পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মহাজাগতিক বিস্ময়! পৃথিবীর কান ঘেঁষে চলে গেল ৬টি বৃহত্তম গ্রহাণু

ছবি
পৃথিবীর কান ঘেঁষে চলে গেল ৬টি বৃহত্তম গ্রহাণু । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  কার্যত সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহটির কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল তারা। এমনিতে অবশ‌্য বৃহস্পতিবার তাদের এই তড়িৎ আগমনে পৃথিবী কিংবা পৃথিবীবাসীর জন‌্য ভয়ের কিছু ছিল না। কারণ এগুলির কোনওটাই বিপজ্জনক নয়। বরং পৃথিবীর এত কাছ দিয়ে তাদের চলে যাওয়া বিজ্ঞানীদের কাছে ‘নিয়ার আর্থ অবজেক। (এনইও’স) সম্পর্কে নজরদারি এবং এই সংক্রান্ত নানাবিধ গবেষণার কাজে আরও তথ‌্য পেতে সাহায‌্য করবে।  জানা গিয়েছে যে, ছ’টির মধে্্যে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে এসেছিল গ্রহাণু ২০২৩টিজি১৪। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ০.০১৭ অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ইউনিট বা এইউ (মানে প্রায় ২.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার) দূরত্ব রেখে চলে গেল। এই গ্রহাণুটি আকারে ছোট, এর অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ডায়ামিটার (ব‌্যাস) ১৮ থেকে ৪১ মিটারের মধে‌্য। পৃথিবীর ধার দিয়ে যাওয়ার সময় এর গতি সেকেন্ডে ৬.৯ কিলোমিটার।  বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, ছ’টি গ্রহাণুর মধে‌্য আকারে সবচেয়ে বড়টির নাম ২০২২এনভি১৬ (৩৬৩৩০৫)। সেটির অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ডায়ামিটার প্রায় ১৪০ থেকে ৩১০ মিটারের মধে‌্য। এই বৃহদাকার গ্রহাণুটি পৃথিবীর সঙ্গে...

ধরা পড়েছে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব! নভেম্বরেই মিলবে তার প্রমাণ, দাবি নাসার চিত্র পরিচালকের

ছবি
ধরা পড়েছে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং আগামীতেও চলবে। তবে এবার পৃথিবী থেকে দূরে আবারও তাদের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। আর সেই প্রমাণ আগামী নভেম্বর মাসে সর্বসমক্ষে আনা হবে। এমনটাই ঘোষণা করে চমকে দিয়েছেন নাসার চিত্র পরিচালক সাইমন হল‌্যান্ড। . সাইমন হল‌্যান্ডের দাবি করনে যে, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের উদ্যোগে হওয়া একটি কর্মসূচি বিশেষভাবে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব, প্রমাণ-সহ অনুসন্ধানের জন‌্যই গৃহীত হয়েছিল। এর সঙ্গে যুক্ত ছিল মার্ক জুকারবার্গের ব্রেকথ্রু লিসেন প্রোজেক্টও।  সেই সূত্র থেকেই খবর মিলেছে যে, ভিনগ্রহীরা যে সত্যিই রয়েছে। আর তার অকাট‌্য প্রমাণও মিলেছে। অস্ট্রেলিয়ায় পার্কস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে এলিয়েনদের পাঠানো সিগন‌্যাল। ২০১৯ সালে সেই প্রমাণ বিজ্ঞানীদের হাতে এসেছিল, কিন্তু তখন তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। আরও পড়ুন:  দৈনিক একটা করে সূর্য তার খাবার! এমনি এক ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেলেন এবার বিজ্ঞানীরা নাসার চিত্র পরিচালক সংবাদমাধ‌্যমকে জানান যে, মানুষ নয়, এমন প্রাণীর অস্তিত্ব ধরা পড়েছে পার্কস টেলিস্কোপে। পৃথিব...

কাজ করবে না আর অ্যান্টিবায়োটিক, ‘অবাধ্য’ জীবাণুর কামড়ে পৃথিবীতে প্রাণ হারাবে ৪ কোটি মানুষ!

ছবি
অ্যান্টিবায়োটিক এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   অ্যান্টিবায়োটিকের উদ্ভাবন চিকিৎসা বিজ্ঞানের যুগান্তকারী আবিষ্কারের অন্যতম। কিন্তু মুড়ি-মুড়কির মতো সেই ওষুধ খেয়ে চলাই কাল হতে চলেছে। চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করলেও ভ্রূক্ষেপ করেননি কেউ। কেননা এর ফলে একশ্রেণির জীবাণু ক্রমেই অবাধ্য’ হয়ে উঠছে। যার জেরে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণ। গবেষকরা দাবি করেছেন যে, ২০৫০ সালের মধ্যে ৪ কোটি মানুষের মৃত্যু হবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণের কারণেই। কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিডোমিওলজিস্ট জোসেফ লিওনার্দ বলেছেন যে, আমরা নিজেদের কোথায় এনে ফেলেছি এটা আমাদের বুঝতে হবে।দ্য ল্যান্সেট’-এ প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ১৯৯০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এই কারণে। আগামী সময়ে এর হার আরও বাড়বে। এবং ২০২৫ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে তা বার্ষিক ২০৪টি দেশের ২০ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ হবে। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়াবে ৩ কোটি ৯০ লক্ষের বেশি। আরও পড়ুন:  মঙ্গলে সন্ধান দেড় লক্ষ টন জল, প্রাণে...