Responsive Ad Slot

যেন ভিনগ্রহীদের যান? চাকায় চলা রোভার নয়, এ বার উড়ন্ত চাকি যাবে চাঁদে ও গ্রহাণুতে

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২২

যেন ভিনগ্রহীদের যান? চাকায় চলা রোভার নয়, উড়ন্ত চাকি এ যাবে চাঁদে ও গ্রহাণুতে
চাকায় চলা রোভার নয়, উড়ন্ত চাকি এ যাবে চাঁদে ও গ্রহাণুতে ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা চাঁদেও এ বার নাকি উড়ন্ত চাকি? ভিনগ্রহীদের যানের যে সব ছবি আমাদের চোখে ভাসে অনেকটা তেমনই দেখতে । চাকায় চলা রোভারের পরিবর্তে আগামী দিনে উড়ন্ত চাকি (ফ্লাইং সসার) পাঠানো হতে পারে চাঁদে্‌ গ্রহাণুতে। যে সব মুলুকে কোনও বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব নেই। সেই উড়ন্ত চাকির মতো দেখতে রোভার চলবে সৌরশক্তিতে।

অভিনব এই রোভার বানিয়েছে আমেরিকার ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)। সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মহাকাশবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা পত্রিকা জার্নাল অব স্পেসক্র্যাফ্ট অ্যান্ড রকেট্‌স এ।বিজ্ঞানীদের বক্তব্য মূলত দু’টি কারণে চাঁদে ও গ্রহাণুতে আগামীতে এই ধরনের রোভার পাঠানোর কথা ভাবচ্ছে বিজ্ঞানীরা ।

প্রথমত আকাশে বিমান থেকে যেমন নীচের অনেক বেশি এলাকা দেখা সম্ভব হয় । তেমনই এই ধরনের রোভার থেকে চাঁদ ও গ্রহাণুর অনেক বেশি এলাকা একই সঙ্গে দেখা যাবে। দ্বিতীয়ত চাঁদ ও গ্রহাণুর পিঠ (সারফেস) এতই এবড়োখেবড়ো যে, সেখানে রোভার বেশি দূর চালানো সম্ভব হয় না। তা ছাড়াও সেখানে রয়েছে ছোটখাটো বহু পাহাড়। সেই দুর্গম এলাকায় রোভার চালানো খুব মুশকিল। ফ্লাইং সসার রোভারের ক্ষেত্রে সেই অসুবিধা নেই।

গবেষকরা জানিয়েছেন চাঁদে বা গ্রহাণুতে কোনও বায়ুমণ্ডল নেই বলে অনেক বেশি পরিমাণে সৌরশক্তি পাবে এই ধরনের উড়ন্ত চাকি রোভার। বায়ুমণ্ডল নেই বলে সূর্য থেকে ছুটে আসা সৌরকণারা (মূলত ইলেকট্রন) যে আধান বহন করে আনব্‌। তা-ই এই রোভার চালানোর প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎশক্তি তৈরি করবে। ফলে রোভার চালানোর জন্য তার ভিতরে কোনও ব্যাটারি পুরে তাকে পৃথিবী থেকে পাঠাতে হবে না।

আরও পড়ুন : SpaceX: বিশ্বের শক্তিশালী মহাকাশযান স্টারশিপ

আরও পড়ুন জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কিভাবে কাজ করবে?

এর ফলে রোভারটিকে মহাকাশে পাঠানোর কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে। কমবে জ্বালানি ও আনুষঙ্গিক খরচও।একই কারণে রোভার বানানো হয়েছে খুব হাল্কা পদার্থ মাইলার দিয়ে। যা মূলত পলিইথিলিন টেরেপথ্যালেট। এতেও মহাকাশযানে চাপিয়ে এই রোভারকে চাঁদে বা কোনও গ্রহাণুতে পৌঁছে দেওয়ার কাজটা সহজতর হয়ে যাবে। এমনটাই দাবি বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের।

ধন্যবাদ বন্ধুরা 

SpaceX: বিশ্বের শক্তিশালী মহাকাশযান স্টারশিপ

কোন মন্তব্য নেই

রবিবার, ২ জানুয়ারী, ২০২২

SpaceX: বিশ্বের শক্তিশালী মহাকাশযান স্টারশিপ
বিশ্বের শক্তিশালী মহাকাশযান স্টারশিপ ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসবাস নিয়ে জল্পনা কল্পনার কোনো শেষ নেই ।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ ছেড়ে কেন এই লাল গ্রহে মানুষের এত আগ্রহ । এর অন্যতম কারণ হলো পৃথিবীর সাথে মঙ্গল গ্রহের অনেক মিল রয়েছে । যেমন সেখানে রয়েছে পাহাড়-পর্বত এমনকি আছে বায়ুমণ্ডলও । শুধু তাই নয় প্রাণ বাঁচানোর একমাত্র উপায় পানীয় পাওয়া যাবে ওই গ্রহে ।এতকিছু থাকার পরে কে না চাইবে লাল গ্রহে গিয়ে একটু ঠুয় মেরে আসতে ।

মানুষের সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়ার ঘোষণা দিলেন স্পেসএক্স ও টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক । আগামী এক দশকের মধ্যে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছেন এই শীর্ষ ধনী । সম্প্রতি প্রকাশিত লেক্স ফেথম্যনের পথকাষ্টে তিনি  মন্তব্য করেছেন । সবকিছু ঠিক থাকলে পাঁচ বছরের মধ্যে আর যদি তা না হয় তাহলে দশ বছর লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ইলন মাস্ক ।

স্পেসএক্স এর চারশিপ নামে যে মহাকাশযান নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ইলন মাস্ক ।সেটি এ পর্যন্ত নির্মিত সবচেয়ে জটিল ও অত্যাধুনিক রকেট । প্রতিষ্ঠানটির দাবি এটি পৃথিবীর কক্ষপথে ১০০ মেট্রিক টন বহন করে নিয়ে যেতে পারবেন । পাশাপাশি এই মহাকাশযান পৃথিবীর কক্ষপথ চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে কুরু ও কারগো বহন করতে পারবে । বর্তমানে রকেটের খরচ বহন করাকেই প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা ।

 শুধু স্পেসএক্স অদূর ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছার চেষ্টা করছে না যুক্তরাষ্ট্র সরকারেরও নজোর রয়েছে লালগ্রহের ।গেলে বছর ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গল গ্রহে ওভার মিশন পাঠিয়ে ছিল নাসা ।এবছর নাসা আর একটি মিশন পরিচালনা করবে বলে জানা গেছে । ২০৩০ সালের মধ্যে মঙ্গলপৃষ্ঠে মানব অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন ।

তবে মঙ্গল গ্রহে বসবাস এক্ষেত্রে অনেক বাধা রয়েছে সেখানে তাপমাত্রা রেস রেকর্ড করা হয়েছে - ৫৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে -১৫৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত । যা যেকোনো মানুষের জন্য সহ্য করা একেবারেই অসম্ভব । তবে ভবিষ্যতে হয়তো বিশেষ উপায়ে এই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে । এমনটাই আশা করছেন বিজ্ঞানীরা ।

ধন্যবাদ বন্ধুরা 

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কিভাবে কাজ করবে?

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২২

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কিভাবে কাজ করবে
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ 


অ্যাস্ট্রোনমি জগতে একটা এক্সাইটিং জিনিস হতে চলেছেন জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ লঞ্চের জন্য রেডি হয়ে গেছে । এটার ১০ বিলিয়ন ডলারের হাইটেক ইন্সট্রুমেন্ট । যেটা মহাকাশে নতুন নতুন জগতকে খুজবে এবং আমাদের গ্যালাক্সিতে জীবনের অস্তিত্ব আছে কিনা সেটাও জানার চেষ্টা করবে । ভবিষ্যতে হয়তো আমরা আমাদের সবথেকে বড় প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেলেও পেতে পারি এই ব্রম্ভান্ডের । আমরা কি একা? এই ইন্সট্রুমেন্ট কিভাবে আমাদের চিন্তা ভাবনাকে পাল্টে দিতে পারে যেভাবে আমরা আমাদের ইউনিভার্স কে দেখি । এমনকি এটা আমাদের সেই সব জিনিস দেখাতে পারে যেটা আগে কখনও আমরা দেখিনি ।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের নামকরণ

নাসার দ্বিতীয় অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের নাম অনুযায়ী এর নামকরণ করা হয়েছে। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ যাকে ওয়েব অথবা J.W. S.T বলা হয় । এটা ইতিহাসের সব থেকে বড় স্পেস টেলিস্কোপ । এমনকি এটাকে ইনফারেট ওয়েব লেনকে ট্র্যাক করার জন্য অপটিমাইজ করা হয়েছে ।হাবাল স্পেস টেলিস্কোপ যেটা করতে পারেন না সেটা জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ করতে পারবে । হাবাল স্পেস টেলিস্কোপ অ্যাস্ট্রোনমি জগতে একটা রেভিলশন এনে দিয়েছিল ।এবং আমাদের সামনে অনেক নতুন প্রশ্ন তুলে ধরেছে যার উত্তর গুলোকে খোঁজার জন্য জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ বানানো হয়েছে ।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ও হাবাল টেলিস্কোপ

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ হাবাল টেলিস্কোপের থেকে প্রায় ১০০ গুণ শক্তিশালী ।তার সাথে এটা অনেক বড় ওয়েব লেনকে কভার করতে পারবে এবং এর সেন্সিটিভি অনেক অনেক বেশি। এ কারণে অনেকে বিজ্ঞানী এটাকে টাইম মেশিনো বলছে । কারণ লং ওয়েব লে্ন কভারেস কাজের জন্য মহাকাশে অতীত পর্যন্ত দেখতে পারবে । যে সমস্ত গ্যালাক্সিগুলো ও নক্ষত্রগুলো অনেক অনেক বছর আগে তৈরি হয়েছিল । আর যাদের আলো এখনো আমাদের পৃথিবীতে আসছে । হয়তো সেগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে কিন্তু জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ সে গুলোকে দেখতে পারবে । এর সবথেকে ইনপন্টেন কমপেন্টন গুলোর মধ্যে একটা হল এর মেএরা । যা ডায়মিটার হাবালের মেএরা ডায়মিটার থেকে প্রায় ২.৭ গুন বড় । আর যদি  এরিয়া দিক থেকে দেখতে হয় তবে প্রায় ৬ গুন বড় ।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ কি দিয়ে তৈরি

একে তৈরি করা হয়েছে ব্যরেলিয়াম দিয়ে । যার এসটেন টু রেটরেসিও অনেক বেশি এছাড়াও ব্যরেলিয়াম উপরে সোনার পলেট দেওয়া আছে ।যাতে ইনফারেট ইনপিটিমের জন্য এই মিনারটি কে অপটিমাইজ করা যায় । সম্পূর্ণরূপে মিনারটি উপরে সোনার কোটিং করতে ৪৮.২ গ্রাম সোনা লেগেছে । অর্থাৎ  সোনার কোডিং টা খুবই পাতলা । হাবাল স্পেস টেলিস্কোপ পৃথিবীর চারিদিকে অরবিট করে কিন্ত জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ কে পৃথিবী থেকে অনেক দূর সেট করা হবে ।যাতে অতিরিক্ত ঠান্ডায় ইনভারমেন্টে একে রাখা যায় । J.W. S.T কে নিয়ার ইনফারেট ও ম্যাত ইনফারেট ওয়েব লেন অবজাফ করা জন্য অপটিমাইজ করা হয়েছে ।যাকে আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না । আর এর জন্য এই টেলিস্কোপের যে অফটিস আছে সেটাকে একেবারে ঠান্ডা হতে হবে ।

এর প্রায়মারি মিনার কে তৈরি করা হয়েছে ১৮ টা হিকছালগন মিনার দিয়ে । এবং উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ৬.৫ মিটার লম্বা । আর এই মিনারে ক্ষেত্রফল ২৫ কয়ার  থেকে একটু বেশি ।তবে টেলিস্কোপের সবথেকে বড় যেটা কম্পনটা আছে সেটা হল এর সানছিল ।যাকে প্রাইমারী মিনার বা তার সঙ্গে লাগানো টাওয়ার টা কে প্রটেক্ট করার জন্য তৈরি করা হয়েছে ।এই টাওয়ার এর মধ্যে আছে সেকেন্ডারি মিনার । আর এটাকে ব্যরেলিয়াম দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এবং সোনার কোটিং করা আছে ।

তবে এর ডিজাইন এর সবথেকে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল এটা ওপেন ।হাবাল স্পেস টেলিস্কোপ কে একটা টিউবের মধ্যে তৈরি করা হয়েছিল ।কিন্তু এর ডিজাইন টা একটা ওপেন ডিজাইন এটা সূর্য থেকে অনেকটা দূরে থাকবে ।তার সাথে এর যে সানছিল আছে সেটা টেলিস্কোপকে তাপমাত্রা থেকে বাঁচাবে ।যাতে এর সেন্সরটা ইনফারেট আলো দেখার জন্য সব সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে ঠান্ডা থাকতে পারে ।

মিশন ও টাইম

এই স্পেস টেলিস্কোপটার মিশন টাইম মোটামুটি ১০ বছরের কাছাকাছি হবে । কারণ এই লিমিটেশন এর পেছনে কয়েকটা ফ্যাক্টর কাজ করছে । প্রথমত এর মধ্যে থাকা ফিউয়ুলের পরিমাণ যেটা এর অরবিট কে মেনটেন করতে সাহায্য করবে ।হাই টেক ইনফারেট ডিটেক গুলোকে লিকুইড হিলিয়াম দিয়ে ঠান্ডা করতে হবে । সুতরাং লিকুইড হিলিয়াম এর পরিমাণ একটা বড় ফ্যাক্টর ।অতএব ১০ বছরের বেশি যদি এই স্পেস টেলিস্কোপ কে চালাতে হয় তবে পৃথিবী থেকে মানুষকে গিয়ে এটাকে রিফিল করতে হবে । যার কোন প্ল্যান এখনো পর্যন্ত তৈরি হয়নি । তবে সমস্যা হলো এটা পৃথিবী থেকে অনেক দূরে অপারেট করবে । তাই কোন কিছু গন্ডগোল হলে একে রিপায়ার করা প্রায় অসম্ভব হবে । জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ পৃথিবী এবং সূর্য সেকেন্ড লেগারাই পয়েন্টে অপারেট করবে ।যা পৃথিবী থেকে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ।তাই একে রিফিল করা প্রায় অসম্ভব বলতে পারেন ।


জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ও হাবাল টেলিস্কোপ
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ও হাবাল টেলিস্কোপ

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কিভাবে কাজ করবে

সানছিলটাকে বানানো হয়েছে কেপটন বলে একটা স্পেশাল মেটেরিয়ালের পাঁচটা লেয়ার দিয়ে । কেপটন স্পেস স্যুটে এর মধ্যেও ব্যবহার করা হয় । প্রত্যেক লেয়ার প্লাস্টিকেরে র‌্যবপের মত পাতলা আর এর ওপর অ্অ্যালুমিনিয়ামের কোটিং করা আছে । প্রত্যেকেটা লেয়ার একে অপরের সঙ্গে সেপারেট ভাবে থাকবে আর প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই উপরের লেয়ার টা থেকে নিচের লেয়ার টা বেশি ঠান্ডা থাকবে ।এটা এতটাই এফেক্টিভ যে সিলডের যে দিকটা সূর্যের দিকে থাকবে তার টেম্পারেচার ৮৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হবে । এবং যে দিকটা টেলিস্কোপ এর দিকে থাকবে  তার টেম্পারেচার -২৩৩ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড হবে । ইনফারেট স্পেকট্রামে অফিস এপ্লিকেশন করার জন্য এই টেলিস্কোপের  সেন্সরকে সবসময় ৫০kb নিচে অর্থাৎ -২২৩ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডে নিচে রাখতে হবে । তা না হলে আনওয়ান্টেড ইনফরমেশনের রেডিয়েশন জন্য এটা সঠিক ভাবে ডিটেক্ট করতে পারবে না ।

আর এই টেম্পারেচার কে মেন্টেন করার জন্য এর মধ্যে থাকবে লিকুইড হিলিয়াম । প্রত্যেকটা জিনিসের মধ্যে থেকে ইনফারেট রেডিয়েশন বের হয় এমনকি আপনার এবং আমার মধ্যে থেকেও । আর এই ইনফারেট কে ডিটেক্ট করতে পারলে এই টেলিস্কোপটা অনেক দূরের এবং অনেক প্রাচীন অবজেক্টকে দেখতে পাবে । এই টেলিস্কোপটা এতটাই পাওয়ারফুল যে একজন প্রজেক্ট সাইন্টিস্ট বলেছে যে এর সাহায্যে আপনি চাঁদের মধ্যে থাকা একটা মৌমাছি কেউও দেখতে পারবেন । তবে মৌমাছিটাকে এক জায়গায় বসে থাকতে হবে নড়াচড়া করলে হবে না ।

এই টেলিস্কোপটা পৃথিবীর থাকা সাইন্টিস্টদের সাথে হাইফিকুসিই রেডিটেসমিটারের সাহায্যে কমিনিট করবে ।এই কাজের জন্য নাসা কাছে আছে দীপস্পেস নেটওয়ার্ক । বিশাল বড় বড় এন্টেনা যা টেলিস্কোপ থেকে ডেটাকে রিসিভ করবে এবং বিভিন্ন সাইন্টিফিক দিয়ে পাঠিয়ে দেবে । এবার বর্তমানে  এই জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ লোংচের এর জন্য তৈরি ।যখন এই টেলিস্কোপ মহাকাশের মধ্যে কুরুস করতে থাকবে তখন কিছু ক্রিটিকাল মেনুবার এই টেলিস্কোপটাকে পারফম করতে হবে । আর এর জন্য প্রায় ২৯ দিনের কঠিন যাত্রা তাকে অতিক্রম করতে হবে ।লোংচের পর সাইন্টিস্টদের কাছে এই ২৯ দিন সবথেকে ক্রিটিক্যাল টাইম হবে। তবে তাদের কাছে প্রথম কাজ হলো এটাকে স্পেস পর্যন্ত পৌঁছানোর এর বিশাল বড় সাটা একটা নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ সাইন্টিস্টদের কাছে তুলে ধরেছেন । এটা মটোও সহজ কাজ নয় ত বড় একটা টেলিস্কোপ কে মহাকাশে পাঠানোর ।

 আর সবথেকে বড় ব্যাপার হলো এটা যে রকেট এর মধ্যে করে যাবে অর্থাৎ এরিয়ান ৫ রকেট সে রকেট মধ্য ৫ মিটার থেকে চওড়া কোন জিনিসকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় ।এই কারণে টেলিস্কোপটাকে এমন ভাবে বানানো হয়েছে যাতে এটা ফোল্ডিং অবস্থায় থাকতে পারে । আর যেহেতু এটা ফোল্ডিং অবস্থায় রটের মধ্যে থাকবে তা মহাকাশে পৌঁছানোর পর এটাকে আনফুলডোও করতে হবে ।যার জন্য টেলিস্কোপ এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মেকানিক্যাল পারফরম্যান্স করতে হবে । এ টেলিস্কোপ এর মধ্যে প্রায় ৫০টা এমন কম্পন আছে যে গুলো স্পেস গিয়ে খুলবে ।যার জন্য প্রায় ১৭৮ রিলিস মেকানিজম পারফর্ম করতে হবে । আর মেকানিজম এর মধ্যে একটাও যদি গন্ডগোল হয়ে যায় তবে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে । এবার নিশ্চয়ই আপনি বুঝতে পারছেন যে এটা এত ক্রিটিকাল কেন । এত কঠিন মিশন এখনো পর্যন্ত কোন স্পেস এজেন্সি এটেম্পট করেনি ।

এই কারণে এটা ইতিহাসের সব থেকে বেশি কমপ্লিকেটেড স্পেস অ্যাক্টিভিটি হতে চলেছে । লোংচন হওয়ার প্রায় ৫ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত এর প্রত্যেকটা ইন্সট্রুমেন্টের ক্যালিব্রেশন চলবে ।ওই ইন্সট্রুমেন্ট গুলোর মধ্যে লিকুয়ুট হিলিয়াম ক্রারাই কুলার ও রয়েছে । তারপর এটা আমাদের সোলার সিস্টেমের মধ্যে বিভিন্ন গ্রহ এবং উপগ্রহ কে ট্র্যাক করার চেষ্টা করবেন । সমস্ত টেস্ট গুলো কমপ্লিট হয়ে যাবার পর এটাকে কমিশনের ডিক্লেয়ার করে দেওয়া হবে । এবং তারপর হয়তো হাবালসে এর মত এটা আবার আমাদের আশ্চর্য করা শুরু করবে । সবকিছু যদি ঠিকঠাক থাকে তবে আমরা সবাই আবার এমন কিছু দেখতে চলেছি যেটা অতীতে আগে আমরা কখনো এক্সপেরিয়েন্স করিনি । ২২ ডিসেম্বর ২০২১ শের পর আমরা অপেক্ষায় থাকব । নতুন কিছু জানার থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে ।

পৃথিবীর কেন্দ্রেও বইছে হাওয়া, আশ্চর্য আবিষ্কারে চাঞ্চল্য বিজ্ঞানী মহলে

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১

পৃথিবীর কেন্দ্রেও বইছে হাওয়া, আশ্চর্য বিজ্ঞানী মহল
পৃথিবীর কেন্দ্রেও বইছে হাওয়া । ফাইল ও ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা পৃথিবীর  উপর দিয়ে যেমন বাতাস বয়ে যায় ঠিক তেমনই পৃথিবীর অভ্যন্তরে কেন্দ্রের মধ্যেই বইছে বাতাস । এক নতুন গবেষণায় এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন বিজ্ঞানীরা । সম্প্রতি আমেরিকায়  ভূগর্ভে দেড় হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ পথ খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা । আর তখনই খোঁজ মিলেছে ওই বায়ুস্রোতের । ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে একটি এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি ।

সেখান থেকে জানা যাচ্ছে যে, মধ্য আমেরিকার পানামা খাল ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের গালাপাগো দ্বীপপুঞ্জের নিচে পৃথিবীর কেন্দ্রীয় স্তরে ১৫০০ কিঃমিঃ ওই দীর্ঘ পথ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা । দেখা গিয়েছে ওই অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পৃথিবীর আভ্যন্তরীণ পদার্থ । গবেষণাপত্রটির প্রধান লেখক গবেষক ডেভিড বেকার্ট জানিয়েছেন । পৃথিবীর গভীরে যে আগ্নেয় পদার্থ তার সঙ্গে তুলনা করা যায় কোনও জীবের শরীরের। শরীল কেটে গেলে যেমন রক্ত বাইরে বেরিয়ে আসে । ঠিক তেমনই সেই ভাবেই লাভা পৃথিবীর ভূত্বকের উপরে বেরিয়ে আসে ।


এই গবেষণায় তাঁরা সন্ধান পেয়েছেন এমন এক ধরনের লাভার  যা বিরল গোত্রীয় । কী করে এই পদার্থের সৃষ্টি হল সেই নিয়েই গবেষণা করেছে ওই গবেষক দল । আর তখনই তারা সন্ধান পেয়েছেন পৃথিবীর গভীরে বয়ে চলা বাতাসের । এই আবিষ্কারকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা । ডেভিড বেকার্টের কথায় পানামার নিচে আমরা একটা গর্ত খুঁজে পেয়েছি । সেখান দিয়েই দেখা গিয়েছে ওই প্রবাহ বয়ে চলেছে।

পৃথিবীর গভীরে কী আছে তা নিয়ে কৌতূহল আজকের নয়। কিংবদন্তি কল্পবিজ্ঞান লেখক জুল ভার্নের জার্নি টু দ্য সেন্টার অফ দ্য আর্থ উপন্যাসের প্রধান উপজীব্যই ছিল পৃথিবীর কেন্দ্রে পৌঁছনোর এক আশ্চর্য অভিযানের কাহিনি । পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞান অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে । পৃথিবীর গর্ভের বহু অজানা তথ্য়ই প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু হালফিলের এই আবিষ্কার দেখিয়ে দিল এখনও পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ জগৎ সম্পর্কে অনেক তথ্যই অজানা রয়ে গিয়েছে ।

ধন্যবাদ বন্ধুরা 

Britain In Space: অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে, ব্রিটেনের বহু দ্বীপেও হচ্ছে মহাকাশ বন্দর

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২১

Britain In Space: অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে, ব্রিটেনের বহু দ্বীপেও হচ্ছে মহাকাশ বন্দর
অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে, ব্রিটেনের বহু দ্বীপেও হচ্ছে মহাকাশ বন্দর। ফাইল ও ছবি ।


হ্যালো বন্ধুরা পেটের দায়ে রকেটের উপর ভরসা বাড়াতে চলেছে ব্রিটেন । বিশেষ করে দু’টি দেশ  ইংল্যান্ড আর স্কটল্যান্ড । সঙ্গী হচ্ছে ব্রিটেনের ছোটখাটো কয়েকটি দ্বীপও । আগামী বছর থেকে শুরু হবে । টানা দু’বছর ধরে কোভিডের ঝড়ঝাপ্‌টা রুখতে বিভিন্ন সময়ে নানা পর্যায়ে লকডাউন চলায় ব্রিটেনের অর্থনীতি বেশ ধাক্কা খেয়েছে । গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন দ্রুত কমানোর লক্ষ্যে ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস শিল্পও বিপদের মুখে। 

বহু মানুষ চাকরি খুইয়েছেন গত দু’বছরে । শিক্ষিত তরুণ বেকারের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে । এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে রকেট উৎক্ষেপণ মহাকাশ গবেষণা ও ভ্রমণের নতুন নতুন ক্ষেত্র নির্বাচন শুরু হয়ে গিয়েছে  ব্রিটেনে। আগামী বছরই প্রথম ব্রিটেনের মাটি থেকে কোনও উপগ্রহের উৎক্ষেপণ হতে চলেছে তা জানানো হয় ।

ব্রিটেনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর । আগামী বছর থেকে রকেট ও উপগ্রহ উৎক্ষেপণ মহাকাশ গবেষণা ও ভ্রমণের নতুন নতুন ক্ষেত্র নির্বাচন নিয়ে জোরকদমে মাঠে নামছে ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা । দু’টি দেশেরই নানা জায়গায় তৈরি করা হচ্ছে মহাকাশ বন্দর । মহাকাশ বন্দর বানানো হচ্ছে ব্রিটেনের বেশ কয়েকটি দ্বীপেও।

আরও পড়ুন  Elon Musk: ইলন মাস্কের জন্য বিপদে চিনা মহাকাশ স্টেশন, নালিশ বেজিংয়ের

আরও পড়ুন  Blast In Space: এক লক্ষ বছরে সূর্য যে শক্তি উগরে দেয়, তেমনই প্রলয়ঙ্কর

                  বিস্ফোরণ ঘটে ব্রহ্মাণ্ডে

ব্রিটেনের এই মহাকাশ কর্মসূচিকে যতটা সম্ভব পরিবেশবান্ধব করে তোলারও চেষ্টা হচ্ছে। যাতে সেই কর্মসূচি রূপায়ন করতে গিয়ে বাতাসে কার্বনের বোঝা আরও না বেড়ে যায় ।

তাই আগামী বছর কর্নওয়াল থেকে ভার্জিন অরবিট নামে একটি সংস্থা জাম্বো জেট বিমান উড়িয়ে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ হাজার ফুট উচ্চতায় রকেট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করেছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গুলির খবর জানানো হয় । এতে বাতাসে বাড়তি কার্বন জমা পড়বে না । 

ধন্যবাদ বন্ধুরা 

Elon Musk: ইলন মাস্কের জন্য বিপদে চিনা মহাকাশ স্টেশন, নালিশ বেজিংয়ের

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১

Elon Musk: ইলন মাস্কের জন্য বিপদে চিনা মহাকাশ স্টেশন, নালিশ বেজিংয়ের
ইলন মাস্ক


অনুবাদের ফলাফ

হ্যালো বন্ধুরা ইলন মাস্কের স্পেস-এক্স সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে রাষ্ট্রপুঞ্জের দ্বারস্থ হল চিন । চিনের অভিযোগ করছে সম্প্রতি ইলন মাস্কের মালিকাধীন স্পেস এক্স সংস্থার উপগ্রহ গুলি চিনের মহাকাশ স্টেশনের খুব কাছে চলে আসে । ফলে সংঘর্ষ এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছিল । বলেও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বেজিং ।

ইউনাইটেড নেশন্স অফিস ফর আউটার স্পেস অ্যাফেয়ার্স এর কাছে চিনের জমা দেওয়া হয়েছে । একটি নথি অনুসারে  ইলন মাস্কের স্পেস এক্স এরোস্পেস সংস্থার একটি বিভাগ স্টারলিংক ইন্টারনেট সার্ভিসের দু’টি উপগ্রহ ১ জুলাই এবং ২১ অক্টোবর চিনা মহাকাশ স্টেশনের খুব কাছাকাছি চলে আসে ।

চিনের নথি বলেছে ২০২১ সালের ১ জুলাই স্টারলিংক ১০৯৫ উপগ্রহটি চিনা মহাকাশ স্টেশনের কাছাকাছি চলে আসে । ফলে নিরাপত্তার কারণে চিনা স্পেস স্টেশন সেই দিন সন্ধ্যায় সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন । এই নথিতে আরও বলা হয়েছে যে স্পেস এক্স সংস্থার স্টারলিংক২৩০৫ স্যাটেলাইটটিও ২১ অক্টোবর চিনের স্পেস স্টেশনের কাছাকাছি চলে আসে । 

কক্ষপথে থাকা মহাকাশচারীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য চিনা মহাকাশ স্টেশন কৌশল করে সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়িয়েছে বলেও চিন জানিয়েছে ।

ICE On Mars: মঙ্গল গ্রহে পড়ল বরফ নতুন ছবি দিল নাসা, নাসার ছবিতে উচ্ছ্বসিত বিজ্ঞানমহল

কোন মন্তব্য নেই

ICE On Mars: মঙ্গল গ্রহে পড়ল বরফ নতুন ছবি দিল, নাসার ছবিতে উচ্ছ্বসিত বিজ্ঞানমহল
মঙ্গল গ্রহে পড়ল বরফ নতুন ছবি দিল, নাসার ছবিতে উচ্ছ্বসিত বিজ্ঞানমহল


হ্যালো বন্ধুরা চলে এলাম মঙ্গল থেকে একটা অসাধারণ ছবি নিয়ে অবশ্যই নাসার নাসা তরফ থেকে । গত ১৭ই ডিসেম্বর ২০২১ পারসেভারেন্স রোভারে এর ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল আইস গ্রাউন । মানে বরফের মেঘ লাল গ্রহ মঙ্গলের আকাশে । আর তারপর সেই মেঘ থেকে ঝরে পরলো বড় মঙ্গলের একটি  ক্রেটারে ।

অসাধারণ সেই দৃশ্য ধরা পড়েছে নাসার মার্স অরসি নামক অরবিটারে । এটি প্রায় ১৫ বছর ধরে কাজ করছে মঙ্গলের আকাশে । সবথেকে মজার কথা এই যে কেটারটি আগেও একটি ছবি ধরা পড়েছিল । তবে সেটা মার্চ মাস নাগাদ এবং সেখানে এই বরফ দেখা যায়নি ।তবে এবার বরফ দেখা গেল ।

জানা যাচ্ছে যে, মঙ্গলে এরকম বরফের বৃষ্টি আগেও হয়েছে প্রতিনিয়ত হতে থাকে । কিন্তু এবার যেরকম ভাবে বৃষ্টিটা ধরা পড়েছে অরবিটারে ক্যামেরায় তা সত্যিই অসাধারণ । আপনারা নাসার দৌলতে সেই ছবি দেখতে পাচ্ছেন । এবং সত্যিই মনমুগ্ধকর এই ছবি । আর এই যে দেখতে পাচ্ছেন এই ক্রেটারটি দিকে একটু দেখতে পাচ্ছেন । সেই ক্রেটারি গত মার্চেই ২০২১ এটিও কিন্তু মার্চ  অরসি নামক অরবিটালরে ও অরবিটালরে তোলা ।

এবং তখন বরফ ছিলনা আর এখনকার তোলা এই যে দেখতে পাচ্ছেন ছবিটি । যেটি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উপরে থাকা মার্স অরবসি নামক নাসা অরবিটার থেকে ধরা পড়েছে । তাতে কিন্তু স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে, বরফ পড়েছে মঙ্গলের মাটিতে । অসাধারণ দৃশ্য । আপনাদের মঙ্গল সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে ও দেখতে ভালো লাগে তাই । 

যদি ছবিটিতে আপনারা মাঝখানের পার্টিতে দেখতে পাচ্ছেন যে কালার বাকি টা বেলাকান হয়াইট । এটিকে কালাররাইস করা হয়েছে । করার পর কিন্তু ছবিটা নাসা প্রকাশ করেছে । এবং একই ফ্রেমে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন বাঁদিকে মার্চ মাসে তোলা ছবিটা ।  যে প্রথমেই বরফের বৃষ্টি টার কথা বললাম সেই বরফের বৃষ্টি হওয়ার পর এবং খুব সুন্দর ভাবে দেখানো হয়েছে ।

নাসা পারসেভারেন্স রোভার কাজ করে চলেছে প্রতিনিয়ত মঙ্গলের মাটিতে । আকাশে দু-দুটো অরবিটার উরচ্ছে নাসার এবং দু-দুটো রোভার কাজ করছে । একটি নাম হচ্ছে পারসেভারেন্স । আরেকটি নাম হচ্ছে কিউরিওসিটি । মঙ্গলবার কিন্তু পৃথিবীর দিকে আস্তে আস্তে এগিয়ে আসা শুরু করেছে । একটা সময় সে কিন্তু একদম ৬ কোটি কিলোমিটার কাছে চলে আসবে । 

ধন্যবাদ বন্ধুরা 

Blast In Space: এক লক্ষ বছরে সূর্য যে শক্তি উগরে দেয়, তেমনই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটে ব্রহ্মাণ্ডে

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২১

এক লক্ষ বছরে সূর্য যে শক্তি উগরে দেয় তেমনই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটে ব্রহ্মাণ্ডে


হ্যালো বন্ধুরা প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণ চাক্ষুষ করল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন । সূর্য এক লক্ষ বছরে যে পরিমাণ শক্তি উদ্গীরণ করতে পারে । এক সেকেন্ডের ১০ ভাগের এক ভাগ সময়ে সেই শক্তিই বেরিয়ে এল বিস্ফোরণে । ব্রহ্মাণ্ডে আমাদের ঠিকানা আকাশগঙ্গা ছায়াপথে হয়নি এই বিস্ফোরণ । হয়েছে আরও অনেক দূরের একটি ছায়াপথে। সেই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণে কেন অত অল্প সময়ে ওই বিপুল পরিমাণ শক্তির নির্গমন হল তার কারণও কিছুটা জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা ।

গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা । গবেষকরা জানিয়েছেন এই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে একটি মৃত তারা থেকে । যার ওজন হতে পারে সূর্যের ভরের  ২০ বা ২৫ গুণ । মৃত্যুদশায় জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে এই ভরের তারারা চুপসে যেতে শুরু করে তার অন্দরে থাকা ভারী মৌলের অভিকর্ষজ বলের টানে । তখন হয় জন্ম নেয় ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর নয়তো খুব ঘন নিউট্রন নক্ষত্র ।

যে মৃত তারাটি থেকে এই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণের ঘটনা চাক্ষুষ করেছে । আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে থাকা অ্যাটমস্ফিয়ার স্পেস ইন্টারঅ্যাকশন মনিটর (অ্যাসিম) যন্ত্র সেটি আদতে বিশেষ ধরনের একটি নিউট্রন নক্ষত্র । যাদের বলা হয় ম্যাগনেটর। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন জিআরবি ২০০১৪১৫ ।

ব্রহ্মাণ্ডে সবচেয়ে শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র থাকে ম্যাগনেটরেই ।তাই এই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণের পিছনে সেই চৌম্বক ক্ষেত্রের কোনও ভূমিকা রয়েছে কি না । থাকলেও কতটা তা বুঝতে চেয়েছিলেন গবেষকরা ।

তাঁরা দেখেছেন এই ম্যাগনেটরের মধ্যে কোনও কারণে চৌম্বক রেখাগুলি ভেঙেচুরে গিয়েছে । বা সেখানে ও খুব তীব্র কোনও কম্পন হয়েছ । পৃথিবীতে যাকে আমরা ভূকম্পন বলে জানি । তারাদের ক্ষেত্রে এই কম্পনকে বলা হয় স্টারকোয়েক। এই সবের কারণেই ওই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণ হয়েছে বলে ধারণা গবেষকদের ।

খন্ড গ্রাস চন্দ্রগ্রহণ কাকে বলে

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১

খন্ড গ্রাস চন্দ্রগ্রহণ কাকে বলে
খন্ড গ্রাস চন্দ্রগ্রহণ

হ্যালো বন্ধুরা খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ জানতে হলে, আগে চন্দ্রগ্রহণ সম্পকে জানতে হবে । চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান । পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয় ফলে চন্দ্রগ্রহণ হয় । চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া পড়ে । আইএসির একটি প্রশিক্ষণ পুস্তিকায় বলা হয়েছে, সূর্যগ্রহণ কেমন দেখা যাবে সেটা নির্ভর করছে যে দেখছে তার ভৌগলিক অবস্থানের ওপর ।

কিন্তু চন্দ্রগ্রহণের ক্ষেত্রে ঘটে উল্টোটা ।পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে । যদি গ্রহণের সময় চাঁদ দিগন্তের উপরে উঠে আসে । যে সূর্যগ্রহণে  গ্রহণের বিভিন্ন পর্যায় নির্ভর করে যে দেখছে । তার ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী চন্দ্রগ্রহণে কিন্তু আপনি কোথায় আছেন সেটা বিবেচ্য হয় না । সব জায়গা থেকে গ্রহণের পর্যায় গুলো একই ভাবে দেখা যায় ।

চন্দ্রগ্রহণ আছে তিন প্ররকার যথাঃ

১। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ
২। খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ      
৩। পেনাম্ব্রা চন্দ্রগ্রহণ

আজ আমরা জানবো খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ সম্পকে ।

খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ

চাঁদেরও খণ্ডগ্রাস গ্রহণ হয়ে থাকে ।যখন চাঁদের একটা অংশ পৃথিবীর ছায়ায় ঢেকে যায় ঠিক তখন ।
পৃথিবী চাঁদকে কতটা গ্রাস করে নিচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে থাকে । নির্ভর করে হয় গাঢ় লাল আবার মরচে রং বা কাঠ কয়লার রংয়ের ছায়া পড়ে । চাঁদের ছায়ায় ঢাকা অংশে ।

চাঁদের ওপর যখন পৃথিবীর ছায়া পড়ে । ঠিক তখন কোথাও হালকা কোথাও গাঢ় হবার কারণে এরকম দেখতে পা আমরা ।চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবী থাকে চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে । ফলে পৃথিবীর অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের ভেতর চাঁদ প্রবেশ করে বা পৃথিবীর ছায়া চাঁদকে পুরো বা আংশিকভাবে ঢেকে নেয় ।

নাসা বলছেন, পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ বিরল কিন্তু খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ঘটে অন্তত বছরে দুবার হয় ।
আশা করা হচ্ছে আগামীতে খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ২০২২ সালে । ২৮ থেকে ২৯ শে অক্টোবর ২০২২ সালে । এবং তা দেখা যাবে পৃথিবীর বেশির ভাগ জায়গা থেকে । পুরো এশিয়ায়,আফ্রিকা ও ইউরোপে এবং অস্ট্রেলিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু কিছু জায়গা থেকে ।আশাকরি সবাই দেখবেন ।

পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ কখন দেখা যায়

কোন মন্তব্য নেই

শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১

পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ কখন দেখা যায়
পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ


হ্যালো বন্ধুরা পৃথিবী, সূর্য এবং চন্দ্র মহাকাশে নিজ কক্ষ পথে অবিরত পরিভ্রমণ কালে  সূর্য চন্দ্র । এবং পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে । অর্থাৎ চন্দ্র পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে অবস্থান কালে কিছু সময়ের জন্য । চন্দ্রের ছায়া পৃথিবীতে পড়লে সূর্যগ্রহণ ঘটে । সাধারণত চন্দ্র পৃথিবী এবং সূর্যের অবস্থানের তারতম্যের কারণে বিভিন্ন প্রকার সূর্য গ্রহণ পরিলক্ষিত হয় । পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, আংশিক সূর্যগ্রহণ, বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ।

বা চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে । তখন তার প্রদক্ষিণ পথে কখনও কখনও চাঁদ এসে পড়ে । সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে । তখন তারা থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে । অন্যভাবে বললে বলা যায়  চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে ।

পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ

সূর্যের পূর্ণগ্রাস গ্রহণ ঘটে যখন সূর্য পৃথিবী এবং চাঁদ এমন একটি অবস্থানে আসে । যখন চাঁদ সূর্যের আলোকে সম্পূর্ণভাবে ঢেকে দেয় । তখন কয়েক সেকেন্ডের জন্য বা কখনও কখনও এমনকি কয়েক মিনিটের জন্যও হয় । আকাশ এতই অন্ধকার হয়ে যায় যে মনে হয় সেটা রাতের আকাশ ।

নাসা জানিয়েছেন, যে মহাজাগতিক একটা সমন্বয় ঘটলেই একমাত্র সূর্যের পূর্ণ গ্রহণ সম্ভব হয় । সূর্য চাঁদের তুলনায় ৪০০ গুণ চওড়া এবং চাঁদ পৃথিবী থেকে যত দূরে সূর্য তার চেয়ে আরও ৪০০ গুন বেশি দূরে থাকে । এই ভৌগলিক অবস্থানের অর্থ হল  চাঁদ সূর্য ও পৃথিবী যখন একই লাইনে একেবারে সঠিক জায়গায় আসে । সেই সময় সূর্য পুরোপুরি ঢেকে যায় এবং সূর্যের পূর্ণগ্রাস গ্রহণ হয় ।

র্বিজ্ঞানীরা  জানিয়েছেন, পৃথিবী পৃষ্ঠে যে লাইন বরাবর চাঁদের ছায়া পড়ে তাকে বলা হয় পূর্ণ গ্রাসের পথ । আর এই ছোট পথের মধ্যেই পুরো অন্ধকার নেমে আসার চোখ দেখানো প্রক্রিয়াটি দেখা যায় । যে অংশে আলোর উৎস পুরো ঢেকে যায় । ছায়ার সেই ঘন অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশকে লাতিন ভাষায় বলে আমব্রা । এই পথের দুপাশে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত গ্রহণ দেখা যায় আংশিকভাবে ।

সূর্যপুরো অন্ধকারে ঢেকে যাবার এই পথ । থেকে পৃথিবীতে আপনার অবস্থান যত দূরে হবে  তত আপনি দেখবেন ।সূর্যের অপেক্ষাকৃত ছোট অংশ চাঁদে ঢাকা পড়েছে । আর গ্রহণ কতক্ষণ থাকবে সেটা নির্ভর করে সূর্য ও পৃথিবীর অবস্থান ওপর । পৃথিবী থেকে চাঁদের অবস্থান আর পৃথিবীর কোন্ অংশ অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে সেটা ওপর ।  তত্ত্বগতভাবে সূর্যের গ্রহণ সর্বোচ্চ ৭ মিনিট ৩২ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে । বলেছেন চিলের এই জ্যোতির্বিজ্ঞানী ।

আমরা সবা অনেক সময় ভাবি সূর্যগ্রহণ বেশ বিরল একটা প্রক্রিয়া বা ঘটনা । তা কিন্তু নয় । প্রতি প্রায় ১৮ মাস অন্তর সূর্যগ্রহণ হয় । যেটা আসলে খুবই বিরল সেটা হল একই স্থান থেকে সূর্যের পূর্ণগ্রাস গ্রহণ দেখতে পাওয়া যায় না । ঠিক একই জায়গা থেকে সূর্যের পূর্ণ গ্রহণ দেখা যায় গড় হিসাবে প্রতি ৩৭৫ বছরে একবার ।


Comet Leonard: নাসার ক্যামেরায় ধরা পড়ল ধূমকেতু লিওনার্ড

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২১

Comet Leonard: নাসার ক্যামেরায় ধরা পড়ল ধূমকেতু লিওনার্ড দেখুন ছবি
নাসার ক্যামেরায় ধরা পড়ল ধূমকেতু লিওনার্ড


হ্যালো বন্ধুরা কমেট লিওনার্ড বা ধুমকেতু লিওন সম্পর্কে আপনাদেরকে আগেই জানিয়ে ছিলাম । এবার নাসার ক্যামেরা ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ধরা পড়ল সেই লিওনার্ড ধুমকেতু । এবং সেই ছবি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন । সূর্যের দিকে এগিয়ে আস্তে আস্তে তার উত্তরোত্তর উজ্জ্বল হয়ে ওঠার কথা ছিল ।

কিন্তু নভেম্বরের শেষ দিকে তা হঠাৎ হয়ে পড়ে নিভু নিভু । হারিয়ে ফেলে প্রত্যাশিত উজ্জ্বল ফলে হতাশ হয়ে পড়েছিল অনেকেই । তবে আবার বোধহয় উজ্জ্বলো কিছুটা ফিরে পেয়েছে সেই আগন্তক । সূর্য প্রণাম করতে আসা সেই মহাজাগতিক আগন্তুককে । এরপর থেকে আকাশে শুক্র গ্রহের মানে যাকে আমরা শুকতারা বলে জানি । 

তার একটু বাদিক ঘেসে থাকা অবস্থায় দেখা যাচ্ছে । তবে বলে রাখি যে ভারতে ও বাংলাদেশের আকাশ এতটাই কুয়াশাচ্ছন্ন খালি চোখে দেখা পাওয়া খুবই মুশকিল । সে মহাজাগতিক আগুন্তুক আদতেই এই ধুমকেতু ।যার নাম লিওনার্ড । জ্যোতির্বিজ্ঞানের খাতায়-কলমে তার নাম অবশ্য C/ 2021 A 1 ।

এই ধূমকেতুটি এই বছরের জানুয়ারিতে আবিষ্কার করেন মাউন্ট লেবন অবজারভেটরি জ্যোতির্বিজ্ঞানী লিওনার্ড । তাই ধূমকেতুটির ডাকনাম দেওয়া হয়েছে তারই নামে লিওনার্ড । নাসা জানিয়েছে, ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে এই আগুন্তুককে আকাশে সূর্যোদয়ের সামান্য আগে দেখা গেলও । এবার তাকে দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ পশ্চিম আকাশে ।সন্ধ্যা নেমে আসার পর ।

শুক্রগ্রহের ঠিক নিচে একটু বায়দিক ঘেসে । তবে শনিবার ছিল পূর্ণিমা চাঁদের আলোয় লিওনের কিছুটা ঢাকা পড়ে গিয়েছিল সেইরকম জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা । এরপরও লিওনার্ড আমাদের চোখে তুলে ধরার বড় ভূমিকা নিতে পারে শুকতারা । আকাশের সবথেকে উজ্জ্বল তারা টিকে চিনে নিতে আমাদের কোনো অসুবিধা হয় না । বলেই তার নিচে একটু বায়দিক ঘেসে  থাকা লিওনের ওপর আমাদের নজর এড়িয়ে যেতে পারে না ।

এ রকমই জানিয়েছেন বা এ রকমই বিশ্বাস জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের । জানুয়ারি ৩ তারিখে লিওনার্ড পৌঁছাবে সূর্যের সবথেকে কাছে । তখন সূর্য থেকে ধূমকেতুটি দূরত্ব হবে ৯ কোটি ২০ লক্ষ কিলোমিটার । তবে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে ধূমকেতুটি রওনা হবে সৌরমন্ডল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে । সূর্যের দিকে এগিয়ে আসতে আসতে ও ধূমকেতুটি মাঝেমধ্যে নিভু নিভু হয়ে পড়েছিল জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দেখেছেন ।

এর কারণে ধূমকেতুটির মাথার দিকের একটি অংশ থেকে ছিটকে সূর্যের টানে বেরিয়ে এসেছিল তার বেশ কয়েকটি পাথুরে দেহাংশ । প্রসঙ্গত সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে এলে ধুমকেতু যত কাছে আসছে ততই সূর্যের টানে তার ভিতরে থাকা বরফ বেরিয়ে এসে ছড়িয়ে পড়ে মহাকাশে । তাতে তার লেজ তৈরি হয় আর তা উত্তরোত্তর আকাশে বড় হয়ে ওঠে । তো বন্ধুরা সবাই লাইক ও শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত জানাবেন ।

 ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।

Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo