পোস্টগুলি

মে, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বলয় গ্রহ কাকে বলে?

ছবি
গ্রহীয় বলয় ছবি। গ্রহীয় বলয় ইংরেজি নাম Planetary ring। বলয় বলতে কোন গ্রহের চারপাশে একটি নির্দিষ্ট চাকতি আকৃতির অঞ্চলে আবর্তনরত ধূলি ও ছোট ছোট কণার বেষ্টনীকে বোঝায়। সবচেয়ে স্পষ্ট ও দর্শনীয় বলয় রয়েছে সৌর জগতের শনি গ্রহের চারপাশে। এছাড়াও সৌর জগতের অন্য তিনটি গ্যাসীয় গ্রহ বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুন চারপাশে বলয় রয়েছে। ক্যাসিনি নভোযান থেকে পাওয়া তথ্য থেকে সম্প্রতি ধারণা করা হচ্ছে যে, শনির একটি উপগ্রহের চারদিকেও বলয় রয়েছে। রিয়া নামের এই উপগ্রহের বলয় আবিষ্কৃত হলে প্রমাণিত হবে যে, উপগ্রহেরও বলয় থাকতে পারে। বলয় গ্রহ কিভাবে সৃষ্টি হল বিজ্ঞানীদের ধারনা তিনটি উপায়ে গ্রহীয় বলয় গঠিত হতে পারে যথাঃ ১। ভ্রূণ গ্রহীয় চাকতির যে উপাদানগুলো রোশ সীমার মধ্যে ছিল সেগুলো একসাথে মিলে উপগ্রহ গঠন করতে পারেনি। এরাই বলয় গঠন করেছে। ২। গ্রহটির কোন উপগ্রহ বিরাট কোন সংঘর্ষের মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে গেলে সেই ধ্বংসাবশেষ থেকে গঠিত হতে পারে। ৩। উপগ্রহটি হয়তো হঠাৎ কখনও রোশ সীমার ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। যাওয়ার সময় গ্রহের জোয়ার-ভাটা জনিত টানে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। সৌর জগতের বিভিন্ন বলয় শনির বলয় শনি গ্রহট...

বিমানের ফুয়েল ট্যাঙ্ক মাঝ আকাশ থেকে খসে পড়লে কি হবে? ঠিক ভারতে এমনি হল এক দুর্ঘটনা

ছবি
 ভারতীয়  MiG-29 ফাইটার জেট থেকে ভেন্ট্রাল ড্রপ ট্যাঙ্ক পড়ে যায় ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিপদ কি আর বলে কয়ে আসে কখন যে কী ঘটে তা আর কে বলতে পারে। ২২ মে ২০২৩-এ একটি বড় বিপদের সম্মুখীন হতে হল বায়ুসেনাকে। এদিন একটি MiG-29 (MiG-29 ফাইটার জেট) ফাইটার পশ্চিমবঙ্গের কলাইকুন্ডা বিমান বাহিনী ঘাঁটি থেকে একটি নিয়মিত প্রশিক্ষণ মিশনে উড়েছিল। ফেরার সময় ফাইটার জেট থেকে ভেন্ট্রাল ড্রপ ট্যাঙ্ক পড়ে যায়।  সব থেকে ভাল বিষয় হল ট্যাঙ্কটি এয়ারবেসের কাছে একটি জঙ্গলে পড়েছিল। এতে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। তবে ভয়ঙ্কর এক বিপদ থেকে বেঁচে গেল ভারতীয় বায়ুসেনা। কিন্তু প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে যে ঘটনাটি কীভাবে ঘটল? এত বড় ফুয়েল ট্যাঙ্ক কীভাবে পড়ে গেল? এর জন্য দায়ী কে? নাকি এটা কোনও রুটিন মিশনের অংশ ছিল অথবা ফাইটার জেটের ওজন কমাতেই কী এটা করা হয়েছে নাকি? সব কিছুর উত্তর খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভেন্ট্রাল ড্রপ ট্যাঙ্কটির কাজ কী? যে কোনও ফাইটার জেটে অতিরিক্ত জ্বালানির জন্য ভেন্ট্রাল ড্রপ ট্যাঙ্কটি ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ কোনও জরুরী পরিস্থিতিতে যাতে সেটিকে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু চলতি বছরের ২২ মে ঘ...

শনিগ্রহে 62টি চাঁদের সন্ধান! বৃহস্পতিকে ছাপিয়ে গ্রহটি চাঁদের রাজা হয়ে গেল

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শনি গ্রহের গুচ্ছ গুচ্ছ নতুন উপগ্রহের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। উপগ্রহের সংখ্যায় শনি এ বার ছাপিয়ে গেল গ্রহরাজ বৃহস্পতিকেও। তার উপগ্রহের সংখ্যা বৃহস্পতির উপগ্রহের চেয়ে অনেক বেশি। মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক দল সম্প্রতি শনির নতুন ৬২টি উপগ্রহের খোঁজ পেয়েছে। শনির বলয়ের আড়ালে এই উপগ্রহগুলি এত দিন ঢাকা পড়ে ছিল। তাই তাদের দেখা যায়নি। নতুন গবেষণা তেমনটাই জানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। শনি গ্রহে 62টি নতুন চাঁদ আবিষ্কৃত হল কিভাবে আরও ৬২টি নতুন উপগ্রহ আবিষ্কারের ফলে শনির মোট উপগ্রহ সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১৪৫টিতে। সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির এত উপগ্রহ নেই। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৯২টি।বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, শনির উপগ্রহ খোঁজার জন্য শিফ্‌ট অ্যান্ড স্ট্যাক কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বলয়ঘেরা গ্রহটির চারপাশের পরিমণ্ডলে আরও নিবিড় ভাবে চোখ রেখেছেন গবেষকেরা। আরও পড়ুন:  বর্তমানে বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি? নেপচুন এবং ইউরেনাসের উপগ্রহ খোঁজার জন্যও একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছিল।ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিটিশ কলম্বিয়ার গবেষকেরা জানিয়েছেন ...

500 বছর আগে পৃথিবী কেমন ছিল?

ছবি
৫০০ বছর আগে পৃথিবীর মানুষ কেমন ছিল। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বর্তমান সময়ে সবকিছু অনেক সহজ হয়ে গেছে। আমরা এখন চাইলেই কয়েক ঘন্টার মধ্যেই এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে পারি। চাইলেই কয়েক মুহুর্তের মধ্যেই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে থাকা মানুষগুলোর সাথে যোগাযোগ করতে পারি। এখনকার সময়ে টেকনোলজি অনেক আপডেট হওয়ার সাথে সাথে মানুষগুলোও স্মার্ট হয়ে গেছে । এই প্রজন্মের মানুষগুলোর লাইফ স্টাইল এমন হয়ে গেছে যে প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া তারা এক পাও সামনে অগ্রসর হতে পারে না ।  কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন। আজ থেকে ৫০০ বছর আগে আমাদের পৃথিবী কেমন ছিল। আর তখন মানুষ কেমন ভাবে জীবনযাপন করতো। কেমন ছিল তাদের নিত্যদিনের লাইফস্টাইল গুলো।আজ থেকে ৫০০ বছর আগে পৃথিবীতে মানব সভ্যতার সময়কাল কে ইতিহাসের মধ্যযুগ ধরা হয়। সেই সময়ে যে শাসক ছিলেন তাদের রাজা বলা হয়। এই ৫০০ বছর সালের দিকে indi genius শাসকরা তো  রাজত্ব করেছিল ই। কিন্তু এছাড়াও বাইরের দেশের কিছু আক্রমণকারী ভারতে ঢুকে পড়েছিল এবং তারাও ভারতে রাজত্ব করছিল। এই সময় ভারতে পল্লব চোল চালক্য পান্ডিয়া রাষ্ট্রগুটার মত কিছু শক্ত...

ঘন ঘন এলিয়েন সংকেত! কোথায় থেকে ভেসে আসছে এই সংকেত?

ছবি
ঘন ঘন এলিয়েন সংকেত পৃথিবীতে ভেসে আসছে। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে সারা ক্ষণ কত কীই না ঘটে চলে সব কিছুর নাগাল পায় না পৃথিবীর মানুষ। তবে মহাকাশের কোনও না কোনও প্রান্তে পৃথিবীর মতোই গ্রহের খোঁজ জারি রেখেছেন বিজ্ঞানীরা। সেই গবেষণাতেই নতুন মোড় ঘুরেছে সম্প্রতি। ভিন্‌গ্রহ থেকে সঙ্কেত মিলেছে। এক বার নয় বার বার সঙ্কেত ভেসে আসছে। এলিয়েন সংকেত আমেরিকার ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের রেডিয়ো টেলিস্কোপে সম্প্রতি ভিন্‌গ্রহের সঙ্কেত ধরা পড়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি করেন যে, ঘন ঘন সঙ্কেত আসছে পৃথিবী থেকে মাত্র ১২ আলোকবর্ষ দূরের এক পাথুরে গ্রহ থেকে। গ্রহটির নাম দেওয়া হয়েছে ওয়াইজ়েড সেটি বি। এই গ্রহে পৃথিবীর মতো আবহাওয়া থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এখনও বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। আরও পড়ুন:  হঠাৎ তুরস্কের আকাশে এলিয়েনের UFO! এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে আনলেন বিজ্ঞানীরা গ্রহটি থেকে আসা চৌম্বকীয় তরঙ্গ বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছে। মনে করা হচ্ছে যে, ওই গ্রহে মানুষের বাসযোগ্য আবহাওয়া থাকলেও থাকতে পারে। সঙ্কেতের উৎস সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের অনুমান গ্রহটির চৌম্ব...

অক্সিজেন মিলল চাঁদে’র মাটিতে, মানব-বসতি গড়ার পথে আরও একধাপ এগোল NASA

ছবি
মানব বসতি গড়ার পথে চাঁদে অক্সিজেন তৈরি করল নাসা। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চিরকালই পৃথিবীর বাইরে প্রাণের সন্ধান খুঁজতে তৎপর বিজ্ঞানীরা। কখনও কোনও নতুন গ্রহে জল পাওয়া যায়। আবার কখনও কোনও গ্রহে প্রাণ আছে কি না সেই নিয়ে গবেষণা চলে নিরন্তর। এরই মধ্যদে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের আর্টেমিস মিশনের মাধ্যমে চাঁদে নভোশ্চর পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।  নাসা কিভাবে চাঁদের মাটিতে অক্সিজেন তৈরি করেছে নাসার আসল উদ্দেশ্য হল এই যে, মিশনের মাধ্যমে চাঁদের পৃষ্ঠে তাদের উপস্থিতি বজায় রাখা। আর এই উদ্দেশ্যকে বাস্তবে টিকিয়ে রাখতে হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল অক্সিজেন তৈরি করা।আর বিজ্ঞানীরা তেমনটাই করেছেন। নকল চাঁদের মাটি থেকে অক্সিজেন নিষ্কাশন করেছেন। গবেষণাগারে বৈজ্ঞানিক উপায়ে তৈরি করেছেন এই মাটি। লুনার সয়েল একটি বিশেষ কায়দায় তৈরি করা গুঁড়ো গুঁড়ো মাটি দিয়ে সৃষ্ট।  এই মাটিই আসলে ছড়িয়ে আছে চাঁদের পৃষ্ঠে। এই প্রথম বায়ুশূন্য পরিবেশে (ভ্যাকুয়াম এনভায়রনমেন্ট) ওই মাটি থেকে অক্সিজেন বের করেছেন বিজ্ঞানীরা। ইন সিটু রিসোর্স ইউটিলাইজেশন প্রক্রিয়ার মাধ্য়মে এই কাজ করা হয়েছে। এই পরীক্...