পোস্টগুলি

যার সামনে সূর্যও বিন্দুবৎ! মহাকাশে ‘লাল দৈত্য’র ছবি তুললেন বিজ্ঞানীরা, Space News Nasa

ছবি
WOH G64  এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আপনি জানেন  সূর্য কত বড়? উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এর ভিতরে সেঁধিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর আকৃতির ১৩ লক্ষটি গ্রহ। কিন্তু সেই সূর্যকেই একটা বিন্দুর মতো মনে হবে WOH G64-র সামনে। এই নক্ষত্রটি অবশ্য আমাদের ছায়াপথের সদস্য নয়। ১ লক্ষ ৬০ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এই নক্ষত্রটি লার্জ ম্যাদেলানিক ক্লাউড ছায়াপথের তারা। এই প্রথম আমাদের ছায়াপথের বাইরের কোনও নক্ষত্রের ছবি তোলা সম্ভব হল। ইউরোপিয়ান সাউদার্ন অবজারভেটরির ভেরি লার্জ টেলিস্কোপ ইন্টারফেরোমিটারে ধরা পড়েছে এর ছবি। এই অতিকায় নক্ষত্রটি কিন্তু সত্যিই দৈত্য! আসলে কোনও নক্ষত্র বুড়ো হলে সে হয়ে ওঠে লাল দৈত্য। এক অতিকায় লাল বল হয়ে তখন সে জ্বলে থাকে আকাশে। পরে অবশ্য দ্রুত ভর হারিয়ে নিজের বাইরের স্তরগুলিকে উড়িয়ে দেবে সে। যদিও ভিতরের মূল অংশ অক্ষতই থাকবে। ঘন হয়ে সেই তারাটি পরিণত হবে শ্বেত বামনে। সেই সময় তাকে ঘিরে রাখবে এক গ্যাসের আস্তরণ। যাকে বলা হয় নেবুলা।  আরও পড়ুন:  সূর্য আর বাঁচবে কতদিন? জানাল নাসা এই অবস্থার শেষে কালো বামন হয়ে পড়বে সেই নক্ষত্র। তবে সেই দশায় পৌঁছতে এখনও দেরি রয়েছে।...

সূর্য আর বাঁচবে কতদিন? জানাল নাসা

ছবি
                                                              সূর্য জীবনকাল আর কত বছর ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সূর্য হল পৃথিবী নামের নীল রঙের গ্রহটার পাওয়ার হাউস। এই ব্রহ্মাণ্ডের অন্য কোথাও প্রাণের সন্ধান এযাবৎ মেলেনি। অন্তত সৌরজগতের আর কোথাও যে প্রাণ নেই তা একরকম নিশ্চিত যতই বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপাকে ঘিরে আশা জাগুক। কিন্তু সেই প্রাণও শূন্যে বিলীন হয়ে যাবে যদি সূর্য না থাকে। কাজেই পৃথিবীর জীবজগতের টিকে থাকার জন্য সূর্যের টিকে থাকাও একান্তই দরকার। কিন্তু এই মহাবিশ্বে সকলই ফুরায়। সূর্যও ফুরোবে নিশ্চিত।  সূর্যের  মৃত্যু  কবে খোলসা করল নাসা তার আগে বলা যাক, কত পুরনো এই সূর্য? সৌরজগতের কর্তার বয়স প্রায় সাড়ে চারশো কোটি বছর। এত বছরের আয়ু সত্ত্বেও সূর্যকে বুড়ো বলা যাবে না। কেননা নক্ষত্রের নিরিখে এ নেহাতই তুচ্ছ সময়। সেদিক বিচার করলে বলা যায় সূর্য এক মাঝবয়সি তারা। নাসার বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস যে, সূর্য তার অর্ধেক আয়ুর কাছা...

ইসরোর নতুন চমক ! লাদাখে চালু দেশের প্রথম অ্যানালগ স্পেস মিশন

ছবি
এই নতুন মিশনটি পৃথিবীর বাইরের নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে সাহায্য করবে মহাকাশচারীদের। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ইসরোর মুকুটে নয়া পালক। দেশের প্রথম অ‌্যানালগ স্পেস মিশন লে-লাদাখে চালু করল ইসরো। ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এটি একটি স্মরণীয় এবং তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। যা পরবর্তীতে মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হবে বলেই অভিমত বিজ্ঞানীদের। ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে যে, মহাকাশ অভিযানে যাওয়ার আগে পৃথিবীতেই যাতে মহাকাশের মতো কঠিন তথা প্রতিকূল পরিস্থিতি খুঁজে সেখানে মহাকাশচারীদের থাকার এবং গবেষণা চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে–সে কথা মাথায় রেখেই এই মিশন সাজানো হয়েছে। ভবিষ‌্যতের মহাকাশচারীদের এই নয়া মিশনটি পৃথিবীর বাইরের নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে সাহায্য করবে। ইসরোর হিউম‌্যান স্পেসফ্লাইট সেন্টার ছাড়াও এই অভিযানের উদে‌্যাক্তা তালিকায় রয়েছে এএকেএ স্পেস স্টুডিও, লাদাখ বিশ্ববিদ‌্যালয়, আইআইটি বম্বে। এছাড়াও সহযোগী হিসাবে রয়েছে লাদাখ অটোনোমাস হিল ডেভলপমেন্ট কাউন্সিল।  কিন্তু কেন, দেশের উত্তরতম প্রান্তের লে-লাদাখকেই বেছে নেওয়া হল ইসরোর এই মিশনের জন‌্য? আরও পড়ুন:  মহাজাগত...

মহাজাগতিক বিস্ময়! পৃথিবীর কান ঘেঁষে চলে গেল ৬টি বৃহত্তম গ্রহাণু

ছবি
পৃথিবীর কান ঘেঁষে চলে গেল ৬টি বৃহত্তম গ্রহাণু । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  কার্যত সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহটির কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল তারা। এমনিতে অবশ‌্য বৃহস্পতিবার তাদের এই তড়িৎ আগমনে পৃথিবী কিংবা পৃথিবীবাসীর জন‌্য ভয়ের কিছু ছিল না। কারণ এগুলির কোনওটাই বিপজ্জনক নয়। বরং পৃথিবীর এত কাছ দিয়ে তাদের চলে যাওয়া বিজ্ঞানীদের কাছে ‘নিয়ার আর্থ অবজেক। (এনইও’স) সম্পর্কে নজরদারি এবং এই সংক্রান্ত নানাবিধ গবেষণার কাজে আরও তথ‌্য পেতে সাহায‌্য করবে।  জানা গিয়েছে যে, ছ’টির মধে্্যে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে এসেছিল গ্রহাণু ২০২৩টিজি১৪। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ০.০১৭ অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ইউনিট বা এইউ (মানে প্রায় ২.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার) দূরত্ব রেখে চলে গেল। এই গ্রহাণুটি আকারে ছোট, এর অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ডায়ামিটার (ব‌্যাস) ১৮ থেকে ৪১ মিটারের মধে‌্য। পৃথিবীর ধার দিয়ে যাওয়ার সময় এর গতি সেকেন্ডে ৬.৯ কিলোমিটার।  বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, ছ’টি গ্রহাণুর মধে‌্য আকারে সবচেয়ে বড়টির নাম ২০২২এনভি১৬ (৩৬৩৩০৫)। সেটির অ‌্যাস্ট্রোনমিক‌্যাল ডায়ামিটার প্রায় ১৪০ থেকে ৩১০ মিটারের মধে‌্য। এই বৃহদাকার গ্রহাণুটি পৃথিবীর সঙ্গে...

ধরা পড়েছে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব! নভেম্বরেই মিলবে তার প্রমাণ, দাবি নাসার চিত্র পরিচালকের

ছবি
ধরা পড়েছে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং আগামীতেও চলবে। তবে এবার পৃথিবী থেকে দূরে আবারও তাদের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। আর সেই প্রমাণ আগামী নভেম্বর মাসে সর্বসমক্ষে আনা হবে। এমনটাই ঘোষণা করে চমকে দিয়েছেন নাসার চিত্র পরিচালক সাইমন হল‌্যান্ড। . সাইমন হল‌্যান্ডের দাবি করনে যে, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের উদ্যোগে হওয়া একটি কর্মসূচি বিশেষভাবে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব, প্রমাণ-সহ অনুসন্ধানের জন‌্যই গৃহীত হয়েছিল। এর সঙ্গে যুক্ত ছিল মার্ক জুকারবার্গের ব্রেকথ্রু লিসেন প্রোজেক্টও।  সেই সূত্র থেকেই খবর মিলেছে যে, ভিনগ্রহীরা যে সত্যিই রয়েছে। আর তার অকাট‌্য প্রমাণও মিলেছে। অস্ট্রেলিয়ায় পার্কস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে এলিয়েনদের পাঠানো সিগন‌্যাল। ২০১৯ সালে সেই প্রমাণ বিজ্ঞানীদের হাতে এসেছিল, কিন্তু তখন তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। আরও পড়ুন:  দৈনিক একটা করে সূর্য তার খাবার! এমনি এক ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেলেন এবার বিজ্ঞানীরা নাসার চিত্র পরিচালক সংবাদমাধ‌্যমকে জানান যে, মানুষ নয়, এমন প্রাণীর অস্তিত্ব ধরা পড়েছে পার্কস টেলিস্কোপে। পৃথিব...

কাজ করবে না আর অ্যান্টিবায়োটিক, ‘অবাধ্য’ জীবাণুর কামড়ে পৃথিবীতে প্রাণ হারাবে ৪ কোটি মানুষ!

ছবি
অ্যান্টিবায়োটিক এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   অ্যান্টিবায়োটিকের উদ্ভাবন চিকিৎসা বিজ্ঞানের যুগান্তকারী আবিষ্কারের অন্যতম। কিন্তু মুড়ি-মুড়কির মতো সেই ওষুধ খেয়ে চলাই কাল হতে চলেছে। চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করলেও ভ্রূক্ষেপ করেননি কেউ। কেননা এর ফলে একশ্রেণির জীবাণু ক্রমেই অবাধ্য’ হয়ে উঠছে। যার জেরে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণ। গবেষকরা দাবি করেছেন যে, ২০৫০ সালের মধ্যে ৪ কোটি মানুষের মৃত্যু হবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণের কারণেই। কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিডোমিওলজিস্ট জোসেফ লিওনার্দ বলেছেন যে, আমরা নিজেদের কোথায় এনে ফেলেছি এটা আমাদের বুঝতে হবে।দ্য ল্যান্সেট’-এ প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ১৯৯০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এই কারণে। আগামী সময়ে এর হার আরও বাড়বে। এবং ২০২৫ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে তা বার্ষিক ২০৪টি দেশের ২০ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ হবে। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়াবে ৩ কোটি ৯০ লক্ষের বেশি। আরও পড়ুন:  মঙ্গলে সন্ধান দেড় লক্ষ টন জল, প্রাণে...

পৃথিবী কি পুরুষ-শূন্য হয়ে যাবে? আশঙ্কার কথা জানাল গবেষণা

ছবি
ক্রোমোজোমে এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   কন্যাভ্রূণ হত্যার কথা প্রায়ই শোনা যায়। পুত্রসন্তানের জন্ম না দেওয়ায় মহিলার উপর নির্যাতনের খবরও সামনে আসে। কিন্তু, বিজ্ঞান বলছে যে, সন্তান পুত্র না কন্যা হবে, তা নির্ভর করে তার পিতার ক্রোমোজোমোর উপর। পুরুষের ওয়াই ক্রোমোজোমের সাহায্যেই একজন নারী পুত্রসন্তানের জন্ম দিতে পারেন। কিন্তু, সেই ওয়াই ক্রোমোজোমই যদি ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়? তাহলে কি আর পৃথিবীতে পুরুষের অস্তিত্ব থাকবে? এক গবেষণায় ওয়াই ক্রোমোজোম নিয়ে এমনই আশঙ্কার কথা শোনালেন গবেষকরা। মানুষের দেহে প্রতি কোষে একজোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে। নারীর দেহে দুটোই এক্স ক্রোমোজোম। আর পুরুষের দেহে একটি এক্স ও অপরটি ওয়াই ক্রোমোজোম। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে যে, ডিম্বাণুর নিষেক ঘটে সেটি এক্স ক্রোমোজোম বহনকারী না ওয়াই ক্রোমোজোম বহনকারী শুক্রাণুর সঙ্গে মিলিত হচ্ছে, তার উপরই নির্ভর করে মেয়ে না ছেলে হবে। প্রসেডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স জার্নালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে ওয়াই ক্রোমোজোমের সংকোচন নিয়ে। বছর দুয়েক আগের ওই গবেষণাপত্র বলছে যে, মানুষের ওয়াই ক্রোমোজোম ক্রমশ সঙ্কুচিত হচ্ছে। বিজ...