পোস্টগুলি

প্রথমবার 5G স্যাটেলাইট মহাশূন্যে পাঠাল এলন মাস্কের SpaceX, রেকর্ড গড়বে এবার ইন্টারনেট স্পিড

ছবি
5G স্যাটেলাইট রেকর্ড গড়বে এবার ইন্টারনেট স্পিড ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বর্তমানে 5G ইন্টারনেট পরিষেবা আলোচনার তুঙ্গে। ইন্টারনেটে সেকেন্ডেই সব কাজ হয়ে যাবে।তাই ইন্টারনেটে নিয়ে মানুষেরও আগ্রহের শেষ নেই। আর তার মধ্য়েই টেলিকম কোম্পানিগুলিও হাত ধুয়ে লেগে পড়েছে সব জায়গায় 5G ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করতে। কিন্তু এলন মাস্কের কোম্পানি স্পেসএক্স কিন্তু এই সব থেকে বেশ অনেকটাই এগিয়ে। সারা বিশ্বে 5G ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়ার জন্য মহাকাশে ২৫০টি স্যাটেলাইটের 5G Satellite একটি নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে।  ২৫০টি 5G স্যাটেলাইট কারা তৈরি করেছে? আর এই অবিস্মরণীয় কাজটি করেছে এলন মাস্কের কোম্পানি স্পেসএক্স। তারা প্রথমবারের মতো, 5G ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী স্যাটেলাইটগুলিকে পৃথিবীর নীচের কক্ষপথে চালু করেছে। এই সব স্যাটেলাইট তৈরি করেছে স্যাটেলিওট কোম্পানি Sateliot। এর নাম দেওয়া হয়েছে গ্রাউন্ডব্রেকার। এই স্যাটেলাইটগুলির ওজন ১০ কেজি। তাদের অফিসিয়াল নাম স্যাটেলাইট-0। পৃথিবীর নীচের কক্ষপথে এই জাতীয় ২৫০টি স্যাটেলাইট স্থাপন করা হয়েছে। যাতে তারা সরাসরি মাটিতে অবস্থিত টাওয়ারগুলির সঙ্...

ঝড় উঠেছে সূর্যে, আছড়ে পড়তে পারে পৃথিবীর বুকে! সতর্ক করল নাসা

ছবি
সূর্যে উঠেছে ঝড় সেই ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সূর্যের বুকে প্রবল ঝঞ্ঝা। আর তার জেরেই এক শক্তিশালী সৌরঝড়ের সতর্কতা জারি করল নাসা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়ে দিল যে, সম্ভবত এই মাসে পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে চলেছে সৌরঝড়টি। সৌরঝড় ঠিক আসলে কী ?  সূর্যের আবহাওয়ামণ্ডলের বাইরের অংশকে বলে করোনা। এটা তৈরি প্রোটন, ইলেকট্রন ও অন্যান্য কণার শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে। সূর্যের ভিতরের শক্তি চৌম্বকশক্তি হয়ে বিপুল বিস্ফোরণে বেরিয়ে আসাকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে করোনাল মাস ইজেকশন । সেই শক্তি বেরিয়ে আসে সৌরশিখার ছটায়। আর সেটাই মহাকাশে সৌরঝড় হয়ে আছড়ে পড়তে থাকে। আরও পড়ুন:  যেন ভিনগ্রহীদের যান? চাকায় চলা রোভার নয়, এ বার উড়ন্ত চাকি যাবে চাঁদে ও গ্রহাণুতে সূর্যে এই ঝড়ের ফলে কী ক্ষতি হতে পারে?  এই ধরনের ঝড়ে পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের উপরে প্রভাব পড়বে। ফলে অনেক জায়গায় জিপিএস, বেতার যোগাযোগ ছিন্ন হতে পারে। পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগ ও মোবাইলের নেটওয়ার্কের উপরেও প্রভাব ফেলবে সৌরঝড়। ঝড়ের মাত্রা বেশি হলে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে ফাটলও ধরতে পারে।  আরও পড়ুন:  রা...

রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোল গিলে নিতে পারে তিন হাজার কোটি সূর্যকে! এমনি দাবি বিজ্ঞানীদের

ছবি
রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোল । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  খোঁজ পাওয়া গেল ব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বড় ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের। যা দু দশ লক্ষ নয় গ্রাস করতে পারে প্রায় তিন হাজার কোটি সূর্যকে। এমনই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।  বিজ্ঞানীদের দাবি যে , এই কৃষ্ণগহ্বরের ভর সূর্যের ভরের তিন হাজার কোটি গুণ বেশি। অর্থাৎ, সহজ কথায় এই কৃষ্ণগহ্বরে এঁটে যেতে পারে প্রায় তিন হাজার কোটি সূর্য। যদিও এই কৃষ্ণগহ্বর আমাদের নক্ষত্রমণ্ডল থেকে বহু আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আরও পড়ুন:  ব্ল্যাক হোল 8.5 বিলিয়ন বছর আগে উজ্জ্বল নক্ষত্রকে হত্যা করেছিল, যার আলো এখন পৃথিবীতে এসে পৌঁছল সাম্প্রতিক সময়ে কৃষ্ণগহ্বরটিকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি’র মাসিক গবেষণাপত্রে এই আবিষ্কারের কথা উঠে এসেছে। বিশেষ শক্তিশালী লেন্স ব্যবহার করে প্রায় দুই দশক ধরে গবেষণা চালিয়ে এই কৃষ্ণগহ্বরটি খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। ২০০৪ সালে ডারহাম ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞানী অ্যালিস্টার এজ় প্রথম এই কৃষ্ণগহ্বরের উপস্থিতি সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিলেন।  আরও পড়ুন:  ধেয়ে ...

ধেয়ে আসছে ‘সিটি কিলার’ গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে! বিপদের আশঙ্কা কতটা?

ছবি
সিটি কিলার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিপদের আশঙ্কা ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চাঁদ এবং শুক্রগ্রহের কাছাকাছি চলে আসছে সিটি কিলার নামের এক গ্রহানু। তার ফলে, শুক্রসন্ধ্যায় মহাকাশে ব্ল্যাকবোর্ডে আচমকা তৈরি হল একটি উল্টে যাওয়া চন্দ্রবিন্দু। সম্প্রতি এমনই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে গোটা বিশ্ব।  কবে সিটি কিলার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে চলে যাবে একটি গ্রহাণু যার পোশাকি নাম ২০২৩ ডিজেড-২। যদিও ওই গ্রহাণুকে ডাকা হচ্ছে সিটি কিলার’ নামেই। এমনটাই জানাচ্ছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি।মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মতে এই যে, ওই গ্রহাণুর আয়তন ৪০-১০০ মিটারের মতো।  আরও পড়ুন:  প্রতি ঘণ্টায় ১২০ টি উল্কাপিণ্ড পড়বে পৃথিবীতে এই ডিসেম্বরে, এর নাম জেমিনিড আপনিও দেখতে পাবেন? যা পৃথিবীর যে কোনও একটি শহরকে ধ্বংস করার পক্ষে যথেষ্ট ক্ষমতাসম্পন্ন। তবে এই দফায় মহাকাশবিদদের মতে, ওই গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষ হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। তাঁরা জানাচ্ছেন যে, সিটি কিলার উড়ে যাবে চাঁদ এবং পৃথিবীর মাঝখান দিয়ে। পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে এক লক্ষ ৬৮ হাজার কিলোমিটার দূর দিয়ে উড়ে ...

হঠাৎ চাঁদের নীচে এক আলোর বিন্দু, রমজান শুরুতে পশ্চিম আকাশে অবাক করা দৃশ্য

ছবি
চাঁদের নীচে আলোর বিন্দুে মিল শুক্র গ্রহের দৃশ্য ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শুক্রবার সন্ধ্যাতে এক অদ্ভুত দৃশ্যের সাক্ষী হল পৃথিবীর মানুষ। সূর্য ডুবতেই দেখা গেল সেই দৃশ্য। পশ্চিম আকাশে উঠেছে রমজান মাসের সরু এক ফালি চাঁদ। আর তার গায়ে এক আলোর বিন্দু। এমন দৃশ্য আগে কবে বা কখন দেখা গিয়েছে তা মনে করতে পারছেন না অনেকেই। চাঁদের নীচে কিসের আলোর বিন্দু! এটি গ্রহ না অন্যকিছু সন্ধ্যাতে প্রায় ৬ টা পর্যন্ত সেই আলোর বিন্দু একেবারে চাঁদের কাছেই অবস্থান করছিল। পরে দেখা যায় আস্তে আস্তে সেই বিন্দু চাঁদ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তা দেখে এদিন থমকে যান পথ চলতি মানুষ। কলকাতা বাংলাদেশ সহ রাজ্যের প্রায় সব জায়গা থেকেই সেই দৃশ্য দেখা গিয়েছে । কলকাতার ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোনমি স্পেস অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সের ডিরেক্টর দেবী প্রসাদ দুয়ারী জানিয়েছেন যে, আসলে চাঁদের কাছে যে উজ্জ্বল বিন্দু দেখা যাচ্ছে তা হল শুক্রগ্রহ। পৃথিবীর নিরিখে মনে হচ্ছে যেন শুক্রের কাছে চলে এসেছে চাঁদ তিনি জানিয়েছেন যে, এ দিন কলকাতার স্থানীয় সময় বিকেল ৫ টা  থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত যে অবস্থানে ছিল শুক্রগ্রহ তা দেখে মনে হচ্ছিল য...

দেশে তৈরি যানে নভশ্চরদের মহাকাশে পাঠাবে ভারত! দুর্ঘটনা থেকেও বাঁচাবে ইসরোর প্রযুক্তি

ছবি
 ইসরোর নতুন প্রযুক্তি গগনযান মিশন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ১৯৮৪ সালের ৩ এপ্রিল রাশিয়ার মহাকাশযানে চেপে মহাশূন্যের উদ্দেশে রওনা দিয়ে নজির গড়েছিলেন ভারতীয় মহাকাশচারী রাকেশ শর্মা। তিনিই ছিলেন প্রথম ভারতীয় নভশ্চর। ৩৪ বছর পর ফের নজির গড়ার পথে ভারত।  দুর্ঘটনা থেকে কিভাবে বাঁচাবে ইসরোর প্রযুক্তি এবার দেশে তৈরি মহাকাশযানে চাপিয়ে ভারতীয় মহাকাশচারীদের মহাকাশে পাঠানোর কথা ঘোষণা করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরো। নাম দেওয়া হয়েছে গগনযান মিশন। শুধু মহাকাশে পাঠানোই নয় ভারতীয় মহাকাশচারী কল্পনা চাওলার পরিণতির কথা মাথায় রেখে ভারতীয় মহাকাশচারীদের কী ভাবে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে হবে সেই ব্যবস্থাও ইসরো করে ফেলেছে বলে জানিয়েছে তারা। মহাকাশে কোনও দুর্ঘটনার হাত থেকে ভারতীয় মহাকাশচারীদের বাঁচাতে ক্রু এস্কেপ সিস্টেম বা সিইএস এর উপর ভরসা রাখছে ইসরো। মহাকাশে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দেশে তৈরি এই উন্নত প্রযুক্তিই দেশের মহাকাশযাত্রীদের প্রাণ রক্ষা করবে বলে দাবি ইসরোর।ক্রু এস্কেপ সিস্টেমএকটি ফাইটার জেটের চালক আসনের মতো কাজ করে। যেখানে এক জন চালক যে কোনও পরিস্থিতিতে জেট থেকে ...

চাঁদের মাটিতে মহাকাশচারীরা কি ধরণের পোশাক পড়বে? তার ছবি প্রকাশ করল নাসা

ছবি
চাঁদের পোশাক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আবার চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে নাসা। কোন পোশাক পরে চাঁদে পাড়ি দেবেন মহাকাশচারীরা সম্প্রতি তার ঝলক দেখাল এবার নাসা।মহাকাশচারীদের চাঁদে যাওয়ার জন্য যে পোশাক তৈরি করেছে অ্যাক্সিওম স্পেস নামক একটি সংস্থা। তা পরে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে মহাকাশচারীরা এমনই দাবি করা হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। চাঁদে যাওয়ার পোশাক কেমন হবে? নাসার তরফে জানানো হয়েছে যে, পোশাকটির আসল ঝলক দেখানো হয়েছে বটে তবে মহাকাশচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য ভিন্ন রঙের পোশাক দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা। মহাকাশচারীরা চাঁদে দীর্ঘ সময় কী ভাবে কাটানো যায় সেই পরীক্ষা করতেই আর্টিমিস ৩ মিশন নিয়ে এ বার চাঁদে যাবেন। নাসার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসন এক বিবৃতিতে বলেন যে, অ্যাক্সিওমের পরবর্তী প্রজন্মের স্পেসস্যুটগুলি শুধুমাত্র মহিলাদের চাঁদে হাঁটতে সাহায্যের জন্যেই নয়, চাঁদে যাওয়ার ক্ষেত্রে মহাকাশচারীদের সুযোগ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে পারে এই পোশাকটি।স্পেসস্যুটগুলির নাম দেওয়া হয়ছে অ্যাক্সিওম একস্ট্রাভেহকুলার মোবিলিটি ইউনিট বা এক্সিমু।  আরও পড়ুন:  মঙ্গলগ্রহে একাই অভিযান চালাবে...