Responsive Ad Slot

গ্রহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গ্রহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধ গ্রহের আয়তন কত?

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২১

সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ । পৃথিবীর ক্ষেত্রফল বুধের ক্ষেত্রফলের প্রায় ৭ গুণ। আয়তন: বুধের আয়তন ৬০৮২,৭২,০৮,৭৪২ ঘন কিলোমিটার। (৬০৮২ কোটি ৭২ লক্ষ ৮ হাজার ৭৪২ ঘন কিলোমিটার)।

বুধ গ্রহ

 সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ ভূত্বক আমাদের চাঁদের মত অসংখ্য খাদে পড়া এবং অভ্রতে ব্রো অসংখ্য পাহাড় আর সমতলভূমি আছে এই গ্রহে । নিজ অক্ষের ধীরগতিতে ঘুরলেও বার্ষিক গতি পেয়েছি দ্রুত মাত্র ৮৮ দিন এটি সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে । অর্থে ৮৮ দিনে এক বছর হয়, বুধ গ্রহ পৃথিবী থেকে সহজেই দেখা যায় কোন স্থিতিশীল বায়ুমণ্ডল নেই নেই কোন প্রাকৃতিক উপগ্রহ ।পৃথিবীর তুলনায় বুধ গ্রহের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় । সেখানে রাতের বেলায় তাপমাত্রা থাকে - ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের বেলায় কিছু নিরক্ষীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা থাকে ।৪৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বুধ গ্রহের সবচেয়ে উত্তপ্ত স্থান হল অর্থসহ এবং শীতলতম স্থান হল নিকটে অবস্থিত নিম্নভূমি । ৪৮০০ কিলোমিটার এবং ৪০% ২০০০ সালের নামকরণ করা হয়েছে । এবং এর জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ গ্রহণ করে বলে গ্রহের নাম রাখা হয়েছে ।


বুধ গ্রহের আয়তন কত?
বুধ গ্রহ

বুধ গ্রহের আয়তন

আয়তন: বুধের আয়তন ৬০৮২,৭২,০৮,৭৪২ ঘন কিলোমিটার। (৬০৮২ কোটি ৭২ লক্ষ ৮ হাজার ৭৪২ ঘন কিলোমিটার)।মহাশূন্য মহাকাশ হলো এক রহস্যের অতল সাগর যার কোন কূল কিনারা এখন পর্যন্ত বের করা সম্ভব হয়নি । কিন্তু মানুষ থেমে নেই তার সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে চেষ্টা করে চলেছে । এই অতন রহস্যভেদের যদিও কিছু রহস্য ভেদ করা সম্ভব হয়েছে । কিন্তু এর বেশিরভাগই রয়ে গেছে অজানা  সূর্যের সবচেয়ে কাছের এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ বুধ। সূর্যের কারণে বুধ গ্রহ পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা সম্ভব তবে নির্দিষ্ট সময়ে পশ্চিমাকাশে সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের আগে একেবারে দীর্ঘতম পর্বত কে খালি চোখে দেখা যায় । 

এবং সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে প্রদক্ষিণকালে এবং সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে কম দূরত্ব হচ্ছে ৪০ মিলিয়ন কিলোমিটার এবং সবচেয়ে বেশি দূরত্ব ৭০  কিলোমিটার । মিলিয়ন মিলিয়ন কিলোমিটারের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে । গ্রহদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট গ্রহের অন্যতম এই গ্রহটির বিষুব রেখা বরাবর ৪৮৭৯ কিলোমিটার । যেখানে পৃথিবীর ব্যাস ১২৭৪২ কিলোমিটারের মধ্যে ঘনত্বের দিক দিয়ে বুধের অবস্থান দ্বিতীয় ।আকারে ছোট হলেও এর ঘনত্ব অনেক বেশি ঘন সেন্টিমিটার ৫.৪ গ্রাম করে পদার্থ আছে ।প্রতি সেকেন্ডে ৪৮ কিলোমিটার ১৫ দিন সময় লাগে । একদিন পৃথিবীর মধ্যে অসংখ্য আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ জ্বালামুখী ১০০ থেকে ১০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত । এবং কিলোমিটার পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ । 

এর বেশিরভাগই হলোনা কেন্দ্র থেকে প্রায় ৮০০ থেকে হাজার ৯০০ কিলোমিটার পর্যন্ত লোহার বিদ্যমান আছে  বলে মনে করা হয় । এর বিস্তৃতি ৫০০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো আলোচনা করা যাক । গ্রহের চারপাশে বায়ুমণ্ডল বায়ুমণ্ডল সামান্য হিলিয়াম হাইড্রোজেন অক্সিজেন এবং সোডিয়ামের পরমাণু গুলির সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ফলে উৎপন্ন হয় । দিনের তাপমাত্রা সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে কিন্তু এখানে কোন বায়ুমণ্ডল না থাকার কারণে রাতের বেলা তাপমাত্রা কমে -১০২ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারেন । সেখানে থাকার কথা নয় কিন্তু উপরের ছবিতেবুধের উত্তর মেরুতে জমাটবাঁধা বরফের ছায়া দেখা যায় ।গ্রহটি মূলত ভারী ধাতু ও পাথর দ্বারা গঠিত ১-১০০ পর্যন্ত উঁচু ও কয়েকশো মাইল লম্বা হয়ে থাকে । বিজ্ঞানীদের মতে বিদ্রোহের আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ গুলো প্রায় ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার উঁচু হওয়া ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে কখনোই সূর্যের আলো পৌঁছায় না । এবং এ কারণে উত্তর মেরু জ্বালামুখের অভ্যন্তরে তাপমাত্রা -১৬১ ডিগ্রী সেলসিয়াস এ রকম হতে পারে । সেজন্য এখানে জমাটবাঁধা কিছু বল থাকলেও থাকতে পারে । 

এর কেন্দ্রীয় ভাগ্য হতে পারে সম্প্রতি নাসার বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে এর কেন্দ্রীয় অঞ্চলের অবস্থান গঠিত হতে পারে সাধারণত ছোটদের কেন্দ্র খুব দ্রুত শীতল হয়ে যায় । কিন্তু এর কেন্দ্রে কঠিন বস্তুর উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া সম্ভব হয়নি । হিসাব করে দেখা গেছে এর মোট আয়তনের ৪২ ভাগ এই কেন্দ্র ভাগ নিয়ে গঠিত । যেখানে পৃথিবীর ক্ষেত্রে এই মাত্র একভাগ তাপমাত্রা দিক দিয়ে বুধের অবস্থান গ্রহদের মধ্যে দ্বিতীয় । এরচেয়ে দূরে থেকেও শুক্র গ্রহের তাপমাত্রা আরও বেশি । গ্রহণীয় কোন বায়ুমণ্ডল নেই বলে এইরকম থেকে থাকে প্রচুর খানাখন্দে ভরপুর ধুমকেতু সংঘর্ষে এর পৃষ্ঠা এসব তৈরি হয়েছে । অন্যদের মতো এই প্রক্রিয়ায় এসব থেকে নিষ্কৃতি পেতে পারি নি ২৫০ কিলোমিটার এর চেয়ে বেশি বয়সে খাতকে বলা হয় ।বেসিন এই পর্যন্ত যেন পড়েছে সূর্যের খুব কাছে হবার কারণে বুধ গ্রহের যাওয়া কঠিন ।


বুধ গ্রহের মিশন

এবার চলুন জানা যাক অভিযাত্রা সম্পর্কে ১৯৭০ সালের ১০ এবং ২০০৪ সালে মেসেঞ্জার নামক দুইটি মহাকাশযানে পর্যন্ত পরিদর্শন করেন । সব গ্রহের মধ্যে সবচেয়ে চাপা অর্থাৎ আকৃতি থেকে এর কক্ষপথের বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি । ১৯৭৫ সালের মধ্যে ৪৫% ছবি তুলতে সক্ষম হয় । কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত খুব বেশি কাছে চলে যায় এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় । সূর্য থেকে এর দূরত্ব বিভিন্ন সময়ে ৪০ থেকে ৭০ মিলিয়ন কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে ।২০০৪ সালে নাসার মহাকাশযান করে যাওয়ার পর ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সালে প্রথমবার কিছু উন্নত মানের ছবি পাঠিয়েছিল ।বেসিন এই পর্যন্ত যেন পড়েছে সূর্যের খুব কাছে হবার কারণে বুধ গ্রহের যাওয়া কঠিন । ১৯৭৪ থেকে ৭৫ এর মধ্যে মেকআপ দিয়ে ৩ বার উড়ে গেছে । এ সময়ের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেকের মতো ছবি তোলা গেছে 

হলুদ গ্রহ কাকে বলা হয়?

কোন মন্তব্য নেই

শুক্রবার, ১২ নভেম্বর, ২০২১

 বায়ুমণ্ডলের উপরিতলে অ্যামোনিয়া কেলাসের উপস্থিতির জন্য শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ। ধাতব হাইড্রোজেনের মধ্যে প্রবহমান তড়িৎ প্রবাহটিকে শনির গ্রহগত চৌম্বক ক্ষেত্রের উৎস মনে করা হয়।

শনি গ্রহ সূর্য থেকে আমাদের সৌরমণ্ডলের ছয় নম্বর গ্রহ । আর জুপিটার এরপর সবথেকে বড় গ্যাশ যায়নি এখনো পর্যন্ত শনিগ্রহে মোট চারটি মিশন করা হয়েছে । পায়োনিয়ার ইলেভেন ৪১৫ ১২ এবং ক্যাশ ইন ১৯৪৮ সালের মধ্যে কেবলমাত্র একটি মিশন কমিশনের মাধ্যমে শনি গ্রহকে খুব কাছ থেকে দেখা গেছে । শনি গ্রহ সম্পর্কে জানতে পেরেছিলাম এবং সব থেকে বড় চাঁদ টাইটানে সৌরমণ্ডলের একটি বিশেষ ধরনের প্রাণী রয়েছে । বিশেষ বৈশিষ্ট্য আমাদের সৌরমণ্ডলের অন্যান্য কেমন আসে তুলনায় এই সকল ক্লান্তি পাতলা এবং অস্পষ্ট । কিন্তু সেখানে তিনি এতটাই মোটা এবং পৃথিবী থেকে টেলিস্কোপ এর লক্ষ্য করা যায় । 


হলুদ গ্রহ কাকে বলা হয়
শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ

 শনিগ্রহে ইতিহাস

হ্যালো বন্ধুরা শনিগ্রহ অজানা তথ্য যা হয়তো আগে কখনো শোনেননি এই রোমাঞ্চকর মহাযাত্রা । প্রথম আবিষ্কার কিভাবে হল ডিসকভারি তিনটে ভাগ করা যায় । প্রথম অবজারভেশন টেলিস্কোপিক অবজারভেশন এবং তৃতীয় অবজারভেশন । রাতের আকাশে কি দেখা যায় সন্ধান প্রাচীনকালে করা হয়ে গিয়েছিল প্রাচীনকালের লেখাতেই শনি গ্রহের সন্ধান মেলে । প্রাচীন গ্রিক এমনকি প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের কথা শোনা যায় । কিন্তু অ্যাস্ট্রোলজি প্রাচীন জ্যোতিষ শাস্ত্রে উল্লেখ মেয়ে হিন্দু অ্যাস্ট্রোলজি তে উল্লেখ মিলে । তাদের মধ্যে অন্যতম একটি গ্রহ ছিল ১৪ থেকে ১৮ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে । যখন টেলিস্কোপ এর বিকাশ হয় তখন শনি গ্রহ কে প্রথম ভালোভাবে দেখা যায় ।এর আগে শনি গ্রহ খালি চোখে দেখা তো সেই সময় শনি গ্রহের সম্পর্কে কেউ জানত না । যতক্ষণ না পর্যন্ত ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে গ্যালিলিওকে টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখেন । এর আগে সবাই মনে করত শনি গ্রহের দুটি রয়েছে কিন্তু টেলিস্কোপে বিকাশের পড়াশোনাকে পরিষ্কার দেখা যায় । এরপরই আমরা জানতে পারি শনি গ্রহের চাঁদ রয়েছে এরপর শুরু হয় মর্ডান অবজারভেশনে যোগ । এবং মানুষের সাহায্যে ডিটেলস স্টাডি করতে শুরু করি নাসার পাঠানো স্পেইস মিশন ইলেভেন এবং এর মাধ্যমে প্রথমবার লাইক করেছিলাম । এই মিশনের মাধ্যমে স্যাটেলাইটকে কাছ থেকে দেখলে অতীতকে জানা সম্ভব হয়নি । এবার ১৯৯৭ লঞ্চ করা হয় ক্যাসিনি হয়ে গেছে এবং যৌথ উদ্যোগে বানানো ছিল । এই মিশনকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছিল । এবং তার চাঁদকে স্টাডি করার জন্য এই মিশনের মাধ্যমে প্রায় ১৩ বছর পর্যন্ত করেছিল । এর মাধ্যমে শনি গ্রহ সম্পর্কে অজানা তথ্য সামনে আসে বিজ্ঞানীদের অবাক করেছিল ।  আমাদের পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । পৃথিবী থেকে প্রায় দ্বিগুণ আমাদের পৃথিবী থেকে ৫৮ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । সর্বপ্রথম কাজ ছিল সেটার ছবি পাঠানো সাত ভাগে বিভক্ত । প্রতিদিন একটি করে এটির সাহায্যে দেখানো হয়েছে । 

 শনিগ্রহে  রিং

শনিগ্রহে এই রিংক তৈরি হয়েছে জমা জলের ছোট ছোট পার্টিকেল তথা পাথরের টুকরো দিয়ে । এই জমা পর্টিকেলস সূর্যের রশ্মি প্লেট করে । আর এইজন্য এতবার দেখায় প্রতিদিন এর মাঝে খানিকটা করে ফাঁকা জায়গা রয়েছে এর প্রতিটি ভাগকে ক্লিয়ার ভাবে ।এত উজ্জ্বল দেখায় শনিবারের প্রতিটি দিনের মাঝে খানিকটা করে ফাঁকা জায়গা রয়েছে । এই জন্য লিঙ্গের প্রতিটি ভাগকে কিলিয়ার ভাবে দেখা যায় । এক্সপ্রেস মেশিনের সাহায্যে আমরা প্রথমবার শনি গ্রহের এত ডিটেলস দেখতে পাই । 

শনি গ্রহের চাঁদ

শনি গ্রহের টোটাল ৬২ চাঁদ রয়েছে যাদের মধ্যে ৫৩ টি চাঁদের নামকরণ করা হয়েছে । শনি গ্রহের সব থেকে বড় চাঁদ টাইটানে ৯০% দখল করে আছে ।১৮ আইটেম আপনার কখনো ভেবেছেন শনিবারের চ্যাপ্টা দেখায় । এর উত্তর এই লিংক তৈরি হয়েছে খুবই ছোট ছোট জমা বরফ দিয়ে প্রতিদিন শনি গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে চলে । এই জন্যই এই সকল দুর্নীতির চারিদিকে এভাবে অবস্থান করে । এখন প্রশ্ন হল এই দিনে সৃষ্টি কিভাবে হলো এর উত্তর সম্পর্কে বিজ্ঞানীমহলে বিভিন্ন যুক্তি রয়েছে । কমিশনের মাধ্যমে জানা যায় সেখানে তুলনায় নবনির্মিত তৈরি হয়েছে । সেগুলো তৈরি হওয়ার পর থেকে তিনি শনি গ্রহ সম্পর্কে অবাক করা তথ্য সামনে আনে ।

হলুদ গ্রহ 

 বায়ুমণ্ডলের উপরিতলে অ্যামোনিয়া কেলাসের উপস্থিতির জন্য শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ। ধাতব হাইড্রোজেনের মধ্যে প্রবহমান তড়িৎ প্রবাহটিকে শনির গ্রহগত চৌম্বক ক্ষেত্রের উৎস মনে করা হয়।

 যেহেতু শনি গ্রহের সূর্য থেকে আসা আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি আঘাতের ফলে এই সকল জমা পার্টিকেল ওয়াটার মলিকিউল পরিবর্তিত হচ্ছে । সে ম্যাগনেটোস্ফিয়ার এর মাধ্যমে বায়ুমন্ডলে বর্ষণ হচ্ছে আর এই বৃষ্টি যেন বলা হয় । যখন প্রথমবার ভয়েজার মিশনের মাধ্যমে এই বৃষ্টিতে দেখা হয়েছিল তখন বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছিলো এই একদিন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে । আগামী ৩০ কোটি বছরের মধ্যে কিন্তু কোন সিচুয়েশনে জানা যায়নি । আমাদের অনুমানের থেকে অনেকগুণ বেশি স্পীডে ধ্বংস হচ্ছে । যেখানে অনুমান করা হয় এবং আগামী ১০ কোটি বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে । এরপর শনিবার আকৃতি পৃথিবীর নয় হয়ে যাবে । কিন্তু ১০ কোটি বছর অনেকদিন যখন কাছে পৌঁছায় আশাকরি অর্থাৎ একটি প্রথমবারের মত দেখা গেছিল । তখন থেকে এখনো পর্যন্ত একই রকম রয়েছে সেখানেও একই রকম একটি স্তম্ভ রয়েছে । যেটি আকৃতি এতটাই বেশি যে গোটা পৃথিবী প্রবেশ করে যাবে ।


হলুদ গ্রহ কাকে বলা হয়
শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ

শনি গ্রহ সম্পর্কে তথ্য

 আমরা সকলেই জানি সেখানে একটি গ্যাসীয় প্লান এর অধিকাংশ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে নির্মিত । অ্যাটমোস্ফিয়ার তৈরি হয়েছে ৯.৩৫ মলিকিউলার হাইড্রোজেন এবং ৩.২৫ হিলিয়াম দিয়ে । বাকি অংশ তৈরি হয়েছে অ্যামোনিয়া অ্যাসিটিলিন ইথেন প্রোপেন মিথেন গ্যাস দিয়ে । হিলিয়াম দিয়ে বাকি অংশ তৈরি হয়েছে অ্যামোনিয়া অ্যাসিটিলিন ইথেন প্রোপেন হস্পিতাল মিথেন গ্যাসের আচরণ এর মধ্যে ৭৬৪ পৃথিবীর সহজে প্রবেশ করতে পারবে । কিন্তু মজার বিষয় হলো এভারেজ ডেনসিটি পৃথিবীর তুলনায় কত গুণ কম । এমনকি জলের থেকে ইনটেনসিটি অর্থাৎ প্লানেট কে একটি বিশালাকার সমুদ্রের জলের উপর ভেসে থাকবে ।

 আরেকটি মজার বিষয় শনিগ্রহ সম্পূর্ণ গোলাকার ৯০০০ টাকার নিচে তুলনায় লাইটওয়েট প্লানেট খুব দ্রুতগতিতে নিজের কক্ষপথে ঘরে । একজন নারী প্রগতিতে তুফান বয়ে চলে যায় ।ঘন্টায় কত কিলোমিটার যায় জীবনের থেকেও বেশি যেখানে এক ভয়ঙ্কর মহা তান্ডব লীলা বিজ্ঞানীদের অবাক করে । শনি গ্রহের সূর্য থেকে কত দূরে অবস্থিত যার কারণে এখানে সূর্য রশ্মি সূর্যের মধ্যে থাকে পুড়িয়ে দেয় ।এবং সেখানে কম্পোজিশন তাহলে জুপিটারের তুলনা এত ভয়ংকর কেন যার উত্তর মেলে ক্যামেরার সাহায্যে । ইনভার্টেড ক্যামেরার সাহায্যে দেখা যায় অধিকাংশ সৃষ্টির প্রধান কারণ একটি নিদর্শন রয়েছে যা তৈরি করে ম্যাগনেটোস্ফিয়ার ম্যাগনেটিক । এবং পৃথিবীর তুলনায় কম জোর শনিবারের সবথেকে অদ্ভুত জিনিস হল ইন্টিরিয়ার ইন্টিরিয়ার শনি গ্রহের মধ্যে প্রবেশ করবে । 

তাপমাত্রা এবং একজন স্পেশাল বাড়তে থাকবে । অন্তর্দৃষ্টির হয়েছে হাইড্রোজেন হিলিয়াম দিয়ে একটি বিশেষ ধরনের তরল পদার্থ । কেন্দ্রস্থলে তাপমাত্রা ১১৭০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে যে সূর্যের তাপমাত্রা দ্বিগুণ । সূর্য থেকে ১৫  কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শনি গ্রহের তাপমাত্রা -১৭৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস । অপরদিকে কেন্দ্রস্থলে তাপমাত্রা এত অধিক জাতীয় পর্যায়ের ভিতরে কতটা রয়েছে যাতে এত গরম তৈরি করছে । মিশনের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি জুপিটারের নিগ্রো দেশ নেই যেখানে গণমানুষের থাকা অসম্ভব । কিন্তু আমাদের সৌরমণ্ডলের পৃথিবীর সবথেকে সুন্দর প্লানেট আপনারা কি মনে করেন কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না ।

 স্টাডি করার জন্য প্রায় অসম্ভব করে চলেছে এর পর ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ প্রেসক্লাবকে শনি গ্রহের মধ্যে ফেলে দেয়া হয় । যদিও এটি ছেড়ে দেওয়া যেত কিন্তু বিজ্ঞানীরা মনে করেন শনি গ্রহের চাঁদ টাইটানে থাকতে পারে । ক্যাসিনো ব্যাটারি তৈরি হয়েছিল ২৩৮ দিয়ে একটি রেডিও একটিভ আইটেল আইটি ক্ষতি করতে পারত । তাই ক্যাসিনি ঘরের ভিতরে ফেলে দেওয়া হয় যেখানে ধনী-গরীব মসজিদে গিয়ে এর একটি অংশে পরিণত হয়েছে । 

সাড়ে তিনশো বছর ধরে বৃহস্পতির বুকে চলছে ভয়ংকর ঝড় কিন্তু কেনো?

শুক্র গ্রহতে থাকতে পারে প্রাণ, মেঘের উপরের স্তরে, জানাল গবেষণা

সৌরজগতেই পাওয়া গেলো রহস্যময় গ্রহ যার নাম প্লানেট নয়! Planet Nine


অঝোরে লোহার বৃষ্টি ভিন্‌গ্রহে একটি দিকে ও ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এল রহস্যময় তরঙ্গ

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১

 প্রায় আমাদের বৃহস্পতির মত আকারের এই ভিনগ্রহের ঝলসে যাওয়া উঠে এসেছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণা পত্রে সেই গবেষণা পত্রটির প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল ।


অঝোরে লোহার বৃষ্টি ভিন্‌গ্রহে একটি দিকে ও ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এল রহস্যময় তরঙ্গ
অঝোরে লোহার বৃষ্টি 

অঝোরে লোহার বৃষ্টি এই ভিন্‌গ্রহের একটি দিকে

 প্রায় আমাদের বৃহস্পতির মত আকারের এই ভিনগ্রহের ঝলসে যাওয়া উঠে এসেছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণা পত্রে সেই গবেষণা পত্রটির প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল । লোহার বৃষ্টি এই ভিনগ্রহের একটি দিকে লেখা হয়ে যাচ্ছে তার শরীর সোনা নয় লোহা ঝরছে ঝরে পড়ছে । একনাগাড়ে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হচ্ছে এই ভিনগ্রহের । শুধু একটি দিকেই গলে গলে আকাশ থেকে ঝরে পড়ছে অনবরত ঝাঁপিয়ে লোহার বৃষ্টি হচ্ছে । বিভিন্ন মূলকের এই গ্রহে আর ভয়ঙ্কর গনগনে তাপে জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে । সেই গ্রহের একটি দিক আগে যতটা আজ করা হয়েছিল তার চেয়েও বেশি তাপমাত্রায় পুড়ে যাচ্ছে ।  wap 786 নামের সঠিক তাপমাত্রা ২২৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ডিগ্রি ফারেনহাইট এর চেয়েও অনেক বেশি যা আমাদের সূর্যের তাপমাত্রা ডিগ্রী সেলসিয়াসের এক-তৃতীয়াংশের বেশি  । প্রায় আমাদের বৃহস্পতির মত আকারের এই ভিনগ্রহের ঝলসে যাওয়া উঠে এসেছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণা পত্রে সেই গবেষণা পত্রটির প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল ।জার্নাল গবেষণাপত্রটি জানিয়েছে আমাদের থেকে মাত্র ৬৪০ আলোকবর্ষ দূরে থাকা এই ভিন গ্রহ নক্ষত্র কে প্রদক্ষিণ করে চলেছে তার তাপমাত্রা সূর্যের চেয়েও অনেক বেশি । আর সেই গনগনে দেওয়া নক্ষত্রটি এতটাই কাছে রয়েছে প্রায় বৃহস্পতির আকারের এই ভিনগ্রহ যে পৃথিবীর মাত্র ১.৮ দিনেই সেটি তার নক্ষত্র কে প্রদক্ষিণ করে । যেখানে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর লাগে ৩৬৫ দিন কয়েক ঘণ্টা সময় ।

 শুধু তাই নয় যাদের যেমন একটি দিক সবসময় থাকে পৃথিবীর দিকে জ্যোতির্বিজ্ঞানে পরিভাষায় যাকে বলা হয় ।তাহলে সেই ভিন গ্রহ এমনই একটি দিক সবসময় থাকে তার নক্ষত্রের দিকে । সেদিকে সবসময় দিনের আলো রাতের অন্ধকার নামে না কোনোকালেই । আর ভিনগ্রহের যে দিকটি কোনদিনই নক্ষত্রের মুখ দেখতে পায় না সেই দিকটি সব সময় ঢাকা থাকে জমাট বাঁধা অন্ধকারে । এই দিকে তাপমাত্রা অন্যদিকে তুলনায় কিছুটা কম মূল গবেষক নিউইয়র্ক-এর কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক করি জয় বর্ধনের জানিয়েছেন । প্রচন্ড তাপমাত্রায় ভিনগ্রহে গলে যাচ্ছে আর সেই গলানো লোহা বাষ্পীভূত হয়ে উঠে আসছে বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে । সেখান থেকেই অত্যন্ত লোহার বাসবো ভিনগ্রহের অন্ধকারে ঢেকে থাকা দিকের কিছুটা ঠান্ডা লোহায় পরিণত হচ্ছে । অনর্গল ঝরে পড়ছে খুব গরম লোহার বৃষ্টি হয় তো কেমন লাগলো এই এক্সোপলানেট নিয়ে পোষ্টি আশা করি ভালো লেগেছে সঙ্গে থাকবে  লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানাবেন ।


অঝোরে লোহার বৃষ্টি ভিন্‌গ্রহে একটি দিকে ও ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এল রহস্যময় তরঙ্গ
রহস্যময় তরঙ্গ

ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এল রহস্যময় তরঙ্গ

ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এলো রহস্যময় তরঙ্গ চাঞ্চল্য বিজ্ঞানীমহলে । হ্যালো বন্ধুরা চলে এলাম সেই বিষয় নিয়ে আপনাদেরকে একটি ইনফরমেটিভ  পোষ্টি দিতে । মহাবিশ্বে অনন্ত পরিধিতে কত রহস্য লুকিয়ে রয়েছে আদিম যুগ থেকে সেইসব না জানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে আসছে মানুষ । অথচ আজও উত্তর মেলেনি সম্প্রতি ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে আসা এক বেতার সংকেত । হীরের চাঞ্চল্য দেখা দিলো সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এক গবেষক দল সন্ধান পেয়েছেন সেই সংকেতের তবে এই সম্পদের সন্ধান এই বছর নয় মিলেছিল দুই হাজার কুড়ি সালে প্রতি সন্তানের কথা জানা গিয়েছে। অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল প্রকাশিত গবেষণা পত্র থেকে বিশ্বের অন্যতম সংবেদনশীল রেডিও টেলিস্কোপ অস্ট্রেলিয়ান স্কোয়ার কিলোমিটার এসকেএফ গবেষকরা পেয়েছিলেন । এমন এক মহাজাগতিক বস্তুর সন্ধান উজ্জ্বলতা প্রতিমুহূর্তে বদলাচ্ছিল বস্তুটির নাম রাখা হয়েছে এ এসকেবি j730 8.2 -325 সেখান থেকে ভেসে আসছিল সংকেতটি ।ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে ভেসে এলো রহস্যময় তরঙ্গ চাঞ্চল্য বিজ্ঞানীমহলে ।

 শঙ্কিত এখনও বোঝা সম্ভব হয়নি দেখা গিয়েছে একবার সেটি প্রবল উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে । তারপর আবার ফিকে হয়ে গিয়েছে তারপর আবার সেটিকে উজ্জ্বল হয়ে উড়তে দেখা গিয়েছে সময় সময় । সেটিকে অবস্থা থেকে ১০০ গুণ বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠল দেখেছেন গবেষকরা । পরে দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক সংবেদনশীল নিরেট রেডিও টেলিস্কোপ এর উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয় কিন্তু এখনও পর্যন্ত আশ্চর্য মহাজাগতিক বস্তুর স্বরূপ বুঝে উঠতে পারেনি তারা । প্রথমে মনে করা হয়েছিল এটি হয়তো বা এক ধরনের নক্ষত্র যেখানে সারা আগুনের জলে পরে অবশ্য বোঝা যায় এটি তেমন কোন মহাজাগতিক বস্তু নয় । ঠিক এমন না হলেও এই ধরনের সংকেতের দেখা অবশ্য এর আগেও কয়েকবার মিলেছে বিজ্ঞানীদের ধারণা সম্ভবত । কোনো একটি নয় একগুচ্ছ বস্তুর সম্মিলিত সংকেতই ধরা পড়েছে টেলিস্কোপে ।দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক সংবেদনশীল নিরেট রেডিও টেলিস্কোপ এর উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয় কিন্তু এখনও পর্যন্ত আশ্চর্য মহাজাগতিক বস্তুর স্বরূপ বুঝে উঠতে পারেনি তারা ।ইনফরমেটিভ পোষ্টি  কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না সঙ্গে থাকবেন  লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানাবেন আসি আবার দেখা হবে সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।

সৌরজগতেই পাওয়া গেলো রহস্যময় গ্রহ যার নাম প্লানেট নয়! Planet Nine

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১

সৌরজগতেই পাওয়া গেলো রহস্যময় গ্রহ যার নাম প্লানেট নয়! Planet Nine
Planet Nine


 প্লানেট নয়/Planet Nine

প্লানেট নয় রয়েছে রহস্যময় গ্রহ চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন বিজ্ঞানীরা ।এই প্রাণীটি যা কিনা রহস্যময় গ্রহ যার অস্তিত্ব ও অবস্থান নিয়ে রয়েছে নানা মুনির নানা মত,কারো মতে এই গ্রহটি থাকলেও তার অবস্থান সৌরজগতের বাইরে আবার কারও মতে এই গ্রহটি আদৌ নেই। এবার জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একদল জানালেও তারা খুঁজে পেতে চলেছে রহস্য প্লানেট । হেঁটে চলেছে রহস্যময় এই গ্রহটিকে এবং এটি রয়েছে আমাদের সৌরজগতের মধ্যেই ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন রহস্যময় প্রাণী রয়েছে সৌরজগতে। 

কিন্তু আকাশগঙ্গা ছায়াপথের নানা উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের ঝলমলে আলোর আড়ালে তাকে দেখা যায় না । তাহলে তাকে কিভাবে খুজে পাওয়া যাবে এর পেছনে রয়েছে ড্রেজার ম্যাপ যা বিভিন্ন গ্রহের মহাকর্ষ বল। তো করতে পারি এই ম্যাপের সাহায্যে খুঁজে পাওয়া যাবে ২০১৪ সালে প্রথমবার সন্ধান মেলা এই গ্রহটিকে। বিজ্ঞানীদের মনে হয়েছে প্লানেটের নাইন রয়েছে সৌরজগতে মনে করা হচ্ছে ব্লুটুথ পিছনদিকে থাকতে পারে।

 প্লানেট নাইন তবে তাকে দেখা যাচ্ছে না ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও ফোন ইনস্টিটিউট অফ টেক।নোলজি ২ জ্যোতির্বিজ্ঞানী মাইক ব্রাউন ও কনষ্টানটাইনের নেতৃত্বে খুঁজে চলেছে শীঘ্রই । তারা গ্রহটিকে খুঁজে বের করতে পারবে বলে আত্মবিশ্বাসী সেই দলটি তাদের দাবি অনুমান ঠিক থাকলে দুই বছরেরও কম সময়ে সাফল্য পেতে পারে তারা। পৃথিবী থেকে কত দূরে রয়েছে গ্রহটি এতদিনের নানা গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে সেটা ঠিক মত এখনই বলা সম্ভব না ।হলেও সূর্যকে বাক্যে প্লানেট নাইনের ৭৪০০ বছর লাগে বলে নির্ণয় করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা ।সেই হিসেবে পৃথিবীতে কোন করাই যায় পাশাপাশি মনে করা হচ্ছে আকারে পৃথিবী থেকেও বড় গ্রহ।

 তবে এটির গঠন পাথুরে নাকি গ্যাসীয় তা অবশ্য এখনও প্লানেট নয় বেশ কিছু অজানা তথ্য জানা অজানার ভিড়ে এখনো জানা যায়নি । সম্পর্কে অনেকেই অনেক কৌতুহল রাখেন অনেকে  না জানা তথ্য হয়তো সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় ।প্লানেট নয় রয়েছে রহস্যময় গ্রহ চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন বিজ্ঞানীরা ।এই প্রাণীটি যা কিনা রহস্যময় গ্রহ যার অস্তিত্ব ও অবস্থান নিয়ে রয়েছে নানা মুনির নানা মত,কারো মতে এই গ্রহটি থাকলেও তার অবস্থান সৌরজগতের বাইরে আবার কারও মতে এই গ্রহটি আদৌ নেই। এবার জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একদল জানালেও তারা খুঁজে পেতে চলেছে রহস্য প্লানেট । আজ তুলে নিলাম প্লানেট নাইনের বেশ কিছু তথ্য আশা করি  আপনাদের ভালো লেগেছে সঙ্গে থাকবেন সাবস্ক্রাইব করে লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত জানাবেন।

শুক্র গ্রহতে থাকতে পারে প্রাণ, মেঘের উপরের স্তরে, জানাল গবেষণা

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১

 

শুক্র  গ্রহতে থাকতে পারে প্রাণ, মেঘের উপরের স্তরে, জানাল গবেষণা
গ্রহ

শুক্র  গ্রহতে থাকতে পারে প্রাণ

হ্যাঁ পৃথিবীর জমজ গ্রহ শুক্র থাকতে পারে প্রাণ । এই প্রাণ হতে পারে অনুজীব দ্বারা অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারে। আকাশে যাকে আমরা শুকতারা বলে চিনি জানি সেই শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে থাকতে পারে এই ধরনের অনুজীব। যে প্রাণ সালোকসংশ্লেষ এর মাধ্যমে বাঁচে পৃথিবীতে যে পদ্ধতিতে রান্নাবান্না করে উদ্ভিদ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা অ্যাস্ট্রোবায়োলজি প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র এই দাবি করেছে ।গবেষণাটির নেতৃত্বে রয়েছেন আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া স্ট্রিট পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও গবেষকরা বায়ুমন্ডলে কোন গ্যাস থাকার প্রমাণ মিলেছে ।পৃথিবীতে যেহেতু তৈরি হয়েছে মূলত অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারে এমন অনুজীবদের দৌলতে মানে এন্ড হেয়ার ব্যাকটেরিয়া তাদের দৌলতে তাই ফসফিন গ্যাসের অস্তিত্বের প্রমাণ। বেলার পর থেকে শুক্র প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে কৌতুহল এর জন্ম হয় বিজ্ঞান মহলে শুক্র গ্রহের সারফেস মানে শুক্রবার বৃষ্টি তাপমাত্রা ৪৭১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ১৮০ ডিগ্রী ফারেনহাইট এতটাই বেশি যে পৃথিবীর জমজ গ্রহ প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে। বলে এতদিন বিশ্বাসই করতে চাইতে না বিজ্ঞানীরা এই গ্রহের বাতাসের প্রায় পুরোটাই ভরা কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস অক্সিজেনের বাতাসের গতিবেগ প্রচন্ড বায়ুমন্ডলের চাপ পৃথিবীর ১০০ গুন । 

শুধু তাই নয় এতদিন তাদের ধারণা ছিল শুক্রের মেঘে জল নেই বিন্দুমাত্র সেই মেয়ে রয়েছে বিষাক্ত সালফিউরিক এসিডে। তাই আশা একরকম ছেড়েই দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা সাম্প্রতিক গবেষণা জানালো একেবারে আশা ছেড়ে দেওয়ার কারণ নেই প্রাণ থাকতে পারে। সুখের বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরের মেয়েকে সেই প্রাণ হতে পারে কোন অনুজীব যাদের বাঁচার জন্য অক্সিজেন লাগে না । যারা বাঁচে সালোকসংশ্লেষ এর মাধ্যমে তাদের বাঁচার রসদ বানিয়ে পৃথিবীতে যেভাবে বাচি অধিকাংশ উদ্বৃতি সূর্য থেকে রক্ষা করে বাঁচিয়ে রাখে চোখের বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে থাকা সেই মেঘে বিষাক্ত সালফিউরিক অ্যাসিড খুব বেশি পরিমাণে রয়েছে । বলে এতদিন যে ধারণা ছিল বিজ্ঞানীদের তাকেও কিন্তু জানিয়েছেন গবেষকরা গবেষণা পত্রটি জানিয়েছে ওই মেয়ে কতটা নাও হতে পারে সেই মেয়েকে থাকতে পারে জল্পনাও একেবারে নিচের স্তরের মেঘে সালফিউরিক এসিডের ঘনত্ব ৯৮% হলেও তার কিছুটা উপরের স্তরের মেঘের অনেকটাই কমে গিয়েছে কমবেশি ৭৫%। তার উপরের স্তর গুলির মেঘে তা অনেকটাই কম এমনকি সেখানে রয়েছে বলে দাবি গবেষণাপত্রে ।বন্ধুরা ছিল একদম অন্যরকম একটি তথ্য মূলক  আশা করি আপনাদের ভাল লেগেছে সঙ্গে থাকবেন ।

শুক্র  গ্রহতে থাকতে পারে প্রাণ, মেঘের উপরের স্তরে, জানাল গবেষণা
গ্রহ

সাড়ে তিনশো বছর ধরে বৃহস্পতির বুকে চলছে ভয়ংকর ঝড় কিন্তু কেনো?

কোন মন্তব্য নেই

শুক্রবার, ১ অক্টোবর, ২০২১

 জুপিটার মানে বৃহস্পতি এই বৃহস্পতির বুকে সাড়ে তিন দশক জুড়ে চলছে ভয়ংকর ঝড় মানেজম । আর সেই ঝড়ের গতি প্রতিনিয়তই বাড়ছে যাকে ঘিরে দৃশ্যের শেষ নেই বিজ্ঞানীদের।


সাড়ে তিনশো বছর ধরে বৃহস্পতির বুকে চলছে ভয়ংকর ঝড় কিন্তু কেনো
সাড়ে তিনশো বছর ধরে বৃহস্পতির বুকে চলছে ভয়ংকর ঝড়

কেনো সেই ঝড় 

জুপিটার মানে বৃহস্পতি এই বৃহস্পতির বুকে সাড়ে তিন দশক জুড়ে চলছে ভয়ংকর ঝড় মানেজম । আর সেই ঝড়ের গতি প্রতিনিয়তই বাড়ছে যাকে ঘিরে দৃশ্যের শেষ নেই বিজ্ঞানীদের।নতুন করে সেই ঝড়কে নজর বন্দি করেছে নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপের দেখা যাচ্ছে ২০০৯ সাল থেকে ২০০০ কুড়ি সালের মধ্যে 8 শতাংশ বেড়েছে ঝড়ের গতি । 

যা এখন বাড়িতে এসে পৌঁছেছে ৬৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় সৌরজগতে কয়টি গ্রহ কে ঘিরে বিজ্ঞানীদের কৌতুহল সবথেকে বেশি তার মধ্যে অন্যতম বৃহস্পতি। আর বৃহস্পতির গ্রেট রেড স্পট এর উপর দিয়ে বয়ে চলেছে সেই ঝড় এই অধিকারের এলাকা পৃথিবীর চেয়েও বড় গ্রেট রেড স্পট একে বলা হয় । সৌরজগতের সমস্ত ঝড়ের রাজা ২০১৭ সালে বৃহস্পতির খুব কাছে এসেছিল মহাকাশযান তখনই দেখা যায় এই ঝড়ের কেন্দ্র বৃহস্পতির আবহাওয়ায় অন্তত তিনশ কুড়ি কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে উল্লেখ্য পৃথিবীর ক্ষেত্রে তা পনেরো কিলোমিটারের বেশি হয় না। 

এর থেকে আন্দাজ করা সম্ভব পৃথিবীর সব ভয়ঙ্কর এর কাছে কার্যত কিছুই ৯৮৩০ সালে আজ থেকে প্রায় দুই শতাধিক আগে প্রথমে ঝরে সন্ধান পান জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা । প্রায় সাড়ে 300 বছর ধরে চলছে এই ধরনের দীর্ঘমেয়াদী ও ভয়ংকর ঝড় সৌরজগতের কোন গ্রহের দেখা যায়নি সেই ঝড়ের হালফিল গতিবিধি ধরা পড়েছে হাবলের তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণে যাকে ঘিরে বিজ্ঞানীরা ।ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক মাইকেলের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে জানিয়েছেন এটা হল এর পক্ষে করা সম্ভব ।আসলে বৃহস্পতির বুকে বইছে থাকায় ঝড়কে ঘিরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বরাবরই কৌতুহল কিন্তু পৃথিবী থেকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় না । এক্ষেত্রে হাজারের মতো শক্তিশালী টেলিস্কোপ ছাড়া উপায় নেই আর তাই এই সম্প্রতি ঘিরে উচ্ছ্বসিত জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা কেমন লাগলো বৃহস্পতির ভিডিও দেখতে পেলেন আপনার হাতের তলা কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না সাবস্ক্রাইব করে সঙ্গে থাকবেন আবার দেখা হবে আর লাইক আর শেয়ার করতে ভুলবেন না কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত জানাবেন আসি আবার দেখা হবে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

সাড়ে তিনশো বছর ধরে বৃহস্পতির বুকে চলছে ভয়ংকর ঝড় কিন্তু কেনো?
সাড়ে তিনশো বছর ধরে বৃহস্পতির বুকে চলছে ভয়ংকর ঝড়

এর থেকে আন্দাজ করা সম্ভব পৃথিবীর সব ভয়ঙ্কর এর কাছে কার্যত কিছুই ৯৮৩০ সালে আজ থেকে প্রায় দুই শতাধিক আগে প্রথমে ঝরে সন্ধান পান জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা । প্রায় সাড়ে ৩০০ বছর ধরে চলছে এই ধরনের দীর্ঘমেয়াদী ও ভয়ংকর ঝড় সৌরজগতের কোন গ্রহের দেখা যায়নি সেই ঝড়ের হালফিল গতিবিধি ধরা পড়েছে হাবলের তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণে যাকে ঘিরে বিজ্ঞানীরা ।

Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo