পোস্টগুলি

মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মঙ্গলে ‘রঙ গড়িয়ে পড়া’ চিহ্ন আবিষ্কার করল নাসা – কী হতে পারে এর মানে?

ছবি
মঙ্গলে নাসার আবিষ্কার: 'রঙ গড়িয়ে পড়া' চিহ্নের রহস্য উন্মোচন ছবি নাসার। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশ নিয়ে আমাদের কৌতূহলের শেষ নেই। সেই কৌতূহলকে আরও উসকে দিল নাসার সাম্প্রতিক এক আবিষ্কার। নাসার মঙ্গলগামী উপগ্রহের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এমন কিছু চিহ্ন, যেগুলো দেখে মনে হচ্ছে যেন দেয়ালের উপর দিয়ে রঙ গড়িয়ে পড়ছে। এই অদ্ভুত এবং রহস্যময় চিহ্নগুলি মঙ্গলের এক বিশেষ অংশে দেখা গেছে, যা বিজ্ঞানীদের মাঝে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এগুলো কি কেবল প্রাকৃতিক কোনো ঘটনা, নাকি লুকিয়ে আছে আরও গভীর কিছু বার্তা? চলুন, বিশ্লেষণ করে দেখি কী হতে পারে এই ‘রঙ গড়িয়ে পড়া’ রেখার পেছনের সত্য। নাসার পর্যবেক্ষণ কী বলছে? নাসার 'Mars Reconnaissance Orbiter' (MRO) নামের উপগ্রহটি মঙ্গলের উপরিভাগে নিয়মিত ছবি তোলে এবং তথ্য সংগ্রহ করে। সম্প্রতি এই উপগ্রহ থেকে পাঠানো ছবিতে দেখা গেছে কিছু সরু, গা dark ় রেখা—যা দেখতে ঠিক যেন কোনো দেয়ালে কালো রঙ গড়িয়ে পড়েছে। বিজ্ঞানীরা এই রেখাগুলিকে বলেন "Recurring Slope Lineae" (RSL)। এই চিহ্নগুলোর উৎস কী হতে পারে? এই ধরনের রেখা আগে বিভিন্ন সময় মঙ্গলের ঢালে দেখা গেছে,...

মহাকাশে দূরত্ব মাপার উপায় কী?

ছবি
মহাকাশে দূরত্ব মাপার জন্য বিভিন্ন উপায় এবং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এগুলো নির্ভর করে মাপার প্রয়োজনীয়তা এবং দূরত্বের উপর। নিচে কিছু প্রধান পদ্ধতির বিবরণ দেওয়া হল: ১।প্যারালাক্স পদ্ধতি (Parallax Method)    *ব্যবহার: নিকটবর্তী তারাদের দূরত্ব মাপার জন্য।    *পদ্ধতি :  পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় তারাদের অবস্থানের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে                                    ত্রিকোণমিতির সাহায্যে দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।    **সীমাবদ্ধতা: এই পদ্ধতি শুধুমাত্র কাছাকাছি তারাদের জন্য কার্যকর (প্রায় কয়েক হাজার আলোকবর্ষ                          পর্যন্ত)।  ২।সেফেইড ভেরিয়েবল তারকা (Cepheid Variable Stars)     **ব্যবহার: দূরবর্তী গ্যালাক্সির দূরত্ব মাপার জন্য।     **পদ্ধতি : সেফেইড ভেরিয়েবল তারকাগুলোর উজ্জ্বলতা পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়।এই উজ্জ্বলতার          ...

আমাদের ছায়াপথের নাম কি, ও কোথায় বাস করি আমরা

ছবি
আমাদের ছায়াপথের ছবি।  ছায়াপথ ছায়াপথ ইংরেজি নাম galaxy। তারা নাক্ষত্রিক অবশেষ আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস, ধূলিকণা ও তমোপদার্থ নিয়ে গঠিত মহাকর্ষীয় টানে আবদ্ধ একটি জগৎ।গ্যালাক্সি শব্দটির উৎস গ্রিক গালাক্সিআস্ (γαλαξίας) শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ, দুধালো বা এটি আকাশগঙ্গা অর্থে ব্যবহৃত হত। আকারগত দিক থেকে ছায়াপথগুলি বামনাকৃতি কয়েক কোটি বা ১০৮ নক্ষত্র নিয়ে গঠিত থেকে দানবাকৃতি ।একশো লাখ কোটি বা ১০১৪ নক্ষত্র নিয়ে গঠিত পর্যন্ত হতে পারে।প্রতিটি ছায়াপথই তার ভরকেন্দ্রটির চারিদিকে আবর্তনশীল। আমাদের ছায়াপথ আমাদের ছায়াপথ বা গ্যালাক্সির নাম হলো মিল্কিওয়ে। বাংলাতে এর  নাম হলো আকাশগঙ্গা নামটি শুনে মনে হতে পারে এটি একটি পথের মতো। আসলে আকাশগঙ্গা একটি ছায়াপথ। আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্র সূর্য এই ছায়াপথের অংশ। বা আকাশগঙ্গা পৃথিবীর নিজস্ব ছায়াপথ এর দূরত্ব ০.২৭ লাখ আলোকবর্ষ।অর্থাৎ আমরা থাকি এই ছায়াপথে। সূর্য এবং তার সৌরজগতের অবস্থান এই ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৭০০০ আলোকবর্ষ দূরে। আরও পড়ু ন: পৃথিবীর জমজ গ্রহ কোনটি, কাকে বলে ও কেন? আকাশগঙ্গা ছায়াপথ আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কালপুরুষ বাহুতে। এটি এ...

বৃহস্পতি গ্রহের আয়তন কত?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বৃহস্পতি গ্রহ (ইংরেজি নাম Jupiter (জূপিটার্‌, আ-ধ্ব-বˈdʒu:.pɪ.tə(ɹ))।সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পঞ্চম এবং আকার আয়তনের দিক দিয়ে সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। বৃহস্পতি ব্যতীত সৌর জগতের বাকি সবগুলো গ্রহের ভরকে একত্র করলে বৃহস্পতির ভর তা থেকে আড়াই গুণ বেশি হবে। বৃহস্পতিসহ আরও তিনটি গ্রহ অর্থাৎ শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুনকে একসাথে গ্যাস দানব বলা হয়। এই চারটির অপর জনপ্রিয় নাম হচ্ছে জোভিয়ান গ্রহ। জোভিয়ান শব্দটি জুপিটার শব্দের বিশেষণ রুপ। জুপিটারের গ্রিক প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় জিউস। এই জিউস থেকেই জেনো- মূলটি উৎপত্তি লাভ করেছে।  এই মূল দ্বারা বেশ কিছু জুপিটার তথা বৃহস্পতি গ্রহ সংশ্লিষ্ট শব্দের সৃষ্টি হয়েছে। যেমন: জেনোগ্রাফিক। পৃথিবী থেকে দেখলে বৃহস্পতির আপাত মান পাওয়া যায় ২.৮। এটি পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান তৃতীয় উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। কেবল চাঁদ এবং শুক্র গ্রহের উজ্জ্বলতা এর থেকে বেশি। অবশ্য কক্ষপথের কিছু বিন্দুতে মঙ্গল গ্রহের উজ্জ্বলতা বৃহস্পতির চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। সুপ্রাচীনকাল থেকেই গ্রহটি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও জ্যোতিষীদের কাছে পরিচিত ছিল। বিভিন্ন সংস্কৃত...

বৃহস্পতির চারপাশে আরও ১২টি চাঁদের খোঁজ! শনিকে সরিয়ে এখন গ্রহরাজ বৃহস্পতি

ছবি
বৃহস্পতির এখন  ৯২টি উপগ্রহ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতির কক্ষপথে ঘুরছে আরও ১২টি গ্রহ। সম্প্রতি সেগুলির সন্ধান পেয়েছেন আমেরিকার জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই নয়া তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর শনির মুকুট কেড়ে নিয়েছে বৃহস্পতি।  আরও ১২টি চাঁদের খোঁজ বৃহস্পতির জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দাবি করছেন যে, বৃহস্পতিকে কেন্দ্র করে এর কক্ষপথে ওই ১২টি উপগ্রহ সমেত মোট ৯২টি উপগ্রহ রয়েছে। অন্য দিকে শনির কক্ষপথে ঘুরছে ৮৩টি উপগ্রহ। ফলে এত দিন উপগ্রহের সংখ্যার নিরিখে শনিই শীর্ষে ছিল। তবে এখন সৌরজগতে সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে বৃহস্পতির।ওয়াশিংটনের কার্নেগি ইনস্টিটিউশন ফর সায়েন্স এর জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্কট শেপার্ডের নেতৃত্বে পর্যবেক্ষণ দল বৃহস্পতির কক্ষপথে ওই ১২টি উপগ্রহ খুঁজে পেয়েছেন।  আরও পড়ুন:  উল্টো দিকে ঘুরবে এবার পৃথিবী? কী প্রভাব পড়বে জীবজগতে, জানালেন বিজ্ঞানীরা আমেরিকার মাইনর প্ল্যানেট সেন্টার সম্প্রতি এই সম্পর্কে সবিস্তার তথ্যসম্বলিত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী বৃহস্পতির ওই উপগ্রহগুলি আকারে ক্ষুদ্র।আমেরিকার মাসিক পত্রিকা স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ জানিয়...

মহাকাশ ইতিহাসে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ শক্তিশালী বিস্ফোরণ, আলো পৌঁছতে ১.৯ বিলিয়ন বছর লাগল

ছবি
সর্বকালের সবশ্রেষ্ঠ শক্তিশালী বিস্ফোরণ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে এখনও পর্যন্ত সবথেকে উজ্জ্বল বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে গেল গত ৯ অক্টোবর। এই বিস্ফোরণটি টেলিস্কোপ দ্বারা রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণগুলির মধ্যে একটি বলে মনে করা হচ্ছে। নাসার তরফে বলা হচ্ছে যে, এটি গামা রশ্মি বিস্ফোরণ বা জিআরবি মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ।  মহাকাশ শক্তিশালী বিস্ফোরণ বিজ্ঞানীদের মতে, এটি GRB 221009A। বিশ্বের বেশ কয়েকটি টেলিস্কোপ এই বিস্ফোরণের পরের ঘটনা চাক্ষুষ করেছে।অসাধারণ দীর্ঘ GRB 221009A এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে উজ্জ্বল গামা রশ্মি। বলেছেন ব্রেন্ডন ও কনর ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড এবং ওয়াশিংটন ডিসির জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরাল ছাত্র। এই বিস্ফোরণ এখনও পর্যন্ত সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। তিনি যোগ করলেন যে, যেহেতু এই বিস্ফোরণগুলি খুব উজ্জ্বল এবং কাছাকাছি হয়েছে। আমরা মনে করি এদের সম্পর্কে ব্ল্যাক হোল গঠন থেকে ডার্ক ম্যাটার মডেলগুলি পরীক্ষা করা পর্যন্ত এই বিস্ফোরণগুলি সম্পর্কে কিছু মৌলিক প্রশ্ন উন্মোচন করার বিষয়ে শতাব্দীর সেরা সুযোগ।বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন...

এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ করল জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা! ১৮০০ রেডিও সিগন্যাল পেল র্বিজ্ঞানীরা

ছবি
এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশ থেকে রেডিও সিগন্যাল পাচ্ছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এক আধবার নয় ১৮৬৩টি সিগন্যাল পেয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। তবে কি এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে ফেললেন বিজ্ঞানীরা! অনেক বছর ধরে তারা গবেষণা করে আসছে। ভিনগ্রহীদের নিয়ে যে আগ্রহ তাঁদেরকে পৃথিবীতে আনতে গবেষণার মধ্যেই চাঞ্চল্যকর তথ্য এবার বিজ্ঞানীদের হাতে। রেডিও সিগন্যাল  ভিনগ্রহ  থেকে কিভাবে  আসছে এলিয়েনদের নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই পৃথিবীবাসীর। ভিনগ্রহীদের খোঁজে পৃথিবীর মহাকাশ বিজ্ঞানীরা কি না করেছেন। সমস্তরকম প্রচেষ্টা তাঁরা করে যাচ্ছেন এখনও। তার মধ্যেই খবর এলিয়েন দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা গিয়েছে।মহাকাশের এক কোণ থেকে  পৃথিবীতে বসে  এমন কিছু রেডিও সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছে যা থেকে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এ সংকেত  এলিয়েনদের । এলিয়েনদের নতুন ধরনের রেডিও সংকেতে  একেবারে নতুন ধরনের রেডিও সংকেত পেয়ে ভিনগ্রহীদের নিয়ে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। এই সংকেতগুলি রেকর্ড করা হয়েছে। এই সংকেতগুলি ফাস্ট রেডিও বার্স্ট থেকে আলাদা। যেখান থেকে এই সংকেত আসছে সেখানে রেডি...

মঙ্গলে সবুজ বালির চিহ্ন, সন্ধান দিল নাসার রোভার

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মঙ্গল এতদিন শুধু লাল গ্রহ বলে পরিচিত হয়ে এসেছে। কিন্তু শুধু লাল নয়, এবার সবুজেরও সন্ধান মিলল লাল গ্রহে। মঙ্গলে পাঠানো নাসার রোভার ক্রাফটে সবুজ বালির চিহ্ন পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।   মঙ্গল আর শুধু লাল গ্রহ নয় নাসার এই পারসিভারেন্স রোভারে নতুন আবিষ্কারটি তোলপাড় ফেলে দিয়েছে। এই আবিষ্কার দেখিয়েছে মঙ্গলে সবুজের অস্তিত্বও রয়েছে।লাল গ্রহ মঙ্গলে সবুজ বালি আবিষ্কার! নাসার রোভারের পাঠানো ডেটা বিশ্লেষণ করে পারডিউ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানতে পেরেছেন।যে মঙ্গল পৃষ্ঠে বেশ কিছু সবুজ এলাকা রয়েছে। আবিষ্কার হয়েছে অলিভিনের দানা সেগুলিই লাল গ্রহ মঙ্গলে সবুজ বালি আকারে দেখা গিয়েছে।  মঙ্গল গ্রহের অভ্যন্তরে যখন নাসার পারসিভারেন্স রোভারের জেজেরো ক্রেটার পৌঁছেছিল, তখন বিজ্ঞানীরা মনে করেছিলেন সেখানে বেশ কিছু লাল খনিজ খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু তার বদলে কিছু অপ্রত্যাশিত আবিষ্কার হল।নয়া তথ্য বিজ্ঞানীরা মনে করছেন যে, এটা সত্য যে মঙ্গল গ্রহে তরল জল, বায়ু, এমনকী চৌম্বক ক্ষেত্র ছিল পৃথিবীর মতোই। তার ফলে রোভার মঙ্গলের গর্তে হানা দেওয়ার পর বেশ কয়েকটি আগ্নেয়...

মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ কোথায়

ছবি
মহাবিশ্বের ছবি মহাবিশ্বের গঠন ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  স্থান ও সময় এবং এদের অন্তর্ভুক্ত সকল বিষয় নিয়েই মহাবিশ্ব।পৃথিবী এবং অন্যান্য সমস্ত গ্রহ , সূর্য ও অন্যান্য তারা ও নক্ষত্র , জ্যোতির্বলয়স্থ স্থান ও এদের অন্তর্বর্তীস্থ গুপ্ত পদার্থ , ল্যামডা-সিডিএম নকশা , তমোশক্তি ও মহাশূণ্য (মহাকাশ)  যেগুলো এখনও তাত্ত্বিকভাবে অভিজ্ঞাত কিন্তু সরাসরি পর্যবেক্ষিত নয়, এমন সব পদার্থ ও শক্তি মিলে যে জগৎ তাকেই বলা হচ্ছে মহাবিশ্ব বা বিশ্ব-ভ্রম্মান্ড।  আমাদের পর্যবেক্ষণ-লব্ধ মহাবিশ্বের ব্যাস প্রায় ৯৩ বিলিয়ন parsec (৩০০ বিলিয়ন light-year)। পুরো বিশ্বের আকার অজানা হলেও এর উপাদান ও সৃষ্টিধারা নিয়ে বেশ কয়েকটি hypotheses বিদ্যমান ।মহাবিশ্বের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিষয়কে বলে বিশ্বতত্ত্ব। দৃশ্যমান মহাবিশ্বের সুদূরতম প্রান্তের পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন তাত্ত্বিক গবেষণায় মনে হয় মহাবিশ্বের প্রতিটি প্রক্রিয়াই তার সৃষ্টি থেকেই একই ধরনের প্রাকৃতিক নিয়ম ও কয়েকটি নির্দিষ্ট ধ্রুবক দ্বারা নির্ধারিত হয়। বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্ব অনুসারে এর আয়তন ক্রমবর্ধমান। সম্প্রতি আধুনিক পদার...

মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত প্রসারিত হচ্ছে

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, মহাবিস্ফোরণের (বিগ ব্যাং) মাধ্যমে সৃষ্টির পর থেকেই প্রতিনিয়ত প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব। নানা গবেষণায় সম্প্রসারণের গতিবেগ সম্পর্কেও ধারণা দেন তারা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে তা । মহাবিশ্ব ও সৌরজগৎ ছবি।   মহাবিশ্ব কি সকল গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু, নক্ষত্র, গ্যালাক্সি, ধূমকেতু, ব্ল্যাক হোল সহ সমস্ত মহাজাগতিক বস্তুকে একত্রে মহাবিশ্ব বলে। এমনকি সমস্ত মহাজাগতিক বস্তু যে অসীম শূন্যস্থানে বিরাজ করছে তা ও মহাবিশ্বের অংশ। তবে শুধু তাই নয় অসীম সংখ্যক মহাজাগতিক বস্তু বা মহাশূন্য সময়ও মহাবিশ্বের একটি অপরিহার্য অংশ। মহাবিশ্বের প্রসারণ প্রসারণ হচ্ছে মানে বৃদ্ধি লাভ করছে বা বেড়ে যাচ্ছে। মহাবিশ্ব প্রসারণ বলতে মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণাসহ মহাবিশ্বের সীমানা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সহজ কথায় মহাবিশ্ব ছড়িয়ে পড়ছে। আমাদের সৌরজগতের মতো আরও মহাবিশ্বে এমন অনেক কোটি কোটি গ্রহ উপগ্রহের কেন্দ্র রয়েছে যা নিয়ে গঠিত হয় গ্যালাক্সি। বিজ্ঞানীদের অনুমানের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব।নাস...

নতুন সুপার পৃথিবী খুঁজে পেলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা, জানুন তার সব তথ্য

ছবি
একটি লাল বামন নক্ষত্র  চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে ছবি। নতুন সুপার পৃথিবী কিভাবে খুঁজে পেলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা  ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সম্প্রতি এক নতুন একটি সুপার আর্থ আবিষ্কার করেছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ।এই exoplanet আয়তনে আমাদের পৃথিবীর থেকে প্রায় চারগুণ বড়। জানা গিয়েছে যে, এই exoplanet এর নাম Ross 508 b ।একটি লাল বামন নক্ষত্র অর্থাৎ red dwarf star এর সূর্যের চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে এই exoplanet ।এই red dwarf star এর নাম রাখা হয়েছে Ross 508 b ।এই নক্ষত্রটি আমাদের পৃথিবী থেকে ৩৬.৫ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থান করছে । তবে এটাকে খালি চোখে দেখা প্রায় অসম্ভব ।কারন এটি এতই ম্লান যে খালি চোখে নজরে আসে না ।জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, এই  Super earth তার host star এর habitable zone বা বসবাসযোগ্য এলাকায় রয়েছে। জাপানের অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি একটি জার্নালে এই আবিষ্কার সংকান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে সংগৃহীত হয়েছে ।জানা গিয়েছে যে, এই Ross 508 b গ্রহটি তার host star- কে যে দূরত্ব থেকে প্রদক্ষিণ করে তা ওই গ্রহের পৃষ্ঠদে...

আমাদের গ্যালাক্সিতে রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোলের প্রথম ছবি তুললেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা

ছবি
রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোলের প্রথম ছবি তুললেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাকাশের আকাশগঙ্গা ছায়াপথের বা মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সি ঠিক মাঝখানে থাকা সেই দানবাকৃতি রাক্ষসের সন্ধান মিলেছিল বেশ কয়েক বছর আগেই। প্রথম বার সেই স্যাজিটেরিয়াস এ-র ছবি তুলতে সক্ষম হলেন ইন্টারন্যাশনাল কনসর্টিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। আমেরিকায় মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান এজেন্সি ন্যাশানাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন (এনএসএফ)-এর সহায়তায় আটটি রেডিয়ো টেলিস্কোপের সম্মিলিত ছবিকে একত্র করে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম ছবি রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোলের স্যাজিটেরিয়াস এ আদতে একটি দানবাকৃতি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর। ২০১৯ সালের মে মাসে কয়েক দিন ধরে অদ্ভুত একটা আলোর ঝলসানি দেখে তার সক্রিয়তাকে চিহ্নিত করেছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। যা দেখে মনে করা হয়েছিল যে, পৃথিবী থেকে ২৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত সূর্যের চেয়ে ৪০ লক্ষ গুণ বেশি ভরের ওই ব্ল্যাক হোলটি আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গিলতে শুরু করেছে আশপাশের মহাজাগতিক বস্তুগুলিকে।  আরও পড়ুন:  মহাবিশ্বের বৃহত্তম গ্যালাক্সির সন্ধান, সূর্যের চেয়ে প্রায় ...

জোতির্বিদ্যা কি?

ছবি
জোতির্বিদ্যা প্রতিক ছবি ১। জোতির্বিদ্যা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তুগুলিকে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা এবং সেই সব তথ্য পদার্থবিজ্ঞানের মূল সূত্র অনুযায়ী ব্যাখ্যা করা পর্যবেক্ষণমূলক জ্যোতির্বিজ্ঞানের কাজ। পর্যবেক্ষণ জ্যোতির্বিদ্যা মহাকাশগত বিষয় এবং অন্যান্য বস্তু সম্পর্কে আমাদের তথ্যের প্রধান উৎস হল দৃশ্যমান আলো আরও সাধারণভাবে বলা যায় ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ। ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বর্ণালীর পরিমার্জিত অঞ্চলের পরিপ্রেক্ষিতে অবলোকন জ্যোতির্বিজ্ঞানকে ভাগ করা যেতে পারে। মহাকর্ষের কিছু অংশ পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে দেখা যেতে পারে এবং অন্য অংশগুলি উচ্চতর উচ্চতা বা পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণযোগ্য। এই উপ-ক্ষেত্রগুলির উপর নির্দিষ্ট তথ্য নিচে দেওয়া হল। রেডিও জ্যোতির্বিদ্যা রেডিও জ্যোতির্বিজ্ঞান দৃশ্যমান পরিসীমার বাইরে বিকিরণ ব্যবহার করে যা প্রায় এক মিলিমিটারের চেয়ে বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্য। রেডিও জ্যোতির্বিদ্যা বেশিরভাগ পর্যবেক্ষণ জ্যোতির্বিজ্ঞান থেকে আলাদা। যেটি পর্যবেক্ষণকৃত রেডিও তরঙ্গকে আলাদা ফোটনসের পরিবর্তে তরঙ্গ হিসেবে গণ্য করা যায়। অতএব রেডিও তরঙ্গের দিক এবং প্রশস্ততা পরিমাপ ...

পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের ব্ল্যাক হোল আসলে ব্ল্যাক হোল নয়!

ছবি
হ্যালো বন্ধুরা, পৃথিবীর একদম কাছে থাকা ব্ল্যাক হোলের  নাকি আদপে কোনও অস্তিত্বই নেই। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। চিলির ইউরোপীয়ান সাউদার্ন অবজারভেটরি বা ইএসও দাবি করেছিল যে, তারা পৃথিবীর একদম কাছে মাত্র ১০০০ আলোকবর্ষ  দূরে একটি কৃষ্ণ গহ্বরের সন্ধান পেয়েছিলেন। এইচআর ৬৮১৯ সিস্টেমে  ছিল সেই ব্ল্যাক হোলের অবস্থান। এই আবিষ্কার নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। কারণ পৃথিবী থেকে এক হাজার আলোকবর্ষ দূরত্বের মধ্যে ব্ল্যাক হোল থাকা বেশ অবিশ্বাস্য ব্যাপার। আর এই আবিষ্কারের কথা প্রকাশ্যে আসার পরেই সংশয় প্রকাশ করেছিলেন অনেক বিজ্ঞানী।  বর্তমানে দেখা গিয়েছে তাঁদের ধারণাই ঠিক। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক দল সম্প্রতি গবেষণা করে প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, পৃথিবীর কাছে থাকা যে মহাজাগতিক বিষয়বস্তুকে ব্ল্যাক হোল বলা হচ্ছিল তা আসলে কৃষ্ণ গহ্বর নয়। ওই বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, এইচআর ৬৮১৯ সিস্টেমে কোনও ব্ল্যাক হোল নেই। জানা গিয়েছে যে, প্রাথমিক ভাবে পৃথিবীর কাছে ব্ল্যাক হোল থাকার ওই গবেষণা করেছিলেন ইএসও এর জ্যোতির্বিজ্ঞানী থমাস রিভিনিয়াস । আর নতুন গবেষণার পুরোধা...

এই প্রথম! সৌরজগতে অদ্ভুতদর্শন গ্রহের হদিশ পেয়ে বিস্মিত বিজ্ঞান মহল

ছবি
WASP-103বি আবিষ্কৃত এই গ্রহটির নাম দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা ছবি। হ্যালো বন্ধুরা গ্রহ বলতে আমাদের ধারণা অনুযায়ী সাধারণত গোল আকৃতির কিংবা উপবৃত্তাকার ।যেমনটা আমাদের এই পৃথিবী । কিন্তু এইবার মহাকাশের গায়ে টেলিস্কোপ এর চোখ দিয়ে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেলেন এক অদ্ভুত দেখতে একটি গ্রহ ।যা দেখে বিস্মিত হয়েছেন তারাও বলা হচ্ছে, এই প্রথম সৌরজগতের এমন কোন গ্রহের সন্ধান মিলল । যা কিনা অনেকটাই হেব্রে খেবরোও আকারে ।বা Deformed Planet । শুধু তাই নয় এর গঠনের বৈশিষ্ট্য এবং জন্মের কাহিনী ও অন্যদের তুলনায় ভিন্ন ।Astronomer  মধ্যে এই গ্রহ সম্পর্কে তথ্য অনেক নতুন ধারণার জন্ম দিতে চলেছে । WASP-103বি আবিষ্কৃত এই গ্রহটির নাম দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা ।কারণ যে নক্ষত্র খুব কাছ দিয়ে এই গ্রহটি পাক খাচ্ছে তার নাম WASP-103বি ।তাই সত্নান সুবিধার জন্য এই নামকরণ ।সাধারণত মহাকাশে এই ভাবেই সামঞ্জস্য রেখেই নামকরণ করা হয়ে থাকে । WASP-103 সূর্যের থেকে ১.৭ গুন বড় ।এবং তাপমাত্রা আমাদের সূর্যের থেকে অন্তত ২০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস বেশি হবে । আর এর খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে এই নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটি ।...

সূর্যের চেয়েও ১০ গুণ ভারী নক্ষত্রে বিস্ফোরণ! ছবি দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

ছবি
সূর্যের চেয়েও ১০ গুণ ভারী নক্ষত্র ছবি । হ্যালো বন্ধুরা  এ এক মহাজাগতিক বিস্ময়! এই প্রথমবার বিজ্ঞানীরা চাক্ষুষ করলেন মহাকাশে ঘটে চলা সেই ঘটনা যা যুগের পর যুগ ধরে ঘটে চলেছে তার আপন নিয়মে। আর তার ছবি দেখেই বিস্মিয়ের শেষ নেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। সূর্যের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বড় একটি নক্ষত্র ক্রমশ সংকোচন-প্রসারণের টানাটানির লড়াইয়ে নিজেই নিজেকে ধ্বংস করে এগিয়ে গেল পরবর্তী পর্যায় সুপারনোভার দিকে। বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ধৈর্য ধরে যৌথ পর্যবেক্ষণের পর এই ছবি চাক্ষুষ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এবার নক্ষত্রটির নতুন দশা অর্থাৎ সুপারনোভার  গঠনের পদ্ধতিটিও তাঁরা পর্যবেক্ষণের মধ্যে রেখেছেন বলে খবর। বিজ্ঞান বলে মহাকাশে ভারী নক্ষত্রগুলির এটাই ভবিতব্য। নিজেদের ভারে আর নিজেরাই অবস্থানে থাকতে পারে না। তখন প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এগিয়ে নতুন পর্যায়েরল দিকে। তখন তারা ক্রমশ সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে পরিণত হয় সুপারনোভায়। যুগ যুগ ধরে মহাশূন্যে তারাদের এভাবেই মৃত্যু এবং পুনর্জন্ম হচ্ছে। বিজ্ঞানের পড়ুয়ামাত্রই এই তত্ত্ব জানা। কিন্তু স্বচক্ষে এই ভাড়াগড়ার খেলা দেখার তো কোনও প্রশ্নই ওঠে না। তবে...