পোস্টগুলি

মে, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নতুন সুপার পৃথিবী খুঁজে পেলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা, জানুন তার সব তথ্য

ছবি
একটি লাল বামন নক্ষত্র  চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে ছবি। নতুন সুপার পৃথিবী কিভাবে খুঁজে পেলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা  ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সম্প্রতি এক নতুন একটি সুপার আর্থ আবিষ্কার করেছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ।এই exoplanet আয়তনে আমাদের পৃথিবীর থেকে প্রায় চারগুণ বড়। জানা গিয়েছে যে, এই exoplanet এর নাম Ross 508 b ।একটি লাল বামন নক্ষত্র অর্থাৎ red dwarf star এর সূর্যের চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে এই exoplanet ।এই red dwarf star এর নাম রাখা হয়েছে Ross 508 b ।এই নক্ষত্রটি আমাদের পৃথিবী থেকে ৩৬.৫ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থান করছে । তবে এটাকে খালি চোখে দেখা প্রায় অসম্ভব ।কারন এটি এতই ম্লান যে খালি চোখে নজরে আসে না ।জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, এই  Super earth তার host star এর habitable zone বা বসবাসযোগ্য এলাকায় রয়েছে। জাপানের অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি একটি জার্নালে এই আবিষ্কার সংকান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে সংগৃহীত হয়েছে ।জানা গিয়েছে যে, এই Ross 508 b গ্রহটি তার host star- কে যে দূরত্ব থেকে প্রদক্ষিণ করে তা ওই গ্রহের পৃষ্ঠদে...

অদ্ভুত কিছু ঘটছে সৌরজগতে! জানালেন নাসা-র বিজ্ঞানীরা

ছবি
অদ্ভুত কিছু ঘটছে সৌরজগতে প্রতীক ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ হারের অধ্যয়ন। বহুকাল ধরেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মুগ্ধ করেছে এই বিষয়। আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে ১৯২০ এর দশকে জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন পি. হাবল এবং জর্জেস লেমাইত্রের প্রাথমিক গবেষণা। আর সেখান থেকে ১৯৯০ এর দশকের শেষের দিককার ডার্ক এনার্জির খোঁজ। মহাবিশ্বের বিবর্তন বরাবরই বিজ্ঞানীদের পছন্দের বিষয়। সৌরজগতে অদ্ভুত কিছু ঘটছে আর বর্তমানে সেই বিষয়ের অধ্যয়নে বিজ্ঞানীদের প্রধান অস্ত্র হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। সেখান থেকে প্রাপ্ত ডেটা থেকেই মিলেছে এক নতুন সম্ভাবনা। মহাবিশ্বে কতটা দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করছেন গবেষকরা। আর তার থেকেই তাঁদের বক্তব্য অদ্ভুত কিছু ঘটছে।নাসা-র মতে, হাবল স্পেস টেলিস্কোপের প্রদত্ত তথ্যানুসারে প্রত্যাশিত হারের তুলনায়, আরও দ্রুত হারে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত নাসা এই অসঙ্গতির পিছনে কোনও নির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেনি। আরও পড়ুন:   গ্রিনহাউস গ্যাসের ফলে, শুকিয়েছিল মঙ্গলের নদ-নদী, দাবি নয়া গবেষণায় স্পেস টেলিস্কোপ সায়েন্স ইনস্টিটিউট এবং ম...

গ্রিনহাউস গ্যাসের ফলে, শুকিয়েছিল মঙ্গলের নদ-নদী, দাবি নয়া গবেষণায়

ছবি
শুকিয়েছিল মঙ্গলের নদ-নদী ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ধরাধামে বসতি গড়ে মানুষ বেশ খুশি। শস্য শ্যামলা ধরিত্রীর স্থলভাগের সম্পূর্ণ অংশকে বাসযোগ্য করে তুলতে বদ্ধপরিকর মানুষ। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, মানুষের চেয়ে উন্নততর প্রাণীর অস্তিত্ব যদি থেকে থাকে তাহলে, তাদের পছন্দের বাসস্থান হবে মঙ্গল। পৃথিবীর পড়শি গ্রহে জলের সন্ধান পেলেই বাসস্থানের ব্যবস্থা হতে পারে। এই সংক্রান্ত গবেষণায় কাজ করতে করতে সম্প্রতি অন্য একটি সূত্র হাতে এসেছে বিজ্ঞানীদের।  শুকিয়েছিল মঙ্গলের নদ-নদী তা আরও বিস্ময় উদ্রেগকারী। বলা হচ্ছে যে, জলময় লালগ্রহ আচমকা শুকিয়ে খটখটে হয়ে যাওয়ার পিছনে অন্য কারণ খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা।মঙ্গল কি আদৌ মানুষের বাসযোগ্য? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে মঙ্গলের মাটিতে ঘোরাফেরা করে বেড়াচ্ছে নাসার মঙ্গলযান কিউরিওসিটি। রোভার পার্সিভিয়ারেন্স এর উচ্চপ্রযুক্তির লেন্স আর সঙ্গে থাকা ছোট্ট ল্যাবরেটরিতে মঙ্গলের মাটি পরীক্ষা চলছে। লালগ্রহের মেরুপ্রদেশ নিরক্ষীয় অঞ্চলের আবহাওয়া কেমন তা পরখ করে দেখছে নাসার যান।কিউরিওসিটির চোখে ধরা পড়েছে মঙ্গলে নদীর অস্তিত্ব ছিল। কিন্তু অনেক আগেই তা...

নক্ষত্রদের সংঘর্ষে মহাকাশে জন্ম নিল কৃষ্ণগহ্বর! টেলিস্কোপে প্রমান করলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা

ছবি
তারাদের সংঘর্ষে কিভাবে মহাকাশে জন্ম হয় ব্ল‍্যাক হোলের ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাকাশ গবেষণায় যে কোনও সাফল্যে সবার আগে উঠে আসে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার কিংবা ইউরোপীয় কোনও সংস্থার। কিন্তু এ বিষয়ে যে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণাও পিছিয়ে নেই তার প্রমাণ মিলল। বিশ্বের মহাকাশ বিজ্ঞানীরাই ভারতের কীর্তিকে ধন্য ধন্য করলেন। তারাদের সংঘর্ষে কিভাবে মহাকাশে জন্ম হয় ব্ল‍্যাক হোলের  নিলনিজেদের তৈরি টেলিস্কোপে মহাকাশে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের জন্ম চাক্ষুষ করলেন ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তাঁদের তৈরি ক্যাডমিয়াম জিঙ্ক টেলুরাইড ইমেজারের মাধ্যমে ধরা পড়েছে জন্মবৃত্তান্ত। ইন্টার ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের মতে, ভারতের এই কৃতিত্ব ব্ল্যাক হোল সংক্রান্ত গবেষণাকে আরও খানিকটা এগিয়ে দিল। বিশালদেহী নক্ষত্রদের সংঘর্ষে মহাকাশে তৈরি হয় কৃষ্ণগহ্বর। বিরাট হাঁ-মুখ অন্ধকার গর্ত।যার অসীম আকর্ষণ এড়াতে পারে না আলো। আলোক তরঙ্গ এর মধ্যে দিয়ে যেতে গেলেই তা গিলে খায়। মৃত নক্ষত্র থেকেও এই ব্ল্যাক হোল তৈরি হতে পারে। সাড়ে ৬ বছর আগে এই যন্ত্রটি প্রথম ...

সৌরজগতের বাইরে মহাকাশযান ভয়েজার ১ রহস্যজনক আচরণ করছে

ছবি
মহাকাশযান ভয়েজার ১ এর ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আজ থেকে ৪ বছর আগে সৌরজগতের প্রান্তসীমা ছাড়িয়ে অসীমের পথে ছুটতে শুরু করে মহাকাশযান ভয়েজার ১। ১৯৭৭ সালে পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরু করে এ মহাকাশযান সব মিলিয়ে প্রায় ৪৫ বছর যাত্রা করেছে  এই  মহাকাশে। ভয়েজার ১ এখন কোথায এ মহাকাশযান এখন পৃথিবী থেকে ২ হাজার ৩৩০ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরুর পর ২০১৮ সালে এটি সৌরজগতের প্রান্তসীমা ছাড়িয়ে যায়। বিশাল এই পথ পাড়ি দিয়েও এখনও ঠিকঠাক কাজ করে যাচ্ছে এটি। নাসা থেকে বিজ্ঞানীরা যেসব কমান্ড দিচ্ছেন ভয়েজার সেটি গ্রহণ করছে ও সে অনুযায়ী কাজও করছে। এরপর তথ্য সংগ্রহ করে তা পৃথিবীতেও পাঠাচ্ছে।  বর্তমান ভয়েজার ১কিভাবে কাজ করছে সম্প্রতি এ মিশনের বিজ্ঞানীরা অদ্ভুত কিছু বিষয় লক্ষ্য করছেন। এই মহাকাশযানকে যা নিয়ন্ত্রণ করছে সেই অ্যাটিটিউড আর্টিকুলেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেমে (এএসিএস) যে তথ্য আসছে।আর ভয়েজার আসলে যা করছে তা মিলছে না। তবে এএসিএস এটুকু নিশ্চিত করেছে যে, ভয়েজারের হাই-গেইন অ্যান্টেনা এখনও পৃথিবীর দিকেই মুখ করা আছে, যাতে মহাকাশযানটি না...

মঙ্গলে প্রচুর পরিমান জল রয়েছে, সন্ধান দিল চিনের জুরং রোভার

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এবার মঙ্গলের মাটিতে গবেষণা চালিয়ে চিনের রোভার দাবি করল মঙ্গলে অবশ্যই জল ছিল। এবং সেটাও ততটা প্রাগৈতিহাসিক সময়ে নয় যতটা ভাবা হয়।গত ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলের কক্ষপথে ঢুকে পড়েছিল চিনের মহাকাশযান। মে মাসে মঙ্গলপৃষ্ঠে অবতরণ করেছিল বেজিংয়ের মঙ্গলযান তিয়ানওয়েন-১ । তারপর থেকে মঙ্গলপৃষ্ঠে ঘুরে বেড়িয়ে নমুনা সংগ্রহের কাজ করেছে রোভার জুরং।  মঙ্গলে  মাটিতে  জুরং রোভার খুজেঁ পেল জল সেই রোভারেরই সংগ্রহ করা হাইড্রেটেড খনিজের নমুনায় মিলেছে মঙ্গলে জল থাকার চিহ্ন। মনে করা হচ্ছে যে, ৩০০ কোটি বছর আগেই হয়তো জল ছিল লালগ্রহে। সায়েন্স অ্যাডভান্সেস নামের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে যে,এই সংক্রান্ত এক গবেষণাপত্র। গবেষকদের দাবি করেন, রোভার সংগৃহীত নমুনা থেকে দেখা যাচ্ছে যে, মঙ্গলের মাটিতে ভূগর্ভস্থ জল ও বরফগলা জলের অস্তিত্ব ছিল একসময়। তারই চিহ্ন রয়ে গিয়েছে। এবং এো দাবি করা হয়েছে সম্ভবত দীর্ঘ সময় ধরেই জলের অস্তিত্ব ছিল প্রতিবেশী গ্রহে।মঙ্গলে জলের অস্তিত্ব নিয়ে এর আগে আমজনতার কৌতূহল বাড়িয়ে তুলেছিল পারসিভিয়ারেন্স। সেই সময় কিছু পাথরের ছবি সোশ্যাল মিডিয়া...

মাটিতে খসে পড়ল রহস্যময় ধাতব গোলক, চাঞ্চল্য গুজরাটে

ছবি
মাটিতে খসে পড়ল রহস্যময় ধাতব গোলক, চাঞ্চল্য গুজরাটে ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আচমকাই মাটিতে ভারী কিছু পড়ার শব্দ। আওয়াজ শুনে ভূকম্পনের আতঙ্কে দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন গুজরাটের তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা। গিয়ে তাঁরা তো তাজ্জব? আকাশ থেকে খসে পড়েছে  ধাতব গোলক’ বা উল্কাপিণ্ডের মতো বস্তু। আনন্দ জেলার তিন তিনটি জায়গায় এই আশ্চর্য ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে, বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ আনন্দ জেলার ভালেজ খাম্ভোলজ এবং রামপুরায় তিনটি ধাতব গোলক হঠাৎই আকাশ থেকে উড়ে এসে মাটিতে পড়ে। প্রতিটি গ্রামই পরস্পরের থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে। গোলকগুলির একেকটির ওজন প্রায় কেজি পাঁচেক। এরপরই গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। ঘটনাটির তদন্ত করতে ইতিমধ্যেই আমেদাবাদ ও গান্ধীনগর থেকে ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশও পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তৎপর হয়েছে। আরও পড়ুন:  এবার চাঁদের মাটিতে গাছের জন্ম দিয়ে ইতিহাস গড়লেন বিজ্ঞানীরা প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে যে, এই ধাতব গোলকগুলি কোনও কৃত্রিম উপগ্রহের ধ্বংসাবশেষ। ...

এবার চাঁদের মাটিতে গাছের জন্ম দিয়ে ইতিহাস গড়লেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  চাঁদ নিয়ে মানুষের আগ্রহ কমেনি কোনওদিন। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে চাঁদে জমি কিনে রাখা।এবার আরও চমকের খবর শোনালেন বিজ্ঞানীরা। আমেরিকা, চিন এবং রাশিয়া এই তিনটি দেশই চেষ্টা করছে চাঁদের মাটিতে মানুষকে রেখে আরও আধুনিক পদ্ধতিতে গবেষণা শুরু করার। কিন্তু খাবার ছাড়া মানুষ বাঁচবে কী করে! নাসার সাম্প্রতিকতম ঘোষণা অনুযায়ী সেই সমস্যার সমাধান হতে চলেছে খুব তাড়াতাড়ি।  চাঁদের মাটিতে কি কি গাছের জন্ম দিল বিজ্ঞানীরা নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, চাঁদের মাটিতে ফুলকপি বা ব্রকোলি জাতীয় সবজির চাষ হতেই পারে।আরও জানা গিয়েছে যে, চাঁদের মাটি রেগোলিথ প্রকৃতির। প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে এই মাটি নিয়ে আসা হয়েছিল পৃথিবীতে। এতদিন ধরে চেষ্টা করার পর অবশেষে ফসল ফলাতে সক্ষম হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। অ্যারাবিডোপসিস থালিয়ানা নামে এই গাছ চাষ করা হয়েছে চাঁদের মাটিতে। এই গাছ ব্রকোলি, ফুলকপি ইত্যাদি ফসলের সমকক্ষ। বিজ্ঞানীরা জনিয়েছেন যে, চাঁদের মাটির ফলন ক্ষমতা খুবই কম। কিন্তু এই সবজিগুলির চাষ হতেই পারে। সফলভাবে এই চাষ করেছেন ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা।  আরও পড়ুন:  ...

আমাদের গ্যালাক্সিতে রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোলের প্রথম ছবি তুললেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা

ছবি
রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোলের প্রথম ছবি তুললেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাকাশের আকাশগঙ্গা ছায়াপথের বা মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সি ঠিক মাঝখানে থাকা সেই দানবাকৃতি রাক্ষসের সন্ধান মিলেছিল বেশ কয়েক বছর আগেই। প্রথম বার সেই স্যাজিটেরিয়াস এ-র ছবি তুলতে সক্ষম হলেন ইন্টারন্যাশনাল কনসর্টিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। আমেরিকায় মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান এজেন্সি ন্যাশানাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন (এনএসএফ)-এর সহায়তায় আটটি রেডিয়ো টেলিস্কোপের সম্মিলিত ছবিকে একত্র করে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম ছবি রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোলের স্যাজিটেরিয়াস এ আদতে একটি দানবাকৃতি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর। ২০১৯ সালের মে মাসে কয়েক দিন ধরে অদ্ভুত একটা আলোর ঝলসানি দেখে তার সক্রিয়তাকে চিহ্নিত করেছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। যা দেখে মনে করা হয়েছিল যে, পৃথিবী থেকে ২৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত সূর্যের চেয়ে ৪০ লক্ষ গুণ বেশি ভরের ওই ব্ল্যাক হোলটি আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গিলতে শুরু করেছে আশপাশের মহাজাগতিক বস্তুগুলিকে।  আরও পড়ুন:  মহাবিশ্বের বৃহত্তম গ্যালাক্সির সন্ধান, সূর্যের চেয়ে প্রায় ...

চাঁদের মাটিতেই তৈরি হবে জ্বালানি ও অক্সিজেন, দাবি চিনা গবেষকদের

ছবি
জ্বালানি ও অক্সিজেন তৈরি হবে চাঁদের মাটিতেই প্রতীক ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা এই চন্দ্রপৃষ্ঠ নিরীক্ষণের অভিযান চালাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।চাঁদের মাটি মানুষ বসবাসযোগ্য হতে পারবে কিনা বা চাঁদের বুকে মানুষের উপস্থিতি স্থিতিশীল হবে কিনা সেই ব্যাপারেই চলছে গবেষণা । এর মধ্যেই চীনের একদল গবেষক দাবি করেছেন চাঁদের মাটির মধ্যে নাকি অক্সিজেন এবং জ্বালানি তৈরি করার ক্ষমতা রয়েছে। যেভাবে তৈরি হবে চাঁদের মাটি থেকে অক্সিজেন ও জ্বালানি ওই গবেষকদের কথায় চাঁদের মাটিতে এমন এক সয়  যৌগ রয়েছে যা কার্বন-ডাই-অক্সাইড অক্সিজেন এবং জ্বালানিতে রূপান্তরিত করতে পারে । এই আবিষ্কারের মাধ্যমে অনুমান করা হচ্ছে যে, চন্দ্রপৃষ্ঠে যে মাটি রয়েছে তা হাইড্রোজেন এবং মিথেন পাওয়ার ক্ষেত্রে কাজে লাগানো যেতে পারে । আর এর ফলে চাঁদের মাটিতে বসবাসের বিষয়টি অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।চীনের গবেষকদের দল এও বলেছে যে, এর ফলে যাদের চারপাশে একটি শ্বাস-প্রশ্বাস যোগ্য পরিবেশ তৈরি হবে।  চীনের গবেষকরা তাঁদের গবেষণায় জানিয়েছেন এমন একটি সিস্টেম বা প...

বারমুডা ট্র্যাঙ্গেলে নেই কোনও রহস্যই! দাবি অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীর

ছবি
বারমুডা ট্র্যাঙ্গেলে নেই কোনও রহস্যই দাবি অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানী কার্ল ক্রুসজেলনিকি ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  দশকের পর দশক ধরে রহস্যাবৃত যে বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল। তাতে নাকি আদৌ কোনও রহস্য নেই। ত্রিভুজ আকারের দ্বীপাঞ্চলে ঢুকতেই হারিয়ে যায় জাহাজ ও বিমান। ধ্বংসাবশেষও পাওয়া যায় না। সমস্ত অস্তিত্ব নিয়েই লোপাট হয়ে যায় সেসব। এমনকী জাহাজ বা বিমানযাত্রীদেরও কোনও চিহ্ন থাকে না। ফ্লোরিডা-বারমুডা-পুয়ের্তো রিকোর মাঝের ওই ভূখণ্ড নিয়ে এই কাহিনি বছরের পর বছর বিস্ময়ের উদ্রেক করেছে জনগণের।তবে রহস্যের জট খুলতে পারেননি কেউই। বারমুডা  ট্র্যাঙ্গেলে নিয়ে  কার্ল ক্রুসজেলনিকি দাবি সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার এক বিজ্ঞানী দাবি করেন যে, কোনও রহস্যই নেই বারমুডা ট্র্যাঙ্গেলে। সেখান থেকে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটছে স্রেফ বাস্তব কারণে। তাঁর এই দাবি ঘিরে বেশ শোরগোল পড়েছে বিজ্ঞানী মহলে।বিজ্ঞানীর নাম কার্ল ক্রুসজেলনিকি। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক তিনি। বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল রহস্য নিয়ে আলোচনায় কার্ল দাবি করেছেন ওখানে কোনও রহস্য নেই। বিভিন্ন ঘটনা উল্লেখ করে তাঁর ব্যাখ্যা করেন ব...

বাংলাদেশ কখন অশনি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে ও কতটা ক্ষয় ক্ষতি হতে পারে

ছবি
ঘূর্ণিঝড় অশনি বর্তমান অবস্থান live ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ঘূর্ণিঝড় অশনি শক্তি হারিয়ে বাংলাদেশের উপকূলের দিকেই আসবে। বিভিন্ন আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল অনুযায়ী এটা প্রায় নিশ্চিত। লঘুচাপ হিসেবে এটি আগামী ১৪ মে বরিশাল ও চট্টগ্রামের মাঝামাঝি উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর প্রভাবে বাংলাদেশে ভারিবৃষ্টি এবং জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। অশনি ঝড় এখন কোথায় এখনো অশনি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে প্রতি ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার ধীরগতিতে পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিমে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ ও উড়িষ্যা উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এটি ভারতের উপকূলের কাছাকাছি গিয়ে উত্তর ও উত্তর পূর্বে বাংলাদেশের দিকে নিতে যেতে পারে। মঙ্গলবারের ১০ মে মধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। অশনির প্রভাবে এরই মধ্যে বাংলাদেশ বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টি আগামী ১৪ মে পর্যন্ত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ঘূর্ণিঝড় অশনি আপডেট বাংলাদেশ আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ বলেন যে, ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের দিকেই মো...

২০ বছর পর দেখা যাবে উল্কা ঝড়! এই মাসেই ক্ষয়-ক্ষতি আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

ছবি
২০ বছর পর ধেয়ে আসছে উল্কা ঝড় প্রতীক ছবি। ২০ বছর পর ধেয়ে আসছে  টাউ হারকিউলিডস ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এই সৌরজগতে মাঝে মাঝে এমন অনেক আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটে, যার জন্য আমাদের অস্বস্তিতে পড়তে হয়। সেক্ষেত্রে প্রায় ২০ বছর পর গোটা বিশ্ব এরকমই এক বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে চলেছে বলে মনে হচ্ছে। আসলে সম্প্রতি বিজ্ঞানীমহল থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ৩১ মে বা ২ জুন তারিখে অর্থাৎ মে মাসের শেষের দিকে আসতে চলেছে উল্কাপিণ্ডের ঝড়। যদিও নিশ্চিতভাবে উল্কাপাত হবে নাকি উল্কার ঝড় হবে তা এখনো বলা যায়নি।  তাছাড়া পৃথিবীতে এই বিপর্যয় আছড়ে পড়বে নাকি আকাশপথেই ঝড়টি সীমাবদ্ধ থাকবে । সে বিষয়েও নিশ্চয়তা মেলেনি। যদিও বিজ্ঞানীরা পৃথিবী এবং এই উল্কা ঝড় সম্পর্কে কিছু তথ্য দিয়েছেন।যেমন উল্কাপিণ্ডের এই ঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে টাউ হারকিউলিডস। এটিকে নাকি প্রথমবার ১৯৩০ সালের মে মাসে জাপানের কিয়োটোতে কোয়াসান অবজারভেটরি দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল।  আরও পড়ুন:  ধূমকেতু আসলে কি ? ধূমকেতু কবে দেখা যাবে মহাজাগতিক দৃশ্যের কথা বললে যে, আকাশে গভীর অন্ধকারে থাকলে এব...

শুক্র গ্রহে অভিযান চালাবে ভারতের ইসরো, ২০২৪- এ উৎক্ষেপণ মহাকাশযানের

ছবি
 শুক্র গ্রহে অভিযান চালাবে ভারতের ইসরো, ২০২৪- এ উৎক্ষেপণ মহাকাশযানের প্রতীক ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  শুক্র গ্রহের এবার অভিযান চালাবে ইসরো, ২০২৪ সালে এ মহাকাশযানের উৎক্ষেপণ হতে চলেছে । চাঁদ এবং মঙ্গল গ্রহে অভিযান এর পর এবার ইসরো শুক্র গ্রহে অভিযান চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।সৌরমণ্ডলের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ হল এই শুক্রগ্রহ।এবার সেই গ্রহ পর্যবেক্ষণের জন্যই মহাকাশযান পাঠাতে চলেছে ইসরো।  শুক্র গ্রহে অভিযান ইসরোর জানা গিয়েছে যে, শুক্র গ্রহের চারপাশে অরবিট অর্থাৎ কক্ষপথে এই স্পেসক্রাফট বা মহাকাশযান ঘুরবে। শুক্র গ্রহের পৃষ্ঠদেশের তলদেশে কি কি সঞ্চিত রয়েছে তা জানার জন্যই পাঠানো হবে এই মহাকাশযান। এর পাশাপাশি শুক্রগ্রহের সালফিউরিক অ্যাসিড যুক্ত মেঘ দেখা যায়। তার মধ্যে কি রহস্য লুকিয়ে রয়েছে সেটাও জানা যাবে এই মহাকাশযানে মাধ্যমে। ইসরো চেয়ারম্যান ডক্টর সোমনাথ সারাদিন ব্যাপী একটি মিটিংয়ের পর জানিয়েছেন শুক্র গ্রহে এই অভিযান হচ্ছেই। আপাতত একটি প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করা হবে এবং অর্থের প্রয়োজন সেটাও খতিয়ে দেখা হবে। শোনা যাচ্ছে যে, ...

সৌরজগতেই রয়েছে দ্বিতীয় পৃথিবী, খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
সৌরজগতেই রয়েছে দ্বিতীয় পৃথিবী, খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা প্রতীক ছবি । ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  শনিগ্রহকে নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের উৎসাহের শেষ নেই। টাইটান কোন গ্রহের উপগ্রহ কেবল জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাই নন, যে কোনও মহাকাশপ্রেমীরই দুর্বলতা রয়েছে এই গ্রহটিকে নিয়ে। এবং তার অন্যতম কারণ এর রাজকীয় বলয়। যার ভিতরে পাক খাচ্ছে শনির ৮২টি উপগ্রহ। আর এই ৮২টি উপগ্রহের মধ্য বিশেষ এক উপগ্রহের নাম টাইটান ।  সৌরজগতেই রয়েছে দ্বিতীয় পৃথিবী সৌরজগতের বৃহত্তম এই উপগ্রহে মিলেছে নদী, লেক ও সমুদ্রের চিহ্ন। রয়েছে ঋতুচক্রও। তবে কি টাইটানই সৌরজগতের দ্বিতীয় পৃথিবী? বাহ্যিক মিল থেকে সেকথা বলা গেলেও আসলে পৃথিবীর সঙ্গে তাদের পার্থক্যও নেহাত কম নয়।জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স নামের এক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে একটি গবেষণাপত্র। সেই গবেষণাপত্রেই উঠে এসেছে টাইটান সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য।  স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক ম্যাথিউ ল্যাপোত্রের নেতৃত্বে এক গবেষক দল টাইটানের বুকে নদী, জলাশয় ও সমুদ্র খুঁজে পেয়েছে। বৃষ্টির ফলেই সেগুলি ভরে উঠলেও এই নদী সমুদ্র মোটেই জলে ভরতি নয়। গবেষকরা জানাচ্ছে...

এভারেস্টের চূড়ায় বিশ্বের সর্বোচ্চ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রটি বানাল চীন

ছবি
এভারেস্টের চূড়ায় বিশ্বের সর্বোচ্চ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রটি বানাল চীন প্রতীক ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বানাল চিন। সে দেশের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দুপুর ১২টা ৪৬-এ বৈজ্ঞানিক অভিযাত্রী দলের সদস্যরা মাউন্ট এভারেস্টে সফল ভাবে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেছেন। বিশ্বের সর্বোচ্চ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রটি যেভাবে বানাল চীন চিনা সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে, আবহবিদ ও অভিযাত্রীদের নিয়ে গঠিত পাঁচটি দল সম্মিলিত ভাবে ৮,৮৪৮ মিটার উঁচু এভারেস্ট শীর্ষের অদূরে ৮,৮৩০ মিটার উচ্চতায় ওই স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রটি স্থাপন করেছে। ৫,২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এভারেস্টের নর্থ ফেস বেস ক্যাম্প থেকে পুরো প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ ও পরিচালনা করেন চিনা আবহবিজ্ঞান দফতরের আধিকারিকেরা। আরও পড়ুন:  এবার ছয় মাসের জন্য নভোচর পাঠিয়ে ইতিহাস গড়বে আমিরশাহী আরও পড়ুন:  কোন তাপমাত্রায় হিট স্ট্রোক হয় জানেন? পুরো অভিযানে ১৬টি দলের মোট ২৭০ জন বৈজ্ঞানিক ও অভিযাত্রী অংশ নিয়েছিলেন। শীর্ষে ...

এবার ছয় মাসের জন্য নভোচর পাঠিয়ে ইতিহাস গড়বে আমিরশাহী

ছবি
 ছয় মাস অন্তরীক্ষে কাটাবেন আরব মহাকাশচারী প্রতীক ছবি। আমিরশাহী ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতেই মঙ্গলের কক্ষপথে মহাকাশযান পাঠিয়ে ইতিহাস রচনা করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE)। এবার ফের নয়া কীর্তি গড়তে চলেছে দুবাই। দীর্ঘ ৬ মাসের জন্য এক আরব মহাকাশচারীকে মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই নাসার সঙ্গে এই বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর। তবে এর আগে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর রেকর্ড গড়েছে আরব। ২০১৯ সালে হাজ্জা আল মনসৌরি নামের এক মহাকাশচারী ৮ দিন কাটিয়ে এসেছিলেন অন্তরীক্ষে। কিন্তু এত দীর্ঘ সময়ের জন্য কোনও মহাকাশচারীকে পাঠানোর ইতিহাস গড়লে নিঃসন্দেহে মহাকাশ রেসে আরও অনেকটা এগিয়ে যাবে সংযুক্ত আরব বা আমিরশাহী। আমিরশাহীর কৃতিত্ব এই কৃতিত্ব গড়তে পারলে আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ভারত ও অন্য দেশগুলির পরে একাদশ দেশ হিসেবে নজির গড়বে তারা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রধানমন্ত্রী শেখ মহম্মদ বিন রসিদ আল মাকটোরাম এই ঘোষণা করেছেন টুইটারে। তিনি লিখেছেন যে, মহাকাশের ইতিহাসে ১১তম দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী দীর্ঘ সময়ের জন্য কোনও নভচরকে অন্তরীক্ষে প...