পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

চাঁদের গুহায় থাকবে মানুষ, খুঁজে দিলেন নাসার বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  চাঁদে ফের পাড়ি দেবে মানুষ। প্রস্তুতিও চলছে জোরকদমে। যে সম্ভাবনার কথা শুনিয়েছে নাসা তা বাস্তবায়িত হলে, এ বার চাঁদে পা দেবে প্রথম কোনও নারী। কোনও কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি। তবে তার আগে আসন্ন অভিযানের জন্য অনেক অনুসন্ধান পর্ব চলছে। তার মধ্যে অন্যতম চাঁদে বাসযোগ্য স্থানের সন্ধান। চাঁদে পাওয়া গেল গুহা ছবি । চাঁদের বাড়িতে গুহামানব চাঁদের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ভয়াবহ রকমের। দিনের বেলা ১২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তো রাতে নেমে যায় মাইনাস ১৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এই প্রতিকূলতার মধ্যে বাতাসশূন্য পরিবেশে মানুষের পক্ষে দীর্ঘদিন বাঁচা সম্ভব নয়। কিন্তু চাঁদের বুকে যে বড়সড় গর্তগুলো রয়েছে । তার তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকে বলে জানা গিয়েছে।লুনার রেকনিসেন্স অরবিটার এর পাঠানো তথ্য পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন । আরও পড়ুন: অবশেষে চাঁদের বয়স জানা গেল   ওই গর্তগুলোতে চন্দ্রাভিযানের ঘাঁটি তৈরি করা যেতে পারে। এগুলোকে চাঁদের গুহাও বলা যায়। ভবিষ্যতে মহাকাশচারীদের ঠিকানা হতে পারে এগুলি। অর্থাৎ আধুনিক মানুষ হয়তো ফের চাঁদে গুহামানব হবে।জিয়োফিজ়িক্যা...

মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত প্রসারিত হচ্ছে

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, মহাবিস্ফোরণের (বিগ ব্যাং) মাধ্যমে সৃষ্টির পর থেকেই প্রতিনিয়ত প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব। নানা গবেষণায় সম্প্রসারণের গতিবেগ সম্পর্কেও ধারণা দেন তারা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে তা । মহাবিশ্ব ও সৌরজগৎ ছবি।   মহাবিশ্ব কি সকল গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু, নক্ষত্র, গ্যালাক্সি, ধূমকেতু, ব্ল্যাক হোল সহ সমস্ত মহাজাগতিক বস্তুকে একত্রে মহাবিশ্ব বলে। এমনকি সমস্ত মহাজাগতিক বস্তু যে অসীম শূন্যস্থানে বিরাজ করছে তা ও মহাবিশ্বের অংশ। তবে শুধু তাই নয় অসীম সংখ্যক মহাজাগতিক বস্তু বা মহাশূন্য সময়ও মহাবিশ্বের একটি অপরিহার্য অংশ। মহাবিশ্বের প্রসারণ প্রসারণ হচ্ছে মানে বৃদ্ধি লাভ করছে বা বেড়ে যাচ্ছে। মহাবিশ্ব প্রসারণ বলতে মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণাসহ মহাবিশ্বের সীমানা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সহজ কথায় মহাবিশ্ব ছড়িয়ে পড়ছে। আমাদের সৌরজগতের মতো আরও মহাবিশ্বে এমন অনেক কোটি কোটি গ্রহ উপগ্রহের কেন্দ্র রয়েছে যা নিয়ে গঠিত হয় গ্যালাক্সি। বিজ্ঞানীদের অনুমানের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব।নাস...

নাসায় কর্মরত বাংলাদেশী

ছবি
বাংলাদেশি  মাহজাবীন কিভাবে পেল নাসায় চাকরি ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসায় প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন সিলেটের মাহজাবীন হক।নাসায় সফটওয়্যার প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। চলতি বছরের ৭ অক্টোবর নিজের কর্মস্থলে যোগ দেবেন মাহজাবীন হক।মাহজাবীন এ বছরই মিশিগান রাজ্যের ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। মাহজাবীনের  নাসায় কর্মরত ছবি। মাহজাবীনের জন্ম সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার কদমরসুল গ্রামে। পড়াশোনা করেছেন সিলেটের খাজা বাড়ি স্কুল এন্ড কলেজে। ও লেভেল এবং এ লেভেল শেষ করেন এখান থেকেই।এরপর ২০০৯ সালে মা ও ভাইয়ের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান মাহজাবীন।প্রথম দু’বছর নিউ ইয়র্ক সিটিতে ছিলেন তারা। ২০১১ সালে মেশিনগানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করার পর তিনি ভর্তি হন হামট্রাম্ক হাই স্কুলে। সেখানকার পাঠ চুকিয়ে তিনি ওয়েইন স্টেইট কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে ইউনির্ভাসিটিতে ভর্তি হন।  বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই মাহজাবীন দুই দফায় টেক্সাসের হিউস্টনে অবস্থ...

ইসরো কি? ইসরো ফুল ফর্ম

ছবি
ইসরো কি ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ISRO এর সম্পূর্ণ নাম ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা । ISRO Full Form Indian Space Research Organization । ১৯৬৯ সালে গ্রহ উপগ্রহ এবং মহাকাশ বিজ্ঞান গবেষণা করার জন্য Indian Space Research Organization ISRO প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যা ভারতের  উন্নয়নে মহাকাশ প্রযুক্তির  বিকাশ ঘটিয়েছিল। মহাকাশ বিজ্ঞান ও গ্রহ নিয়ে গবেষণা করা সংস্থা  ISRO এর প্রধান লক্ষ্য হল জাতীয় বিকাশের জন্য মহাকাশ অনুসন্ধানের উন্নয়ন করা। ISRO বিশ্বের অন্যতম মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। ISRO বারবার সফলভাবে বিশ্বকে তার অনন্য এবং সাশ্রয়ী প্রযুক্তি দেখিয়েছে। বিশ্বের বিখ্যাত মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলির মধ্যে স্থান পেয়েছে। ISRO এর সমস্ত উৎক্ষেপণ চেন্নাইয়ের কাছে শ্রীহরিকোটা দ্বীপের সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্রে হয়। আজ আমরা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার ইতিহাস উদ্দেশ্য এবং এই সংস্থা কি কি অর্জন করেছে সেগুলি আলোচনা করব। ইসরো ইতিহাসের ছবি। ইসরো কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসরো ১৯৬৯ সালে গঠিত হয়েছিল। প্রথম ভারতীয় উপগ্রহ ছিল আর্যভট্ট। এটি ইসরো তৈরি করেছিল এবং সোভিয়েত...

মিল্কিওয়ের কেন্দ্রের যেন স্বর্ণমুদ্রার সমুদ্র! ছবি তুলে অবাক করল হাবল টেলিস্কোপ

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  হাবল টেলিস্কোপ থেকে যে ছবিটি তোলা হয়েছে সেটি গ্লোবুলার ক্লাস্টার টেরজ়ান ৯-এর । গ্লোবুলার ক্লাস্টার হল দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ নক্ষত্রের দল। যার মধ্যে হাজার হাজার থেকে লক্ষ-লক্ষ তারা ধারণ করার ক্ষমতা রয়েছে। মিল্কিওয়ের কেন্দ্রের যেন স্বর্ণমুদ্রার সমুদ্র ছবি।  ঠিক যেন স্বর্ণমুদ্রার সমুদ্র মিল্কিওয়ের কেন্দ্রে সর্বশক্তিমান টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব থেকে তোলা মহাজাগতিক দুনিয়ার শুরুর সময়কার ছবি আমাদের অবাক করে দিয়েছে। শুরু সময়ে কেমন ছিল নক্ষত্ররা বা টাইম মেশিনে কয়েকশো কোটি বছর আগে গিয়ে সেই ছবিই মানবজগতের কাছে তুলে ধরেছে ওয়েব। সেই জেমস ওয়েবের থেকে কম শক্তিমান হাবলও এবার এক চোখ ধাঁধানো ছবি নিয়ে হাজির হল।  গ্লোবুলার ক্লাস্টার কি হাবল টেলিস্কোপ থেকে তোলা উজ্জ্বল নক্ষত্রে ভরপুর সমুদ্র (তারার সাগর) দেখা গিয়েছে। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ESA) সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রগুলিকে স্বর্ণমুদ্রার সঙ্গে তুলনা করছে।যে ছবিটি তোলা হয়েছে সেটি গ্লোবুলার ক্লাস্টার টেরজ়ান 9-এর। বিষয়টি সম্পর্কে যাঁরা এখনও পর্যন্ত অবগত নন, তাঁদের জেনে রাখা উচিৎ যে, গ্লোবুলার ক্লাস্টার হল দৃঢ়ভ...

পৃথিবীর জন্মের ১৩০০ কোটি বছর আগের মহাবিশ্বের ছবি তুলেছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
১৩০০ কোটি বছর আগের মহাবিশ্বের ছবি তুলেছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহা বিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাংয়ের পরেই যে নক্ষত্রপুঞ্জ তৈরি হয়েছিল তারই একটির সন্ধান করতে সক্ষম হয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। বলে, দাবি করছে নাসা  সেই সময়কার গ্যালাক্সির ছবিটিও তুলেছে ওয়েব নামক টেলিস্কোপটি।গত বড়দিনের সকালে মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। এখন পৃথিবী থেকে তার দূরত্ব ১৫ লক্ষ কিলোমিটার। বিগ ব্যাং, যার পরে নক্ষত্র, গ্যালাক্সি তৈরি হয় ছবি প্রায় ১৩০০ কোটি বছর আগের গ্যালাক্সির ছবি তুলে নিয়ে এল নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে সেই ছবি প্রকাশ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। প্রসঙ্গত যে, প্রায় ১৪০০ কোটি বছর আগে এক অকল্পনীয় বিস্ফোরণের পরেই বিশ্ব ও ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই বিস্ফোরণকেই বলা হয় বিগ ব্যাং, যার পরে নক্ষত্র, গ্যালাক্সি তৈরি হয়। মহা বিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাংয়ের পরেই যে, নক্ষত্রপুঞ্জ তৈরি হয়েছিল তারই একটির সন্ধান করতে সক্ষম হয়েছে বলে নাসার তার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের মাধ্যমে।  পৃথিবীর জন্মের ১৩০০ কোটি বছর আগের ছবি সে...

ইতিহাসে এথম জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের ছবি প্রকাশ

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  তিন দশক ধরে মহাকাশে মানুষের চোখ হয়ে অবস্থান করেছিল হাবল। কয়েক মাস হল বৃদ্ধ হাবলকে সরিয়ে তার জায়গায় এসেছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। ১০ বিলিয়ন ডলার খরচ করে তৈরি এই টেলিস্কোপের গুরুত্ব ঠিক কতটা তা পরিষ্কার হয়ে গেল সোমবার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই টেলিস্কোপের তোলা প্রথম ছবি প্রকাশ করলেন। টেলিস্কোপের ইনফ্রারেড ধরা পড়েছে ক্যামেরায় ৪৬০ কোটি বছর আগের ছবি। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের এথম ছবি। জেমস ওয়েবের প্রথম ছবি সামনে আনলেন জো বাইডেন গ্যালাক্সি ক্লাস্টার অর্থাৎ ছায়াপথের ঝাঁকের এই ছবি ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। SMACS 0723 নামের ওই ক্লাস্টারের মধ্যে রয়েছে হাজার হাজার ছায়াপথ। সুদূর সময় ও স্থানের ওই সব ছায়াপথের এমন নিখুঁত ও ঝকঝকে ছবি দেখে চোখ ফেরাতে পারছে না জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এপর্যন্ত কোনও টেলিস্কোপই এমন ছবি তুলতে পারেনি। এতকাল হাবল স্পেস টেলিস্কোপ অনেক অসাধারণ ছবি তুললেও এমন ছবি তোলা তার পক্ষেও সম্ভব ছিল না। আরও পড়ুন:   চাঁদ দখল করতে চায় চিন! নাসার অভিযোগ সোমবার বাইডেন ছবিটি প্রকাশ করেন হোয়াইট হাউসে একটি অনুষ্ঠানে। জানা গিয়েছে যে,...

চাঁদ দখল করতে চায় চিন! নাসার অভিযোগ

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  চাঁদ দখল করতে পারে চিন ! এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। যদিও এমন সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করে দিয়েছে বেজিং। তাদের মতে এহেন মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন। আমেরিকা নাকি দীর্ঘদিন ধরেই এই ধরনের দাবি করে আসছে। যার কোনও ভিত্তিই নেই। কেন চাঁদ দখল নিয়ে নাসার অভিযোগ  মহাকাশ রেস একসময় ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আমেরিকার মধ্যেই। কিন্তু গত শতকের শেষ দশকে সোভিয়েতের ভাঙনের পর কার্যত নাসাই একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়ে এসেছে মহাকাশে। পরে রাশিয়া ধীরে ধীরে মাথা তুলে দাঁড়ায়। এবার সেই লড়াইয়ে নতুন প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে এসেছে চিনের নাম। মঙ্গলের মাটিতে নেমে পড়েছে চিনের তিয়ানওয়েন-১। তার আগে ২০১৩ সালেই চাঁদের মাটি ছুঁয়েছিল তাদের মহাকাশযান।  এবার মানুষবাহী যান চাঁদে পাঠাতে বদ্ধপরিকর চিন। এর মধ্যেই আমেরিকার অভিযোগ যে, চিনের পরিকল্পনা রয়েছে অন্য।নাসা প্রশাসক বিল নেলসন সম্প্রতি এক জার্মান সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় বলেছেন।আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। চিন বলতে এমন চাঁদের মাটিতে পা রেখে বলে দিল এটা আমাদের চাঁদ. তোমরা তফাত যাও। পাশাপাশি তাঁর আ...

প্লুটো গ্রহের উপগ্রহ কয়টি? প্লুটো গ্রহ নয় কেন

ছবি
প্লুটো  গ্রহ ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  প্লুটো আবিস্কৃত হয় ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে। বিজ্ঞানী ক্লাইড ডব্লিউ টমবাউ এটি আবিষ্কার করেন। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে এর সময় লাগে (পৃথিবীর হিসাবে) ২৪৮ বছর। সূর্য থেকে প্লুটোর  দূরত্ব প্রায় ৬০০ কোটি কিলোমিটার। প্লুটোর গতি   কক্ষপথে মাত্র ৪.৭ কিলোমিটার।প্লুটোর ব্যাস ২,৩৭৬.৬ কিলোমিটার। প্লুটোর পাঁচটি উপগ্রহ রয়েছে। প্লুটোতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস রয়েছে। কয়েক বছর একে গ্রহ এর তালিকায় রাখা হলেও একে ২০০৯ সাল থেকে বামন গ্রহ ধরা হয়ে থাকে।একে গ্রহের মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে অনেক দেশে আন্দোলনও হয়েছে। প্লুটো গ্রহের পাঁচটি উপগ্রহের ছবি। প্লুটো  গ্রহ আবিষ্কার ক্লাইড টমবাউ ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের এরিজোনা অঙ্গরাজ্যের ফ্ল্যাগস্টাফে অবস্থিত লওয়েল অবজারভেটরিতে যোগদান করেন। সেখানে ১৩ পলক তুলক দূরবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করে জানুয়ারি মাসে মিথুন নক্ষত্রপুঞ্জের তোলা দুটো ছবি তুলনা করেন ফেব্রুয়ারির ১৮ তারিখ বিকেল চারটায়। মার্চের ১৩ তারিখে তিনি নিশ্চিত করেন ওটা একটি গ্রহ। আরও পড়ুন: ...

নেপচুন গ্রহের কয়টি উপগ্রহ আছে

ছবি
নেপচুন গ্রহের উপগ্রহে ছবি। নেপচুন গ্রহ ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  নেপচুন সৌরজগতের অষ্টম গ্রহ এবং সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী গ্রহ যা রোমান সমুদ্র দেবতা নেপচুনের নামে নামাঙ্কিত হয়েছে। নেপচুন পরিধিতে চতুর্থ এবং ভরে তৃতীয় সর্ববৃহৎ গ্রহ পৃথিবীর ভরের ১৭ গুণ। গ্রহটি প্রতি ১৬৪.৮ বছরে একবার ৩০৩০ AU (৪.৫ মিলিয়ন কিমি; ২.৮ বিলিয়ন মাইল) দূরত্বে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।  ইউরেনাসের কক্ষপথে অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন আলেকসিস বুভার্ডকে অনুমান করতে বাধ্য করেছিল। যে এর কক্ষপথটি কোনও অজানা গ্রহের দ্বারা মহাকর্ষীয় চঞ্চলতার বিষয়। বোভার্ডের মৃত্যুর পরে নেপচুনের অবস্থানটি তার পর্যবেক্ষণ থেকে স্বাধীনভাবে জন কাউচ অ্যাডামস এবং আরবাইন লে ভারিয়ারের দ্বারা পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে নেপচুনকে ২ সেপ্টেম্বর ১৮৪৬ সালে লে টেলিস্কোপ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এর বৃহত্তম চাঁদ ত্রিটন খুব শীঘ্রই আবিষ্কৃত হয়েছিল। যদিও গ্রহের অবশিষ্ট ১৩ টি চাঁদ কোনওটিই বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত দূরবীণে পাওয়া যায় নি। নেপচুন গ্রহের নামকরণ পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে নেপচুন হল সকল সমুদ্র এবং জলাশয়ের দেবতা। নেপচুন ...