পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তামা কি দিয়ে তৈরি হয়?

ছবি
তামা কি ধরনের হয় তার ছবি। তামা কি তামা ইংরাজি নাম হল কপার (Copper)। একটি রাসায়নিক মৌল যার চিহ্ন Cu এসেছে ল্যাটিন শব্দ কিউপ্রাম cuprum থেকে এবং এর পারমাণবিক ক্রমাঙ্ক ২৯। তামা একটি নমনীয় ধাতু এবং এর তাপীয় ও বৈদ্যুতিক পরিবাহীতা খুব উঁচু দরের তাই অনেক বিজলিবাহী তারের মধ্যেই তামার তার থাকে । বিশুদ্ধ তামা খুব বেশি নরম ও নিজস্ব উজ্জ্বল বর্ণ সমন্বিত।  কিন্তু আবহাওয়ার সংস্পর্শে এর বাইরে একটি লালচে-কমলা বিবর্ণ স্তর তৈরী হয়। তামা ও তামার বহু মিশ্র ধাতু যেমন, ব্রোঞ্জ, পিতল ইত্যাদি অনেক হাজার বছর ধরে মানুষের নিত্য সঙ্গী ।প্রাচীনকালে তামার অনেক খনির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তার মধ্যে সাইপ্রাস লাতিনে Cyprus ক্যুপ্রুস্‌ দ্বীপের খনিগুলো সবচেয়ে তাৎপর্যময়। অনেকের মতে তামার ইংরেজি নাম কপার ল্যাটিন ভাষার এর নাম Cuprum কুপ্রুম শব্দটি এখান থেকে এসেছে। তামা আবিষ্কারের ইতিহাস ফরাসি রসায়নবিদ এম বারথেলটের মতানুসারে মানুষ পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি আগে থেকে তামার সাথে পরিচিত ছিল। অনেকের মতে আরও আগে থেকে এই পরিচয় ঘটেছিল। বহুকাল পূর্ব থেকেই ব্রোঞ্জ ছিল সর্বাধিক ব্যবহৃত ধাতু। এই ধাতুটি মূলত তামা এবং টিন এর সংক...

উল্টো দিকে ঘুরবে এবার পৃথিবী? কী প্রভাব পড়বে জীবজগতে, জানালেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীতে এমন অনেক রহস্য লুকিয়ে রয়েছে যার উত্তর এখনও বিজ্ঞানীরা খুঁজছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, পৃথিবীর ভেতরের অংশ গরম ও কঠিন লোহা দিয়ে তৈরি। এর ফলে পৃথিবীতে চৌম্বক ক্ষেত্র এবং মহাকর্ষ বল তৈরি হয়। পৃথিবীর কেন্দ্রে ঘূর্ণনের কারণে এটি ঘটে। তবে পৃথিবীর ঘূর্ণন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে বা বিপরীত দিকে ঘুরতে শুরু করলে কী হবে আমাদের? কী হবে যদি পৃথিবী উল্টো দিকে ঘোরে  পৃথিবীতে কি প্রবল ভূমিকম্প হবে, এর মহাকর্ষ বল কি শেষ হয়ে যাবে,এর চৌম্বক ক্ষেত্রের উপর কি প্রভাব পড়বে এসবেরই উত্তর খুঁজেছেন বিজ্ঞানীরা। নেচার জিওসায়েন্সের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, প্রায় ৭০ বছর পর পর পৃথিবীর কেন্দ্রে ঘূর্ণনের দিক পরিবর্তন হয়। তবে এখন বিশ্বাস করা হচ্ছে যে এই পরিবর্তনটি ১৭ বছরে ঘটবে এবং পৃথিবীর কেন্দ্র বিপরীত দিকে ঘুরতে শুরু করবে। বিজ্ঞানীদের একটি দল দাবি করেছে যে, পৃথিবী তার ঘূর্ণনের দিক পরিবর্তন করতে পারে। ২০০৯ সালে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কোরের ঘূর্ণন থেমে যায়। তারপর তা আশ্চর্যজনকভাবে বিপরীত দিকে ঘুরে যায়। ১৪ বছর পর আবারও সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়...

হঠাৎ তুরস্কের আকাশে এলিয়েনের UFO! এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে আনলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
এলিয়েনের UFO মত দেখতে মেঘ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সম্প্রতি আকাশে অদ্ভুত এক মেঘের সৃষ্টি হতে দেখছিলেন তুরস্কের বুরসা শহরের বাসিন্দারা। এর ভিডিয়োগুলিও বেশ ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা এটাকে বলেছেন এলিয়েনের ইউএফও। চলন্ত গাড়ি থেকেও এর ভিডিয়ো রেকর্ড করা হয়েছে। ভিডিয়োতে স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল যে. আকাশে একটি বড় গোল আকৃতির মেঘ। এক ঝলকে দেখলে ওই মেঘের রাশিকে আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইয়িং অবজেক্ট বলেই মনে হতে পারে।  তুরস্কে এলিয়েনের UFO দেখে কি বলছে বিজ্ঞানীরা এই বিরাট মেঘপুঞ্জ প্রায় এক ঘণ্টা আকাশে ছিল। আর সেই সুযোগেই অদ্ভুত এই দৃশ্যকে ক্যামেরাবন্দি করে ফেলেন স্থানীয়রা।এটি সূর্যাস্তের সময় দেখা গিয়েছিল। গোলাকার আকৃতির মেঘ ছাড়া আর কোনও মেঘ আকাশে তখন দেখা যায়নি। এই ধরনের মেঘ তৈরির বিষয়ে তুরস্কের স্টেট ওয়েদার সায়েন্স সার্ভিসেস থেকে জানানো হয়েছে যে, এটি একটি বিরল ঘটনা। যা লেন্টিকুলার ক্লাউড নামে পরিচিত। এটি এক ধরনের মেঘ।  যা ২০০০-৪০০০ মিটার ঊচ্চতায় দেখা যায়। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, সাধারণত এই ধরনের মেঘ আকাশে দেখা গেলে পরের দিন বৃষ্টির ...

কালপুরুষ নক্ষত্র মন্ডল কাকে বলে? Orion Constillation

ছবি
কালপুরুষ নক্ষত্র মণ্ডলের ছবি। কালপুরুষের বর্ণনা কালপুরুষ তারামণ্ডলের বর্তমান আকৃতি আজ থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ বছর পূর্বে গঠিত হয়েছিলো। পৃথিবীর সাপেক্ষে এর তারাগুলোর আপেক্ষিক গতি কম হওয়ার কারণে আজ থেকে আরও ১০/২০ লক্ষ বছর পর্যন্ত কালপুরুষ তারামণ্ডলকে রাতের আকাশে দেখা যাবে। অর্থাৎ এটিই দৃশ্যমান মণ্ডলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় পর্যবেক্ষণযোগ্য থাকবে। আরও একটি সুবিধা হল এই মণ্ডলের আবির্ভাব মানব সভ্যতার সমসাময়িক কালে হয়েছে। সুমেরীয়রা কালপুরুষ তারামণ্ডলকে একটি জাহাজ হিসেবে কল্পনা করত। প্রাচীন চীনে এটি ছিল রাশিচক্রের ২৮ টি রাশির একটি যার প্রতীক ছিল Xiu (宿)। এই রাশিটি সেখানে শেন নামে পরিচিত ছিল যার অর্থ তিন। কালপুরুষের কোমরবন্ধের তিনটি তারা দেখেই তারা এই নামকরণ করেছিল।প্রাচীন মিশরে এই মণ্ডলের তারাগুলো মৃত্যু এবং পাতালপুরীর দেবী অসিরিসের সাথে সম্পর্কিত ছিল। বলা হয়ে থাকে যে গিজা পিরামিড কমপ্লেক্স এই কালপুরুষের কোমরবন্ধের তিনটি তারার খ-মানচিত্র অনুসারে তৈরি করা হয়েছে।  এই কমপ্লেক্সের মধ্যে রয়েছে গিজার গ্রেট পিরামিড, খফ্রুর পিরামিড এবং মেঙ্কাউ-রার পিরামিড।কালপুরুষের কোমরবন্ধ এবং তরবারি নি...

কী সংকেত ভেসে আসছে ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে? রেডিও সিগন্যালে কি পেলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
রেডিও সিগন্যাল মহাআকাশ থেকে ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   এলিয়েন নিয়ে আমাদের কৌতুহলের শেষ নেই।ভিনগ্রহীদের সঙ্গে বিশ্ববাসীর যোগাযোগ স্থাপন নিয়েও উৎসাহ তুঙ্গে আমজনতা থেকে বিজ্ঞানী ও সকলের। মহাকাশ বিজ্ঞানের কূট জটিল অনেক রহস্যই হয়ত ভেদ করা সম্ভব হবে এবার।তবেই তো অনুসন্ধান গবেষণা আর উত্তর। সেই উত্তরের খোঁজে এতদিন ধরে কাজ করে চলেছেন বিশ্বের তাবড় মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।  ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরেরে সিগন্যাল এই প্রথম ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরের এক ছায়াপথ থেকে রেডিও তরঙ্গ পেলেন কানাডার একদল বিজ্ঞানী এবং ভারতে বসানো রাক্ষুসে টেলিস্কোপের সাহায্যে তা মিলেছে।তাই ৯০০ কোটি আলোকবর্ষ থেকে দূরে আসা তরঙ্গকে যন্ত্রের মাধ্যমে বন্দি করার খবর প্রথমে এলিয়েনদের বার্তা নিয়ে জল্পনা আরও উসকে দেয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা মনে করিয়ে দেন কোনও এলিয়েন নয় পৃথিবীর নিকটবর্তী ছায়াপথ থেকে যে সংকেত আসছে মনে রাখতে হবে তা আসলে অনেক অনেক আগে সেখান থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এতদিন পর পৃথিবীতে এসে পৌঁছচ্ছে। আরও পড়ুন:  সত্যিই কি এলিয়েন আছে? আকাশে দৃশ্যমান UFO রহস্যভেদ নতুন দল গঠন নাসার SDSSJ0826+5630 নামের যে ছায়াপথের তরঙ্গ থেকে স...

সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো না আসলে কি হবে! মানুষ ও প্রাণী কি বেঁচে থাকতে পারবে?

ছবি
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আমরা সূর্য থেকে আলো এবং শক্তি পাই। এমনকি পৃথিবীতে সমগ্ৰ শক্তির উৎসস্থলও হচ্ছে সূর্য।সূর্যালোকও আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এমনিতেই রাত বা গ্রহণের সময়ে সূর্য থেকে আলো আসা বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে যায় চারিদিক। কখনও কি ভেবে দেখেছেন যে, যদি সূর্যের আলো চিরতরে পৃথিবীতে আসা বন্ধ হয়ে যায় তখন ঠিক কি ঘটবে?   পৃথিবীতে সূর্যালোক না এলে কি পরিস্থিতি হবে অনেকে এরকম প্রশ্ন আসে মনে, নিশ্চয়ই তা ভাবছেন, এমনটা হলে পৃথিবীতে অন্ধকার অর্থাৎ রাত নেমে আসবে। কিন্তু, এই ঘটনা ছাড়াও পৃথিবীতে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটবে যা রীতিমতো চমকে দেবে সবাইকে। বর্তমান প্রতিবেদনে সেই প্রসঙ্গে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপিত করা হল। হঠাৎ করেই পৃথিবীর তাপমাত্রা কমবে না ফ্রিজে যেমন হঠাৎ করে গরম চা রাখলে তা সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা হয়ে যায় না ।একইভাবে সূর্যের আলো না থাকলে পৃথিবীও সঙ্গে সঙ্গে শীতল হয়ে যাবে না। এই প্রসঙ্গে পপুলার সায়েন্স ম্যাগাজিনের একটি প্রবন্ধ অনুসারে জানা গিয়েছে যে, মহাকাশে ঘূর্ণনের কারণে আমাদের পৃথিবী কয়েক মিলিয়ন ব...

মঙ্গল গ্রহের মাটিতে ফণা তোলা সাপ! কিসের ছবি তুলল নাসার রোভার

ছবি
মঙ্গল গ্রহে ফণা তোলা সাপ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে একটি বিস্তৃত গর্ত। হঠাত্ দেখলে মনে হবে সাপের মাথার অংশ। কিন্তু আসলে এটি একটি আগ্নেয়গিরির চারপাশের এলাকা। ছবিটি নাসার তুলা। নাসার মার্স রিকনেস্যান্স' কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে এই ছবি তোলা হয়েছে। HiRISE ক্যামেরা দিয়ে প্রায় ২৭৩ কিলোমিটার উঁচু থেকে এগুলি তোলা।গত অগস্টে ছবিটা তোলা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি এগুলি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।নাসা তরফ থেকে।এই ফিসারটি মঙ্গল গ্রহের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি অলিম্পাস মনসের কাছে একটি আগ্নেয়গিরি অঞ্চল।  Gordii Fossae'-তে অবস্থিত।নাসা জানিয়েছে যে, এই অঞ্চলে বেশ কিছু স্থানেই এরকম ফাটল রয়েছে। বিস্তৃত মসৃণ আগ্নেয়পৃষ্ঠের উপর রয়েছে বিচিত্র বিশাল ফাটল। মঙ্গল গ্রহের মাটিতে ফণা তোলা সাপ। আরও পড়ুন:  বৃহস্পতি গ্রহের চাঁদ কয়টি? কিসের ছবি তুলল নাসার রোভার নাসা এর কিউরিওসিটি মার্স রোভার মিশনের মাস্ট ক্যামেরা বা মাস্টক্যামের সাহায্যে এই আঙুলের মতো শিলাগুলি দেখেছিল। এগুলি সম্ভবত প্রাচীন অতীতে পাথরের মধ্য দিয়ে ভূগর্ভস্থ জলের স্রোত হিসাবে গঠিত হয়েছিল। সময়ের সাথে সাথে খনিজ সিমেন্ট জমা করে। ব...

গ্রহ গুলো গোলাকার হয় কেন! পৃথিবী সহ ব্রহ্মাণ্ডের সবগ্রহই গোলাকার এর কারণ কি?

ছবি
গোলাকার হয় কেন গ্রহ গুলো ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীটা গোলাকার তবে টেলিস্কোপ আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, শুধু পৃথিবীই নয় কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া চাঁদ সূর্য এবং গ্রহ নক্ষত্র উপগ্রহসহ মহাকাশের বেশিরভাগ বস্তুই গোলাকার হয়ে থাকে।বর্তমানে বিজ্ঞানীরা গ্যালাক্সি দিয়ে মহাকাশে উঁকি দেন।গ্রহের নিজস্ব কোনও আলো নেই, তাই এদের পর্যবেক্ষণ করা কঠিন। তারপরও অসংখ্য গ্রহ পর্যবেক্ষণ করেছেন বিজ্ঞানীরা।  ব্রহ্মাণ্ডের সবগ্রহই গোলাকার কেন? নাসা জানিয়েছিল, তারা ৫ হাজার এক্সোপ্ল্যানেটের তালিকা তৈরি করে ফেলেছে। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে এই বিপুল সংখ্যক গ্রহের সবগুলোই গোলাকার কোন ঘনকাকার, পিরামিড বা বিষম আকারের গ্রহের দেখা বিজ্ঞানীরা পাননি। কেন সমস্ত গ্রহের আকৃতি একই এবং কেন তারা সবসময় বৃত্তাকার নলাকার বা আয়তক্ষেত্রাকার নয় তা নিয়ে একটি বড় প্রশ্ন উঠেছে। কিন্ত কেন সবগ্রহ গোলাকার হয়? দেখা যাক বিজ্ঞানীরা এর কারণে কী বলছেন। কি কারণে গ্রহ গুলো গোলাকার হয় সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউএসপি জ্যোতির্বিদ্যা জিওফিজিক্স এবং বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এনোস পিকাজিও...

৯৯% মিল, সৌরজগতের বাইরে পৃথিবীর মত গ্রহের খোঁজ পেল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
৯৯% মিল রয়েছে পৃথিবী সঙ্গে এই গ্রহের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এক বছর হয়ে গেল মহাকাশে চরকিপাক খেয়ে চলেছে আধুনিক প্রজন্মের জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।মহাকাশের একঝাঁক গ্রহ নক্ষত্রের অবিশ্বাস্য কিছু ছবি তুলে ধরেছে। এবার যে প্রকৃত অর্থেই প্ল্যানেট হান্টার হিসেবে নিজেকে মেলে ধরতে সক্ষম হল টেলিস্কোপটি। তার কারণ, বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী অবজ়ারভেটরিটি আমাদের সৌরজগতের বাইরেও এমন একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছে। যা দেখতে হুবহু পৃথিবীর মতো। পৃথিবীর মত গ্রহটি দেখতে কেমন গ্র হটিকে এর আগে LHS 475b হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছিল। যার ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের সঙ্গে ৯৯% মিলে যায়। নাসার ট্রানজ়িটিং এগজ়োপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট টিইএসএস পর্যবেক্ষণ ডেটাতে প্রথম দেখার পরে গ্রহটিকে ওয়েব দ্বারা পর্যবেক্ষণ করার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। অন্যান্য গ্রহের তুলনায় এই LHS 475 b পৃথিবীর অনেক কাছের। পৃথিবী থেকে মাত্র ৪১ আলোকবর্ষ দূরে কনস্টিলেশন অক্টেনে এই গ্রহের অবস্থান। এই গ্রহটিকে নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন লাস্টিগ ইয়েগার নামের এক মহাকাশ বিশেষজ্ঞ। তিনি দাবি করেছেন যে,এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই এমন গ্রহ আছে। এখন অন...

রহস্যময় আদিম এক ধূমকেতু! যা খা্লি চোখে দেখা যাবে ৫০ হাজার বছর পর পৃথিবী থেকে

ছবি
আদিম এক ধূমকেতু ৫০ হাজার বছর পর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মাঝে কেটে গিয়েছে প্রায় ৫০ হাজার বছর। আবার সে ফিরে আসছে। যেন সেলিব্রিটি ধূমকেতু । আবারও নীল গ্রহের দুয়ারে দেখা দেবে এক পুরোনো অতিথি। ৫০ হাজার বছর পর দেখা যাবে একটি বিরল ধূমকেতু। কোনও যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই তা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন বিশ্ববাসী।  ধূমকেতু ৫০ হাজার বছর পর দেখা যাবে পৃথিবী  থেকে মহাকাশবিজ্ঞানীরা বলছেন যে, যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং চাঁদের আলো বেশি না হয় তবেই ওই বিশালকার ধাবমান ধূমকেতু খালি চোখে দেখা সম্ভব। শেষ যখন দেখা গিয়েছিল সেই সময় হয়তো আদিম মানুষ নিয়ান্ডারথাল পৃথিবীতে বিচরণ করত। সেখানে হাতির পরিবর্তে ম্যামথ ঘুরত। তখন কোনও দূষণ ছিল না। আকাশ পরিষ্কার থাকত। পূর্বপুরুষরা হয়তো এই ধূমকেতু দেখেছেন। ভাগ্য ভালো যে এই সময়ের মধ্যে এটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে।  আরও পড়ুন:  প্রতি ঘণ্টায় ১২০ টি উল্কাপিণ্ড পড়বে পৃথিবীতে এই ডিসেম্বরে, এর নাম জেমিনিড আপনিও দেখতে পাবেন? গত বছর মার্চে সৌরমণ্ডলের কাছাকাছি দেখা গিয়েছিল এই ধূমকেতুকে। ওয়াইড ফিল্ড সার্ভে ক্যামেরায় সেটিকে দেখেছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।...

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ কোন ধরনের কৃত্রিম উপগ্রহ

ছবি
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ এর ছবি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ পরিচয় বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ। এটি ২০১৮ সালের ১১ মে তখন বাংলাদেশ সময় ১২ মে কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।এর মধ্য দিয়ে ৫৭ তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় যোগ হয় বাংলাদেশ। এই প্রকল্পটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত হয় ।এবং এটি ফ্যালকন ৯ ব্লক ৫ রকেটের প্রথম পেলোড উৎক্ষেপণ ছিল। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ এর ইতিহাস ২০০৮ সালে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি কৃত্রিম উপগ্রহ নির্মাণ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করে। এরপর ২০০৯ সালে জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালায় রাষ্ট্রীয় কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের বিষয়টি যুক্ত করা হয়। বাংলাদেশের নিজস্ব কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিটের আইটিইউ কাছে ইলেক্ট্রনিক আবেদন করে বাংলাদেশ। কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবস্থার নকশা তৈরির জন্য ২০১২ সালের মার্চে প্রকল্পের মূল পরামর্শক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্পেস পার্টনারশিপ ইন্টারন্যাশনাল’ কে ...

বিশ্বে প্রথমবার জলের সাহায্যেই উড়ল স্যাটেলাইট! এমন কান্ড ঘটিয়ে তাক লাগাল SpaceX

ছবি
 ভিগোরাইড-৫  জলের সাহায্যেই উড়ল স্যাটেলাইটি ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এবার একটি নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল স্পেসএক্স। জানা গিয়েছে যে, সংস্থাটি তার ট্রান্সপোর্টার-৬ মিশনের মাধ্যমে আমেরিকার বেসরকারি মহাকাশ কোম্পানি Momentus Inc-এর জলের সাহায্যে উড়তে সক্ষম স্যাটেলাইটটি মহাকাশে স্থাপন করেছে। এই স্যাটেলাইটের নাম হল ভিগোরাইড-৫। এটিতে বসানো হয়েছে ওয়াটার প্লাজমা থ্রাস্টার প্রযুক্তি।এটাই হল একটি বেসরকারি সংস্থা কর্তৃক তৈরি করা বিশ্বের প্রথম স্যাটেলাইট যেটি জলের মাধ্যমেই উড়তে সক্ষম। জলের সাহায্যে কিভাবে উড়ল স্যাটেলাইট? পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে ভিগোরাইডকে মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সেটির সোলার প্যানেলও খুলে গেছে। সেগুলি থেকেই শক্তি তৈরি করে নিজের ব্যাটারি চার্জ করছে স্যাটেলাইটটি। তবে সংস্থাটি ভিগোরাইডকে Vigoride Orbital Service Vehicle (OSV) বলে অভিহিত করেছে। ভবিষ্যতে পুরোনো স্যাটেলাইট মেরামতির কাজও করবে এটি।এই স্যাটালাইটে মাইক্রোওয়েভ ইলেক্ট্রোথার্মাল থ্রাস্টার (MET) লাগানো রয়েছে।  এই থ্রাস্টারে জল জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি এই থ্রাস্টারগুলিকে এমনভাবে ড...

বৃহস্পতি গ্রহের চাঁদ কয়টি?

ছবি
বৃহস্পতির  উপগ্রহ  গুলোর ছবি। বৃহস্পতি গ্রহ সর্ম্পকে তথ্যঃ বৃহস্পতি গ্রহ এর ইংরেজি নাম হল Jupiter (জূপিটার্‌)।সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পঞ্চম এবং আকার আয়তনের দিক দিয়ে সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। বৃহস্পতি ব্যতীত সৌর জগতের বাকি সবগুলো গ্রহের ভরকে একত্র করলে বৃহস্পতির ভর তা থেকে আড়াই গুণ বেশি হবে। বৃহস্পতিসহ আরও তিনটি গ্রহ অর্থাৎ শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুনকে একসাথে গ্যাস দানব বলা হয়। এই চারটির অপর জনপ্রিয় নাম হচ্ছে জোভিয়ান গ্রহ। জোভিয়ান শব্দটি জুপিটার শব্দের বিশেষণ রুপ।  জুপিটারের গ্রিক প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় জিউস। এই জিউস থেকেই জেনো মূলটি উৎপত্তি লাভ করেছে। এই মূল দ্বারা বেশ কিছু জুপিটার তথা বৃহস্পতি গ্রহ সংশ্লিষ্ট শব্দের সৃষ্টি হয়েছে।পৃথিবী থেকে দেখলে বৃহস্পতির আপাত মান পাওয়া যায় ২.৮। এটি পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান তৃতীয় উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। কেবল চাঁদ এবং শুক্র গ্রহের উজ্জ্বলতা এর থেকে বেশি। অবশ্য কক্ষপথের কিছু বিন্দুতে মঙ্গল গ্রহের উজ্জ্বলতা বৃহস্পতির চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। সুপ্রাচীনকাল থেকেই গ্রহটি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও জ্যোতিষীদের কাছে পরিচিত ছিল।  আরও পড়ুন:...