Responsive Ad Slot

চাঁদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চাঁদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

আর সূর্যের ভরসায় নয়, শক্তির প্রয়োজনে চাঁদে পরমাণু চুল্লি বসাবে নাসা ।Nuclear Reactor on Moon

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১

আর সূর্যের ভরসায় নয়, শক্তির প্রয়োজনে চাঁদে পরমাণু চুল্লি বসাবে নাসা ।Nuclear Reactor on Moon


Nuclear Reactor on Moon

 নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর অন মুন । আর সূর্যের ভরসায় নয় শক্তির প্রয়োজনে চাঁদে পরমাণু চুল্লি বসাবে নাসা । চাঁদে এবার বসানো হবে পরমাণু চুল্লি । নভশ্চর থাকার ব্যবস্থা জন্য খনিজ উত্তোলন সহ নানা ধরনের কাজে শক্তির প্রয়োজন মেটাতে । চাঁদে প্রয়োজনীয় শক্তি জন্য আর সূর্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে চায়না ও নাসা । চায়না প্রেসিডেন্ট ও জো বাইডেনের সরকার ও । তাই চাঁদে পরমাণু চুল্লি বানানোর জন্য নাসার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে আমেরিকার শক্তি দপ্তরের অধীনে থাকা আইডাহো ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির ।সংক্ষেপে আই এন এল 

 সূর্যের ভরসায় নয়

নাসার একটি সূত্র শুক্রবার এ খবর দিয়েছে আই এন এল আমেরিকা পরমাণু শক্তি সংক্রান্ত গবেষণার শীর্ষক গবেষণা গার । নাসা সূত্রের খবর এই দশকের শেষের দিকে চাঁদে সেই পরমাণু চুল্লি বসানোর কথা ভাবা হয়েছে ।চাঁদে  সফল হলে সভ্যতার দ্বিতীয় উপনিবেশ শক্তির প্রয়োজন মেটাতে সূর্যের উপর নির্ভরতা ছেড়ে লাল গ্রহ মঙ্গলেও পরমাণু চুল্লি বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে আমেরিকার । 

চাঁদে পরমাণু চুল্লি বসাবে নাসা

 এই পদ্ধতি পৃথিবীতেও পারমাণবিক শক্তির অসামরিক ব্যবহারের জন্য আগামী দিনে খুব জরুরী হয়ে উঠবে । নাসা সূত্রের খবর চাঁদে ও ভবিষ্যতে মঙ্গলে পরমাণু চুল্লি বসানোর জন্য নাসার প্রকল্পটির নাম ফিশনসারপ্সে পাওয়ার প্রজেক্ট । সংক্ষেপে এস এস পি পি

 পরমাণু চুল্লিটি বানানো হবে পৃথিবীতে তারপর সেটি কে চাঁদে নিয়ে যাওয়া হবে মহাকাশযানে চাপিয়ে । কিভাবে সে পরমাণু চুল্লি বানালে সেটা সেরা হয় তার পরিকল্পনা জমা দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে টেন্ডার ডাকা হয়েছে । আগামী উনিশে ফেব্রুয়ারি তা চূড়ান্ত সময়সীমা । সেই পরমাণু চুল্লি বানানোর জন্য কি কি শর্ত পূরণ করতে হবে নাসা ও আইডাহো ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি তরফে শুক্রবার সেইসব জানানো হয়েছে ।

সেই চুল্লি ভিতরে জ্বালানি হিসেবে থাকবে ইউরেনিয়াম । সেই জ্বালানি শক্তি উৎপাদন করবে তা বিদ্যুৎসহ নানা ধরনের শক্তিতে বদলে নেওয়া হবে বিভিন্ন প্রয়োজনে । সেই চুল্লি এতটাই দর হতে হবে যাতে চাঁদের রুক্ষ খুব ঠাণ্ডা পরিবেশে ।তার টানা ১০ বছর ধরে অন্তত ৪০ ওয়াট বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে যেতে পারে নিরবচ্ছিন্নভাবে ।

 নিজেকে নিজেই চালাবে চাঁদের পরমাণু চুল্লি

সেই পরমাণু চুল্লি কোন মানুষ ছাড়াই চলবে তাকে পৃথিবী থেকে কোন যন্ত্রের নির্দেশেও চালানো হবে না । সেই চুল্লি আপনা আপনি চালু হবে ও বন্ধ হবে প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময় পরপর । সেই চুল্লি এমন ভাবে বানানো হবে যাতে এক জায়গা থেকে তাকে অন্য জায়গাতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় । শক্তি উৎপাদনের প্রয়োজনে তা দিয়ে চাঁদে নামা ল্যান্ডার ও রোভার  যাতে কাজকর্ম করতে পারে সেটাও নিশ্চিত করতে হবে নির্মাতাদের ।

তাছাড়া নির্মাতাদের খেয়াল রাখতে হবে পৃথিবী থেকে চাঁদে পাঠানোর পর । সেই চুল্লিটিতে যেন এমন একটি সিলিন্ডার এর মধ্যে বসানো যায় যার উচ্চতা ১৮  ফুট বা ৬ মিটার । ব্যস ১২ ফুট বা ৪ মিটার আর সেই চুল্লি ওজন ১৩ হাজার ২০০ পাউন্ড বা ছয় হাজার কিলোগ্রামের বেশি হলে চলবে না ।

নাসা সূএ খবর এর আগেও মঙ্গলের ওভার পারসিভিয়ারেন্স রেডিও আইসোটোপ পাওয়ার সিস্টেম বানাতে আইডাহো ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে ছিল নাসা । সেই রেডিও আইসোটোপ পাওয়া সিস্টেমে তাপ শক্তি উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হয় । তেজস্ক্রিয় মৌল পুটেনিয়ামে   ২৩৮ আইসোটো । মানে পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রনের সংখ্যা তো কেমন লাগলো এই ইনফরমেটিভ পোষ্টি আশা করি ভালো লেগেছে সঙ্গে থাকবেন । আমাদের লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানাবেন ।

ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।

চাঁদের আকার কিভাবে পরিবর্তন হয়?

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২১

 হাই ফ্রেন্ডস আমাদের পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ । এই চাঁদ হলো একমাত্র যে কিনা রাতের আকাশে জ্বলজ্বল করে চলে । এই চাঁদ খুবই সুন্দর লাগে যখন পূর্নিমা রাতের এটি সমপূণ থালার মত লাগে । আমার  এটা ছোটবেলায় খুব মনে আছে যে মা আমাকে আদর করে বলতো আমার ছেলে দেখতে একদম তাদের মতো হয়েছে । আমার সাথে করবে জীবনে কখনো কখনো আমাদের সবারই মা আমাদের  চাঁদ সঙ্গে কম্পেয়ার করেছে । কিন্তু আপনি জানেন কি এই  চাঁদ যে  এত সুন্দর লাগে কিন্তু তার নিজের না । আসলে আমার ছোট থেকে জানি চাঁদের কোন নিজস্ব আলো নেই । চাঁদ সূর্যের আলোয় নিজেকে আলোকিত করে । চাঁদ দেখতে মোটেও সুন্দর নয় আসলে সূর্যের আলো পড়ার কারণে চাঁদকে সুন্দর দেখায় ।কারণ চাঁদের গায়ে অনেক গত আছে যেগুলি আমরা খালি চোখে দেখে বুঝতে পারি না । আমরা সবাই জানি সূর্যের আলোয় আলোকিত হয় কিন্তু এবার প্রশ্ন আসতে পারে তো চাঁদ-তা আকার পরিবর্তন করে কিভাবে এবং এর চাঁদ ডুবে যায় কোথায় । 

তো বন্ধুরা আজকের পোষ্টে আলোচনা করবো ।চাঁদের আকার কিভাবে পরিবর্তন হয় এবং কিভাবে চাঁদ সূর্য থেকে আলো নিয়ে নিজেকে আলোচিত করে । এ সমস্ত কিছু জানবো আজকের এই পোষ্টে মাধ্যমে । এবং আশা করব  চাঁদের ব্যাপারে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন ।


চাঁদের আকার কিভাবে পরিবর্তন হয়
চাঁদের আকার পরিবর্তন

 চাঁদের আকার পরিবর্তন

বন্ধুরা আমাদের  চাঁদ পছন্দ গল্পের কবিতায় আমরা সবাই  চাঁদকে পছন্দ করি ।  চাঁদ হলো পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ ।  উপগ্রহ কি ? একটু বলি উপগ্রহ হল এমন একটি অবজেক্ট যেটি অন্য কোনো এক অবজেক্টকে প্রদক্ষিণ করে ।চাঁদ  হল পৃথিবীর একমাত্র অবজেক্টিভ যেটি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন । চাঁদের এই পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে ২৭.৩ দুই দিন সময় লাগে । ঠিক তেমনি পৃথিবীও হল সূর্যের উপগ্রহ যেটি সূর্যকে নিয়মিত প্রদক্ষিণ করতে থাকে । পৃথিবীর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা সময় লাগে । চাঁদের কোন নিজস্ব আলো নেই চাঁদ সূর্যের আলোয় নিজেকে আলোচিত করে । বা সূর্যের আলো  চাঁদ থেকে রিফ্লেক্ট হয়ে পৃথিবীতে আসে এবং আমরা উজ্জ্বল চাঁদ দেখছি ।

 তো প্রশ্ন আসবে  চাঁদ তাহলে ডুবে কেন আসলে চাঁদ ডুবে না । সূর্যের আলো যখন  চাঁদের উল্টোদিকে পরে বা চাঁদ যখন সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে আছে তখন সূর্যের অন্যদিকে আলো পরে । এবং অন্ধকার দিক পৃথিবীর দিকে থাকে । যে আসলে কেন চাঁদের আকার পরিবর্তন হয় । 

চাঁদের দশা কেন পরিবর্তন হয়?

 এই আকার পরিবর্তন কে বিজ্ঞানীরা আটি ভাগে ভাগ করেছে । এই ভাগগুলোকে লুনার প্রেস বলা  হয় ।

১। নিউ  মুন

প্রথম প্রেস অর্থাৎ প্রথম ভাগ কে বলা হয় নিউ  মুন । এই সময় পৃথিবী থেকে সূর্য চাঁদের উল্টোদিকে থাকে এবং তার অপজিট সাইডের আলো পড়ে । তখনকার আলো পৃথিবীতে আসছে না তাই চাঁদকে আমরা দেখতে পাই না ।

 ২। ভ্যাকসিন ক্রিসেন্ট মুন

এবার শ্রেষ্ঠ যার নাম ভ্যাকসিন ক্রিসেন্ট মুন । এটির সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে ৪৫ ডিগ্রি কোণে থাকে । এবং এই প্রেস চাঁদের সূর্যের আলো অল্প এরিয়াতে পড়ে ।  এবং আমরা চাঁদকে ছোট ভাবে দেখতে পাই ।

 ৩। হটস্পট মুন

 থার্ড ফেজ এর নাম হটস্পট মুন । এর কোন প্রায় ৯০ ডিগ্রি এই প্রেস এ সূর্যের আলো তাদের অর্ধেকের এরিয়াতে পড়ে ।এবং আমরা চাঁদ অর্ধেক ভাবে দেখতে পাই ।চাঁদ কে অর্ধেক দেখা যায় ।

৪। ওয়াক্সিং ডিমাস মুন

ফোর প্রেস ওয়াক্সিং ডিমাস মুন । যেটি ১৩৫ ডিগ্রি কোণে এই প্রেস চাঁদের সূর্যের আলোর তার প্রায় ৭৫% অংশে পড়ে । এবং আমরা চাঁদকে অর্ধেকের বেশি দেখতে পাই ।

 ৫। ফুলমুন 

ফাইভ পেজ এটি হলো ফুলমুন এই সময় চাঁদ পৃথিবীর ১৮০ডিগ্রিতে   থাকে । এবং সূর্যের আলো চাঁদ এর পুরো এরিয়াতে পড়ে এবং আমরা চাঁদকে সম্পূর্ণ গোলাকার দেখতে পাই । এবং এই সময় পূর্ণিমা হয় ।পূর্ণিমা এই জন্য হয় ।

৬। ওয়ারিংবিভাগী মুন

এটি হলো ওয়ারিংবিভাগী মুন এখানে চাঁদ পৃথিবী থেকে ২২৫ ডিগ্রি কোণে থাকে । এবং তার ২৫ শতাংশ মত অংশ সূর্যের আলো পড়ে না । এবং আমরা তার বাকি অংশ দেখতে পাই ।

 ৭।প্লাস ওয়াটার মুন

প্লাস ওয়াটার মুন এই সময় চাঁদ পৃথিবীর ২৭০ ডিগ্রি কোণে থাকে । এবং চাঁদ সূর্যের আলো অর্ধেক অংশে পড়ে এবং আমরা অর্ধেক দেখতে পাই ।

৮। ওয়ানিং ক্রিসেন্ট মুন

ফাইনাল প্রেস  যার নাম ওয়ানিং ক্রিসেন্ট মুন । ৩১৫ ডিগ্রী কোণে থাকে এখানে ২৫ শতাংশ চাঁদের  আলো  পড়ে ।  এবং আমরা তার অংশ দেখতে পাই ।  

তো বন্ধুরা এভাবে চাঁদের আকার পরিবর্তন হয় এবং আমাদের যত ভুল ধারণা যে চাঁদ ডুবে যায় এসব কিছু না ।আসলে চাঁদের আলো যতটুকু এরিয়াতে পরে পৃথিবী থেকে কতটুকু এরিয়া দেখা যায় । এবং এভাবে আমরা বলে থাকি তার ছোট এবং বড় বা ডুবে যায় । তো বন্ধুরা এই ছিল চাঁদের আকার পরিবর্তন নিয়ে সম্পূর্ণ ইনফর্মেশন তো বন্ধুরা পোষ্টেটি কেমন লেগেছে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন । ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 

ধন্যবাদ  ।

Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo