পোস্টগুলি

নতুন সুপার পৃথিবী খুঁজে পেলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা, জানুন তার সব তথ্য

ছবি
একটি লাল বামন নক্ষত্র  চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে ছবি। নতুন সুপার পৃথিবী কিভাবে খুঁজে পেলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা  ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সম্প্রতি এক নতুন একটি সুপার আর্থ আবিষ্কার করেছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ।এই exoplanet আয়তনে আমাদের পৃথিবীর থেকে প্রায় চারগুণ বড়। জানা গিয়েছে যে, এই exoplanet এর নাম Ross 508 b ।একটি লাল বামন নক্ষত্র অর্থাৎ red dwarf star এর সূর্যের চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে এই exoplanet ।এই red dwarf star এর নাম রাখা হয়েছে Ross 508 b ।এই নক্ষত্রটি আমাদের পৃথিবী থেকে ৩৬.৫ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থান করছে । তবে এটাকে খালি চোখে দেখা প্রায় অসম্ভব ।কারন এটি এতই ম্লান যে খালি চোখে নজরে আসে না ।জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, এই  Super earth তার host star এর habitable zone বা বসবাসযোগ্য এলাকায় রয়েছে। জাপানের অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি একটি জার্নালে এই আবিষ্কার সংকান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে সংগৃহীত হয়েছে ।জানা গিয়েছে যে, এই Ross 508 b গ্রহটি তার host star- কে যে দূরত্ব থেকে প্রদক্ষিণ করে তা ওই গ্রহের পৃষ্ঠদে...

অদ্ভুত কিছু ঘটছে সৌরজগতে! জানালেন নাসা-র বিজ্ঞানীরা

ছবি
অদ্ভুত কিছু ঘটছে সৌরজগতে প্রতীক ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ হারের অধ্যয়ন। বহুকাল ধরেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মুগ্ধ করেছে এই বিষয়। আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে ১৯২০ এর দশকে জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন পি. হাবল এবং জর্জেস লেমাইত্রের প্রাথমিক গবেষণা। আর সেখান থেকে ১৯৯০ এর দশকের শেষের দিককার ডার্ক এনার্জির খোঁজ। মহাবিশ্বের বিবর্তন বরাবরই বিজ্ঞানীদের পছন্দের বিষয়। সৌরজগতে অদ্ভুত কিছু ঘটছে আর বর্তমানে সেই বিষয়ের অধ্যয়নে বিজ্ঞানীদের প্রধান অস্ত্র হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। সেখান থেকে প্রাপ্ত ডেটা থেকেই মিলেছে এক নতুন সম্ভাবনা। মহাবিশ্বে কতটা দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করছেন গবেষকরা। আর তার থেকেই তাঁদের বক্তব্য অদ্ভুত কিছু ঘটছে।নাসা-র মতে, হাবল স্পেস টেলিস্কোপের প্রদত্ত তথ্যানুসারে প্রত্যাশিত হারের তুলনায়, আরও দ্রুত হারে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত নাসা এই অসঙ্গতির পিছনে কোনও নির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেনি। আরও পড়ুন:   গ্রিনহাউস গ্যাসের ফলে, শুকিয়েছিল মঙ্গলের নদ-নদী, দাবি নয়া গবেষণায় স্পেস টেলিস্কোপ সায়েন্স ইনস্টিটিউট এবং ম...

গ্রিনহাউস গ্যাসের ফলে, শুকিয়েছিল মঙ্গলের নদ-নদী, দাবি নয়া গবেষণায়

ছবি
শুকিয়েছিল মঙ্গলের নদ-নদী ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ধরাধামে বসতি গড়ে মানুষ বেশ খুশি। শস্য শ্যামলা ধরিত্রীর স্থলভাগের সম্পূর্ণ অংশকে বাসযোগ্য করে তুলতে বদ্ধপরিকর মানুষ। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, মানুষের চেয়ে উন্নততর প্রাণীর অস্তিত্ব যদি থেকে থাকে তাহলে, তাদের পছন্দের বাসস্থান হবে মঙ্গল। পৃথিবীর পড়শি গ্রহে জলের সন্ধান পেলেই বাসস্থানের ব্যবস্থা হতে পারে। এই সংক্রান্ত গবেষণায় কাজ করতে করতে সম্প্রতি অন্য একটি সূত্র হাতে এসেছে বিজ্ঞানীদের।  শুকিয়েছিল মঙ্গলের নদ-নদী তা আরও বিস্ময় উদ্রেগকারী। বলা হচ্ছে যে, জলময় লালগ্রহ আচমকা শুকিয়ে খটখটে হয়ে যাওয়ার পিছনে অন্য কারণ খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা।মঙ্গল কি আদৌ মানুষের বাসযোগ্য? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে মঙ্গলের মাটিতে ঘোরাফেরা করে বেড়াচ্ছে নাসার মঙ্গলযান কিউরিওসিটি। রোভার পার্সিভিয়ারেন্স এর উচ্চপ্রযুক্তির লেন্স আর সঙ্গে থাকা ছোট্ট ল্যাবরেটরিতে মঙ্গলের মাটি পরীক্ষা চলছে। লালগ্রহের মেরুপ্রদেশ নিরক্ষীয় অঞ্চলের আবহাওয়া কেমন তা পরখ করে দেখছে নাসার যান।কিউরিওসিটির চোখে ধরা পড়েছে মঙ্গলে নদীর অস্তিত্ব ছিল। কিন্তু অনেক আগেই তা...

নক্ষত্রদের সংঘর্ষে মহাকাশে জন্ম নিল কৃষ্ণগহ্বর! টেলিস্কোপে প্রমান করলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা

ছবি
তারাদের সংঘর্ষে কিভাবে মহাকাশে জন্ম হয় ব্ল‍্যাক হোলের ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাকাশ গবেষণায় যে কোনও সাফল্যে সবার আগে উঠে আসে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার কিংবা ইউরোপীয় কোনও সংস্থার। কিন্তু এ বিষয়ে যে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণাও পিছিয়ে নেই তার প্রমাণ মিলল। বিশ্বের মহাকাশ বিজ্ঞানীরাই ভারতের কীর্তিকে ধন্য ধন্য করলেন। তারাদের সংঘর্ষে কিভাবে মহাকাশে জন্ম হয় ব্ল‍্যাক হোলের  নিলনিজেদের তৈরি টেলিস্কোপে মহাকাশে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের জন্ম চাক্ষুষ করলেন ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তাঁদের তৈরি ক্যাডমিয়াম জিঙ্ক টেলুরাইড ইমেজারের মাধ্যমে ধরা পড়েছে জন্মবৃত্তান্ত। ইন্টার ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের মতে, ভারতের এই কৃতিত্ব ব্ল্যাক হোল সংক্রান্ত গবেষণাকে আরও খানিকটা এগিয়ে দিল। বিশালদেহী নক্ষত্রদের সংঘর্ষে মহাকাশে তৈরি হয় কৃষ্ণগহ্বর। বিরাট হাঁ-মুখ অন্ধকার গর্ত।যার অসীম আকর্ষণ এড়াতে পারে না আলো। আলোক তরঙ্গ এর মধ্যে দিয়ে যেতে গেলেই তা গিলে খায়। মৃত নক্ষত্র থেকেও এই ব্ল্যাক হোল তৈরি হতে পারে। সাড়ে ৬ বছর আগে এই যন্ত্রটি প্রথম ...

সৌরজগতের বাইরে মহাকাশযান ভয়েজার ১ রহস্যজনক আচরণ করছে

ছবি
মহাকাশযান ভয়েজার ১ এর ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আজ থেকে ৪ বছর আগে সৌরজগতের প্রান্তসীমা ছাড়িয়ে অসীমের পথে ছুটতে শুরু করে মহাকাশযান ভয়েজার ১। ১৯৭৭ সালে পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরু করে এ মহাকাশযান সব মিলিয়ে প্রায় ৪৫ বছর যাত্রা করেছে  এই  মহাকাশে। ভয়েজার ১ এখন কোথায এ মহাকাশযান এখন পৃথিবী থেকে ২ হাজার ৩৩০ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরুর পর ২০১৮ সালে এটি সৌরজগতের প্রান্তসীমা ছাড়িয়ে যায়। বিশাল এই পথ পাড়ি দিয়েও এখনও ঠিকঠাক কাজ করে যাচ্ছে এটি। নাসা থেকে বিজ্ঞানীরা যেসব কমান্ড দিচ্ছেন ভয়েজার সেটি গ্রহণ করছে ও সে অনুযায়ী কাজও করছে। এরপর তথ্য সংগ্রহ করে তা পৃথিবীতেও পাঠাচ্ছে।  বর্তমান ভয়েজার ১কিভাবে কাজ করছে সম্প্রতি এ মিশনের বিজ্ঞানীরা অদ্ভুত কিছু বিষয় লক্ষ্য করছেন। এই মহাকাশযানকে যা নিয়ন্ত্রণ করছে সেই অ্যাটিটিউড আর্টিকুলেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেমে (এএসিএস) যে তথ্য আসছে।আর ভয়েজার আসলে যা করছে তা মিলছে না। তবে এএসিএস এটুকু নিশ্চিত করেছে যে, ভয়েজারের হাই-গেইন অ্যান্টেনা এখনও পৃথিবীর দিকেই মুখ করা আছে, যাতে মহাকাশযানটি না...

মঙ্গলে প্রচুর পরিমান জল রয়েছে, সন্ধান দিল চিনের জুরং রোভার

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এবার মঙ্গলের মাটিতে গবেষণা চালিয়ে চিনের রোভার দাবি করল মঙ্গলে অবশ্যই জল ছিল। এবং সেটাও ততটা প্রাগৈতিহাসিক সময়ে নয় যতটা ভাবা হয়।গত ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলের কক্ষপথে ঢুকে পড়েছিল চিনের মহাকাশযান। মে মাসে মঙ্গলপৃষ্ঠে অবতরণ করেছিল বেজিংয়ের মঙ্গলযান তিয়ানওয়েন-১ । তারপর থেকে মঙ্গলপৃষ্ঠে ঘুরে বেড়িয়ে নমুনা সংগ্রহের কাজ করেছে রোভার জুরং।  মঙ্গলে  মাটিতে  জুরং রোভার খুজেঁ পেল জল সেই রোভারেরই সংগ্রহ করা হাইড্রেটেড খনিজের নমুনায় মিলেছে মঙ্গলে জল থাকার চিহ্ন। মনে করা হচ্ছে যে, ৩০০ কোটি বছর আগেই হয়তো জল ছিল লালগ্রহে। সায়েন্স অ্যাডভান্সেস নামের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে যে,এই সংক্রান্ত এক গবেষণাপত্র। গবেষকদের দাবি করেন, রোভার সংগৃহীত নমুনা থেকে দেখা যাচ্ছে যে, মঙ্গলের মাটিতে ভূগর্ভস্থ জল ও বরফগলা জলের অস্তিত্ব ছিল একসময়। তারই চিহ্ন রয়ে গিয়েছে। এবং এো দাবি করা হয়েছে সম্ভবত দীর্ঘ সময় ধরেই জলের অস্তিত্ব ছিল প্রতিবেশী গ্রহে।মঙ্গলে জলের অস্তিত্ব নিয়ে এর আগে আমজনতার কৌতূহল বাড়িয়ে তুলেছিল পারসিভিয়ারেন্স। সেই সময় কিছু পাথরের ছবি সোশ্যাল মিডিয়া...

মাটিতে খসে পড়ল রহস্যময় ধাতব গোলক, চাঞ্চল্য গুজরাটে

ছবি
মাটিতে খসে পড়ল রহস্যময় ধাতব গোলক, চাঞ্চল্য গুজরাটে ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আচমকাই মাটিতে ভারী কিছু পড়ার শব্দ। আওয়াজ শুনে ভূকম্পনের আতঙ্কে দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন গুজরাটের তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা। গিয়ে তাঁরা তো তাজ্জব? আকাশ থেকে খসে পড়েছে  ধাতব গোলক’ বা উল্কাপিণ্ডের মতো বস্তু। আনন্দ জেলার তিন তিনটি জায়গায় এই আশ্চর্য ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে, বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ আনন্দ জেলার ভালেজ খাম্ভোলজ এবং রামপুরায় তিনটি ধাতব গোলক হঠাৎই আকাশ থেকে উড়ে এসে মাটিতে পড়ে। প্রতিটি গ্রামই পরস্পরের থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে। গোলকগুলির একেকটির ওজন প্রায় কেজি পাঁচেক। এরপরই গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। ঘটনাটির তদন্ত করতে ইতিমধ্যেই আমেদাবাদ ও গান্ধীনগর থেকে ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশও পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তৎপর হয়েছে। আরও পড়ুন:  এবার চাঁদের মাটিতে গাছের জন্ম দিয়ে ইতিহাস গড়লেন বিজ্ঞানীরা প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে যে, এই ধাতব গোলকগুলি কোনও কৃত্রিম উপগ্রহের ধ্বংসাবশেষ। ...