পোস্টগুলি

পৃথিবীর গভীরে ১০ কিলোমিটার গর্ত কেন খুঁড়ছে চীন?

ছবি
কেন পৃথিবীর গভীরে ১০ কিলোমিটার গর্ত খুঁড়ছে চীন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মহাকাশ বিজ্ঞানে এগিয়ে থাকার চেষ্টা চালিয়ে চলেছে। এমনকি কিছু কিছু দেশ তাদের সাফল্যের পতাকা উত্তোলন করেও ফেলেছে। তবে পৃথিবীর অভ্যন্তরের রহস্য বুঝতে বিশ্ব এখনও অনেক পিছিয়ে সে কথা বলা যেতেই পারে। পৃথিবীর অভ্যন্তরে কী ঘটছে তা কি জানা সম্ভব? তবে অনেক অজানাকেই জানাতে পরিণত করতে চিন একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।পৃথিবীর গভীরে প্রবেশ করতে চলেছে দেশটি। এমনকি ১০ কিলোমিটার খুঁড়েও ফেলেছে। প্রায় ১০টি স্তর খনন করার পরে চিন ক্রিটেসিয়াস সময়ের ১৪৫ মিলিয়ন বছর আগে পাথর বের করে আনতে পারবে। যদিও এমনটাই ধারণা করছে চিন। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। ফলে প্রাচীন যুগের পাথরের খোঁজে লেগে পড়েছে চিনা বিজ্ঞানীরা। চিন কি পারবে ১৪৫ মিলিয়ন বছর আগে পাথর বের করতে? যদিও চিনের এই খনন প্রক্রিয়া কোনওভাবেই রেকর্ড করতে পারবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এরও একটি কারণ আছে। তা হল ২৪ মে, ১৯৭০-এ রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত কোলা উপদ্বীপে প্রায় ১১ কিলোমিটার খোঁড়া হয়েছিল। আর সেখান থেকেই জানা গিয়েছিল যে, মাটির নীচে এত গভীর...

ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন ও কত বড়? সে ডিমে নাকি জল ঢুকত না, জানি তার আসল ইতিহাস

ছবি
ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন ও কত বড় তার প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  দৈত্যাকার ডাইনোসরদের জীবাশ্ম বা ফসিলস পাওয়া গেলেই নতুন করে গবেষণা শুরু করেন তাঁরা।মধ্যপ্রদেশে বাঘ ধার গ্রামে বাঘনী নদীর তীরে তিনটি জায়গা থেকে ডাইনোসরের ডিমের ২৫টি ফসিল বা জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। ডাইনোসরের ডিম কত বড় ছিল বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, ডাইনোসরের ডিমের এই জীবাশ্ম প্রায় ৬৫০ কোটি বছরের পুরনো। আপাতত এই জীবাশ্মগুলি লখনউ এবং চণ্ডীগড়ের গবেষণা কেন্দ্রে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর আগেও ডাইনোসরের ডিমের জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। তাই এই বাগানে ডাইনোসর ফসিল পার্ক তৈরি করেছে বন বিভাগ। বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন যে, এগুলি মাংসাশী ডাইনোসরের ডিম হতে পারে।  কিন্তু আপনি কি জানেন ডাইনোসরের ডিম দেখতে কেমন এবং সেগুলো ঠিক কত বড়? কোথায়ই বা প্রথম ডাইনোসরের ডিম খুঁজে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা? ডাইনোসরের ডিম অনেক আকারের হয় ১ ইঞ্চি থেকে ৮ ইঞ্চি চওড়া এবং দৈর্ঘ্যে ২ ফুট পর্যন্ত। ১৮৫৯ সালে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো ডাইনোসরের ডিম আবিষ্কার করেছিলেন। বিজ্ঞানীদের মতে, ডাইনোসররা প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে ছিল। এই সময়ে তাদের আকারে ...

পৃথিবী কেন ধ্বংস হবে?

ছবি
পৃথিবী ধ্বংসে প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিজ্ঞানীদের দাবি পৃথিবীতে প্রথম প্রলয় আসে ৪৪৩ মিলিয়ন বছর আগে। এর নাম দেওয়া হয় এন্ড অর্ডোভিসিয়ান। এই সময় পৃথিবীর সমস্ত জল বরফে পরিণত হতে থাকে।সাগরে বসবাসকারী প্রাণীরা মারা যেতে থাকে। এই সময় প্রায় ৮৬টি প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যায়। ২০১৭ সালের বর্তমান জীববিজ্ঞান জার্নালে বিশদভাবে এই প্রলয়ের ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পৃথিবী ধ্বংস হবে দ্বিতীয় প্রলয় হয় প্রায় ৩৫৯ থেকে ৩৮০ মিলিয়ন বছর আগে। একে বলা হয় এন্ড ডেভোনিয়ান। আগ্নেয়গিরির আকস্মিক সক্রিয়তার কারণে এই প্রলয় আসে। অক্সিজেনের মাত্রা কমতে শুরু করে। তখন উপস্থিত প্রায় ৭৫ শতাংশেরও বেশি প্রজাতি বিলুপ্ত হয়। অনেক মাছ ধ্বংস হয়ে যায়। মজার বিষয় হল যে, ছোটো প্রজাতির প্রাণীরা বেঁচে ছিল। সেখান থেকেই উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিভাজন শুরু হয়।  এবার ষষ্ঠবারে প্রলয় আসার পালা। এই নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন। কীভাবে আসলে সেই প্রলয় বা ধ্বংসলীলা কেন এবং কখন?এই প্রসঙ্গে নয়ের দশকে বিখ্যাত জীবাশ্মবিদ রিচার্ড লিকি সতর্ক করেছিলেন যে, ষষ্ঠ বিলুপ্তির জন্য মানুষই দায়ি হবে। কারণ হি...

পৃথিবীকে কিভাবে বদলে দিচ্ছে মনুষ্য যুগ?

ছবি
প্রতীক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মনুষ্যযুগ বা অ্যান্থ্রোপসিন। মধ্য বিংশ শতকেই পৃথিবী পা রেখেছে এই যুগে। এই গ্রহ জুড়ে রাজত্ব করছে মানুষ। এমনই দাবি করছেন একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের ব্যাখ্যা এই যে, পৃথিবীর প্রায় এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে মানুষের পা পড়েনি। বায়ুমণ্ডলে শ্বাসরুদ্ধ করা গ্রিনহাউস গ্যাস, মাইক্রোপ্লাস্টিকের বাড়বাড়ন্ত, ক্ষতিকর রাসায়নিক, পুরনো মোবাইল ফোন থেকে মুরগির হাড সবেতেই মানুষের কর্তৃত্ব ও তার জেরে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ স্পষ্ট।  মানুষেই পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যা প্রমাণ করে দেয় যে অ্যান্থ্রোপসিন শুরু হয়ে গিয়েছে।২০০৯ সাল থেকে একদল বিজ্ঞানী অ্যান্থ্রোপসিন সংক্রান্ত গবেষণা করে চলেছেন। আগামিকাল তাঁদের সর্বশেষ রিপোর্টটি প্রকাশিত হতে চলেছে। খাতায়কলমে বর্তমানে হলোসিন অধ্যায় চলছে। এই যুগ শুরু হয়েছিল ১১,৭০০ বছর আগে। শেষ গ্লেসিয়াল পিরিয়ড-এর পরে। কিন্তু এই মুহূর্তে বিজ্ঞানীদের দাবি যে, মানুষের কার্যকলাপের প্রভাবে হলোসিন শেষ হয়ে মধ্য বিংশ শতকেই অ্যান্থ্রোপসিন শুরু হয়ে গিয়েছে। এ নিয়ে দীর্ঘ বিতর্কও রয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, জাপানের বেপু বেতে সমুদ্রের নী...

চাঁদে, মঙ্গলে হবে যৌথ অভিযান! এবার ইসরোর সহযাত্রী হচ্ছে নাসা

ছবি
ইসরোর সঙ্গে হবে যৌথ অভিযান! চাঁদে, মঙ্গলে ও  আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সহযাত্রী নাসা ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এবার মহাকাশেও জোট বাঁধছে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন। আমেরিকার মহাকাশ সংস্থা নাসার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো বছর কয়েক আগেই আর্থ অবজ়ারভেশন উপগ্রহ নিসার বানানোর উদ্যোগে হাত দিয়েছিল। এবার যৌথ ভাবে মহাকাশ অভিযানেও নামতে চলেছে দুই দেশ। নাসা ও ইসরো চুক্তিতে কি কি আছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমেরিকা সফরের সময়ই মহাকাশ অভিযানে যৌথ পদক্ষেপের লক্ষ্যে আর্টেমিস চুক্তিতে সই করেছে ভারত। এর ফলে ভবিষ্যতে চাঁদে মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্যে নাসা আর্টেমিস মিশনের অংশীদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ইসরোর। পাশাপাশি মঙ্গল অভিযানেও হাত মেলাতে পারে ইসরো এবং নাসা। যৌথ উদ্যোগে ২০২৪ সালেই মহাকাশচারী পাঠানো হতে পারে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে।  আরও পড়ুন:   মহাকাশচারীরা মহাকাশস্টেশনে কিভাবে চুল কাটেন! তা দেখালো এবার চীন প্রসঙ্গত, ভারত ছাড়াও আর্টেমিস চুক্তিতে সাক্ষরকারী সাতটি দেশ রয়েছে।বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর যে, আর কয়েক বছরের মধ্যেই ইসরোর সঙ্গে যৌথ ভাবে মঙ্গল, শ...

মঙ্গল থেকে কিসের সঙ্কেত ভেসে এল পৃথিবীতে?

ছবি
মঙ্গল থেকে ভিন্‌গ্রহীদের সাঙ্কেতিক বার্তা উড়ে এল পৃথিবীর বুকে।  ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গল থেকে ভিন্‌গ্রহীদের সাঙ্কেতিক বার্তা উড়ে এল পৃথিবীর বুকে! বিজ্ঞানের ইতিহাসে এই প্রথম। কিন্তু লাল গ্রহ থেকে কে বা কারা এই বার্তা পাঠাল তা নিয়ে যথেষ্ট কৌতূহল তৈরি হয়েছে।মহাকাশের যে জায়গাগুলি সম্পর্কে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মনে মোটামুটি একটি ধারণা রয়েছে তার মধ্যে মঙ্গল অন্যতম। ইতিমধ্যেই ২০৩০ সালের মধ্যে মঙ্গলে অভিযানের প্রস্তুতিও শুরু করেছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তার মধ্যেই মঙ্গল থেকে পৃথিবীতে এল এই সাঙ্কেতিক বার্তা। মঙ্গল থেকে ভিন্‌গ্রহীদের সঙ্কেত মঙ্গল থেকে তবে এই সাঙ্কেতিক বার্তা কোনও ভিন্‌গ্রহীদের তরফে পাঠানো হয়নি। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ)-র তরফে এই পরীক্ষামূলক বার্তা পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে। ইএসএ এই বার্তা পাঠাতে বিশেষ এক্সোমার্স ট্রেস গ্যাস অরবিটার ব্যবহার করেছে। বিজ্ঞানীদের তরফে বার বার জানানো হয়েছে যে, মঙ্গলের আবহাওয়া এবং পরিবেশ মানুষের বসবাসের উপযুক্ত নয়। এখনও পর্যন্ত সে গ্রহে প্রাণের কোনও চিহ্ন মেলেনি।  আরও পড়ুন:  SpaceX: বিশ্বের শক্তিশালী মহাকা...

বলয় গ্রহ কাকে বলে?

ছবি
গ্রহীয় বলয় ছবি। গ্রহীয় বলয় ইংরেজি নাম Planetary ring। বলয় বলতে কোন গ্রহের চারপাশে একটি নির্দিষ্ট চাকতি আকৃতির অঞ্চলে আবর্তনরত ধূলি ও ছোট ছোট কণার বেষ্টনীকে বোঝায়। সবচেয়ে স্পষ্ট ও দর্শনীয় বলয় রয়েছে সৌর জগতের শনি গ্রহের চারপাশে। এছাড়াও সৌর জগতের অন্য তিনটি গ্যাসীয় গ্রহ বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুন চারপাশে বলয় রয়েছে। ক্যাসিনি নভোযান থেকে পাওয়া তথ্য থেকে সম্প্রতি ধারণা করা হচ্ছে যে, শনির একটি উপগ্রহের চারদিকেও বলয় রয়েছে। রিয়া নামের এই উপগ্রহের বলয় আবিষ্কৃত হলে প্রমাণিত হবে যে, উপগ্রহেরও বলয় থাকতে পারে। বলয় গ্রহ কিভাবে সৃষ্টি হল বিজ্ঞানীদের ধারনা তিনটি উপায়ে গ্রহীয় বলয় গঠিত হতে পারে যথাঃ ১। ভ্রূণ গ্রহীয় চাকতির যে উপাদানগুলো রোশ সীমার মধ্যে ছিল সেগুলো একসাথে মিলে উপগ্রহ গঠন করতে পারেনি। এরাই বলয় গঠন করেছে। ২। গ্রহটির কোন উপগ্রহ বিরাট কোন সংঘর্ষের মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে গেলে সেই ধ্বংসাবশেষ থেকে গঠিত হতে পারে। ৩। উপগ্রহটি হয়তো হঠাৎ কখনও রোশ সীমার ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। যাওয়ার সময় গ্রহের জোয়ার-ভাটা জনিত টানে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। সৌর জগতের বিভিন্ন বলয় শনির বলয় শনি গ্রহট...