ একাধিক গ্রহ নিয়ে যেমন সৌরজগৎ গড়ে ওঠে তেমনি ভাবে অসংখ্য সৌরজগৎ মিলে তৈরি হয় একটি ছায়াপথ ইংরেজিতে ছায়াপথ কে বলা হয় গ্যালাক্সি ।গ্যালাক্সি বায়াত সম্পর্কে ছায়াপথ আমাদের কল্পনার চেয়েও অনেক গুণ বড় সূর্যের প্রকৃত আকৃতি ও কল্পনা করতে পারে। না অথচ সূর্য একটি ছায়াপথ তুলনায় নিতান্তই অনু-পরমানু সমান আমাদের সূর্যের চেয়েও বহু তারকা নক্ষত্র নীহারিকা সৌরজগৎ এবং মহাজাগতিক বস্তুর সমন্বয়ে ছায়াপথ গড়ে ওঠে । একটি আদর্শ ছায়াপথে এক কোটি থেকে ১ লক্ষ কোটি তারকা থাকতে পারে । মহাজাগতিক বস্তুর দূরত্ব পরিমাপ করতে আলোকবর্ষ ব্যবহার করা হয়। এক বছরে আলো যত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে তাই হল আলোকবর্ষ এক আলোকবর্ষ সমান নয় লক্ষ কোটি কিলোমিটার । অর্থাৎ আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে সেই হিসেবে ছায়াপথের ব্যাস সাধারণত কয়েকশো আলোকবর্ষ থেকে কয়েক হাজার আলোকবর্ষ বিস্তৃত হয় । এবং একটি ছায়াপথ থেকে আরেকটি ছায়াপথের দূরত্ব হতে পারে কয়েক লক্ষ থেকে কয়েক কোটি আলোকবর্ষ ।

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কাকে বলে? আমরা কোন গ্যালাক্সিতে বাস করি
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা

আমরা কোন গ্যালাক্সিতে বাস করি 

আমাদের অবস্থান হল মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি আকাশগঙ্গা ছায়াপথের আমাদের বাসস্থান পৃথিবী এই বিশাল ছায়াপথের একটি ছোট্ট সৌরজগতের অতি ক্ষুদ্র একটি গ্রহ। অন্ধকার রাতের আকাশে উজ্জ্বল আলোর দেখা যায় সেটি হল আকাশ গঙ্গা ছায়াপথ। অতীতে মনে করা হতো আকাশগঙ্গা ছায়াপথের বাইরে হয়তো সৃষ্টিজগতে আর কিছু নেই। কিন্তু ৯২৪ সালে মানব সমাজের সেই ধারণা আমূল বদলে যায়। সে বছর এডুইন হাবল বহুদূর ভর্তি নীহারিকার কিছু তারকা শনাক্ত করতে সক্ষম হন । পৃথিবী থেকে তারার দূরত্ব নির্ণয় করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা ভুল বুঝতে পারেন। নিঃসন্দেহে সেগুলো আমাদের পথের অংশ নয় বরং সেগুলো ছিল মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির চেয়েও বহু গুণ বড় । এবং বহু দূরবর্তী ছায়াপথের অংশ তখন থেকে সৃষ্টি জগত সম্পর্কে ধারণা পেতে বিজ্ঞানীরা । একটি সহজ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে চলেছেন প্রশ্নটি হল এমন কতগুলো গ্যালাক্সি থাকতে পারে? আমাদের সূর্য একটি নক্ষত্র এর চেয়েও বহু গুণ বড় । অসংখ্য নক্ষত্র ছায়াপথে রয়েছে পৃথিবীর মতো গ্রহ গুলো। যেমন সূর্যকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিণ করে তেমনি ভাবে সূর্যের মতো নক্ষত্রগুলো ছায়াপথের কেন্দ্রকে ঘিরে আবর্তিত হয় শুধু তাই নয় ছায়াপথ নিজেও মহাবিশ্বে তার অবস্থান অনুযায়ী ঘুরতে থাকে। আমাদের নিজস্ব ছায়াপথ টি একবার আবর্তন করতে সময় নেয় প্রায় ২০ কোটি বছর । বিভিন্ন আকারের হতে পারে তার মধ্যে উপবৃত্তাকার কুণ্ডলাকার সর্পিলাকার এবং অনিয়মিত আকার উল্লেখযোগ্য । 

পারস্যের জ্যোতির্বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম কোন ছায়াপথের বর্ণনা করেন। এরপর ১৬১০ সালে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে আকাশ গঙ্গা ছায়াপথ পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি অনুধাবন করেন আকাশের অতি উজ্জ্বল এই অংশটি মূলত অগণিত তারার সমষ্টি। ১৭৮০ সালে ফরাসি জ্যোতির্বিজ্ঞানী চার্লস মেসি আর এরকম ৩২ ছায়াপথের তালিকা প্রণয়ন করেন। এরপর বহু গবেষক বহুৎ ছায়াপথ সম্পর্কে ধারণা করলেও দীর্ঘদিন পরিষ্কার পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত শক্তিশালী কোন টেলিস্কোপ বিজ্ঞানীদের ছিল না। 

সেই প্রয়োজনীয়তা থেকে হাজার ১৯৯০ সালে মহাকাশে স্থাপন করা হয় হাবল স্পেস টেলিস্কোপের। তারপর থেকে এই মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র টি কয়েক লক্ষ ছবি পৃথিবীতে পাঠিয়েছে কিন্তু ১৯৯৫ সালের পাঠানো একটি ছবি আজীবনের মতো মহাকাশ গবেষণার ইতিহাস বদলে দেয়। এই ছবির নাম রাখা হয় শুধুমাত্র একটি ছবিতে প্রায় তিন হাজারের বেশি ছায়াপথ দেখা যাচ্ছে যা সমগ্র সৃষ্টিজগতের তুলনায় একটি বিন্দু পরিমাণ মাত্র। পরবর্তীতে হাবল টেলিস্কোপ সহ অন্যান্য পর্যবেক্ষণ যন্ত্র দিয়ে আরও অনেক অনেক দূরের অসংখ্য গ্যালাক্সির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা গেছে। ২০২১ সালে মহাকাশে পাঠানো হবে ১০০ গুণ বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ যন্ত্রটি কাজ শুরু করার পর হয়তো মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের ধারণা সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে। মানুষের সহজেই  দেখতে পায় তার উপর ভিত্তি করে সম্পর্কে ধারণা প্রকাশ করা হয়েছে। আধুনিক যন্ত্র দিয়ে সৃষ্টি জগতের যে পর্যন্ত দেখা যায় তাকে বলা হয় অবজারভেশন ইউনিভার্স। 

পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্ব বিজ্ঞানীদের ধারণা পর্যবেক্ষণযোগ্য প্রায় ১২ হাজার কোটি গ্যালাক্সি থাকতে পারে। যেখানে পর্যবেক্ষণযোগ্য শেষ হয়েছে সেই সীমানা কে বলা হচ্ছে কসমোলজিক্যাল হরাইজন বাংলায় যাকে বলা যায় মহাজাগতিক দিগন্ত । অবশ্যই আরো অসংখ্য লুকিয়ে রয়েছে যা মানুষের কল্পনার বাইরে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত কোন যন্ত্র দিয়ে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। এমনকি পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বের ভেতরে থাকা ৯০% ছায়াপথ এখনো পর্যবেক্ষণ করা বাকি আছে। মাত্র দুইটি টেলিস্কোপ দিয়ে সবগুলো সম্ভব নয় পথের অবস্থান একরকম নয় কিছু কিছু অঞ্চলে ছায়াপথের ঘনত্ব অনেক বেশি। শেষ হলে একাধিক গ্যালাক্সি একে অপরের সাথে সংঘর্ষের মাধ্যমে মিশে যায় এর ফলে ছায়াপথের সংখ্যা কমে যেতে পারে। আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির প্রতিবেশী ছায়াপথের নাম অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি। আগামী বছরের মধ্যে মিল্কিওয়ে এবং অ্যানড্রোমিডা ছায়াপথ ধাক্কা লেগে একটি আরেকটির ভেতরে ঢুকে যাবে। একটি ছায়াপথ তৈরি হতে সময় লাগবে প্রায় ১০ কোটি বছর একত্রিত হওয়ার পর এর নাম হবে নিলকণ্ঠা গ্যালাক্সি। এই অফার সম্পর্কে গবেষণা হচ্ছে ততই যেন এগুলো আমাদের বোধশক্তির সীমাকে অতিক্রম করে যাচ্ছে। মহাবিশ্বে প্রধানত দুই ধরনের ছায়াপথ দেখতে পাওয়া যায় একটি হলো নিরাপদ এবং আরেকটি লাল ছায়াপথ যে ছায়াপথে এখনো নতুন নতুন তার জন্ম হচ্ছে। সেগুলো কে বলা হয় নিরাপদ এবং যে সমস্ত ছায়াপথে নতুন তারা উৎপত্তির প্রক্রিয়া থেমে গেছে সে গুলোকে বলা হয় লাল ছায়াপথ।

 বিজ্ঞানীদের ধারণা প্রায় ২০০ কোটি বছর পরে একটি নীল ছায়াপথ লাল হতে শুরু করে। কোটি কোটি নক্ষত্র ও তারা দিয়ে গঠিত ছায়াপথের মৃত্যু ঘটে। তবে কিছু ছায়াপথ ১০০ কোটি বছরের মধ্যে মারা যেতে পারে যা মহাকাশীয় বস্তুর তুলনায় খুবই কম সময়ে ছায়াপথের মৃত্যুর প্রধান কারণ হলো এদের মধ্যবর্তী গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়া কিন্তু এই গ্যাস কিভাবে শেষ হয় সে সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের কাছে কোন তথ্য নেই। তবে মহাকাশ গবেষক এরা ধারণা করেন মৃতপ্রায় ছায়াপথের প্রতিবেশী ছায়াপথ অথবা কোন ব্ল্যাকহোল এসব গ্যাস শুষে নিতে পারে। ব্ল্যাকহোল মহাবিশ্বের আরেক অদ্ভুত উপাদান বাংলায় একে বলা হয় কৃষ্ণগহবর। প্রত্যেক ছায়াপথের কেন্দ্রেই অন্তত একটি অতি বৃহৎ ব্ল্যাকহোল রয়েছে। আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথ এই দশ লক্ষেরও বেশি ব্ল্যাক হোল আছে। ব্ল্যাকহোলের সবচেয়ে আশ্চর্য ব্যাপার হলো এগুলো সম্পূর্ণ অদৃশ্য চোখে দেখা না গেলেও ব্ল্যাকহোলের অস্তিত্ব অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। মহাকাশের ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর সম্পর্কে জানতে চাইলে কমেন্ট করে জানান......

সময় কি? ব্ল্যাক হোল-এর কাছে সময় কেন থেমে যায়

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১

 মডার্ন সাইন্স এবং অ্যাডভান্স টেকনোলজি সাহায্যে প্রকৃতির বহু নিয়মকে চেঞ্জ করতে পারলেও টাইম অর্থাৎ সময় কি আমরা এখনো পর্যন্ত ম্যানুপুলেট করতে পারনি । টাইম প্রকৃতির এমন এক সৃষ্টি যার নিজের সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলা তা না হলে পিছিয়ে পড়তে হবে । কিন্তু সময়কে থামিয়ে দিতে পারে একমাত্র একটি শব্দ যার নাম ব্ল্যাকহোল।


সময় কি? ব্ল্যাক হোল-এর কাছে সময় কেন থেমে যায়
ব্ল্যাক হোল


সময় কি

 ব্ল্যাকহোলের গ্র্যাভিটেশনাল পাওয়ারফুল যে শুধু তাই নয় সময় থামিয়ে দেয়। ব্ল্যাক হোলের ভিতরে প্রবেশ করা হয় সময় তো হয়ে যায় কারণ ব্ল্যাকহোলের কোন অস্তিত্ব নেই । এই কথা বলেছিলেন মডার্ন সায়েন্টিস্ট স্টিফেন হকিংস এখন প্রশ্ন হল সত্যিই কি ব্ল্যাকহোল সময় দিতে পারে black-white করে আবার সময় থামিয়ে দেয় । এই কথা আমরা দীর্ঘদিন ধরে শুনে আসছি কিন্তু সময় দিতে পারে যদি তাই হয় তবে আমি আপনাদের  জানব ।

বন্ধুরা  প্রথমে জানা যায় ইউনিভার্সের সময়ের উৎপত্তি কোন সময় থেকে হয়েছিল রিসার্চের এবং তাদের মতে বিগ ব্যাং এর পূর্বে সময় বলে কিছু ছিল না । আজকে ইউনিভার্স ছোট্ট একটি বিন্দুতে গিয়েছিল তারপর ঘটে সেই হিস্তরিক্যাল এভেন্ট এক্সপ্লোশন যার জন্ম হয় এবং ডাস্ট পার্টিকেলের আর এই ইভেন্টের সাথে জন্ম হয়েছিল । সময়ের আগেই টাইম অ্যাপস নয় বরং রিলেটিভ অর্থাৎ প্রতিটি স্থানে একই সময় থাকেনা । সিম্পল ভাবে বলতে গেলে আপনি ২ ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন মানে এই নয় যে ইউনিভার্সেল ঘন্টা সময় পার হয়েছে। ঠিক একই রকমভাবে স্পিডে ট্রাভেল করা স্পেসক্রাফট এর ভিতর বসে থাকা মানুষের কাছে টাইম স্লো হয়ে যায় । ঠিক সেই রকমই অধিকারভুক্ত এরিয়াতে সময়ের গতি সূত্র অনুযায়ী ইউনিভার্সিটি ব্ল্যাকহোলের কাছে অন্য স্থানের তুলনায় একদম ঠিক।

 কিন্তু কেমন ভাবে জানেন সর্বকালের মহান সাইন্টিস্ট স্যার আইজ্যাক নিউটন বলেছিলেন টাইম অ্যাপস হলিউড অর্থাৎ ব্রহ্মাণ্ডের প্রতিটি স্থানে এবং প্রতিষ্ঠানের সেম থাকে । এর অর্থ আমার সামনে কোন ঘটনা তিনটের সময় করলে তা ব্রহ্মাণ্ডের প্রতিটি স্থানে একই সময়ে ঘটবে । কিন্তু সত্যি কি তা হয় চলুন আরেকটু ডিটেইলস জানা যায় মনে করুন একটি বোম ব্লাস্ট হলো দুটি ব্যক্তি সেই বোম ব্লাস্ট পয়েন্ট থেকে দেখেন এবং কুড়ি সেকেন্ড স্টেজে দাঁড়িয়ে রয়েছে সেই এক্সপ্লোশন থেকে বেরোনো লাইট প্রথম ব্যক্তির কাছে পৌঁছাতে সময় লাগবে ১০ সেকেন্ড আর দ্বিতীয় ব্যক্তির কাছে পৌঁছাতে কত সময় লাগবে । প্রথম ব্যক্তির কাছে বোম ব্লাস্ট এর টাইমিং জানতে চাওয়া হলে দক্ষিণ-পূর্বে বলবে আর দ্বিতীয় ব্যক্তির কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সেখানে বলবে ।এখন প্রশ্ন হলো দুজনের মধ্যে সব থেকে মজার বিষয় হলো এখানে দুজনে সঠিক বলছে ।যদি সময় ১০৮ হতো তাহলে এটি পসিবল হতো না সে ক্ষেত্রে দুজনের কাছে এক্সপ্লোশন একই সময় আর দুজনেই একই সময় সেই এক্সপ্লোশন কে এর থেকে প্রমাণ হয় । নিউটন বলেছিলেন ১১৬ নয় বরং রিলেটিভ তাই সময় রেফারেন্স ফ্রেম এর ওপর নির্ভর করে এই বিষয়টিকে ।

 আরো সঠিকভাবে প্রয়োগ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের এক্স করেছেন এদের মধ্যে কিছু এক্সপেরিমেন্ট দেখা যাক এটমিক ক্লক সিনক্রোনাইজ করার পর এক দিকে পৃথিবি তে রাখা হলো । আর দ্বিতীয় থেকে পৃথিবীতে অরবিট করার স্যাটেলাইট রেখে দেওয়া হলো । এর কিছুদিন পর তাহলে দেখা যায় পৃথিবীর উপর স্যাটেলাইট লোকেশন পৃথিবীতে থাকা তুলনায় অনেক বেশি ছিল থেকে জানা যায় । এই দৃশ্যের কারণ পৃথিবীতে স্বার্থের জন্য পৃথিবীতে থাকা ঘড়ির সময় কিছু ন্যানো সেকেন্ড কমে গিয়েছিল যাকে আমরা টাইম ডাইলেশন বলে থাকি । ঠিক একই রকমভাবে হাই স্পিড এর জন্য টাইম ডাইলেশন হয়ে থাকে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে এক্সপেরিমেন্ট করা হয়েছিল ।এই প্রক্রিয়ায় পার্টিকেলের ৯৯.৯ থাকে যাই হোক লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে এবং


 
সময় কি? ব্ল্যাক হোল-এর কাছে সময় কেন থেমে যায়
ব্ল্যাক হোল


ব্ল্যাক হোল কিভাবে তৈরি হয়

এই প্রক্রিয়ায় পার্টিকেলের স্ট্রিটলাইট স্পিডে 99.9 পার্সেন্ট থাকে যাই হোক লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে এবং টাইম ডাইলেশন দুটি সম্পূর্ণ আলাদা । টপিকস এর উপর সেপারেট আমরা অবশ্যই নিয়ে আসব। এই সকল এক্সপেরিমেন্ট থেকে আর কোন সন্দেহ থাকে না । যে টাইম রিলেটেড প্রতিদিন আলাদা আলাদা স্থান আলাদা আলাদা সিচুয়েশানে ব্ল্যাক হোলের ভিতরে যায় । তা বোঝার জন্য এটি সম্পর্কে কিছু বেসিক আইডিয়া থাকা প্রয়োজন ।আইনস্টাইন বলেছিলেন স্পেস এবং একে অপরের সাথে ইন্টারকানেক্ট ইন এন্ড স্পেস স্পেস থাকা প্রতিটি অনুস্বারের করে যদি কোনো বস্তু বড় হয় তবে তাকে বেশি কার আর যদি ছোট হয় তাহলে করবে এটিকে ভালভাবে পড়ুন ।ও একটি চাদর এর উদাহরণ নিতে পারেন চাদরকে স্পেস-টাইম মনে করুন যদি এর ওপর একটি বড় বল রাখা হয় তাহলে চাদর ভিতরে ঢুকে যাবে । আর যদি ছোট বলেই চাদরের উপর রাখা হয় তাতেও চাদর একটু হলেও ভিতরে ঢুকে যাবে । কিন্তু এর এফেক্ট বলে তুলনায় কম হবে যেহেতু বড় চাদর কে বেশি ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়েছে তাই ছোটবোনটিও তার দিকে ঝুঁকে পড়বে ।

রেখেই আমরা গ্রাভিটি অর্থাৎ মধ্যাকর্ষণ শক্তি বলি এই উদাহরণটি সূর্য মনে করুন আর ছোট বোলটিকে পৃথিবী এবার আপনারা বুঝতে পারবেন পৃথিবীর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। এবার আপনাদের মধ্যে হয়তো অনেকেই ভাবছেন যদি বলো তাহলে তো পৃথিবী সূর্যের সাথে করা উচিত নাকি পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করা ।এর কারণ হলো পৃথিবী আকারে ছোট হলেও স্পেস-টাইম কিছুটা হলেও করেছে যার জন্য এর এক শিশুর ওপর ঠিক রয়েছে । সিম্পল ভাবে বলতে গেলে বেশি ম্যাচ এবং ডেনসিটি যুক্ত সবচেয়ে বেশি কাজ করবে যার জন্য সেই অবজেক্টিভিটি বেশি হবে । তাই স্বাভাবিকভাবে সবচেয়ে বেশি করবে ব্ল্যাক হোল ।

আমাদের ইউনিভার্সিটি সাইন্স সাবজেক্ট অবজেক্ট এতটাই বেশি যে এখান থেকে ফিরে আসতে পারে না এর কারণ ব্ল্যাক হোল । কিভাবে শিকার করে কিন্তু এরশাদের টাইম এর কি সম্পর্ক তা বোঝার জন্য স্পিডের ইকুয়েশন জানা প্রয়োজন। স্কুলে আমরা সকলেই পড়েছি স্পিড ইজ টু ডিসটেন্স বাই ট্রেন স্পিড বলতে কী বোঝানো হয়েছে? যার গতি প্রায় তিন লাখ কিলো মিটার পার সেকেন্ড কিন্তু এই ধারণাকে সহজ করে বোঝার জন্য ২লাখ কিলো মিটার পাঁচ সেকেন্ড ধরে যাক এবার যাওয়া যাক । ডিসটেন্স মনে করা যায় এবং  ডিসটেন্স কিলোমিটার এর ক্ষেত্রে টাইম আসবে আর সেকেন্ড নরমাল স্পেন্সের কিন্তু ব্ল্যাকলিস্টে ভর এবং বিয়ের ডিসটেন্স প্রথমে থেকে অনেক বেড়ে যাবে মনে করা যায় ।এই ডিসটেন্স কিলোমিটার হয়ে গেছে সে ক্ষেত্রে যেহেতু ফ্রি টাইম লাগবে ১০ সেকেন্ড স্পেস ডিসটেন্স যেতে সময় লেগেছিল ।

আর সেকেন্ড অপরদিকে ব্ল্যাকহোল এক্ষেত্রে 10 সেকেন্ড সময় লেগেছে অর্থাৎ টাইম হয়ে গিয়েছে ।আইনস্টাইনের থিওরি অনুযায়ী সব ডেট ফিক্সড করে যার জন্য এই থেকে যখন লাইট পাস করে তখন তা বন্ধ হয়ে যায় ।যার জন্য লাইটের দিরেকশন চেঞ্জ হয় এমনকি গ্র্যাভিটেশনাল লেঞ্জিং পদ্ধতিতেও তার এই থিওরি কে সঠিক বলে প্রমাণ করা হয়েছে। গ্র্যাভিটেশনাল ইঞ্জিন সম্পর্কে ডিটেইলস জানতে চাইলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানান ।আমরা একটি আলাদা সেপারেট পোষ্ট নিয়ে আসব ।আর হ্যা পোষ্ট কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না ।ভাল লাগলে একটা লাইক বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার এই ধরনের পোষ্ট পেতে অবশ্যই জানাতে ভুলবেন না। সঙ্গে থাকুন

কেন এলিয়েনদের সাথে আমাদের এখনো দেখা হয়নি? ভিনগ্রহের প্রাণীদের সম্পর্কে

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১

 এলিয়েন

বন্ধুরা এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণীদের সম্পর্কে আমাদের কৌতূহলের শেষ নেই কিন্তু কেন ? তাদের সাথে আমাদের এখনো সাক্ষাত হয়নি এই প্রশ্নটা কখনো কি আপনাদের মনে এসেছে ! আসলে আমাদের বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বয়স সাড়ে ১৩ বিলিয়ন বছর এর থেকেও বেশি আর যে কোন সভ্যতার পক্ষে নিজের উন্নতি সাধন এবং অন্য সভ্যতার সাথে দেখা করার জন্য এতটা সময় যথেষ্ট পরিমাণে । 

থেকেও বেশি গ্যালাক্সি আছে ট্রিলিয়ন তারা আছে কতজন আছে কতটি দেশ আছে তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই । তারপরও আজ পর্যন্ত আমরা কোন এলিয়েন সভ্যতা কে খুঁজে পাইনি ।এলিয়েন সভ্যতা আজ পর্যন্ত আমাদের সাথে হাত মেলালেন সত্যিই ভীষণ অদ্ভুত । বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের আছে যারা হয়তো আমাদের থেকে অনেক বেশি উন্নত । তারপরে মনটা কি করে সম্ভব তাহলে কি এলিয়েনরা আমাদেরকে এড়িয়ে যাচ্ছে নাকি ব্রহ্মান্ডে উন্নত সভ্যতা সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে গেছে। নাকি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের শুধুমাত্র আমরাই আছি বন্ধুরা ।এই সমস্ত প্রশ্ন এক মহান বিজ্ঞানী এবং এসেছিল যাকে বলা হয় যে আমাদের এটা ভাবতে বাধ্য করে।


কেন এলিয়েনদের সাথে আমাদের এখনো দেখা হয়নি? ভিনগ্রহের প্রাণীদের সম্পর্কে
এলিয়েনদের সাথে আমাদের এখনো দেখা হয়নি



কেন এলিয়েনদের সাথে আমাদের এখনো দেখা হয়নি

যে এই মহাবিশ্বের কোনো আধুনিক সভ্যতা কেন এখনো পর্যন্ত মানুষের সাথে যোগাযোগ করেনি । তাহলে বন্ধুরা আজকের এই  আমরা এটাই জেনে নেবো যে এমন কি কি কারণ আছে যেগুলো আমাদের এলিয়েনদের সাথে দেখা করতে দিচ্ছে না । তাহলে চলুন শুরু করা যাক নাম্বার ওয়ান ডিসটেন্স বন্ধুরা এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে এখনো পর্যন্ত আমরা কেন এলিয়েনদের সাক্ষাৎ হয়নি সেই বিষয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণা হলো তার মধ্যে দূরত্ব পৃথিবী ছাড়া আর কোথাও জীবনের অস্তিত্ব থেকেও থাকে তাহলে হয়ত আমরা তাদের সাথে কখনো দেখা করতে পারব না । আর এর মধ্যে সবথেকে বড় বাধা হলো দুটি স্থানের মধ্যে দূরত্ব আমাদের বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এতটাই বড় যে এখানে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় মধ্যে কোটি কোটি আলোকবর্ষের ব্যবধান আছে।

হতে পারে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় জীবনের অস্তিত্ব আছে আবার এটাও হতে পারে যে এই এলিয়েনরা আমাদের থেকে অনেক বেশি উন্নত ।ব্রহ্মান্ডে অনেক এলিয়েন সভ্যতা প্রযুক্তিগতভাবে অনেক উন্নত হওয়ার পরেও অন্য ছেলের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে অক্ষম। কারণ হতে পারে যে এইসব সভ্যতা একে অপরের থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। আবার এমনটাও হতে পারে যে কোন সভ্যতা এত উন্নত নয় । যে তারা লক্ষ কোটি আলোকবর্ষ দূরের কোন সভ্যতার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে । কারণ সভ্যতা নিজস্ব একটা জীবনকাল থাকে আর কোন সভ্যতার কাছে হয়তো এতটা সময় নেই যে তারা লক্ষ লক্ষ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত কোন সভ্যতার সাথে দেখা করবে ।

আর যদি কোন সভ্যতা এমনটাও হতে চাই তাহলে সেখানে এমনটা করবে এই জন্য এই ধারণা অনুযায়ী আমরা একটা জালে আটকে পড়েছি। আর হতে পারে যে এই দূরত্ব অতিক্রম করে নতুন সভ্যতার অনুসন্ধান করা যে কোন সভ্যতার আয়ত্তের বাইরে ।

নাম্বার টু নট ইন্টারেস্টেড নট ইন্টারেস্টেড প্রথম সম্ভাবনায় বলা হয়েছে যে আমাদের পৃথিবী স্পেশাল তবে কিছু বিজ্ঞানী এমন আছেন যারা ঠিক এর উল্টোটা কে সঠিক বলে মনে করেন । তাদের মতে আমাদের পৃথিবীতে এত স্পেশাল নয় তাদের মতে ব্রহ্মান্ডে যদি কোন উন্নত সভ্যতা থাকে তাহলে সেটা এত উন্নত হবে । যা হয়তো আমরা কল্পনাও করতে পারি না সেই সভ্যতা হয়তো গ্যালাক্সি শক্তি ব্যবহার করতে শিখে গেছে । আর সেই সম্পদটি এত উন্নত আধুনিক যে তাদের সামনে আমরা পৃথিবীবাসী কীট পতঙ্গের মতো । এমন কোন উন্নত সভ্যতার আমাদের উপরে পড়েছে কিন্তু আমরা হয়তো তাদের জন্য বিশেষ কিছু নয় । যেমন আমাদের কাছে কীটপতঙ্গ তেমন বিশেষ কিছু নয় ঠিক তেমনি আমরাও তাদের কাছে বিশেষ কিছু নয় ।

এই শব্দটা এত উন্নত যে তারা হয়তো নিজেদের সমস্ত কাজ করতে পারে তার থেকে হয়তো আমাদের তুলনায় অনেক বেশী আধুনিক সভ্যতার ধর্ম জাতি এসব থেকে অনেক উদ্যোগ আছে ।এমন সভ্যতা যদি থাকে তাহলে তাদের জন্য পৃথিবীতে কিছুই নেই হয়তো আমাদের উপর তাদের কোনো আগ্রহই নেই । আর হতে পারে যে এই জন্য তারা এখনো পর্যন্ত আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন । এই নাম্বারের সাথে আমাদের দেখা না হওয়ার একটা অন্যতম কারণ হতে পারে । যে আমরা এই পৃথিবীতে কাকতালীয় ভাবে বসবাস করছি কিছু বিজ্ঞানীদের মতে আমাদের পৃথিবীর স্পেশাল তাদের মতে পৃথিবীতে বেশকিছু কারণে প্রাণের অস্তিত্ব আছে । আমাদের সূর্য এবং তা থেকে নির্গত শক্তি সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব পৃথিবীতে কার্বন এবং জলের পৃথিবীতে মহাসাগর এর অস্তিত্ব ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের এমন প্রায় এক লক্ষ সম্ভাবনা আছে যার ফলে পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব সম্ভব হয়েছে ।

 পৃথিবীতে কার্বন এবং জলের খোঁজ পাওয়া পৃথিবীতে মহাসাগরের অস্তিত্ব ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের বিস্তার এমন প্রায় এক লক্ষ সম্ভাবনা আছে যার ফলে পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব সম্ভব হয়েছে ।বিজ্ঞান অনুসারে যদি এর মধ্যে একটা সম্ভাবনাও কম থাকতো তাহলে পৃথিবীতে জীবনের কোনো অস্তিত্বই থাকত না । বন্ধুরা আজ পৃথিবীতে প্রায় ৮৭ লক্ষ প্রজাতি আছে যার মধ্যে মাত্র কয়েক প্রজাতির চিন্তা-ভাবনা করতে সক্ষম । যার মধ্যে ডলফিন শিম্পাঞ্জি এবং আমরা মানব জাতি এবং আমাদের মধ্যে ৯৮% ডিএনএ বিজ্ঞান অনুসারে কোটি কোটি বছর আগে আমাদের পুরা শিম্পাঞ্জির মতই ছিল । কিন্তু ক্রমিক বিকাশের পথ ২% ডিএনএ তে পরিবর্তন আসে ।তারপর আমরা প্রায়ই থেকে এডভান্স অস্ট্রালোপিথেকাস হোমো ইরেক্টাস হোমো স্যাপিয়েন্স স্যাপিয়েন্স ক্রমাগত বুদ্ধিজীবীরা পৃথিবীতে বসবাস করছি ।

বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব এবং পৃথিবীর এই পুরো জীবনচক্রে শুধুমাত্র মানুষের বুদ্ধিমান হওয়া হয়তো এর মধ্যে কোন সংযোগ আছে তাদের মত এই পৃথিবীতে কাকতালীয়ভাবেই জীবনের সৃষ্টি হয়েছে । আর পৃথিবী ছাড়া বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের জীবনের অস্তিত্ব নেই ।

নাম্বার অফ এলিয়েন বন্ধুরা এখনো পর্যন্ত আমরা এলিয়েনের অস্তিত্ব প্রমাণ পায়নি এর কারনে এটাও হতে পারে যে হয়তো আমরা এলিয়েনদের বুঝতেই পারেনি । হতে পারে যে তারা অন্য কোন রূপে অন্য কোন ফর্মে আছে আমরা ব্রহ্মান্ডে এলিয়েনদের জন্য রেডিও সিগন্যাল সিগন্যাল ব্যবহার করতে জানিনা । হতে পারে তারা অন্য কোনো মাধ্যমে অর্থাৎ গ্রাভিটেশনাল অথবা অন্য কোন জিনিসের মাধ্যমে আমাদের কাছে বার্তা পাঠিয়েছে ।করতে পারিনি আবার এটাও হতে পারে যে এলিয়েনরা হয়তো আমাদের আশেপাশেই আছে কিন্তু আমরা তাদের বুঝতে পারিনা । আমাদের এবং আমরা এলিয়েন না খুঁজে পাওয়ার কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী বলা হয় যে আমরা বসবাস করছি বন্ধুরা আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন আর এই সম্ভাবনা একেবারেই ভুল নয় ।সেটাও কিন্তু বেশ কিছু বিজ্ঞানী দাবি করেছেন তাদের মতে আমরা যে সংসারে বাস করছি সেটা আসল নয় বরং একটা মায়াজাল কিছু ।

বিজ্ঞানীদের মতে আমরা অতি উন্নত সভ্যতার তৈরি কোন দুনিয়ায় বাস করছি যেভাবে আমাদের মোবাইলে সবকিছু জগতের মতো দেখতে পারি । রেকর্ড করতে পারি আমরা কাল্পনিক ভিডিও গেম তৈরি করতে পারি । সেখানকার কিছু চরিত্রকে আমরা কন্ট্রোল করতে পারি আবার কিছু চরিত্র কে এমন ভাবে প্রোগ্রাম করতে পারি যে তারা নিজে থেকেই যা ইচ্ছা করতে পারে । গেমের মধ্যে সেই চরিত্রগুলোর কাছে তাদের সেই জগদল হতেই পারে কিন্তু সেই চরিত্রগুলো জানেনা যে আমাদের কাছে সেটা একটা সিমুলেশন । আর সেই দুনিয়াটা আমাদের বানানো একটা মায়াজাল সিমুলেশন সিদ্ধান্তকে যেসব বিজ্ঞানীদের মতে হয়তো আমাদের এই সভ্যতা কোন শক্তির প্রোগ্রামিং । আর হয়তো তাদের প্রোগ্রামটা এমনটা নয় যে আমরা অন্য কোন সভ্যতার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারব ।আর হয়তো তারা তাদের নিজেদের মনোরঞ্জনের জন্য আমাদের তৈরি করেছে আসলেই সংসারও একটা মায়াজাল বন্ধুরা । যদি এই সিদ্ধান্তের পক্ষে মত দিয়েছেন কিন্তু এটা একটা ধারণা এর কোন বাস্তব ভিত্তি নেই ।আবার হতেও পারে এলিয়েনদের সাথে আমাদের দেখা না হওয়ার এটা একটা কারণ বন্ধুরা ।


আমাদের এই মহাবিশ্ব কবে এবং কিভাবে ধ্বংস হবে?

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, ১১ অক্টোবর, ২০২১

 আমরা সবাই জানি জন্মালে একদিন মৃত্যু হবে আর বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এর বাইরে নয় ভবিষ্যতে এমন একটা সময় আসবে যখন এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে রবীন্দ্র  । ভবিষ্যতে কি কি ঘটনা ঘটতে চলেছে তখন আমাদের পৃথিবীর কি হবে আমাদেরই হবে আমাদের গ্যালাক্সির সাথে সংঘর্ষ করবে কিনা অথবা কিভাবে হবে বিজ্ঞানের সাহায্যে সমস্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর আজকে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চলেছি ।


আমাদের এই মহাবিশ্ব কবে এবং কিভাবে ধ্বংস হবে?
মহাবিশ্ব কবে এবং কিভাবে ধ্বংস হবে



 আমাদের এই মহাবিশ্ব

বন্ধুরা আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে কিছুই বলতে পারিনা তারপরও বিজ্ঞানীরা যেভাবে ব্রহ্মান্ডের অতীতের কথা  বলে দিয়েছেন । তেমনি বর্তমানে নানা ঘটনা সাপেক্ষে ব্রহ্মাণ্ডের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তারা অনুমান করেছেন । তবে আমরা এখানে ১০০ বছর পরে কথা নয় বরং হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ বছর পরের কথা বলব । ভবিষ্যতে এই ঘটনাগুলো ঘটায় সম্ভাবনা আছে কিন্তু এগুলো যে ঘটবেই এমনটা নিশ্চিত ভাবে বলা সম্ভব নয় । তাহলে চলুন শুরু করা যাক আমরা এখন বর্তমান থেকে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি মানব সভ্যতার অগ্রগতি থেকে মঙ্গল গ্রহে উপনিবেশ স্থাপন আমাদের কাছে সবকিছু বদলে যাচ্ছে ।

যেভাবে ধ্বংস হবে

এই পৃথিবী আমাদের সভ্যতা সূচনা দেখেছে সভ্যতার বিকাশ দেখছে আর আমাদের সভ্যতার বিনাশ দেখবে ।এই পৃথিবীতে যে কোন সভ্যতা যে কোন পদার্থ বা যেকোনো শক্তিশালী বস্তু সবসময়ের জন্য থাকবে না । প্রতিটা জিনিসের একদিন না একদিন অবশ্যম্ভাবী সম্পূর্ণ মানব সভ্যতার বিকশিত হোক না কেন শোনাতে পারবে না ।একদিন না একদিন সেটা নিশ্চিত এই পৃথিবী অনেক দেখেছে অনেক দেখেছে দেখেছে ভবিষ্যতে লাখ লাখ বছর পর উল্কাপিন্ডের ধ্বংসের কারণে মানুষের পায়ের ছাপ মুছে যাবে তিন বিলিয়ন বছর পর ধীরে ধীরে ভুলে যাচ্ছে ।এবং বড় হচ্ছে সে নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলেছে পৃথিবীর তাপমাত্রা এতটাই বেড়ে গেছে যে এখানকার তাপমাত্রা এখন ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস । পৃথিবীর পাশাপাশি সৌরমণ্ডলের গ্রহের গতি ধীর হয়ে যাচ্ছে ৪ বিলিয়ন বছর পর আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির সাথে অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি সংঘর্ষ হয়ে গেছে । 

গ্রহ নক্ষত্রের দূরত্ব অনেক বেশি থাকায় অনেক জায়গাতেই হয়েছে এই দুটো গ্যালাক্সি । জুড়িয়ে যাওয়ার কারণে একটা অনেক বড় এবং নতুন গ্যালাক্সি তৈরি হয়েছে ।দশ বছর পার হয়ে গেছে সে তার সমস্ত হাইড্রোজেন কে লিয়ে মে কনভার্ট করে ফেলেছে । এখন সূর্যের তাপে গলে যাচ্ছে আর পরবর্তী কয়েক কোটি বছরে সুদে-মূলে যাচ্ছে যে পৃথিবীর সমস্ত কাছের গ্রহ গিলে নিচ্ছে । এবং তারপর শেষে সূর্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তার পাশে পরিণত হয়ে যাই এবার তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমছে এখনও পর্যন্ত একশ বিলিয়ন বছর পেরিয়ে গেছে । আমাদের সূর্য নিভে গেছে এই সময়ের মধ্যে অনেক নতুন তারা জন্ম হয়েছে কিন্তু লক্ষ লক্ষ বছর পুরনো তারা একের পর এক শেষ হতে আরম্ভ করেছে । একদম আমাদের সূর্যের মতো তিন মিলিয়ন বছর পর আমাদের ইউনিভার্স অনেক দুর্বল হয়ে গেছে ।তার এনার্জি প্রায় শেষ হয়ে এসেছে মহাবিশ্বের তাপমাত্রা ক্রমশ কমে যাচ্ছে । 

আর অনেক নক্ষত্র সময়ের সাথে সাথে নিভে যাচ্ছে ১ হাজার বছর পেরিয়ে গেছে এই সময়কে বলা হয় আমাদের গ্যালাক্সিতে সূর্যের থেকে লক্ষ গুণ বড় যে তারা ছিল সেটাও হয়ে গেছে আমাদের গ্যালাক্সির সবথেকে বড় নক্ষত্র সেটা এখন আমাদের চাঁদের আলো নির্গত হতে পারে । আরো কিছু ওয়ারড্রব সামনে চলে আসায় মাধ্যাকর্ষণের কারণে একে অপরের সাথে সংঘর্ষ বাধে শক্তি লোপ পেয়েছে । আর কিছু নক্ষত্র ভরণী নক্ষত্র বিনাশের পর থেকেই কিন্তু আমাদের থেকে লক্ষ গুণ বেশি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কোন নক্ষত্র এই পর্যায়ে আসতে অনেক সময় নাই যেমন হাইড্রোজেন এবং জন্মের পর নক্ষত্রের জন্ম হয়েছিল তেমনি হাইড্রোজেন এবং শেষ হয়ে যেতে থাকে । আর বিশ্বব্রহ্মাণ্ড আবার অন্ধকারে চলে যায় যাকে নিজের কারণে তার সামনে আসা সমস্ত জিনিস দিলে নাই সেই পরমাণু ধ্বংস করে দেয় । আর সেটা নিজের দেশের বাইরে যেতে দেয় না সব থেকে বেশি এনার্জি যদি থেকে থাকে তাহলে সেটা হল ব্ল্যাক হোল কি শেষ আছে তার মধ্যে থাকা পদার্থ সব সময় থাকে না ।তার মধ্যে থাকার পরও মানুষ হয়ে যায়

এনার্জি এবং গ্র্যাভিটি'র মধ্যে ভারসাম্যের কারণেই ব্রহ্মান্ডের অস্তিত্ব বজায় আছে ।কিন্তু বিধি অনুযায়ী এমন একটা সময় আসবে যখন ডার্ক এনার্জি ব্রহ্মাণ্ডকে সেই সময় পর্যন্ত গতি প্রদান করতে থাকবে । যতক্ষণ না ব্রহ্মাণ্ডের প্রত্যেকটি ধুলোয় পরমাণু ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে আর শেষমেষ একটা পর্যায়ে নদীগ্রাস ঘটে । তা ভেবে আর ব্রহ্মান্ডের শুধুমাত্র পার্টি থেকে যাবে । আর এই অবস্থাটা বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী হওয়ার পর এবং নিজের বিস্তারের কারণে সব এনার্জি থাকবে ঠিকই । কিন্তু অনেক বড় আকারে ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের গড় তাপমাত্রা অনেক কমে যাবে আর সেটা শুনে চলে আসবে । আর এটাই হল ব্রিজ অবস্থা এই অনুমতি সামনে এসেছে মনে করা হয় যে আমাদের ব্রহ্মাণ্ড তখন অস্থায়ী অবস্থায় থাকবে । যাদের জন্ম দিতে পারে আর আমাদের কে নষ্ট করে দিতে পারে ।অনুমান অনুযায়ী এমন একটা এনার্জি নির্মাণের কারণে একটা ছিদ্র হয়ে যাবে এবং ব্রহ্মাণ্ডকে গিলে ফেলবে । 

আলোর গতিতে ব্রহ্মান্ডে সবথেকে ছড়িয়ে পড়বে এবং সামনে আসা সবকিছু নষ্ট করে দেবে । ১ নাম্বার আমাদের বিগ ব্যাং থিওরির উপর আধারিত যেমনভাবে ব্রহ্মান্ডের উৎপত্তি হয়েছে ।তা ছড়িয়ে পড়েছে ক্রমাগত ছড়াচ্ছে ডার্ক এনার্জি এনার্জি এনার্জি প্রদান করা ছেড়ে দেবে ।আর এইভাবে হতে শুরু করবে আর্টিকেল সংকোচিত হয়ে যাবে । যে পুনরায় ছোট ছোট অবস্থায় পৌঁছে যাবে হয়ে যাবে আর একটা নতুন ব্যাংকের সাথে একটা নতুন বিজ্ঞানীদের মতে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে সমাপ্তির মাধ্যমে হতে পারে । তবে বন্ধুরা এর মধ্যে কোনটা আপনার কাছে সঠিক বলে মনে হচ্ছে সেটা আমাকে কমেন্ট করে জানান ।

স্যাটেলাইট কিভাবে কাজ করে?বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এখন কোথায়

কোন মন্তব্য নেই

শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০২১

স্যাটেলাইট কিভাবে কাজ করে?বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এখন কোথায়
স্যাটেলাইট

স্যাটেলাইট

স্বাগতম জানাচ্ছি টেকনোলজি সম্পর্কিত  শুরুতেই বলে দিচ্ছি স্যাটেলাইটের  যাবতীয় তথ্য সংগৃহীত । আমার নিজের তৈরি কোন মনগড়া তথ্য নয় আপনিও যদি বই-পুস্তক ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করেন তাহলে তথ্যগুলো পেয়ে যাবেন । তবে আমি আপনাদের মাঝে সঠিক তথ্য সহজভাবে শেয়ার করার চেষ্টা করছি ।বর্তমানে কমবেশি সবার মাঝে স্যাটেলাইট নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্নের তৈরি হয় ঠিক তেমনি কিছু প্রশ্ন হচ্ছে স্যাটেলাইট কি? স্যাটেলাইটের গঠন স্যাটেলাইট থেকে আলাদা হয়ে যায় না কেন? সেটা লাইট কিভাবে পাঠানো হয় স্যাটেলাইট কিভাবে কাজ করে । বর্তমানে মহাকাশে সরকারি-বেসরকারি মিলে ১৬৮ উপরে কার্যরত স্যাটেলাইট রয়েছে ।

উন্নত দেশ থেকে শুরু করে স্বল্প উন্নয়নশীল দেশেও স্যাটেলাইট পাঠানোর কঠিন প্রতিযোগিতায় নেমে গিয়েছে ।একটা কথা মনে রাখবেন কোন কিছু সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের চেয়ে পরিষ্কার ধারণা রাখা অধিক গুরুত্বপূর্ণ । প্রথমেই আসা যাক স্যাটেলাইট কি একটি ওয়েবসাইটকে কেন্দ্র করে নিশ্চয়ই আপনি ভাবছেন তাহলে কি পৃথিবী একটি স্যাটেলাইট ? উত্তর হল পৃথিবীর স্যাটেলাইট কারণ পৃথিবীর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে ঘুরছে আর অবশ্যই একটি স্যাটেলাইট পৃথিবী কে কেন্দ্র করে। 

কিন্তু আজকাল স্যাটেলাইট বলতে বুঝানো হয় মানুষের তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহগুলি ।পৃথিবীর প্রাকৃতিক স্যাটেলাইট তৈরি স্যাটেলাইটগুলো মূলত মানুষের তৈরি যন্ত্র অর্থাৎ সহজভাবে বলা যায় স্যাটেলাইট হল একটি বস্তু যা তথ্য সংগ্রহের জন্য ,অথবা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে পৃথিবীর অন্য কোন গ্রহের কক্ষপথের স্থাপন করা হয় ।এবারের স্যাটেলাইটের গঠনের দিকে বিভিন্ন আকৃতির হয়ে থাকে তবে প্রত্যেকটা স্যাটেলাইটে থাকে না এবং শক্তির উৎস ও সংগ্রহের কাজ করে থাকে ।বিভিন্ন ধরনের রয়েছে যেমন প্যারাবোলিক ইত্যাদি নির্ভর করে মূলত স্যাটেলাইটের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন এর উপর এবং ব্যাটারি ব্যাকআপ শক্তির উৎস হিসেবে সোলার প্যানেল এবং ব্যাটারি সোলার প্যানেলের মধ্যে সূর্যালোক করে শক্তি তৈরি করে । 

স্যাটেলাইটের চলমান রাখার জন্য সোলার সেল এবং ব্যাটারি অত্যাধিক প্রয়োজনীয় লোকের উপস্থিতিতে শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করার সুযোগ না থাকলে ব্যাটারি শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে থাকে । স্যাটেলাইট থেকে আলাদা হয়ে যায় না কেন উপগ্রহ পৃথিবীর চতুর্দিকে গতিশক্তি বাইরের দিকে প্রদান করে কিন্তু পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর আওতার বাইরে যেতে দেয় না ।উপগ্রহ প্রদান করে এবং কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিণ করতে থাকে যেহেতু মহাকাশের অস্তিত্ব নেই । এটি বাধাহীনভাবে পরিক্রম করে কৃত্রিম উপগ্রহ গুলি করে না তার গতি ডিম্বাকৃতির স্যাটেলাইট কিভাবে পাঠানো হয় স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পাঠানো হয় পাঠানোর সময় রকেট নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয় । 

সিস্টেম মেকানিজম পৃথিবী ঘন্টায় ২৫ হাজার ৯৪০ মারতে হয় কৃত্রিম উপগ্রহ স্থাপন ও তার ওপর প্রভাব রয়েছে । এর জন্য সামঞ্জস্য বিধান করতে না পারলে কৃত্রিম উপগ্রহ ভূপৃষ্ঠ চলে আসতে পারে এজন্য কৃত্রিম উপগ্রহের ১৫০ মাইল প্রতি ঘন্টায় প্রায় ১৭ হাজার মাইল গতিতে পরিভ্রমণ করানো হয় । মূলত গতিবেগ কত হবে তা নির্ভর করে কৃত্রিম উপগ্রহটি পৃথিবী থেকে কত উচ্চতায় রয়েছে । তার ওপর পৃথিবী থেকে ২২২৩০ স্যাটেলাইট থেকে পৃথিবীর আবর্তন করে ।পৃথিবীর কৃত্রিম উপগ্রহগুলি ২৪ ঘন্টা করে স্যাটেলাইট কিভাবে কাজ করে এবং পর্যবেক্ষণকারী উপগ্রহ পৃথিবীকে কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে ।

স্যাটেলাইট কিভাবে কাজ করে?বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এখন কোথায়
স্যাটেলাইট


বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এখন

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বর্তমান অবস্থান ও জানাবো  আসলে কি স্যাটেলাইট মানে যে কোন রকেট হবে আর তাতে একগাদা যন্ত্রপাতি বসানো থাকবে এমনটা নয় । বরং স্যাটেলাইটের সাধারণ অসাধারণ একটি ছবিকে কেন্দ্র করে লাগাতে কোন কক্ষ প্রদক্ষিণ করে সেটিকে স্যাটেলাইট বলা হয় । যেমন চাঁদ হলো প্রকৃত স্যাটেলাইট উপগ্রহ পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে বাধ্য করেছেন । আকাশে রকেটে করে ছেড়ে দেওয়া স্যাটেলাইট যেগুলোকে আমরা প্রকৃত স্যাটেলাইট হিসেবে চিনি । সেগুলো আর্টিফিশিয়াল স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ এবং একটি নির্দিষ্ট পথে অবিরত প্রদক্ষিণ করেন এবং পৃথিবী থেকে বিভিন্ন দূরত্বে প্রদক্ষিণ করতে পারে । সাধারণত একটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এর উপর অবস্থিত থাকে ।২০১৫ সালে বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে চূড়ান্ত অনুমোদিত হয় । 

ওই বছরের কোম্পানির সাথে স্যাটেলাইট সিস্টেম করা বাবদ ২ হাজার কোটি টাকার একটি চুক্তি সই করে ।এরপর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসির অংশ হিসেবে এইচএসবিসি ব্যাংকের সাথে ১৪ কোটি টাকার ঋণচুক্তি করে ।সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটে গত ‘১২ ই মে থেকে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ মহাকাশে গেল বাংলাদেশের প্রথম টেলি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইট ৫৭০০ কিলোমিটার উচ্চতায় যাওয়ার পর স্টেশন থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় । এবং স্ত্রীর সাথে কিলোমিটার থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করবে । এটি কে নিয়ন্ত্রণ করে জন্য নির্ধারিত ১১৯.১ চূড়ান্তভাবে বসানো হয়েছে বাংলাদেশ ১৫ বছরের জন্য এই অর্বিতালস কিনেছে স্যাটেলাইট কোম্পানি । 

ইন্টারনেট থেকে যাতে খরচ হয়েছে দুইশো কোটি টাকা প্রায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ডে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করছে । আমাদের এই স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ কেজি এবং এর যোগাযোগের জন্য ৪০ ট্রান্সপন্ডার এর মধ্যে বৃষ্টি ।বাংলাদেশ নিজে ব্যবহার করবে আর বাকি ট্রান্সপন্ডার বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে টাকার বিনিময়ে ভাড়া দেওয়া হবে ।বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণের জন্য ইতোমধ্যে গাজীপুরের জয়দেবপুর রাঙ্গুনিয়াতে গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণ করেছে । বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়েছে বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড নামের বিশেষ রাষ্ট্রীয় কোম্পানি ।বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইট অন্তত ৪০ জন স্যাটেলাইট টেলিভিশন ইত্যাদি হিসেবে কাজ অন্যান্য গ্রহের সবথেকে বেশি ব্যবহার হয় । 

কিন্তু ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত আদান-প্রদানের জন্য শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে এক লাখেরও বেশি গ্যাস স্টেশন ব্যবহার করেন ।এছাড়া ইন্টারনেট সেবা প্রভৃতি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশের বছরে প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে কারণ নিজের স্যাটেলাইট হলে বাংলাদেশের স্যাটেলাইট চড়া মূল্যে ভাড়া নিতে হবেনা । আশা করা যাচ্ছে স্যাটেলাইটটি কমপক্ষে ১৫ বছর কর্মক্ষম থাকবেন এবং নিয়ে জানা যায় স্টেশন থেকে স্যাটেলাইটে তথ্য বাতায়ন রেজিস্ট্রেশন করাকে ডাউনলিংক বলে ।এবং সাবধানে ব্যবহার করা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় অনেক বড় হয় যেহেতু ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড এর তুলনায় কিন্তু খুব সমস্যায় ভুগে থাকে যার ফলে প্রচুর বৃষ্টি হয়ে যায় । তবে এই ফ্লেক্সিবিলিটি অনেক বেশী বেশী জাই হোক না কেন মহাকাশে স্যাটেলাইট থেকে বিশেষ করে ইনস্পেকশন সম্ভব ।এক জায়গায় বসে থেকে মহাকাশে স্যাটেলাইট এর উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীর বিভিন্ন ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জানা আমাদের পৃথিবীর উপর থেকে পৃথিবীর দিকে নজর রাখতে সাহায্য করেছে ।এর ফলে আমরা জীবন বৃত্তান্ত সম্পর্কে জেনেছি মহাকাশে বিভিন্ন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া তথ্য সরবরাহ করে কতগুলো নেভিগেশন যেমন করে আবার কোন গুলো কমিউনিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয় স্যাটেলাইট ।


মহাকাশে মিলল অতিকায় রহস্যময় বুদবুদের সন্ধান! বিস্মিত গবেষকরা

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, ৬ অক্টোবর, ২০২১

 

মহাকাশে মিলল অতিকায় রহস্যময় বুদবুদের সন্ধান! বিস্মিত গবেষকরা
 রহস্যময় বুদবুদের সন্ধান

মহাকাশে মিলল অতিকায় রহস্যময় বুদবুদের সন্ধান

মহাকাশে মিলল অতিকায় রহস্যময় বুদবুদের সন্ধান । বিস্মিত গবেষকরা এই নিয়ে আমি এই খবরটি দিতে চলে এলাম মহাকাশে রহস্য হয়ত কোনদিনই শেষ হবার নয় । এবার নতুন করে রহস্যঘন এক আশ্চর্য দৈত্যাকার উদ্ভিদ কে ঘিরে আলোকবর্ষ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা শূণ্য স্থান কে কেন্দ্র করে তীব্র কৌতুহল তৈরি হয়েছে । জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে আজ থেকে এক কোটি বছর আগে । অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্স নামের এক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে একটি গবেষণাপত্র সেখানেই জানানো হয়েছে ওই মহাজাগতিক বুদবুদের কথা । 

মহাকাশে ছড়িয়ে থাকা আণবিক মেয়েকে ত্রিমাত্রিক মানচিত্র খতিয়ে দেখার সময় ওই উৎপত্তির দিকে নজর যায় গবেষকদের । আকাশগঙ্গা ছায়াপথের এক প্রান্তে রয়েছে পার্সিয়াস আণবিক মেঘের দল সেই মেঘ ঘিরে রেখেছে ওই পত্রিকায় বুদ্ধিকে প্রসঙ্গত অঞ্চলে জন্ম হয় গবেষকদের ধারণা কোন কারনেই বোধ ভর্তির জন্ম হয়েছে । এ বিষয়টি রয়েছে একটি থিওরি অনুযায়ী শূন্যস্থানের পাশেই এক সুপারনোভা অস্তিত্ব ছিল সেটি থেকেই গ্যাস নির্গত হয়  । ওরা সুপারসেল তৈরি করেছে অথবা এমনও হতে পারে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে বহু সুপারনোভার সম্মিলিত কারণে রহস্যময় সৃষ্টি হয়েছে । 

যার কিনারা এসে অবস্থান করছে অসংখ্য নক্ষত্র জন্মের পর থেকেই ব্রহ্মাণ্ড প্রচারিত হচ্ছে । সেটি প্রসারিত হয়ে চলেছে বিজ্ঞানীরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বোঝার চেষ্টা করে চলেছেন । ব্রহ্মাণ্ডের আর সেই কারণেই ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে এবার সেই ম্যাপ থেকে আবিষ্কৃত হল এক আশ্চর্য বোধ বোধ । উল্লেখ্য এর আগে ত্রিমাত্রিক ম্যাপ ব্যবহার করা হতো ব্রহ্মাণ্ডকে কিন্তু এবার মহাকাশে ধূলিকণা কে পর্যবেক্ষণ করে তৈরি করা হয়েছে । ত্রিমাত্রিক মানচিত্র চটপটি ইনফরমেটিভ  আশা করি  ভালো লেগেছে সঙ্গে থাকবেন আমাদের সাবস্ক্রাইব করে লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানাবেন । আসি আবার দেখা হবে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।

মহাকাশে কি কি আছে ! জানলে অবাক হবেন

কোন মন্তব্য নেই

রবিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২১

 

মহাকাশে কি কি আছে ! জানলে অবাক হবেন

গ্যালাক্সি ফটো

মহাকাশে কি কি আছে

বন্ধুরা এটা আমাদের পৃথিবী এই পৃথিবীর কোন না কোন জায়গায় আমরা বাস করি এবং আমরা যতটুকু জানি তাও এর মধ্যে অবস্থিত। কিন্তু যদি সমগ্র ব্রহ্মান্ডের সাথে তুলনা করা হয় তবে আমাদের পৃথিবী ঠিক কতটা ছোট হতে পারে আজ আপনাদের আমরা এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব । তাই চলুন আর দেরি না করে  শুরু করা যাক ব্রহ্মাণ্ডে আমাদের সব থেকে কাছের প্রতিবেশী হলো চাঁদ আপনারা অনেকেই হয়তো ভাবেন যে চাঁদ আমাদের পৃথিবীর খুব কাছেই অবস্থিত। কেননা রাতের আকাশে চাঁদের আলোয় বিরাজ করে কিন্তু বাস্তবে চাঁদ আমাদের পৃথিবীর এতটা কাছে অবস্থিত নয়। আমাদের পৃথিবী থেকে প্রায় তিন লক্ষ চুরাশি হাজার চারশো কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ।

আর এই দূরত্বের মধ্যে দৃষ্টি পৃথিবী জায়গা করে নিতে পারবে আর যদি আপনি কোন ভাবে একটা না একটা গাড়ি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে চালাতে পারেন তবে ওই দূরত্বে পৌঁছাতে আপনার ১৬০ দিন সময় লাগবে। দূরত্ব সত্ত্বেও মানুষ কিন্তু চাঁদে পা রেখেছেন আর পৃথিবী থেকে মানুষটিকে আজ পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছেন। তাই এটা মানব সভ্যতার এক মহান কীর্তি হিসেবে গণ্য করা হয় । যদি আপনি ছাদে দাঁড়িয়ে পৃথিবী কে দেখার চেষ্টা করেন তবে পৃথিবীতে এরকম দেখাবে আর যদি আপনি পৃথিবীতে কাউকে কোন বার্তা পাঠাতে চান তবে সেকেন্ড সময় লাগবে থেকে পৃথিবীতে আপনার প্রিয়জনের কাছে পৌঁছাতে গতিবেগে যাতায়াত করে । 

এখন যে ফটোটা আপনারা দেখছেন সেটা মঙ্গল গ্রহ থেকে তোলা হয়েছে আর এই ছবিতে যে ছবি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সেটা হলো আমাদের পৃথিবী মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠ থেকে আমাদের পৃথিবী মঙ্গল গ্রহ পৃথিবী থেকে ২৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সর্বোচ্চ ১ মিলিয়ন কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে এর অর্থ হচ্ছে যদি মানুষ কখনো সত্যি হতে পারে তবে যতটা দূরত্ব চাঁদে পা রাখা মহাকাশচারীদের পৃথিবীতে গেছিল ।ঐ ব্যক্তি দূরত্বের ৯৮৬ গুণ বেশি দূরে থাকবে তাছাড়া মঙ্গল থেকে পৃথিবীকে পাঠাতে কিন্তু নয় বরং আলোর গতিবেগ হিসেব করলে প্রায় কুড়ি মিনিট লাগবে ।যদি এর থেকেও দূরে দেখতে চাই তবে আমরা ফেসবুকে খুঁজে পাবো পৃথিবী থেকে সবথেকে দূরে রয়েছে বর্তমানে পৃথিবী থেকে ১৫০ দূরে আছে যেটা সূর্য পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব অর্থাৎ পৃথিবী থেকে সূর্য কত দূরে আছে তার থেকে ১৫০ গুণ বেশি দূরে আছে। আর এই দূরত্ব অতিক্রম করতে করতে এই ছবিটি তুলেছে সাধারণভাবে ছবিটাকে বিশেষ কিছু মনে না হলেও আসলে মানব ইতিহাসে এত মূল্যবান ছবি তোলা হয়নি পৃথিবীর প্রতি সেকেন্ডে কত কিলোমিটার বেগে চলছে । 

আগামী 30 হাজার বছরে এটা আমাদের সৌরজগতের সীমানা ছেড়ে বেরোতে পারবে না। আমরা পৌঁছে যাব আমাদের এখান থেকে দূরত্ব মাপার একক হয়ে যাবে আলোকবর্ষ অর্থাৎ পৃথিবীর হিসেবে এক বছরে যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে অর্থাৎ ৯.৪৮ মিলিয়ন কিলোমিটার আপনারা এখানে শেয়ার করে আমাদের সব থেকে কাছের নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টরি। কে দেখতে পাচ্ছেন কিন্তু তা আমাদের থেকে ৪.24 আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত । আর যদি ওখানে পাঠানো হয় তবে তার ওখানে পৌঁছাতে সময় লাগবে 70 হাজার বছরেরও বেশি করে ব্যাপারটা দেখি তবে আমরা পুরো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি টাকে দেখতে পাবো যার। মধ্যে পৃথিবীতে অবস্থিত এই হল ইতিহাস থেকে দূরবর্তী রেডিও সিগন্যাল এর অর্থ হল যদি কোন গ্রহে বসবাস করে তবে তারা মানুষের অস্তিত্ব সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ আমরা এখনো যতদূর জানতে পেরেছি সেই অনুযায়ী রয়েছেসম্পূর্ণ নিস্তব্ধতা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এক আলোকবর্ষের বেশি জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে আছে।

 এখানে ১০০ বিলিয়নেরও বেশি নক্ষত্র এবং ১০০ বিলিয়নেরও বেশি গ্রহ রয়েছে । কিন্তু আপনারা কখনোই রাতের আকাশে গ্যালাক্সি টি সম্পূর্ণ দেখতে পাবেন না ।কারণ আমরা খালি চোখে দেখতে পাই তা ৯৯% রয়েছে এই ছোট্ট হলুদ বক্সের মধ্যে কিন্তু এরপরেও বাকিদের কাছে এই প্রকাণ্ড গ্যালাক্সি টু কিছুই নয় ।আমরা ক্যামেরা জুম করে গ্যালাক্সি গ্যালাক্সি দের কাছে এসে পৌছালাম এখানে রয়েছে যেগুলো প্রায় ১০ লক্ষ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।


মহাকাশে কি কি আছে ! জানলে অবাক হবেন
গ্যালাক্সি ফটো



থেকেও গুরুত্বপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় ব্যাপার হলো আমাদের এই দৃশ্যমান ব্রহ্মাণ্ডের বাইরে কি আছে একটা কথা মনে রাখবেন আমরা এখন যতটুকু দেখতে পাচ্ছি সেটা আসলে দৃশ্যমান ব্রহ্মাণ্ড কিন্তু এর বাইরেও যে ব্রহ্মান্ডে আছে সেটা আরো বিশাল । আরো সুন্দর হওয়ার সম্ভাবনা আছে যে আমাদের কল্পনা অতীত আমরা জানি না এর বাইরে কি আছে কেননা এই অবিশ্বাস্য রকম দূরত্ব থেকে আলো আমাদের কাছে অর্থাৎ পৃথিবীতে এসে পৌঁছানোর সময় পার করতে পারেনি। আর কিছু কিছু জায়গা থেকে আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে পারবে না কেননা ব্রহ্মাণ্ডের বেশ কিছু অংশ পৃথিবী থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।আর তার থেকেও বেশি গতিবেগে বিস্তৃত হচ্ছে এর অর্থ হল এই সমস্ত জায়গা থেকে ভালোবেসে পৃথিবীতে পৌছাবেনা যদি ধরে নেয়া হয় মানব সভ্যতা চিরন্তন অর্থ সবসময় থাকবে এমন এক জায়গা থেকে যাবে যার সম্পর্কে আমরা কখনোই জানতে পারবো না । 

বা দেখতে পাবো না তাই দৃশ্যমান ব্রহ্মাণ্ড হোক না কেন সমগ্র ব্রহ্মান্ডের কাছে এটা একটা বিন্দু থেকে ছোট ইনফ্লেশন থিওরি অনুযায়ী অনুমান করা হয়েছে ইনফ্লেশন শুরু হওয়ার আগে ব্রহ্মাণ্ডের আকার আলোর গতিবেগ এর গুণফল সমান ছিল । তাহলে এখন সমগ্র বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের থেকে ১৫০ মিলিয়ন বড় মন দিয়ে দেখুন এই সংখ্যাটি এতগুলো আছে যা দেখলে আমরা অবাক হয়ে যাই । এবার এই সমস্ত কথা ভুলে যান আপনাদের একটি সহযোগী যতটুকু আমরা দেখতে পাই সমান কিন্তু তারপর ভাবুন বামন গ্রহ পূর্ব থেকে কল্পনা করুন কিন্তু লাইট বাল্ব এর ভিতরে আমরা যারা আছি। তারা জানিয়েছে তার ব্যক্তিত্ব আছে এবার নিশ্চয়ই আপনাদের বুঝতে সুবিধা হচ্ছে আমরা ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর কিন্তু চিন্তা করার কোনো কারণ নেই কেননা এখনো নতুন কিছু আবিষ্কার করার জন্য আমাদের কাছে অনেক কিছু আছে তাইনা বন্ধুরা তো বন্ধুরা  আপনাদের কেমন লাগলো এবং এই সম্পর্কে আপনার কোন মতামত থাকলে সেটা আমাকে কমেন্ট করে জানান।

মহাকাশে কি কি আছে ! জানলে অবাক হবেন
গ্যালাক্সি ফটো



স্পেসএক্স ক্রু -২ নতুন লঞ্চ হিসাবে পুরো দোলায় স্টেশনে এখন বিজ্ঞান

২টি মন্তব্য

বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১

 

স্পেসএক্স ক্রু -২ নতুন লঞ্চ
স্টেশনে এখন বিজ্ঞান

স্পেসএক্স ক্রু -২

মহাকাশ স্টেশনে স্টেটিং শুরু হয়েছে, পরে ৬৫ আগস্ট ক্রুশ অধ্যয়ন কি যে মাইক্রোগ্রাফিটি জড়ো হয়েছে প্রভাবিত। আর্থ অন, চারটি বৈচিত্র্যময়  ফ্লোরিডা থেকে সংরক্ষণক্ষেত্রের ল্যাবকেটে দু'বার কম সংখ্যক ঘটনা ঘটে।


রক্তের নমুনা পেশাগত স্ক্যান এবং ব্যায়াম হলের মঙ্গলবার মহাকাশ গবেষণার বিষয়গুলি স্পষ্টভাবে পুনরায় দিনটির শুরু, ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার মাইকেল হিপিনস এবং সোচ্চার নুবুচির রক্তক্ষত্রিকালিকা এবং তারপরে পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। 


স্পেসএক্স ক্রু -3
স্পেসএক্স ক্রু -২ নতুন লঞ্চ


 হ্যাকিনস আল্ট্রাসাউন্ড 

জন্য বিশেষায়িত ডিভাইসটি কবির সাথে ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছে। পেশাজীবী প্রোটিনগুলি মাংস্পেশির ভর এবং সংক্ষিপ্ত প্রভাবিত হয়ে মহাকাশে প্রভাবিত হন এবং বিজ্ঞানীর এই জরিমানা পরীক্ষার জন্য চিকিত্সাগুলি অন্বেষণ করেন।


 গিরিটি কনফিগার সাথে। ডুব্রোভ রাশিয়ান মিডিয়াতে অঞ্চলগুলি পর্যালোচনা এবং মহাকাশে একটি ভার্চুটে সার্চিকেশন করা দূরে থাকা অধ্যয়ন ঘটেছে।


নাসা এবং স্পেসাক্স মিশন চিত্রনাকারী বৃহস্পতিবারের অনুভূতি: ১১: ৩০ মিনিট লঞ্চের জন্য "যান" যাচাই করা হয়েছে। স্পেস স্টেশনে চার জন ক্রু -২ বিদ্যোচারীর ইডিটি। নসর নভোচারী শেন কিম্ব্রো এবং মেগান ম্যাকের অর্থনীতি মহাকাশে নতুন নতুন সময় ক্রেট ড্রাগন আন্ডারেরেটের পার্টক্রোমে কমান্ডার এবং পাইলট আসন দোতালিকা। শুক্রবারের অভিজ্ঞতা সাড়ে ৫ টায় হার্মনি মিডিয়া সলন ফেসোভিং আন্তর্জাতিক ডকিং অ্যাডাপ্টারের সাথে যোগাযোগের সময় আমেরিকান আকাশিক হোশিড এবং থমাস পসকেট এ দেখা হয়েছে। নাসা টিভির ক্রু -২ মিশনটি ভিডিওর মতো লঞ্চ থেকে ডকিংয়ের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টায় স্টার্টচার ল।

Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo