Responsive Ad Slot

চীন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চীন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

এবার পৃথিবীর বুকেই চন্দ্রপৃষ্ঠের পরিবেশে, কৃত্রিম চাঁদ, তৈরি করছে চিন

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২

এবার পৃথিবীর বুকেই চন্দ্রপৃষ্ঠের পরিবেশে, কৃত্রিম চাঁদ, তৈরি করছে চিন
এবার নকল চাঁদ বানাচ্ছে চীন ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা মহাকাশে লোকানো আছে সৃষ্টির রহস্য! ফলে সূর্য-চাঁদ-তারা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই মানুষের। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা  দিন-রাত এক করে নতুন নতুন গবষণায় ব্যস্ত। যেমন চিনের  মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বছর চারেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন তাঁরা কৃত্রিম চাঁদ  তৈরির প্রকল্পে হাত দিয়েছেন। সেই চাঁদ মহাকাশে স্থাপন করা হবে। যা অমাবস্যাতেও আলোকিত করবে পৃথিবীকে।

এবারও সেই চিনের বিজ্ঞানীরাই জানালেন তাঁরা পৃথিবীর বুকে হুবহু চাঁদের পরিবেশ তৈরি করতে চলেছেন। যা মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথমবার ঘটতে চলেছে। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য নকল চন্দ্রপৃষ্ঠ হবে হুবহু আসল চাঁদের মতোই। চাঁদের মাটিতে যতটুকু অভিকর্ষ থাকে ততটুকুই থাকবে সেখানে। অর্থাৎ সেখানে পৌঁছলে মানুষ ভাবতে বাধ্য হবে যে সে মহাকাশ যাত্রা করে দূর আকাশের চাঁদেই পৌঁছে গিয়েছে।

তবে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে নকল চাঁদ মোটেই সাধারণের বিনোদনের জন্য তৈরি কোনও ট্যুরিস্ট স্পট নয়। এভাবে পৃথিবীর মাটিতে চাঁদের পরিবেশ তৈরি করার ভাবনা শুধুমাত্র মহাকাশ বিজ্ঞানীদের গবেষণাকে গতি দেওয়ার জন্যে। জানা গিয়েছে এরপর থেকে চিনের চন্দ্র অভিযান প্রকল্পের মহাকাশচারীদের এই নকল চাঁদের দেশেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যাতে করে তাঁরা আদত চাঁদে পৌঁছে কোনওরকম অস্বস্তিতে না পড়েন।

আরও পড়ুন:চীনের কৃত্রিম সূর্য ও চীনের সূর্য আবিষ্কার

কৃত্রিম চাঁদ প্রকল্পের অন্যতম গবেষক চায়না ইউনিভার্সিটি অফ মাইনিং অ্যান্ড টেকনোলজির অধ্যাপক লি রুলিন  বলেন, অনেক ক্ষেত্রে বিমানে বা অন্য কয়েকটি পরিস্থিতিতে কিছুক্ষণের জন্য অভিকর্ষ কমে যায়। তবে এক্ষেত্রে আপনি যতক্ষণ চাইবেন ততক্ষণ সেই পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে।জানা গিয়েছে নকল ছোট চাঁদটি হবে দুই ফুট ব্যাসার্ধের। যার পৃষ্ঠে থাকবে চাঁদের মতোই পাথর ধুলিকণা গর্ত। মনে রাখা ভাল চাঁদের অভিকর্ষ কিন্তু শূন্য নয় বরং পৃথিবীর অভিকর্ষের ছয় ভাগের এক ভাগ।


এবার নকল চাঁদ বানাচ্ছে চীন
কৃত্রিম চাঁদ, তৈরি করছে চিন ছবি ।

আরও পড়ুন:চাঁদের আকার কিভাবে পরিবর্তন হয়   

সেই ব্যবস্থাই থাকছে চিনের চাঁদের দেশে।উল্লেখ্য চিন চন্দ্র অভিযান নিয়ে একাধিক পরিকল্পনা শুরু করেছে গত কয়েক বছর ধরেই। যে মিশনগুলির নাম দেওয়া হয়েছে ভবিষ্যত পরিবর্তন ৬,৭ ও ৮। তার অন্যতম হল  নকল না আসলে চাঁদের বুকেই একটি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র তৈরি করে ফেলা। সেই কাজে সাফল্য পেতে হলে পৃথিবীর মাটিতেই চাঁদকে স্থাপন করার প্রয়োজন হয়ে পড়ছিল। এবার সেই কাজটাই সেরে ফেলল চিন।

ধন্যবাদ বন্ধুরা ।

চীনের কৃত্রিম সূর্য ও চীনের সূর্য আবিষ্কার

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২২

চীনের কৃত্রিম সূর্য ও চীনের সূর্য আবিষ্কার
চীন যেভাবে সূর্য আবিষ্কার করল ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমরা জানবো কৃত্রিম সূর্য বানালো চীন । নকল কখনও আসলকে টেক্কা দিতে পারে না। এমনটাই বলেন সকলে। কিন্তু সব সময়ই কি তা হয়? অন্তত চিনের কৃত্রিম সূর্য সেই ধারণাকে যে চুরমার করে দিয়েছে তা বলাই যায়। সূর্যের  কেন্দ্রের উষ্ণতা যেখানে দেড় কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে চিনের  এই কৃত্রিম সূর্য  উৎপন্ন করতে পেরেছে ১২ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস । অর্থাৎ সূর্যের কেন্দ্রের তাপমাত্রার ৮ গুণ । তবে তা প্রায় ১০১ সেকেন্ডের জন্য হয় । অল্প সময়ের জন্য হলেও এই সাফল্য চমকে দিয়েছে সারা পৃথিবীর বিজ্ঞান‌ীদের ।

কেবল ওই তাপমাত্রাই নয় । তাকেও টপকে গিয়েছে পৃথিবীর বুকে অবস্থানকারী এই সূর্য। তবে তা আরও অল্প সময়ের জন্য। মাত্র ২০ সেকেন্ডের জন্য ১৬ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উৎপন্ন করতে সক্ষম হয়েছে এই নকল সূর্য। আপাতত তাই আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য এই ধরনের তাপমাত্রা উৎপন্ন করাই লক্ষ্য বিজ্ঞানীদের।সূর্যের অভ্যন্তরে লাগাতার নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায় হাইড্রোজেন থেকে হিলিয়াম উৎপন্ন হয়।

এই প্রক্রিয়াতেই উৎপন্ন হয় ওই বিপুল তাপশক্তি। সেই পদ্ধতিকেই কাজে লাগিয়েই বাজিমাত চিনের এক্সপেরিমেন্টাল অ্যাডভান্সড সুপারকনডাক্টিং টোকাম্যাক তথা ফিউশন রিঅ্যাক্টরের। চিনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস এই পরীক্ষাকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বলে জানিয়ে আগামী দিনে আরও সাফল্যের আশা ব্যক্ত করেছে।তবে এই রিঅ্যাক্টরের কাজকর্ম এখনও পরীক্ষা নিরীক্ষার স্তরেই রয়েছে। 

আরও পড়ুন:সূর্যের চেয়েও ১০ গুণ ভারী নক্ষত্রে বিস্ফোরণ! ছবি দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

বিজ্ঞানীদের আশা আর এক দশকের মধ্যেই এটি নিজের পূর্ণ ক্ষমতা দেখাতে পারবে। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে চলেছেন প্রায় ৩০০ জন বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ার।কিন্তু এত বেশি তাপমাত্রা উৎপন্ন করে কোন লক্ষ্যমাত্রায় পৌছতে চাইছে এই কৃত্রিম সূর্য। আসলে এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্যই নিরবিচ্ছিন্ন শক্তিপ্রবাহ তৈরি করা। সমুদ্র থেকে পাওয়া ডয়টেরিয়ামের সাহায্যে সূর্যের মতোই নিউক্লিয়ার ফিউশন ঘটিয়েই সেই প্রবাহ তৈরি করতে চাইছেন বিজ্ঞানীরা। তবে কেবল চিনই যে এমন কাণ্ড ঘটিয়ে তাক লাগাচ্ছে তা নয়। এবিষয়ে চিনকে জোর টক্কর দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তাদের তৈরি সুপার কনডাক্টিং টোকাম্যাক অ্যাডভান্সড রিসার্চ ফিউশন ডিভাইস ১০ কোটি ডিগ্রি তাপমাত্রা উৎপন্ন করেছিল। তবে ২০ সেকেন্ডের জন্য।

ধন্যবাদ বন্ধুরা

Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo