Responsive Ad Slot

গ্রহাণু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গ্রহাণু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

গ্রহাণুর উপর হামলা চালাতে চায় নাসা পাঠাতে চলেছে মহাকাশযান মিশন ডার্ট

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২১

 এস্টোরয়েড  এর উপর এবার সরাসরি হামলা করতে চলেছে নাসা । নাসা সেই আক্রমণ চালাবে মহাকাশে ভিন মূলুক থেকে পৃথিবীর দিকে অসম্ভব গতিতে ছুটে আসা গ্রহাণুর মানে এস্টোরয়েড পথ থেকে সরিয়ে দিতে । না হলে যে পরিত্রাণ নেই সভ্যতার এই মিশনটি কবে হবে জানিয়ে দেই । হতে চলেছে আগামী ২৪ শে নভেম্বর আর মাত্র ১০ দিনের মাথায় । গ্রহাণুকে সরাসরি আক্রমণের লক্ষ্য নিয়ে এই ২৪ শে নভেম্বর মহাকাশে পাড়ি দেবে নাসার মহাকাশযান ।


গ্রহাণুর উপর হামলা চালাতে চায় নাসা পাঠাতে চলেছে মহাকাশযান মিশন ডার্ট
গ্রহাণুর উপর হামলা


ইলন মাস্ক এর সংস্থা স্পেসএক্স এর বানানো অন্নত শক্তিশালি ফ্যলকন ৯ রকেট চেপে । ক্যালিফোর্নিয়ার ভেন্ডেবার এয়ারপোর্ট স্টেশন  থেকেই হবে  আর মিশনটির নাম হচ্ছে dart । ডবল এস্টোরয়েড  রিডাইরেকশন টেষ্ট মিশন । নাসা জানিয়েছে  যে , এই যে dart মিশন অভিযানের মূলত দুটি লক্ষ্য রয়েছে

১। এক একটি মহাকাশযান ভয়ঙ্কর গতিবেগে এগিয়ে আছড়ে পড়বে একটি গ্রহাণু উপর । যে গতিতে গ্রহাণু গায়ে গিয়ে আছড়ে পড়বে নাসার মহাকাশযান তাহলে সেকেন্ডে সাড়ে ছয় কিলোমিটার একটু বেশিই । ওই গতিবেগে মহাকাশযানের আছড়ে পড়ার ফলে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা গ্রহাণুর গতিবেগ ১ শতাংশ কমে যাবে ।ফলে তার অভিমুখ কিছুটা বদলে যাবে তাতে বলা যেতে পারে পৃথিবীর বিপদ কমে যাবে । 

২। আর দুই যে প্রযুক্তির মাধ্যমে নাসা  ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ও চীন জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা গুলি । মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা মহাজাগতিক বস্তু গুলির বিপদ এড়াতে চাইছে । সেই প্রযুক্তি বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় তা পরীক্ষা করে দেখান । সেই আসন্ন বিপদ গুলির মধ্যে রয়েছে বেনু মত সুবিশাল একটি গ্রহাণু । আগামী শতাব্দীতে পৃথিবীর খুব কাছাকাছি এসে পড়ার কথা । আপাতত পৃথিবীর দিকে ধাবমান যে গ্রহাণু টিকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে তার পথ থেকে সরিয়ে দিতে চাইছেন নাসা । তার নাম হচ্ছে ড্রিমস । প্রায় দু দশক আগে যার আবিষ্কার হয়েছিল  যার ব্যস ৭৮০ মিটার । 

২০০৩ সালের এর খুব ক্ষুদ্র মানে আমাদের যাদের তুলনায় একটি চাঁদ মূল্যের লেটের হদিস মেলে । চেক প্রজাতন্ত্র দেশ ওজেজ অবজাজরি টেলিস্কোপে সেই চাঁদ । তখনই গ্রহটির নাম রাখা হয় ড্রিমস  গ্রীক অথ মানে হল জমজ । আলাদাভাবে চাদরটির নাম দেওয়া হয় ডাইমোস যার ব্যস প্রায় ৫২৫ ফুট । 

নাসার dart মিশণের অন্যতম রান্ডয়া বলেছেন মহাকাশযান ড্রিমসের ওই চাঁদের গায়ে সজোরে আছড়ে পড়বে এই dart মিশনের মহাকাশযানটি । তাতে চাঁদটির কক্ষপথের প্রদক্ষিণের সময় বদলে যাবে কম করে সাত মিনিট । তা বদলে দেবে ইনিংসের কক্ষপথের প্রদক্ষিণের সময় অভিমুখ । নাসার আরো জানিয়েছে আগামী সেপ্টেম্বরে ২০২২ সেপ্টেম্বরে এই মহাকাশযান গিয়ে আছড়ে পড়বে । তখন ড্রিমস সে চাদ  থাকবে পৃথিবী থেকে  ১ কোটি ১০ লক্ষ কিলোমিটারের মধ্যে । তার মানে এই যে ২৪ শে নভেম্বর পাঠানো হবে মহাকাশযানটি সেটি গিয়ে পৌঁছবে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে । ইনফরমেশনটা কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না । সঙ্গে থাকবেন  লাইক শেয়ার অবশ্যই করবেন আর কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত জানাবেন ।

সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহাণুর নাম কি

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০২১

 এ পর্যন্ত জানা মতে,বেষ্টনীর বৃহত্তম বস্তু হল সেরেস। গ্রহাণু বেষ্টনীর মোট ভর প্লুটোর চেয়ে যথেষ্টই কম এবং প্লুটোর উপগ্রহ শ্যারন এর প্রায় দ্বিগুণ।


সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহাণুর নাম কি
গ্রহাণু

 গ্রহাণু কি

আলোচনা করব মহাজগতের এক বিচিত্র ও অতিপরিচিত বস্তু Asteroid বা গ্রহাণু কি?  গ্রহাণু বা অ্যাস্টেরয়েড (Asteroid) মূলত পাথর খণ্ড যারা গ্রহের মতো সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে থাকে । সৌরজগতের বেশিরভাগ গ্রহাণুই মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যবর্তী অঞ্চলে পাওয়া যায়।গ্রহাণু কি এগুলো কোথায় রয়েছে মহাবিশ্বে কিভাবে ভেসে বেড়ায় আমাদের বসবাসযোগ্য পৃথিবীর ওপর এর প্রভাব এবং সে সম্পর্কে একটু ডিটেইলস এ বলোবো । গ্রহাণু হল প্রধানত পাথর দ্বারা গঠিত বস্তু যা তাকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে । আমাদের সৌরজগতের গ্রহ নক্ষত্র গ্রহ নামে পরিচিত বস্তু এরা ছোট আকারে ছোট হয় । বেশিরভাগ মঙ্গল এবং বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত গ্রহাণু থেকে নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে আবর্তন করে চলেছে । বৈজ্ঞানিকরা গবেষণা করে দেখেছেন গ্রহণের অঞ্চলে সৌরজগতের গঠনের প্রাথমিক সময় যে সকল গ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল তাদের অবশিষ্টাংশ বৃহস্পতির আদেশ দ্বারা সৃষ্ট । মহাকাশ অভিযানের কারণে অন্যের সাথে মিলিত সুযোগ পায়নি।অবশ্যই তৈরি করেছে গ্রহণ সম্পর্কে একটি গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত মঙ্গল বৃহস্পতি এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ।আকৃতিবিশিষ্ট সৌরজগতের অংশবিশেষ বিভিন্ন আকার আকৃতি বিশিষ্ট অসংখ্য গ্রহাণুপুঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে ।

 এবং চাঁদের ভর এর প্রায় ৪৫০ বিজ্ঞানীগণ । প্রথম ১৯৬১ সালে গ্রহণ করেন বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার করা গ্রহণের মধ্য এটি সব থেকে বড় গ্রহাণু । যেটি প্রথম আবিষ্কার করেন অবস্থিত গ্রহগুলি আবর্তিত হতে হতে কখনও কখনও এই পৃথিবীর নিকটবর্তী স্থানে চলে আসে । এবং পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষের একটা সম্ভাবনা তৈরি হয় টিভি মোবাইল খবর শুনতে দেখা যায় । এই দিন এই পৃথিবীর পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাবে এবং পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষ হতে পারে । যদি এর দিক পরিবর্তন করে ভবিষ্যতে নাসার বিজ্ঞানীরা এমন কিছু পরিকল্পনা করছেন । যাতে নিজের কক্ষপথে ছেড়ে আসা গ্রহাণুগুলো করে পুনরায় তাদের নিজস্ব কক্ষপথে ফিরিয়ে দেওয়া যায় । যাই হোক ভবিষ্যতে বলবে যে নাসার পরিকল্পনা কতটা সফল হবে । পৃথিবীতে গ্রহাণু জাতীয় মহাকাশ থেকে কতটা রক্ষা করতে পারবে তো বন্ধুরা আশা করছি গ্রহাণু অগ্রাহনের কি এর সম্পর্কে তোমাদেরকে সমস্ত কিছু বোঝাতে পেরেছি । এ পরবর্তীতে আমরা জানবো যে না এই গ্রহ থেকে আমাদের পৃথিবী কে রক্ষা করা যে পরিকল্পনা করছেন ।

সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহাণু

এই বন্ধুরা মহাবিশ্ব কথাটা অনেকটা রহস্যময় রহস্য ময় লাগে এই মহাবিশ্বের অনেক বিচিত্র ধরনের বস্তু রয়েছে । যেগুলোর মোট হদিশ বিজ্ঞানীরা আজও আবিষ্কৃত করতে পারেননি । এই মহাবিশ্বের একটি অংশ হলো আমাদের এই সৌরজগৎ আজকে সৌরজগৎ নিয়ে বলব না আজকে আমরা এই সৌরজগতের মধ্যে অবস্থিত গ্রহাণু বেষ্টনী নিয়ে আলোচনা করবো । তাহলে সময় নষ্ট না করে চলুন শুরু করা যাক । আমাদের সৌরজগতের মধ্যে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত মঙ্গল বৃহস্পতি কক্ষপথের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত বেষ্টনীতে গ্রহাণু । বেষ্টনী বলে গ্রহাণু কি হলো সৌরজগতের একটি অংশবিশেষ । গ্রহাণুগুলো মূলত পাথরের কোন পদার্থ দিয়ে গঠিত সূর্য থেকে দূরত্ব প্রায় ২.৩ থেকে ৩.৩ দূরত্বে অবস্থিত । ধারণা করা হয় যে সৌরজগতের গঠন কালীন সময়ে বৃহস্পতি গ্রহের মহাকাশে আকর্ষণের কারণে যে বস্তুগুলো একসাথে মিলে বড় কোন বস্তুতে পরিণত হতে পারেনি সে সকলেই বেষ্টনীতে আশ্রয় নিয়েছে । গ্রহাণু বেষ্টনীতে ১০ থেকে ২০ হাজারের বস্তু আছে ।

 যেগুলোর প্রায় এক কিলোমিটার এর উপরে এতো বস্তু থাকা সত্বেও গ্রহাণু বেষ্টনী সমগ্র পৃথিবীর ঘরের এক হাজার ভাগের এক ভাগ । থেকে সামান্য বেশি বেষ্টিত অবস্থিত গ্রহাণুগুলো খুব একটা ঘন সন্নিবেশে তো নয় । কারণ পৃথিবী থেকে প্রেরিত নভোযান গুলো কোন রকম দুর্ঘটনা ছাড়াই নিয়মিত বেষ্টনী অতিক্রম করে । যে গ্রহাণু গুলোর ব্যাস ১০ থেকে ১০ হাজারের মধ্যে সে গুলোকে বলা হয় এ বেষ্টনী । প্রায় অর্ধেক ভর্সেস ওয়ের্ নামক চারটি সর্ববৃহৎ গ্রহাণুর মধ্যে আবদ্ধ । তাদের ১০০ ভাগের চার ভাগ ভোর হলো এই গ্রহাণু বেস্ট । নির্ভর গ্রহাণু বেষ্টনীর মধ্যে সর্ববৃহৎ এবং একটি মাত্র বামন গ্রহের নাম হল সেরে ।যায ৯৫০ কিলোমিটার মাঝে সংঘর্ষের মাঝে মধ্যে ঘটে থাকে । যার ফলে গ্রহাণু পরিবার সৃষ্টি হয় যাদের কক্ষ বিশিষ্ট এবং গঠন উপাদান একই রকম ছাড়া বাকি সবগুলো গ্রহাণুর সৌরজগতের মধ্যে অবস্থিত । 

তবে ৪১০ হাইজিয়া নামক দুটি ভবিষ্যতে বামন গ্রহ শ্রেণীর মধ্যে জায়গা পাবে । এ সকল গ্রহাণুগুলো যদি সামর্থ্য হয় তাহলে এরা বামন গ্রহের কাতারে পড়বে । সর্ববৃহৎ গ্রহণ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা নেওয়া যায় এটি সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত হয় উনবিংশ শতকে । তখন সবাই সেরেস কি গ্রহ বলে মনে করেছিলেন কিন্তু পরবর্তীতে ৮৫০ এর দশকে যখন এর প্রতিবেশী আরো গ্রহাণু আবিষ্কৃত হল তখন এটিকে গ্রহাণু বলে মেনে নেয়া হয় । ২০০৬ সালের এসকে বামন গ্রহ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় । সূর্য থেকে এটি ২.৭৭ দূরত্বে অবস্থিত । এবং ৯৫০ কিলোমিটার কক্ষপথের বৈশিষ্ট্য উপর ভিত্তি করে বেষ্টনী গ্রহাণুগুলো গ্রহাণু শ্রেণী এবং পরিবার বিভক্ত করা হয় । যে গ্রহাণুগুলো অপেক্ষাকৃত বড় গ্রহাণু কে কেন্দ্র করে আবর্তন করে । সে গুলোকে গ্রহাণু বলা হয় এই সবগুলো কিন্তু তাদের মতো নয় কোন কোন গ্রহাণু মাত্র ঘুমে থেকে ধারণা করা হয় যে এই সকল ধুমকেতু পৃথিবীর পানির উৎস হিসেবে কাজ করেছিল । বৃহস্পতি গ্রহের এন এবং এল রায়ের বিন্দুগুলো যে কোন গ্রহ বৃহস্পতি ৭২৩ রেজোন্যান্স অবস্থান করছে । অর্থাৎ তারা বৃহস্পতিকে যে সময় দুইবার আবর্তন করবে । সে সময় সূর্যকে তিনবার আবর্তন করে এছাড়া উপসর্গ দেখা যায় ।

বেষ্টনী

আপনারা তো প্রায় সবাই জানেন যে আমাদের সৌরজগতের দুটি প্রধান বেষ্টনী রয়েছে । এলাকায় পারবেন আর আপনারা এটাও জানেন যে আমাদের সৌরজগতের সমস্ত  বাষ্ট্রের মধ্যে উপস্থিত রয়েছেন । তবে আপনারা কি জানেন সৌরজগতের কোথায় রয়েছে কত বছর আগে সৃষ্টি হয় আকার কি রকম কে কত সালে এই বেষ্টনী প্রথম খুঁজে পেয়েছিলেন । এছাড়া এস্টোরয়েড সম্পর্কিত আরও অনেক তথ্য রয়েছে সেগুলো যদি না জেনে থাকেন তাহলে চিন্তা করবেন না । সম্পর্কিত অনেক তথ্যই আপনারা মিস করে যাবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক । বাংলা গ্রহাণু বেষ্টনী বলা হয় এবং বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত সৌরজগতের সমস্ত গ্রহের মতো গ্রহ । সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে হাজার হাজার গ্রহাণু উপস্থিত রয়েছে । বিভিন্ন আকার ও আকৃতির হয়ে থাকে তবে এর তুলনায় আকারে অনেক ছোট হয় । তাই এদের সূত্র গ্রহ বলা হয়ে থাকে । এদের আকার ছোট ধূলিকণা থেকে হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে । স্টেট গুলি সাধারণত পাথর ও ধাতু দ্বারা গঠিত একটি মাত্রই বামন গ্রহ । উপস্থিতি রয়েছে যার নাম হল সেরা ।৫০ কিলোমিটারের সবথেকে বড় তিনটি গ্রহাণু হলো তারা যাদের প্রায় ৬০০ কিলোমিটার অনুমান করেছেন । যে আজ থেকে প্রায় চার দশমিক ৬ লক্ষ কোটি বছর আগে সৃষ্টি হয়েছিল । ২.২.২  ৩২৯ থেকে ৪০০ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত । অবস্থিত এর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এমনকি এর মধ্যে মহাকাশযান ১৫ ছাড়া সহজে যেতে পারবে ।এতে আপনার অনুমান করতে পারেন যে ২০০৮ সালে আবিষ্কৃত হয় যখন ইটালিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী কে আবিষ্কার করেন । প্রথম আবিষ্কৃত বস্তু ১৫  মাস পরেই আবিষ্কৃত হয় পরের কয়েক দশক ধরে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল । এবং আঠারোশো পঞ্চাশের দশকে গ্রহাণুর নাম দিয়েছিলেন তারপর থেকে ধীরে ধীরে সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায় । এমনকি ২০০০ সালের মধ্যে দশ লক্ষেরও বেশি গ্রহ আবিষ্কার করা হয়েছিল । অনেকেই শুনেছেন বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী ভবিষ্যতে পৃথিবী কে ধাক্কা মারতে পারে সেই জন্য বিজ্ঞানীরা বর্তমানে গ্রহ নিয়ে অনেক গবেষণা করছেন । আর এটাতো আপনারা সবাই জানেন যে এই বছর ২৯ এপ্রিল অর্থাৎ কিছুদিন আগেই ১৯৯৮ or২  গ্রহাণু দিয়ে গেছে । এই গ্রহ থেকে এসেছে এমনকি আজ পর্যন্ত যত গ্রহাণু পৃথিবীর কাছ দিয়ে গেছে সবগুলোই বেষ্টনী থেকে এসেছে । আজকের  এ পর্যন্তই  ভালো লাগলে লাইক করবেন এবং অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করবেন । 

Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo