পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারীর নাম কি

ছবি
ইউরি আলেক্সেইভিচ্ গাগারিন (রুশ: Юрий Алексеевич Гагарин, ৯ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ১৯৬৮) একজন সোভিয়েত বৈমানিক এবং নভোচারী। তিনি সর্বপ্রথম ব্যক্তি যিনি মহাকাশ ভ্রমণ করেন, তিনি ভস্টক নভোযানে করে ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল পৃথিবীর কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করেন । প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনের রোমহর্ষক কাহিনী মানুষের মহাকাশযাত্রার ইতিহাসে ইউরি গাগারিন এক অবিস্মরণীয় নাম প্রথমবারের মতো মহাকাশে তিনি পাড়ি জমিয়েছিলেন। রাষ্ট্রীয় নভোচারীর মহাকাশযাত্রা আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে যে ভয়াবহ প্রতিযোগিতা সূচনা করেছিল তারই সূত্র ধরে পরবর্তীতে একের পর এক মহাকাশ অভিযান চালানোর চেষ্টা করতে থাকে। দেশ দুটি যার ফলে মানুষ চাঁদে পা রেখেছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে বানিয়েছে মহাকাশ স্টেশন।   ইউরি গ্যাগারিন নামের একটি মহাকাশযানে করে ১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল মহাকাশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। রাশিয়ার সময় সকাল ছটা তে মহাকাশযাত্রা তিনি শুরু করেন। প্রথমবারের মতো পৃথিবীর আকর্ষণের বাধন ছিরে বেরিয়ে যায়। তারপর পৃথিবীকে ঘিরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে একবার ঘুরে নিয়ে আবারও প্রবেশ করে।  পৃথ...

মহাকাশ সম্পর্কে অজানা তথ্য বিজ্ঞানের জানা অজানা তথ্য

ছবি
মহাকাশ মহাকাশ সম্পর্কে অজানা তথ্য   রাতের আকাশে তাকিয়ে যে হাজার হাজার জ্বলতে থাকা তারা দেখা পাই । তারা প্রাচীনকাল থেকেই তাদের দিকে টানছে আমাদের এখানে মধ্যাকর্ষণ ছাড়িয়ে একদিন মানুষ জয় করেছে মহাশূন্যে বেঁধেছি ঘর স্পেস স্টেশন। সেখান থেকে আমাদের পৃথিবীতে একদমই বিভিন্ন রকম দেখায় পৃথিবীর পাহাড় সাগর অথবা ঘূর্ণিঝড় একদমই আলাদা। যেন মহাকাশচারী প্রথম যাত্রাতেই অজস্র ছবি তুলেছেন তাদের ভেতর থেকে নির্বাচিত কিছু ছবি নিয়ে আজকের আয়োজন।  ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির পর্যবেক্ষণকারী মহাকাশযানের তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে গিনি-বিসাউ প্রজাতন্ত্র দেশগুলোর ভেতর একটা সীমা আছে। আর্সেনাল নিচের দিকে সাদা রঙের জায়গাটা রাজধানী ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির সাগরের এবং এই বিশাল বড় পরিবর্তন এলো কি না আসলে তার নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করবে কিনা তা নির্ধারণ করা। ২০১০ সালের ২০ এপ্রিল পানির নিচে তেলের খনি বিস্ফোরণের কারণে প্রচুর তেল ছড়িয়ে পড়ে তিন মাস ধরে মেক্সিকো উপসাগরের নির্গমনের ক্যানভাসে পরিণত হয়। সে সময় নাসার একটি মহল থেকে নেয়া ছবি এই তিনটি বর্ণের একটি প্রোফাইল তৈরি করেছিল তারা মোটামুটি সব ধরনের ছ...

চিনি কিভাবে তৈরি হয়?

ছবি
চিনি কিভাবে তৈরি হয়  হ্যালো ফ্রেন্ডস কেমন আছেন সবাই আবার আপনাদের স্বাগত জানায় । বন্ধুরা এটা কি আপনারা জানেন যে চিনি কিভাবে তৈরি হয় ? যেমনটা আপনারা দেখছেন অতি সহজেই গরম গরম চিনি তৈরি হচ্ছে তো চলুন জেনে আসি আসলে চিনি ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হয় কিভাবে । বন্ধুরা হয়তো এরকম কোন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না যে মিষ্টি পছন্দ করে না । কারণ অল্প হলেও আমরা সবাই মিষ্টি খেতে ভালবাসি আর এই মিষ্টি চাহিদা আজ থেকে নয় এটা ২০০০ বছর আগে থেকে চলে আসছে ।  কারণ মিষ্টি মুখে একটা আলাদা রকম অনুভুতি আসে এটা আমাদের শরীরে খুশি থাকা হরমোনের নাম বল করে দেয় । যাই হোক মিষ্টি তো আমাদের মস্তিষ্ককে সক্রিয় করে কিন্তু যখনই মিষ্টির কথা আসে তখন এসব প্রথমে চিনি কিভাবে তৈরি হয় ? কারণ চিনি থেকে তৈরি হয় কিন্তু সেখানেও জিনিস ফ্যাক্টরি থেকে তৈরি হয় ওখানে প্রশ্ন চলে আসে ? যে আসলে চিনি কোন জিনিস থেকে তৈরি হয় আর এটাকে তৈরি করার জন্য কোন কোন প্রসেসের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় ।  চিনি কিভাবে তৈরি হয় ছবি। চিনি  বন্ধুরা আজকের পোষ্টে আমি আপনাদের এটা জানাতে চলেছি যে কিভাবে বড় বড় ফ্যাক্টরিতে তৈরি হয় তো চলুন ...

বিশ্বের প্রথম মহিলা মহাকাশচারীর নাম কি

ছবি
  ভ্যালেন্তিনা নিকোলায়েভা তেরেশকোভা বিশ্বের প্রথম মহিলা মহাকাশচারীর নাম  মহাকাশে বিশ্বের প্রথম নারী সোভিয়েত মহাকাশচারী ভ্যালেন্তিনা নিকোলায়েভা তেরেশকোভা ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দের ১৬ জুন মহাকাশ যাত্রা করেন। ১৬ ই জুন  ১৯৬৬ সাল বাস্তবায়নের কসমোড্রোম যেটি বর্তমানে কাজাখস্তানে সেখান থেকে স্থানীয় সময় ঠিক বারোটা বেজে ৩৫ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে গর্জে উঠল।উড়াল দিলো মহাকাশ পানে ভেতরে থাকা আরোহী চিৎকার করে বলে উঠলেন আকাশ তুমি টুপি খুলে অভিবাদন করতে তৈরি হয় আমি আসছি।  এদিকে রেডিও মতে বিশেষ ঘোষণা করা হলো বলা হলো মানব ইতিহাসে প্রথম একজন নারী মহাকাশ গমন করছেন। তিনি সোভিয়েতের নাগরিক হিসাবে নিয়ে ছুটছেন ঊর্ধ্বমুখে। মহাকাশচারী যখন পৃথিবী কে কেন্দ্র করে চক্কর দিচ্ছে সেই সময় রেডিওতে প্রচারিত খবরের ভূপৃষ্ঠে থাকা অন্যান্য সকলের সাথে প্রথম জানতে পারলেন।তার জন্মদাত্রী মা ।  এখনো পর্যন্ত ৫৩৪ জন মহাকাশচারী মহাকাশ ভ্রমণ করেছেন। এর মধ্যে নারী মহাকাশচারী হচ্ছেন ৫৭ জন। ১৯৬২ সালের ১৬ ই ফেব্রুয়ারি শহীদ প্রকৌশলী মহাকাশে প্রথম নারী নভোচারী পাঠানোর চিন্তাভাবনা করেন। এবং এ জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন...

মহাকাশ অভিযান কি

ছবি
মহাকাশ অভিযান হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের উর্ধ্বে মহাকাশ উড্ডয়ন এবং ঐ স্থানের পরিবেশ ও ভৌত ধর্মাবলিকে পর্যবেক্ষণ করা। স্বয়ংক্রিয় ভাবে বা রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে কিংবা নভোচারীবাহী মহাকাশযান দ্বারা মহাকাশ অভিযান পরিচলনার যায়। মহাকাশ অভিযান মহাকাশ অভিযান আশা করি সবাই ভালো আছেন আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম।মহাশূন্যের রহস্য আবিষ্কার এর উদ্দেশ্যে পরিচালিত অনুসন্ধান বা অভিযানকে মহাকাশ অভিযান বলা হয় ।অন্য কথায় জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীর বাইরে অভিযান পরিচালনাকারী মহাকাশ অভিযান বলে ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় । মহাশূন্যে মানব নির্মিত বস্তু পাঠানোর প্রথম পদক্ষেপ ছিল জার্মান বিজ্ঞানী । কে ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন পৃথিবীর প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ প্রেরণ করেন । এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল প্রথম মানুষ হিসেবে রাশিয়ার মহাকাশ যাত্রী ইউরি গ্যাগারিন মহাশূন্যে ভ্রমণ করেন । মহাশূন্যে ভ্রমণকালে ৩১ মহাকাশযানে করে এক ঘন্টা ৪৮ মিনিটে পৃথিবীর আবর্তন করেন ।  এরপর হাজার ১৯৬৬  সালের বিশ্বের প্রথম নারী মহাকাশ যাত্রী হিসেবে ভ্যালেন্তিনা ...

সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা কোনটি । Sirius star

ছবি
 লুব্ধক (ইংরেজি নাম: Sirius) পৃথিবীর আকাশের উজ্জ্বলতম তারা। লুব্ধকের আপাত প্রভা -১.৪৭ যা আকাশের দ্বিতীয় উজ্জ্বল তারা ক্যানোপাস বা অগস্ত্য থেকে দু'গুণ বেশি উজ্জ্বল। সিরিয়াস তারা ছবি। সিরিয়াস সর্ম্পকে হ্যালো বন্ধুরা আমাদের প্রতিনিয়ত জীবনধারায় দিন ও রাত্রি একটা অঙ্গ কারণ দিনে আমরা কর্মব্যস্ত থাকি এবং রাত্রের দিকে বিশ্রাম করি । যাতে পরের দিনে ভালোভাবে কাজ করতে পারি এই দিনের বেলায় আকাশের শোভা বাড়ানো হতে সূর্যের একটা বিরাট ভূমিকা থাকে । রাতের আকাশে চাঁদের সাথে তারা গুলো আকাশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তারা গুলির মধ্যে কিছু কম চকচক করে । আবার কয়েকটি তারা বেশি চকচক করে তারা গুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে তারা আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাহলো সিরিয়াস । সিরিয়াস একটা অদ্ভুত এবং রোমাঞ্চে ভরা তারার সাথে জড়িত । বিভিন্ন সভ্যতার নানা রকম কথা জড়িত আছে আর সেই সিরিয়াস নামে তারাটির ব্যাপারেই আজকের আমাদের এই বিশেষ পর্বটি । অবস্থান রয়েছে কন্সটেলেশন সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা আমাদের চোখে আঙ্গুল দেখানোর কারণ দুটি এক পৃথিবী থেকে সিরিয়াস তুলনামূলক কাছে অবস্থিত । আর ২ এর আভ্যন্তরীণ চমক যার ফলে একে আরও উজ্জ্ব...

পৃথিবী থেকে তারার দূরত্ব কত?

ছবি
পৃথিবী থেকে একটি তারার দূরত্ব প্রথম সঠিকভাবে পরিমাপ করেন ফ্রিডরিক বেসেল ১৮৩৮ সালে। লম্বন কৌশল ব্যবহার করে তিনি এই দূরত্ব পরিমাপ করেছিলেন। তিনি পৃথিবী থেকে ৬১ সিগনি নামক তারাটির দূরত্ব ১১.৪ আলোকবর্ষ নির্ণয় করেছিলেন। পৃথিবী থেকে তারার দূরত্ব পৃথিবী থেকে তারার দূরত্ব দক্ষিণ গোলার্ধের আকাশের দিকে চোখ মেললে সেন্ট্রাল ফোর্স নামে একটি নক্ষত্রপুঞ্জ দেখা যায়। হাজার ৮০০ বছর আগে জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমি ৪৮০০ তালিকাভুক্ত করেছিলেন এবং তার মধ্যে এসেন্টিয়ালস নক্ষত্রপুঞ্জ একটি নক্ষত্র।  নক্ষত্র জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র ব্যবস্থা আছে যাকে আমরা বলি আলফা সেন্টোরি ব্যবস্থা তে অবস্থিত তিনটি নক্ষত্র হলো আলফা  সেন্টোরি। এবং আলফা সেন্টোরি নক্ষত্রটিকে অর্থাৎ আমরা প্রক্সিমা সেন্টরি নামে ডাকি। গৃক মিথলজি অর্ধেক মানুষ অর্ধেক ঘোড়ার মতো দেখতে এক ধরনের প্রাণী এবং শব্দটির অর্থ হল সূর্যের প্রক্সিমা সেন্টরি হল আমাদের সবচেয়ে নিকটতম নক্ষত্র। এবং আলফা সেন্টোরি হলো আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্রে ব্যবস্থা হাজার ৯১৫ সালে স্কটিশ সাউথ আফ্রিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সর্বপ্রথম কে আবিষ্কার করেন। পৃথিবী থেকে ৪.২৪ আলোকবর...

জেফ বেজোস এর মহাকাশ যাত্রা

ছবি
জেফ বেজোস এর মহাকাশ যাত্রা জেফ বেজোস এর মহাকাশ যাত্রা ৪ জন সহ নিজের রকেট জাহাজ নিউ শেপার্ডে করে মহাকাশে ছোট-খাট ভ্রমণ করে ফিরেছেন বিলিয়নিয়ার জেফ বেজোস। ... নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে জেফ বেজোস আনন্দে চিৎকার করে বলেন । সেরা দিন বেজোসের সংস্থা ব্লু অরিজিন এই নিউ শেপার্ড নামে রকেটটি তৈরি করেছে। এটি মহাকাশ পর্যটনের জন্য ক্রমবর্ধমান বাজারের চাহিদা পূরণের জন্যই নকশা করা হয়েছে। গত ১১ জুলাই উড়েছিল ভার্জিন গ্যালাটিক' এবং ৭৬ মহাকাশচারী আর আজ উল্লু অরিজিনাল নিউজপেপার সাথে সাথে ছিলেন চারজন মহাকাশ ভ্রমনকারী। এবং বিশেষত ছিলেন অ্যামাজন এবং ব্লু অরিজিন অধিকর্তা জেফ বেজোস ছিলেন। তার ভাই আমার ৮২ বছরের এক মহিলা উইলি উইলি একসময়কার পাইলট এবং মার্টিনের পাইলট ছিলেন। তিনি চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে ছিল অলিভার নেই মন বলে ১৮ বছরের যুবক। আমরা দেখতে পেলাম লাইভ এর মধ্যেই দেখেছি যে এই রকেট ইঞ্জিনের ৪ মহাকাশচারী কে নিয়ে মহাকাশচারী আবার বলছি আমি মহাকাশ ভ্রমনকারী কে নিয়ে চলল মহাকাশের উদ্দেশ্যে। এনারা গেলেন অনলাইনের কাছে  হচ্ছে আমাদের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল যেখানে শেষ হয়েছে সেখানে একটা কাল্পনিক রেখা দেখে কারমে...

নাসার বর্তমান গবেষণা

ছবি
নাসার বর্তমান গবেষণা নাসার বর্তমান গবেষণা হ্যালো বন্ধুরা নাসা বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় অন্যতম অগ্র-পথিক কঠিন কঠিন সমস্যার অন্যতম সহজ সমাধান তৈরি করে মানুষের জন্য সহজ রাস্তা তৈরি করার অন্যতম প্রধান একটি সংস্থার নাসা। পৃথিবীতে এযাবৎকালে প্রতিষ্ঠিত যতগুলো স্পেস এজেন্সির রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সফলতা অজর্ন করেছে। একমাত্র নাসা  প্রথম সাহস করে চাঁদে মানুষ পাঠায় এবং অফিশিয়ালি সেটি এখনো  রয়েছে। আমাদের প্রতিদিনের ব্যবহার্য জিনিস রয়েছে যেগুলো সেই প্রথম আবিষ্কার করেছে রাশিয়া চীন জাপান ইন্ডিয়া সবাই বিভিন্নভাবেই মহাকাশ গবেষণায় কাজ করে চলছে।  অন্যান্য সব মহাকাশ গবেষণা সংস্থা থেকে তিন গুণেরও বেশি না জানিয়ে  আমাদের কাছে অনেক রিকোয়েস্ট এসেছে।  এবং সব অপেক্ষার পালা শেষ করে আজকে না জানি আমাদের নাসা সম্পর্কে জানতে হলে  শেষ পর্যন্ত পড়ুন।    ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালে ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স সুপারসনিক প্লেন তৈরি করার পরিকল্পনা হাতে নেয়। ১৯৫০ সালের শুরুর দিকে তাদের কাছে একটি চ্যালেঞ্জ ছিল মহাকাশে একটি আর্টিফিশিয়াল স্যাটেলাইট চ্যানেল তৈরি  কর...

সূর্যের অজানা রহস্য । The mystery of the sun

ছবি
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন আপনারা আশা করি অনেক অনেক ভাল আছেন। আজ আমরা সৌরজগতের নক্ষত্র সূর্য সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে তার মধ্যে একটি হলো আকাশ গঙ্গা ছায়াপথ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রস্থল থেকে কয়েক হাজার আলোকবর্ষ দূরে আমাদের সৌরজগতে অবস্থিত। সৌরজগতের উজ্জ্বলতম তারা মহাকর্ষ বলের কারণে তাদের নিজস্ব কক্ষপথে নির্দিষ্ট গতিতে সূর্যের চারপাশে ঘুরছে।  এই পৃথিবীর বুকে বাঁচিয়ে রেখেছে উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলো থেকে খাদ্য উৎপাদন করে থাকে অনুরূপভাবে আমরা খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভর করে থাকি। এছাড়া জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের প্রধান ভূমিকা রাখে পৃথিবীর উপর সূর্যের প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই মানুষ অনুধাবন করে আসছে। তাহলে বন্ধুরা চলুন আজকের এই পোস্টে সূর্যের রহস্য সম্পর্কে কিছু জানা অজানা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নেওয়া যাক।  সূর্যের অজানা রহস্য সূর্যের অজানা রহস্য মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির লক্ষ কোটি তারার মধ্যে একটি মাঝারি হলুদ বর্ণের তারা হল সূর্য । প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী থেকে প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে মহাশূন্যে ভাসমান ধূলিকণা হাইড্রোজেন হিলিয়াম গ্যাসের বিশাল মেঘ সৃষ্টি হ...

মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান | Space and astronomy

ছবি
মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান জ্যোতির্বিজ্ঞান আসলে কি আমি আপনাদের বলব সেটি অনেকের কাছেই অজানা আর যদিও বা আপনার বিষয়টি জানা থেকে থাকে তাহলে কংগ্রাচুলেশনস আপনার জানা এই গানের অর্থাৎ নলেজ এর দাম ইনফিনিটি টাকা দিয়ে এর তুলনা হয় না । আপনি আকাশের দিকে দেখুন কি দেখতে পাচ্ছেন বলুনতো আসলে এটা নির্ভর করে অর্থাৎ ডিপেন্ড করে আপনার দেখার ক্ষমতা এবং টাইম এর উপর । যদি দিন হয় তাহলে আপনি সূর্য দেখতে পারেন এবং যদি রাত হয় তাহলে আপনি চাঁদ দেখতে পাবেন এবং যদি আকাশ পরিষ্কার হয় রাত্রি বেলায় তাহলে আপনি তারা দেখতে পাবেন ।যদি আপনি কোন বড় শহরে থেকে থাকেন তাহলে হয়তো আপনি শ'দুয়েক তারা দেখতে পান ।  কিন্তু যদি আপনি গ্রামে অথবা সমুদ্রের ধারে থেকে থাকেন তাহলে আপনি কমপক্ষে হাজার দুয়েক তারা প্রতি রাতে দেখে থাকেন । আর শুধু তাই নয় আপনার চোখে প্লানেট গ্রহ এবং ধুমকেতু পড়েছে তাই না । কিছু লোক রয়েছে যারা ঘন্টা ঘন্টা আকাশের দিকে চেয়ে থাকে অর্থাৎ নক্ষত্রদের স্টাডি করে শুধু তাই নয় তারা প্লানেটস গ্রহ এবং আকাশে দেখতে পাওয়া আরো অন্যান্য অবজেক্টকে স্টাডি করে । এই সমস্ত লোকদের বলা হয় অর্থাৎ জ্যোতির্বিজ্ঞানী শব্দটি এসেছ...