পোস্টগুলি

বাংলাদেশে ই-সিম, ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা

ছবি
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ই-সিম ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন দেশে প্রথমবারের মতো পরিবেশবান্ধব ফোর জি  ই-সিম চালু করেছে। আগামী মাস থেকে এই ই-সিম বাজারে পাওয়া যাবে। গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা ফোর জি ই-সিম সমর্থন করে এমন ডিভাইসে প্লাস্টিক সিম কার্ড ছাড়াই সংযোগের সম্পূর্ণ সুবিধা উপভোগ করতে পারবে। গ্রামীনফোন ই সিম গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন যে, এ ধরনের উন্নত ও পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পেরে আমরা আনন্দিত। এ প্রযুক্তি ব্যবহারে অগ্রণী হিসেবে এ যাত্রায় যুক্ত হতে আমরা সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই।গ্রামীণফোন জানায়, 4G ই-সিম সংযোগ পেতে হলে ক্রেতাদের 4G ই-সিম সমর্থন করে এমন ডিভাইস নিয়ে গ্রামীণফোনের এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার ঢাকা ও চট্টগ্রাম এবং নির্ধারিত গ্রামীণফোন সেন্টারে গিয়ে বায়োমেট্রিক নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করে 4G ই-সিমের জন্য অনুরোধ করতে হবে। আরও পড়ুন:  বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বিপদে কারন সূর্যের তাপে মার্চে সম্প্রচারে বিঘ্ন ই সিমের সুবিধা সিম কেনার প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গ্রামীণফোনের অনলাইন শপের মাধ্যমেও ...

চাঁদে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা মার্কিন বিজ্ঞানীদের! গোপন তথ্য ফাঁশ

ছবি
চাঁদে পরমাণু বিস্ফোরণের প্রতীক ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সবুজ প্রকৃতি আর মানুষের দূরত্ব বাড়ছে, একদিকে সবুজের ধ্বংস আবার অন্যদিকে প্রযুক্তির উন্নতি। যা ডেকে আনছে মরণ দূষণ। ফলাফল বদলে যাওয়া চরম জলবায়ু। এতেও যে আত্মহত্যাপ্রবণ সভ্য মানুষের কিছু যায় আসে না। তা নতুন করে প্রমাণিত হল সম্প্রতি প্রকাশিত আমেরিকার একটি গোয়েন্দা রিপোর্টে। ওই রিপোর্ট বলছে যে, একাধিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পাশাপাশি চাঁদে পরমাণু বিস্ফোরণের  ছক ছিল মার্কিন বিজ্ঞানীদের। যদিও সেই পরিকল্পনা মাঝপথে ভেস্তে যায়।কিন্তু চাঁদে পরমাণু বোমা বিস্ফোরণের কথা ভেবেছিল কেন বিজ্ঞানীরা! যে কারণে চাঁদে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা মার্কিন বিজ্ঞানীদের আসলে এই মিশনটিও ছিল আমেরিকার মুন মিশনের অন্তর্গত। যার পোশাকি নাম দেওয়া হয় অ্যাডভান্সড অ্যারোস্পেস থ্রেট আইডেন্টিফিকেশন প্রোগ্রাম । এমন কিছু পরিকল্পনা করা হয়েছিল এই মিশনে যা প্রকৃত প্রস্তাবে অবিশ্বাস্য। বেশ কিছু আধুনিক প্রযুক্তির পরীক্ষা নিরীক্ষার ভাবনা ছিল প্রথমত। যার অন্যতম ইনভিজিবিলিটি ক্লোক  অ্যান্টিগ্র্যাভিটি ডিভাইস  ট্রাভার্সেবল ওর্মহোলস এবং পা...

চাঁদ কেন ‘দু’মুখো, রহস্য ভেদ করলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
 চাঁদের ‘দু’মুখোর প্রতীক ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  কত কাছে তবু কত দূরে মনে হয়। চাঁদের  কথা ভাবতে বসলে তেমনই মনে হয় বিজ্ঞানীদের। আসলে পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশী চাঁদ। তবু আজও এই উপগ্রহের বহু রহস্যই ভেদ করা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে একটি সুখবর শোনালেন বিজ্ঞানীরা। জানিয়ে দিলেন যে, চাঁদের দুই পিঠের বৈপরীত্যের কারণ কী, এই বহু দিনের জটিল ধাঁধার সমাধান করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা। চাঁদের দু মুখো হয়ার কারণ সম্প্রতি একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে,সায়েন্স অ্যাডভান্সেস নামের একটি জার্নালে। সেখানে গবেষকরা জানিয়েছেন যে, কীভাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে ঘটা এক মহাজাগতিক ঘটনায় এই পরিবর্তন ঘটে গিয়েছিল। ঠিক কী হয়েছিল তখন? আজ থেকে ৪৩০ কোটি বছর আগে চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়েছিল একটি অতিকায় গ্রহাণু। সেই বিস্ফোরণ ছিল বিপুল। আর সেই বিস্ফোরণের ধাক্কাতেই বদলে যায় চাঁদের অস্তিত্ব। এর ফলে চাঁদের দুই অর্ধের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পৃথিবী থেকে যে অংশটি দৃশ্যমান সেদিকে এখনও চিহ্ন রয়েছে লাভা উদগীরণের। অন্য প্রান্তটিতে রয়েছে বহু গহ্বর। এবং সেখানে লাভা উদগীরণের কোনও চিহ্নমাত্র নেই। আরও পড়ু...

এলিয়েনদের হামলার ভয় পাচ্ছেন বিজ্ঞানীদের একাংশ

ছবি
এলিয়েনদের হামলার ভয় পাচ্ছে ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সৌরজগতের চৌহদ্দির বাইরে অন্য সভ্যতার খোঁজ করতে উঠে পড়ে লেগেছে নাসা। কিন্তু বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা যে, নাসার এই অতি কৌতূহল পৃথিবীর জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। বহির্বিশ্বে সাংকেতিক আমন্ত্রণবার্তা ভিনগ্রহীদের সন্ধানে বহির্বিশ্বে সাংকেতিক আমন্ত্রণবার্তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নাসা। খুব শীঘ্রই সেই বার্তা পৌঁছে যাবে ছায়াপথের বিশেষ বিশেষ অংশে। ভিনগ্রহী বিষয়ক গবেষকদের একাংশের দৃঢ় ধারণা। নাসার এই সাহসী পদক্ষেপ পৃথিবীকে বড় ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিতেও পারে। এলিয়েনদের যেভাবে বার্তা পাঠানো হবে বহির্বিশ্ব অর্থাৎ সৌরজগতের বাইরের ছায়াপথে যে আরও নক্ষত্রমণ্ডল রয়েছে এবং সেই সব অন্য নক্ষত্রের অন্য কোনও গ্রহে যে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণী থাকতে পারে। তা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। সন্দেহ নিরসনে এ বার তাঁরা ঠিক করেছেন। বহির্বিশ্বে পৃথিবীর তরফে একটি সাংকেতিক বার্তা পাঠানো হবে। যাতে পৃথিবীর ঠিকানার পাশাপাশি জানানো থাকবে পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও। থাকবে মহিলা এবং পুরুষের ছবিও সৌরজগতের...

মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনের পা! নাসার ছবি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

ছবি
মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনের পায়ের ছাপ ছবি। মঙ্গলে ভিনগ্রহের প্রাণীর পায়ের ছাপ  ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মঙ্গলে ভিনগ্রহের প্রাণীর পায়ের ছাপ সেই ছবিই তুলেছে নাসা । সম্প্রতি লাল গ্রহের ভূপৃষ্ঠের একটি ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। সেই ছবি দেখেই এলিয়েন নিয়ে কৌতূহলি নেটিজেন এমন প্রশ্ন তুলল। পাশাপাশি ছবি দেখে মুগ্ধ তারা। ফলে ইতিমধ্যে ওই ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।কিন্তু হঠাৎ মঙ্গলের ছবি দেখে এলিয়েনের কথা মনে পড়ল কেন ! কারণ আছে। বিখ্যাত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা যে ছবি প্রকাশ্যে এনেছে, মার্স রিকনেসান্স অরবিটার থেকে তোলা সেই হাই রিজলিউশন ছবির বৈশিষ্টই আসল কারণ। ছবিটি আসলে ভিন গ্রহের ভূপৃষ্ঠের একটি গোলাকার গর্ত। গোল অবশ্য খানিক বাঁকাচোরা। তারচেয়ে বড় কথা যে, বড় গর্তের ভিতর অসংখ্য পায়ের আঙুলের মতো রেখা রয়েছে। সেই হলুদাভ দাগের সঙ্গে মানুষের পায়ের আঙুলের কোনও মিল নেই। কারণ তা ভিষণই এলোমেলো। এই ছবি নিয়েই শোরগোল পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে । আরও পড়ুন:  পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে বেহেমথ ধূমকেতু, ঘণ্টায় ৩৫ হাজার কিমি বেগে নাসা ...

পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে বেহেমথ ধূমকেতু, ঘণ্টায় ৩৫ হাজার কিমি বেগে

ছবি
 বেহেমথ ধূমকেতু ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ধূমকেতু মহাকাশের আশ্চর্য এই অতিথিকে নিয়ে মহাকাশপ্রেমীদের কৌতূহলের শেষ নেই। কিন্তু এতদিন ধূমকেতুর দৈর্ঘ্য সম্পর্কে এতদিন যা ধারণা ছিল। তা ভেঙে দিয়েছে নাসার নতুন আবিষ্কার। হাবল টেলিস্কোপ জানিয়ে দিল যে, মহাকাশের বৃহত্তম ধূমকেতুর মূল অংশটির ব্যাস প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। এর নাম C/2014 UN271 ওরফে বেহেমথ।  বেহেমথ সবচেয়ে বড় ধূমকেতু  যা সাধারণ ধূমকেতুর যে দৈর্ঘ্য, তার থেকে প্রায় ৫০ গুণ বেশি। প্রায় ৩৫ হাজার কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে সেটিকে ছুটে আসতে দেখা গিয়েছে সৌরজগতের সীমানা থেকে।কেবল দৈর্ঘ্য় নয়, ধূমকেতুটির ভরও চমকে দেওয়ার মতো। এর ভর প্রায় ৫০০ লক্ষ কোটি টন। এটিও এতদিন আবিষ্কৃত ধূমকেতুদের থেকে বহু গুণ বেশি ভারী। স্বাভাবিক ভাবেই এমন অতিকায় ধূমকেতুকে দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা। ২০০২ সালে দেখা গিয়েছিল C/2002 VQ94 নামের এক ধূমকেতু। সেটিই ছিল এতদিন পর্যন্ত চেনা ধূমকেতুদের মধ্যে সবথেকে দীর্ঘ। কিন্তু এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। তবে বেহেমথ নামের ধূমকেতুটিকে প্রথমবার দেখা গিয়েছিল ২০১০ সালে। সেই সময় সূর্যের থেকে এর দূরত্ব ছিল ...

বেহেমথ বৃহত্তম ধূমকেতু মাপল নাসা, এগিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে

ছবি
বেহেমথ বৃহত্তম ধূমকেতু মাপল নাসা, এগিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  নাসা জানিয়েছে যে, সাধারণ ভাবে এতদিন যে সব ধূমকেতু দেখা গিয়েছে বেহেমথের নিউক্লিয়াস তার থেকে আকারে অন্তত ৫০ গুণ বেশি বড়।নাসার হাবল টেলিস্কোপ জানিয়েছে যে, মহাকাশে বৃহত্তম ধূমকেতুর মূল অংশটির ব্যাস প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। বেহেমথ ধূমকেতু নাম তার বেহেমথ। নাসা এর খোঁজ পেয়েছিল ২০১০ সালেই। তবে চেহারার হদিশ পেতে লেগে গেল আরও ১২ বছর। নাসা বেশ স্পষ্ট করেই জানিয়েছে যে, এ যাবৎ যত ধূমকেতু দেখেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা তার মধ্যে এটিই নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বড়। বেহেমথ ধূমকেতু কত বড়? সাধারণত ধূমকেতুকে দেখতে হয় লম্বাটে। মূল অংশের পিছনে গ্যাসের লম্বা আস্তরণ থাকে। সূর্যের যত কাছে আসে ধূমকেতু  ততই সূর্যের তাপে বিস্তৃত হতে থাকে গ্যাসের আস্তরণ।নাসার হাবল টেলিস্কোপ বেহেমথের গ্যাসের আস্তরণের  ধূমকেতুর  ভিতর থেকে  মূল অংশ বা নিউক্লিয়াসের মাপজোক করেছে। নাসা জানিয়েছে যে, সাধারণ ভাবে এতদিন যে সব ধূমকেতু দেখা গিয়েছে বেহেমথের নিউক্লিয়াস তার থেকে আকারে অন্তত ৫০ গুণ বেশি বড়। এর ভর প্রায় ৫০০ ...