পোস্টগুলি

গ্রহ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শুক্র গ্রহ কোন দিক থেকে কোন দিকে ঘোরে?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শুক্র গ্রহ সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ, যা তার অনন্য ঘূর্ণনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। সাধারণত, সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহগুলো পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘূর্ণন করে। তবে, শুক্র গ্রহ এই নিয়মের ব্যতিক্রম। এটি ঘোরে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে, যা বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় retrograde rotation নামে পরিচিত। শুক্রের ঘূর্ণনের বৈশিষ্ট্য ১।ঘূর্ণনের গতি শুক্র গ্রহের ঘূর্ণন অত্যন্ত ধীর। এটি একবার নিজের অক্ষে সম্পূর্ণ ঘূর্ণন সম্পন্ন করতে পৃথিবীর প্রায় ২৪৩ দিন সময় নেয়। ২।অস্বাভাবিক ঘূর্ণন কক্ষপথ শুক্র গ্রহ তার অক্ষের চারপাশে প্রায় ১৭৭ ডিগ্রি কোণে ঝুঁকে থাকে। এর ফলে, এর দিন এবং রাতের চক্র পৃথিবীর তুলনায় ভিন্ন। ৩।পশ্চিম থেকে পূর্বে সূর্যোদয় শুক্র গ্রহে সূর্য উদিত হয় পশ্চিম দিক থেকে এবং অস্ত যায় পূর্ব দিকে। এটি পৃথিবীর নিয়মিত সূর্যোদয়-অস্তের ঠিক বিপরীত। আরও পড়ু ন: 500 বছর আগে পৃথিবী কেমন ছিল? কেন শুক্র গ্রহ ব্যতিক্রম? বিজ্ঞানীরা মনে করেন, শুক্র গ্রহের এই ব্যতিক্রমী ঘূর্ণনের কারণ অতীতে এক বা একাধিক বৃহৎ সংঘর্ষ, যা গ্রহটির ঘূর্ণনের গতিপথ পরিবর্তন করে দিয়েছে। আরও পড়ু ন: কোন গ্রহে সবচেয়ে বেশি হীরা আছে...

কোন গ্রহে সবচেয়ে বেশি হীরা আছে?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশের অজানা রহস্য মানুষের কৌতূহল বাড়িয়ে তোলে। পৃথিবীতে হীরা অত্যন্ত মূল্যবান এবং দুর্লভ হলেও, সৌরজগতের কিছু গ্রহে এটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, বৃহস্পতি (Jupiter), শনি (Saturn), এবং সৌরজগতের বাইরের কিছু এক্সোপ্ল্যানেটে হীরার বিশাল ভাণ্ডার থাকতে পারে।  হীরা গ্রহ ছবি।   বৃহস্পতি এবং শনি: হীরার সম্ভাব্য উৎস বৃহস্পতি ও শনি গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রচুর মিথেন রয়েছে। যখন বজ্রপাত হয়, তখন মিথেন কার্বনে রূপান্তরিত হয়। এই কার্বন কণাগুলো চরম চাপ ও তাপমাত্রার প্রভাবে হীরায় রূপান্তরিত হয়। ১।বৃহস্পতি: উচ্চচাপ ও তাপমাত্রার কারণে এখানে হীরার গঠন সম্ভব হলেও এটি তরল অবস্থায় থেকে যায়। ২।শনি: শনির বায়ুমণ্ডলে বজ্রপাত এবং চাপের কারণে হীরা তৈরি হয়। বিজ্ঞানীদের মতে, এখানে "হীরার বৃষ্টি হতে পারে। সৌরজগতের বাইরের হীরা গ্রহ সৌরজগতের বাইরের গ্রহ, যেমন ৫৫ ক্যানক্রি ই (55 Cancri e), সম্পূর্ণ হীরার তৈরি হতে পারে। এটি একটি কার্বন-সমৃদ্ধ এক্সোপ্ল্যানেট, যা উচ্চচাপের কারণে সম্পূর্ণ হীরার গ্রহ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫৫ ক্যানক্রি ই (5...

ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ কয়টি ও কি কি?

ছবি
ইউরেনাস গ্রহ ইউরেনাস সৌরজগতের একটি গ্রহ। সূর্যের দিক থেকে এর অবস্থান সপ্তম এবং আকারের বিচারে তৃতীয় বৃহত্তম। মূলত এই গ্রহটিকে অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানীই আগে লক্ষ্য করেছিলেন কিন্তু তারা এটাকে সৌরজগতের গ্রহ হিসাবে বিবেচনায় আনতে পারেননি। এই গ্রহের আবিষ্কারের সাথে উইলিয়াম হার্শেল-এর নাম বিশেষভাবে জড়িত।১৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে জন ফ্লামস্টিড অন্তত ছয়বার এই গ্রহটিকে দেখতে পান। তিনি তার নক্ষত্র তালিকায় এই গ্রহটিকে বৃষ নক্ষত্রমণ্ডলের একটি নক্ষত্র হিসাবে নামকরণ করেছিলেন ৩৪ তাউরি। ফরাসি জ্যোতির্বিজ্ঞানী পিয়েরে লেমোনিয়ার ১৭৫০ থেকে ১৭৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ভিতরে প্রায় ১২ বার এই গ্রহটি পর্যবেক্ষণ করেন। ইউরেনাস গ্রহের বলয় উপগ্রহে ছবি।   কিন্তু তিনিও একে নক্ষত্র হিসাবেই চিহ্নিত করেছিলেন। স্যার উইলিয়াম হার্শেল এই গ্রহটিকে প্রথম ১৭৮১ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ মার্চে বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং ঐ বৎসরের ২৬ এপ্রিলে একে একটি ধূমকেতু হিসাবে উল্লেখ করেন। পরে আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের পর তিনি একে সৌরজগতের গ্রহ হিসাবে স্বীকৃতি দেন। প্রথমাবস্থায় অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানীই এটা মানতে চাননি। শেষ পর্যন্ত এটিকে গ্রহ হিসাবে আন্তর...

পৃথিবীর জমজ গ্রহ কোনটি, কাকে বলে ও কেন?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌর জগৎকে যদি একটি পরিবার ধরা হয় তবে 3পৃথিবীর কিন্তু একটি যমজ বোন আছে।সেটি হলো শুক্র গ্রহ আকার-আকৃতি ও গাঠনিক উপাদানের সাদৃশ্যের জন্যই এরকমটি বলা হয়ে থাকে। সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে এটি দ্বিতীয় ও পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশি গ্রহ। সাধারণভাবে পৃথিবীর আকাশে ভোরবেলায় একে সুক তারা ও সন্ধায় সন্ধ্যা তারা নামে ডাকা হয়। কেন  শুক্র  গ্রহকে পৃথিবীর জমজ বলা হয় শুক্রকে পৃথিবীর যমজ গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করা হয় কারণ এটির আকার এবং আকৃতি অনেকটাই পৃথিবীর সাথে মেলে এবং এটির গঠনও অনেকটা একইরকমের।শুক্র গ্রহের অনেক বৈশিষ্ট্য একে সৌর জগতের ব্যতিক্রমধর্মী গ্রহ হিসাবে পরিচিত করেছে। সেসব বলার আগে ছোট্ট করে এ গ্রহের নামকরণ নিয়ে একটু বলে আসি। ২৪ ঘণ্টায় দিন আর ১২ মাসে বছর দেখে অভ্যস্ত আমরা পৃথিবীর মানুষেরা কি ভাবতে পারি সৌর জগতে এমন গ্রহও আছে যেখানে এক বছরের চেয়ে এক দিন বড়! এজন্যই শুক্রকে বাতিক্রমধর্মী বলেছিলাম। ভেনাস বা শুক্র নিজ অক্ষের মধ্যে এতটা ধীর গতিতে ঘোরে যে এটির এক দিন পৃথিবীর প্রায় ২৪৩ দিনের সমান।  আরও পড়ু ন: পৃথিবীর নিকটতম গ্রহের নাম কি অথচ আপন কক্ষপথে পৃথিব...

পৃথিবীর নিকটতম গ্রহের নাম কি

ছবি
পৃথিবীর নিকটতম  শুক্র গ্রহের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীর দুটি প্রতিবেশী গ্রহ হচ্ছে শুক্র ও মঙ্গল। এরমধ্যে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ৪.৩ কোটি কিলোমিটার এবং মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব ৭.৮ কোটি কিলোমিটার। অতএব পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র।সূর্য থেকে দূরত্ব ক্রমানুসারে গ্রহগুলোর অবস্থান: ১।প্রথমত - বুধ  ২।দ্বিতীয়ত - শুক্র ৩। তৃতীয়ত - পৃথিবী ৪। চতুর্থতম - মঙ্গল ৫। পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র শুক্র গ্রহ যার ইংরেজি নাম Venus। Venus হল সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ। এই পার্থিব গ্রহটিকে অনেক সময় পৃথিবীর বোন গ্রহ বলে আখ্যায়িত করা হয়। কারণ পৃথিবী এবং শুক্রের মধ্যে গাঠনিক উপাদান এবং আচার আচরণে বড় রকমের মিল রয়েছে। আরও পড়ু ন: লঞ্চ হয়ে গেল ওসিয়ানস্যাট ৩ ও আট ন্যানোস্যাটেলাইট, বড় চমক দেখাল ইসরো এই গ্রহটি যখন সকাল বেলায় পৃথিবীর আকাশে উদিত হয় তখন একে লুসিফার বা শয়তান নামেও ডাকা হয়ে থাকে। বাংলায় সকালের আকাশে একে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে একে সন্ধ্যাতারা বলে ডাকা হয়ে থাকে। এর কোনও উপগ্রহ নাই। আরও পড়ু ন:  বৃহস্পতির সবচেয়ে বড় উপগ্রহের নাম কি

বৃহস্পতি গ্রহের আয়তন কত?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বৃহস্পতি গ্রহ (ইংরেজি নাম Jupiter (জূপিটার্‌, আ-ধ্ব-বˈdʒu:.pɪ.tə(ɹ))।সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পঞ্চম এবং আকার আয়তনের দিক দিয়ে সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। বৃহস্পতি ব্যতীত সৌর জগতের বাকি সবগুলো গ্রহের ভরকে একত্র করলে বৃহস্পতির ভর তা থেকে আড়াই গুণ বেশি হবে। বৃহস্পতিসহ আরও তিনটি গ্রহ অর্থাৎ শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুনকে একসাথে গ্যাস দানব বলা হয়। এই চারটির অপর জনপ্রিয় নাম হচ্ছে জোভিয়ান গ্রহ। জোভিয়ান শব্দটি জুপিটার শব্দের বিশেষণ রুপ। জুপিটারের গ্রিক প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় জিউস। এই জিউস থেকেই জেনো- মূলটি উৎপত্তি লাভ করেছে।  এই মূল দ্বারা বেশ কিছু জুপিটার তথা বৃহস্পতি গ্রহ সংশ্লিষ্ট শব্দের সৃষ্টি হয়েছে। যেমন: জেনোগ্রাফিক। পৃথিবী থেকে দেখলে বৃহস্পতির আপাত মান পাওয়া যায় ২.৮। এটি পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান তৃতীয় উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। কেবল চাঁদ এবং শুক্র গ্রহের উজ্জ্বলতা এর থেকে বেশি। অবশ্য কক্ষপথের কিছু বিন্দুতে মঙ্গল গ্রহের উজ্জ্বলতা বৃহস্পতির চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। সুপ্রাচীনকাল থেকেই গ্রহটি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও জ্যোতিষীদের কাছে পরিচিত ছিল। বিভিন্ন সংস্কৃত...

সৌরজগৎ কি নিয়ে গঠিত?

ছবি
সৌরজগৎ যা কিছু নিয়ে গঠিত তার ছবি।  ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগৎ মূলত মহাকাশের গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, গ্রহাণুপুঞ্জ, গ্যালাক্সি, ধূলিকণা ও গ্যাস ইত্যাদি নিয়ে গঠিত একটি সৌর ব্যবস্থা। সৌরজগৎ মুলত ৮ গ্রহ, ১৬৬ উপগ্রহ ও অসংখ্য গ্রহাণুপুঞ্জ নিয়ে গঠিত। সৌরজগৎের প্রত্যেকটি গ্রহ ও উপগ্রহ  সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। সৌরজগৎ হল সূর্য ও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সূর্য-প্রদক্ষিণকারী তথা পরস্পরের প্রতি অভিকর্ষজ টানে আবদ্ধ মহাজাগতিক বস্তুগুলিকে নিয়ে গড়া একটি ব্যবস্থা। আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কেন্দ্রস্থল থেকে ২৬,০০০ আলোকবর্ষ দূরে কালপুরুষ বাহুতে এই গ্রহ ব্যবস্থাটি অবস্থিত। সৌরজগৎ যা কিছু নিয়ে গঠিত সৌরজগৎ সূর্য নামের একটি মাঝারী আকারের নক্ষত্র ও এর চারপাশে ঘুরতে থাকা ৮টি গ্রহ, এদের উপগ্রহ, বামন গ্রহ, উল্কা, গ্রহাণু, ধুমকেতু ইত্যাদি নিয়ে গঠিত। সৌরজগৎ এর সৌর বা Solar System এর Sol এর অর্থ সূর্য, যা প্রাচীন রোমান ভাষা থেকে আগত। অর্থাৎ সূর্যকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জগতই হচ্ছে সৌরজগৎ বা সোলার সিস্টেম। যথাঃ ১।  গ্রহ সমুহঃ সৌরজগতে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে মোট আটটি গ্রহ। গ্রহ গুলো হল...

শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু, পাথর ও মূল আসলে কি?

ছবি
শনি গ্রহের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   পৃথিবীতে   সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রত্ন হল হিরে,পোখরাজ, রুবি, নীলকান্তমণি এবং পান্না। নীলা পাথর হল শনি গ্রহের প্রতিনিধি বা Neelam Stone রত্ন। যেটিকে অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে মনে করা হয়। রত্নশাস্ত্র অনুসারে, নীলা হল শনির প্রধান রত্ন। এই পাথরের নীল রঙের কারণে একে নীলা বলা হয়। শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু হলো লোহা (Iron)। এটি একটি অস্তবিদ্যুত ধাতু এবং মৌল্যবান একটি মেটাল হিসেবে পরিচিত। লোহা মুখ্যভাবে শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু হিসেবে পরিচিত হয়েছে কারণ এটি শনি গ্রহের একটি কৃষ্টি হিসেবে পরিচিত হয়েছে এবং তার উচ্চ চোম্বক ক্ষেত্র রয়েছে যা লোহার বা ইয়ন প্রতি পর্যায়ে সৃষ্টি করতে সক্ষম। এটি পৃথিবীতে পাওয়া যায় এবং এর উপকারিতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রকাশ পায়, যেমন মেটালার্জি, নির্মাণ, পরিবহন, ইলেকট্রনিক্স, ইত্যাদি। লোহা একটি পোষক উপাদান হিসেবে পরিচিত এবং মানব শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন হতে পারে। শনি গ্রহ হলো একটি শীতল গ্রহ এবং লোহা এটির উপারোক্ষ প্রতিকার হিসেবে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আরও পড়ু ন: কালপুরুষ নক্ষত...

মঙ্গল গ্রহের আকাশের রং কি?

ছবি
মঙ্গল গ্রহের আকাশের রং ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গল হলো সূর্য থেকে চতুর্থ দূরবর্তী গ্রহ এবং বুধের পরেই সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ।ইংরেজি ভাষায় মঙ্গল গ্রহ রোমান পুরাণের যুদ্ধদেবতা মার্সের নাম বহন করে এবং প্রায়শই এই গ্রহটিকে লাল গ্রহ নামে অভিহিত করা হয়। এর জন্য দায়ী এই গ্রহের পৃষ্ঠতলে ফেরিক অক্সাইডের আধিক্য, যার ফলে গ্রহটিকে লালচে রঙের দেখায় এবং খালি চোখে দৃশ্যমান মহাজাগতিক বস্তুগুলির মধ্যে এই গ্রহটিকে স্বতন্ত্রভাবে দর্শনীয় করে তোলে। মঙ্গল গ্রহের আকাশ পৃথিবীর রাতের আকাশে মঙ্গল গ্রহ থাকলে আনাড়ি চোখও একে সহজেই চিনে ফেলে। এমন লাল আর কিছুই যে নেই রাতের আকাশে! বেটলজিউস, অ্যান্টারিস নক্ষত্ররাও লাল। তবে মঙ্গলের কাছে কিছুই নয়। কিন্তু মঙ্গল সব সময় একই রকম উজ্জ্বল থাকে না। একসময় উজ্জ্বল হতে হতে পৃথিবীর আকাশে সব নক্ষত্রের চেয়েও উজ্জ্বল হয়ে যায়। রাতের আকাশে এর চেয়ে বেশি উজ্জ্বল থাকে শুধু চাঁদ আর শুক্র। সাধারণত মঙ্গলের ভূপৃষ্ঠের রং লালচে। আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে এই লালচে রং আকাশে এর রুপ নেয় গোলাপি। আরও পড়ু ন: সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি? সূর্যের কাছাকাছি নীল রঙটি জলের বরফ...

বুধের উপগ্রহ কয়টি! আয়তন,প্রভাব ও এর কাজ কি?

ছবি
বুধের উপগ্রহ বুধ গ্রহ যার ইংরেজি নাম Mercury মার্কারি। সৌরজগতের প্রথম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ। এটি সূর্যের সর্বাপেক্ষা নিকটতম গ্রহ। এর কোনো উপগ্রহ নাই।এটি সূর্যকে প্রতি ৮৮ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে। এর উজ্জ্বলতার আপাত মান -২.৬ থেকে +৫.৭ পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু একে পৃথিবী থেকে সহজে দেখা যায় না। কারণ সূর্যের সাথে এর বৃহত্তম কৌণিক পার্থক্য হচ্ছে মাত্র ২৮.৩ ডিগ্রী। কেবল সকাল ও সন্ধ্যার ক্ষীণ আলোয় এটি দৃশ্যমান হয়। বুধ গ্রহ সম্বন্ধে সংগৃহীত তথ্যের পরিমাণ তুলনামূলক কম। বুধ অভিমুখী নভোযান মেরিনার ১০ ১৯৭৪ - ১৯৭৫ সালে অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছিল এবং মেসেঞ্জার ২০০৪ - ২০১৫ সালে ৪০০০ বার অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছিল। বুধ এর আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার বুধ গ্রহে আয়তন ৭ কোটি ৪৭ লক্ষ ৯৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার। পৃথিবীর ক্ষেত্রফল বুধের ক্ষেত্রফলের প্রায় ৭ গুণ। আয়তন: বুধের আয়তন ৬০৮২,৭২,০৮,৭৪২ ঘন কিলোমিটার। আরও পড়ু ন: বর্তমানে বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি? বুধ গ্রহের প্রভাব বুধ একটি শুভ গ্রহ এটি অশুভ পরিস্থিতি তৈরি করলে নেতিবাচক ফলাফলও দেয়। কুণ্ডলীতে বুধের অবস্থান খারাপ হলে ত্বক সংক্রান্ত ব্যাধি দেখা দেয় এবং ...

শনি গ্রহের সন্ধানে গেছে কে?

ছবি
শনি গ্রহ ও বলয়ের আকৃতি ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শনি গ্রহ যার ইংরেজি নাম: Saturn; স্যাটার্ন। সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ এবং বৃহস্পতির পরই সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এটি একটি গ্যাসীয় দৈত্য যার ব্যাসার্ধ পৃথিবীর ব্যাসার্ধের প্রায় নয় গুণ। শনি গ্রহের গড় ঘনত্ব অবশ্য পৃথিবীর গড় ঘনত্বের এক অষ্টমাংশ। কিন্তু এই গ্রহের বৃহত্তর আয়তনের জন্য এটি পৃথিবীর তুলনায় ৯৫ গুণ বেশি ভারী। শনি গ্রহের বাংলা নামটি এসেছে হিন্দু গ্রহদেবতা শনির নাম থেকে। অন্যদিকে ইংরেজি নাম স্যাটার্ন এসেছে রোমান ধনসম্পদ ও কৃষিদেবতা স্যাটার্নের নাম থেকে এবং শনির জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক চিহ্নটি উক্ত রোমান দেবতার কাস্তের প্রতীক। মানুষ কি শনি গ্রহে গেছে শনি গ্রহের অন্বেষণ শুধুমাত্র ক্রুবিহীন প্রোব দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে । তিনটি মিশন ছিল flybys।যা সিস্টেম সম্পর্কে জ্ঞানের একটি বর্ধিত ভিত্তি তৈরি করেছিল। ১৯৯৭ সালে চালু হওয়া ক্যাসিনি হাইজেন মহাকাশযানটি ২০০৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত কক্ষপথে ছিল।গ্রহের মহাকাশ গবেষণার জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মিশনগুলির মধ্যে একটি হল শনি গ্রহে ক্যাসিনি মিশন। ক্যাসিনি হল একটি অত্যাধুনিক র...

দেড় বছর পর কেন শনির বলয় উধাও হবে? জানাল নাসার বিজ্ঞানীরা

ছবি
শনি গ্রহ ও তার বলয় ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আর মাত্র  আঠারো মাস। ২০২৫ সালের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে উধাও হয়ে যাবে শনির বলয়! জানাল আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ শনি, যা বৃহস্পতির পর সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। তবে শনি গ্রহকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় করে তোলে তার বলয়।  শনিতে মোট ৮২টি বলয় রয়েছে। মূল বলয় ৭টি। এই বলয়গুলি মূলত অসংখ্য বরফ কণা, পাথরের ভগ্নাংশ ও ধূলিকণা নিয়ে গঠিত। এগুলি আসলে ধূমকেতু গ্রহাণু বা উপগ্রহের অংশবিশেষ। লক্ষ লক্ষ বছর আগে শনির কাছাকাছি এসে তার মাধ্যাকর্ষণের প্রবল টানে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল মহাজাগতিক পদার্থগুলি। এই বলয় কিন্তু চিরস্থায়ী নয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আগেই জানিয়েছিলেন সে কথা। এর আয়ু খুব বেশি হলে ১০ কোটি বছর। ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাচ্ছে বলয়। শনির বুকে আছড়ে পড়ছে বলয়ে ঘূর্ণায়মান পাথরখণ্ড। কিন্তু ১০ কোটি বছর তো দূরের কথা আর দেড় বছরের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে উধাও হয়ে যাবে শনির বলয়! শনি পৃষ্ঠ থেকে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার মাইল বিস্তৃত বলয়কে টেলিস্কোপে চোখে রাখলেই দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু ২০২৫-এ তা আর দৃশ্যমান...

মঙ্গল থেকে কিসের সঙ্কেত ভেসে এল পৃথিবীতে?

ছবি
মঙ্গল থেকে ভিন্‌গ্রহীদের সাঙ্কেতিক বার্তা উড়ে এল পৃথিবীর বুকে।  ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গল থেকে ভিন্‌গ্রহীদের সাঙ্কেতিক বার্তা উড়ে এল পৃথিবীর বুকে! বিজ্ঞানের ইতিহাসে এই প্রথম। কিন্তু লাল গ্রহ থেকে কে বা কারা এই বার্তা পাঠাল তা নিয়ে যথেষ্ট কৌতূহল তৈরি হয়েছে।মহাকাশের যে জায়গাগুলি সম্পর্কে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মনে মোটামুটি একটি ধারণা রয়েছে তার মধ্যে মঙ্গল অন্যতম। ইতিমধ্যেই ২০৩০ সালের মধ্যে মঙ্গলে অভিযানের প্রস্তুতিও শুরু করেছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তার মধ্যেই মঙ্গল থেকে পৃথিবীতে এল এই সাঙ্কেতিক বার্তা। মঙ্গল থেকে ভিন্‌গ্রহীদের সঙ্কেত মঙ্গল থেকে তবে এই সাঙ্কেতিক বার্তা কোনও ভিন্‌গ্রহীদের তরফে পাঠানো হয়নি। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ)-র তরফে এই পরীক্ষামূলক বার্তা পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে। ইএসএ এই বার্তা পাঠাতে বিশেষ এক্সোমার্স ট্রেস গ্যাস অরবিটার ব্যবহার করেছে। বিজ্ঞানীদের তরফে বার বার জানানো হয়েছে যে, মঙ্গলের আবহাওয়া এবং পরিবেশ মানুষের বসবাসের উপযুক্ত নয়। এখনও পর্যন্ত সে গ্রহে প্রাণের কোনও চিহ্ন মেলেনি।  আরও পড়ুন:  SpaceX: বিশ্বের শক্তিশালী মহাকা...

বলয় গ্রহ কাকে বলে?

ছবি
গ্রহীয় বলয় ছবি। গ্রহীয় বলয় ইংরেজি নাম Planetary ring। বলয় বলতে কোন গ্রহের চারপাশে একটি নির্দিষ্ট চাকতি আকৃতির অঞ্চলে আবর্তনরত ধূলি ও ছোট ছোট কণার বেষ্টনীকে বোঝায়। সবচেয়ে স্পষ্ট ও দর্শনীয় বলয় রয়েছে সৌর জগতের শনি গ্রহের চারপাশে। এছাড়াও সৌর জগতের অন্য তিনটি গ্যাসীয় গ্রহ বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুন চারপাশে বলয় রয়েছে। ক্যাসিনি নভোযান থেকে পাওয়া তথ্য থেকে সম্প্রতি ধারণা করা হচ্ছে যে, শনির একটি উপগ্রহের চারদিকেও বলয় রয়েছে। রিয়া নামের এই উপগ্রহের বলয় আবিষ্কৃত হলে প্রমাণিত হবে যে, উপগ্রহেরও বলয় থাকতে পারে। বলয় গ্রহ কিভাবে সৃষ্টি হল বিজ্ঞানীদের ধারনা তিনটি উপায়ে গ্রহীয় বলয় গঠিত হতে পারে যথাঃ ১। ভ্রূণ গ্রহীয় চাকতির যে উপাদানগুলো রোশ সীমার মধ্যে ছিল সেগুলো একসাথে মিলে উপগ্রহ গঠন করতে পারেনি। এরাই বলয় গঠন করেছে। ২। গ্রহটির কোন উপগ্রহ বিরাট কোন সংঘর্ষের মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে গেলে সেই ধ্বংসাবশেষ থেকে গঠিত হতে পারে। ৩। উপগ্রহটি হয়তো হঠাৎ কখনও রোশ সীমার ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। যাওয়ার সময় গ্রহের জোয়ার-ভাটা জনিত টানে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। সৌর জগতের বিভিন্ন বলয় শনির বলয় শনি গ্রহট...

শনিগ্রহে 62টি চাঁদের সন্ধান! বৃহস্পতিকে ছাপিয়ে গ্রহটি চাঁদের রাজা হয়ে গেল

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শনি গ্রহের গুচ্ছ গুচ্ছ নতুন উপগ্রহের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। উপগ্রহের সংখ্যায় শনি এ বার ছাপিয়ে গেল গ্রহরাজ বৃহস্পতিকেও। তার উপগ্রহের সংখ্যা বৃহস্পতির উপগ্রহের চেয়ে অনেক বেশি। মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক দল সম্প্রতি শনির নতুন ৬২টি উপগ্রহের খোঁজ পেয়েছে। শনির বলয়ের আড়ালে এই উপগ্রহগুলি এত দিন ঢাকা পড়ে ছিল। তাই তাদের দেখা যায়নি। নতুন গবেষণা তেমনটাই জানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। শনি গ্রহে 62টি নতুন চাঁদ আবিষ্কৃত হল কিভাবে আরও ৬২টি নতুন উপগ্রহ আবিষ্কারের ফলে শনির মোট উপগ্রহ সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১৪৫টিতে। সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির এত উপগ্রহ নেই। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৯২টি।বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, শনির উপগ্রহ খোঁজার জন্য শিফ্‌ট অ্যান্ড স্ট্যাক কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বলয়ঘেরা গ্রহটির চারপাশের পরিমণ্ডলে আরও নিবিড় ভাবে চোখ রেখেছেন গবেষকেরা। আরও পড়ুন:  বর্তমানে বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি? নেপচুন এবং ইউরেনাসের উপগ্রহ খোঁজার জন্যও একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছিল।ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিটিশ কলম্বিয়ার গবেষকেরা জানিয়েছেন ...

রাতের আকাশে নতুন ম্যাজিক! এবার পাশাপাশি দেখা যাবে শুক্র, বৃহস্পতি ও চাঁদকে

ছবি
এবার পাশাপাশি দেখা যাবে শুক্র, বৃহস্পতি ও চাঁদকে ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশের নতুন ম্যাজিক। সবুজ ধূমকেতু সৌরজগতের দূর প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে। আবার তার দেখা মিলবে ৫০ হাজার বছর পরে। স্বাভাবিক ভাবেই রাতের আকাশে যাঁরা চোখ রেখে খুঁজে চলেন মহাজাগতিক বিস্ময় তাঁদের মন খারাপ। কিন্তু এই বিষণ্ণতার মধ্যেই রাতের আকাশে নয়া ম্যাজিক দেখতে আগ্রহী তাঁরা। মহাকাশের কী সেই ম্যাজিক জানা যাচ্ছে যে, বহুদিন পরে রাতের আকাশে কাছাকাছি আসতে দেখা গিয়েছে পৃথিবীর দুই প্রতিবেশী বৃহস্পতি ও শুক্রকে। দুই দৈত্যাকার গ্রহ সবচেয়ে কাছাকাছি আসবে ১ মার্চ। এই মুহূর্তে রাতের আকাশে চোখ ফেরালে সবচেয়ে উজ্জ্বল যে দুই বিন্দুর দিকে নজর পড়ছে সেগুলি বৃহস্পতি ও  শুক্র। ফেব্রুয়ারির মাসে দুই গ্রহের মধ্যে দূরত ছিল প্রায় ২৯ ডিগ্রির। মাসের শেষে তা হতে চলেছে মাত্র ২৩ ডিগ্রি। সেই হিসেবে ১ মার্চ তাদের কার্যতই গায়ে গায়ে দেখা যাবে রাতের আকাশে।তবে তার আগে মঙ্গলবারই চাঁদকে দেখা যাবে শুক্র ও বৃহস্পতিবার একেবারে কাছে। আরও পড়ুন:  হঠাৎ তুরস্কের আকাশে এলিয়েনের UFO! এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে আনলেন বিজ্ঞানীরা একসঙ্গে তিন জ্যোতিষ...

বৃহস্পতির চারপাশে আরও ১২টি চাঁদের খোঁজ! শনিকে সরিয়ে এখন গ্রহরাজ বৃহস্পতি

ছবি
বৃহস্পতির এখন  ৯২টি উপগ্রহ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতির কক্ষপথে ঘুরছে আরও ১২টি গ্রহ। সম্প্রতি সেগুলির সন্ধান পেয়েছেন আমেরিকার জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই নয়া তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর শনির মুকুট কেড়ে নিয়েছে বৃহস্পতি।  আরও ১২টি চাঁদের খোঁজ বৃহস্পতির জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দাবি করছেন যে, বৃহস্পতিকে কেন্দ্র করে এর কক্ষপথে ওই ১২টি উপগ্রহ সমেত মোট ৯২টি উপগ্রহ রয়েছে। অন্য দিকে শনির কক্ষপথে ঘুরছে ৮৩টি উপগ্রহ। ফলে এত দিন উপগ্রহের সংখ্যার নিরিখে শনিই শীর্ষে ছিল। তবে এখন সৌরজগতে সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে বৃহস্পতির।ওয়াশিংটনের কার্নেগি ইনস্টিটিউশন ফর সায়েন্স এর জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্কট শেপার্ডের নেতৃত্বে পর্যবেক্ষণ দল বৃহস্পতির কক্ষপথে ওই ১২টি উপগ্রহ খুঁজে পেয়েছেন।  আরও পড়ুন:  উল্টো দিকে ঘুরবে এবার পৃথিবী? কী প্রভাব পড়বে জীবজগতে, জানালেন বিজ্ঞানীরা আমেরিকার মাইনর প্ল্যানেট সেন্টার সম্প্রতি এই সম্পর্কে সবিস্তার তথ্যসম্বলিত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী বৃহস্পতির ওই উপগ্রহগুলি আকারে ক্ষুদ্র।আমেরিকার মাসিক পত্রিকা স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ জানিয়...

গ্রহ গুলো গোলাকার হয় কেন! পৃথিবী সহ ব্রহ্মাণ্ডের সবগ্রহই গোলাকার এর কারণ কি?

ছবি
গোলাকার হয় কেন গ্রহ গুলো ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীটা গোলাকার তবে টেলিস্কোপ আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, শুধু পৃথিবীই নয় কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া চাঁদ সূর্য এবং গ্রহ নক্ষত্র উপগ্রহসহ মহাকাশের বেশিরভাগ বস্তুই গোলাকার হয়ে থাকে।বর্তমানে বিজ্ঞানীরা গ্যালাক্সি দিয়ে মহাকাশে উঁকি দেন।গ্রহের নিজস্ব কোনও আলো নেই, তাই এদের পর্যবেক্ষণ করা কঠিন। তারপরও অসংখ্য গ্রহ পর্যবেক্ষণ করেছেন বিজ্ঞানীরা।  ব্রহ্মাণ্ডের সবগ্রহই গোলাকার কেন? নাসা জানিয়েছিল, তারা ৫ হাজার এক্সোপ্ল্যানেটের তালিকা তৈরি করে ফেলেছে। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে এই বিপুল সংখ্যক গ্রহের সবগুলোই গোলাকার কোন ঘনকাকার, পিরামিড বা বিষম আকারের গ্রহের দেখা বিজ্ঞানীরা পাননি। কেন সমস্ত গ্রহের আকৃতি একই এবং কেন তারা সবসময় বৃত্তাকার নলাকার বা আয়তক্ষেত্রাকার নয় তা নিয়ে একটি বড় প্রশ্ন উঠেছে। কিন্ত কেন সবগ্রহ গোলাকার হয়? দেখা যাক বিজ্ঞানীরা এর কারণে কী বলছেন। কি কারণে গ্রহ গুলো গোলাকার হয় সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউএসপি জ্যোতির্বিদ্যা জিওফিজিক্স এবং বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এনোস পিকাজিও...

৯৯% মিল, সৌরজগতের বাইরে পৃথিবীর মত গ্রহের খোঁজ পেল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
৯৯% মিল রয়েছে পৃথিবী সঙ্গে এই গ্রহের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এক বছর হয়ে গেল মহাকাশে চরকিপাক খেয়ে চলেছে আধুনিক প্রজন্মের জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।মহাকাশের একঝাঁক গ্রহ নক্ষত্রের অবিশ্বাস্য কিছু ছবি তুলে ধরেছে। এবার যে প্রকৃত অর্থেই প্ল্যানেট হান্টার হিসেবে নিজেকে মেলে ধরতে সক্ষম হল টেলিস্কোপটি। তার কারণ, বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী অবজ়ারভেটরিটি আমাদের সৌরজগতের বাইরেও এমন একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছে। যা দেখতে হুবহু পৃথিবীর মতো। পৃথিবীর মত গ্রহটি দেখতে কেমন গ্র হটিকে এর আগে LHS 475b হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছিল। যার ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের সঙ্গে ৯৯% মিলে যায়। নাসার ট্রানজ়িটিং এগজ়োপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট টিইএসএস পর্যবেক্ষণ ডেটাতে প্রথম দেখার পরে গ্রহটিকে ওয়েব দ্বারা পর্যবেক্ষণ করার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। অন্যান্য গ্রহের তুলনায় এই LHS 475 b পৃথিবীর অনেক কাছের। পৃথিবী থেকে মাত্র ৪১ আলোকবর্ষ দূরে কনস্টিলেশন অক্টেনে এই গ্রহের অবস্থান। এই গ্রহটিকে নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন লাস্টিগ ইয়েগার নামের এক মহাকাশ বিশেষজ্ঞ। তিনি দাবি করেছেন যে,এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই এমন গ্রহ আছে। এখন অন...