পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পৃথিবী কেন ধ্বংস হবে?

ছবি
পৃথিবী ধ্বংসে প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিজ্ঞানীদের দাবি পৃথিবীতে প্রথম প্রলয় আসে ৪৪৩ মিলিয়ন বছর আগে। এর নাম দেওয়া হয় এন্ড অর্ডোভিসিয়ান। এই সময় পৃথিবীর সমস্ত জল বরফে পরিণত হতে থাকে।সাগরে বসবাসকারী প্রাণীরা মারা যেতে থাকে। এই সময় প্রায় ৮৬টি প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যায়। ২০১৭ সালের বর্তমান জীববিজ্ঞান জার্নালে বিশদভাবে এই প্রলয়ের ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পৃথিবী ধ্বংস হবে দ্বিতীয় প্রলয় হয় প্রায় ৩৫৯ থেকে ৩৮০ মিলিয়ন বছর আগে। একে বলা হয় এন্ড ডেভোনিয়ান। আগ্নেয়গিরির আকস্মিক সক্রিয়তার কারণে এই প্রলয় আসে। অক্সিজেনের মাত্রা কমতে শুরু করে। তখন উপস্থিত প্রায় ৭৫ শতাংশেরও বেশি প্রজাতি বিলুপ্ত হয়। অনেক মাছ ধ্বংস হয়ে যায়। মজার বিষয় হল যে, ছোটো প্রজাতির প্রাণীরা বেঁচে ছিল। সেখান থেকেই উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিভাজন শুরু হয়।  এবার ষষ্ঠবারে প্রলয় আসার পালা। এই নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন। কীভাবে আসলে সেই প্রলয় বা ধ্বংসলীলা কেন এবং কখন?এই প্রসঙ্গে নয়ের দশকে বিখ্যাত জীবাশ্মবিদ রিচার্ড লিকি সতর্ক করেছিলেন যে, ষষ্ঠ বিলুপ্তির জন্য মানুষই দায়ি হবে। কারণ হি...

পৃথিবীকে কিভাবে বদলে দিচ্ছে মনুষ্য যুগ?

ছবি
প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মনুষ্যযুগ বা অ্যান্থ্রোপসিন। মধ্য বিংশ শতকেই পৃথিবী পা রেখেছে এই যুগে। এই গ্রহ জুড়ে রাজত্ব করছে মানুষ। এমনই দাবি করছেন একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের ব্যাখ্যা এই যে, পৃথিবীর প্রায় এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে মানুষের পা পড়েনি। বায়ুমণ্ডলে শ্বাসরুদ্ধ করা গ্রিনহাউস গ্যাস, মাইক্রোপ্লাস্টিকের বাড়বাড়ন্ত, ক্ষতিকর রাসায়নিক, পুরনো মোবাইল ফোন থেকে মুরগির হাড সবেতেই মানুষের কর্তৃত্ব ও তার জেরে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ স্পষ্ট।  মানুষেই পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যা প্রমাণ করে দেয় যে অ্যান্থ্রোপসিন শুরু হয়ে গিয়েছে।২০০৯ সাল থেকে একদল বিজ্ঞানী অ্যান্থ্রোপসিন সংক্রান্ত গবেষণা করে চলেছেন। আগামিকাল তাঁদের সর্বশেষ রিপোর্টটি প্রকাশিত হতে চলেছে। খাতায়কলমে বর্তমানে হলোসিন অধ্যায় চলছে। এই যুগ শুরু হয়েছিল ১১,৭০০ বছর আগে। শেষ গ্লেসিয়াল পিরিয়ড-এর পরে। কিন্তু এই মুহূর্তে বিজ্ঞানীদের দাবি যে, মানুষের কার্যকলাপের প্রভাবে হলোসিন শেষ হয়ে মধ্য বিংশ শতকেই অ্যান্থ্রোপসিন শুরু হয়ে গিয়েছে। এ নিয়ে দীর্ঘ বিতর্কও রয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, জাপানের বেপু বেতে সমুদ্রের নী...

চাঁদে, মঙ্গলে হবে যৌথ অভিযান! এবার ইসরোর সহযাত্রী হচ্ছে নাসা

ছবি
ইসরোর সঙ্গে হবে যৌথ অভিযান! চাঁদে, মঙ্গলে ও  আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সহযাত্রী নাসা ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এবার মহাকাশেও জোট বাঁধছে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন। আমেরিকার মহাকাশ সংস্থা নাসার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো বছর কয়েক আগেই আর্থ অবজ়ারভেশন উপগ্রহ নিসার বানানোর উদ্যোগে হাত দিয়েছিল। এবার যৌথ ভাবে মহাকাশ অভিযানেও নামতে চলেছে দুই দেশ। নাসা ও ইসরো চুক্তিতে কি কি আছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমেরিকা সফরের সময়ই মহাকাশ অভিযানে যৌথ পদক্ষেপের লক্ষ্যে আর্টেমিস চুক্তিতে সই করেছে ভারত। এর ফলে ভবিষ্যতে চাঁদে মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্যে নাসা আর্টেমিস মিশনের অংশীদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ইসরোর। পাশাপাশি মঙ্গল অভিযানেও হাত মেলাতে পারে ইসরো এবং নাসা। যৌথ উদ্যোগে ২০২৪ সালেই মহাকাশচারী পাঠানো হতে পারে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে।  আরও পড়ুন:   মহাকাশচারীরা মহাকাশস্টেশনে কিভাবে চুল কাটেন! তা দেখালো এবার চীন প্রসঙ্গত, ভারত ছাড়াও আর্টেমিস চুক্তিতে সাক্ষরকারী সাতটি দেশ রয়েছে।বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর যে, আর কয়েক বছরের মধ্যেই ইসরোর সঙ্গে যৌথ ভাবে মঙ্গল, শ...